10/08/2024
সাবেক প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগের আগে জাতীর উদ্দেশ্যে কিছু বলতে চেয়েছিলেন বা রেকর্ড করে রেখে দিতে চেয়েছিলেন কিন্তু সময় স্বল্পতার জন্য তা আর হয়ে উঠেনি। সেই বক্তব্যে কী ছিল তা কোন গনমাধ্যম বা নির্ভররযোগ্য কোন সূত্র থেকে গ্রহনযোগ্য কোন তথ্য পাওয়া যায় নি। তার সে না বলা বক্তব্য অনেকেই অনেকভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করছেন।
আমি সে প্রসঙ্গে যাচ্ছি না। একটি আন্তর্জাতিক গনমাধ্যমের বরাত দিয়ে আপনাদেরকে কাছে একটি তথ্য শেয়ার করছি।
পদত্যাগের আগে তিনি বিক্ষোভকারীদের দমন-পীড়নের জন্য ভারতের সামরিক বাহীনির হস্তক্ষেপ কামনা করেন যেহেতু বাংলাদেশ সামরিক বাহিনী এ কাজে অপারগতা প্রকাশ করে।
তথ্য সূত্র : https://x.com/WorldTimesWT/status/1821165755527774390?t=WHYRZsNLrzCMlDCBBTdIGA&s=19
10/08/2024
দেশের উন্নয়ন থেকে দুর্বৃত্তদের ষড়যন্ত্র বানচাল করে দেয়াটা এখন বেশি জরুরী হয়ে পড়েছে।
09/08/2024
সুকান্ত ভট্টাচার্য তার কবিতা ছাড়পত্রের শেষাংশে আমাদের বর্তমান পরিস্থিতি ও আমাদের করণীয় সম্পর্কে যথার্থ বলে গিয়েছেন।
"এসেছে নতুন শিশু, তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান;
জীর্ণ পৃথিবীতে ব্যর্থ, মৃত আর ধ্বংসস্তূপ-পিঠে
চলে যেতে হবে আমাদের।
চলে যাব- তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ
প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল,
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য ক’রে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
অবশেষে সব কাজ সেরে
আমার দেহের রক্তে নতুন শিশুকে
করে যাব আশীর্বাদ,
তারপর হব ইতিহাস।"
06/08/2024
বিশ্বাস করুন বা না করুন গতকাল রাতের মত দেশ নিয়ে এত চিন্তা কখনো আমার মাথায় আসেনি। কারন দেশটা এখন কোন রাজনৈতিক দলের হাতে না, দেশটা এখন আমার আপনার মত সাধারন জনগনের হাতে। আমার আপনার কর্মকাণ্ডই বদলে দেবে আগামীর বাংলাদেশ।
জনরোষে সরকার পতনের বিষয়টা অনেকেই ভালভাবে নিতে পারছেন না। আমি বলব, দেখুন শেখ হাসিনা দেশ ছেড়েছেন। তিনি রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়ে পাশ্ববর্তী দেশ ভারতসহ, ইংল্যাণ্ড, কানাডা, চেষ্টা করলে আমেরিকাতেও বাকী জীবন আরাম আয়েশে কাটিয়ে দিতে পারবেন। কিন্তু আমার আপনার কী হবে? আমাদেরতো অনেকের পাসপোর্টও নেই। পাসপোর্ট যাও আছে ভিসা নেই। আর ভিসার আবেদন করলে পাশ্ববর্তী দেশ ভারতের ভিসাই সহজে পাওয়া যায় না আর কোথায় ইউরোপ-আমেরিকা।
ভাই, আমাদেরকে এই দেশেই থাকতে হবে। সকল দল, সকল মতের মানুষকে নিয়েই থাকতে হবে। তাই হানাহানি, মারামারি বাদ দিয়ে আসুন এক হয়ে কাজ করি। প্রথমেই আসা যাক জনগনের জান-মালের নিরাপত্তার বিষয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও পরবর্তীতে রূপ নেয়া জনআন্দোলনে আমরা দেখেছি পুলিশের মারদাঙ্গা ভূমিকা। পুলিশের বিভিন্ন প্রশ্নবিদ্ধ এ্যাকশানের ভিডিও ফুটেজ ঘুরছে জনগনের মোবাইলে মোবাইলে।। আন্দোলন সময়ে দেশজুড়ে ব্যাপক ধরপাকড় করা হয়েছে, নির্যাতন করা হয়েছে। তা থেকে বোঝা যায় বিগত বছরে পুলিশে কী রকম দলীয়করণ করা হয়েছে। পুলিশকে যদি এমনভাবে দলীয়করন না করা হত। দলমত নির্বিশেষে আপামর জনসাধারনের সকলেই যদি সহসাই (ঘুষ ছাড়া ও সরকার দলীয় লোক ছাড়) পুলিশে নিয়োগ হত, তাহলে আজকে এই দিন দেখতে হত না। গত দুদিনে আমরা দেখেছি সারা দেশে কীরকম ভীষণ লুটপাট আর অরাজকতা চলেছে। এমনকি পুলিশের আচরণে বিক্ষুদ্ধ জনতা থানাতে হামলা করে পুলিশ হত্যা করতেও দ্বিধা করে নি। পুলিশ যদি জনগনের আস্থা ধরে রাখতে পারত তাহলে সরকার পতনের পরও পুলিশ সবাই যার যার কর্মস্থলে ডিউটি করতে পারত। সংসদ ভবন, গনভবনসহ অসংখ্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও জনগনের জানমাল নিরাপত্তা পেত।
জনমনে আওয়ামী লীগে দলের মত পুলিশেরও মারাত্মক ইমেজ সংকট তৈরি হয়েছে। এটা কাটিয়ে উঠাটা এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরী বিষয়। প্রয়োজনে তাদের ড্রেস কোড পরিবর্তন করে দেয়া যেতে পারে। খাকি রংয়ের পোশাক দেয়া যাবে না তাহলে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর চিত্র ফুটে উঠবে জনমনে। একটা সুন্দর কালার কম্বিনেশন করে ড্রেস কোড তৈরি করতে হবে। আর এখনি পুলিশের নিয়োগ চালু করতে হবে যাতে দলমত নির্বশেষে সবাই নিয়োগ পেতে পারবে। নিয়োগে কোন দলের সমর্থক সেটার চেয়ে দেশপ্রেম আর বিবেকবোধ কতটুকু আছে সেটা যাচাই জরুরী।
আশা করছি পারিবারিক রাজনীতি ছেড়ে সব দল-মত নির্বিশেষে এক বৈষম্যবিরোধী সমন্বয়ক সরকার আসবে। যেখানে সকল দলের যোগ্য লোকেরা উঠে আসবে। তাদের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে দেশ।
তারুণ্যের হাতে দেশ, গড়বো মোরা আগামীর বাংলাদেশ।
05/08/2024
বিগত বছরগুলোতে যারা বিভিন্নভাবে লাঞ্চিত -বঞ্চিত হয়েছেন তাদের প্রতি অনুরোধ আপনার আপনাদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের উপর ধ্বংসাত্মক হামলা, মামলা, হত্যা, আগুন দেয়া, ভাংচুর ইত্যাদি করবেন না। এগুলো দেশের সম্পদ। যারা এই আন্দোলনের পরিপন্থী ছিল বা বিপক্ষে ছিল তাদেরকে কেউ আঘাত করবেন না। তাদের আশা করি বোধদয় হবে। আর মত প্রকাশের স্বাধীনতা যদি আপনি দিতে না পারেন, কোন মতামত যদি আপনার পছন্দ না হয় আর সেজন্য যদি কারো টুটিঁ চেপে ধরেন, তাহলে আমি বলব আমরা এখন স্বাধীনতা অর্জন করতে পারিনি আমরা এখনও পরাধীন।
আজ আপনারা স্বচক্ষে দেখেছেন, অন্যায় যেই করুক না কেন ব্যক্তি বা সরকার তার ফয়সালা হয়, হোক সেটা আজ বা কাল। তাই কেউ কারো প্রতি ক্ষোভ-হিংসা-প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে কাউকে আক্রমণ করবেন না। কারন কোন নির্দিষ্ট দল এখন ক্ষমতায় নেই যে পক্ষপাতিত্ত্ব করে সুবিধা আদায় করবেন। দেশটা এখন সবার। তাই অন্যায় যেই করুক তার শাস্তি পেতে হবে।
আমরা সবাইকে সাথে রেখে দ্রুত দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আল্লাহ আমাদের সহায় হউন। আমিন।
30/07/2024
আমরা যারা পঁয়ত্রিশ পেরিয়ে এসেছি তারা অনেকটা ছাপোষা নাগরিক হয়ে গেছি। বাসায় বউয়ের অভিমান, অফিসে বসের ঝাড়ি, ন্যূনতম বেতন আর দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি সবই যেন গাঁ সওয়া হয়ে গেছে। শরীরের চামড়া মোটা হয়ে গেছে। হজম শক্তি বেড়েছে, অনেক কিছুই এখন মুখ বুঁজে হজম করে ফেলতে পারি। আটটা-পাঁচটা চাকরি, সাজানো-গোছানো জীবন, পরিবারের প্রতি দায়, সন্তানের ভালবাসা আর প্রিয়জনের মায়া আমাদেরকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রেখেছে। আমাদের শুধু ভয় আর ভয়, প্রিয়জন হারানোর ভয়, চাকরি হারানোর ভয়, মৃত্যুর ভয়। এর বাহিরে আমরা কিছু ভাবতে পারি না। নিজেদের মোটামুটি সকল চাহিদা পূরণ হয়ে যাওয়াতে আমরা আর কোন কিছুতে মাথা ঘামাতে চাই না, কোন অযাচিত বিষয়ে নাক গলাতে চাই না।
আপাতঃদৃষ্টিতে এই নির্ভেজাল-নির্ঝঞ্ঝাট জীবন ভালই মনে হচ্ছে কিন্তু এর শেষটা ভাল হবে না। নিজের স্বাভাবিক বিবেক-বুদ্ধিকে কাজে না লাগালে নিজেকে তো বটে অনাগত প্রজন্মকেও এর চড়া মাশুল দিতে হবে।
16/07/2024
অর্থ পাচার আর মেধা পাচার দুটোই সমান হারে বাড়ছে। দেশের বর্তমান সংকটকালীন পরিস্থিতিতে মেধা পাচার আরো বাড়বে।
21/06/2024
আপনার এলাকায় রাসেল'স ভাইপার সাপ দেখা গেলে স্নেক রেসকিউ টিম বাংলাদেশ কে জানালে। বিনামূল্যে সাপ উদ্ধার করে আপনাকে বিপদ মুক্ত করবে।
সাপ মারতে গিয়ে নিজে সাপের কামড়ের স্বীকার হবেন না।
মো: রাজু আহমেদ
সভাপতি
স্নেক রেসকিউ টিম বাংলাদেশ
+8801780932717
বিঃ দ্রঃ শেয়ার করে জানিয়ে দিতে পারেন, অথবা আপনার সংগ্রহে রাখতে পারেন।
26/10/2014
Adhyapak Abdul Mazid College
25/10/2014
--- একটি শোক সংবাদ---
আমাদের কলেজের সম্মানিত শিক্ষক ও পরিসংখ্যান বিষয়ের প্রভাষক জনাব আলী আজগর স্যার গত ২৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ঢাকায় ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন।
তিনি বেশ কিছুদিন ধরে লিভার ক্যান্সার জটিলতায় ভুগছিলেন। রামচন্দ্রপুর উনার নিজ কর্মস্থল অধ্যাপক আব্দুল মজিদ কলেজে জানাজাশেষে মরহুমের মৃতদেহ উনার নিজ গ্রামে সমাহিত করা হয়। আমরা উনার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
মৃত্যুর পূর্বে উনি অসংখ্য ছাত্র ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। যাদের স্মৃতিতে তিনি অম্লান হয়ে থাকবেন চারদিন।