যে গুনাহগুলোর শাস্তি আল্লাহ দুনিয়াতেই দেন
হাদীস শরীফে এসেছে, কিছু গুনাহ আছে এমন যেগুলোর শাস্তি আল্লাহ দুনিয়াতেই দিয়ে থাকেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
كُلُّ ذُنُوبِ يُؤَخِّرُ اللَّهُ مِنْهَا مَا شَاءَ إِلَى يَوْمِ القِيَامَةِ، إِلَّا البَغْيَ وَعُقُوقَ الوَالِدَيْنِ، أَوْ قَطِيعَةَ الرَّحِمِ، يُعَجِّلُ لِصَاحِبِهَا فِي الدُّنْيَا قَبْلَ المَوْتِ
আল্লাহ তাআলা তার মর্জিমাফিক গুনাহসমূহের মধ্যে যে কোনো গুনাহের শাস্তি প্রদান কেয়ামত পর্যন্ত বিলম্বিত করতে পারেন। কিন্তু তিনি ব্যভিচার, পিতা-মাতার অবাধ্যাচরণ ও আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করার গুনাহের শাস্তি অপরাধীর মৃত্যুর পূর্বেই এই দুনিয়াতে দিয়ে থাকেন।
আর দুনিয়াতে শাস্তি দেওয়ার একটা ধরণ এটাও যে, গুনাহটি মানুষের সামনে নিয়ে আসা। যার কারণে মানুষ তাকে তিরস্কার করবে, ছি ছি করবে।
— উমায়ের কোব্বাদি
ইমরুল কায়েস -IK
Assalamu alaikum, This is my channel. My channel purpose is disseminate our religious and Islamic voice. Islamic culture is very important for the world.
Dawah with Quran and Hadid’s for our present generation and next generation to go way of Jannah.
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন কাজ করবেন না, যা আপনার মৃত্যুর পরও গুনাহ জারির কারণ হয়।
ফজরের নামায ইসলামের অন্যতম শক্তিশালী 'শিআর'-নিদর্শন। ফজর নামায শরিয়তের অত্যন্ত প্রভাবশালী 'বিধান'। ফজরে বিছানা ছেড়ে উঠা মানবজীবনের বিশুদ্ধতম কাজগুলোর একটি। আর তাহাজ্জুদের জন্য ওঠা? সে তো জান্নাতি বাসর। শুধুই দুজনার।
ফজরে বাড়ি থেকে মসজিদ পর্যন্ত পথটুকু পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম সফর। আমি যেন এই নশ্বর পৃথিবী ছেড়ে জান্নাতের পানে হেঁটে চলেছি। সফরসঙ্গী হিসেবে আছেন ফেরেশতাগণ।
নিয়মিত সময়মতো ফজর পড়ার সৌভাগ্য অর্জন করার অর্থ হলো, রব্বে কারীম আমাকে মহব্বত করেন। এই মহব্বতের মর্যাদা রাখা আমার অবশ্যকর্তব্য।
— কাওলান কারীমা বই থেকে
সবাই বলুন, সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম🌹🌹
11/06/2026
কে বেশি শক্তিশালী? পৃথিবীর সবচেয়ে দামী ক্যামেরা না কি আপনার চোখ!
এই মহাবিশ্বের বিশাল ক্যানভাসে মহান আল্লাহ তাআলা তাঁর কুদরতের যে রঙতুলি বুলিয়েছেন, তার কোনো তুলনা নেই। তিনি কেবল স্রষ্টাই নন, তিনি শ্রেষ্ঠতম স্থপতি, শ্রেষ্ঠতম প্রকৌশলী। সাত আসমানের বিশালতা থেকে শুরু করে সমুদ্রের অতল গহ্বর—সবখানেই ছড়িয়ে আছে তাঁর মহিমা। তাঁর সৃষ্টির পরতে পরতে লুকিয়ে আছে অপার বিস্ময়। তেমনি এক বিস্ময়কর সৃষ্টি হচ্ছে আমাদের দুটি চোখ, যা দিয়ে আমরা পৃথিবীর সব সৌন্দর্য অবলোকন করি।
আমরা যখন বিশাল পাহাড় কিংবা অতি ক্ষুদ্র কোনো পিঁপড়াকে হেঁটে যেতে দেখি—আমাদের চোখ মুহূর্তের মধ্যে তার ওপর ফোকাস করে ফেলে। কখনও কি ভেবে দেখেছেন, এই দেখার পুরো প্রক্রিয়াটি কত দ্রুত আর নিখুঁত?
আধুনিক প্রযুক্তি আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে দামী স্মার্টফোন আর ডিএসএলআর ক্যামেরা। আমরা খুব গর্ব করে বলি, "আমার ফোনের ক্যামেরা ১০০ মেগাপিক্সেল!" কিন্তু আপনি কি জানেন, আপনার দুপাশে থাকা এই দুটি চোখ আসলে কত মেগাপিক্সেলের? আধুনিক বিজ্ঞান বলছে, মানুষের চোখ যদি একটি ডিজিটাল ক্যামেরা হতো, তবে তার রেজোলিউশন হতো প্রায় ৫৭৬ মেগাপিক্সেল!
আপনি যখন হাতের খুব কাছে থাকা একটি বই পড়ছেন, আর ঠিক তার পরের মুহূর্তেই জানালার বাইরের দূরের কোনো গাছের দিকে তাকাচ্ছেন—আপনার চোখ কিন্তু এক সেকেন্ডের কয়েক হাজার ভাগের এক ভাগ সময়ে তার ফোকাস বদলে ফেলছে। একে বলা হয় ‘অ্যাকোমোডেশন’। পৃথিবীর কোনো দামী ক্যামেরার লেন্সও এত দ্রুত এবং কোনো আওয়াজ ছাড়াই এভাবে ফোকাস সেট করতে পারে না। অথচ আমাদের চোখের পেশিগুলো সারাদিন ক্লান্তিহীনভাবে এই কাজটি করে যাচ্ছে।
ক্যামেরার লেন্স যেমন বেশি আলোতে সংকুচিত হয় আর অন্ধকারে প্রসারিত হয়, আমাদের চোখের ‘আইরিস’ ঠিক একইভাবে কাজ করে। তীব্র রোদে গেলে আপনার চোখের মণি ছোট হয়ে যায় যেন বেশি আলো আপনার চোখ নষ্ট না করে, আবার অন্ধকারে গেলে তা বড় হয়ে যায় যাতে আপনি আবছা আলোতেও পথ দেখতে পারেন। কোনো সফটওয়্যার ছাড়াই এই অটোমেটিক কন্ট্রোল সিস্টেম আমাদের শরীরে সেট করে দেওয়া হয়েছে।
আমরা প্রায় ১ কোটি আলাদা আলাদা রঙ চিনতে পারি। চোখের পেছনের ‘রেটিনা’ নামক পর্দায় লক্ষ লক্ষ ছোট ছোট কোষ আছে, যা আলোকে ইলেকট্রিক সিগন্যালে রূপান্তর করে মস্তিষ্কে পাঠায়। আর আমাদের মস্তিষ্ক সেই সিগন্যাল দিয়ে সেকেন্ডের মধ্যে রঙিন ছবি তৈরি করে আমাদের সামনে পেশ করে।
চিন্তা করে দেখুন, আল্লাহ শুধু আমাদের দেখার ক্ষমতাই দেননি, বরং দেখার জন্য দিয়েছেন নিখুঁত এক ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’। এই চোখ যদি ঠিকমতো কাজ না করত, তবে আমাদের পুরো পৃথিবীটা হয়ে যেত ঝাপসা আর অর্থহীন। বিজ্ঞানীরা কোটি কোটি টাকা খরচ করে কৃত্রিম চোখ বানানোর চেষ্টা করছেন, কিন্তু এখনো তারা আল্লাহর দেওয়া এই রক্ত-মাংসের চোখের ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারেননি।
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা তাই খুব সুন্দর করে আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছেন:
“বলুন, তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদেরকে দিয়েছেন শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ও অন্তঃকরণ। তোমরা খুব অল্পই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো।” > — (সুরা মুলক: ২৩)
“অতএব, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?” — (সুরা আর-রহমান: ১৩)
11/06/2026
কি ছেড়ে ইসলামে আসলাম?
কি ত্যাগ করে ইসলামে কবুল করলাম?
বা কোন কুরবানি দিয়ে ইসলাম গ্রহণ করলাম?
জন্ম সূত্রেই মুসলিম হওয়া ছাড়া উম্মাহকে আর কিছুই তো দিতে পারিনি! বিপরীতে আয়ুষ মালিক (ভারতীয় নাগরিক) বর্তমান নাম– মোহাম্মদ আলী।
আলালের ঘরের একমাত্র দুলাল তিনি। বাবার কোটি কোটি টাকা। সব ছেড়ে ইসলামে এসেছেন। তাকে ত্যাজ্য করার দাবি উঠালে তিনি বলেন, “বাবার এতো এতো সম্পত্তি– আল্লাহ তাঁর রাসুলের ভালোবাসার কাছে আমার কাছে তুচ্ছ।” ঠিক মুসআব ইবনে উমাইর (রা.)।
আল্লাহ তা'আলা মোহাম্মদ আলী ভাইকে কবুল করুন এবং সঠিক তাওহীদ বুঝার তাওফিক দিক। এবং বিলাল (রা.) মতো ইস্তেকামত দিক। আমিন।
লেখা : নজরুল ইসলাম (আংশিক পরিমার্জিত)
আপনি আপনার বাবা-মার সাথে যেমন আচরণ করবেন আপনার সন্তানও আপনার সাথে তেমন আচরণ করবে।
ইমানদারকে অবশ্যই বাবা-মার খেদমত করতে হবে।
এক মাসের জন্য বিদেশে বিজনেস ট্রিপে গেলেওতো অন্তত তিনটি ব্যাগ নিবেন আপনি-
1. লাগেজ ব্যাগ (জামা-কাপড়ের)
2. হ্যান্ড ব্যাগ (ডকুমেন্টস, গ্যাজেটস)
3. মানি ব্যাগ (ক্যাশ, কার্ডস )
আখিরাতের অনন্ত জীবনের জন্য ব্যাগ গোছাতে হবেনা? তিনটি ব্যাগ লাগবে আপনার; যেগুলোর আলোকে আপনার আমলগুলো ভরে তুলবেন :
1. তাওহীদ ( আল্লাহর একত্ববাদ )
2. ইত্তেবা ( রাসূল সঃ এর অনুসরণ )
3. তাজকিয়া (আত্মার পরিশুদ্ধি )
ভ্রমণের জন্য অনেক অনেক জিনিসপত্র নিলেন l কিন্তু ব্যাগ যদি নিম্নমানের হয় তাহলে ছিঁড়ে গিয়ে জিনিসপত্র সব হারাবেন l তেমনি অনেক অনেক আমল করলেন; কিন্তু তাওহীদ, ইত্তেবা, তাজকিয়ার ধারণা স্পষ্ট না থাকলে সব আমল বরবাদ হবার আশংকা আছে l
আপনি, আমি কতোটুকু প্রস্তুত? কতোটুকু সময় দিয়েছি, দিচ্ছি- তাওহীদ, ইত্তেবা, তাজকিয়া বুঝতে, পড়তে, জানতে, মানতে? অপরিকল্পিত, অগোছালো যাত্রী ইমিগ্রেশনে কতটুকু সফল হয়?
কালেক্টেড
একজন মুমিনের দুনিয়া ও আখিরাত বরবাদ হয় মূলত তিনটি কারণে-
১) নির্জনতার অপব্যবহার,
২) মাল-সম্পদের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি,
৩) এবং নারীর ফিতনা।
তাই আমাদের উচিত, হামেশা এই তিনটি ফিতনাহের ব্যাপারে সতর্ক থাকা। প্রতিটি মুহূর্তে আল্লাহকে ভয় করা, এবং গোপন ও প্রকাশ্য উভয় অবস্থায় তাকওয়া অবলম্বন করা।
ইয়া রাব্ব, আমাদের অন্তরগুলোকে আপনি পবিত্র করুন, আমাদের লজ্জাস্থানকে আপনি হেফাজত করুন এবং আমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করুন।
— লেখা : শাবীব তাশফী
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Address
Dhaka