InfoPrism

InfoPrism Your daily destination for curated insights on Bangladesh's current affairs, global politics, and macroeconomic trends.

*রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা এবং খাতভিত্তিক বরাদ্দ*রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (EPB) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য সর্বমোট ৬৬ বিলিয়ন ডলারের...
13/07/2026

*রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা এবং খাতভিত্তিক বরাদ্দ*
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (EPB) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য সর্বমোট ৬৬ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা প্রস্তাব করেছে। এর মধ্যে পণ্য খাত থেকে ৫৭ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা খাত থেকে ৯ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রধান প্রধান খাতের লক্ষ্যমাত্রা:

১. তৈরি পোশাক (RMG): ৪৫.৮ বিলিয়ন ডলার (এর মধ্যে নিটওয়্যার ২৪.১১ বিলিয়ন এবং ওভেন ২১.৬৯ বিলিয়ন)।
২. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য: ১.৪৪ বিলিয়ন ডলার।
৩. কৃষিজাত পণ্য: ১.১৭ বিলিয়ন ডলার।
৪. পাট ও পাটজাত পণ্য: ১.০১৭ বিলিয়ন ডলার।
৫. সেবা খাত: ৯ বিলিয়ন ডলার (যার মধ্যে পরিবহন খাত ১.৬৫ বিলিয়ন ও আইটি খাত ৮৫৫ মিলিয়ন ডলার)।

চ্যালেঞ্জসমূহঃ

বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ বেশ কিছু প্রতিকূলতার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে:
১. রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের (ইসরায়েল-ইরান) ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা।
২. বিশ্বব্যাপী উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং আমদানি করা কাঁচামালের অতিরিক্ত মূল্য।
৩. স্বল্পোন্নত দেশ (LDC) থেকে উত্তরণের ফলে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা (জিএসপি) কমে যাওয়ার আশঙ্কা।

ব্যবসায়ী ও অংশীজনদের সুপারিশমালাঃ

লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যবসায়ী নেতারা সরকারের কাছে নির্দিষ্ট কিছু নীতিগত সহায়তার দাবি জানিয়েছেন:
১. লজিস্টিকস খরচ কমানো এবং জাতীয় একক উইন্ডো (National Single Window)-র মতো স্বয়ংক্রিয় কাস্টমস ব্যবস্থার দ্রুত বাস্তবায়ন।
২. আসবাবপত্র, প্লাস্টিক ও চামড়া খাতের মতো শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক যৌক্তিকীকরণ ও সময়মতো নগদ প্রণোদনা ছাড়।
৩. এলডিসি উত্তর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো বড় বাজারগুলোর সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (CEPA/EPA) সম্পাদনের প্রক্রিয়া তরান্বিত করা।

বর্তমান অবস্থা: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রস্তাবটি দ্রুত পর্যালোচনা করছে এবং চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা চূড়ান্ত করার পর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।
[source: The Financial express]

বৈশ্বিক সবুজ অর্থনীতির বাজারমূল্য ১০ ট্রিলিয়ন ডলার১. মূল খবরবৈশ্বিক সবুজ অর্থনীতির বাজারমূল্য প্রথমবারের মতো ১০ ট্রিলিয...
25/06/2026

বৈশ্বিক সবুজ অর্থনীতির বাজারমূল্য ১০ ট্রিলিয়ন ডলার
১. মূল খবর
বৈশ্বিক সবুজ অর্থনীতির বাজারমূল্য প্রথমবারের মতো ১০ ট্রিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে।
প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে London Stock Exchange Group (LSEG)।
২০২৫ সালে সবুজ অর্থনীতিভিত্তিক কোম্পানির আয় ৫.৩% বৃদ্ধি পেয়েছে।
২. সবুজ অর্থনীতি (Green Economy) কী?
পরিবেশবান্ধব অর্থনৈতিক কার্যক্রম।
কার্বন নিঃসরণ কমানো।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি।
টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
৩. কোন খাতগুলো এর অন্তর্ভুক্ত?
☀️ সৌরবিদ্যুৎ
🌬️ বায়ুবিদ্যুৎ
💧 বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ
⚡ জ্বালানি দক্ষতা (Energy Efficiency)
♻️ পরিবেশগত সমাধান ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
৪. LSEG-এর মানদণ্ড
কোনো প্রতিষ্ঠানের মোট আয়ের কমপক্ষে ২০% পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম থেকে এলে সেটিকে Green Economy Company ধরা হয়।
৫. গবেষণার পরিধি
বিশ্বের ২১,০০০ কোম্পানির তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
সবুজ অর্থনীতিকে আলাদা শিল্পখাত ধরা হলে এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম শিল্পখাত হতে পারে।
৬. কেন বাজার এত দ্রুত বাড়ছে?
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা।
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
জীবাশ্ম জ্বালানির দামের অস্থিরতা।
সরকারি নীতি ও প্রণোদনা।
বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদি মুনাফার প্রত্যাশা।
৭. বিনিয়োগকারীদের বার্তা
বিপুল মূলধন নবায়নযোগ্য ও লো-কার্বন খাতে যাচ্ছে।
বিনিয়োগকারীরা ভবিষ্যৎ লাভের সম্ভাবনা দেখছেন।
সবুজ প্রযুক্তি এখন শুধু পরিবেশ নয়, ব্যবসারও বড় সুযোগ।
৮. বড় প্রযুক্তি কোম্পানির ভূমিকা
২০২৫ সালে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ক্রয়চুক্তির প্রায় অর্ধেক এসেছে:
Meta
Amazon
Google
Microsoft
৯. প্রধান চ্যালেঞ্জ
AI ও ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি।
কিছু কোম্পানি এখনো নবায়নযোগ্য জ্বালানির পাশাপাশি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে।
নীতিগত অনিশ্চয়তা।
১০. বাংলাদেশের জন্য শিক্ষা
Economic Zone-এ সোলার পাওয়ার বাড়ানো।
Green Industrial Park গড়ে তোলা।
পানি পুনঃব্যবহার (Water Recycling)।
Energy Efficient Infrastructure।
ESG মানদণ্ড বাস্তবায়ন।
বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে Green Branding।
উপসংহার:
সবুজ অর্থনীতির ১০ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজারমূল্য প্রমাণ করে যে ভবিষ্যতের অর্থনীতি হবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কম কার্বন এবং টেকসই প্রযুক্তিনির্ভর।

বাংলাদেশের অর্থনীতি – বর্তমান সংকট
17/06/2026

বাংলাদেশের অর্থনীতি – বর্তমান সংকট






হর্ন অব আফ্রিকা: বিশ্ব ভূ-রাজনীতির এক তপ্ত চুল্লিমানচিত্রের দিকে তাকালে আফ্রিকার পূর্ব প্রান্তে গণ্ডারের শিংয়ের মতো আকৃত...
02/06/2026

হর্ন অব আফ্রিকা: বিশ্ব ভূ-রাজনীতির এক তপ্ত চুল্লি
মানচিত্রের দিকে তাকালে আফ্রিকার পূর্ব প্রান্তে গণ্ডারের শিংয়ের মতো আকৃতির একটি অঞ্চল দেখা যায়? ভৌগোলিক এই বৈশিষ্ট্যের কারণেই একে বলা হয় 'হর্ন অব আফ্রিকা' (Horn of Africa) । আপাতদৃষ্টিতে এই অঞ্চলটিকে কেবল খরা আর গৃহযুদ্ধের চারণভূমি মনে হলেও, বর্তমান বিশ্ব ভূ-রাজনীতিতে এর গুরুত্ব অপরিসীম। পরাশক্তিদের নজর এখন এই শিংয়ের ওপর!
📍 হর্ন অব আফ্রিকার 'মূল চার' (Core Four) দেশ:
১. সোমালিয়া (Somalia): আফ্রিকার দীর্ঘতম উপকূলরেখা এবং কুখ্যাত জলদস্যুদের জন্য পরিচিত।
২. ইথিওপিয়া (Ethiopia): এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় ও জনবহুল দেশ, তবে এটি সম্পূর্ণ ল্যান্ডলকড (স্থলবেষ্টিত)।
৩. জিবুতি (Djibouti): আয়তনে ছোট হলেও সামরিক ও কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত প্রভাবশালী।
৪. ইরিত্রিয়া (Eritrea): লোহিত সাগরের উপকূলে অবস্থিত এক রহস্যময় ও কঠোরভাবে শাসিত রাষ্ট্র।
বিষয় সোমালিয়া ইথিওপিয়া ইরিত্রিয়া জিবুতি
ধর্ম প্রায় পুরোপুরি মুসলিম খ্রিস্টান+মুসলিম খ্রিস্টান+মুসলিম মুসলিম
জনসংখ্যা ~২ কোটি ~১৩ কোটি ~৪০ লাখ ~১০ লাখ
প্রধান গোষ্ঠী Somali Oromo Tigrinya Issa Somali
অর্থনীতি দুর্বল সবচেয়ে বড় সীমিত বন্দরনির্ভর
শিক্ষা কম তুলনামূলক ভালো মাঝারি মাঝারি

⚓ লোহিত সাগর ও 'বাব-এল-মান্দেব': কেন এই অঞ্চল এত গুরুত্বপূর্ণ?
হর্ন অব আফ্রিকার ঠিক পাশেই রয়েছে বাব-এল-মান্দেব প্রণালী। এটি লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগর ও ভারত মহাসাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
• অর্থনৈতিক লাইফলাইন: বিশ্ব বাণিজ্যের প্রায় ১২% থেকে ১৫% এবং বৈশ্বিক তেল সরবরাহের একটি বিশাল অংশ এই সরু প্রণালীটি দিয়ে যাতায়াত করে। সুয়েজ খাল দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার এটাই একমাত্র পথ।
• চোক পয়েন্ট (Choke Point): সামরিক ভাষায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ চোক পয়েন্ট। অর্থাৎ, কোনো শক্তি যদি এই প্রণালীটি বন্ধ করে দিতে পারে, তবে পুরো বিশ্ব বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়বে (যেমনটা সাম্প্রতিক সময়ে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের আক্রমণের কারণে আমরা দেখতে পাচ্ছি) ।
⚔️ পরাশক্তিদের দ্বন্দ্ব ও জিবুতির 'সামরিক আড্ডাখানা'
লোহিত সাগরের এই নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার জন্য বিশ্বের পরাশক্তিগুলো হর্ন অব আফ্রিকায়, বিশেষ করে জিবুতিতে তাদের সামরিক ঘাঁটি গেড়েছে। জিবুতিকে বলা যায় বিশ্ব রাজনীতির এক অদ্ভুত মিলনমেলা:
• যুক্তরাষ্ট্র: আফ্রিকায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর একমাত্র স্থায়ী ঘাঁটি 'ক্যাম্প লেমোনিয়ার' (Camp Lemonnier) এই জিবুতিতেই অবস্থিত।
• চীন: ২০১৭ সালে চীন তাদের ইতিহাসের প্রথম ওভারসিজ (দেশের বাইরে) সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করে জিবুতিতে, যা মার্কিন ঘাঁটির খুব কাছেই অবস্থিত।
• অন্যান্য পরাশক্তি: ফ্রান্স, জাপান, ইতালি এবং সৌদি আরবেরও সামরিক ঘাঁটি রয়েছে এখানে। রাশিয়া এবং ইউএই (UAE) এই অঞ্চলে তাদের প্রভাব বিস্তারের জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে।
⚠️ বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক সংকট ও ফ্ল্যাশপয়েন্ট
১. ইথিওপিয়া ও সোমালিয়ার দ্বন্দ্ব (২০২৪-২০২৬): স্থলবেষ্টিত দেশ ইথিওপিয়া সমুদ্রে পৌঁছানোর জন্য সোমালিয়ার বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চল 'সোমালিল্যান্ড'-এর সাথে একটি চুক্তি করেছে। এর বিনিময়ে ইথিওপিয়া সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেবে। সোমালিয়া একে তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হিসেবে দেখছে, যা পুরো অঞ্চলে নতুন করে যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি করেছে।
২. রেনেসাঁ ড্যাম (GERD) বিতর্ক: নীল নদের ওপর ইথিওপিয়ার বিশাল বাঁধ নির্মাণ নিয়ে মিসর ও সুদানের সাথে তাদের তীব্র কূটনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা চলছে।
৩. ভূ-অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা: চীনের 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ' (BRI) এবং মার্কিন কাউন্টার-স্ট্র্যাটেজির মূল যুদ্ধক্ষেত্র এখন এই অঞ্চল।
জিবুতি, ইরিত্রিয়া, ইয়েমেনের গুরুত্ব কী?
১. সামরিক গুরুত্ব
যে দেশ বা শক্তি প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে, তার কৌশলগত গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়।
উদাহরণ:
• Djibouti-তে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ফ্রান্স, জাপানসহ বিভিন্ন দেশের সামরিক ঘাঁটি আছে।
• কারণ সবাই এই সমুদ্রপথ নিরাপদ রাখতে চায়।
২. বন্দর আয়
জাহাজ ট্যাক্স না দিলেও:
• জ্বালানি নেয়;
• মালামাল খালাস করে,
• মেরামত করে,
• ক্রু পরিবর্তন করে।
এসব থেকে বন্দরগুলো প্রচুর আয় করে।
৩. ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব
ধরুন কোনো যুদ্ধ বা সংকট হলো।
তখন যে দেশ উপকূল নিয়ন্ত্রণ করে, সে:
• নজরদারি করতে পারে,
• সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে পারে,
• বাণিজ্যিক রুটকে প্রভাবিত করতে পারে।
এ কারণেই ছোট দেশ জিবুতির আন্তর্জাতিক গুরুত্ব তার আকারের তুলনায় অনেক বেশি
#ভূরাজনীতি #আন্তর্জাতিকবিষয়াবলি #বিসিএসপ্রস্তুতি #সাধারণজ্ঞান #তথ্যপ্রিজম

গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা
23/05/2026

গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা

বাংলাদেশের চামড়া শিল্পের সমস্যা ও সমাধান।
23/05/2026

বাংলাদেশের চামড়া শিল্পের সমস্যা ও সমাধান।

Address

Mohammadpur
Dhaka-1207

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when InfoPrism posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category