1hour online madrasa 'ٍمَدْرسَةُ سَاعَة'

1hour online madrasa 'ٍمَدْرسَةُ سَاعَة' জ্ঞান অন্বেষণ করা প্রত্যেক মুসলিমের ?

05/10/2025

#চর্যাপদ

চর্যাপদের মৌলিক তথ্য:

অনেক প্রাচীন সাহিত্যকর্ম হলেও এটির আবিষ্কার খুব বেশিদিন আগের কথা না। ১৯০৭ খ্রীস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা “রয়েল লাইব্রেরি” থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন। মূলত ১৮৮২ সালে রাজা রাজেদ্র লাল মিত্র “Sanskrit Buddhist Literature in Nepal” গ্রন্থে চর্যাপদের অস্তিত্বের কথা বলেছিলেন। আর সেই সূত্র ধরে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদ আবিষ্কারে উদ্দীপ্ত হন। চর্যাপদের সাথে ‘ডাকার্ণব’ এবং ‘দোহাকোষ’ নামে আরো দুটি বই নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার হতে আবিষ্কৃত হয়।

১৯১৬ সালে সবগুলো বই একসাথে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান এবং দোহা’ নামে প্রকাশ করেন..পরবর্তীতে ১৯২৩ সালে বাংলা ১৩২৩ বঙ্গাব্দ কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রকাশিত হয়। বাংলা ভাষার প্রথম কাব্য/কাবিতা সংকলন চর্যাপদ। এটি বাংলা সাহিত্যের আদিযুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন..ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার হতে ১৯০৭ সালে ‘চর্যাচর্য বিনিশ্চয়’ নামক পুথিটি আবিষ্কার করেন।এটি প্রকাশিত হবার পর পালি সংস্কৃত সহ বিভিন্ন ভাষাবিদ রা চর্যাপদকে

চর্যাপদের ভাষা বাংলা কি-না সে বিষয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল পরবর্তীতে যার অবসান হয়েছে। এটি বাংলা ভাষার একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। চর্যাপদের রচয়িতা বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ সংস্কৃতে পারদর্শী হলেও তাঁরা তৎকালীন অপরিণত বাংলাতেই পদগুলি রচনা করেছিলেন। চর্যাপদের ভাষা বাংলা ভাষার অদ্যাবধি আবিষ্কৃত আদিতম রূপ। ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর “Origin and Development of the Bengali language” (ODBL) _ গ্রন্থে বলেছেন__ “বাংলা নিশ্চয়ই,বাংলার মূর্তি অবহটঠের সদ্যোনির্মোক মুক্ত রূপ”। তবে ডঃ মুঃ শহীদুল্লাহ চর্যার ভাষাকে প্রাচীন বাংলা কিংবা প্রাচীন বঙ্গকামরুপী ভাষা বলাই সঙ্গত মনে করেন। ম্যাক্সমুলারের মতে “চর্যাপদের ভাষা হলো প্রচ্ছন্ন ভাষা”। নির্দিষ্ট কোন রুপ নাই বিধায় অনেকে চর্যার ভাষাকে সান্ধ্যাভাষা বা আলো আধারির ভাষা বলেছেন।

চর্যাপদ শুধু প্রাচীন বাংলা সাহিত্যেরই নিদর্শন নয়, প্রাচীন বাংলা গানেরও নিদর্শন। প্রতিটি পদের শুরুতে রাগ-তাল ও প্রতি জোড়-পদে ‘ধ্রুব’ শব্দের উল্লেখ থাকায় নিশ্চিত প্রমাণিত হয় যে, এগুলি তখন গাওয়া হতো। এ ছাড়া পদগুলি থেকে তৎকালীন বাঙালি জীবনের আচার-আচরণ ও সমাজের বাস্তবঘন পরিচয়ও পাওয়া যায়। যেমন তখনকার মানুষ হরিণ শিকার, নৌকা চালনা, চেঙারি তৈরি, শুঁড়ির কাজ ইত্যাদি করত। কাড়া-নাকাড়া ও ঢাক-ঢোল বাজিয়ে বর-কনেকে বিয়ের আসরে নিয়ে যাওয়া হতো। সমাজে যৌতুক প্রথা প্রচলিত ছিল। গরু ছিল গৃহপালিত পশু; হাতিরও উল্লেখ আছে। মেয়েরা পরিধানে ময়ূরপুচ্ছ, গলায় গুঞ্জার মালা এবং কর্ণে কুন্ডল পরত। টাঙ্গি, কুঠার, নখলি বা খন্তা ছিল উল্লেখযোগ্য অস্ত্র। তবে সমকালীন সমাজের এসব চিত্র অঙ্কন করলেও চর্যাকারেরা প্রধানত ছিলেন বৈরাগ্যপন্থি, জগৎমুখী নন। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, প্রাচীনতম চর্যাকার শবরপা এবং আধুনিকতম চর্যাকার সরহ বা ভুসুকুপা।

কাহ্নপা সর্বাধিক ১৩টি পদ রচনা করেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদ লেখেন-ভুসুকুপা: ৮টি। শবরপাকে চর্যাপদের বাঙালি কবি মনে করা হয়। চর্যাপদ মাত্রাবিত্ত ছন্দে রচিত। চর্যাপদ গ্রন্থে মোট কয়টি পদ পাওয়া গেছে-সাড়ে ছেচল্লিশটি (একটি পদের ছেঁড়া বা খন্ডিত অংশসহ)। চর্যার পদগুলো সন্ধ্যা বা সান্ধ্য ভাষায় রচিত। সন্ধ্যা বা সান্ধ্য ভাষা-যে ভাষা সুনির্দিষ্ট রূপ পায় নি, যে ভাষার অর্থও একাধিক অর্থাৎ আলো-আঁধারের মত,সে ভাষাকে পন্ডিতগণ সন্ধ্যা বা সান্ধ্যভাষা বলেছেন। চর্যাপদ গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত প্রথম পদটি লেখা-লুইপার। চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। নেপালের রয়েল লাইব্রেরি থেকে, ১৯০৭সালে চর্যাপদ আবিষ্কার করা হয়। ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে (১৩২৩ বঙ্গাব্দ) কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে চর্যাপদ আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়। এর সম্পাদনা করেন মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।

মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে ৬৫০খ্রিস্টাব্দ থেকে, সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে ৯৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে পদগুলো রচিত। সুকুমার সেন সহ বাংলা সাহিত্যের প্রায় সব পন্ডিতই সুনীতিকুমারকে সমর্থন করেন।
চর্যাপদের নাম নিয়ে প্রস্তাবগুলো -কারো মতে গ্রন্থটির নাম, ‘আশ্চর্যচর্যাচয়’, সুকুমার সেনের মতে ‘চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয়, আধুনিক পন্ডিতদের মতে এর নাম ‘চর্যাগীতিকোষ’ আর হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে ‘চর্য্যার্চয্যবিনিশ্চয়’। তবে ‘চর্যাপদ’ সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নাম। চর্যার কবিদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রাচীন বলে মনে করা হয়-শবরপা (৬৮০ থেকে ৭৬০ খ্রিস্টাব্দ)। চর্যাপদের সর্বাধিক পদরচয়িতা -কাহ্নপা। চর্যাপদে যে পদগুলো পাওয়া যায় নি তার মধ্যে কাহ্নপার রচনা বলে মনে করা হয়-২৪ নং পদটি। চর্যাপদে কাহ্নপা আর কি কি নাম পাওয়া যায়-কাহ্নু, কাহ্নি, কাহ্নিল, কৃষ্ণচর্য,কৃষ্ণবজ্রপাদ। অনেকের মতে কুক্কুরীপা নারী ছিলেন।

কুক্কুরীপা রচিত অতিপরিচিত দুটি পংক্তি -দিবসহি বহূড়ী কাউহি ডর ভাই।রাতি ভইলে কামরু জাই। (পদ:২) (অর্থাৎ দিনে বউটি কাকের ভয়ে ভীত হয় কিন্তু রাত হলেইসে কামরূপ যায়।) লুইপা ছিলেন-প্রবীণ বৌদ্ধসিদ্ধাচার্য ও চর্যাপদেরকবি। তিববতী ঐতিহাসিক লামা তারনাথের মতে লুইপা পশ্চিমবঙ্গের গঙ্গার ধারে বাস করতেন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে লুইপা রাঢ়অঞ্চলের লোক। চর্যাপদের প্রথম পদটি রচনা লুইপার। কাআ তরুবর পাঞ্চ বি ডাল।চঞ্চল চীএ পৈঠা কাল\ (পদ: ১) ( অর্থাৎ দেহগাছের মত, এর পাঁচটি ডাল। চঞ্চল মনে কালপ্রবেশ করে।) লুইপা রচিত সংস্কৃতগ্রন্থের নাম পাওয়া যায়, - ৫টি। অভিসময় বিভঙ্গ, বজ্রস্বত্ব সাধন, বুদ্ধোদয়, ভগবদাভসার, তত্ত্ব সভাব। শবরপা -তার জীবনকাল ৬৮০ থেকে ৭৬০খ্রিস্টাব্দের মধ্যে। সেই সূত্রে শবরপা চর্যারকবিদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রাচীন। মুহুম্মদ শহীদুল্লাহর মতে তিনি ‘বাংলা দেশে’র লোক। শবরপা গুরু ছিলেন-লুইপার।

চর্যাপদের অতি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন
বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন
বাংলা ভাষার প্রাচীনতম সাহিত্য
বাংলা সাহিত্যের প্রথম গ্রন্থ
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন
_________________________
চর্যা শব্দের অর্থ- আচরণ
চর্যাপদ এর অন্যান্য নাম সমূহ: চর্যাগীতিকোষ, চর্যাগীতি,চর্যাপদ,চর্যাশ্চবিনিশ্চয়।
আধুনিক গবেষকগন গ্রন্থমালা থেকে অনুমান করেন মূল পদ্ধতির নাম ছিল চর্যাগীতিকোষ এবং তার সংস্কৃতি টিকাটি চর্যাশ্চবিনিশ্চয়। অধ্যাপক সতীশ কুমার বন্দোপাধ্যায়ও এই মন গ্রহণ করেন।
এটি গানের সংকলন। ( বাংলা সাহিত্যের প্রথম কবিতা সংকলন/ কাব্য সংকলন বলে এটাই হবে। কারণ চর্যাপদের কবিতাগুলো পাওয়া হয় বলে এগুলো একই সাথে গান ও কবিতা)
এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
খ্রিস্টীয় অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত এই গীতি পদাবলীর রচয়িতা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ। বৌদ্ধ ধর্মের গুরু অর্থ সাংকেতিক রূপের আশ্রয়ে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই তারা পদগুলো রচনা করেছিলেন। বাংলা সাধন সংগীত শাখাটির সূত্রপাত হয়েছিল এই চর্যাপদ থেকেই। সে বিবেচনায় এটি একটি ধর্মগ্রন্থ জাতীয় রচনা।
বিষয়বস্তু: বৌদ্ধ ধর্মের সাধন-ভজনের তথ্য প্রকাশ।
চর্যাপদ: সহজিয়া বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের সাহিত্য।
১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত উদ্ধার করেন। তাই তাকেই চর্যাপদের আবিষ্কারক বলা হয়। পরবর্তীতে আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে চর্যাপদের সঙ্গে বাংলা ভাষার যোগসুত্র বৈজ্ঞানিক যুক্তি সভা প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রকাশিত হয়- আবিষ্কারের নয় বছর পরে ১৯১৬ সালে।
ভাষা: আলো আঁধারি ভাষা বা সান্ধ্য ভাষা।
চর্যাপদের ভাষা অস্পষ্ট ও দুর্বোধ্য। সেই কারণে চর্যায় ব্যবহৃত ভাষাকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বলেছেন সান্ধ্যভাষা।
চর্যাপদের ভাষাকে বাংলায় প্রতিপন্ন করেন- ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।

চর্যাপদের রচনা কাল:

ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে- ৬৫০ সালে।
ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়সহ অধিকাংশের মতে- ৯৫০ থেকে ১২০০ সালে।

চর্যাপদের মোট পদ বা গান সংখ্যা:

ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে -৫০ টি
সুকুমার সেনের মতে- ৫১ টি
এর মধ্যে পাওয়া গেছে- ৪৬ টি, মতান্তরে- সাড়ে ৪৬ টি

চর্যাপদের মোট রচয়িতা/ লেখক:

ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে ২৩ জন।
সুকুমার সেনের মতে ২৪ জন।

চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িতা:

ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে শবরপা।
অধিকাংশের মতে লুইপা। (পরীক্ষায় আসলে এটিই হবে)
লুইপা বাংলা সাহিত্যের আদি বা প্রাচীন কবি।

চর্যাপদের সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেন কাহ্নপা। তিনি মোট পদ রচনা করেন ১৩ টি। তাই তিনিই চর্যাপদের রচয়িতা।
চর্যাপদের বাঙালি রচয়িতা- শবরপা ( তিনি চর্যাকর ছিলেন)।
চর্যাপদের কবি রাম পদ রচনা করতেন বলে তাদের নামের সাথে পা যুক্ত হয়েছে। (পদ >পা)
পাল রাজবংশের আমলে চর্যাপদ রচনা শুরু হয়।

চর্যাপদের বয়স:

ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে (২০২০-৬৫০) বছর = ১৩৭০ বছর।( প্রায়)
ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়সহ অধিকাংশের মতে (২০২০-৯৫০) বছর = ১০৭০ বছর। (প্রায়)

চর্যাপদের পদকর্তা ও পদসংখ্যা:

চার্জার কবিগণ সিদ্ধাচার্য নামে পরিচিত। সাধারণত বজ্রযানী ও সহজযানী আচার্যগণই এই নামে অভিহিত হতেন। তিব্বতীয় ভারতীয় কিংবদন্তিতে এরাই চৌরাশি সিদ্ধা নামে পরিচিত।

চর্যাপদের পদসংখ্যা:

ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে ৫০ টি।
সুকুমার সেনের মতে ৫১ টি।
চর্যাপদ এর পদ সংখ্যা নিয়ে মতভেদ আছে। গ্রন্থের কয়টি পাতা নষ্ট হয়ে যাওয়াতে পদ সংখ্যা পাওয়া গেছে সাড়ে ৪৬ টি। ভুসুকুপার ২৩ নং পদের ১০ লাইনের মধ্যে প্রথম ৬ লাইন পাওয়া গেছে এবং কাহ্নপার ২৪ নং, তন্ত্রী পার ২৫ নং, কুক্কুরীপার ৪৮ নং পদ পাওয়া যায়নি।

পদকর্তা:

ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে ২৩ জন।
সুকুমার সেনের মতে ২৪ জন।

পদকর্তা
পদের সংখ্যা
কাহ্ন পা
১৩
ভুসুকু পা

কুক্কুরী পা

সরই পা

লুই পা

শবর পা

শান্তি পা

আর্যদেব, কম্বোলম্বর, চাটিল পা, তন্ত্রী, দারিক, বীণা পা, মহীধর পা, বিরুবা পা, ডোম্বী পা, কঙ্কন, গুণ্ডরী, জয়নন্দী, তারক, ধাম পা, ভদ্র পা, ঢেণঢণ পা
প্রত্যেকে ১টি করে।
লাড়ীডোম্বাপা ১টি পদের উল্লেখ আছে, তবে পদ টি নেই।

চর্যাপদের পঙক্তি:

'আলি এঁ কালি এঁ বাট রুন্ধেলা।
তা দেখি কাহ্ন বিমনা ভইলা'। -( রচয়িতা-কাহ্নপা)
'টালত মোর ঘর নাহি পড়বেশী,
হারিত ভাত নাহি নিতি আবেশী'।-(রচয়িতা-ঢেগুণপা)
'আপনা মাংসে হরিণা বৈরী'। (রচয়িতা-ভুসুকুপা)
'চঞ্চল চীএ পৈঠা কাল।'(রচয়িতা- লুইপা)
'কমল মধু পিবিবি থাকেন ভামেরা'(রচয়িতা-মাননাথ)

চর্যাপদ এর ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দের অর্থ
কাআ- শরীর
চিখিল- কাদা
ধাম- নিবাস
দুলি-কচ্ছপ
বৈরী-শত্রু
বাণ-বর্ণ
বহুড়ী-বধূ
করিণা-হস্তী, হাতি
অহেরি- কিশোরী
বারুনী-মদ
কসণ-কালো
বিহণি-সকাল
নাবি-নৌকা
পসরা-সওদা
শাখি- সাক্ষী
শুন্ডিনী- মদ প্রস্তুতকারীনী
ছিনালী- ভ্রষ্টা নারী

05/10/2025

📗 চর্যাপদের আদ্যোপান্ত

🔶 চর্যাপদ পরিচিতি

চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন। চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ, কবিতা সংকলন এবং গানের সংকলন হিসেবেও বিবেচিত।

🔶 ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

- বাংলার পাল বংশের রাজারা ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।
- তাদের শাসনামলে চর্যাগীতিকা বা চর্যাপদের বিকাশ ঘটে।
- পাল রাজাদের পরে সেন ও বর্মণ রাজারা ক্ষমতায় এলে ব্রাহ্মণ্য ধর্মমত ও পৌরাণিক হিন্দুধর্ম রাজধর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলার দেশি ভাষার স্থানে সংস্কৃত ভাষা গুরুত্ব পায় এবং বৌদ্ধ সীদ্ধাচার্যরা এই অঞ্চল থেকে বিতাড়িত হন।

🔶 আবিষ্কার ও গবেষণা

- ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় "হরপ্রসাদ শাস্ত্রী" নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কার করেন।
- তিনি পুঁথিগুলোর সম্পাদনা করে ১৯১৬ সালে "হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা" নামে প্রকাশ করেন।

🔶 ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ

- বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর "Origin and Development of Bengali Language (ODBL)" গ্রন্থে চর্যাপদের ভাষাগত বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করেন।
- ধ্বনিতত্ত্ব, ব্যাকরণ ও ছন্দ বিশ্লেষণের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেন যে চর্যাপদ আদি বাংলায় রচিত।

🔶 রচয়িতা ও বিষয়বস্তু

- চর্যাপদের রচয়িতারা ছিলেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ।
- চর্যাগুলোতে বৌদ্ধ ধর্ম ও সাধনভাজনের তত্ত্ব প্রকাশ পায়।
- এটি মূলত বৌদ্ধ তান্ত্রিক সাধনার গীতিকবিতা।

🔶 সংকলন ও ভাষা

চর্যাপদসহ যে চারটি গ্রন্থ একত্রে আবিষ্কৃত হয়েছে সেগুলো হলো:

✔ চর্যাচর্যবিনিশ্চয়
✔ সরহপাদের দোহা
✔ কৃষ্ণপাদের দোহা
✔ ডাকার্ণব পুথিঁ

📌 এদের মধ্যে কেবল "চর্যাচর্যবিনিশ্চয়" ই প্রাচীন বাংলায় লেখা। বাকি তিনটি অপভ্রংশ ভাষায় রচিত।

চর্যা বৃত্তান্ত:

- চর্যার পদগুলি প্রধানত পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দে রচিত।
- আধুনিক ছন্দ বিচারে ‘মাত্রাবৃত্ত ছন্দ'।
- এর ভাষা 'সান্ধ্যভাষা' বা আলো-আঁধারী ভাষা নামে পরিচিত।
- 'চর্যাপদ’ ইংরেজিতে অনুবাদ করেন 'হাসনা জসীমউদ্দীন মওদুদ'।
- ২০১৭ সালে হাসনা জসীমউদ্দীন মওদুদ চর্যাপদের ইংরেজি অনুবাদ করেন।
- হাসনা জসীমউদ্দীন মওদুদ কর্তৃক ইংরেজিতে অনূদিত চর্যাপদের নাম মিস্টিক পোয়েট্রি অব বাংলাদেশ।

আজকের পর্ব এটুকুই। আগামীকাল চর্যাপদের পদকর্তাদের নিয়ে বিস্তারিত জানব।

✍️ কৌশিক, BCS Foundation Course

27/09/2025
নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও পুরুষ মৌমাছি কেন স্ত্রী মৌমাছির সাথে মিলন করে?এরা মৃত্যুর জন্য মোটেও ভয় পায় না।একজন মানুষকে মারতে হ...
04/07/2023

নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও পুরুষ মৌমাছি কেন স্ত্রী মৌমাছির সাথে মিলন করে?

এরা মৃত্যুর জন্য মোটেও ভয় পায় না।একজন মানুষকে মারতে হলে প্রায় ১১০০ হুলের বিষ প্রয়োজন। আনুমানিক ১ কেজি মধু সংগ্রহের জন্য ১১০০ মৌমাছি প্রায় ৯০ হাজার মাইল পথ ঘুরতে হয়। যা কিনা চাদের কক্ষপথের প্রায় তিনগুণ!

ফুলের হিসাব করলে দেখা যায় ১ কেজি মধু সংগ্রহের জন্য প্রায় ৪০ লক্ষ ফুলের পরাগরেণু স্পর্শ করতে হয়। সবকিছু ঠিক থাকলে ভালো মৌসুমে প্রায় ৫৫ কেজি মধু জমা হয়। এসব তথ্য থেকে আমরা বুঝতে পারি কর্মী মৌমাছি কি পরিমাণ পরিশ্রমী।

অপরদিকে রাণী মৌমাছি শুধু খায় আর ডিম পারে!

রাণী প্রতিদিন ১৫০০ থেকে ২৫০০ ডিম দেয়। পুরুষ মৌমাছির স্বভা বেশ অদ্ভুত। এরা জীবনেও কোন কাজ করে না, এমনকি কর্মী মৌমাছিকে এদের খাবার পর্যন্ত মুখে তুলে দিতে হয়। এদের জীবনের একমাত্র লক্ষ হলো রাণী মৌমাছির সাথে মিলিত হওয়া!

মিলন মৌসুমে প্রতিদিন দুপুরবেলা চাকের সর্বাধিক সক্ষম পুরুষ মৌমাছিগুলো একটি নির্দিষ্ট স্থানে ভিড় জমায় যাকে বলা হয় পুরুষ ধর্মসভা!

ঠিক একই সময়ে চাক থেকে রাণী মৌমাছি ঘুরতে বের হয়, যাকে বলা হয় “দি মিটিং ফ্লাইট”

রাণী মৌমাছি হঠাৎ করে ঢুকে পড়ে পুরুষ ধর্মসভা এলাকায়। সে এসেই এক বিশেষ ধরণের গন্ধ ছড়িয়ে দেয়, যার ফলে শত শত পুরুষ মৌমাছি উত্তেজিত হয়ে পড়ে। এর পরপরই রাণী মৌমাছি উড়ন্ত অবস্থায় পছন্দমত পুরুষের সাথে মিলন করে। রাণী মৌমাছি একেবারে পর্যায়ক্রমে ১৮-২০টা পুরুষ মৌমাছির সাথে মিলিত হতে পারে!

অদ্ভুত ব্যাপার হল, যৌন মিলনের সময় পুরুষ মৌমাছির এন্ডোফেরাস বা যৌনাঙ্গ ভেঙ্গে যায় এবং তখনই মারা যায় পুরুষ মৌমাছি। এজন্যই এই মিলনকে বলা হয় “দি ড্রামাটিক সেক্সুয়াল সুইসাইড”।

একটি মৌচাক একটি মাত্র রাণী আ স্ত্রী মৌমাছি থাকে। রাণীকে কেন্দ্র করেই মৌচাক গড়ে ওঠে।

যদি কোন ডিম থেকে স্ত্রী মৌমাছির জন্ম হয় সে শিশু স্ত্রী মৌমাছিকে কর্মী মৌমাছিরা লুকিয়ে রাখে যেন রাণীর নজরে না আসে। রাণীর নজরে পড়লে ঐ শিশু স্ত্রী মৌমাছির নিশ্চিত মৃত্যু । শিশু রাণী মৌমাছিটি বড় হলে দুই রাণীর মধ্যে যুদ্ধ হয়। এতে দুটি পথ খোলা থাকে । হয় যুদ্ধে মৃত্যু ( একজন অপর জনকে হত্যা করে মৌচাকের কর্তৃত্ব গ্রহণ করে) না হয় দুজন আলাদা হয়ে পৃথক দুটি মৌচাক গড়ে তোলা।

অনাকাঙ্খিতভাবে যদি কোন রাণী মৌমাছি মারা যায় তবে সে খবর ১৫ মিনিটের মধ্যে সকল কর্মী মৌমাছি জানতে পারে এবং সম্মিলিতভাবে নতুন রাণী মৌমাছি তৈরি করার উদ্যোগ নেয়।

আরো কিছু অদ্ভুত বিষয় রয়েছে, যা জানলে আপনারা অবশ্যই অবাক হবেন,,, ৫০০ গ্রাম মধু তৈরিতে ২০ লক্ষ ফুল লাগে। শ্রমিক বা কর্মী মৌমাছি সারা জীবনে আধা চা চামচ মধু তৈরি করতে পারে। আরো একটা মজার ব্যাপার হলো, পৃথিবীতে মধু একমাত্র খাদ্য যা কখনোই পঁচে না!!!
©️

03/07/2023
03/07/2023

হযরত খাওলা বিনতে সালাবা রাদি.-কে তাঁর স্বামী তালাক দিলেন। জিহার তালাক। জাহেলি যুগের প্রচলিত তালাক। নিজের স্ত্রীকে ‘তুমি আমার
মায়ের মতো' এ জাতীয় কথার দ্বারা তৎকালে তালাক দেয়ার প্রচলন ছিল। একবার এ ধরনের তালাক দিলে তাকে আর ফিরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা ছিল না। স্বামীর মুখে একথা শুনতেই হযরত খাওলা রাদি. ছুটে এলেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে। আরয করলেন,
‘হে আল্লাহর রাসুল! আমার স্বামী আমাকে জিহার তালাক দিয়েছে। আপনি একটা ব্যবস্থা করুন।'
এটা ছিল জাহেলি যুগের তালাক। শরিয়তে তখনও এ সম্পর্কিত কোনো বিধি-বিধান অবতীর্ণ হয়নি- তাই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তৎকালীন রেওয়াজ মাফিক বলে দিলেন, ‘তালাক হয়ে গেছে।
হযরত খাওলা রাদি. আরয করলেন, ‘তাহলে আমি এখন কোথায় যাবো?'
সন্তান প্রসব করতে গিয়ে আমার পেট দীর্ণ হয়ে গেছে ।আমার বয়সও এখন অনেক মা-বাবা জীবিত নেই । যৌবন হারিয়ে গেছে। আমার ধন-সম্পদও ফুরিয়ে গেছে। এখন আমি কোথায় যাবো?'
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় বললেন, তালাক হয়ে গেছে।
হযরত খাওলা রাদি, আরয করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! এ বিধান রহিত করে দিন।'
তাঁর অনুরোধে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো কথা বলতে পারলেন না। মাথা নত করে বসে রইলেন।
এবার হযরত খাওলা রাদি. বললেন, 'হে আল্লাহর রাসুল! আপনি যদি আমার কথা না রাখেন তাহলে আমি নিজেই আমার আল্লাহকে আমার কথা বলব।'
এরপর তিনি আকাশের দিকে তাকালেন। আল্লাহর দরবারে হাত তুলে অশ্রুসজল চোখে আবেদন করলেন—
‘হে আল্লাহ! তুমি জানো আমার ছোটো ছোটো কয়েকটি সন্তান রয়েছে। যদি আমি তাদেরকে আমার কাছে রাখি, তাহলে তারা ক্ষুধায় কষ্ট পাবে।
আর যদি আমার স্বামীর কাছে ছেড়ে দিই, তাহলে তারা ধ্বংস হয়ে যাবে। হে আল্লাহ! ‘তুমি আমার পক্ষে ফয়সালা দাও।'
হযরত খাওলা রাদি. একথা বলেননি, তোমার যা খুশি ফয়সালা করো। বলেছেন, ‘তুমি আমার পক্ষে ফয়সালা দাও ।'
আল্লাহ তাআলা হযরত খাওলা রাদি.-এর এ দোয়ার প্রেক্ষিতে সাধারণ ফয়সালা পাঠাননি বরং কুরআন বিধান সম্বলিত আয়াত পাঠিয়েছেন। পৃথিবীতে যতদিন পর্যন্ত এ উম্মত এবং কুরআন থাকবে, ততদিন পর্যন্ত তারা হযরত খাওলা রাদি. এর কাহিনী শুনতে থাকবে। তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের মহিমা প্রকাশিত হতে থাকবে ।
হযরত খাওলা রাদি. আবেদনরত। এখনও তিনি হাত নামাননি। তাঁর কান্না আরশের দরজা খুলে দিয়েছে। হযরত জিবরাইল আ. এসে জানিয়েছেন, ‘একজন নারীর দরদভরা কান্না আল্লাহর আরশকে পর্যন্ত কাঁপিয়ে দিয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মধ্যে অহি অবতরণের নিদর্শন ছাপিয়ে উঠেছে। হযরত আয়েশা রাদি. হযরত খাওলাকে বললেন, ‘হাত নামাও, অহি অবতীর্ণ হচ্ছে।'
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শরীর ঘামে সিক্ত হয়ে উঠেছে। তিনি শরীরের ঘাম মুছলেন। বললেন, ‘খাওলা! তোমাকে মুবারকবাদ!
আল্লাহ তাআলা তোমার পক্ষে ফয়সালা দিয়েছেন'—
قَدْ سَمِعَ اللهُ قَوْلَ الَّتِى تُجَادِلُكَ فِي زَوْجِهَا ،
وَتَشْكِيْ إِلَى اللهِ ، وَالله يَسْمَعُ تَحَاوُرَكُمَا (١)
‘আল্লাহ অবশ্যই সে নারীর কথা শুনেছেন, যে তার স্বামীর বিষয়ে আপনার সঙ্গে বাদানুবাদ করেছে।
এবং আল্লাহর কাছে ফরিয়াদও করেছে। আল্লাহ তোমাদের কথোপকথন শুনেন।’
[সূরা মুজাদালাহ, আয়াত : ০১ ]
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তালাক মেনে নিচ্ছিলেন। হযরত খাওলা রাদি. অস্বীকার করে যাচ্ছেন। আল্লাহ তাআলা এ কাহিনী দেখছিলেন, শুনছিলেন। এরপর চূড়ান্ত ঘোষণা করে দিলেন—
الَّذِينَ يُظْهِرُونَ مِنْكُمْ مِنْ نِسَآبِهِمْ مَّا هُنَّ أُمَّهٰتِهِمْ إِنْ أُمَّهٰتُهُمْ إِلَّا الَّتى وَلَانَهُمْ وَ إِنَّهُمْ لَيَقُولُونَ مُنْكَرًا مِّنَ الْقَوْلِ وَزُورًا وَاِنَّ اللهَ لَعَفُوٌّ غَفُورٌ (٣)
‘তোমাদের মধ্যে যারা নিজেদের স্ত্রীদের সাথে জিহার করে তারা জেনে রাখুক, তাদের স্ত্রীগণ তাদের মাতা নয়, যারা তাদের জন্মদান করে কেবল তারাই তাদের মাতা। তারা কিন্তু অসঙ্গত ও অসত্য কথাই বলে। নিশ্চয়ই আল্লাহ পাপমোচনকারী ও ক্ষমাশীল।’
[সূরা মুজাদালাহ, আয়াত :০৩ ]
বই: আল্লাহওয়ালাদের হৃদয়ছোঁয়া গল্প, পৃষ্ঠা: ৬১-৬৩

※Punctuation marks=বিরাম চিহ্ন (عَلَامَاتُ التَّرْقِيْم)**********************************************; = semicolon☜ فَا...
13/06/2023

※Punctuation marks=বিরাম চিহ্ন (عَلَامَاتُ التَّرْقِيْم)
**********************************************

; = semicolon☜ فَاصِلَةٌ مَنْقُوْطَة
: = colon☜ نُقْطَتَان

' = Apostrophe(ঊর্ধকমা)☜ فَاصِلَةُ الْعُلْيَا
& = Ampersand ☜اِشَارَةُ الْعَطْف

… = ellipsis(উহ্য চিহ্ন)☜عَلَامَةُ الْحَذْفِ

- = dash☜شَرْطَة
? = question mark☜عَلَامَةُ اِسْتِفْهَام = full stop ☜نُقْطَة
()= brackets ☜قَوْسَان
! = exclamation mark ☜عَلَامَةُ تَعَجُّب

" " = quotation marks ☜عَلَامَتَا التَّنْصِيْص

, = comma☜فَاصِلَة

1hour online madrasa 'ٍمَدْرسَةُ سَاعَة'

10/06/2023

Name : Muhammad ﷺ❤️
Father : Abdullah
Mother : Aminah
Date of Birth : 12th Rabi Al - Awwal
Date of Death : 08 Jun 632 11 after Hijra
Age : 63 yrs
Place of Birth : Makkah
Place of Death : Madinah
Residence : Makkah then moved to Madina
Profession : Businessman , then a Prophet
Age : 63 years
Lived in Makkah : 50 years
Nabowat Age : 40 years
Lived in Madinah :13 years
Yrs of Preaching : 23 years

Merchant : 26 years 583–609 CE
Preacher : 23 years 609–632 CE

End of Worldly Life : 08 June 632. (11th after Hijra)

☾Virtue
☾Preaching
☾Jihad in Islam

𝗕✔︎Peace and Justice
✔︎Loving every body
✔︎Liking of Muslims
✔︎Philanthropic
✔︎Respectful of any organ (animals?)
𝗠𝗔𝗥𝗥𝗜𝗘𝗗 𝗘𝗥𝗜𝗢𝗗
♥︎Khadijabint Khuwaylid 595–619
♥︎Sawda bint Zamʿa 619–632
♥︎Aisha bint Abi Bakr 619–632
♥︎Hafsa bint Umar 624–632
♥︎Zaynab bint Khuzayma 625–627
♥︎Hind bint Abi Umayya 625–632
♥︎Zaynab bint Jahsh 627–632
♥︎Juwayriyya bint al-Harith 628–632
♥︎Ramla bint Abi Sufyan 628–632
♥︎Rayhana bint Zayd 629–631
♥︎Safiyya bint Huyayy 629–632
♥︎Maymunah bint al-Harith 630–632
♥︎Maria al-Qibtiyya 630–632

Children -
Sons:
❣︎Al-Qassem
❣︎Abdullah
❣︎Ibrahim

Daughters :
𝗚❣︎Zaynab
❣︎Ruqayyah
❣︎Ummu Kalthoom
❣︎Fatima

Way to jannat

Address

Mugda
Dhaka Chandragati
12

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when 1hour online madrasa 'ٍمَدْرسَةُ سَاعَة' posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category