TukTak English

TukTak English

Share

It's a platform for English learners

30/10/2024

স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান CZM (Center for Zakat Management) এর দ্বারা আয়োজিত English টিচারদের ট্রেনিং প্রোগ্রামে ট্রেইনার হিসেবে থাকতে পেরে অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছি।

এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শিক্ষকদের ইংরেজি শিক্ষাদানের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভাষাগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

26/08/2024

আপনার ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনই চূড়ান্ত বিচার করবেন না। নবী-রাসূলগণ (আ.) সবাই প্রথমে রাখালগিরি করেছেন, এরপর তাঁরা নেতৃত্ব দিয়েছেন জাতিকে।

25/08/2024

ভয় করুন আল্লাহর গজবকে! যারা মিথ্যা মামলা দিয়ে অন্যকে হয়রানি করে, তাদের জন্য আল্লাহর কঠোর শাস্তি অপেক্ষা করছে। আল্লাহ তাআলা কুরআনে স্পষ্টভাবে মিথ্যাবাদীদের সম্পর্কে বলেছেন:

"إِنَّ الَّذِينَ يَفْتَرُونَ عَلَى اللَّهِ الْكَذِبَ لَا يُفْلِحُونَ"
"নিশ্চয়ই মিথ্যাবাদীরা সফলকাম হবে না।" (সূরা আন-নূর, আয়াত ৭)

যারা মিথ্যা মামলা করে, তারা আল্লাহর অভিশাপের অধিকারী এবং আখিরাতে তাদের জন্য কঠোর শাস্তি নির্ধারিত। মিথ্যা দিয়ে সাময়িক সফলতার মোহে বিভোর হওয়া যায়, কিন্তু আখিরাতে এর ফল হবে ভয়াবহ। মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে যারা অন্যের ওপর জুলুম করে, তাদের আল্লাহর আদালতে কোনো ক্ষমা নেই।

রাসূলুল্লাহ (সা.) সতর্ক করে বলেছেন:

"الإِشْرَاكُ بِاللَّهِ، وَشَهَادَةُ الزُّورِ"
"আল্লাহর সাথে শিরক করা এবং মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া।" (সহীহ বোখারী, হাদিস নং: ২৬৫৪)

মিথ্যা মামলা ও মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়াকে শিরকের সাথে তুলনা করা হয়েছে, যা বোঝায় এটি কতটা ভয়ংকর পাপ। যারা এই পাপের মধ্যে লিপ্ত হয়, তাদের আখিরাতের দিন আল্লাহর সামনে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

হাদিসে এসেছে:
"اتَّقُوا الظُّلْمَ فَإِنَّ الظُّلْمَ ظُلُمَاتٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ"
"জুলুম থেকে বাঁচো, কারণ জুলুম কিয়ামতের দিন অন্ধকার নিয়ে আসবে।" (মুসলিম)

আমরা সকলেই চাই অপরাধীরা শাস্তি পাক, সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক। কিন্তু মিথ্যা মামলা দিয়ে কাউকে হয়রানি করা এক জঘন্য কাজ, যা সমাজের শান্তি বিনষ্ট করে এবং আল্লাহর নিকট পাপের দায়ে পরিণত করে। মিথ্যা মামলা আমরা কেউই চাই না, কারণ এটি শুধু মানুষের জীবনকেই নয়, আখিরাতের জীবনকেও ধ্বংস করে দেয়।

সুতরাং, যারা মিথ্যা মামলা দিয়ে অন্যের জীবনকে অন্ধকারে ফেলে, তাদের জন্য আখিরাতে শুধু অন্ধকার আর শাস্তি অপেক্ষা করছে। এই জগতে মিথ্যা দিয়ে কিছুটা লাভ হলেও আখিরাতের শাস্তি থেকে রেহাই মিলবে না। আল্লাহর গজব এবং আখিরাতের ভয়ানক পরিণতি থেকে বাঁচতে মিথ্যার পথ থেকে সরে আসুন, ন্যায় ও সততার পথে চলুন, এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন এবং মিথ্যার অভিশাপ থেকে রক্ষা করুন।

19/08/2024

উহুদ যুদ্ধে হযরত মুসআব ইবন উমাইর (রাঃ) এর শাহাদাত:

যুদ্ধের শুরুতে মুসলমানরা শত্রুদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে ছিল, কিন্তু যুদ্ধের মাঝামাঝি সময় শত্রুরা যখন পেছন থেকে আক্রমণ করে, তখন মুসলমানদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ে। এই সুযোগে মক্কার কাফিররা রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে হত্যার উদ্দেশ্যে তীব্র আক্রমণ শুরু করে।

হযরত মুসআব (রাঃ) সেই মুহূর্তে ইসলামের পতাকা বহন করছিলেন। তিনি শত্রুদের দৃষ্টি বিভ্রান্ত করতে নিজের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিলেন। শত্রুরা তাকে রাসূলুল্লাহ (সা.) মনে করে তার ওপর আক্রমণ চালায়। মুসআব (রাঃ) প্রথমে ডান হাতে পতাকাকে ধরে রাখেন। শত্রুদের আঘাতে তার ডান হাত কাটা গেলে, তিনি পতাকাকে বাঁ হাতে ধরে রাখেন। এরপর যখন তার বাঁ হাতও কেটে ফেলা হয়, তখন তিনি পতাকাকে নিজের বুকে চেপে ধরে রাখেন। অবশেষে, শত্রুর আঘাতে মুসআব (রাঃ) মাটিতে পড়ে যান এবং শাহাদত বরণ করেন।

তার শাহাদতের পর, রাসূলুল্লাহ (সা.) যখন তার মরদেহের কাছে যান, তখন তিনি গভীর বেদনায় আবেগাপ্লুত হন। মুসআব (রাঃ) ছিলেন একসময়কার মক্কার সম্ভ্রান্ত এবং ধনী যুবক, কিন্তু তার জীবনের শেষ পরিণতি হয়েছিল অত্যন্ত সাদামাটা। যুদ্ধের ময়দানে তার জন্য কোনো উপযুক্ত কাফনও ছিল না। একটি চাদর দিয়ে তার মরদেহকে ঢাকার চেষ্টা করা হয়, কিন্তু চাদরটি এতই ছোট ছিল যে তার মাথা ঢাকলে পা বের হয়ে যাচ্ছিল, আর পা ঢাকলে মাথা বের হয়ে যাচ্ছিল। অবশেষে, রাসূলুল্লাহ (সা.) নির্দেশ দেন তার মাথা চাদর দিয়ে ঢেকে তার পায়ের অংশ ইযখির (এক ধরনের ঘাস) দিয়ে ঢেকে দিতে।

উহুদ যুদ্ধে হযরত মুসআব ইবন উমাইর (রাঃ) এর শাহাদত ইসলামের ইতিহাসে এক গভীর বেদনাদায়ক এবং গৌরবময় অধ্যায়। তিনি ছিলেন রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর প্রিয় সাহাবি এবং ইসলামের প্রথম দূত, যাকে রাসূলুল্লাহ (সা.) মদিনায় পাঠিয়েছিলেন ইসলাম প্রচারের জন্য।

রেফারেন্স:
1. ইবন ইসহাক, "সিরাতুন নবী (সা.)"
2. ইবন কাসির, "আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া"
3. আল-তাবারি, "তারিখ আল-রসুল ওয়াল মুলুক"

18/08/2024

প্রিয় সোনারগাঁবাসী,

আমরা চাই, আমাদের প্রিয় সোনারগাঁয়ে সামনে এমন নেতৃত্ব আসুক, যাদের মধ্যে থাকবে সততা, দায়িত্বশীলতা এবং জনগণের প্রতি আন্তরিক দায়বদ্ধতা। আমরা এমন নেতা চাই, যিনি সোনারগাঁয়ের ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং এলাকার উন্নয়নে নিবেদিতপ্রাণ।

আমাদের দরকার এমন নেতৃত্ব, যারা তারুণ্যের উদ্যম এবং অভিজ্ঞতা মিলিয়ে সোনারগাঁকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন। নেতৃত্বের গুণাবলী হিসেবে আমরা চাই দূরদর্শী চিন্তা, সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা এবং জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার দক্ষতা। আমাদের নেতৃত্বে থাকা উচিত নৈতিক চরিত্র, স্বচ্ছতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকার।

আমরা এমন একজন নেতা চাই, যিনি উন্নয়নমুখী চিন্তা নিয়ে কাজ করবেন এবং সোনারগাঁয়ের প্রতিটি সমস্যা সমাধানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন। সেবামূলক মনোভাব এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করার আন্তরিক ইচ্ছা থাকাই হবে আমাদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

আসুন, আমরা সবাই মিলে এমন নেতৃত্ব বেছে নেই, যারা তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে আমাদের সোনারগাঁকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

শুভেচ্ছান্তে,
তুহিন মাহমুদ

05/08/2024

যাদের উপর ক্ষোভ ছিলো, চরম ক্ষোভ ছিলো, আজকে তাদের ক্ষমা করে দিলাম।
কোন প্রতিশোধ নেবো না ইনশাআল্লাহ।

03/08/2024

পংগু হাসপাতালে সুপরিচিত কেউ কি আছেন, প্লিজ?

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

University Of
Dhaka