05/10/2025
#চর্যাপদ
চর্যাপদের মৌলিক তথ্য:
অনেক প্রাচীন সাহিত্যকর্ম হলেও এটির আবিষ্কার খুব বেশিদিন আগের কথা না। ১৯০৭ খ্রীস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা “রয়েল লাইব্রেরি” থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন। মূলত ১৮৮২ সালে রাজা রাজেদ্র লাল মিত্র “Sanskrit Buddhist Literature in Nepal” গ্রন্থে চর্যাপদের অস্তিত্বের কথা বলেছিলেন। আর সেই সূত্র ধরে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদ আবিষ্কারে উদ্দীপ্ত হন। চর্যাপদের সাথে ‘ডাকার্ণব’ এবং ‘দোহাকোষ’ নামে আরো দুটি বই নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার হতে আবিষ্কৃত হয়।
১৯১৬ সালে সবগুলো বই একসাথে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান এবং দোহা’ নামে প্রকাশ করেন..পরবর্তীতে ১৯২৩ সালে বাংলা ১৩২৩ বঙ্গাব্দ কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রকাশিত হয়। বাংলা ভাষার প্রথম কাব্য/কাবিতা সংকলন চর্যাপদ। এটি বাংলা সাহিত্যের আদিযুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন..ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার হতে ১৯০৭ সালে ‘চর্যাচর্য বিনিশ্চয়’ নামক পুথিটি আবিষ্কার করেন।এটি প্রকাশিত হবার পর পালি সংস্কৃত সহ বিভিন্ন ভাষাবিদ রা চর্যাপদকে
চর্যাপদের ভাষা বাংলা কি-না সে বিষয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল পরবর্তীতে যার অবসান হয়েছে। এটি বাংলা ভাষার একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। চর্যাপদের রচয়িতা বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ সংস্কৃতে পারদর্শী হলেও তাঁরা তৎকালীন অপরিণত বাংলাতেই পদগুলি রচনা করেছিলেন। চর্যাপদের ভাষা বাংলা ভাষার অদ্যাবধি আবিষ্কৃত আদিতম রূপ। ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তাঁর “Origin and Development of the Bengali language” (ODBL) _ গ্রন্থে বলেছেন__ “বাংলা নিশ্চয়ই,বাংলার মূর্তি অবহটঠের সদ্যোনির্মোক মুক্ত রূপ”। তবে ডঃ মুঃ শহীদুল্লাহ চর্যার ভাষাকে প্রাচীন বাংলা কিংবা প্রাচীন বঙ্গকামরুপী ভাষা বলাই সঙ্গত মনে করেন। ম্যাক্সমুলারের মতে “চর্যাপদের ভাষা হলো প্রচ্ছন্ন ভাষা”। নির্দিষ্ট কোন রুপ নাই বিধায় অনেকে চর্যার ভাষাকে সান্ধ্যাভাষা বা আলো আধারির ভাষা বলেছেন।
চর্যাপদ শুধু প্রাচীন বাংলা সাহিত্যেরই নিদর্শন নয়, প্রাচীন বাংলা গানেরও নিদর্শন। প্রতিটি পদের শুরুতে রাগ-তাল ও প্রতি জোড়-পদে ‘ধ্রুব’ শব্দের উল্লেখ থাকায় নিশ্চিত প্রমাণিত হয় যে, এগুলি তখন গাওয়া হতো। এ ছাড়া পদগুলি থেকে তৎকালীন বাঙালি জীবনের আচার-আচরণ ও সমাজের বাস্তবঘন পরিচয়ও পাওয়া যায়। যেমন তখনকার মানুষ হরিণ শিকার, নৌকা চালনা, চেঙারি তৈরি, শুঁড়ির কাজ ইত্যাদি করত। কাড়া-নাকাড়া ও ঢাক-ঢোল বাজিয়ে বর-কনেকে বিয়ের আসরে নিয়ে যাওয়া হতো। সমাজে যৌতুক প্রথা প্রচলিত ছিল। গরু ছিল গৃহপালিত পশু; হাতিরও উল্লেখ আছে। মেয়েরা পরিধানে ময়ূরপুচ্ছ, গলায় গুঞ্জার মালা এবং কর্ণে কুন্ডল পরত। টাঙ্গি, কুঠার, নখলি বা খন্তা ছিল উল্লেখযোগ্য অস্ত্র। তবে সমকালীন সমাজের এসব চিত্র অঙ্কন করলেও চর্যাকারেরা প্রধানত ছিলেন বৈরাগ্যপন্থি, জগৎমুখী নন। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, প্রাচীনতম চর্যাকার শবরপা এবং আধুনিকতম চর্যাকার সরহ বা ভুসুকুপা।
কাহ্নপা সর্বাধিক ১৩টি পদ রচনা করেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদ লেখেন-ভুসুকুপা: ৮টি। শবরপাকে চর্যাপদের বাঙালি কবি মনে করা হয়। চর্যাপদ মাত্রাবিত্ত ছন্দে রচিত। চর্যাপদ গ্রন্থে মোট কয়টি পদ পাওয়া গেছে-সাড়ে ছেচল্লিশটি (একটি পদের ছেঁড়া বা খন্ডিত অংশসহ)। চর্যার পদগুলো সন্ধ্যা বা সান্ধ্য ভাষায় রচিত। সন্ধ্যা বা সান্ধ্য ভাষা-যে ভাষা সুনির্দিষ্ট রূপ পায় নি, যে ভাষার অর্থও একাধিক অর্থাৎ আলো-আঁধারের মত,সে ভাষাকে পন্ডিতগণ সন্ধ্যা বা সান্ধ্যভাষা বলেছেন। চর্যাপদ গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত প্রথম পদটি লেখা-লুইপার। চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। নেপালের রয়েল লাইব্রেরি থেকে, ১৯০৭সালে চর্যাপদ আবিষ্কার করা হয়। ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে (১৩২৩ বঙ্গাব্দ) কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে চর্যাপদ আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়। এর সম্পাদনা করেন মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে ৬৫০খ্রিস্টাব্দ থেকে, সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে ৯৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে পদগুলো রচিত। সুকুমার সেন সহ বাংলা সাহিত্যের প্রায় সব পন্ডিতই সুনীতিকুমারকে সমর্থন করেন।
চর্যাপদের নাম নিয়ে প্রস্তাবগুলো -কারো মতে গ্রন্থটির নাম, ‘আশ্চর্যচর্যাচয়’, সুকুমার সেনের মতে ‘চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয়, আধুনিক পন্ডিতদের মতে এর নাম ‘চর্যাগীতিকোষ’ আর হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে ‘চর্য্যার্চয্যবিনিশ্চয়’। তবে ‘চর্যাপদ’ সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নাম। চর্যার কবিদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রাচীন বলে মনে করা হয়-শবরপা (৬৮০ থেকে ৭৬০ খ্রিস্টাব্দ)। চর্যাপদের সর্বাধিক পদরচয়িতা -কাহ্নপা। চর্যাপদে যে পদগুলো পাওয়া যায় নি তার মধ্যে কাহ্নপার রচনা বলে মনে করা হয়-২৪ নং পদটি। চর্যাপদে কাহ্নপা আর কি কি নাম পাওয়া যায়-কাহ্নু, কাহ্নি, কাহ্নিল, কৃষ্ণচর্য,কৃষ্ণবজ্রপাদ। অনেকের মতে কুক্কুরীপা নারী ছিলেন।
কুক্কুরীপা রচিত অতিপরিচিত দুটি পংক্তি -দিবসহি বহূড়ী কাউহি ডর ভাই।রাতি ভইলে কামরু জাই। (পদ:২) (অর্থাৎ দিনে বউটি কাকের ভয়ে ভীত হয় কিন্তু রাত হলেইসে কামরূপ যায়।) লুইপা ছিলেন-প্রবীণ বৌদ্ধসিদ্ধাচার্য ও চর্যাপদেরকবি। তিববতী ঐতিহাসিক লামা তারনাথের মতে লুইপা পশ্চিমবঙ্গের গঙ্গার ধারে বাস করতেন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে লুইপা রাঢ়অঞ্চলের লোক। চর্যাপদের প্রথম পদটি রচনা লুইপার। কাআ তরুবর পাঞ্চ বি ডাল।চঞ্চল চীএ পৈঠা কাল\ (পদ: ১) ( অর্থাৎ দেহগাছের মত, এর পাঁচটি ডাল। চঞ্চল মনে কালপ্রবেশ করে।) লুইপা রচিত সংস্কৃতগ্রন্থের নাম পাওয়া যায়, - ৫টি। অভিসময় বিভঙ্গ, বজ্রস্বত্ব সাধন, বুদ্ধোদয়, ভগবদাভসার, তত্ত্ব সভাব। শবরপা -তার জীবনকাল ৬৮০ থেকে ৭৬০খ্রিস্টাব্দের মধ্যে। সেই সূত্রে শবরপা চর্যারকবিদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রাচীন। মুহুম্মদ শহীদুল্লাহর মতে তিনি ‘বাংলা দেশে’র লোক। শবরপা গুরু ছিলেন-লুইপার।
চর্যাপদের অতি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন
বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন
বাংলা ভাষার প্রাচীনতম সাহিত্য
বাংলা সাহিত্যের প্রথম গ্রন্থ
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন
_________________________
চর্যা শব্দের অর্থ- আচরণ
চর্যাপদ এর অন্যান্য নাম সমূহ: চর্যাগীতিকোষ, চর্যাগীতি,চর্যাপদ,চর্যাশ্চবিনিশ্চয়।
আধুনিক গবেষকগন গ্রন্থমালা থেকে অনুমান করেন মূল পদ্ধতির নাম ছিল চর্যাগীতিকোষ এবং তার সংস্কৃতি টিকাটি চর্যাশ্চবিনিশ্চয়। অধ্যাপক সতীশ কুমার বন্দোপাধ্যায়ও এই মন গ্রহণ করেন।
এটি গানের সংকলন। ( বাংলা সাহিত্যের প্রথম কবিতা সংকলন/ কাব্য সংকলন বলে এটাই হবে। কারণ চর্যাপদের কবিতাগুলো পাওয়া হয় বলে এগুলো একই সাথে গান ও কবিতা)
এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
খ্রিস্টীয় অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত এই গীতি পদাবলীর রচয়িতা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ। বৌদ্ধ ধর্মের গুরু অর্থ সাংকেতিক রূপের আশ্রয়ে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই তারা পদগুলো রচনা করেছিলেন। বাংলা সাধন সংগীত শাখাটির সূত্রপাত হয়েছিল এই চর্যাপদ থেকেই। সে বিবেচনায় এটি একটি ধর্মগ্রন্থ জাতীয় রচনা।
বিষয়বস্তু: বৌদ্ধ ধর্মের সাধন-ভজনের তথ্য প্রকাশ।
চর্যাপদ: সহজিয়া বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের সাহিত্য।
১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত উদ্ধার করেন। তাই তাকেই চর্যাপদের আবিষ্কারক বলা হয়। পরবর্তীতে আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে চর্যাপদের সঙ্গে বাংলা ভাষার যোগসুত্র বৈজ্ঞানিক যুক্তি সভা প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রকাশিত হয়- আবিষ্কারের নয় বছর পরে ১৯১৬ সালে।
ভাষা: আলো আঁধারি ভাষা বা সান্ধ্য ভাষা।
চর্যাপদের ভাষা অস্পষ্ট ও দুর্বোধ্য। সেই কারণে চর্যায় ব্যবহৃত ভাষাকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বলেছেন সান্ধ্যভাষা।
চর্যাপদের ভাষাকে বাংলায় প্রতিপন্ন করেন- ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।
চর্যাপদের রচনা কাল:
ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে- ৬৫০ সালে।
ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়সহ অধিকাংশের মতে- ৯৫০ থেকে ১২০০ সালে।
চর্যাপদের মোট পদ বা গান সংখ্যা:
ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে -৫০ টি
সুকুমার সেনের মতে- ৫১ টি
এর মধ্যে পাওয়া গেছে- ৪৬ টি, মতান্তরে- সাড়ে ৪৬ টি
চর্যাপদের মোট রচয়িতা/ লেখক:
ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে ২৩ জন।
সুকুমার সেনের মতে ২৪ জন।
চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িতা:
ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে শবরপা।
অধিকাংশের মতে লুইপা। (পরীক্ষায় আসলে এটিই হবে)
লুইপা বাংলা সাহিত্যের আদি বা প্রাচীন কবি।
চর্যাপদের সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেন কাহ্নপা। তিনি মোট পদ রচনা করেন ১৩ টি। তাই তিনিই চর্যাপদের রচয়িতা।
চর্যাপদের বাঙালি রচয়িতা- শবরপা ( তিনি চর্যাকর ছিলেন)।
চর্যাপদের কবি রাম পদ রচনা করতেন বলে তাদের নামের সাথে পা যুক্ত হয়েছে। (পদ >পা)
পাল রাজবংশের আমলে চর্যাপদ রচনা শুরু হয়।
চর্যাপদের বয়স:
ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে (২০২০-৬৫০) বছর = ১৩৭০ বছর।( প্রায়)
ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়সহ অধিকাংশের মতে (২০২০-৯৫০) বছর = ১০৭০ বছর। (প্রায়)
চর্যাপদের পদকর্তা ও পদসংখ্যা:
চার্জার কবিগণ সিদ্ধাচার্য নামে পরিচিত। সাধারণত বজ্রযানী ও সহজযানী আচার্যগণই এই নামে অভিহিত হতেন। তিব্বতীয় ভারতীয় কিংবদন্তিতে এরাই চৌরাশি সিদ্ধা নামে পরিচিত।
চর্যাপদের পদসংখ্যা:
ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে ৫০ টি।
সুকুমার সেনের মতে ৫১ টি।
চর্যাপদ এর পদ সংখ্যা নিয়ে মতভেদ আছে। গ্রন্থের কয়টি পাতা নষ্ট হয়ে যাওয়াতে পদ সংখ্যা পাওয়া গেছে সাড়ে ৪৬ টি। ভুসুকুপার ২৩ নং পদের ১০ লাইনের মধ্যে প্রথম ৬ লাইন পাওয়া গেছে এবং কাহ্নপার ২৪ নং, তন্ত্রী পার ২৫ নং, কুক্কুরীপার ৪৮ নং পদ পাওয়া যায়নি।
পদকর্তা:
ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে ২৩ জন।
সুকুমার সেনের মতে ২৪ জন।
পদকর্তা
পদের সংখ্যা
কাহ্ন পা
১৩
ভুসুকু পা
৮
কুক্কুরী পা
৪
সরই পা
৩
লুই পা
২
শবর পা
২
শান্তি পা
২
আর্যদেব, কম্বোলম্বর, চাটিল পা, তন্ত্রী, দারিক, বীণা পা, মহীধর পা, বিরুবা পা, ডোম্বী পা, কঙ্কন, গুণ্ডরী, জয়নন্দী, তারক, ধাম পা, ভদ্র পা, ঢেণঢণ পা
প্রত্যেকে ১টি করে।
লাড়ীডোম্বাপা ১টি পদের উল্লেখ আছে, তবে পদ টি নেই।
চর্যাপদের পঙক্তি:
'আলি এঁ কালি এঁ বাট রুন্ধেলা।
তা দেখি কাহ্ন বিমনা ভইলা'। -( রচয়িতা-কাহ্নপা)
'টালত মোর ঘর নাহি পড়বেশী,
হারিত ভাত নাহি নিতি আবেশী'।-(রচয়িতা-ঢেগুণপা)
'আপনা মাংসে হরিণা বৈরী'। (রচয়িতা-ভুসুকুপা)
'চঞ্চল চীএ পৈঠা কাল।'(রচয়িতা- লুইপা)
'কমল মধু পিবিবি থাকেন ভামেরা'(রচয়িতা-মাননাথ)
চর্যাপদ এর ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দের অর্থ
কাআ- শরীর
চিখিল- কাদা
ধাম- নিবাস
দুলি-কচ্ছপ
বৈরী-শত্রু
বাণ-বর্ণ
বহুড়ী-বধূ
করিণা-হস্তী, হাতি
অহেরি- কিশোরী
বারুনী-মদ
কসণ-কালো
বিহণি-সকাল
নাবি-নৌকা
পসরা-সওদা
শাখি- সাক্ষী
শুন্ডিনী- মদ প্রস্তুতকারীনী
ছিনালী- ভ্রষ্টা নারী