দৌতলদিয়া ফেরিঘাটের বাসটা একটু আগে পানি থেকে তোলা হয়েছে।
একের পর এক লা*শ বের করা হচ্ছে বাস থেকে।
কোন লা*শের পেট ফুলে আছে, কোনটার চোখমুখ বিকৃত হয়ে লাল হয়ে আছে, কোন লা*শ থেকে আবার পানি পঁচা বিদঘুটে গন্ধ বের হচ্ছে।
সব লা*শের পড়নেই নতুন জামাকাপড় পড়া ছিল অথচ সেগুলোও এতক্ষণ পানিতে থাকায় নষ্ট হয়ে গেছে।
যে ছোট ছোট বাচ্চাগুলো হাসি হাসি মুখ নিয়ে বাসে উঠেছিল ওদের লা*শের চেহারা এখন ফ্যাকাশে হয়ে আছে। পানির চাপে কিছু বাচ্চার লা*শের চোখ উল্টে গেছে, চেহারা বীভৎস হয়ে ফুলে আছে।
লা*শের আত্মীয়স্বজনরা একটু দূরেই ফেরিতে বসে আছে। একটা লা*শ পানি থেকে উঠানোর পরপরই সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়ছে এটা তার পরিবারের কেউ কি-না দেখার জন্যে।
যদি পরিবারের কেউ হয় তাহলে সে শুধু মাথা নেড়ে জানান দিচ্ছে, কান্না করার শক্তিটুকুও নেই আর তাদের মধ্যে। এতক্ষণ কান্না করে করে চোখের পানিও যেন শুকিয়ে ফেলেছে।
আরেকজন অফিসার নোটবুকে নাম, ঠিকানা, মোবাইল নাম্বার টুকে নিচ্ছে। সব ঠিকঠাক হলে লা*শ পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হবে।
যেসব পরিবার এখনও লা*শ পায়নি তারা নতুন লা*শ পানি থেকে উঠানোর পরপরই হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। তাদের পরিবারের কেউ না হলে মুখ গোমড়া করে আবারও আগের জায়গায় এসে বসছে। দেখে মনে হচ্ছে ওদেরকে লাইন ধরিয়ে রিলিফের মালামাল হিসেবে লা*শ দেয়া হচ্ছে।
পরিবারের কেউ এখন আর কাঁদছে না। এতক্ষণ কাঁদতে কাঁদতে সবাই পাথর হয়ে গেছে। একপাশে উদ্ধার কাজ চলছে আরেকপাশে ওরা ঝিম মেরে ঠায় বসে আছে।
এতক্ষণ সবার তাড়া ছিল। উদ্ধারকর্মীদেরকে লা*শের পরিবারের লোকজন তাগাদা দিচ্ছিল তাড়াতাড়ি করতে যদি কোনভাবে কেউ বেঁচে থাকে।
কিন্তু এখন আর কেউ তাগাদা দিচ্ছে না। কারণ জানে পানির নিচে এতক্ষণ বেঁচে থাকা সম্ভব না, ভিতরের সবাই ই মারা গেছে। ওরা এখন অপেক্ষা করছে লা*শের, জীবিত মানুষের আশা আর নেই।
ডুবে যাওয়া লা*শের আত্মীয়স্বজনরা এখনো বসে আছে। ওরা জীবিত মানুষ চায় না, চায় শুধু একটা লা*শ।
এই মানুষগুলোই হয়তো সকালের দিকে ওদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে এসেছিল, পরের বার একসাথে ঈদ করবে বলে আশ্বাসও দিয়ে এসেছিল অথচ তারাই এখন লা*শ হয়ে ডুবে আছে পানিতে।
ডুবে যাওয়া লা*শের আত্মীয় স্বজনগুলো একদম নিশ্চুপ হয়ে ফেরির এককোনায় বসে আছে। ওদের কারো চোখেই আর পানি দেখছি না। এতক্ষণ যে কেঁদেছে সে শুকনো পানির ছাপ চোখে দেখা যাচ্ছে শুধু।
ওরা এখনো চুপচাপ ঠায় বসে আছে। ওরা জীবিত মানুষ চায় না, একটা লা*শ চায় শুধু
Ibrahim Khalil Shawon
পাবলিকিয়ান
পাবলিকিয়ান - শুধু একটি প্ল্যাটফর্ম নয়,এটি বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সর্ববৃহৎ পরিবার।যুক্ত হোন আমাদের বিশাল নেটওয়ার্কে ...
25/03/2026
In Bangladesh, you can never know when your time is over.
25/03/2026
Now I have to say, this year’s Eid journey is completely making me feel traumatised।
-Launch Accident
-Bus Accident
-Train Accident
-Micro Accident
-Bus Accident Today again
All Accident just in One week, It seems like it was a mistake to go to Home for Celebrate Eid🇧🇩💔
25/03/2026
এইটা একটা ছোটলোকের দেশ।
এই দেশে খনে যাত্রী ভর্তি বাস সোজা গিয়ে মাইক্রোবাসের সাথে ধাক্কা খায়, নির্বিকার রেললাইনের উপরে উঠে যায়, ফেরি থেকে চুপচাপ নদীতে পড়ে যায়।
কিছু ছোটলোকের বাচ্চা মরে গিয়ে বেঁচে যায়।
এইটা একটা অমানুষের দেশ।
মৃত্যুর মিছিল এই দেশে কাউকে বিচলিত করে না। চেয়ার নিয়ে বসে থাকা অমানুষেরা অপমৃত্যুকে দূর্ঘটনা বলে চালিয়ে দেয়।
কিছু অমানুষের বাচ্চা সেইটাতে তাল মিলিয়ে যায়।
এইটা একটা বেকুবের দেশ।
অনিয়ম আর দায়িত্বে অবহেলার কারণে মানুষ মরে গেলে, সেইটারে দুর্ঘটনা বলে না, খুন বলে- বেকুবের বাচ্চারা সেইটাও জানে না।
বেকুব-অমানুষ আর ছোটলোকের বাচ্চাদের দেশ এইটা।
©তাইফ আহমেদ
আগামী ৬০ কর্মদিবসের মধ্যে দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি ইউনিভার্সিটি গুলোতে উচ্চগতির ফ্রী ওয়াইফাই দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার
25/03/2026
That one unknown junior before Eid
25/03/2026
বিষয়টা উল্টোভাবে কল্পনা করুন।
ধরেন, হিন্দুদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজায় মণ্ডপে ভারতীয় পতাকা টানানো হলো, কিংবা সেই পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে ফটোসেশন করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হলো।
তখন কী হতো?
ওদের কি বাংলাদেশি হিসেবে দেখা হতো, নাকি মুহূর্তের মধ্যে ইন্ডিয়ান দালাল তকমা দিয়ে দেশছাড়া করার দাবি উঠতো?
আরও এক ধাপ এগিয়ে ভাবুন, ভারতের শিবসেনা বা আরএসএস নিয়মিত বাংলাদেশের হিন্দুদের সঙ্গে মিটিং করছে। তারা বাংলাদেশে আসছে, এখানকার লোকজন তাদের অফিসে যাচ্ছে, ছবি তুলছে, খোলাখুলি প্রচার করছে।
তখন কি এটাকে স্বাভাবিক যোগাযোগ বলা হতো, নাকি সরাসরি রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতা হিসেবে গণ্য করা হতো?
এবার বাস্তবতায় তাকান,
জামায়াত–শিবির নিয়মিত পাকিস্তানের জামায়াত এবং তাদের ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ, সহযোগিতা, এমনকি আদান-প্রদান চালিয়ে যাচ্ছে এবং সেটা খুব একটা প্রশ্নের মুখে পড়ছে না।
বাংলাদেশে বিদেশি পতাকা দেখা যায়, কিন্তু সেটা চার বছরে একবার, ফুটবল বিশ্বকাপে। সেটাও নিছক খেলার আবেগ, কোনো রাষ্ট্রীয় আনুগত্য নয়।
কিন্তু এরা যে পাকিস্তানের পতাকা ওড়াচ্ছে এটার লজিক কি? একটা স্বাধীন দেশে দাঁড়িয়ে আরেকটা দেশের পতাকা উড়ানোটা কি তাদের প্রতি আনুগত্যের প্রকাশ না?
একটা স্বাধীন রাষ্ট্রে বসবাস করে অন্য একটি দেশের প্রতি প্রকাশ্য অনুগত আচরণ দেখানোটা কি রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল না?
এবারের ঈদ যাত্রায় নিহত ২০৪ জন এবং আহত ৬০০
24/03/2026
দেশের সিন্ডিকেটের কাছে হার মেনে দেশ ছাড়লেন নবীন পাঞ্জাবি শোরুমের মালিক
মুষলধারে বিয়ে হচ্ছে!
24/03/2026
তুমিও মানুষ আমিও মানুষ
তফাৎ শুধু শিরদাঁড়ায় …
Click here to claim your Sponsored Listing.