29/05/2025
আপনার সন্তানকে ক্যাডেট কলেজে ভর্তি করাতে চান? তাহলে আপনার জন্য যা যা জানা অতি জরুরি।
ক্যাডেট কলেজে ভর্তি–ইচ্ছুক প্রিয় শিক্ষার্থী, তোমরা যারা ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় অংশ করতে আগ্রহী
তোমাদেরকে এখন থেকেই পূর্ণ প্রস্তুতি নিতে হবে।
ক্যাডেট কলেজগুলো প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল শাখার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
লেখাপড়ার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং অতিরিক্ত শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে ক্যাডেটদের সুনাগরিক ও চৌকস ব্যক্তিত্ব হিসেবে গড়ে তোলা হয়।
বর্তমানে বাংলাদেশে ক্যাডেট কলেজ সংখ্যা ১২টি।
বালকদের জন্য ৯টি আর বালিকাদের জন্য ৩টি।
১। ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ স্থাপিত ১৯৫৮ইং
২। ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ স্থাপিত ১৯৬৪ইং
৩। মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ স্থাপিত ১৯৬৬ইং
৪। রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ স্থাপিত ১৯৬৬ইং
৫। বরিশাল ক্যাডেট কলেজ স্থাপিত ১৯৬৭ইং
৬। পাবনা ক্যাডেট কলেজ স্থাপিত ১৯৬৭ইং
৭। সিলেট ক্যাডেট কলেজ স্থাপিত ১৯৬৭ইং
৮। রংপুর ক্যাডেট কলেজ স্থাপিত ১৯৬৭ইং
৯। কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ স্থাপিত ১৯৭২ইং
১০। ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ স্থাপিত ১৯৯৬ইং
১১। ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ স্থাপিত ২০০২ইং
১২। জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ স্থাপিত ২০০৬ইং
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রথম ক্যাডেট কলেজ ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এবং সর্বশেষ জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ।
ক্যাডেট কলেজগুলোতে ভর্তি নেওয়া হয় ৭ম শ্রেণিতে।নিয়ম অনুযায়ী একজন শিক্ষার্থী একবারের অধিক ভর্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে পারবে না।
ফলে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নগুলো আসে ষষ্ঠ, সপ্তম, এবং আংশিক অষ্টম শ্রেণির পাঠ্য বই থেকে।
আর ভর্তির প্রক্রিয়াটি হবে লিখিত, মৌখিক ও স্বাস্থ্যগত পরীক্ষার মাধ্যমে।
পরীক্ষার সিলেবাস: ভর্তি পরীক্ষা হবে,জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) ষষ্ঠ শ্রেণির সিলেবাসের আলোকে।
ভর্তি পরীক্ষার বিষয়:
গণিত= ১০০
ইংরেজিত= ১০০
বাংলা= ৬০
সাধারণ জ্ঞান= ৪০
সর্বমোট= ৩০০
ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন পত্র বাংলা মাধ্যম এবং ইংলিশ ভার্সন দুই ভাবেই ছাপা হয়।
কিন্তু ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হওয়ার পর ইংলিশ ভার্সনে পড়াশোনা করতে হয়।
আবেদনকারীর যোগ্যতা:-
জাতীয়তা: ছাত্রছাত্রীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা:
ছাত্রছাত্রীকে ষষ্ঠ শ্রেণি অথবা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
বয়স: যে বছর ভর্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে, সেই সময় = সর্বোচ্চ ১৩ বছর ৬ মাস হতে হবে।
শারীরিক যোগ্যতা: প্রার্থীকে নিজের শারীরিক যোগ্যতা- সম্পন্ন হতে হবে।
উচ্চতা: ন্যূনতম ৪ ফুট ৮ ইঞ্চি (বালক ও বালিকা উভয় ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)।
সুস্থতা: প্রার্থীকে অবশ্যই শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ হতে হবে।
দৃষ্টিশক্তিঃ- চশমা বিহীন চোখে -এক চক্ষুতে ৬/১২, অন্য চক্ষুতে:৬/১৮।
চশমা সহ এক চক্ষুতে ৬/৬,অন্য চক্ষুতে ৬/৬। চশমার পাওয়ার কোন ক্ষেত্রেই (-)2D এর অধিক হবে না।
আবেদন করার সময়সূচিঃ প্রত্যেক বছরের প্রায়
নভেম্বরে শুরু হয়ে –ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হয়।
ফরম পূরণের জন্য যেসব কাগজপত্র লাগবে
৫ম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার সত্যায়িত সনদ
(ইংরেজি মাধ্যমের প্রার্থীদের জন্য আবশ্যিক নয়)।
জন্মনিবন্ধন/জন্মসনদের সত্যায়িত ফটোকপি।
অধ্যয়নরত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক ষষ্ঠ অথবা সমমানের বাংলা/ইংরেজি মাধ্যম /মাদ্রাসা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার সনদ।
অভিভাবক পিত/মাতার মাসিক আয়ের সপক্ষে যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়নপত্র।
প্রার্থীর পিতা ও মাতা উভয়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি।
ক্যাডেট কলেজ থেকে পাশ করার পর একজন ক্যাডেট ISSB পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সরাসরি সশস্ত্র বাহিনীর কমিশন্ড অফিসার হিসেবে জয়েন করতে পারে।
06/05/2025
04/05/2025
30/04/2025