26/03/2026
২০২৬ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড পরীক্ষার ফলাফল।
আলহামদুলিল্লাহ! আমাদের প্রতিষ্ঠানের মোট ১১+৪=১৫ জন শিক্ষার্থী বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া (কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড) পরীক্ষায় ১০০% সাফল্য অর্জন করেছে।
এই সাফল্যের জন্য আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি আলহামদুলিল্লাহ। এবং সকল ছাত্রী শিক্ষিকা ও অভিভাবকদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
29/05/2025
১০ হাজার প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে আল-মানার মহিলা মাদরাসার হিফয শাখা থেকে হুফফাজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় মেধা তালিকায় যারা প্রথম স্থান অধিকার করেছেন।
১। নাবিহা আঞ্জুম (১ম)
২। ফারজানা আক্তার মাইশা (১ম)
৩। তানজিলা আক্তার (১ম)
৪। লামিয়া ইয়াসমিন (২য়)
৫। ফাতেমাতুজ্জহুরা (৩য়)
মাশাআল্লাহ। আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ তাআলা তাদের সবাইকে দুনিয়া ও আখিরাতে নেক মানুষ হিসেবে কবুল করুন। আমিন
22/05/2025
হিফজ পড়া ফরজ/ওয়াজিব নয়। আপনি ফরজ করে নিয়েছেন। হিফজ করা সহজ নয়,কঠিন বিষয়কে আপনার সন্তানের ওপর চাপিয়ে দিয়েছেন।
হিফজ বিভাগের পড়া সম্পূর্ণ নির্ভর করে ছাত্রীদের মুখস্থ সক্ষমতার উপর। কিন্তু আপনি দোষ চাপিয়ে দিচ্ছেন শিক্ষিকার ওপর। শিক্ষিকার কাজ পড়তেছে কিনা দেখা,পরামর্শ দেয়া,পড়া শুনা।
হিফজ বিভাগে পড়ানোর কিছুই নেই। ছাত্রীরা পড়বে,আর শিক্ষিকা পড়া শুনবে। মাঝে মাঝে উচ্চারণের সুর ধরিয়ে দিবে। আর পড়ায় ভুল হলে ধরিয়ে দিবে।
আপনার সন্তান মুখস্থ করতে পারছে না। স্মরণ রাখতে পারছে না। কিন্তু আপনি শপথ করেছেন হাফেজা বানাবেন, তাতে কিয়ামত হলে হোক,আবার সন্তানের পড়া না পারার দায় চাপিয়ে দিচ্ছেন শিক্ষিকাদের ওপর।
ফোনে বা সরাসরি শিক্ষকাকে লাঞ্ছিত করছেন। জবাবদিহি করছেন।
আপনার সন্তান পড়া পারে না,পড়ে না,ক্লাসে দুষ্টুমি করে,গল্প করে,শিক্ষিকার কথা মানে না,যা খুশি- তাই করে,বুঝালেও মানে না। পড়তে বলা এবং পড়ার জন্য চাপ দিলে শিক্ষাকেই গালি শুনতে হয়।
আপনি কখনো খোঁজ রাখেন না। শিক্ষিকাকে জিজ্ঞেস করেন না যে,আপনার সন্তান কেমন? ঠিক মতো পড়ে তো? কিন্তু সন্তানকে জিজ্ঞেস করেন টিচার কেমন? বাহ,কী করার কথা আর কী করছেন?এভাবেই সন্তানকে মানুষ করবেন?
প্রাকৃতিক আইন বড়ো কঠিন, জবাব আপনাকে দিতেই হবে!