শিশুর সুস্থ বিকাশের জন্য বাড়িতে একটি ভয়হীন ও আনন্দময় পরিবেশ প্রয়োজন। বাবা-মায়ের সাথে শিশুর দৃঢ় বন্ধন তার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়।
Safe Education For Child - SEduC
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Safe Education For Child - SEduC, Education Website, Dhaka.
অমনোযোগী শিশুকে মনোযোগী করার জন্য কিছু কার্যকরী কৌশল নিচে দেওয়া হলো:
১. নির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করুন: প্রতিদিনের পড়ার, খেলার এবং ঘুমানোর নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করুন। রুটিন মেনে চললে শিশুর মধ্যে শৃঙ্খলার বোধ তৈরি হয় ।
২. পড়াশোনার পরিবেশ: পড়ার জায়গাটি শান্ত এবং কোলাহলমুক্ত রাখুন। পড়ার সময় সামনে থেকে খেলনা, মোবাইল বা টিভি সরিয়ে ফেলুন যাতে মনোযোগ বিচ্যুত না হয়।
৩. পড়াকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করা: শিশুকে একনাগাড়ে দীর্ঘ সময় না পড়িয়ে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে পড়ান। যেমন: ২০ মিনিট পড়ার পর ৫ মিনিটের বিরতি দিন।
৪. খেলার মাধ্যমে শেখানো: শিশুদের একঘেয়েমি কাটাতে ধাঁধা সমাধান, শব্দ গঠন বা শিক্ষামূলক ব্লকের সাহায্যে শেখাতে পারেন। এতে তাদের মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ে ।
৫. পর্যাপ্ত ঘুম ও সুষম খাবার: শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য রাতে ৮-১০ ঘণ্টা গভীর ঘুম জরুরি। পাশাপাশি চিনিযুক্ত খাবারের পরিবর্তে প্রোটিন ও শাকসবজিযুক্ত সুষম খাবার দিন।
৬. প্রশংসা ও উৎসাহ: শিশু কোনো ছোট কাজ মনোযোগ দিয়ে করলে তার প্রশংসা করুন। এতে সে পরবর্তী কাজে আরও আগ্রহী হবে ।
৭. পর্দার সময় (Screen Time) কমানো: টিভি বা মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহার শিশুর মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। তাই এগুলো ব্যবহারের সময় নির্দিষ্ট করে দিন ।
শিশুদের পড়াশোনায় মনোযোগী করে তোলার জন্য কিছু কার্যকর কৌশল নিচে দেওয়া হলো:
১. নির্দিষ্ট রুটিন তৈরি: প্রতিদিন পড়াশোনার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করুন। নিয়মিত অভ্যাস শিশুর মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে।
২. পড়াশোনার পরিবেশ: পড়ার জায়গাটি শান্ত, পরিষ্কার এবং কোলাহলমুক্ত রাখুন। পড়ার টেবিলে খেলনা বা মোবাইল ফোন রাখবেন না।
৩. ছোট ছোট বিরতি: একটানা দীর্ঘসময় না পড়িয়ে প্রতি ২৫-৩০ মিনিট পর ৫-১০ মিনিটের বিরতি দিন। এতে মস্তিস্ক সতেজ থাকে।
৪. খেলার মাধ্যমে শিক্ষা: পড়াশোনাকে আনন্দদায়ক করতে ছবি, চার্ট বা শিক্ষামূলক গেম ব্যবহার করুন। মুখস্থ করার চেয়ে বিষয়টি বুঝতে সাহায্য করুন।
৫. প্রশংসা ও উৎসাহ: শিশু কোনো ছোট লক্ষ্য পূরণ করলে বা ভালো করলে তার প্রশংসা করুন। এতে সে পড়ার প্রতি আগ্রহী হবে।
৬. পর্যাপ্ত ঘুম ও সুষম খাবার: মনোযোগ ধরে রাখতে শিশুর পর্যাপ্ত ঘুম এবং পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা জরুরি। অতিরিক্ত চিনি বা জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলাই ভালো।
৭. পর্দা বা স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ: টিভি, মোবাইল বা ট্যাবলেটে কাটানো সময় কমিয়ে দিন। অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম শিশুর একাগ্রতা নষ্ট করে।
আপনার সন্তান বিদ্যালয়ে কার সাথে বেশী মিশছে, বন্ধুত্ব গড়ে তুলছে কাদের সাথে, নিয়মিত খবর রাখুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.