কে কে ধরেছেন এভাবে ...
Saimur Rahman Official
আমার অফিশিয়াল পেইজে আপনাকে স্বাগতম।
গ্রামের এই প্রকৃতির প্রেমে পড়তে আপনি বাধ্য !!
সন্ধ্যা নেমে আসা...
লোকেশন : শংকরচন্দ্র, ভান্ডারদোহা
ট্রা*ম্পের ক্যাবিনেট মিটিং শেষ হয়েছে মাত্রই। মিটিং শেষে সাংবাদিকরা জিজ্ঞেস করেছে
- ইরান যুদ্ধে কারা এগিয়ে আছে?
ট্রা*ম্প হেসে বলেছে
- ইরানকে আমাদের প্রস্তাব ভালোয় ভালোয় মানতে হবে। নইলে ইরানকে ধ্বংস করে দেয়া হবে।
ক্যাবিনেট মিটিং-এ একটা রাষ্ট্রের প্রধান একটা দেশকে ধ্বংস করে দেয়ার কথা বলছে হাসতে হাসতে। আমি লাইভে দেখছিলাম আর ভাবছিলাম -এরাই আবার দেশে দেশে মানবাধিকারের কথা বলে বেড়ায়। এরপর ওকে ন্যাটো সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছে। ট্রা*ম্প বলেছে
- আমরা প্রতি বছর ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করি ইউরোপের দেশগুলোকে রাশিয়ার হাত থেকে রক্ষা করা জন্য। অথচ ওরা আমাদের সাহায্যে এগিয়ে আসে নাই। ন্যাটো নিয়ে ভাবতে হবে অ্যামেরিকাকে।
তবে পুরো মিটিং-এ অন্য সবার বক্তব্য দেখে মনে হয়েছে , অ্যামেরিকা হয়ত এই উইকএন্ডে (শুক্র, শনি কিংবা রবিবার) ইরানে স্থল অভিজান শুরু করতে পারে। যদিও এমন কিছু ওরা পরিষ্কার করে বলে নাই। কিন্তু পুরো পৃথিবীর দেশগুলোর মুভমেন্ট দেখে এমনটাই মনে হচ্ছে।
আজকে আরব দেশগুলোর সরকার প্রধানদের একটা মিটিং হয়েছে। সেখানে তাঁরা কি বলেছে জানেন? তাঁরা বলেছে
- ইরানের উচিত এই হামলা বন্ধ করা। নইলে আমরা বাধ্য হবো ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে।
চিন্তা করে দেখেন অবস্থা। অ*সভ্য-ব*র্বরগুলো অ্যামেরিকা-ই*জ*রাইলকে কিছু বলেত পারছে না। যারা এই যুদ্ধ শুরু করেছে। আজ আবার ফ্রান্স, ইংল্যান্ড এবং ভারতের সরকার প্রধানও হরমুজ প্রণালি বিষয়ে একটা মিটিং করেছে বলে আল জাজিরা খবর প্রকাশ করেছে। এই মিটিংটা কেন হলো ঠিক বুঝতে পারছি না। আজই কেন এই মিটিং ওদের করতে হলো?
আমার কেন যেন মনে হচ্ছে, অ্যামেরিকা দেশগুলোর কাছে এর মাঝে একটা বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। দেশগুলো হয়ত ভবিষ্যতের বিপদ আঁচ করতে পেরে একে-অপরের সাথে কথা বলছে। এদিকে ই*জ*রাইল বলছে ইরানের নেভির প্রধান, যিনি হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখতে কাজ করছিলেন; তাঁকে আজ হ*ত্যা করা হয়েছে। অ্যামেরিকান সামরিক বিশেষজ্ঞ স্কট রিট এই প্রসঙ্গে কিছুক্ষণ আগে বলেছেন
- অ্যামেরিকা আর ই*জ*রাইল এখনও বুঝতে পারছে না; ইরানের রাষ্ট্রীয় সিস্টেম অনেক মজবুত। এভাবে পাঁচশোজনকে হ*ত্যা করেও কোন লাভ হবে না।
এদিকে ইয়েমেনের হুতিরা ঘোষণা করেছে
- ইরান এই যুদ্ধে এখনও ভালো করছে । যদি দরকার হয়, যে কোন মুহূর্তে আমরাও ইরানের জন্য এই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়বো।
এর মানে দাঁড়াচ্ছে ইয়েমেনের উপকূলের বাইরের আল-মান্দে
ইরান, অ্যামেরিকার দেয়া ১৫ দফা প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে সাফ জানিয়ে দিয়েছে
- এইসব প্রস্তাব অবাস্তব এবং মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এই ১৫ দফা প্রস্তাবে অনেক কিছু আছে; এর মাঝে দুটো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে
- হরমুজ প্রণালি ইরান দখলে রাখতে পারবে না।
- ইরানকে তাঁদের মিসাইল প্রযুক্তি থেকেও সরে আসতে হবে!
ইরান কোন দিনই এটা মানবে না। এতে ওদের সর্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়বে। তাই ১৫ দফা প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে ইরান নিজেদের ৫ দফা প্রস্তাব জানিয়ে দিয়েছে । সেখানে আছে
- যুদ্ধ পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে।
- হরমুজ প্রণালি ইরানের দখলে থাকবে।
- দেশগুলোকে গ্যারেন্টর হিসেবে থাকতে হবে এবং
- এই অবৈধ যুদ্ধ শুরু করার জন্য অ্যামেরিকা এবং এর মিত্র দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
এদিকে কিছুক্ষণ আগে অ্যামেরিকার হাউজ স্পীকার বলেছেন
- ইরান যুদ্ধ আমরা গুটিয়ে আনছি।
মানেটা কী? তাহলে কি ইরানের প্রস্তাব মেনে নেবে? আমার তো সেটা মনে হয় না। বরং আমার মনে হচ্ছে- ওরা ইরানে শেষ একটা চেষ্টা করবে। কারন মধ্য প্রাচ্যে আজও অ্যামেরিকান দুই হাজারের বেশি সৈন্য পৌঁছেছে। অ্যাপাচি হেলিকপ্টারগুলোও পৌঁছে গেছে। কেন এইসব জড় করছে?
শুক্রবার আসতে আর দুই দিন বাকি। তখন সপ্তাহ শেষ হয়ে যাবে। ট্রা*ম্পের বেঁধে দেয়া পাঁচ দিনের আল্টিমেটামও শেষ হবে। ইরান যদি এর মাঝে অ্যামেরিকার দেয়া প্রস্তাব না মানে; তাহলে ট্রা*ম্প হয়ত ইরানে শেষ একটা আঘাত হানবে। কারণ এই মাত্র ট্রা*ম্প বলেছে
- ইরান যদি আমাদের শর্ত মেনে না নেয়; ইরানে নরক নেমে আসবে।
অবশ্য এই কথা এর মাঝে দশবার বলে ফেলেছে ট্রা*ম্প! এদিকে অ্যামেরিকান অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ম্যাকগ্রেগর আজ বলেছেন
- আমাদের সৈন্যরা যদি ইরানের কোন দ্বীপ কিংবা প্রপারে নামে। একটাও বেঁচে ফিরতে পারবে না। সবগুলোকে বডি ব্যাগ হয়ে ফেরত আসতে হবে।
আপনাদের জানিয়ে রাখি, এই কর্নেল নিজেই ইরাক যুদ্ধে অ্যামেরিকার হয়ে অংশ নিয়েছে। তিনি বলেছেন
- ইরান যেই প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। সেটা ওদের সম্পূর্ণ নিজের। পশ্চিমা বিশ্বের কারও ধারণাই ছিল না, ওরা প্রযুক্তিতে এত এগিয়ে থাকতে পারে।
যেই ইরানকে ধ্বংস করে দেয়ার কথা বলে এই যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। যেই ইরানের সরকারকে উৎখাত করে দেয়ার কথা বলে ওরা হামলা করেছিল। সেই সরকারের সাথেই এখন ওরা কথা বলছে। এটাও ইরানের জন্য অনেক বিশাল বিজয়। তাহলে অ্যামেরিকা এখন কী করবে?
এই শুক্র-শনিবারটা হবে খুবই গুরুত্বপূর
27/03/2026
ঢাকার একটি পাবলিক বাসের সিট...
ডিঙ্গেদহ তেলপাম্পের পাশে সাইকেল, অটো এবং মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ ।
আল্লাহকে যে পাইতে চায় । Allahka ja paite chay । কাজী নজরুল ইসলাম । সাইমুর রহমান ।
ইরানের ওপর হয়ত আমরা আমেরিকার একটি আক্রমণ দেখতে যাচ্ছি। এই আক্রমণটি আগেই হতো। কিন্তু হয়নি কারণ ইরানের Deterrence কৌশল। ইরান আমেরিকার সম্ভাব্য আক্রমণকে বেশ এক্সপেনসিভ করে তুলেছে।
ইরানে আমেরিকা যে আক্রমণ করবে সেই বিষয়ে কিছু প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। প্রশ্নগুলো বিক্ষিপ্তভাবে শিক্ষার্থীরা করছে আমাকে। এক সাথে জবাব দিচ্ছি।
প্রশ্ন ॥ আমেরিকা আক্রমণ করবে ঠিক আছে। তো সেটা প্রকাশ্যে বলে করছে কেনো? গোপনে করা কি বেশি লাভজনক নয়?
প্রথমত satellite surveillance এর যুগে আপনি সবকিছু গোপনে করতে পারবেন না। এই যুদ্ধ করার জন্য যে Large-scale military buildups দরকার তা গোপনে সম্ভব নয়।
দ্বিতীয় বিষয় হলো- বলে দেয়ার মাধ্যমে আমেরিকা diplomatic leverage অর্জন করতে চাচ্ছে। আমেরিকা যুদ্ধ না করেই উদ্দেশ্য সাধন করার চেষ্টা করছে। এ জন্য আমেরিকা যা করছে:
- Ultimatums for Negotiation (আলোচনার মাধ্যমে ইরানকে পরমাণু চুক্তিতে বাধ্য করা)
- Psychological Warfare (মানসিক চাপ সৃষ্টি যাতে ইরান আমেরিকার শর্ত মানতে বাধ্য হয়)
- Domestic and International Signaling (দেশের বিভিন্ন পক্ষ ও মিত্র দেশগুলোকে সজাগ রাখা। যাতে পালটা আক্রমণের ক্ষতি কম হয়)
প্রশ্ন ॥ ইরানের ওপর আমেরিকার এই আক্রমণ অবৈধ হবে কি না?
অবশ্যই অবৈধ। কারণ নিম্নলিখিত আইনের লঙ্ঘন ঘটবে।
- জাতিসংঘ সনদ ২(৪) অনুচ্ছেদ
- জাতিসংঘ সনদ ৪২ অনুচ্ছেদ
- জাতিসংঘ সনদ ৫১ অনুচ্ছেদ
প্রশ্ন ॥ আমেরিকা কী কী যুক্তি দিচ্ছে আক্রমণের স্বপক্ষে?
১. Prevention of Nuclear Proliferation: বিশ্ব নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
২. Collective Self-Defense: ইটরাইল ও সৌদি আরবকে সুরক্ষা দেয়া।
৩. Response to Armed Attacks: ইরান আমেরিকার বিভিন্ন ট্যাংকারে আক্রমণ করে। তাই প্রতিউত্তর দেয়া।
৪. Article II Powers: আমেরিকার সংবিধানের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট Commander in-Chief । তার দায়িত্ব দেশের স্বার্থ সুরক্ষা করা।
মোল্লা কাজীমুদ্দিন (র:) এর মাজার শরীফ !!
Click here to claim your Sponsored Listing.