বিজ্ঞানী ভাইয়া

বিজ্ঞানী ভাইয়া

Share

Official page. Science | Logic, and Analysis! Psychology | Philosophy | Politics. Simplifying The Complexities of The World Through a Neutral Lens.

Discovering The Unknown in The Light of Reason.

02/05/2026

এক শ্রেণীর মেয়ে আছে, এরা নিজের দুইটা বুবিস নিয়ে Showoff করে নিজেকে রাণী ভাবে।

কিন্তু দেখেন; যদি শুধুমাত্র শরীরের আকর্ষণীয় পার্ট দেখিয়ে রানী হওয়া যেত.? সেই হিসেবে দেখতে গেলে রাস্তার ধারে শুয়ে থাকা কু'কুরের তো ১৪টা বুবিস থাকে, তাহলে সে তো মহারানী.! তাই নয় কি.?

যে মেয়ের আত্মসম্মান নেই, যার শরীরই হয়ে যায় একমাত্র পরিচয়, সে সেটাকে পুঁজি করে নিজের ভেতরের শূন্যতাকে ঢাকতে চায়। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে; যে সম্মান নিজের আচরণ, বুদ্ধি আর ব্যক্তিত্ব থেকে আসে না, সেটা শরীর দেখিয়ে কখনোই স্থায়ী হয় না।


01/05/2026

এন্ট্রপি: জীবনের এক অমোঘ সত্য।
আপনি কি কখনো লক্ষ্য করেছেন, কেন সবকিছু আপনা-আপনি বিশৃঙ্খল হয়ে যায়, কিন্তু শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজন হয় অবিরাম প্রচেষ্টা?

যেমন; আপনার ঘরটি একদিন না গুছালে এলোমেলো হয়ে যায়। কিন্তু সেই এলোমেলো ঘর কখনো নিজে নিজে গুছিয়ে ওঠে না। এটাই বিজ্ঞানের একটি মৌলিক নিয়ম। এর নামই এন্ট্রপি (Entropy)।

এবার জানা যাক এন্ট্রপি আসলে কী?
সহজ কথায় বললে, এন্ট্রপি হলো মহাবিশ্বের সেই স্বাভাবিক প্রবণতা বা নিয়ম যা সবকিছুকে সময়ের সাথে সাথে সুশৃঙ্খল অবস্থা থেকে বিশৃঙ্খল অবস্থার দিকে ঠেলে দেয়। যদি আপনি কোনো কিছুতে সক্রিয়ভাবে শক্তি ও যত্ন না করেন, তাহলে তা ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত, ভঙ্গুর এবং বিশৃঙ্খল হয়ে পড়বে। এটাই প্রকৃতির ডিফল্ট সেটিং।

বাস্তব জীবনে এন্ট্রপির প্রভাব।
১। শারীরিক স্বাস্থ্য; আপনি যদি নিয়মিত ব্যায়াম না করেন, সুষম খাবার না খান এবং শরীরের যত্ন না নেন, তাহলে শরীর নিজে নিজে সুস্থ থাকবে না। বরং পেশি দুর্বল হবে, ওজন বাড়বে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমবে। শরীরের ‘অবনতি’ ঘটবে স্বাভাবিকভাবেই।

২। সম্পর্ক; আপনি যদি প্রিয়জনের সাথে সময় না কাটান, তাদের অনুভূতিকে গুরুত্ব না দেন, কথা না বলেন, তাহলে দূরত্ব তৈরি হয়। একজনের একতরফা চেষ্টায় সম্পর্ক টিকে না। এন্ট্রপির নিয়মে সম্পর্ক ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ে যদি না দুজনেই সচেতনভাবে যত্ন নেন। খেয়াল করলে দেখবেন দুজনের ইচ্ছায় কখনো বিচ্ছেদ হয়না, বিচ্ছেদ হয় এক জনের ইচ্ছাই, কারণ আরেকজন Entropy এর শিকার।

৩। সন্তান লালন-পালন; ছোটবেলা থেকে যদি বাবা-মা সন্তানকে শৃঙ্খলা, নৈতিকতা, আদব-কায়দা এবং সঠিক মূল্যবোধ না শেখায়, যদি শাসন ও সঠিক দিকনির্দেশনা না দেয়, তাহলে সন্তান নিজে নিজে "ভালো" হয়ে উঠবে না। বরং এন্ট্রপির প্রভাবে সে অলস, অবাধ্য, অনিয়ন্ত্রিত এবং ভবিষ্যতে সমস্যাগ্রস্ত হয়ে উঠতে পারে। সন্তানকে সুন্দর মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিদিনের যত্ন, শিক্ষা ও শাসন অপরিহার্য।

৪। মানসিক শান্তি; মনকে নিয়ন্ত্রণ না করলে নেতিবাচক চিন্তা, Overthinking উদ্বেগ ও অস্থিরতা বেড়ে যায়। ধ্যান, আত্ম-পর্যালোচনা ও ইতিবাচক অভ্যাস ছাড়া মন নিজে নিজে শান্ত হয় না বরং আরও অগোছালো হয়ে পড়ে।

৫। ক্যারিয়ার ও দক্ষতা; আজ যে দক্ষতা আপনার আছে, তা নিয়মিত অনুশীলন না করলে সময়ের সাথে ভোঁতা হয়ে যাবে। নতুন কিছু না শিখলে আপনি পিছিয়ে পড়বেন। কিছু না করা মানে আসলে পিছিয়ে যাওয়া।

প্রকৃতি উন্নতির দিকে নয়, বরং অবনতির দিকেই নিয়ে যায়, যদি আপনি সম্পর্ক বাঁচাতে, ঘর গুছিয়ে রাখতে, নিজেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে, শরীর ও মনের যত্ন নিতে কোনো ইচ্ছাকৃত প্রচেষ্টা না করেন। তাহলে প্রকৃতি আপনাকে *উন্নতির* দিকে নিয়ে যাবে না। বরং সে আপনাকে শুধু অবনতি, ক্ষয় ও বিশৃঙ্খলার দিকেই ঠেলে দেবে। জীবনে উন্নতি কখনো আপনা-আপনি হয় না। উন্নতি আসে শুধুমাত্র আপনার সচেতন, ধারাবাহিক এবং ইচ্ছাকৃত প্রচেষ্টার ফলে।

আরেকটা প্রশ্ন.! মস্তিষ্ক কেন আমাদের বিশৃঙ্খলার দিকে ঠেলে দেয়? কারণ; মানুষের মস্তিষ্ক সহজাতভাবে শক্তি বাঁচাতে চায়। তাই সে আমাদের আরামের পথ, সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রল করা, গুরুত্বপূর্ণ কাজ এড়িয়ে যাওয়া এসব সহজ পথ বেছে নিতে উৎসাহ দেয়। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এই সহজ পথই জীবনে আরও বড় বিশৃঙ্খলা তৈরি করে। ছোট ছোট সমস্যা সমাধান না করলে তা ক্রমশ বড় হয়ে দাঁড়ায়।

সময় গেলে সব ঠিক হয়ে যাবে, এই চিন্তা আসলে এন্ট্রপির উপর ভরসা করা। কিন্তু এন্ট্রপি কখনো কিছু ঠিক করে না। সে শুধু ভাঙে, সমস্যা বাড়িয়ে দেয় এবং দুর্বল করে।

তাহলে করণীয় কী?
তা জানতে ইনবক্স করতে পারেন.!


01/05/2026

একটা আর্টিকেল লিখতে গিয়ে বিজ্ঞানের অসাধারণ এক থিওরীর সাথে পরিচয় হলাম, সেই বিষয়ে আজ সন্ধ্যার পর পোস্ট করা হবে: আশা করি আপনি নিজের মনের অজানা কিছু প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন সেটার মাধ্যমে।

30/04/2026

Paradox of the Bamboo...
যখন বছরের পর বছর পরিশ্রম করেও বাইরে থেকে কোনো পরিবর্তন দেখা যায় না।

চীনের একটা প্রাচীন কাহিনি আছে। একজন কৃষক বাঁশের বীজ পুঁতলেন। প্রথম বছর সে প্রতিদিন পানি দিল, সার দিল, যত্ন করল। কিন্তু মাটির উপরে এক চুলও চারা গজালো না। দ্বিতীয় বছরও একই। তৃতীয়, চতুর্থ বছরেও একই অবস্থা। আশ্চর্যজনক ভাবে ৫ বছরের মাথায় হঠাৎ একদিন দেখা গেলো, সেই বাঁশ মাটির উপর প্রায় ২৭ মিটার উঁচুতে উঠে গেছে! তার আবার মাত্র ৬ সপ্তাহে।

লোকে অবাক হয়ে কৃষককে জিজ্ঞাসা করল, এতদিন কী করছিলে? হুট করে এত বড় হয়ে গেল যে.! কৃষক বললেন; তোমরা হয়তো মাটির উপর কিছু দেখতে পাওনি, কিন্তু আসল কাজ তো হচ্ছিল মাটির নিচে, এই পাঁচ বছর ধরে মাটির নিচে বাঁশ তার শিকড় গড়ছিল। মাটির নিচে ৩০ ফুট গভীরে পর্যন্ত শিকড় ছড়াচ্ছিল। যখন শিকড় শক্ত হয়ে গেল, তখনই উপরে ঘটলো বি-স্ফোরণ।

এটাই Paradox of the Bamboo. 🎋
অর্থাৎ, অনেক সময় আমরা বছরের পর বছর ধরে শুধু চেষ্টা করি, কিন্তু বাইরে থেকে কোনো ফল দেখি না। তখন আমরা হাল ছেড়ে দেই হতাশ হই। অথচ সেই সময়টাতেই নীরবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটা হয় আর তা হলো শিকড় মজবুত হওয়ার।

যেমন:
লেখালেখি, কনটেন্ট ক্রিয়েশন, ব্যবসা, প্রথম ২-৩ বছর প্রায় কেউ দেখে না, লাইক-কমেন্ট আসে না। কিন্তু যারা টিকে থাকে, হঠাৎ একদিন তারা ওভারনাইট সাকসেস হয়ে যায়।

স্কিল শেখা; প্রথম ৬-১২ মাস মনে হয় কিছুই শিখিনি, কি শিখেছি কিছুই বুঝিনি। তারপর হঠাৎ একদিন সবকিছু মাথায় ক্যাচ করে।

সম্পর্ক বা চরিত্র গড়ে তোলা; অনেকদিন ধরে ভালোবাসা, বিশ্বাস, ধৈর্য দিয়ে যাওয়ার পরও কোনো সাড়া পাওয়া যায় না। কিন্তু সেই অদৃশ্য সময়টাই আসলে সবচেয়ে জরুরি সম্পর্ক মজবুত হওয়ার ক্ষেত্রে। আমরা প্রায়ই শুধু উপরের অংশটা দেখি। যখন ফল না আসে, তখন ভাবি কোনো লাভ নেই। কিন্তু প্রকৃতি বলে; যা দেখা যায় না, সেটাই আসল ভিত্তি।

ভালো কথা হচ্ছে: যদি আপনি এখনো কোনো ফল না দেখে থাকেন, তার মানে হয়তো আপনার শিকড় এখনো গভীরে চলছে। তাই থামার প্রয়োজন নেই। শিকড় যত গভীর হবে, এবং যেদিন একদিন উপরে উঠবে, তখন কেউ আর আপনাকে সহজে নড়াতে পারবে না।

চীনের ওই বাঁশ কিন্তু ৫-৬ বছর পরে জন্মায় না,
বরং ৫-৬ বছর ধরে অদৃশ্যভাবে নিজেকে তৈরি করে
তারপর এমনভাবে উঠে দাঁড়ায়, যেটা দেখে মানুষ ভাবে 'হঠাৎ হয়েছে'.!

কিন্তু বাস্তবে, 'হঠাৎ' বলে কিছু নেই। সবই ধৈর্য অপেক্ষা আর নিরবে কাজ করে যাওয়ার ফল।

Philosopher In Town:
Jahid Hasan Scientist 👨‍🔬


29/04/2026

কে আপনার বাবা হবে, এটা আপনার হাতে নেই।
কে আপনার মা হবে, এটাও আপনার হাতে নেই।
কে আপনার বাচ্চা হবে এটাও আপনার হাতে নেই।

তবে পরিবারের সদস্যের মধ্যে 'স্ত্রী' এমন একজন সদস্য, যাকে আপনি নিজের ইচ্ছামত পছন্দ করতে পারেন।

So Boys; Choose Wisely...!

29/04/2026

এবার মনে হয় একটু বেশিই বাড়াবাড়ি করে ফেললাম, সে কথা বলাই বাহুল্য।

এর আগেরবার কক্সে এসে স্কুইড, অক্টোপাস সব কিছুই গিলে ফেলেছিলাম এমনভাবে, যেন আমি কোনো সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানী। সেই সুখস্মৃতির হাত ধরে আজ আবার হাজির হলাম Falong Zee তে, সগর্বে অর্ডার করেছিলাম শামুক। কিন্তু হায়! এক চামচ মুখে দিয়েই আমার সমস্ত রোমান্টিকতা কর্পূরের মতো উড়ে গেল। এ তো দেখি আধা সেদ্ধ, যেন সামুদ্রিক জীবটি তার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার সুযোগও পায়নি! গতবার যেখানে ফ্লাই সামুদ্রিক খাবার আমার মন জয় করেছিল, এবার সেখানে এই ‘আধা সেদ্ধ’ শামুক আমার পেটের সাথে এক প্রকার নীরব বিদ্রোহ ঘোষণা করল।

অগত্যা, সেই ‘অখাদ্য’ শামুককে পাশ কাটিয়ে তাদের ঐতিহ্যবাহী পিঠার শরণাপন্ন হলাম। ভাগ্যিস, এই পিঠাগুলো অন্তত সুস্বাদু ছিল, যা আমার সামুদ্রিক অভিযাত্রার মান কিছুটা হলেও রক্ষা করল। আমার এই খাদ্য-বিপর্যয় নাহয় মেনে নিলাম, কিন্তু আমার সাথে যে ভদ্র মহিলা ছিলেন সে কিনা থাই সবজি তুজা, অর্থাৎ কাঁচা সবজির এক বিশাল প্লেট অর্ডার করেছিলেন, তিনি দিব্যি সবটা সাবাড় করে দিলেন! এই দৃশ্য দেখে আমার মনে হলো, হয়তো আমার জিহ্বা আধুনিক রন্ধনশৈলীর জন্য প্রস্তুত নয়, এক-দুবার অবশ্য আমাকেও দিয়েছেন।

তবে ঘটনা যাইহোক, এই Falong Zee হোটেলের একটি বিষয় আমাকে মুগ্ধ করেছে, আর তা হলো তাদের স্টাফ। ছেলে মেয়ে উভয় সবাই পাহাড়ি, আর তাদের আন্তরিকতা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য।

আমাদের খাবার পরিবেশনকারী ভদ্রলোককে যখন বললাম, ‘একটা সেলফি উঠাই?’ তিনি অবাক হয়ে বললেন, ‘আমার সাথে?’ আমি সগর্বে বললাম, ‘হ্যাঁ!’ তারপর দেখুন বেচারা কী হাসিটাই না দিলেন! সেই হাসি দেখে মনে হলো, হয়তো আমার মতো একজন ‘খাদ্য-বিপর্যয়ে’ পড়া মানুষের সাথে সেলফি তোলার সুযোগ পেয়ে তিনি ধন্য হয়েছেন, অথবা আমার করুণ দশা দেখে তার হাসি আর ধরে রাখতে পারেননি। সব মিলিয়ে, এবারের অভিজ্ঞতা আমার স্মৃতিতে এক নতুন অধ্যায় যোগ করল।

কমেন্ট বক্সে খাবারের ছবি দিয়ে দিয়েছি।



27/04/2026

ওকিনাওয়ার দীর্ঘায়ু রহস্য: যেখানে ১০০ বছর বয়সেও জীবন উপভোগ করা যায়।

জীবনটা কি শুধু বেঁচে থাকার জন্য? নাকি এমনভাবে বাঁচা উচিত, যেখানে ৯০-১০০ বছর বয়সেও শরীর সুস্থ, মন প্রফুল্ল এবং প্রতিদিন সকালে উঠতে ইচ্ছে করে?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বিশ্বের মানুষ বারবার ফিরে যায় জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপে। এটা পৃথিবীর পাঁচটি 'ব্লু জোন' এর একটি যেখানে মানুষ সবচেয়ে বেশি দিন সুস্থভাবে বেঁচে থাকে। ওকিনাওয়ার নারীরা বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘায়ু, সেখানে ক্যা'ন্সার, হা'র্টের রো'গ ও ডিমেনশিয়া অনেক কম। একসময় এই দ্বীপকে অমরদের ভূমি বলা হতো।

ওকিনাওয়ার দীর্ঘায়ু রহস্য কিন্তু কোনো জাদুকরী ওষুধ বা জেনেটিক্স বিষয় নয়। এটা তাদের জীবনযাপনের দর্শন।

সেখানে প্রাচীন ঐতিহ্য থেকে আজও বেঁচে আছে কয়েকটি শক্তিশালী অভ্যাস। যেমন; সবচেয়ে বড় দুটি হলো ইকিগাই (Ikigai) যে কারণে সকালে বিছানা থেকে উঠতে ইচ্ছে করে, আর মোয়াই (Moai) আজীবনের বন্ধুদের ছোট গ্রুপ, যারা একে অপরের পাশে থাকে সবসময়। ওকিনাওয়ার বয়স্করা বলেন: আমাদের জীবনে কোনো ‘রিটায়ারমেন্ট’ শব্দ নেই। কিন্তু জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আমাদের একটা উদ্দেশ্য থাকে। তাঁরা প্রতিদিন খাবারের আগে বলেন, হারা হাচি বু (Hara Hachi Bu) অর্থাৎ, পেট ৮০% ভর্তি হলে খাওয়া বন্ধ করো।

ওকিনাওয়ার দীর্ঘায়ু থেকে আমরা শিখতে পারি; খাবারে প্রধানত শাকসবজি, মিষ্টি আলু, টোফু, সামুদ্রিক শৈবাল মাংস ও প্রক্রিয়াজাত খাবার খুব কম। প্রতিদিন ৭টা করে সবজির সার্ভিং। দৈনন্দিন জীবনে ব্যায়াম আলাদা করে করতে হয় না, কাজের মধ্যেই নড়াচড়া থাকে, বাগান করা, হাঁটাচলা, হালকা শারীরিক পরিশ্রম। তাদের একা থাকার ভয় নেই, কারণ মোয়াই আছে বন্ধুরা আছে আর্থিক, মানসিক সাপোর্ট দিতে। তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা কম, বরং তারা প্রতিদিনের ছোট উদ্দেশ্য নিয়ে বাঁচে।

আজকের যুগে আমরা প্রতিদিন কীভাবে সুস্থ থাকব?, কী খেলে বেশিদিন বাঁচব?, কীভাবে স্ট্রেস কমাব? এসব প্রশ্নে আটকে আছি। যেন দীর্ঘায়ু একটা জটিল সমীকরণ। কিন্তু ওকিনাওয়া বলে; রহস্যটা সহজ। এটা শুধু খাবার বা ব্যায়ামের বিষয় নয়, এটা পুরো জীবনের দৃষ্টিভঙ্গি।

আর এখানেই ওকিনাওয়ার দর্শন হাজির হয়ে বলে: সবাই তোমার জীবনের উদ্দেশ্য বুঝবে না, তাতে পৃথিবী থেমে যাবে না। সবসময় পারফেক্ট খাবার খেতে হবে না, শুধু ৮০% পর্যন্ত খেয়ে থামতে শেখো। প্রতিটা দিনকে শেষ দিন ধরে বাঁচো কিন্তু আফসোস করো না, বরং এমনভাবে যেন প্রতিদিন তোমার ইকিগাই এর কাছাকাছি একটা পদক্ষেপ নিতে পারো।

গবেষক (ড্যান বুইটনার) বলেছিলেন: ওকিনাওয়ার মানুষেরা শুধু লম্বা বাঁচে না, তারা সুস্থ ও আনন্দের সাথে বাঁচে।

সাইকোলজিক্যালি এটা একদম সত্য। আমরা যখন শুধু ক্যালরি ইয়োগা বা জিম করি, কিন্তু উদ্দেশ্য ও সম্পর্ক না থাকে, তখন জীবন ফাঁকা লাগে। কিন্তু যখন ইকিগাই, মোয়াই আর সচেতন খাওয়া মিলে যায়, তখন শরীর-মন দুটোই শান্ত থাকে। মস্তিষ্ক তখন আর অযথা চিন্তায় ভোগে না।

তবে ওকিনাওয়ার রহস্য মানে এই না যে, আপনি রাতারাতি সব বদলে ফেলবেন। প্রকৃত দীর্ঘায়ু হলো: ধীরে ধীরে অভ্যাস গড়ে তোলা। খাবারে একটু বেশি সবজি যোগ করা, বন্ধুদের সাথে সময় কাটানো, প্রতিদিন একটা ছোট উদ্দেশ্য খুঁজে নেওয়া। জীবন বদলাবে, পরিস্থিতি কঠিন হবে, চাপ আসবে, কিন্তু যদি ভিতরের সেই উদ্দেশ্যের আ'গুন জ্ব'লতে থাকে, তাহলে বাইরের কোনো ঝড়ই আপনাকে সহজে ভাঙতে পারবে না।

তাই এখন একটু থেমে গিয়ে শুধু এতটুকু ভাবা উচিত যে.! আমি আসলে কিরকম জীবন-যাপন করছি.?

Eat to 80%. Move Naturally. Find Your Ikigai. Build Your Moai.

Philosopher In Town:
Jahid Hasan Scientist 👨‍🔬



26/04/2026

বাইরের দেশের নারীরা চাঁদে যাচ্ছে, মহাকাশে স্টেশন বানাচ্ছে, বিজ্ঞান নিয়ে রিসার্চ করছে, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আর আমাদের দেশের কিছু থার্ড-ক্লাস গারবেজ মেয়েরা নিজের শরীরকে পণ্য বানিয়ে বিক্রি করে বুক ফুলিয়ে গর্ব করছে।

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো এরাই আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এসে পুরুষের চরিত্র, পুরুষের দায়িত্ব, পুরুষের ট'ক্সিসিটি নিয়ে লম্বা লম্বা লেকচার দেয়। যেন নিজেরা স্বর্গের ফেরেশতা। শরীর দেখানো ছাড়া আর কোন ট্যালেন্ট বা অপশন তো নেইই এদের কাছে।

না, আমি আর বেশি কিছু বলবো না।

কারণ, আমি আমার ফলো লিস্ট চেক করে দেখেছি, বেশিরভাগ শিক্ষিত ও ভদ্র মেয়েরাই আমাকে ফলো করে রেখেছে। তাদের মন খারাপ করার কোনো ইচ্ছা আমার নেই। তবে তাদের অবগতির জন্য শুধু এটুকু জানিয়ে রাখলাম। যেন তারা আবার ভুল পথে পা না বাড়ায়।

যারা নিজেকে ইন্ডিপেন্ডেন্ট উইমেন বলে দাবি করে অথচ শরীর বিক্রি করে এমপাওয়ারমেন্ট ভাবে, তাদের জন্য একটা কথাই যথেষ্ট। 'তোমাদের এই ইন্ডিপেন্ডেন্স দেখে দেশের অনেক ছেলেরাই এখন বিয়ে করতে ভয় পায়।'


25/04/2026

Law of Positivism, Simple Rules For Creating a High Vibrational Life..!

আমরা সবাই চাই জীবনটা একটু সুন্দর, শান্তিপূর্ণ আর আনন্দময় হোক। কিন্তু অনেক সময় নেগেটিভ চিন্তা, ভয়, দুশ্চিন্তা আর অতীতের ক্ষত আমাদের আটকে রাখে। এখানেই কাজে আসে Law of Positivism যেটা বলে, আমাদের চিন্তা, অনুভূতি আর উপলব্ধি আমাদের বাস্তবতা তৈরি করে।

সহজ কথায়: যা আমরা বেশি অনুভব করি আর চিন্তা করি, সেটাই আমাদের জীবনে বেশি টেনে আনে। নেগেটিভ ভাইব্রেশন নিচে টানে, আর পজিটিভ ভাইব্রেশন উপরে তুলে। যদিও এটা কোনো ম্যাজিক্যাল বিষয় না, এটা বাস্তব প্র্যাকটিস।

উদাহরণস্বরূপ:
কয়েক বছর আগে আমার জীবনে একটা খুব কঠিন সময় গিয়েছিল। চাকরির স্ট্রেস, পরিবারের সমস্যা আর নিজের উপর আত্মবিশ্বাসের অভাব সব মিলিয়ে প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠেই মনে হতো আজও কিছু খারাপ হবে। ফলে সত্যিই ছোট ছোট সমস্যাগুলো বড় হয়ে যেত। তখন আমি Law of Positivism নিয়ে পড়াশোনা শুরু করি। প্রতিদিন সকালে ১০ মিনিট মেডিটেশন + গ্র্যাটিটিউড জার্নালিং করা শুরু করলাম। প্রথমে বিরক্ত লাগতো, করতে ইচ্ছে করতো না কিন্তু ধীরে ধীরে দেখলাম মনটা শান্ত হচ্ছে, নতুন সুযোগগুলো চোখে পড়ছে, আর মানুষের সাথে সম্পর্কও ভালো হচ্ছে।

এবার ধরুন, আপনি একটা ইন্টারভিউয়ের জন্য যাচ্ছেন। যদি সারা রাস্তা ভাবেন; আমি পারব না, নিশ্চয়ই রিজেক্ট হব তাহলে আপনার এনার্জি লো হয়ে যায়, কথাবার্তায় আত্মবিশ্বাস কমে। কিন্তু যদি বলেন; আমি যথেষ্ট যোগ্য, যাই হোক না কেন আমি আমার সেরাটা দিয়ে আসব তাহলে আপনার ভাইব্রেশন উঁচুতে থাকে। ফলাফল? অনেক সময় সেই ইন্টারভিউতে ভালো পারফর্ম করেন, এমনকি না হলেও পরের সুযোগটা সহজে আসে।

আপনি যদি শুধু বসে বসে ভাবেন;
আমি বিলিয়নিয়ার হবো… আমি বিলিয়নিয়ার হবো… আর Meanwhile কোন কাজ বা অ্যাকশন না নেন। তাহলে আপনি বিলিয়নিয়ার না, আপনি হচ্ছেন High Quality Daydreamer.!

আমি বিশ্বাস করি, ছোট ছোট প্র্যাকটিস দিয়েই আমরা নিজের জীবনকে হিল করতে পারি। শুধু, শুরু করতে হবে। ব্যাস




25/04/2026

পৃথিবীতে জন্ম নেওয়া প্রায় প্রত্যেকটা মেয়েই একজন ভালো জীবনসঙ্গী পেতে চায়। A Good Boy Will be Her Life Partner.

কিন্তু, আপত্তিটা বাধে কখন জানেন.?
যখন সেই ছেলেটা নিজের লাইফে ফোকাসড থাকে, এবং মেয়েটাকে শেখায় - Discipline Boundaries Commitment. কিভাবে বজায় রাখতে হয়।

তারপর হঠাৎ করেই মেয়েটা তাকে বলতে শুরু করে; You Are a Toxic,? Manipulative, Controlling আর Narcissistic।

আর যদি খারাপ পেত তাহলে বলতো একটা ভালো ছেলে পেলাম না, অন্যদিকে ভালো ছেলেকে বলতেছে টক্সিক, দেখেন ভালো মানুষদের নিজস্ব কিছু রুলস থাকে সে তো আর আপনাকে খোলা মাঠে ছেড়ে রাখবে না। That's All.


24/04/2026

একজন মেয়ের জীবন শুরু হয় ১৮ থেকে আর পুরুষের জীবন শুরু হয় ৩০ বছর বয়স থাকে।

১৮ বছর বয়সে, তার সামনে অনেক অপশন থাকে।
১৮ বছর বয়সে, আপনার হাতে কিছুই থাকে না।

২৫ বছর বয়সে, সে ভালোবাসা খোঁজে।
২৫ বছর বয়সে, আপনি জীবনের লক্ষ্য খুঁজতে থাকেন।

৩০ বছর বয়সে, সে শান্ত হয়, ধীর গতিতে চলে।
৩০ বছর বয়সে, আপনি কেবল শুরু করছেন।

মনে রাখবেন,
একজন মেয়ের জীবন শুরু হয় ১৮-তে। একজন ছেলের জীবন শুরু হয় ৩০-এ। একজন মেয়ে জন্মগতভাবেই মূল্য নিয়ে জন্মায়। একজন ছেলে জন্মায় কোনো মূল্য ছাড়াই। মেয়েটাকে নিজের মূল্য রক্ষা করতে হয়। কিন্তু আপনাকে নিজের মূল্য তৈরি করতে হয়।

এগুলো আমার মুখের কথা নয়, এটা প্রকৃতি নিয়ম। 🤌

👨‍🔬

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka Division?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address

Dhaka Division

Opening Hours

Monday 17:00 - 23:00
Tuesday 17:00 - 23:00
Wednesday 17:00 - 23:00
Thursday 17:00 - 23:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 17:00 - 23:00
Sunday 17:00 - 23:00