23/06/2026
পুরো লিখাটা পড়লাম। চিরন্তন সত্য কথা। তাই শেয়ার দিলাম। এই পেইজের প্রতি আরো শ্রদ্ধা বেড়ে গেলো।
সবাই এগিয়ে আসলে স্কুল রক্ষা হবে।
১৭ এপ্রিল ২০২৫ সালে পোস্ট করেছিলাম আমাদের গর্ব।
একজন হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান।
আরেকজন হয়েছে মাননীয় মন্ত্রী এবং আমাদের স্কুলের গভর্নিং বডি চেয়ারম্যান ইশরাক স্যার।
ইশরাক স্যারের কোন বদনাম হতে আমরা দিবো না।
ইশরাক স্যার আপনি শুধু এই ফেসবুক টা একটু কষ্ট করে আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করে দেখবেন। তাহলে স্কুলের ভালো মন্দ সকল তথ্য পাবেন।
অনেকে চেষ্টা করতেছে আমাদের ফেসবুক হ্যাক করার জন্য আল্লাহর রহমতে তারা পারবে না।
আমাদের দেশে বিদেশে অনেকে এডমিন। অনেক প্রাক্তন স্টুডেন্ট এবং শিক্ষক সহযোগিতায় আছে।
আমাদের মূল লক্ষ্য স্কুল রক্ষা করার। বর্তমান সভাপতি ইশরাক স্যারের যেন বদনাম না হয়।
স্কুলের সভাপতি একজন দক্ষ মন্ত্রী এটা স্কুলের ভাগ্যের ব্যাপার।
মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় বর্তমানে আপনার নাম বিক্রি করে কথিত শিক্ষক মেহনাজ, রেখা, আকলিমা, সায়নিকা, সুমি, আলেয়া, মাজেদা, জোসনা গং স্কুলে কিভাবে জয়েন দিলো এটা কারো বোধগম্য নয়।
শিক্ষা মন্ত্রনালয়, শিক্ষা বোর্ড তাদের নিয়োগ যোগদান সব অবৈধ ঘোষণা করেছে। রিপোর্ট স্কুলে এবং মাউশিতে সংরক্ষিত।
এদের বেতন এবং যোগদান যদি গভর্নিং বডি অনুমোদন দেয়। তাহলে ভবিষ্যতে এটা নিয়ে মামলা করলে গভর্নিং বডি এবং বর্তমান প্রিন্সিপাল বিপদে পড়বে।
কোন ক্ষমতা চিরস্থায়ী না। পঁচা শামুকে পা কাটে।
কুকুরে আঁচড় দিলে ইনজেকশন না নিলে পরে বিপদ হয়।
ঠিক এই কয়েকজন কথিত শিক্ষক পঁচা শামুক, পা কেটে যেতে পারে।
সদ্য সাবেক সভাপতি ছিল জনাব জাকির হোসেন কামাল একজন সিনিয়র রাজনীতিবীদ এবং একজন চৌকস দক্ষ আমলা সচিব ছিলেন।
উনি নিজেই মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ মেনে সকল অবৈধ নিয়োগ বাতিল করেছেন।
জাকির হোসেন কামাল সাহেব ও বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত।
প্রয়োজনে সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন কামাল স্যারের কাছ থেকে মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট নিতে পারেন।
মাননীয় মন্ত্রী জনাব ইশরাক স্যার আপনি বিএনপির নেতা এমপি, মন্ত্রী।
জাকির হোসেন কামাল স্যারও বিএনপির নেতা সাবেক আমলা।
তিনি সভাপতি থাকাকালীন সময়ে তার সিদ্ধান্ত বাতিল করতে চায় কিছু দুষ্ট কথিত শিক্ষক।
তাহলে আপনাদের মধ্যে বিভাজন হবে।অন্যরা সুযোগ নিবে।
কথিত শিক্ষক রেখার স্বামীকে ভাড়া করে এনে ঢোল পিটাবে আর হাসাহাসি করবে। রেখার স্বামী ঢুলি ভাড়ায় ক্ষেপ মারে।
কি? সত্যি বললাম দেখে রাগ করলা।
মাননীয় সভাপতি ইশরাক স্যার আপনি শুধু কষ্ট করে মন্ত্রণালয়ের রিপোর্টগুলো দেখেন।
এদের বেতন ভুলে ও দিয়েন না।
স্কুলের টাকা ভবিষ্যতে এগুলো অনেক ঝামেলা হতে পারে। গভর্নিং বডি আর সিনিয়র ডিঙ্গিয়ে প্রিন্সিপালের চেয়ারে বসা রোজিনা শাহীন বিপদে পড়বে। বেশি ঝামেলা এবং আইনি জটিলতায় পড়বে রোজিনা শাহীন পদাধিকার বলে গভর্নিং কমিটির সচিব রোজিনা বেগম।
জনাব ইশরাক স্যার আপনি মন্ত্রী কিন্তু সবার।
স্কুলের কোমলমতি বাচ্চাদের কথা চিন্তা করে স্কুলের ভালোর জন্য, মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক দয়া করে কাজ করেন। প্লিজ স্যার।
প্রয়োজনে এমপিও সিনিয়র শিক্ষকদের সাথে আলাদা বসে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ গুলো দেখেন।
এই পেইজ সব সময় স্কুলের ভালোর জন্য সঠিক তথ্য তুলে ধরেছে এবং সামনে ও ধরবে।
বিন্দু পরিমান মিথ্যা তথ্য পেইজে লিখবে না।
স্কুলের সকল অনিয়ম আমরা তুলে ধরবো। সেগুলো আপনি যাচাই করে দয়া করে সিদ্ধান্ত নিবেন।
আমাদের বর্তমান সভাপতি মাননীয় এমপি, মন্ত্রী ইশরাক স্যারের সাথে আমাদের গ্রুপ এডমিনরা আছি। স্যারের কোন বদনাম হতে দিবো না।
ইশরাক স্যার ভালো লোক জয়ের মালা তাঁহারই হোক।
কপি পোস্ট Shere Bangla Balika
চমৎকার সত্য লিখা।