Jukto Higher Study Network
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Jukto Higher Study Network, Education, Shere bangla nagar , Bangladesh (Remote & Global Service), Dhaka.
Profile Building, fully funded Scholarship application Service, SOP, LOR, and Essay review Services,10-Minute Consultation, Career Counseling, LinkedIn profile build
25/05/2026
Erasmus Mundus Scholarship নিয়ে তোমার স্বপ্ন এখনই বাস্তব হতে পারে
প্রথম পর্ব: Erasmus Mundus Joint Masters – জানো, বোঝো, শুরু করো…
বাংলাদেশের প্রতিভাবান তরুণ-তরুণীরা আজ শুধু দেশের নয়, গোটা বিশ্বের ভবিষ্যৎ গড়ার কারিগর। কিন্তু অনেকেই জানো না, ইউরোপের সবচেয়ে বড় ফুল-ফান্ডেড মাস্টার্স স্কলারশিপ Erasmus Mundus Joint Masters Scholarship-এর দরজা তোমার জন্যও পুরোপুরি খোলা। না, এখানে শুধু CGPA-এর পেছনে দৌড় নয় প্রয়োজন তোমার আত্মবিশ্বাস, স্পষ্ট লক্ষ্য, সঠিক প্রস্তুতি এবং সময়মতো আবেদন।
এই প্রবন্ধটি সেই স্বপ্নগুলোকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার পথ দেখাতে লেখা। এটা তিন পর্বে প্রকাশিত হবে, আর আজ তুমি পড়ছো প্রথম পর্ব যেখানে আমরা জানবো Erasmus Mundus কী, কেন এটা তোমার জন্য উপযুক্ত,কিভাবে শুরু করতে হবে, আর Step-by-Step আবেদনে কি কি লাগবে, এবং এই Erasmus Mundus Scholarship এর outstanding journey।
Erasmus Mundus Joint Master (EMJM):
Erasmus Mundus Joint Master (EMJM) হলো ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের একটি স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, যা তোমাকে ২ বছরের মধ্যে ২ থেকে ৪টি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স পড়ার সুযোগ দিবে। তুমি শুধু একটি মাস্টার্স ডিগ্রি নয়, বরং একাধিক দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও জীবন যাপনের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারো।
EMJM স্কলারশিপে যা পাবে:
- প্রতি মাসে ১,৪০০ ইউরো স্কলারশিপ, ২ বছর ধরে (বাংলাদেশি টাকায় মাসে প্রায় ১.৮ লাখ টাকা)
- পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ
- ইউরোপজুড়ে কিংবা ইউরোপের বাহিরে পড়ালেখা ও ভ্রমণের সুযোগ
- ইন্টারন্যাশনাল ডিগ্রি (জJoint or Multiple) ও চাকরির সুযোগ
আমি কি Apply করতে পারব? আমি কি স্কলারশিপ পাবো?
অবশ্যই, অবশ্যই পারবে! একেবারে বাস্তব ব্যাপার হলো বাংলাদেশ থেকে গত অনেকগুলো বছরেই প্রতিবছর শতাধিক শিক্ষার্থী ইতিমধ্যে এই স্কলারশিপ পেয়েছে এবং পাচ্ছে।
EMJM-এ আবেদন করার জন্য দরকার:
- একটি প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ব্যাচেলর ডিগ্রি (৩-৪ বছর; ১৬০ European Credits)
- ভালো মোটিভেশন লেটার
- ইংরেজি ভাষার দক্ষতা (IELTS বা সমতুল্য)
- আত্মবিশ্বাস এবং একটি পরিপূর্ণ প্রোফাইল
CGPA কম হলে কি হবে?
না, এতে খুব বেশি কিছু যায় আসে না যদি তুমি দেখাতে পারো যে:
-তুমি কি শিখেছো
-কীভাবে সেটি কাজে লাগাবে
- এবং কেন তুমি Erasmus Mundus-এর জন্য উপযুক্ত
Remember: তোমার বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম খুব বিখ্যাত না হলেও, তোমার স্বপ্নটা বড় হলে তাতেই চলবে। স্বপ্নটা বড় করো, আর সেটা বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত লেগে থাকো; চ্যালেঞ্জ নেওয়া থেকে পালিয়ো না!
________________________________________
কীভাবে শুরু করবো? — Erasmus Journey-এর প্রথম ধাপ
Step 1: ক্যাটালগ ঘাঁটো, নিজের প্রোগ্রাম খুঁজে বের করো..
প্রথমেই যেতে হবে EMJM ক্যাটালগে:
https://www.eacea.ec.europa.eu/scholarships/erasmus-mundus-catalogue_en
এখানে দুই-শতাধিক মাস্টার্স প্রোগ্রাম আছে, যার প্রতিটিই বিভিন্ন নূন্যতম ২টি দেশের ২টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪টি দেশের ৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের জয়েন্ট Partnership/অংশীদারিত্বে তৈরি। প্রতিটি প্রোগ্রামের আছে আলাদা কারিকুলাম, আলাদা সুযোগ, আলাদা আবেদন সময়সীমা।
Step 2: নিজের পছন্দের বিষয় খুঁজে বের করো...
শুধু নাম দেখে নয়, প্রোগ্রামের ভিতরের বিষয়বস্তু দেখো:
- কারিকুলাম
- কনসোর্টিয়াম ইউনিভার্সিটি
- পড়ার বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের নাম
- গবেষণার সুযোগ
- ভবিষ্যতের চাকরির সম্ভাবনা
Step 3: সময়ের মূল্য দাও...
প্রতিটি প্রোগ্রাম বছরে একবার আবেদনের সুযোগ। তুমি যদি একটি প্রোগ্রাম পছন্দ করো কিন্তু সময়মতো আবেদন না করো, পরের বছর সেটি নাও থাকতে পারে।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ বার্তা
তুমি যদি ঢাকার কোনো নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে না-ও পড়ো, অথবা বাংলাদেশের কোনো প্রান্তিক জেলা এলাকার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে পড়াশোনা কর, Erasmus Mundus সবার জন্যই। এই স্কলারশিপ তোমার মেধা, মনোভাব আর পরিশ্রমের প্রমাণ চায় তোমার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় নয়।
তোমার পূর্বসূরিরা পেরেছে, তুমিও পারবে। দরকার কেবল:
- সঠিক তথ্য
- বাস্তবসম্মত প্রস্তুতি
- এবং নিজের উপর ১০০% বিশ্বাস
Step-by-Step আবেদন প্রক্রিয়া: ৫টি ধাপে তোমার সাফল্য
১. প্রোগ্রাম নির্বাচন (Explore the Catalogue):
তোমার আগ্রহ, পড়াশোনার বিষয় এবং ভবিষ্যতের লক্ষ্য অনুযায়ী Erasmus Mundus ক্যাটালগ থেকে প্রোগ্রাম বেছে নাও।
প্রতিটি প্রোগ্রামের ওয়েবসাইটে গিয়ে:
- কারিকুলাম
- ইউনিভার্সিটির নাম
- ভিসা ও ভাষা চাহিদা
- সময়সীমা
..এগুলো ভালোভাবে যাচাই করো।
২. তথ্য সংগ্রহ (Gather Information):
নির্বাচিত প্রোগ্রামের ওয়েবসাইট থেকে -
- Eligibility
- Required Documents
- Language Requirement
- FAQs
- Scholarship Details
..এ সবকিছু খুব ভালোভাবে পড়ো।
মনে রেখো:
তোমার Eligibility শুধু CGPA নয়, তোমার প্রোফাইল, অভিজ্ঞতা, মোটিভেশন সব কিছু মিলিয়ে বিবেচনা করা হয়।
তোমার শক্তিশালী প্রোফাইল গড়তে যা লাগবে
১. Academic Documents:
- ডিগ্রি সার্টিফিকেট (ব্যাচেলর/মাস্টার্স)
- ট্রান্সক্রিপ্ট (শেষ সেমিস্টার পর্যন্ত)
- Appeared সার্টিফিকেট (যদি ফাইনাল ইয়ারে পড়ো)
২. Language Proficiency:
- IELTS (সাধারণত ৬.৫ বা ৭.০)
- TOEFL / Duolingo কিছু প্রোগ্রামে চলতে পারে
কিছু প্রোগ্রাম ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনার সার্টিফিকেট নেয় (বিস্তারিত আরেক পর্বে আলোচনা হবে)
টিপস:
IELTS-এর প্রস্তুতি আগেভাগে শুরু করো। সময়মতো রেজাল্ট না পেলে অনেক প্রোগ্রাম আবেদন নেয় না।
৩. Curriculum Vitae (CV):
- ২/৩ পৃষ্ঠার মধ্যে রাখো
- Europass format ব্যবহার করো
- প্রাসঙ্গিক বিষয় আগে রাখো: Education → Experience → Skills → Courses → Publications → Activities
টিপস:
- যদি মাস্টার্সে আবেদন করো, তাহলে Education আগে দাও
- কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে সংক্ষেপে bullet points এ দাও
- Extra-curricular, কোর্স বা সনদ থাকলে, সেগুলো প্রাসঙ্গিক হলে যোগ করো
৪. Motivation Letter: তোমার গল্প, তোমার শক্তি
Motivation Letter লিখার মূল লক্ষ্য:
- তুমি কেন এই প্রোগ্রাম করতে চাও
- তোমার আগ্রহ কোথা থেকে এসেছে
- এই প্রোগ্রাম তোমার ভবিষ্যতের সাথে কীভাবে যুক্ত
- কেন তোমাকে স্কলারশিপ দেয়া উচিত
টিপস:
- CV এর কথা এখানে কপি-পেস্ট করোনা
- ছোট গল্প আকারে বলো, অনুভব করাও; এমন ভাবে লিখো যেন শেষ হইয়াও শেষ হলো না
- নিজের ভাষায়, সহজে লিখো
-কাউকে দিয়ে রিভিউ করাও
- প্ল্যাজারিজম ও AI-জেনারেটেড টেক্সট এড়িয়ে চলো
৫. Recommendation Letters
- সাধারণত ২টি রেফারেন্স চাওয়া হয়
- তোমার শিক্ষক বা সুপারভাইজর দিতে পারেন
- কেউ যদি তোমাকে ভালোভাবে না চিনে, তার কাছ থেকে রেফারেন্স না নেয়াই ভালো
আমাদের দেশে সাধারণ সমস্যা:
- শিক্ষক ব্যস্ত, নিজেই লিখে দিতে হতে পারে (অনুমতি ও অর্ডার সাপেক্ষে )
- নিজের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বাস্তব উদাহরণ দিয়ে লিখো
- রেফারিকে সময় দাও, প্রয়োজনে রিমাইন্ডার দাও
পরবর্তী পর্বে কী থাকবে?
এই সিরিজের দ্বিতীয় পর্বে আমরা জানবো—
- ডকুমেন্টস কিভাবে তৈরি ও জমা দিবে?
- তোমার CGPA কম হলে কি করবে?
- প্রুফ অব ন্যাশনালিটি ও রেসিডেন্স সার্টিফিকেট
- স্কলারশিপ কাভারেজ ও ফাইন্যান্সিয়াল পরিকল্পনা
-অতিরিক্ত ডকুমেন্টস ও সফল অ্যাপ্লিকেশন ট্র্যাক
Stay tuned!
নিজেকে প্রস্তুত করো,তোমার স্বপ্ন পূরণ করতে আমরা পাশে আছি। স্কলারশিপের মেম্বারশিপ ব্যাচে ভর্তি হতে আমাদের ইনবক্স করুন
contact 01711-772509
Follow Grad Academy
23/05/2026
যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে অস্থায়ীভাবে বসবাসরত কোনো বিদেশি নাগরিক যদি গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করতে চান, তাহলে তাকে নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে। সংস্থাটির মতে, এই নীতি অভিবাসন ব্যবস্থাকে আইনের মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখবে এবং বিদ্যমান আইনি ফাঁকফোকর বন্ধ করতে সহায়তা করবে।
শুক্রবার প্রকাশিত নতুন নির্দেশিকায় ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইএস) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ভেতর থেকে অভিবাসন স্ট্যাটাস পরিবর্তন বা স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়া কোনো স্বয়ংক্রিয় অধিকার নয়; বরং এটি সরকারের বিবেচনার ভিত্তিতে দেওয়া একটি সুবিধা।
সংস্থাটি আরও বলেছে, অস্থায়ী ভিসাধারীদের ক্ষেত্রে মূল প্রত্যাশা হলো—তাদের অবস্থানের উদ্দেশ্য শেষ হলে তারা যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করবেন। তবে প্রতিটি আবেদন পৃথকভাবে মূল্যায়ন করা হবে। এ সময় কর্মকর্তারা আবেদনকারীর ভিসার শর্ত মানা, অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান করা হয়েছে কি না, অবৈধভাবে কাজ করেছেন কি না, কোনো ধরনের জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন কি না এবং সামগ্রিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের আইন ও নিয়মকানুন মেনে চলেছেন কি না এসব বিষয় বিবেচনায় নেবেন।
ইউএসসিআইএস জানিয়েছে, কিছু সীমিত ব্যতিক্রমও রয়েছে। যেমন, ‘ডুয়েল ইনটেন্ট’ বা দ্বৈত উদ্দেশ্যের নির্দিষ্ট কিছু ভিসা ক্যাটাগরিতে অস্থায়ী ভিসাধারীরা স্থায়ী বসবাসের আবেদন করার সময়ও যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পেতে পারেন। তবে এসব ক্যাটাগরিতে থাকলেই গ্রিন কার্ড পাওয়া নিশ্চিত নয়; প্রতিটি আবেদনই সংশ্লিষ্ট নিয়ম ও যোগ্যতার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে।
Grad Academy
22/05/2026
যারা R Programming শিখতে আগ্রহী, বিশেষ করে research, statistics, data analysis কিংবা bioinformatics নিয়ে কাজ করতে চান, তারা “R Programming: Statistical Data Analysis in Research” বইটি পড়ে দেখতে পারেন।
বইটি অত্যন্ত সহজ ভাষায় লেখা এবং beginner-friendly হওয়ায় নতুনদের জন্যও বুঝতে সুবিধা হবে। ধাপে ধাপে R-এর basic থেকে গুরুত্বপূর্ণ statistical analysis পর্যন্ত সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা academic research ও practical data analysis দুই ক্ষেত্রেই বেশ helpful হতে পারে। কারো প্রয়োজন হলে comment-এ জানাতে পারেন।
22/05/2026
২.৯০ সিজিপিএ, নেই জিআরই, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী তবু ফুল-ফান্ডেড পিএইচডি। নাফিজার গল্পটা আসলে স্বপ্নকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করার গল্প।
যে মেয়েটিকে একসময় বলা হয়েছিল, "তোমার আর পড়াশোনার দরকার নেই, বিয়ে দিয়ে দেব" আজ সেই মেয়েই বিদেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুল-ফান্ডেড পিএইচডির পথে। শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও, এটাই নাফিজার বাস্তবতা। তার এসএসসির জিপিএ ছিল ৪.৩৩, এইচএসসিতে ৩.৫৮। ফলাফল এমন ছিল না যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির স্বপ্ন দেখবেন। আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকেও উৎসাহের চেয়ে নিরুৎসাহই বেশি পেয়েছেন। অনেকেই মনে করতেন, এই ফলাফল নিয়ে খুব বেশি দূর এগোনো সম্ভব নয়।
কিন্তু জীবনের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাগুলো কখনো পরীক্ষার খাতায় হয় না। নাফিজার ক্ষেত্রেও হয়েছে ঠিক সেটাই। পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুব একটা ভালো ছিল না। এর মধ্যেই তার বাবা হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন। চিকিৎসার পেছনে চলে যায় পরিবারের সঞ্চিত অর্থ। ছোট ভাই একটি ফুড কার্ট চালিয়ে সংসারে সাহায্য করছিল, কিন্তু উচ্ছেদ অভিযানে সেটিও বন্ধ হয়ে যায়। পরিবার তখন এক অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে।
এই পরিস্থিতিতে নাফিজা বসে থাকেননি। একটি কিন্ডারগার্টেনে চাকরি নেন। প্লে থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত শিশুদের পড়াতেন। পাশাপাশি টিউশনিও করাতেন। নিজের পড়াশোনা চালিয়ে নেওয়া এবং পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য যা যা করা দরকার, সবই করছিলেন তিনি। কিন্তু দুর্ভাগ্য তখনো তার পিছু ছাড়েনি। কিছুদিনের মধ্যেই তিনি বাবাকে হারান।
বাবার মৃত্যুর পর পরিবার আরও বড় সংকটে পড়ে। গ্রামের বাড়িতে কিছু জমি ছিল, কিন্তু সেগুলো দীর্ঘদিন ধরে আত্মীয়দের দখলে ছিল। নানা জটিলতার পর কিছু জমি ফেরত পাওয়া গেলেও ন্যায্য দামে বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত কম দামেই বিক্রি করতে হয়। সেই অর্থ দিয়ে তার ভাই একটি ছোট হোটেল ব্যবসা শুরু করেন। ধীরে ধীরে পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়।
এরই মধ্যে নাফিজা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক সম্পন্ন করেন। তার সিজিপিএ ছিল মাত্র ২.৯০। বাংলাদেশের বাস্তবতায় এই ফলাফল নিয়ে বিদেশে পিএইচডির স্বপ্ন দেখা অনেকের কাছেই অবাস্তব মনে হতে পারে। কিন্তু নাফিজা তখন বুঝতে শুরু করেছিলেন, জীবনের বড় অর্জনগুলো শুধু সিজিপিএ দিয়ে নির্ধারিত হয় না।
তৃতীয় বর্ষে পড়ার সময় উচ্চশিক্ষাবিষয়ক একটি সেমিনারে অংশ নেন তিনি। সেখানে বিদেশে গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলছিলেন বিভাগের এক সাবেক শিক্ষার্থী। সেই সেমিনার তার চিন্তার জগৎ বদলে দেয়। তিনি উপলব্ধি করেন, ডিগ্রি অর্জন আর প্রকৃত জ্ঞান অর্জন এক জিনিস নয়। নিজের দিকে তাকিয়ে দেখলেন, তিনি কম্পিউটার সায়েন্সে পড়ছেন ঠিকই, কিন্তু বিষয়ভিত্তিক গভীর দক্ষতা অর্জনের অনেক জায়গা এখনো বাকি।
সেই উপলব্ধি থেকেই শুরু হয় তার নতুন যাত্রা। তিনি সিলেবাসের বাইরে গিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। নতুন নতুন প্রযুক্তি, সফটওয়্যার এবং গবেষণার টুল শেখেন। গ্রাজুয়েশন শেষে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি নেন। বেতন ভালো ছিল, কিন্তু তার ভেতরে তখন আরেকটি স্বপ্ন জন্ম নিয়েছে বিদেশে গবেষণা করা।
একদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখলেন, তার এক বন্ধু ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন। সেই পোস্ট তার ভেতরের আগ্রহকে আরও উসকে দেয়। বন্ধুর সঙ্গে কথা বলে তিনি বিদেশে উচ্চশিক্ষার আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা নিতে শুরু করেন। তখনই বুঝতে পারেন, তার সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো গবেষণা অভিজ্ঞতা।
তার বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার সুযোগ সীমিত ছিল। তবুও তিনি থেমে থাকেননি। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া বন্ধুদের সহায়তায় একটি গবেষণা দলে যুক্ত হন। ধীরে ধীরে গবেষণার কাজ শুরু করেন। কয়েকটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়, আন্তর্জাতিক কনফারেন্সেও কাজ উপস্থাপনের সুযোগ পান। একই সঙ্গে ইংরেজি দক্ষতা উন্নয়নে মনোযোগ দেন এবং টোফেল পরীক্ষায় ১১০ স্কোর অর্জন করেন।
সবকিছু ঠিকঠাক এগোচ্ছে বলে মনে হলেও বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। একটি এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশে আবেদন করার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। প্রতিশ্রুতি ছিল অনেক, কিন্তু ফলাফল ছিল হতাশাজনক। প্রত্যাশিত কোনো স্কলারশিপ পাননি। সেই অভিজ্ঞতা তাকে বুঝিয়ে দেয়, বিদেশে উচ্চশিক্ষার আবেদন শুধু নম্বর, টেস্ট স্কোর বা সার্টিফিকেটের বিষয় নয়। এখানে প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা, উপযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন এবং কার্যকর যোগাযোগ দক্ষতা।
এরপর তিনি পুরো এক বছর সময় দেন নিজেকে আরও প্রস্তুত করতে। কীভাবে অধ্যাপকদের ই-মেইল করতে হয়, কীভাবে স্টেটমেন্ট অব পারপাস লিখতে হয়, কীভাবে গবেষণার আগ্রহকে উপস্থাপন করতে হয় এসব নিয়ে গভীরভাবে কাজ করেন। অসংখ্য অধ্যাপককে ই-মেইল পাঠান। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কোনো উত্তর আসেনি। যেগুলো এসেছে, সেগুলোর অনেকগুলোই ছিল নেতিবাচক। তবু তিনি হাল ছাড়েননি।
একদিন লিংকডইনে একটি পোস্ট তার নজরে আসে। একজন অধ্যাপক নতুন গবেষক খুঁজছিলেন। নাফিজা এবার অন্যদের মতো শুধু আবেদন করেননি। আগে সেই অধ্যাপকের গবেষণাকর্ম পড়েছেন, তার আগ্রহের ক্ষেত্র বুঝেছেন, নিজের অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিল খুঁজেছেন। তারপর যোগাযোগ করেছেন।
সেই যোগাযোগই বদলে দেয় তার জীবনের গতিপথ। অধ্যাপক তার সিভি ও গবেষণা অভিজ্ঞতা দেখে ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকেন। ইন্টারভিউ ভালো হয়। কিছুদিন পর আসে বহু প্রতীক্ষিত সেই ই-মেইল অফার লেটার। শুধু অফার নয়, সঙ্গে ছিল সম্পূর্ণ অর্থায়নসহ ফুল-ফান্ডেড পিএইচডির সুযোগ।
আজ নাফিজা সেই স্বপ্নের পথেই হাঁটছেন। তার গল্পটি শুধু একটি স্কলারশিপ পাওয়ার গল্প নয়। এটি প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের গল্প, নিজেকে নতুন করে গড়ে তোলার গল্প, এবং বারবার ব্যর্থ হওয়ার পরও আবার উঠে দাঁড়ানোর গল্প।
কারণ শেষ পর্যন্ত সিজিপিএ একটি সংখ্যা মাত্র। কিন্তু শেখার আগ্রহ, অধ্যবসায়, ধৈর্য এবং নিজের ওপর বিশ্বাস এই গুণগুলোর কোনো গ্রেডিং সিস্টেম নেই। আর অনেক সময় জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্যগুলো তৈরি হয় ঠিক সেখান থেকেই।
Content and Copyright Grad Stories
Share your campus stories with us by sending a message
22/05/2026
স্প্রিংগার নেচারের জার্নালে প্রকাশ হলেই কেউ কেউ বেশ ভাব নেন। কিন্তু একটু ভেবে দেখেছেন কি কেন নেচার নিয়মিত নতুন উন্মুক্ত প্রবেশাধিকারভিত্তিক জার্নাল চালু করে, অথচ সায়েন্স খুব একটা করে না?
বিষয়টা আসলে তাদের গঠনগত পার্থক্যের মধ্যে লুকিয়ে আছে। বাইরে থেকে নেচার আর সায়েন্স একই ধরনের মনে হলেও, ভেতরে বড় একটি তফাৎ রয়েছে। নেচার একটি লাভভিত্তিক প্রতিষ্ঠান, আর সায়েন্স পরিচালিত হয় অলাভজনক একটি সংগঠনের মাধ্যমে।
এই পার্থক্যটাই পুরো চিত্র বদলে দেয়।
স্প্রিংগার নেচারের মতো প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হলো আয় বাড়ানো এবং লাভ সর্বোচ্চ করা। কারণ তাদের শেয়ারধারী আছে। তাই তারা নতুন নতুন জার্নাল চালু করে, বেশি সংখ্যায় প্রবন্ধ জমা নেয়, এবং প্রবন্ধ প্রকাশের জন্য নেওয়া ফি থেকে বড় অঙ্কের অর্থ আয় করে। তাদের জন্য জার্নাল বাড়ানো শুধু একাডেমিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং সুস্পষ্ট ব্যবসায়িক কৌশল। ২০২৫ সালে তাদের আয় ছিল প্রায় ২.২২ বিলিয়ন ডলার, যার একটি বড় অংশই লাভ এটা দেখায় এই মডেল কতটা কার্যকরভাবে কাজ করছে।
অন্যদিকে, সায়েন্স প্রকাশ করে আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য অ্যাডভান্সমেন্ট অব সায়েন্স, যা একটি অলাভজনক সংগঠন। তাদের লক্ষ্য লাভ করা নয়, বরং জ্ঞানচর্চাকে এগিয়ে নেওয়া। তাই তারা সাধারণত সীমিত সংখ্যক, কিন্তু অত্যন্ত বাছাইকৃত জার্নাল পরিচালনা করে। এখানে পরিমাণের চেয়ে মান এবং প্রভাব বেশি গুরুত্ব পায়।
ফলে দুই ধরনের মডেল সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও আলাদা হয়ে যাচ্ছে। একদিকে এমন একটি ব্যবস্থা, যা নতুন জার্নাল খুলে, নতুন গবেষণার ক্ষেত্র ধরতে চায় এবং বড় পরিসরে প্রকাশনার মাধ্যমে আয় বাড়ায়। অন্যদিকে এমন একটি ব্যবস্থা, যা কম সংখ্যক জার্নালের মধ্যেই নিজেদের মর্যাদা ও প্রভাব ধরে রাখতে চায়।
তাই নেচার আর সায়েন্সের পার্থক্য বুঝতে হলে শুধু সম্পাদকীয় নীতি নয়, বরং তাদের কাজের পেছনের প্রণোদনাগুলো বোঝাই আসল বিষয়।
Follow for Scholarship Update Grad Academy & Jukto Higher Study Network
বিদেশে স্কলারশিপ এপ্লিকেশন গাইডেন্স, রিসোর্স, পিডিএফ, এপ্লিকেশন এলার্ট, ডেডলাইন সবকিছু পাবেন আমাদের টেলিগ্রাম সাপোর্ট গ্রুপে , এখনি জয়েন করুন।
এখনই জয়েন করুন: t.me/Gradacademybd
তুমি যদি ইউরোপে একটা ফুল ফান্ডেড ইরাসমুস মুন্ডাস স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে চাও তাহলে এই ভিডি টা শেষ পর্যন্ত দেখ ।
মেন্টরশিপে জয়েন করতে চাইলে সাপোর্ট ফর্ম টি পূরন করুন
https://forms.gle/tCMk3usuVm4abdMh7
WhatsApp support: Wa.me/+8801711772509
19/05/2026
As of today, 18 May 2026, we are happy to announce that 130 Bangladeshi students have been selected in 124 different EMJM programs for session 2026-2028 !
Congratulations to all selected students! 👏
We are very proud of your success!
If you have also received an EMJM offer and want to connect with us, please fill out this form:
👉 https://forms.gle/tCMk3usuVm4abdMh7
Erasmus Mundus Joint Master (EMJM) স্কলারশিপ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর
Erasmus Mundus Joint Master বা EMJM শুধু একটি স্কলারশিপ নয়; এটি ইউরোপের একাধিক দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে একসাথে পড়াশোনা, আন্তর্জাতিক exposure, academic excellence, intercultural learning এবং ভবিষ্যৎ global career গঠনের একটি অসাধারণ সুযোগ। বাংলাদেশ থেকে ইদানীং প্রতি বছর বহু শিক্ষার্থী EMJM-এর জন্য আবেদন করে, কিন্তু অনেকেই সঠিক তথ্য, সঠিক strategy এবং সঠিক document preparation-এর অভাবে পিছিয়ে যায়। বাংলাদেশি higher study aspirants-দের জন্য EMJM নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ১৩১টি প্রশ্নের উত্তর দিতে (যেগুলো রেগুলার ব্যাসিস শিক্ষার্থীরা জিজ্ঞেস করে) যেন একজন শিক্ষার্থী শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো application journey সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পায়।
----------
প্রশ্ন ১: Erasmus Mundus Joint Masters বা EMJM কী?
Erasmus Mundus Joint Masters হলো European Union-funded একটি highly prestigious international master’s programme, যেখানে শিক্ষার্থীরা ইউরোপের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের consortium-এর অধীনে পড়াশোনা করে। সাধারণত একটি EMJM programme-এ ২–৪টি বিশ্ববিদ্যালয় থাকে এবং শিক্ষার্থীকে একাধিক দেশে mobility করতে হয়। এক কথায় - এটি শুধু degree নয়; এটি একটি international academic journey।
প্রশ্ন ২: EMJM scholarship কে funding করে?
EMJM scholarship-এর funding আসে European Union-এর Erasmus+ programme থেকে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো programme পরিচালনা করে, কিন্তু scholarship funding মূলত EU-এর মাধ্যমে দেওয়া হয়। এজন্য এটি অত্যন্ত সম্মানজনক এবং globally recognized funding opportunity।
প্রশ্ন ৩: EMJM কি fully funded scholarship?
হ্যাঁ, EMJM সাধারণত fully funded scholarship। এতে tuition fee, monthly allowance, travel contribution, installation support এবং insurance cover থাকতে পারে। তবে প্রতিটি programme-এর funding structure আলাদা হতে পারে, তাই official website দেখুন।
একই সাথে, নন-সিলেক্টেড শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন EMJM প্রোগ্রামে Partial Funding support দিতে পারে, এবং কিছু কিছু প্রোগ্রামে Self-Funding-এ পড়ালেখার সুযোগ রয়েছে।
প্রশ্ন ৪: EMJM scholarship-এ কত টাকা পাওয়া যায়?
সাধারণভাবে EMJM scholarship-এ মাসিক allowance ১,৪০০ ইউরো (আজকের বাংলাদেশি তাকার রেট অনুযায়ী - ২ লাখ+)। এই অর্থ দিয়ে ইউরোপের যেকোন দেশে student life সুন্দরভাবে manage করা সম্ভব, তবে জীবনযাত্রার খরচ দেশভেদে ভিন্ন হয়। যেমন ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, স্পেন, নেদারল্যান্ডস প্রতিটি দেশের living cost এক নয়।
প্রশ্ন ৫: EMJM কি শুধু Master’s level-এর জন্য?
হ্যাঁ, EMJM শুধুমাত্র Master’s level-এর জন্য। যারা Bachelor শেষ করেছেন বা শেষ বর্ষে আছেন এবং Master’s করতে চান, তাদের জন্য এটি একটি অসাধারণ opportunity। PhD-level funding-এর জন্য Marie Skłodowska-Curie Actions, university funding বা doctoral network opportunities বেশি relevant। ব্যাচেলর লেভেলের শিক্ষার্থীরা কিংবা ইউনিভার্সিটি স্টাফরা Erasmus+ ICM প্রোগ্রামের অধীনে শর্ট টাইম মোবিলিটিতে যেতে পারেন শিক্ষা কিংবা শিক্ষা সম্পর্কিত কার্যক্রমে।
প্রশ্ন ৬: EMJM programme-এর duration কত?
সাধারণত EMJM programme ১ থেকে ২ বছর মেয়াদি হয়। বেশিরভাগ programme ২ বছরের, অর্থাৎ 120 ECTS credit-এর হয়। কিছু programme 60 বা 90 ECTS-এর হতে পারে, তাই programme-specific information ভালোভাবে দেখতে হবে।
প্রশ্ন ৭: EMJM-এ কি একাধিক দেশে পড়তে হয়?
হ্যাঁ, EMJM-এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো international mobility। সাধারণত শিক্ষার্থীরা programme-এর বিভিন্ন semester ভিন্ন ভিন্ন European university বা partner institution-এ complete করে। এই mobility শিক্ষার্থীদের academic, cultural এবং professional exposure বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
প্রশ্ন ৮: EMJM degree কী ধরনের হয়?
Programme অনুযায়ী EMJM-এ joint degree, double degree বা multiple degree দেওয়া হতে পারে। Joint degree মানে consortium-এর বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মিলে একটি সম্মিলিত degree দেয়, আর multiple degree মানে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আলাদা degree certificate পাওয়া যায়।
প্রশ্ন ৯: EMJM কি বিশ্বব্যাপী recognized?
অবশ্যই। EMJM degree আন্তর্জাতিকভাবে highly recognized, কারণ এটি European universities-এর joint academic quality assurance-এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়। Scholarship holder হিসেবে EMJM অর্জন করলে CV, academic profile এবং future career-এর জন্য এটি একটি বড় achievement।
প্রশ্ন ১০: EMJM কি শুধু ইউরোপে চাকরির জন্য ভালো?
না, EMJM শুধু ইউরোপে চাকরির জন্য নয়; এটি global career-এর জন্য শক্তিশালী platform। আপনি ইউরোপ, বাংলাদেশ, international organizations, development sector, research institutions, academia বা multinational companies বিভিন্ন জায়গায় career build করতে পারবেন।
প্রশ্ন ১১: বাংলাদেশি সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কি EMJM-এর জন্য eligible?
অবশ্যই। বাংলাদেশি সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা EMJM-এর জন্য eligible এবং প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে অনেক শিক্ষার্থী এই scholarship অর্জন করে। তবে eligibility programme অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে, তাই প্রতিটি programme-এর specific criteria ভালোভাবে পড়তে হবে।
প্রশ্ন ১২: EMJM-এর জন্য minimum academic qualification কী?
সাধারণত Bachelor degree প্রয়োজন। যেহেতু এটি Master’s programme, তাই applicant-এর অবশ্যই relevant undergraduate background থাকতে হবে। তবে final year students অনেক programme-এ apply করতে পারে, যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে graduation complete করতে পারে এবং ফাইনাল সার্টিফিকেট জমা দিতে পারে।
প্রশ্ন ১৩: Final year student কি apply করতে পারে?
হ্যাঁ, অনেক EMJM programme final year students-দের apply করার সুযোগ দেয়। তবে আপনাকে proof দিতে হতে পারে যে আপনি programme শুরুর আগে Bachelor complete করবেন। এই ক্ষেত্রে expected graduation certificate বা university letter helpful হতে পারে।
প্রশ্ন ১৪: CGPA কত হলে EMJM-এ apply করা যায়?
প্রতিটি programme-এর minimum requirement আলাদা। অনেক programme ২.৭৫ বা ৩.০০ equivalent CGPA accept করতে পারে, আবার highly competitive programme-এ stronger academic record দরকার হতে পারে (যেমন - ৩.২৫)। তবে scholarship selection শুধু CGPA-based নয়।
ইরাসমুস স্কলারশিপের মেন্টরশিপ ব্যাচে জয়েন করতে আমাদের সাপোর্ট ফর্ম টিম পূরন করুন । সিলেক্টেড স্টুডেন্ট দের মেন্টরশিপ প্রোগ্রামের জন্য ইমেল করা হবে ।
Follow For more updates on Grad Academy and Grad Stories
মেন্টরশিপের জন্য যোগাযোগঃ Wa.me/+8801711772509
17/05/2026
Paid Remote Internship Opportunity
Position: Digital Content Editor
Working Hours: 4 hours/day
Work Style: Flexible complete tasks
within 24 hours
Working Days: 7 days
Remuneration: BDT 2,000
Eligibility Criteria
1. Must be a 1st-year or 2nd-year university student
2. Must have own PC/laptop and a stable internet connection
3.Strong understanding of news and awareness of national & international affairs
4. Basic design skills and familiarity with Canva or Photoshop (preferred) Training will be provided if you have no prior design experience
Role & Responsibilities
1. Design and upload daily news cards for social media platforms
2. Ensure accuracy, clarity and proper presentation of news
3. Maintain timely submission and coordinate with the editorial team
If you are interested Comment "Internships"
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka
1207