Abdul Wohab

Abdul Wohab যোগাযোগ: ০১৮৪৩০৪৩৯৯৭।

20/7/25 সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন পরিচালিত একটি টকশোতে এমন একটি দৃশ্য উপস্থাপিত হয়েছে, যা কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার ...
22/07/2025

20/7/25
সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন পরিচালিত একটি টকশোতে এমন একটি দৃশ্য উপস্থাপিত হয়েছে, যা কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার বর্তমান অবস্থান এবং আলেম সমাজের প্রস্তুতি নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে এক গভীর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। টকশোতে উপস্থিত ছিলেন তিনজন বক্তা—দুইজন কওমি ধারার আলেম: রফিকুল ইসলাম মাদানী ও ইবনে নুরুল ইসলাম, এবং একজন অ্যাক্টিভিস্ট: আসিফ আদনান। আলোচনার এক পর্যায়ে কওমি মাদ্রাসার ছাত্র ও আলেমদের রাষ্ট্র পরিচালনার সক্ষমতা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন ইলিয়াস হোসাইন।

তিনি বলেন—“কবে হুজুরদের হাতে রাষ্ট্র তুলে দিলে তারা তা পরিচালনা করতে পারবে? তাদের তো দাওরা হাদীস ছাড়া আর কোনো শিক্ষা নেই। তারা অর্থনীতি বোঝে না, তারা ভূগোল বোঝে না, তারা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক জানে না, তারা আধুনিক রাষ্ট্রনীতি কিছুই বোঝে না।”
এই প্রশ্ন কেবল চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয়নি, বরং একটি বাস্তব পরিস্থিতির অসহায়তা প্রকাশ করেছে।

এই প্রশ্নের জবাবে রফিকুল ইসলাম মাদানী সাহেব বললেন—“কুরআন-হাদীসে অর্থনীতির কথা আছে।” কিন্তু যখন উপস্থাপক ইলিয়াস হোসাইন সরাসরি জানতে চান—“কুরআনের কোথায় অর্থনীতির কথা আছে?”—তখন রফিকুল ইসলাম মাদানী একটি নির্দিষ্ট দলিল বা আয়াত পেশ করতে পারেননি। পুরো জাতি তখন একটি লাইভ আলোচনায় প্রত্যক্ষ করল—একজন আলেম রাষ্ট্র ও অর্থনীতি বিষয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে কেবল আবেগ ও বিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে আছেন, অথচ হাতে নেই সুনির্দিষ্ট দলিল বা আধুনিক জ্ঞানের কোনরূপ প্রস্তুতি।

এই এক মুহূর্তেই বুঝা যায়, কেন আজ কওমি মাদ্রাসা নিয়ে সাধারণ শিক্ষিত জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়। যখন আলেম সমাজ বাস্তব জিজ্ঞাসার সামনে নিশ্চুপ বা অস্পষ্ট, তখন ইসলামের শত্রুরা নয়, বরং ইসলামকে উপস্থাপনকারীরাই ইসলামকে দুর্বল ও অক্ষম হিসেবে তুলে ধরেন।

টকশোতে আরও বলা হয়েছে—“কওমি আলেমরা ইংরেজিকে হারাম মনে করেন। আধুনিক শিক্ষা, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান সম্পর্কে তাদের কোন জ্ঞান নেই। তারা যদি রাষ্ট্রের দায়িত্ব নেন, তাহলে দেশ অচল হয়ে যাবে।”—এমন মন্তব্য এখন আর কেবল মিডিয়ার কথা নয়, অনেক সাধারণ মানুষের মনেও একই ধরনের ধারণা গড়ে উঠেছে।

আমরা যদি বাস্তবতার মুখোমুখি হই, তবে এ কথাগুলো একেবারে অমূলক নয়। কওমি মাদ্রাসায় ১৪-১৫ বছর দাওরা হাদীস পর্যন্ত পড়ে একজন শিক্ষার্থী ইসলামি ফিকহ, হাদীস, তাফসীর ও আরবি ভাষায় পারদর্শী হন। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে তিনি রাষ্ট্রনীতি, আন্তর্জাতিক আইন, আধুনিক অর্থনীতি, গণিত, বিজ্ঞান, কিংবা এমনকি মৌলিক ইংরেজি শিক্ষাও অর্জন করতে পারেন না। একজন আলেম কিভাবে রাষ্ট্রের বাজেট প্রণয়ন করবেন, বৈদেশিক চুক্তি বুঝবেন, করনীতি নির্ধারণ করবেন কিংবা আধুনিক যুদ্ধনীতি ব্যাখ্যা করবেন—এই প্রশ্নের উত্তর কেবল আবেগ দিয়ে সম্ভব নয়, দরকার কঠিন বাস্তবিক প্রস্তুতি।

তবে এটাও সত্য, কুরআন-হাদীসে অর্থনীতি, রাজনীতি, রাষ্ট্রচিন্তা—সবই আছে। হযরত ইউসুফ (আ.) মিশরের অর্থমন্ত্রী ছিলেন। হযরত উমর (রা.) এমন এক রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন যিনি অর্থনীতি, বিচারব্যবস্থা ও প্রশাসনে যুগান্তকারী সংস্কার এনেছিলেন। কিন্তু তাঁরা শুধু ওহির উপর ভরসা করেননি, বরং বাস্তবতাও বুঝতেন, যুগের ভাষাও জানতেন, কৌশলও জানতেন।

আজকের কওমি আলেমদের সেই যুগের নেতৃত্বের স্বপ্ন যদি থাকে, তবে সেই যুগের প্রস্তুতিও নিতে হবে। হাদীস মুখস্থ করার পাশাপাশি বিশ্ব মানচিত্র পড়তে জানতে হবে, উসুলে ফিকহ পড়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রবিজ্ঞান জানতে হবে, ফাতওয়া দেওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্পর্কও বুঝতে হবে।

সমাধান কী?
সমাধান হলো আত্মসমালোচনা এবং শিক্ষার কাঠামোতে সংস্কার। কওমি মাদ্রাসায় ইংরেজি, গণিত, ইতিহাস, বিজ্ঞান, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ভূগোল—এই বিষয়ে ন্যূনতম পাঠ অন্তর্ভুক্ত করা আবশ্যক। ইসলামি আদর্শের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয় এমন আধুনিক শিক্ষাকে দুশমনের অস্ত্র মনে না করে দাওয়াতের ভাষা হিসেবে গ্রহণ করা উচিত। একজন আলেম যদি আজকের যুগের চ্যালেঞ্জ বুঝে, যুক্তির ভাষায় কথা বলতে পারেন, আধুনিক মিডিয়াতে সপ্রতিভ থাকেন—তবে তবেই তিনি সত্যিকারের দীনের প্রতিনিধি হবেন।

ইসলামকে মিডিয়ায় বা সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করা হলে তা বন্ধ করার একমাত্র উপায় হলো—আত্মউন্নয়ন। নিজেদের দুর্বলতা ঢাকতে নয়, দূর করতে হবে। কওমি আলেমদের এখনই প্রস্তুতি নিতে হবে এমন এক যুগের জন্য, যেখানে দ্বীন ও দুনিয়া উভয় জ্ঞানে তারা দক্ষ, সপ্রতিভ ও প্রজ্ঞাবান।

আজকের কওমি ছাত্রের লক্ষ্য শুধু ইমাম হওয়া নয়—রাষ্ট্রচিন্তায় নেতৃত্ব দেয়া হওয়া উচিত। আর এর জন্য দরকার একটি শিক্ষা ব্যবস্থা, যেটি কুরআন-হাদীসের আলোতেই গড়ে ওঠে, তবে যুগের বাস্তবতা ও বিজ্ঞান দিয়ে পরিপূর্ণ হয়।

10/07/2025

আলহামদুলিল্লাহ নিজ প্রতিষ্ঠানের মৌসুমি ফল উৎসব

একজন অধ্যাপক বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস নিচ্ছিলেন। ক্লাস শুরু হতেই এক ছাত্র শিস দিয়ে বসল।অধ্যাপক থেমে গিয়ে বললেন:— "কে শিস দিল...
26/06/2025

একজন অধ্যাপক বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস নিচ্ছিলেন। ক্লাস শুরু হতেই এক ছাত্র শিস দিয়ে বসল।

অধ্যাপক থেমে গিয়ে বললেন:
— "কে শিস দিল?"

কেউ কোনো উত্তর দিল না।

তিনি আবার পাঠ দেওয়া শুরু করলেন। কিছুক্ষণ পর সেই ছাত্র আবার শিস দিল।
অধ্যাপক আবার থেমে জিজ্ঞেস করলেন:
— "কে শিস দিচ্ছে?"

তবুও কেউ উত্তর দিল না।

তিনি আবার ক্লাস শুরু করলেন। কিন্তু এবার যখন তৃতীয়বারের মতো শিস এল,
তিনি কলম বন্ধ করলেন এবং বই গুটিয়ে বললেন:
— "আজকের ক্লাস এখানেই শেষ। তবে আমি তোমাদের একটা গল্প শোনাব।"

ক্লাসে নেমে এলো নিস্তব্ধতা, সবাই মনোযোগ দিল।

অধ্যাপক বললেন:
"এক রাতে ঘুম আসছিল না, অস্থির হয়ে বাসা থেকে বের হয়ে গাড়ি চালিয়ে কোথাও যাচ্ছিলাম। কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্য ছিল না।

হঠাৎ দেখি এক বৃদ্ধা মহিলা, হাতে ভারী বোঝা নিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে আছেন।
আমি গাড়ি থামিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, 'মা, কিছু সাহায্য লাগবে কি?'
তিনি খুশি হলেন, গাড়িতে উঠলেন।

চলতে চলতে বুঝলাম, তিনি আমাকে ভালোভাবেই চেনেন।
তিনি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বললেন:

— ‘ডক্টর সাহেব, আমার একটা অবৈধ সন্তান আছে, সে আপনার ইউনিভার্সিটিতেই পড়ে। আমি চাই আপনি তার পাশে থাকুন, তাকে মানুষ হিসেবে গড়ে তুলুন।’

আমি বললাম:
— 'নিশ্চয়ই মা, কিন্তু নামটা বললে তো আমি তাকে চিনতে পারব।'

তিনি হেসে বললেন:
— 'নাম বলার দরকার নেই। আপনি নিজেই তাকে চিনে ফেলবেন — সে খুব দুষ্ট, সব সময় ক্লাসে শিস দেয়।'"

এই কথা শুনে ক্লাসের সব ছাত্র ঘুরে তাকাল সেই শিস দেওয়া ছাত্রের দিকে!

অধ্যাপক তখন বললেন:
"এসো ছোট ভাই, তুমি কি ভাবছ আমি এই পিএইচডি সার্টিফিকেট গাধার হাট থেকে কিনেছি?"
منقول

বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মৃতদেহকে কবর দেওয়ার ঠিক 24 ঘন্টা পরে মানুষের শরীরের ভিতরে এমন পোকার উৎপত্তি হয় যা মৃতদেহের পায়ুপথ ...
26/06/2025

বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মৃতদেহকে কবর দেওয়ার ঠিক 24 ঘন্টা পরে মানুষের শরীরের ভিতরে এমন পোকার উৎপত্তি হয় যা মৃতদেহের পায়ুপথ দিয়ে বেরোতে থাকে। তৎসহ এমন দুর্গন্ধ ছড়ায় যা সহ্য করা অসম্ভব। আর ঐ দুর্গন্ধ পোকার সমগোত্রীয় পোকাদের নিমন্ত্রণ দেয়।
দুর্গন্ধ পেয়ে সমস্ত পোকা, মাকড়, বিছে মানুষের মৃতদেহের দিকে যাত্রা শুরু করে আর সবাই মিলে মানুষের মাংস খাওয়া শুরু করে দেয়।
কবরস্থ করার তিনদিন পরে সবচেয়ে প্রথমে নাকের অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে এবং পচন ধরে যায়।
ছয় দিন পরে নখ খসে পড়তে থাকে।
নয় দিন পরে চুল খসে পড়া শুরু হয়।
মানুষের শরীরের সমস্ত লোম ঝরে পরে আর পেট ফোলা শুরু হয়ে যায়,
17 দিন পরে পেট ফেটে যায় আর শরীরের ভিতরের সমস্ত অংশ বাহিরে বেরিয়ে আসে।
60 দিন পরে মৃতদেহের শরীরের সমস্ত মাংস শেষ হয়ে যায়। মানুষের শরীরে একটু টুকরো মাংস অবশিষ্ট থাকে না।
90 দিন পরে সমস্ত হাড় একে অপরের থেকে পৃথক হয়ে যায়।
এক বছর পরে মানুষের শরীরের সমস্ত হাড় মাটির সঙ্গে মিশে যায়।
আর যে মানুষের মৃতদেহ কবরস্থ করা হয়েছিল তার সমস্ত অস্তিত্ব মুছে যায়।
অতএব আমার ভাই ও বোনেরা বলুন -
মানুষের এতো অহংকার, এতো আত্মগরিমা, এতো হিংসা, এতো বিদ্বেষ, এতো লালসা, এতো নাম, এতো শৌর্য্য, এতো সম্মান, এতো শক্তি, এতো সামর্থ্য, এতো ধণদৌলত, এতো ক্ষমতা, এই বাদশাহী কোথায় যায়?
সবকিছুই মাটিতে মিশে যায়।
মানুষের অস্তিত্ব বা কি আছে?
মাটি থেকে সৃষ্ট, মাটিতেই কবরস্থ হয়ে, মাটিতেই মিশে যায়।
5 ফুট, 6 ফুট, 7 ফুটের মানুষ কবরে চলে যাওয়ার পরে তার নাম, চিহ্ন মুছে যায়।
এই দুনিয়াতে গাম্ভীর্যের সঙ্গে বিচরণকারী যখন কবরে চলে যায় তখন তার অস্তিত্ব মাটি ছাড়া অন্য কিছুই থাকে না।
অতএব মানুষের আসল জীবন, আমৃত্যু জীবন যাতে সুন্দর হয় এবং শান্তিপূর্ণ হয় তার চেষ্টা করা উচিত এবং সেই মোতাবেক কাজ করা উচিত।
প্রতিটি ভালো কাজ, এবং প্রতিটি উত্তম কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করা উচিত। আর প্রতিটি মন্দ চিন্তাভাবনার অস্তিত্ব নষ্ট করার জন্য সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থণা করা উচিত। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদের সকলকে বুঝার তৌফিক দান করুন (আমিন)😔

বন্ধুদের নিয়ে চায়ের আড্ডার আনন্দটাই অন্যরকম। কতদিন হয় এভাবে আড্ডা দেন না....☕🏡🍀🌷
26/06/2025

বন্ধুদের নিয়ে চায়ের আড্ডার আনন্দটাই অন্যরকম।
কতদিন হয় এভাবে আড্ডা দেন না....☕🏡🍀🌷

22/05/2025
দেহ কি তোমার?
22/05/2025

দেহ কি তোমার?

হৃদয় শতল.......❤️
14/05/2025

হৃদয় শতল.......❤️

03/12/2024

Happy Ending class party 2024
Ahsanu amala Academy sarulia,demra,dk

মাওলানা মামুনুল হককে দেখতে হাসপাতালে আমীরে জামায়াত Dr. Shafiqur Rahmanহেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ...
03/12/2024

মাওলানা মামুনুল হককে দেখতে হাসপাতালে আমীরে জামায়াত Dr. Shafiqur Rahman
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক অসুস্থ হয়ে রাজধানী ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁকে দেখতে হাসপাতালে আসেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর জননেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি মাওলানা মামুনুল হক এর শারীর নেন এবং মহান রবের নিকট দ্রুত সুস্থ হওয়ার জন্য দোয়া করেন!
মুক্তির পয়গাম -Muktir Poygam
জামায়াত-শিবির নেটওয়ার্ক

Address

Demra

Telephone

+8801843043997

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abdul Wohab posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Abdul Wohab:

Shortcuts

Share