05/10/2025
আমরা শিক্ষকরা কাজ করি জ্ঞানের বন্ধন গড়তে, ঠিক যেমন পরমাণু গড়ে তোলে অণু। শেখাতে চাই তত্ত্ব আর সূত্র, তবে তার চেয়েও বেশি শেখাতে চাই সহানুভূতি আর মানবতা। জানিনা কতটুকু পারি, তবে চেষ্টা থাকে নিরন্তর...
আজ, শিক্ষক দিবসে শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাই আমার জীবনে প্রথম থেকে আজ পর্যন্ত পাওয়া প্রতিটি ধাপের মহান শিক্ষকদের, আমার সহকর্মী এবং প্রতিটি শিক্ষার্থীকে, যাদের নিবিড় সহচার্যে আজকের এই ক্ষুদ্র আমি।
এই দিনে প্রত্যাশা করি, আমরা যেন হতে পারি এমন অনুঘটক- যারা জ্ঞান এবং শান্তির বিক্রিয়া ঘটায়।
🎓🌻শুভ বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৫🌻🎓
তাসনীম ফেরদৌস
Learning everyday...
27/05/2024
প্রশ্ন হল, কেন ট্রেন আসার ঠিক পূর্ব মুহূর্তে গাড়ি যখন রেল লাইনে উঠে, তখনই চাকা অচল হয়ে থুবড়ে দাঁড়িয়ে যায়। অথচ দূরত্ব মাত্র তিন হাত জায়গা। এখানে কিছু বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার প্রয়োজন আছে! বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা দিয়েছেন পদার্থ বিজ্ঞানের অধ্যাপক বলরাম ভৌমিক। তিনি বললেন, যখন ট্রেন লেভেল ক্রসিং এর প্রায় কাছাকাছি চলে আসে অর্থাৎ সীমার মধ্যে এসে যায়, তখন লাইনের মধ্যে চাকার ঘর্ষণের ফলে ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক পাওয়ার বা তড়িৎ চুম্বকীয় শক্তির কারণে পুরো রেল লাইন আবিষ্ট হয়ে যায়। যার ফলে সে সময়ে লাইনে অন্য কোন গাড়ি উঠলে সাথে সাথে তার ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। এ কারণে কম সময়ে গাড়িটি রেল লাইন থেকে সরে যেতে পারে না। অথচ যখন রেল গাড়ি নির্দিষ্ট রেঞ্জের বাইরে থাকে তখন লেভেল ক্রসিং পার হওয়াতে কোন সমস্যাই নেই। এজন্য অনেকের মুখে আমরা প্রায় শুনে থাকি, রেল লাইনে কেন মোটর গাড়ির ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যায়?
একবার ভাবুনতো দুটো রেল লাইনের মধ্যে বিস্তারটা কত! আড়াই বা তিন হাতের বেশি নয়। এই তিন হাত অনেক পুরুষ লাফিয়ে পার হতে পারে। কিন্তু ট্রেন খুবই কাছাকাছি চলে এলে, তখন লাফিয়ে পার হবার চেষ্টা করা মানেই মৃত্যু নিশ্চিত! তখন তড়িৎ চুম্বকীয় শক্তির কারণে মানুষ লাফানোর শক্তি হারিয়ে ফেলবে বলেই মৃত্যু নিশ্চিত। এ চুম্বকীয় শক্তির কারণে মানুষকে টেনে রাখবে বলে সমস্ত শরীর অধিক ভার (ওজন) হয়ে যাবে। এই কারণেই লেভেল ক্রসিং এ গেইট বন্ধ করে ট্রেন আসার প্রায় ১০ মিনিট আগে, যাতে ম্যাগনেটিক ফিল্ড সৃষ্টি হতে না পারে। কিন্তু আমাদের সাধারণ জনগন প্রায় বলতে শুনেছি, "ট্রেন আসার আগেই গেইট ফেলে সে চুপচাপ বসে আরাম করে। মানুষকে কষ্ট দেয়।”
©
21/05/2024
বাংলাদেশের একজন বিজ্ঞানী সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে স্টিফেন হকিং বলেছিলেন, "সে সেরা। আমি তার কাছে কিছুই না।"
"সায়েন্স ওয়ার্ল্ড" নামে একটি বিজ্ঞান ম্যাগাজিন ২০০৭ সালে জামাল নজরুল ইসলামকে নিয়ে একটি ফিচার ছাপিয়েছিল। বাংলাদেশের কোনো ম্যাগাজিনে উনাকে নিয়ে লেখা এটিই ছিলো প্রথম ও শেষ ফিচার।
"কৃষ্ণবিবর" নামে উনার একটি বই আছে যেটা বাংলাদেশে খুঁজে পাওয়া কষ্টকর ।
শুধু এটাই নয়, "কৃষ্ণবিবর" "দ্য আল্টিমেট ফেইট অব ইউভার্স" "রোটেটিং ফিল্ডস ইন জেনারেল রিলেটিভিটি" বইগুলো অক্সফোর্ড কেমব্রিজ আর হার্ভার্ড এর মত বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরও ১০০ টারও বেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো পড়ানো হয়।
কিন্তু যে দেশে তিনি জন্মেছিলেন, সেই বাংলাদেশের কোন একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার বই থেকে কোন লেকচার দেয়া হয় বলে আমার জানা নেই...
২০০১ সালে যখন পৃথিবী ধ্বংস হবার একটা গুজব উঠেছিল তখন জামাল নজরুল ইসলাম অংক কষে বলেছিলেন পৃথিবী তার কক্ষপথ থেকে ছুটে চলে যাবার কোনো সম্ভাবনা নেই।
স্টিফেন হকিং কে চিনে না এমন মানুষ খুব কম আছে। উনার লেখা "আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম" বইটি এক কোটি কপিরও বেশী বিক্রি হয়েছে সারাবিশ্বে । সে বইটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৮৮ সালে।
কিন্তু এই বইটি প্রকাশের প্রায় ৫ বছর আগেই ১৯৮৩ সালে জামাল নজরুল ইসলাম "দ্যা আল্টিমেট ফেইট অব দ্য ইউনিভার্স" বইটি লিখেছিলেন। দুটো বই-ই প্রায় একই সব টপিকের উপর লিখা। ব্লাকহোল, ওয়ার্ম হোল, সুপারনোভা, কসমিক রেডিয়েশন, প্যারালাল ইউনিভার্স, বাটারফ্লাই ইফেক্ট ইত্যাদি সব জোতিপদার্থর্বিজ্ঞানীয় ব্যাপারগুলোই ঘুরেফিরে দুটো বইতেই উঠে এসেছে। কিন্তু তুলনামূলক বিচারে জামাল নজরুল ইসলামের বইটিকেই বিশ্বখ্যাত বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকগন অধিক মূল্যায়ন করেছেন, যেটি প্রকাশিত হয়েছিল হকিং এর বইয়েরও প্রায় ৫ বছর পূর্বে।
অথচ হকিং এর বই নিয়ে যতটা না মাতামাতি সারাবিশ্বে হয়েছে, তার ছিঁটেফোঁটাও হয়নি জামাল নজরুল ইসলামের কোন বই নিয়ে.. কেনো? পরে বলছি।
বলা হয়ে থাকে, বিশ্বের ৭ জন শ্রেষ্ট বিজ্ঞানীর নাম বলতে গেলে সে তালিকায় নাকি জামাল নজরুলের নামও চলে আসবে।
বিশ্বের বুকে বাংলার গর্ব জামাল নজরুল ইসলাম
১৯৮১ সালে লন্ডনের লাখ টাকা বেতনের চাকরি এবং উন্নত সুযোগ-সুবিধা ছেড়ে মাত্র ৩ হাজার (২৮ শত) টাকা বেতনের চাকরি নিয়ে তিনি চলে আসেন মাতৃভূমি বাংলাদেশে। বাংলাদেশের বিজ্ঞান শিক্ষা এবং বিজ্ঞান গবেষণার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন তিনি। তাই সব সুযোগ সুবিধা ছেড়ে দেশে চলে এসেছিলেন।
সংগৃহীত: মহাকাশের যত কথা
i.e. Collected
13/05/2024
Look!!! It’s a chemistree!!! 😃
28/02/2024
আসসালামু আলাইকুম, প্রিয় সপ্তম পেঙ্গুইন শাখার শিক্ষার্থীবৃন্দ। তোমাদের নির্ধারিত বাড়ির কাজের স্ক্রিনশট এই পোস্টের কমেন্ট সেকশনে সাবমিট কর।