03/09/2021
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার তারিখ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:১৬
আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৫৫
আরটিভি নিউজ
করোনামহামারির কারণে দীর্ঘদিন যাবত বন্ধ রয়েছে সারাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ নিয়ে বেশ কয়েকদফা তারিখ জানানো হলেও শেষ পর্যন্ত বন্ধই রাখা হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
গত ১৮ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দ্রুত খুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেয়ার পর শুরু হয় তোড়জোড়।
কবে নাগাদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে সেই জল্পনা এবার শেষ হতে চলেছে। কারণ শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি আবারও প্রতিষ্ঠান খোলার সম্ভাব্য তারিখ জানালেন।
তিনি বলেছেন ১২ সেপ্টেম্বর থেকে খুলবে সারাদেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এছাড়া নভেম্বরে এসএসসি ও ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে এইচএসসি পরীক্ষা।
শুক্রবার ( ৩ সেপ্টেম্বর) সকালে চাঁদপুর সরকারি মহামায়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধনে তিনি এ কথা জানান।
গত বছরের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ দেখা দেয়ার পর ১৭ মার্চ থেকে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষণা করা হয়। এ পর্যন্ত গত ১৭ মাসে দফায় দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি বাড়ানো হয়। করোনা সংক্রমণ অব্যাহত থাকায় সবশেষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান সাধারণ ছুটি আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়।
09/05/2021
কবে, কোথায় প্রথম শুরু হয়েছিল মা দিবসের প্রচলন?
আমাদের সবার জীবনের একমাত্র ভরসার জায়গা হলো মা। আর মায়ের সম্মানে একটি বিশেষ দিন পালন করা হয়, তাই হলো মা দিবস। রাত পোহালেই আসবে সেই বিশেষ দিন মাদার্স ডে। এই দিনটিতে মায়ের জন্য বিশেষ কিছু করেন সন্তান, তাকে ধন্যবাদ জানান, ভালোবেসে জড়িয়ে ধরেন। কিন্তু দিনটির গুরুত্ব আসলে কী? কেন পালন করা হয় মা দিবস। চলুন জেনে নেওয়া যাক।
প্রথম দিকে ওই বিশেষ দিনটিতে শুধুমাত্র মায়েদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হতো। তবে পরবর্তীতে মাতৃসম যেকোনো নারীকে কুর্নিশ জানানোর চল দেখা যায়। বর্তমানে ৪০টিরও বেশি দেশ ওই উৎসব পালন করে থাকে। মে মাসের দ্বিতীয় রবিবারই আন্তর্জাতিক মাতৃ দিবস উদযাপন হিসেবে করা হয়ে থাকে। তবে অনেক দেশই অন্যদিনকে উৎসর্গ করেছে মায়েদের জন্য। সাধারণত মার্চ কিংবা মে-তেই পালিত হয় 'মাদার্স ডে'।
১৯০৭ সালের ১২ মে প্রথমবার ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার গ্রাফটন শহরে 'মাদার্স ডে' পালিত হয়েছিল। অ্যানা জার্ভিস নামের এক মার্কিন নারী তার মা অ্যান মারিয়া রিভস জার্ভিসের মৃত্যুদিনটি একটু অন্যভাবে পালন করার কথা ভেবেছিলেন। অ্যান সমাজকর্মী ছিলেন। তিনি নারীদের জন্য কাজ শুরু করেন। ছোট ছোট ওয়ার্ক ক্লাব বানিয়ে সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য কাজ করতেন তিনি।
একদিন ছোট মেয়েটির সামনেই ধর্মপ্রাণ অ্যান হাত জোড় করে বলেছিলেন, 'আমি আশা করি, প্রার্থনা করি, একদিন কেউ না কেউ, কোনো মায়েদের জন্য একটা দিন উৎসর্গ করুক। কারণ তারা প্রতিদিন মনুষ্যত্বের জন্য নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে চলেছেন। এটা তাদের অধিকার'। মায়ের প্রতিটি শব্দ মনে রেখেছিলেন অ্যানা। আর সেই কারণেই অ্যানের মৃত্যুর দিনটিকে (মে এর প্রথম রোববার, ১৯০৭) সারাবিশ্বের প্রতিটি মায়ের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেন তিনি। তারপর থেকে মায়েদের প্রতি সম্মানে পালিত হয়ে আসছে মা দিবস।
27/02/2021
আগামী ৩০ মার্চ থেকে স্কুল-কলেজ খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।স্কুল-কলেজে কোন শ্রেণির কতদিন ক্লাস
| ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
আগামী ৩০ মার্চ থেকে স্কুল-কলেজ খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পর্যায়ক্রমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খোলা হবে। শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত স্কুল-কলেজ খোলার জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে এসব তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এসময় কোন শ্রেণির ক্লাস সপ্তাহে কয়দিন হবে তাও জানান শিক্ষামন্ত্রী
মন্ত্রী জানান, পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে ৫ দিনের প্রতিদিন ক্লাস হবে। ১ম থেকে চতুর্থ সপ্তাহে ১দিন করে ক্লাস হবে। প্রাক প্রাথমিককে এখন স্কুলে আনা হবে না, তাদের কবে আনা হবে তা পরে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস হবে সপ্তাহে ৬ দিন। নবম ও একাদশ শ্রেণির ক্লাসও অন্যান্য শ্রেণির চেয়ে বেশি হবে। প্রথমে সপ্তাহে ২ দিন করে। কেননা তাদের সামনে পরীক্ষার বিষয় থাকবে। আর ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণি সপ্তাহে ১দিন করে ক্লাস হবে। পরে এই ক্লাসের সংখ্যা বাড়বে। টিকার কারণে সংক্রমন একদম কমে এলে ২ সপ্তাহ পরেই আমরা স্বাভাবিক কার্যক্রমে চলে যাব। আর যদি সংক্রমন না কমে তাহলে যতদিন ঝুঁকি থাকবে তা বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
তিনি বলেন, ৩০ মার্চ থেকে ৫ম, ১০ম ও ১২শ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস প্রতিদিন হবে। আর অন্যন্য শ্রেণির ক্লাস প্রথমে সপ্তাহে একদিন হবে। পরে তা দুই দিন হবে। ৬০ কর্মদিবস ক্লাস হওয়ার পরেই এসএসসি পরীক্ষার অনুষ্ঠিত হবে। ৬০ দিন ক্লাসের পর শিক্ষার্থীরা ২ সপ্তাহ সময় পাবেন প্রস্তুতির জন্য।
মন্ত্রী আরও বলেন, রোজায়ও ক্লাস থাকবে। শুধু ঈদের সময় বন্ধ থাকবে। রোজায় ছুটি থাকবে না। আমরা ছোটবেলায় দেখেছি রোজায় ছুটি থাকতো না। আমাদের শিশু কিশোররাও বাসায় বসে থেকে হাপিয়ে উঠেছে। মনে করছি তারা আপত্তি করবে না।
মন্ত্রী জানান, ৩০ মার্চ থেকে ৫ম, ১০ম ও ১২শ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস প্রতিদিন হবে। আর অন্যন্য শ্রেণির ক্লাস প্রথমে সপ্তাহে একদিন হবে। পরে তা দুই দিন হবে। আর পর্যায়ক্রমে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হবে। আর প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির ক্লাস শুরু হলেও প্রাক প্রাথমিক শ্রেণির ক্লাস শুরু হচ্ছে না।
তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খোলার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। আমরা ৩০ মার্চের মধ্যে শিক্ষক কর্মচারীদের টিকার আওতায় নিয়ে আসবো।
মন্ত্রী আরও বলেন, ১০ম ও ১২শ শ্রেণির ক্লাস সপ্তাহে ছয় দিন হবে। বাকি শ্রেণির ক্লাস প্রথমে সপ্তাহে একদিন হবে। পরে সপ্তাহে দুই দিন হবে। পর্যায়ক্রমে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হবে।
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা যখনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলি এরপর ৬০ কর্মদিবস ক্লাস হয়েই এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির সভাপতিত্বে এ সভায়, স্বারষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ ছাড়াও মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং দুই মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব, পুলিশের আইজিসহ সংশ্লিষ্টরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে প্রায় একবছর ধরে বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আগামী ২৪ মে খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও স্কুল-কলেজের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। ২৮ ফেব্রুয়ারি স্কুল-কলেজের ছুটি শেষ হওয়ার কথা।
তবে মহামারির প্রকোপ কমে যাওয়ায় কবে থেকে স্কুল-কলেজ খুলবে তা পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকার প্রধানের সেই নির্দেশে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ডেকেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। দেশে গত ৮ বছরের মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর গত ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।
করোনা মহামারির কারণে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী, অষ্টমের সমাপনী ছাড়াও এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হয়। জেএসসি ও এসএসসির ফলের ভিত্তিতে এইচএসসির ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত হলেও প্রাথমিকের অন্যান্য শ্রেণিগুলোয় পরীক্ষা ছাড়া পরবর্তী ক্লাসে তুলে দেওয়া হচ্ছে। আর মাধ্যমিকের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে মূল্যায়ন করা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
অন্যদিকে, উচ্চশিক্ষা স্তরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনার্স ও মাস্টার্সের চূড়ান্ত পরীক্ষা নিতে অনুমতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন-ইউজিসি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ঈদের পর ২৪ মে খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
ফেব্রুয়ারি মাসে করোনার প্রকোপ দেখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে কিনা তার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে আগেই জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। গত ২২ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভা বৈঠকে স্কুল-কলেজ খুলতে পর্যালোচনা করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
ইতোমধ্যে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্যও ৯ মাসে শেষ করার মত সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
27/02/2021
রমজানেও খোলা থাকবে স্কুল-কলেজ
| ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
আগামী ৩০ মার্চ থেকে স্কুল-কলেজ খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পর্যায়ক্রমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খোলা হবে। আর পুরো রোজা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে না। শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত স্কুল-কলেজ খোলার জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে এসব তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, রোজায়ও ক্লাস থাকবে। শুধু ঈদের সময় বন্ধ থাকবে। রোজায় ছুটি থাকবে না। আমরা ছোটবেলায় দেখেছি রোজায় ছুটি থাকতো না। আমাদের শিশু কিশোররাও বাসায় বসে থেকে হাপিয়ে উঠেছে। মনে করছি তারা আপত্তি করবে না।
মন্ত্রী জানান, ৩০ মার্চ থেকে ৫ম, ১০ম ও ১২শ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস প্রতিদিন হবে। আর অন্যন্য শ্রেণির ক্লাস প্রথমে সপ্তাহে একদিন হবে। পরে তা দুই দিন হবে। আর পর্যায়ক্রমে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হবে। আর প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির ক্লাস শুরু হলেও প্রাক প্রাথমিক শ্রেণির ক্লাস শুরু হচ্ছে না।
তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খোলার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। আমরা ৩০ মার্চের মধ্যে শিক্ষক কর্মচারীদের টিকার আওতায় নিয়ে আসবো।
মন্ত্রী আরও বলেন, ১০ম ও ১২শ শ্রেণির ক্লাস সপ্তাহে ছয় দিন হবে। বাকি শ্রেণির ক্লাস প্রথমে সপ্তাহে একদিন হবে। পরে সপ্তাহে দুই দিন হবে। পর্যায়ক্রমে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হবে।
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা যখনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলি এরপর ৬০ কর্মদিবস ক্লাস হয়েই এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির সভাপতিত্বে এ সভায়, স্বারষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ ছাড়াও মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং দুই মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব, পুলিশের আইজিসহ সংশ্লিষ্টরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে প্রায় একবছর ধরে বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আগামী ২৪ মে খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও স্কুল-কলেজের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। ২৮ ফেব্রুয়ারি স্কুল-কলেজের ছুটি শেষ হওয়ার কথা।
তবে মহামারির প্রকোপ কমে যাওয়ায় কবে থেকে স্কুল-কলেজ খুলবে তা পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকার প্রধানের সেই নির্দেশে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ডেকেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। দেশে গত ৮ বছরের মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর গত ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।
করোনা মহামারির কারণে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী, অষ্টমের সমাপনী ছাড়াও এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হয়। জেএসসি ও এসএসসির ফলের ভিত্তিতে এইচএসসির ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত হলেও প্রাথমিকের অন্যান্য শ্রেণিগুলোয় পরীক্ষা ছাড়া পরবর্তী ক্লাসে তুলে দেওয়া হচ্ছে। আর মাধ্যমিকের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে মূল্যায়ন করা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
অন্যদিকে, উচ্চশিক্ষা স্তরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনার্স ও মাস্টার্সের চূড়ান্ত পরীক্ষা নিতে অনুমতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন-ইউজিসি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ঈদের পর ২৪ মে খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
ফেব্রুয়ারি মাসে করোনার প্রকোপ দেখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে কিনা তার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে আগেই জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। গত ২২ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভা বৈঠকে স্কুল-কলেজ খুলতে পর্যালোচনা করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
ইতোমধ্যে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্যও ৯ মাসে শেষ করার মত সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
08/02/2021
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আমাদের দেশের অনেক শিক্ষার্থীরই পছন্দের গন্তব্য অস্ট্রেলিয়া। প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চমানের ডিগ্রির জন্য পড়ালেখা করতে আসেন। তবে উচ্চশিক্ষার জন্য জনপ্রিয় দেশ অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা ও বসবাস বেশ ব্যয়সাপেক্ষ বটে। তাই মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য দেশটিতে বৃত্তির এমন সুযোগও রয়েছে, যাতে পড়াশোনা বিনা মূল্যে করা তো যায়ই, সঙ্গে সরকার মাসে মাসে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকাও দেয়। তেমনই একটি বৃত্তি ‘অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস’। ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের জন্য এরই মধ্যে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে গেছে। সরকারি এই বৃত্তির জন্য স্নাতক পাস করা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।
অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস স্কলারশিপ কী
অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল সরকারে পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পরিচালিত সরকারি বৃত্তি এই অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস। দেশটির সরকারি বৃত্তিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সম্মানজনক বৃত্তি ধরা হয় এটিকে। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের নিজ দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে পরিবর্তন আনতে দক্ষতা ও জ্ঞান অর্জনের সুবিধার জন্য অস্ট্রেলিয়ার সরকার এই বৃত্তি দেয়। তবে অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস কেবল মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ের জন্য। ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের জন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদেরও আবেদনের আমন্ত্রণ জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস কর্তৃপক্ষ। এবারের বাংলাদেশি আবেদনকারীদের মধ্যে তাঁদের প্রাধান্য দেওয়া হবে, যাঁরা স্নাতকোত্তর পর্যায়ে একটি দেশের উন্নয়নমূলক বিষয়ে পড়াশোনা করতে ইচ্ছুক। এর মধ্যে স্বাস্থ্য সুরক্ষা, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও প্রশাসনিক বিষয় অন্যতম।
অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডসের সুবিধা
যোগ্যতা ও শর্ত সাপেক্ষে অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডসে বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া হয়। এর মধ্যে সম্পূর্ণ বা আংশিক টিউশন ফি মওকুফ, থাকা-খাওয়া ও চলাচলের খরচ, ফিরতি বিমানভাড়া, এমনকি পড়াশোনা চলার সময়ের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থও অন্তর্ভুক্ত। এ ছাড়া নারী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন লোকজনের জন্য রয়েছে অগ্রাধিকার ও বিশেষ সুবিধা।
আবেদনের যোগ্যতা ও সময়সীমা
২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের জন্য অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস বৃত্তিতে শুধু স্নাতকোত্তর পর্যায়ের জন্য আবেদন করা যাবে। এর আওতায় ২০২২ সালের স্নাতকোত্তর ডিগ্রিতে তালিকাভুক্ত হতে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। ইংরেজি ভাষা দক্ষতার প্রমাণস্বরূপ থাকতে হবে আইইএলটিএসে ন্যূনতম ৬.৫ বা পিটিই ন্যূনতম ৫৮।
আবেদনের প্রক্রিয়া
অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস স্কলারশিপ প্রদানকারী সংস্থার ওয়েবসাইটে স্কলারশিপের বিস্তারিত তথ্য ও শর্তাবলি উল্লেখ করা আছে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা ওয়েবসাইটও আছে। ওয়েবসাইটগুলোতে আবেদনপত্র সংগ্রহ করার আগেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়ে আবেদনকারীর প্রাথমিক যোগ্যতা যাচাই করে নেওয়া হবে। আবেদনকারী প্রাথমিকভাবে যোগ্য হলে তবেই বৃত্তির আবেদনপত্র ও আনুষঙ্গিক কাগজপত্রের নমুনা সংগ্রহ করা যাবে। বিস্তারিত পাওয়া যাবে এই ওয়েব ঠিকানায়।
স্টুডেন্ট ভিসায় আবেদন ও মনোনয়ন
লক্ষ রাখতে হবে, বৃত্তির জন্য আবেদন ও প্রাপ্তি এবং স্টুডেন্ট ভিসা—দুটোর আলাদা সম্পর্ক রয়েছে। বৃত্তি পেলেই স্টুডেন্ট ভিসা নিশ্চিত হয়ে যায় না। এ জন্য সব নথিসহ আলাদা স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। অভিবাসন বিভাগ আবেদনকারীকে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানের যোগ্য মনে করলে তবেই স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়া যাবে।
লেখক: অভিবাসন আইনজীবী , সিডনি, অস্ট্রেলিয়া
04/02/2021
৮০ শতাংশ প্রধান শিক্ষক পদ থেকে ‘এটিও’ হওয়ার সুযোগ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক থেকে পরবর্তী পদে পদোন্নতির বদ্ধ দ্বার যেন খুলছে। ১৯৯৪ সালে পদোন্নতির .....
24/01/2021
HSC results by Jan 28
The results of last year's HSC and equivalent examinations are expected to be published by January 28, said Cabinet Secretary Khandker Anwarul Islam.
Briefing reporters after the weekly cabinet meeting yesterday, he said the cabinet gave the nod to amend related laws in parliament during its upcoming session to enable publication of the results.
The meeting, chaired by Prime Minister Sheikh Hasina virtually from the Gono Bhaban, discussed several agendas, including approval for amending the Intermediate and Secondary Education Ordinance-1961, Bangladesh Vocational Education Board Act-2018 and Madrasa Education Board Act-2020.
Anwarul said the agendas were produced for the meeting to publish the exam results through issuing an ordinance by the end of this week.
"They have already prepared the results. But the existing act -- Intermediate and Secondary Education Ordinance-1961 -- stipulates that holding exams is mandatory for publication of results."
The meeting was informed that the Jatiya Sangsad was going into a session six days later, Anwarul said. "That's why the cabinet decided to place the matter before parliament."
The 11th session of 11th parliament is scheduled to begin on January 18.
The amendment bill would be placed in the House on the first day of its next session, the cabinet secretary said.
Speaking to journalists after the cabinet meeting, Education Minister Dipu Moni said the draft of the amendment bill would be placed in the House at its winter session.
"Once the amendment is signed into a law [by the president], the government will be able to publish results without holding examinations during any disaster," she said.
The government in October last year decided to cancel the HSC and its equivalent examinations due to health safety concerns amid the pandemic.
Instead, candidates would be evaluated based on their results in Junior School Certificate, Secondary School Certificate and their equivalent examinations.
About 13.65 lakh students were expected to take the Higher Secondary Certificate (HSC) exams last year.
The results will be published after coordinating 75 percent from the SSC and 25 percent from the JSC-JDC results.
Yesterday, the cabinet also approved the draft of the Civil Courts (Amendment) Bill-2021 to raise the higher threshold of the pecuniary jurisdiction of lower court judges to dispose of the civil cases.
The cabinet secretary said the bill proposes increasing the financial jurisdiction to Tk 15 lakh from Tk 2 lakh for an assistant judge, and that of a senior assistant judge to Tk 25 lakh from Tk 4 lakh for holding trials of civil suits.
The bill also seeks to hike the higher threshold of the pecuniary jurisdiction of a district judge to Tk 5 crore from Tk 5 lakh for hearing appeals of civil suits, he added.
If the proposed law is passed by parliament, an assistant judge would be able to try civil cases having an asset value of maximum Tk 15 lakh each, while a senior assistant judge would hold trials of civil suits having a maximum asset value of Tk 25 lakh each.
Besides, a provision was incorporated in the proposed law to transfer appeals, which are pending with the High Court against the decree or order issued by joint district judges in civil suits involving a maximum asset value of Tk 5 crore, to district judge courts.
The cabinet also approved a bill in principle to set up Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman Science and Technology University in Pirojpur.
It ratified the Preferential Trade Agreement, signed between Bangladesh and Bhutan on December 6 last year, to boost bilateral trade between the two countries.
The cabinet cancelled its previous decision made on July 29, 2013, over increasing the number of trawlers in the exclusive economic zone in the Bay of Bengal.
24/01/2021
ফেব্রুয়ারিতে খুলছে স্কুল-কলেজ, স্বাস্থ্যবিধি মেনে আংশিক ক্লাস
ফেব্রুয়ারি থেকে খুলে দেয়া হবে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে শুরুতে সকল প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হলেও স্বাস্থ্যবি...
24/01/2021
সর্বশেষ খবর:- অবশেষে ফেব্রুয়ারিতে খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
দীর্ঘদিন করোনার কারণে বন্ধ থাকার পর আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে সীমিত পরিসরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে ফেব্রুয়ারির কত তারিখ থেকে খোলা হবে, সেটা জানা যায়নি।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে অনলাইনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীসহ দুই মন্ত্রণালয়ের তিনজন সচিবসহ বিভিন্ন দফতরের মহাপরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।
তবে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ক্ষেত্রে পরীক্ষা আছে এমন ক্লাসগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগে রিকভারি প্ল্যান (ক্ষতি পোষাতে) করা হবে। সেজন্য সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে দুই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী।
বৈঠক শেষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেছেন, ফেব্রুয়ারিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছি দুই মন্ত্রণালয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কীভাবে খোলা হবে, কোন শ্রেণিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে এর একটি পরিকল্পনা করতে দুই মন্ত্রণালয়ের সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে।