21/10/2025
তুমি না ম/'রলে আমি মাহিরের হবো না,,
'জোবায়েদ তখনো মা'/রা যায়নি। বাঁচার জন্য দুই তালা থেকে উপরে ওঠে। তিন তালায় দাঁড়িয়ে ছিল বর্ষা। তখন বর্ষাকে দেখে জোবায়েদ বলে, আমাকে বাঁচাও। কিন্তু বর্ষা বলে, তুমি না ম'/রলে আমি মাহিরের হবো না। বর্ষা তার মৃ'ত্যু কনফার্ম করে যায়। তখন জোবায়েদ বাঁচার জন্য দরজায় নক করেও পায় নি।
এটি একটি ত্রিভুজ প্রেম। বর্ষা মেয়েটি চালু। দুইদিকেই সম্পর্ক বজায় রাখে। মিন্নির ঘটনার প্রায় কাছাকাছি। বর্ষা মাহিরকে বলে, জোবায়েদকে না সরালে তোমার কাছে ফিরতে পারবো না। বর্ষার পরিকল্পনা অনুসারে জোবায়েরকে হ/'ত্যার সিদ্ধান্ত নেয় মাহির ও তার বন্ধু আয়লানসহ তিনজন। ঘটনার দিন মাহির জোবায়েদকে বর্ষার থেকে সরে আসতে বলে। জোবায়েদ জানায়, আমি সরে আসবো কেন। তখন তাদের মাঝে তর্কাতর্কি হয়। এরপর এ হ/'ত্যাকান্ড।'
-ডিএমপির ব্রিফিং
02/10/2025
please comment and share the hashtag.
10/09/2025
বিজয়ের পর শিবিরকে যেমন দেখলাম....
ভোর তখন ৪টা পার হয়েছে। সিনেট অডিটোরিয়ামে বসে আছি। ফজরের আযান হলে নিচতলার মসজিদে গেলাম। বাইরে থেকে দেখে পুরো মসজিদ ভর্তি কেন বুঝলাম না। ভিতরে যেতেই কান্নার শব্দ । সবাই যেন ডুকরে কেঁদে উঠছে থেকে থেকে। সামনে একজন দোয়া করছে,সবাই তার সাথে শরীক হয়েছে।
আমি অযু করে এসে ফজরের সুন্নত শেষ করলাম। ততক্ষণে দোয়া করা শেষ। এবার খেয়াল করলাম মুহতারাম কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম দোয়া পরিচালনা করলেন।
কোনো বিজয় মিছিল হলো না, রবের দরবারে সিজদায় লুটে পড়ে শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস গড়ার তাওফীক কামনা করলেন।।
আমি বিশ্বাস করি,,এই ক্যাম্পাস এমন কিছু ব্যক্তি কে যোগ্য জায়গায় নির্বাচিত করলো, এদের দ্বারা ক্যাম্পাসের কোনো ক্ষতি হবে না ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ তায়ালা নতুন দায়িত্ব অর্পিত ভাইদের কে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করার তৌফিক দান করুন আমীন।
(ছবিতে সিনেট মসজিদের ভেতরের দৃশ্য,,ভোর ৪.৪০)
09/09/2025
"তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না"
সূরা ইউসূফ ১২/৮৭
09/09/2025
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য স্যারের সাথে আজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি 'গণেশ চন্দ্র রায় সাহস' যেই ব্যবহার করেছে সেটা রীতিমতো বেয়াদবি।
যে জানে না একজন শিক্ষকের সাথে কিভাবে কথা বলতে হয় তার ছাত্রনেতা হওয়া তো দূরের কথা, ছাত্র হওয়ারও ন্যূনতম যোগ্যতা নাই।
কোনো বিষয়ে যৌক্তিক অবজেকশন থাকলে সেটার সমাধান প্রক্রিয়া অনুসরণ করে হবে। ইভেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চারপাশে কয়েকটি মোড়ে জামাত-শিবিরের কর্মীদের অবস্থানও আমি উস্কানিমূলক মনে করি। পরবর্তীতে যেটা ছাত্রদলও করেছে।
কিন্তু যে মিডিয়ার সামনে, সারা দেশের সামনে একজন শিক্ষককে ধমকাতে পারে, তুই তুকারির স্বরে তার সামনে টেবিল চাপড়াতে পারে তার মত ছাত্রনেতা আমাদের জন্য লজ্জার। ধিক্কার জানাই।
18/08/2025
SSC তে মাত্র ৩.৮৩ এবং HSC তে মাত্র ৪.১৭ পেয়ে ও আমি যেভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স।
আমি খুব বেশি পড়ুয়া স্টুডেন্ট ছিলাম না কখনোই। কিন্তু খুব মেধাবী হওয়ায় রেজাল্ট সবসময় ই ভালো করতাম। ক্লাস ফাইভে ও এইটে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছিলাম 😎 কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত SSC তে A+ পাইনি এবং রেজাল্ট অনেক খারাপ আসে, ৩.৮৩ । এতে আমি অনেক ভেঙ্গে পড়ি এবং অনেক অপমানিত হই। পরিবারের সবাই অনেক কথা শোনায়। যাই হোক, এরপর HSC তেও A+ মিস করি। পাই ৪.১৭ সেদিন খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। অনেক কান্না করেছিলাম। তখন ভেবেছিলাম বোধহয় হেরে গেছি। কিন্তু আমি হতাশ হয়ে যাইনি। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য পড়তে থাকি মন দিয়ে৷ প্রতিদিন আল্লাহর ইবাদত করতাম আর পড়তাম। আর কোন কাজ নেই। হাল ছাড়লাম না। আশা রাখলাম ঢাবিতে হবে ইনশাআল্লাহ। কারণ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্ন প্যাটার্ন গবেষণা করে প্রিপারেশন নিতেছিলাম। এক ভাইয়ের পরামর্শে বিগত বছরের প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ সলভ করতেছিলাম " ছায়ামঞ্চ " প্রশ্নব্যাংক থেকে আর রিটেনের জন্য " রিটেন সামিট " বইটা পড়তেছিলাম। পাশাপাশি বোর্ড বই ভালোভাবে পড়তেছিলাম। এগুলো পড়ার পর যখন ঢাবির প্রশ্নে মডেল টেস্ট দিলাম দেখি ভালো নাম্বার পাই, কনফিডেন্স বেরে গেলো। পরীক্ষা দিতে গেলাম গিয়ে দেখি রিটেন সব " রিটেন সামিট " বই থেকে কমন 😎🔥 রিটেনে ভালো নাম্বার পাচ্ছি এটা ভেবেই কনফিডেন্স বেড়ে গেলো। এরপর MCQ গুলো ও দেখলাম আমার পড়া থেকেই মোটামুটি কমন। মোটামুটি ৭০% দাগালাম একদম শিউর হয়ে। আর ২/১ টা কনফিউশান আছে মানে ৫০/৫০ এমন প্রশ্ন দাগালাম। আরো দাগাতে ইচ্ছে করছিলো। কিন্তু ভাইয়ার কথা মনে পড়ে গেলো - " আন্দাজে দাগাবি তো নেগেটিভ মার্কিং খাবি আর নিশ্চিত চান্স মিস করবি "। তাই আন্দাজে আর দাগাইনি৷ ১ মাস পর রেজাল্ট দিলো। দেখি চান্স পেয়ে গেছি। আমার খুশি দেখে কে! এখন সবাই আমাকে নিয়ে গর্ব করে! SSC, HSC তে A+ না পাওয়ায় " অপদার্থ, মেধাহীন " বলা শিক্ষক, পরিবারের সদস্য, আত্মীয় রাও এখন আমাকে নিয়ে সবখানে গর্ব করে বলে " জিনিয়া আমার ছাত্রী / ভাতিজি / বোন "
একটা সফলতা ই সব বদলে দিলো। আল্লাহর কাছে কোটি কোটি শুকরিয়া। এখন আমি আমার জীবন নিয়ে অনেক খুশি। 😍 আল্লাহ সত্যি ই মহান, কষ্টের ফল দিয়েছেন। তাই পড় বেশি বেশি আর আল্লাহর ইবাদত করো।
12/08/2025
৫ ওয়াক্ত নামাজ আর ৫ ঘন্টা মন দিয়ে পড়াশোনা।
তুমি কখনো ব্যর্থ হবে না।ইনশাআল্লাহ🤲
12/08/2025
পানি থাকতে কক্সবাজার ঘুরে আসুন ! 🙃
08/08/2025
তাহাজ্জুদ প্রতিযোগিতা আমার শাশুড়ির সাথে
যখন জানতে পারলাম আমি গর্ভবতী, আমি গোপনে একটি ছেলের জন্য দোয়া করতাম। আমি আমার ছোট বোনকে নিজের সন্তানের মতো বড় করেছি—তাই এবার আমি শুধু একজন ছেলেকে বড় করার আনন্দ অনুভব করতে চেয়েছিলাম।
কিন্তু আমার শাশুড়ির ছিল অন্য পরিকল্পনা। তিনি সব সময় একটি কন্যা সন্তানের স্বপ্ন দেখতেন, কিন্তু কখনও তা পাননি।
তিনি হাসলেন এবং বললেন, “চলো, তাহাজ্জুদের প্রতিযোগিতা করি। তুমি একটি ছেলের জন্য দোয়া করো, আমি একটি মেয়ের জন্য দোয়া করবো। দেখি কে জেতে।”
আর সেই থেকেই আমরা দুজনেই রাতে শেষ অংশে আমাদের দোয়া ফিসফিস করে বলতে শুরু করলাম।
প্রথম আল্ট্রাসাউন্ড… যমজ!
আমরা দুজনেই হাসলাম এবং কেঁদে ফেললাম। যেন আল্লাহ মৃদুস্বরে বললেন: প্রতিযোগিতার দরকার নেই। তোমরা দুজনেই জিতেছো।
একটি কন্যা শিশু। একটি পুত্র সন্তান।
আমার ছেলে দুর্বল ছিল এবং এনআইসিইউ-তে থাকতে হয়েছিল।
কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, আজ তারা দুজনেই সুস্থ এবং তিন বছর বয়সে পদার্পণ করছে—আমাদের দ্বিগুণ আনন্দ, আমাদের দ্বিগুণ দোয়ার ফল।
তাহাজ্জুদ সত্যিই এক অসাধারণ কিছু!
— ঘটনাটি সংগ্রহ করে অনুবাদ করা হয়েছে
07/08/2025
"অভিনন্দন দেবযানী আপনাদের মতো ট্যালেন্টকে নিয়ে
আমরা গর্বিত "
১৯৮৮ সালে ৩০ অক্টোবর চট্টগ্রাম শহরেই জন্মগ্রহণ করেন দেবযানী। চট্টগ্রামের অপর্ণাচরণ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং চট্টগ্রাম পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি করার পর ভর্তি হন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশলে স্নাতক হওয়ার পর দেবযানী কিছুদিন শিক্ষকতা করেন চট্টগ্রামের প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে। এরপর চলে যান জার্মানি। পিএইচডি করেছেন ইউনিভার্সিটি অব উলম থেকে।
প্রথম থেকেই তার উদ্দেশ্য ছিল পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি ও নবায়নযোগ্য শক্তি নিয়ে কাজ করা। তাই আরডাব্লিউটিএইচ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করার পর তিনি HY4 প্রকল্পের গবেষণা দলে যোগ দেন। HY4 হচ্ছে পৃথিবীর প্রথম কার্বন নিঃসরণমুক্ত বিমান। যেটি চলে জ্বালানি কোষ ও ব্যাটারির সাহায্যে। এই বিমানের শব্দও কম।২০১৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর জার্মানির স্টুটগার্ট বিমানবন্দর থেকে সেটি সফলভাবে উড্ডয়ন করে।
বাংলাদেশের কত ট্যালেন্ট পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। অথচ তাদের সেই মেধাগুলো যদি আমরা সঠিকভাবে দেশে ব্যবহার করতে পারতাম, তাহলে এতদিনে বাংলাদেশ সিঙ্গাপুরের কাছাকাছি চলে যেত।