Hridoy Hasan

education

Operating as usual

16/12/2022

ডিসেম্বর ১৬, ২০২২ // শুক্রবার
সাহসিকতা • সততা • সাংবাদিকতা
আজকের সংবাদ
অন্ধকারাচ্ছন্ন সময় শেষে নতুন সূর্য উঠেছিল আজ ​​​​​​​​​​​​​​​​​​​​​​​​​​​​​​জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা আজ মহান বিজয় দিবস ‘মহামারি মোকাবিলা করেছি, বৈশ্বিক মন্দাও মোকাবিলা করব’ একাত্তরের নৃশংসতাকে গণহত্যার স্বীকৃতি দিতে যুক্তরাজ্যের প্রতি আহ্বান বিজয় দিবসের আয়োজন উপলক্ষে জোর করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ কক্সবাজার সৈকতে ৮ টন প্লাস্টিক বর্জ্যে তৈরি ‘দানব’ শাহীনবাগের ঘটনা সরকারের মদদে-সহযোগিতায় ঘটছে: আমীর খসরু ‘বিএনপি সমালোচনা করুক, আমরা উন্নয়ন করে জবাব দিবো’ নারায়ণগঞ্জে ৩ কিশোরীকে ধর্ষণ, স্বীকারোক্তির পর কারাগারে আসামি হবিগঞ্জে বাসচাপায় নিহত ২, আহত ৩ যাত্রীদের জন্য মেট্রোরেল উন্মুক্ত হবে ২৯ ডিসেম্বর খোলা আকাশের নিচে ফেলা হচ্ছে শহরের সব বর্জ্য কুকুর প্রশিক্ষণের সময় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে থাই রাজকুমারী ইউটিউবের ৫ গোপন ফিচারঅন্ধকারাচ্ছন্ন সময় শেষে নতুন সূর্য উঠেছিল আজ ​​​​​​​​​​​​​​​​​​​​​​​​​​​​​​জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা আজ মহান বিজয় দিবস ‘মহামারি মোকাবিলা করেছি, বৈশ্বিক মন্দাও মোকাবিলা করব’ একাত্তরের নৃশংসতাকে গণহত্যার স্বীকৃতি দিতে যুক্তরাজ্যের প্রতি আহ্বান বিজয় দিবসের আয়োজন উপলক্ষে জোর করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ কক্সবাজার সৈকতে ৮ টন প্লাস্টিক বর্জ্যে তৈরি ‘দানব’ শাহীনবাগের ঘটনা সরকারের মদদে-সহযোগিতায় ঘটছে: আমীর খসরু ‘বিএনপি সমালোচনা করুক, আমরা উন্নয়ন করে জবাব দিবো’ নারায়ণগঞ্জে ৩ কিশোরীকে ধর্ষণ, স্বীকারোক্তির পর কারাগারে আসামি হবিগঞ্জে বাসচাপায় নিহত ২, আহত ৩ যাত্রীদের জন্য মেট্রোরেল উন্মুক্ত হবে ২৯ ডিসেম্বর খোলা আকাশের নিচে ফেলা হচ্ছে শহরের সব বর্জ্য কুকুর প্রশিক্ষণের সময় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে থাই রাজকুমারী ইউটিউবের ৫ গোপন ফিচার

ইতিহাস
মুক্তিযুদ্ধ
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১: এলো বিজয়ের মাহেন্দ্রক্ষণ

আহমাদ ইশতিয়াক
বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১৬, ২০২১ ০৭:২৬ অপরাহ্ন

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের দিন। রক্তক্ষয়ী দীর্ঘ যুদ্ধের পর এদিন মুক্ত হয় বাংলাদেশ। পাকিস্তানি বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমীর আব্দুল্লাহ খান নিয়াজীর নির্দেশে এদিন ভোর ৫টা থেকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যুদ্ধবিরতি শুরু করে।

এদিন সকাল ৯টায় ভারত-বাংলাদেশ যৌথ কমান্ডের ডিভিশনাল কমান্ডার মেজর জেনারেল গন্ধর্ভ সিং নাগরার বার্তা নিয়ে তার এডিসি ক্যাপ্টেন হিতেশ মেহতা ও ২ প্যারা ব্যাটেলিয়নের কমান্ডার ক্যাপ্টেন নির্ভয় শর্মা সাদা পতাকা উড়িয়ে মিরপুর ব্রিজের উত্তরপার থেকে নিয়াজীর হেড কোয়ার্টারের দিকে রওনা দেন।

সর্বশেষ খবর দ্য ডেইলি স্টার বাংলার গুগল নিউজ চ্যানেলে।
বার্তায় ইংরেজিতে লেখা ছিল, 'প্রিয় আবদুল্লাহ, আমরা এখন এখানে আছি। আমরা আপনাকে ঘিরে রেখেছি। আপনার খেলা শেষ। আত্মসমর্পণ অথবা ধ্বংস— যে কোনো একটি বেছে নিন। আমরা আপনাকে আশ্বস্ত করছি, আপনি আত্মসমর্পণ করলে আমরা আপনার সঙ্গে জেনেভা চুক্তি অনুসারে ব্যবহার করব। আমি আপনাকে ব্যক্তিগতভাবেও আশ্বস্ত করছি, আপনার জীবনের ভয় নেই। ইতি মেজর জেনারেল জি সি নাগরা।'

পরে লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজীর চিঠি নিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ৩৬ ডিভিশনের কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ জামশেদ গাবতলী ব্রিজের পাশে জেনারেল জি সি নাগরার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

১৬ ডিসেম্বর দুপুর ১টার দিকে কলকাতা থেকে ঢাকায় আসেন ভারতীয় মিত্রবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার চিফ অফ স্টাফ মেজর জেনারেল জেএফআর জ্যাকব। এরপর পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের হেডকোয়ার্টারে চলে আত্মসমর্পণের দলিল তৈরির বৈঠক। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানি বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ নিয়াজী, মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী ও মেজর জেনারেল মোহাম্মদ জামশেদ। যৌথবাহিনীর পক্ষে ছিলেন মেজর জেনারেল জেএফআর জ্যাকব, মেজর জেনারেল গন্ধর্ভ সিং নাগরা ও কাদেরিয়া বাহিনীর কমান্ডার কাদের সিদ্দিকী।

সিদ্ধান্ত হয়, আত্মসমর্পণের দলিলে সই করবেন ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার ও যৌথবাহিনীর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা এবং পাকিস্তানি বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ নিয়াজী।

বৈঠকে ঠিক হয়, আত্মসমর্পণ করলেও তখনই অস্ত্র সমর্পণ করবে না পাকিস্তানি বাহিনী। তখন মেজর জেনারেল জেএফআর জ্যাকব বলেন, ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে অবশ্যই অস্ত্র সমর্পণ করতে হবে। পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকায় যুদ্ধবন্দী থাকবে ঠিক, কিন্তু ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের ভিতরে তারা থাকবে সশস্ত্র।

১৬ ডিসেম্বর কলকাতায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ মুক্তিবাহিনীর ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকারকে ডেকে ঢাকায় আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে থাকার নির্দেশ দেন।

১৬ ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টায় কলকাতা থেকে ঢাকায় পৌঁছান বিমান ও নৌবাহিনীর চিফ অফ স্টাফ এবং মুক্তিবাহিনীর ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

এদিন বিকেল ৪টায় লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ নিয়াজী রেসকোর্স ময়দানে পৌঁছালে তাকে ২ পক্ষের সেনারা গার্ড অফ অনার দেয়। এরপর বিকেল ৪টা ৩১ মিনিটে নিয়াজী আত্মসমর্পণের দলিলে সই করেন। আত্মসমর্পণ দলিলে পাকিস্তানি নৌ-পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের কমান্ডার রিয়ার-অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ শরিফ, পাকিস্তান বিমানবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় বিমান বাহিনীর কমান্ডার এয়ার ভাইস-মার্শাল প্যাট্রিক ডেসমন্ড কালাঘানও সই করেন। আত্মসমর্পণের আনুষ্ঠানিকতায় বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন এ কে খন্দকার। তিনি এ সময় সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ভারতের পক্ষে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় ৪র্থ কোরের কমান্ডার লে. জেনারেল সগত সিং, পূর্বাঞ্চলীয় বিমান বাহিনীর কমান্ডার এয়ার মার্শাল হরি চাঁদ দেওয়ান ও ভারতীয় পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের সেনা প্রধান মেজর জেনারেল জে এফ আর জ্যাকব। আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটল।

মুজিবনগরে এদিন

১৬ ডিসেম্বর মুজিবনগরে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ বলেন, 'লাখো মানুষের প্রাণের বিনিময়ে এসেছে আমাদের এই বিজয়। আজকের ঘটনা থেকে পাকিস্তান ও তার মিত্ররা কিছু শিক্ষা নেবে বলে আশা করি। সবাই জানতেন, বাংলাদেশে পাকিস্তানিদের পতন আসন্ন। কিন্তু এই ব্যাপারে কিছু সময় নেওয়া হয়েছে। কারণ, বেসামরিক মানুষের যেন কোনো ক্ষতি না হয়, তাই নীরবে তাদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী। ভারতীয় বাহিনী বাংলাদেশে এসেছে আমাদের অনুরোধেই। বাংলাদেশের শত্রুদের আমি স্পষ্ট বলে দিতে চাই, বাংলাদেশের মানুষ বহু রক্ত ও চোখের জলে চিনতে পেরেছে কে শত্রু ও কে মিত্র।'

এ সময় তাজউদ্দীন আহমদ ভারতীয় বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের অধিনায়ক জগদিৎ সিং অরোরা ও তার অধীনস্থ অফিসার ও সেনাদের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একইসঙ্গে তিনি ভারত সরকার, ভারতীয় জনগণ, সোভিয়েত সরকার, পোল্যান্ড ও অন্যান্য মিত্র দেশগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, 'এসব দেশের সাহায্য না পেলে বাংলাদেশ আজ যে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে, তা সম্ভব হতো না।'

১৬ ডিসেম্বর মুজিবনগর থেকে পাঠানো এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ বলেন, 'বাংলাদেশের রাজধানী শিগগির মুজিবনগর থেকে ঢাকায় স্থানান্তরিত হচ্ছে। পাকিস্তানিদের যেসব দেশদ্রোহী মদদ দিয়েছিল, তাদের বিচারের জন্য বিচার সংস্থা গঠিত হচ্ছে।'

ঢাকা এদিন আনন্দের শহর

আত্মসমর্পণের দলিলে সই হওয়ার পরপরই ঢাকায় উল্লাসে ফেটে পড়ে সাধারণ মানুষ। এখানে-সেখানে মিছিল আর মিছিল। কেউ নাচছে, কেউ বা জড়িয়ে ধরছে একে অন্যকে। রাস্তার ২ পাশে মানুষের সারি। জয়োল্লাসে ফেটে পড়ছে ঢাকা। মুক্তির জয়োৎসবে আবেগে আপ্লুত হয়ে কাঁদছে অনেকে। খোলা ট্রাক, ভ্যান, জিপে করে দোর্দণ্ড প্রতাপে ঘুরে বেড়াচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় যৌথবাহিনীর সদস্যরা। তাদের হাতে চুমু খাচ্ছে মানুষ। কেউ কেউ ভারতীয় বাহিনীর ট্রাকে উঠে পড়েছে। খণ্ড খণ্ড বিজয় মিছিলে মানুষের স্লোগান ছিল 'জয় বাংলা'। বিকেল থেকে সারা রাতব্যাপী ঢাকায় বিজয় উল্লাস চলল। এদিন বাড়িতে বাড়িতে রাতভর আলো জ্বলতে দেখা যায়।

ভারতে এদিন

১৬ ডিসেম্বর দিল্লিতে লোকসভার অধিবেশনে ঢাকায় পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ এবং বাংলাদেশের বিজয়ের কথা উল্লেখ করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।

ইন্দিরা গান্ধী বলেন, 'পশ্চিম পাকিস্তানি সেনারা বিনাশর্তে আত্মসমর্পণ করেছে। ঢাকা এখন মুক্ত দেশের রাজধানী। বাংলাদেশ এখন মুক্ত। এই বিজয়ের মুহূর্তে আমরা তাদের অভিনন্দন জানাই। আমরা অভিনন্দন জানাই মুক্তিবাহিনীর সাহসী তরুণ ও নায়কদের। আমরা আমাদের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই, যারা তাদের দক্ষতা ও উৎকর্ষতা দেখিয়েছেন।'

এর আগে অধিবেশনের শুরুতে জানা যাচ্ছিল, বিকেল ৪টার পর যে কোনো মুহূর্তে লোকসভার অধিবেশনে এই ঘোষণা দেওয়া হবে। বিকেল ৪টার দিকে আত্মসমর্পণের খবর না আসায় সন্ধ্যা পর্যন্ত অধিবেশন মুলতবি করা হয়। ঠিক হয় সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় অধিবেশন আবার শুরু হয়।

ইন্দিরা গান্ধী পূর্বপ্রস্তুতি নিয়ে অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করা মাত্রই হাততালিতে মুখরিত হয়ে পড়ে লোকসভার অধিবেশন। তিনি ঘোষণা দেওয়া মাত্রই টেবিল চাপড়ে উল্লাস প্রকাশ করেন লোকসভার সদস্যরা।

১৬ ডিসেম্বর কলকাতায় আত্মসমর্পণের খবর পৌঁছলে জনগণ রাস্তায় নেমে উল্লাস করে। এর মধ্য দিয়ে কলকাতার ব্ল্যাক আউটের অবসান হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ রেডিওতে আত্মসমর্পণের ঘোষণা হলে কলকাতার পথেঘাটে একে একে আলো জ্বলতে শুরু করে। বিভিন্ন জায়গায় উল্লসিত মানুষ মিছিল শুরু করে। কোথাও আবির মেখে চলছিল হোলি খেলা।

১৬ ডিসেম্বর পিটিআই সূত্রে জানা যায়, দিল্লিতে পাকিস্তান দূতাবাসে আটক বাঙালি গোয়েন্দা কর্মকর্তা হোসেন আলী তার স্ত্রী ও শিশুপুত্রসহ দূতাবাসের পাঁচিল টপকে পালিয়ে গেছেন।

আন্তর্জাতিক মহলে এদিন

১৬ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ এখন যুক্তরাষ্ট্রের চোখে খরচের খাতায়। বাংলাদেশের মতো পরিস্থিতি যেন পশ্চিম পাকিস্তানে না ঘটে, সেজন্য নিক্সন প্রশাসন সচেষ্ট হয়ে উঠছে।

এদিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র সাংবাদিকদের বলেন, 'এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় রাশিয়া ও ভারতকে সংযত হতে হবে।'

এদিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের প্রেস সচিব রোনাল্ড এল জাইপলার সাংবাদিকদের বলেন, 'ভারত যেন এবার নিজেদের সংযত করে। পশ্চিম পাকিস্তান দখল হবে বলে আমরা আশা করি না।' তবে তিনি বঙ্গোপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের ৭ম নৌ বহর পাঠানোর পরিকল্পনা ও ফেরত নেওয়া প্রসঙ্গে কোনো কথা বলেননি।

১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানের পর সোভিয়েত ইউনিয়নের সংবাদমাধ্যম তাস বাংলাদেশের স্বীকৃতির খবর প্রচার করতে শুরু করে। এদিন তাসে প্রচারিত সংবাদে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট নেতাদের অভিমত প্রচার করা হয়।

দেশব্যাপী প্রতিরোধ যুদ্ধ

১৬ ডিসেম্বর খুলনায় মিত্র বাহিনীর একটি ইউনিট ইস্টার্ন জুট মিল গেট এলাকা দিয়ে ভৈরব নদ পার হয়ে শিরোমণির ঠিক পূর্বপাশে অবস্থান নিয়ে পাকিস্তানি হানাদার সেনাদের লক্ষ্য করে গোলা ছুড়তে থাকে। এ সময় মেজর মঞ্জুর তার বাহিনী নিয়ে হানাদার বাহিনীকে শিরোমণিতে ঘিরে ফেলেন।

পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকায় আত্মসমর্পণ করলেও হানাদার ব্রিগেডিয়ার হায়াত খান তা না মেনে নিজের বাহিনীসহ যুদ্ধ অব্যাহত রাখেন। মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডো দলের প্রবল প্রতিরোধের মুখেও ব্রিগেডিয়ার হায়াত খানের নেতৃত্বে ট্যাংক রেজিমেন্ট এবং ৪ হাজার সেনা সামনে এগিয়ে যায়। মেজর মঞ্জুর রাতের অন্ধকারে খালি পায়ে মাথায় গামছা বেঁধে শ্রমিকের বেশে ২ হাতে ২টা স্টেনগান নিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর প্রতিটি ট্যাংকের ভিতরে খুঁজে খুঁজে গানম্যানদের হত্যা করেন। এদিন সারারাত যুদ্ধ চলমান থাকে।

তথ্যসূত্র:

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র পঞ্চম, একাদশ, দ্বাদশ ও ত্রয়োদশ খণ্ড

17/11/2022
Photos from Hridoy Hasan's post 03/11/2022

HSC'22 শেষ মুহূর্তের সাজেশন | পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র

HSC'22 ব্যাচের শিক্ষার্থীরা, ৩ দিন পর পরীক্ষা শুরু হবে! ⏰

পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্রের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সহজ করতে চট করে দেখে নাও এই গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো।
সবার জন্য শুভকামনা। 💯

Photos from Hridoy Hasan's post 02/11/2022

HSC'22 শেষ মুহূর্তের সাজেশন | পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র

HSC'22 ব্যাচের শিক্ষার্থীরা, ৩ দিন পর পরীক্ষা শুরু হবে! ⏰
পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্রের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সহজ করতে চট করে দেখে নাও এই গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো। 👊

সবার জন্য শুভকামনা। 💯

Photos from Hridoy Hasan's post 01/11/2022

HSC'22 শেষ মুহূর্তের সাজেশন | রসায়ন ২য় পত্র

HSC'22 ব্যাচের শিক্ষার্থীরা, ৫ দিন পর পরীক্ষা শুরু হবে! ⏰

রসায়ন ২য় পত্রের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সহজ করতে চট করে দেখে নাও এই গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো।

সবার জন্য শুভকামনা।

Photos from Hridoy Hasan's post 01/11/2022
Photos from Hridoy Hasan's post 22/10/2022

🟩বায়োলজি জ্ঞানমূলক ও অনুধাবন প্রশ্ন

🔴অধ্যায়ঃ প্রাণী জগতের শ্রেণিবিন্যাস

17/10/2022

১. বাক্য কাকে বলে? একটি সার্থক বাক্যের কী কী বৈশিষ্ট্য থাকে? উদাহরণসহ বুঝিয়ে দাও। [য. বো. ১০, ০৮, ০৫, ০৩; দি. বো. ১০, ১২; সি. বো. ১২, ১০, ০৪, ০৮, ০৬; রা .বো.১০, ০৮; ব. বো ০৯, ০৬; কু .বো. ১৩, ০৯, ০৭, ০৫; চ. বো .১৩, ১১, ০৭, ০৩, ০২; ঢা বো. ১১, ০৯, ০৪]

উত্তর: বাক্য: বাক্য ভাষার প্রধান উপাদান। আর বাক্যের মৌলিক উপাদান হলো ‘শব্দ’। কয়েকটি শব্দ মিলিত হয়ে যদি একটি পূর্ণ মনের ভাব প্রকাশ করে, তাহলে তাকে বাক্য বলে। যেমন: আমি কলেজে যাই।

ভাষাবিদগণ বাক্যকে বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন্-
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘যে পদ বা শব্দ-সমষ্টির দ্বারা কোন বিষয়ে বক্তার ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকটিত হয়, সেই পদ বা শব্দ সমষ্টিকে বাক্য বলে।’
সুনীলকুমার মুখোপাধ্যায় বলেছেন, ‘পরস্পর অর্থসম্বন্ধ বিশিষ্ট যে পদ গুলোর দ্বারা একটি সম্পূর্ণ ধারণা বা বক্তব্য বা ভাব প্রকাশ পায় সেই পদ গুলোর সমষ্টিকে বাক্য বলে।’
ভাষাবিদ্ জ্যোতিভূষণ চাকী বলেছেন, ‘যথাযথ বিন্যস্ত শব্দ-সমষ্টি যদি একটি সম্পূর্ণ মনোভাব প্রকাশ করে তাকে বাক্য বলে।’

একটি সার্থক বাক্যের তিনটি বৈশিষ্ঠ্য থাকে। এগুলো হচ্ছে
(ক) আকাঙ্ক্ষা
(খ) আসক্তি
(গ) যোগ্যতা

(ক) আকাঙ্ক্ষা: বাক্যের অর্থ পরিপূর্ণভাবে বোঝার জন্যে এক শব্দের পর পরবর্তী শব্দসমূহ শোনার যে বাসনা, তাই আকাঙ্ক্ষা। আকাঙ্ক্ষা যতক্ষণ না মিটবে, ততক্ষণ বাক্য হবে না। যেমন; ‘আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা’ বললে আকাঙ্ক্ষা মিটে না, তাই বাক্য হয় না। কিন্তু ,যদি বলা হয়: ‘আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দেব।’ তাহলে আকাঙ্ক্ষা মেটে, ফলে সার্থক বাক্য সৃষ্টি হয়।

(খ) আসক্তি: বাক্যের শব্দগুলো এমনভাবে সাজাতে হবে, যাতে অর্থ প্রকাশে কোনোরূপ বিঘ্ন সৃষ্টি না হয়। বাক্যে এই ধরনের পদ বিন্যাসকে আসত্তি বলে। যেমন: ‘আমি পড়ি ফিউচার কমার্স কলেজে যাবৎ দুই বছর’ বললে আসত্তিহীনতার জন্যে বাক্য হবে না। আসত্তি রক্ষা করতে হলে বলতে হবে ‘আমি দুই বছর যাবৎ ফিউচার কমার্স কলেজে পড়ি।’

(গ) যোগ্যতা: বাক্যের শব্দসমূহের বাস্তবসম্মত অর্থসঙ্গতিকে যোগ্যতা বলে। যেমন: ‘ছাগলগুলো তাল গাছের পাতার উপর নাচছে’ বললে বাস্তবসম্মত কোনো অর্থ প্রকাশিত হয় না। কারণ এর যোগ্যতা নেই। যদি বলা হয়, ‘পাখিটি তাল গাছের পাতার উপর নাচছে’ তাহলে একটি যোগ্যতাসম্পন্ন বাক্য সৃষ্টি হয়।

17/10/2022

ব্যাকরণিক শব্দশ্রেণি বলতে কী বােঝ? ব্যাকরণিক শব্দশ্রেণি কয় প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ আলােচনা করো।
বাংলা দ্বিতীয় পত্র :
বাংলা ভাষার ব্যাকরণিক শব্দশ্রেণি ।
দ্বাদশ শ্রেণি

১. ব্যাকরণিক শব্দশ্রেণি বলতে কী বােঝ? ব্যাকরণিক শব্দশ্রেণি কয় প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ আলােচনা করো।

উত্তর: ব্যাকরণগত অবস্থানের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দসমূহ যে কয় ভাগে বিভাজিত হয়েছে তাদের ব্যাকরণিক শব্দশ্রেণি বলে। প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণে শব্দশ্রেণিকে আট ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

যথা :

১. বিশেষ্য;

২. সর্বনাম;

৩. বিশেষণ;

8. কিয়া;

৫. ক্রিয়াবিশেষণ;

৬. অনুসর্গ;

৭. যােজক এবং

৮. আবেগ শব্দ।

১. বিশেষ্য : কোনাে কিছুর নাম বিশেষক পদকে বিশেষ্য পদ বলে। অর্থাৎ বাক্যের অন্তর্গত যে পদ দ্বারা ব্যক্তি, বস্তু, জাতি, গুণ, ভাব, কর্ম, সমষ্টি, স্থান, কাল ইত্যাদির নাম বোঝায়, তাকে বিশেষ্য পদ বলে।

যেমন- রানা বই পড়ে। উপরের বাক্যটিতে 'রানা' এবং 'বই' বিশেষ্য পদ।

বিশেষ্য পদ বাক্যে কর্তা, কর্ম বা কর্তার পরিপূরক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

যেমন- শুচি (কর্তা) নাচে।

আমি মিতাকে (কর্ম) ভালােবাসি।

২. সর্বনাম : বিশেষ্যের তথা নামের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয়, তাকে সর্বনাম পদ বলে। সকল প্রকার নামের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় বলে এর নাম সর্বনাম।

যেমন- আমি, তুমি, সে, তিনি ইত্যাদি। সর্বনাম পদের ব্যবহারের দ্বারা একই পদের পুনরাবৃত্তি রোধ করা হয়, ফলে ভাষা সুষ্ঠু ও সুন্দর হয়ে ওঠে।

যেমন-মিতা খুব ভালাে মেয়ে। মিতা প্রতিদিন কলেজে যায়। মিতাকে সবাই ভালােবাসে। উপর্যুক্ত বাক্যগুলােতে ‘মিতা' নামটি বারবার ব্যবহৃত হওয়ায় ভাষা শ্রুতিকটু ও পুনরুক্তি দোষে দুষ্ট হয়েছে। ভাষার পুনরুক্তি দোষরােধে সর্বনাম পদ ব্যবহার করা হয়।

যেমন- মিতা খুব ভালাে মেয়ে। সে প্রতিদিন কলেজে যায়। তাকে সবাই ভালােবাসে।

৩. বিশেষণ: বিশেষণ শব্দের অর্থ গুণ নির্দেশ। যে শব্দশ্রেণি বিশেষ্য, সর্বনাম , ক্রিয়া, অব্যয় ও বিশেষণ পদের গুণ নির্দেশ করে অর্থাৎ দোষ গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ বলে। বিশেষণ অন্য শব্দশ্রেণিকে বিশেষিত করে, অর্থাৎ অন্য শব্দের অর্থকে সম্প্রসারিত (বিস্তৃত) বা সংকুচিত (সীমিত) করে।

যেমন- লাল জামা। দুষ্ট ছেলে। বেলে মাটি ইত্যাদি।

৪. ক্রিয়া : যে পদে কোনাে কার্য সম্পাদন বোঝায়, অর্থাৎ যে পদে বাক্যের মধ্যে কোনাে কালের বা কোনাে রকম কাজের অবস্থা, করা, যাওয়া, খাওয়া, চলা ইত্যাদি বোঝায় তাকে ক্রিয়াপদ বলে। যেমন- অর্ণব বই পড়ে। বাক্যটিতে পড়ে ক্রিয়াপদ। বাক্যে মনের ভাব প্রকাশিত হয়। মনের ভাব প্রকাশের ক্ষেত্রে কাজ সম্পন্ন করার ব্যাপারটিই প্রধান। সাধারণত ক্রিয়াপদ ব্যতীত বাক্য হয় না। তাই বাক্যে ক্রিয়াপদই মুখ্য। ক্রিয়াপদই বাক্যের প্রাণ।

৫. ক্রিয়াবিশেষণ : যে বিশেষণ পদ বাক্যের ক্রিয়াকে বিশেষিত করে তাকে ক্রিয়াবিশেষণ বলে। মূলত, ক্রিয়াবিশেষণ ক্রিয়ার বিশেষ অবস্থা অর্থাৎ ক্রিয়া কীরূপে সম্পন্ন হয়েছে তা জানিয়ে দেয়। এটি ক্রিয়ার গুণ, প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও অর্থ প্রকাশক শব্দ হিসেবে কাজ করে এবং ক্রিয়ার সময়, স্থান, প্রকার, উৎস, তীব্রতা, উপকরণ ইত্যাদির অর্থগত ধারণা দেয়। ক্রিয়াবিশেষণ সাধারণত কর্ম ও ক্রিয়ার পূর্বে বসে।

যেমন- ট্রেন ধীরে চলছে।

৬. অনুসর্গ : বাংলা ভাষায় এমন কিছু সহায়ক শব্দ আছে যা স্বাধীনরূপে বা শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে অন্য কোনাে পদের পরে বসে সম্পর্কিত করে অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে। এগুলােকে অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় বলে। অনুসর্গ পরে ব্যবহৃত হয়। পদের পরে ব্যবহৃত হয় বলে এদেরকে পরসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয়ও বলে। অনুসর্গে কখনাে কখনাে বিভক্তির ন্যায় ব্যবহৃত হলেও এদের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। বিভক্তি পূর্ণ শব্দ নয় অর্থাৎ শব্দ নিরপেক্ষ এদের কোনাে অর্থ নেই কিন্তু অনুসর্গ পূর্ণ শব্দ, তাই এদের স্বাধীন ও শব্দ নিরপেক্ষ অর্থ রয়েছে।

যেমন- রান্নার জন্য ঘর। এখানে রান্নার ‘র’ হচ্ছে বিভক্তি এবং ‘জন্য’ হচ্ছে অনুসর্গ। অনুসর্গগুলাে অব্যয়ের মতাে। এরা বিভিন্নভাবে ব্যবহৃত হলেও আকারের কোনাে পার্থক্য ঘটে না।

যেমন— জল বিনা স্নান সম্ভব নয়। বিনা কারণে সে জেল খেটেছে। বিনি সুতার মালা। আমাকে বিনা তার চলে না। বাংলা ভাষায় প্রচুর অনুসর্গ রয়েছে- প্রতি, বিনা, বিনে, বিহনে, ব্যতীত, বলে, বাবদ, বশত, সহ, সহকারে, সাথে, সঙ্গে, সহিত, মনে, অপেক্ষা, অধিক, অবধি, হেতু, হতে হইতে., পরে, পর, পর্যন্ত, পক্ষে , পাশে, পাছে, পানে, মাঝেমধ্যে, মতাে, নামে, নিচে, তলে, ভিতরে, ভিতর, নিমিত্ত, জন্যে, ছাড়া, ভিন্ন, উপর, চেয়ে , থেকে, কর্তৃক, দ্বারা, দিয়া/দিয়ে ,

যেমন-যেন, যথা অভিমুখে, কারণে, দরুন, দিকে, নাগাদ, বনাম, বদলে, বরাবর, বাইরে, সম্মুখে ইত্যাদি। এদের মধ্যে দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক, জন্য, হইতে, থেকে, চেয়ে, অপেক্ষা, মধ্যে প্রভৃতি অনুসর্গ বিভক্তিরূপে ব্যবহৃত হয়।

৭.যােজক :যে পদ শব্দশ্রেণি. একটি বাক্যাংশের/বাক্যের সাথে অন্য একটি বাক্যাংশের/বাক্যের অথবা বাক্যের অন্তর্গত একটি পদের সংযােজন, বিয়ােজন পৃথককরণ. বা সংকোচন ঘটায়, তাকে যােজক বলে। যােজকের মাধ্যমে একাধিক শব্দ, পদবন্ধ, বাক্যকল্প বা বাক্য সংযােজিত ও সম্পর্কিত হয়।

যেমন- কিন্তু, ও, আর, এবং, বা, অতএব, নইলে, তবু, অথচ, কারণ, যেহেতু, নতুবা, তাই, যদি-তবে, যত-তত ইত্যাদি যােজক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

যেমন- সে স্কুলে গিয়েছে এবং ইংরেজি পড়েছে। উচ্চপদ ও সামাজিক মর্যাদা সবাই চায়।

৮. আবেগ শব্দ : যে শব্দ বাক্যের অন্যান্য শব্দের সাথে সম্পর্কিত না থেকে স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয়ে মনের নানা ভাব ও আবেগকে প্রকাশ করে, তাকে আবেগ শব্দ বলে। সাধারণত আঃ, উঃ , উঁহু, অ্যাাঁ, আরে, আহা, ওরে, কী বিপদ, ছি ছি, কী জ্বালা, ই, বাঃ বেশ, মা গাে মা, শাবাশ, যাক গে যাক, দুর পাগল ইত্যাদি আবেগ শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যেমন— ছি ছি। তুমি এত খারাপ। বাঃ! খুব সুন্দর কথা বলেছ।

17/10/2022

বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ
বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ
ভুল : তার এখন সঙ্কট অবস্থা।
শুদ্ধ : তার এখন সঙ্কটাপন্ন অবস্থা।
ভুল : তাহার জীবন সংশয়পূর্ণ।
শুদ্ধ : তাহার জীবন সংশয়ময়।
ভুল : আমি সাক্ষী দিয়েছি।
শুদ্ধ : আমি সাক্ষ্য দিয়েছি।
ভুল : সকল মানুষেরাই মরণশীল।
শুদ্ধ : মানুষ মরণশীল।
ভুল : ৫ জন ছাত্ররা স্কুলে যায়।
শুদ্ধ : ৫ জন ছাত্র স্কুলে যায়।
ভুল : চোরটি সব মালসুদ্ধ ধরা পড়েছে।
শুদ্ধ : চোরটি মালসুদ্ধ ধরা পড়েছে।
ভুল : রহিমা পাগলি হয়ে গেছে।
শুদ্ধ : রহিমা পাগল হয়ে গেছে।
ভুল : রাজা পাপিষ্ঠ রানীকে শাস্তি দিলেন।
শুদ্ধ : রাজা পাপিষ্ঠা রানীকে শাস্তি দিলেন।
ভুল : তুমি কী ঢাকা যাবে?
শুদ্ধ : তুমি কি ঢাকা যাবে?
ভুল : কি ভয়ানক বিপদ!
শুদ্ধ : কী ভয়ানক বিপদ!
ভুল : তাহার সাঙ্ঘাতিক আনন্দ হইল।
শুদ্ধ : তাহার প্রচুর আনন্দ হইল।
ভুল : ইক্ষুর চারা বপন করা হইল।
শুদ্ধ : ইক্ষুর চারা রোপন করা হইল।
ভুল : ছেলেটি ভয়ানক মেধাবী।
শুদ্ধ : ছেলেটি অত্যান্ত মেধাবী।
ভুল : আকণ্ঠ পর্যন্ত ভোজন করলাম।
শুদ্ধ : আকণ্ঠ ভোজন করলাম।

ভুল : সাবধানপূর্বক চলবে।
শুদ্ধ : সাবধানে চলবে।
ভুল : একটি গোপন কথা বলি।
শুদ্ধ : একটি গোপনীয় কথা বলি।
ভুল : হাসান হলো আমার ভ্রাতুষ্পুত্র।
শুদ্ধ : হাসান আমার ভ্রাতুষ্পুত্র।
ভুল : বিধি লঙ্ঘন হয়েছে।
শুদ্ধ : বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে।
ভুল : তিনি আমার বইটি প্রকাশিত করেছেন।
শুদ্ধ : তিনি আমার বইটি প্রকাশ করেছেন।
ভুল : সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
শুদ্ধ : সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
ভুল : বিবিধ জিনিসপত্র কিনলাম।
শুদ্ধ : বিবিধ জিনিস কিনলাম।
ভুল : আমি যেয়ে দেখি সব শেষ?
আমি গিয়ে দেখি সব শেষ?
ভুল : কুলাটা নারীকে বর্জন কর।
শুদ্ধ : কুলটাকে বর্জন কর।
ভুল : দুষ্কৃতিদের ছুটি দেওয়া উচিত নয়।
শুদ্ধ : দুষ্কৃতিকারীদের ছুটি দেওয়া উচিত নয়।
ভুল : অন্যায়ের ফল আবশ্যক।
শুদ্ধ : অন্যায়ের ফল অনিবার্য।



সূচনা: ব্যাকরণই ভাষার সংবিধান। ভাষার শুদ্ধ প্রয়োগের দ্বারাই বাংলা ভাষাকে সম্মান প্রদর্শন করা হয়। বাংলাভাষাকে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা যায়, শুদ্ধ কথা বলে বা লেখে। ব্যাকরণ জ্ঞান থাকলে ভাষার অশুদ্ধ প্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ সম্পর্কে সচেতন থাকা যায়। সে জন্য শব্দ ও বাক্যের নির্ভূল প্রয়োগের দ্বারা ভাষার দক্ষতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীরা যদি মাতৃভাষা বাংলাকে গভীর ভাবে ভালবাসে এবং যথাযথ অনুশীলন করে তা হলে শুদ্ধ বলা এবং লেখা অবশ্যই সম্ভব। বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ।

⇨ প্রথমে জানতে হবে আমরা কী কী ভূল লিখি?
১. বানানের ভুল: বিভিন্ন কারণে বানান ভুল হয়ে থাকে। যেমন: (ক) বর্ণ প্রয়োগে ভুল (খ) যুক্ত ব্যঞ্জন ঠিকমতো চিনতে না পারার ভুল (গ) সন্ধিজাত ভুল (ঘ) প্রত্যয়জাত ভুল (ঙ) শব্দ রুপান্তর জাত ভুল (চ) উপসর্গজাত ভুল (ছ) বচনজাত ভুল (জ) লিঙ্গজনিত ভুল (ঝ) বিসর্গজাত ভুল (ঞ) ণত্ব-বিধান ও ষত্ব-বিধান জনিত ভুল (ট) সমাস জাত ভুল (ঠ) কারক ও বিভক্তি জনিত ভুল।

২. শব্দদ্বিত্ব: ৩. সমোচ্চারিত, ৪. বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে বাক্যে পদের অপপ্রয়োগ, ৫. বাক্যে পদবিন্যাসের ত্রুটি, ৬. ক্রিয়া পদের ভুল ব্যবহার, ৭. সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ, ৮. উপমা, উৎপ্রেক্ষা, প্রতীক ইত্যাদি অলঙ্কারের ভুল প্রয়োগ, ৯. এক কথায় প্রকাশ, বাগধারা ও প্রবাদজনিত ভুল, ১০. যতিচিহ্নের ব্যবহার জনিত ভুল।

বানান সমস্যা সমাধনের জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আগ্রহে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় সর্বপ্রথম ১৯৩৭ সালে, বাংলাদেশ জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তুক বোর্ড ১৯৮৮ সালে এবং বাংলা একাডেমি ১৯৯২ ও ২০১২ সালে বাংলা বানানের কিছু নিয়ম বেঁধে দেন। ঐ নিয়মগুলো ছিল মূলত সুপারিশমূলক-বাধ্যতামূলক নয়। তদুপরি, তাঁরা বেশ কিছু শব্দের বিকল্প বানান নির্দেশ করায় সুপারিশ সমূহ সর্বজন কর্তৃক সুচারুরুপে পালিত হচ্ছে না। ফলে অশুদ্ধ প্রয়োগের মাত্রা ও হ্রাস পাচ্ছে না। আমাদের সকলেরই প্রয়োজন সেসব নিয়মগুলো আয়ত্ব করা।

⇨ বাংলা বাক্য এবং শব্দের শুদ্ধি ও অশুদ্ধির নিয়মাবলি:
১. ‘ই’ ও ‘ঈ’ সংস্কৃতের ‘ইন’ প্রত্যয় যুক্ত শব্দের মধ্যকার ‘ন’ লোপ ই-কার থেকে যায়। এসব শব্দের শেষে বিশেষ্যবাচক ‘তা’ অথবা ‘ত্ব’ প্রত্যয় যুক্ত হয়। যেমন:

দুরদর্শী + তা = দুরদর্শিতা
মনোযোগী + তা = মনোযোগিতা
প্রতিযোগী + তা = প্রতিযোগিতা
পারদর্শী+তা = পারদর্শিতা
কৃতী+ত্ব = কৃতিত্ব
দ্বায়ী+ত্ব = দায়িত্ব
কৃতী+ত্ব কৃতিত্ব
২. সংস্কৃতের ‘ইন’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দের শেষে বাংলায় ‘ঈ’কার এসেছে। সংস্কৃতের অনুসরণে এ সব ই-কার বজায় থাকে কিন্তু বহু বচনের ক্ষেত্রে ‘ইন’ এর ‘ই’ কার লোপ পায় না। যেমন- প্রাণী, মন্ত্রী, শশী, পক্ষী, বহুবচনে- প্রাণিকুল, মন্ত্রিপরিষদ, শশিভূষণ, পক্ষিকুল ইত্যাদি।

৩. স্ত্রীবাচক ‘ইনি’ (ইণী) প্রত্যয়ের মাঝখানে ই-কার চলে। যেমন:

বিজয়+ইনী = বিজয়িনী
দুঃখী+ইনী = দুঃখিনী
বিরহ+ইনী = বিরহিনী
সহধর্মী+ইনী= সহধর্মিনী ইত্যাদি।
৪. সন্ধিতে বিসর্গ এর স্থলে মূর্ধন্য-ষ বসে। বিসর্গযুক্ত ই-কার বা উ-কার এর পর ক/খ/প/ফ এর যে কোনটি থাকলে বিসর্গ স্থানে ‘ষ’ হয়। যেমন:

বহিঃ+কার = বহিষ্কার
নিঃ +কর = নিষ্কর
দুঃ+কর = দুষ্কর
চতুঃ+পদ = চতুষ্পদ ইত্যাদি
৫. তালব্য-শ এর পরিবর্তে মূর্ধন্য-ষ হয়। যেমন:

নির্দেশ ➜ নির্দিষ্ট
বিনাশ ➜ বিনষ্ট
উপবেশ ➜ উপবিষ্ট ইত্যাদি।
৭. বিসর্গের পরে ‘ত’ বা ‘থ’ থাকলে ঐ বিসর্গের স্বানে ‘স’ হয়। যেমন:

নিঃ + তার = নিস্তার
তিরঃ + কার = তিরষ্কার
প্রঃ থান= প্রস্থান ইত্যাদি।
৮. ‘st’ যুক্ত বিদেশি শব্দে ‘স্ট’ লিখতে হবে। যেমন: মাস্টার, হোস্টেল, মিনিস্টার, স্টল, ডাস্টবিন ইত্যাদি।
বাক্যে পদের অপ প্রয়োগ: বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ।

১. বহুবচনের ভুল: বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ। অনেক সময় বিশেষণ পদটি স্বয়ং বহুবচনের কাজ করে। মুল শব্দটিকে বহুবচন পদে পরিণত করার প্রয়োজন পড়ে না। যেমন: সবগুলো আম, না লিখে লেখা উচিত সব আম অথবা আমগুলো। কয়েকটি উদাহরণ:
ভুল : সকল পাখিরা ঘর বাঁধে না।
শুদ্ধ : সকল পাখি ঘর বাঁধে না।
ভুল : সকল প্রাণিকুল রাতের বেলা বিশ্রাম নেয়।
শুদ্ধ : প্রাণিকুল/সকল প্রাণী রাতের বেলা বিশ্রাম নেয়।
ভুল : সকল শিক্ষক মন্ডলী উপস্থিত আছেন।
শুদ্ধ : সকল শিক্ষক/শিক্ষকমন্ডলী উপস্থিত আছেন।

২. বাক্যে শব্দের অপপ্রয়োগ:
ভুল : বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল রাষ্ট্র।
শুদ্ধ : বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্র।
ভুল : অপু মামলায় সাক্ষী দেবে।
শুদ্ধ : অপু মামলায় সাক্ষ্য দেবে।
ভুল : মেয়েটি ভয়ানক সুন্দরী
শুদ্ধ : মেয়েটি অনিন্দ্য সুন্দরী

৩. বাহুল্য শব্দ প্রয়োগজনিত অশুদ্ধি
ভুল : ছাত্ররা সবিনয়পূর্বক নিবেদন করল।
শুদ্ধ : ছাত্ররা সবিনয় নিবেদন করল।
ভুল : মেয়েটি নিদারুন সুবুদ্ধিমতী।
শুদ্ধ : মেয়েটি দারুন বুদ্ধিমতী।

৪. প্রবাদ প্রবচন জনিত অশুদ্ধি:
ভুল : গাছে কাঁঠাল চুলে তেল।
শুদ্ধ : গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল।
ভুল : অতি ভক্তি ডাকাতের লক্ষণ।
শুদ্ধ : অতিভক্তি চোরের লক্ষণ।
ভুল : কইয়ের তেলে মাছ ভাজা।
শুদ্ধ : কইয়ের তেলে কই ভাজা।
ভুল : বেয়াদবটাকে পূর্ণচন্দ্র দিয়ে বিদায় কের দাও।
শুদ্ধ : বেয়াদবটাকে অর্ধচন্দ্র দিয়ে বিদায় করে দাও।

৫. লিঙ্গ জনিত অশুদ্ধি:
ভুল : ওর মতো বুদ্ধিমান তরুনী এই তল্লাটে নেই।
শুদ্ধ : ওর মতো বুদ্ধিমতি তরুণী এই তল্লাটে নেই।
ভুল : আজ আমার কনিষ্ঠ বোনের বাগদান অনুণ্ঠান।
শুদ্ধ : আজ আমার কনিণ্ঠা বোনের বাগদান অনুষ্ঠান।
ভুল : যে মেয়েটি বুদ্ধিমান তাকে দিয়ে কাজটি কর।
শুদ্ধ : যে মেয়েটি বুদ্ধিমতি তাকে দিয়ে কাজটি কর।
ভুল : তার মা খুব মহান নেত্রী ছিলেন।
শুদ্ধ : তার মা খুব মহিয়সী নেত্রী ছিলেন।
ভুল : তোমার তো আবার ষোলো মাসে বছর, সবকিছুতেই বিলম্ব।
শুদ্ধ : তোমার তো আবার আঠার মাসে বছর, সবকিছুতেই বিলম্ব।

৬. বিশেষণের দ্বিত্বজনিত অশুদ্ধি:
ভুল : সবিনয় নিবেদন পূর্বক জানাচ্ছি যে ——-
শুদ্ধ : সবিনয়ে জানাচ্ছি যে———-
ভুল : প্রতিপক্ষ দলের কথা সঠিক নয়।
শুদ্ধ : প্রতিপক্ষ দলের কথা ঠিক নয়।

সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণজনিত অশুদ্ধি- বাংলা ভাষার অপপ্রয়োগ ও শুদ্ধ প্রয়োগ
ভুল : লোকজন দেখে সন্ত্রাসীরা চলিয়া গেল।
শুদ্ধ : লোকজন দেখে সন্ত্রাসীরা চলে গেল।
ভুল : আত্মীয়রা শশ্মনে শব পোড়াচ্ছে।
শুদ্ধ : আত্মীয়রা শশ্মনে শব দাহ করছে।
ভুল : বাড়ির পাশেই ভীষণ অরণ্য।
শুদ্ধ : বাড়ির পাশেই ভীষণ জঙ্গল।

ভাষারীতি ও বানানের অশুদ্ধি:
ভুল : এ ঘটনা তোমার জন্য লজ্জাস্কর।
শুদ্ধ : এ ঘটনা তোমার জন্য লজ্জাকর/লজ্জাজনক।
ভুল : তোমার আচরণে আমি অত্যন্ত অপমান হয়েছি।
শুদ্ধ : তোমার আচরণে আমি অত্যন্ত অপমানিত হয়েছি।
ভুল : অনেক দিন পর তিনি আরোগ্য হলেন।
শুদ্ধ : অনেক দিন পর তিনি আরোগ্য লাভ করলেন।
ভুল : কীর্তিবাস প্রথম বাংলা রামায়ণ লিখেছেন।
শুদ্ধ : কৃত্তিবাস প্রথম বাংলা রামায়ণ লিখেছেন।
ভুল : আজকাল বানানের ব্যাপারে সকল ছাত্ররাই অমনোযোগী
শুদ্ধ : আজকাল বানানের ব্যাপারে সকল ছাত্রই অমনোযোগী

কতিপয় বাক্যের ভুল/অশুদ্ধি সংশোধন।
ভুল : অশ্রু জলে বুক ভেসে গেল। (রা.বো.০৪)
শুদ্ধ : অশ্রুতে বুক ভেসে গেল।
ভুল : অন্নাভাবে প্রতি ঘরে ঘরে হাহাকার। (ঢা.বো.০৩)
শুদ্ধ : অন্নাভাবে ঘরে ঘরে হাহাকার।
ভুল : অতিশয় দুঃখিত হলাম। (ঢা.বো.০৩)
শুদ্ধ : অতিশয় দুঃখ পেলাম।
ভুল : অতি লোভে তাঁতী নষ্ট। (ঢা.বো.০৩)
শুদ্ধ : অতি লোভে তাঁতি নষ্ট।
ভুল : অপমান হবার ভয় নেই। (চ.বো.১০)
শুদ্ধ : অপমানিত হবার ভয় নেই।
ভুল : অধ্যায়নই ছাত্রদের তপস্যা। (ঢা.বো.০৩)
শুদ্ধ : অধ্যয়নই ছাত্রদের তপস্যা।
ভুল : আমি সন্তোষ হলাম। (ঢা.বো.০৩)
শুদ্ধ : আমি সন্তুুষ্ট হলাম।
ভুল : আমার আর বাঁচবার স্বাদ নাই। (রা.বো.০৪)
শুদ্ধ : আমার আর বাচিবার সাধ নাই।
ভুল : আমি এ ঘটনা চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করেছি। (কু.বো.১২)
শুদ্ধ : আমি এ ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছি।
ভুল : আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত। (চ.বো.১০)
শুদ্ধ : আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত।
ভুল : আসছে আগামীকাল কলেজ বন্ধ থাকবে। (চ.বো.০৮)
শুদ্ধ : আগামী কাল কলেজ বন্ধ থাকবে।
ভুল : আবশ্যক ব্যয়ে কার্পণ্যতা উচতি নয়। (চ.বো.০৮)
শুদ্ধ : আবশ্যক ব্যয়ে কার্পণ্য অনুচিত।
ভুল : উৎপন্ন বৃদ্ধির জন্য কঠোর পরিশ্রম দরকার। (রা.বো.০৪)
শুদ্ধ : উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কঠোর পরিশ্রম দরকার।
ভুল : এ কথা প্রমান হয়েছে। (চ.বো.১০)
শুদ্ধ : এ কথা প্রমাণিত হয়েছে।
ভুল : এটা লজ্জাস্কর ব্যাপার। (চ.বো.০৮)
শুদ্ধ : এটা লজ্জাকর ব্যাপার।
ভুল : একের লাঠি দশের বোঝা । (রা.বো.০৪)
শুদ্ধ : দশের লাঠি একের বোঝা।
ভুল : এক অগ্রহায়নে শীত যায় না। (রা.বো.০৬)
শুদ্ধ : এক মাঘে শীত যায় না।
ভুল : চোরে চোরে খালাত ভাই
শুদ্ধ : চোরে চোরে মাসতুতো ভাই।
ভুল : এ বিষয়ে আমার কোন দৈন্যতা নেই। (চ.বো.১০)
শুদ্ধ : এ বিষয়ে আমার কোন দৈন্য/দীনতা নেই।
ভুল : কেই মরে বিল ছেঁচে, কেই খায় শিং। (কু.বো.১২)
শুদ্ধ : কেউ মরে বিল ছেঁচে, কেউ খায় কৈ।
ভুল : কুপুরুষের মতো কথা বলছ কেন? (রা.বো.০৪)
শুদ্ধ : কাপুরুষের মতো কথা বলছ কেন?
ভুল : কাব্যটির উৎকর্ষতা প্রশংসনীয়। (কু.বো.১২)
শুদ্ধ : কাব্যটির উৎকর্ষ প্রশংসনীয়।
ভুল : কালীদাস বিখ্যাত কবি। (রা.বো.০৪)
শুদ্ধ : কালিদাস বিখ্যাত কবি।
ভুল : কথাটি সঠিক নয়। (চ.বো.০৮)
শুদ্ধ : কথাটি সত্য নয়।
ভুল : কন্যার বাপ সবুর করতে পারতেন কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিল না।(চ.বো.০৩)
শুদ্ধ : কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন না।
ভুল : গাছটি সমূলসহ উৎপাটিত হয়েছে। (কু.বো.০৮)
শুদ্ধ : গাছটি মুলসহ উৎপাটিত হয়েছে।
ভুল : গতকালের সভায় সকল সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।(চ.বো.১০)
শুদ্ধ : গতকালের সভায় সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
ভুল : গাছে কাঁঠাল মাথায় তেল। (চ.বো.০৮)
শুদ্ধ : গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল।
ভুল : গীতাঞ্জলী রবীঠাকুরের বিখ্যাত কাব্য।
শুদ্ধ : গীতাঞ্জলি রবিঠাকুরের বিখ্যাত গ্রন্থ।
ভুল : গীতাঞ্জলী পড়েছ কি? (চ.বো.০৫)
শুদ্ধ : গীতাঞ্জলি পড়েছ কি?
ভুল : দ্বাদশ শ্রেনীতে তেত্রিশ জন ছাত্র আছে তারমধ্যে তামি সবচেয়ে ভাল। (চ.বো.১০)
শুদ্ধ : দ্বাদশ শ্রেণিতে তেত্রিশ জন ছাত্র আছে, তাদের মধ্যে তামি সর্বোত্তম।
ভুল : তোমার মত বুদ্ধিমান বালিকা আমি আর দেখিনি। (চ.বো.১০)
শুদ্ধ : তোমার মতো বুদ্ধিমতি বালিকা আমি আর দেখিনি।
ভুল : তাকে স্বপরিবারে দাওয়াত কর। (কু.বো.১২)
শুদ্ধ : তাকে সপরিবারে দাওয়াত কর।
ভুল : তাহার সৌন্দর্য্যতায় মুদ্ধ হয়েছি। (রা.বো০৬)
শুদ্ধ : তার সৌন্দর্যে মুদ্ধ হয়েছি।
ভুল : তার বৈমাত্র সহোদর ডাক্তার। (কু.বো.১২)
শুদ্ধ : তার বৈমাত্র ডাক্তার।
ভুল : তারা একত্রে গমন করল। (চ.বো.১০)
শুদ্ধ : তারা একত্র গমন করল।
ভুল : তাহার লেখা-পড়ায় মনযোগ নাই। (রা.বো.০৬)
শুদ্ধ : তাহার লেখাপড়ায় মনোযোগ নেই।
ভুল : তোমার তথ্য গ্রাহ্য যোগ্য নয়। (চ.বো.০৫)
শুদ্ধ : তোমার তথ্য গ্রহণ যোগ্য নয়।
ভুল : তিনি আরোগ্য হলেন।
শুদ্ধ : তিনি আরোগ্য লাভ করলেন।
ভুল : যে সব অর্থহীন বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি শব্দের পরে বসে শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে।
শুদ্ধ : যে সব অর্থহীন বর্ণ বা র্বণসমষ্টি শব্দের পরে বসে শব্দ গঠন করে তাদের প্রত্যয় বলে।
ভুল : তিনি স্বস্ত্রীক বেড়াতে যাবেন। (চ.বো.০৫)
শুদ্ধ : তিনি সস্ত্রীক বেড়াতে যাবেন।
ভুল : দারিদ্রতাকে জয় করতে হলে পরিশ্রম কর। (কু.বো.১২)
শুদ্ধ : দারিদ্র্যকে/দরিদ্রতাকে জয় করতে হলে পরিশ্রম কর।
ভুল : দৈন্যতা প্রশংসনীয় নয়।
শুদ্ধ : দীনতা/দৈন্য প্রশংসনীয় নয়।
ভুল : দশ চক্রে ঈশ্বর ভুত। (কু.বো.০৮)
শুদ্ধ : দশ চক্রে ভগবান ভুত।
ভুল : নতুন নতুন ছেলেগুলো উৎপাত করছে। (চ.বো.০৮)
শুদ্ধ : নতুন ছেলেগুলো উৎপাত করছে।
ভুল : সকল ছাত্রগণ নিয়মিত স্কুলে যায় না।
শুদ্ধ : সকল ছাত্র নিয়মিত স্কুলে যায় না।
ভুল : সকল শিক্ষক মন্ডলীকে স্বাগত জানাই।
শুদ্ধ : সকল শিক্ষককে স্বাগত জানাই।
ভুল : যুদ্ধের বাজারে অনেকেই আঙ্গুল ফুলে আমগাছ হয়েছে।
শুদ্ধ : যুদ্ধের বাজারে অনেকেই আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে।
ভুল : শয়তানটাকে পূর্ণচন্দ্র দিয়ে বিদায় করে দাও।
শুদ্ধ : শয়তানটাকে অর্ধচন্দ্র দিয়ে বিদায় করে দাও।
ভুল : মার্কিনরা স্বশিক্ষিত জাতি।
শুদ্ধ : মার্কিনরা শিক্ষিত জাতি।
ভুল : কৃপণের নিকট চাঁদা চাওয়া বনে ক্রন্দন মাত্র।
শুদ্ধ : কৃপণের নিকট চাঁদা চাওয়া অরণ্যে রোদন মাত্র।
ভুল : দেশের উন্নয়নে তারা নিজেকে নিয়োজিত করেছে।
শুদ্ধ : দেশের উন্নয়নে তারা নিজেদেরকে নিয়োজিত করেছে।
ভুল : ধনে জনে চৌধুরী সাহেবের সংসার যেন চাঁদের বাজার।
শুদ্ধ : ধনে জনে চৌধুরী সাহেবের সংসার যেন চাঁদের হাট।
ভুল : পরপকার মনুষত্বের পরিচায়ক। (সি.বো.০৩)
শুদ্ধ : পরোপকার মনুষ্যত্বের পরিচায়ক।
ভুল : পরবর্তীতে আপনি এলে ভালো হবে। (চ.বো.১০)
শুদ্ধ : পরে আপনি এলে ভালো হবে।
ভুল : বিদ্যান র্শর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
শুদ্ধ : বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
ভুল : বাংলাদেশ একটি সমৃদ্ধশালী দেশ। (চ.বো.১০)
শুদ্ধ : বাংলাদেশ একটি সমৃদ্ধিশালী দেশ।
ভুল : বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল দেশ। (কু.বো.১২)
শুদ্ধ : বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ।
ভুল : মেয়েটি বিদ্যান কিন্তু সুন্দরী নয়।
শুদ্ধ : মেয়েটি বিদুষী কিন্তু সুন্দরী নয়।
ভুল : মাদকাশক্তি ভাল নয়।
শুদ্ধ : মাদকাসক্তি ভাল নয়।
ভুল : মহারাজা সভাগৃহে প্রবেশ করিলেন। (রা.বো.০৬)
শুদ্ধ : মহারাজ সভাকক্ষে প্রবেশ করলেন।
ভুল : অন্নাভাবে প্রতি ঘরে ঘরে হাহাকার। (ঢা.বো.০৩)
শুদ্ধ : অন্নাভাবে ঘরে ঘরে হাহাকার।
ভুল : সব মাছ গুলোর দাম কত? (কু.বো.০৫)
শুদ্ধ : সবগুলো মাছের দাম কত?
ভুল : সূর্য উদয় হয়েছে। (চ.বো.০৩)
শুদ্ধ : সূর্য উদিত হয়েছে।
ভুল : শ্বাশুড়ী বউকে দেখতে পারে না।
শুদ্ধ : শাশুড়ি বউকে দেখতে পারে না।
ভুল : মুহুর্তের মধ্যে এতকিছু ঘটে যাইবে বুঝিতে পারিনি।
শুদ্ধ : মুহুর্তের মধ্যে এতকিছু ঘটে যাবে, বুঝতে পারিনি।
ভুল : তুমি টাকাটা আত্বসাৎ করেছ।
শুদ্ধ : তুমি টাকাটা আত্মসাৎ করেছ।
ভুল : যথাসময়ে কাজ না করায় শেষে চক্ষুতে হলুদের ফুল দেখিতে লাগিলাম।
শুদ্ধ : যথা সময়ে কাজ না করায় শেষে চোখে সর্ষের ফুল দেখতে লাগলাম।
ভুল : অপব্যায় একটি মারাত্বক ব্যাধি
শুদ্ধ : অপব্যয় একটি মারাত্মক ব্যধি।
ভুল : যাবতীয় প্রাণিকুল এ গ্রহের বাসিন্দা। (চ.বো.০৩)
শুদ্ধ : সকল প্রাণী এই গ্রহের বাসিন্দা।
ভুল : রচনার উৎকর্ষতা অনস্বীকার্য। (সি.বো.০৩)
শুদ্ধ : রচনার উৎকর্ষ অনস্বীকার্য।
ভুল : রবীন্দ্রনাথ ভয়ংকর কবি ছিলেন। (চ.বো.০৮)
শুদ্ধ : রবীন্দ্রনাথ বিশ্বকবি ছিলেন।
ভুল : বন ও জঙ্গলে এখন আর বাঘ থাকে না।
শুদ্ধ : বন-জঙ্গলে এখন আর বাঘ থাকে না।
ভুল : শুধুমাত্র এই কটা টাকা দিলে? (কু.বো.০৮)
শুদ্ধ : মাত্র এই কটা টাকা দিলে?
ভুল : শুধুমাত্র তুমি গেলেই হবে। (কু.বো.১২)
শুদ্ধ : শুধু তুমি গেলেই হবে।
ভুল : শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করবো। (কু.বো.১২)
শুদ্ধ : শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করব।
ভুল : সকল ছাত্রগণ ক্লাসে উপস্থিত ছিল।
শুদ্ধ : সকল ছাত্র ক্লাসে উপস্থিত ছিল।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Dhaka
Other Education & Learning in Dhaka (show all)
Learn with Jaki Learn with Jaki
Dhaka

Teacher

King International Consulting King International Consulting
House #122 (Near Flyover ), Atish Deepankar Road, South Basabo
Dhaka, 1214

আমাদের পেজে আপনাকে সু-স্বাগতম 私たちのページへようこそ

BCS Preliminary-Written Preparation BCS Preliminary-Written Preparation
Dhaka

BCS-সহ সকল সরকারি চাকরি প্রত্যাশীদের পড়াশুনা মূলক একটি পেইজ। আশা করি, লাইক/Follow দিয়ে সাথে থাকবেন।

Markazu Tahjibil Ummah, Dhaka Markazu Tahjibil Ummah, Dhaka
House-272, Road-09, East Goran, Khilgaon (Near Madina Masjid) Dhaka
Dhaka, 1219

মারকাযু তাহযীবিল উম্মাহ ঢাকা এক‌টি উ?

JABS JABS
Hazi Md Dider Hossain Road, Nazargonj, Zinzira
Dhaka, 1210

First complete science academy in zinzira For creative education and pleasure, you can rely on.

Khairul Islam Bhuiyan Khairul Islam Bhuiyan
Dhaka

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন, "পড় তোমার প্রভুর নামে, যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন" (সূরা আলাক্ব:-১)

Learn with Rimzz Learn with Rimzz
Dhaka

D R E A M E R

Quray Abdul Mazid Quray Abdul Mazid
Bangladesh
Dhaka

"আসসালামুয়ালাইকুম,, আশা করি সবাই ভালো আছেন।আমাদের ফেসবুক পেইজে নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত সুনতে পারবেন।।

BD BIM Academy BD BIM Academy
House No: 266/3-C, Ishakah Road, Ahmednagar Mirpur-1
Dhaka, 1216

Best Academy for Learning Building Information Modeling.

Virtual Educators Collaboration-VEC, Bangladesh Virtual Educators Collaboration-VEC, Bangladesh
Dhaka

একুশ শতকের দক্ষতার বিকাশের মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে নিয়োজিত বাংলাদেশী শিক্ষকদের প্লাটফর্ম।