মারফত তত্ত্বের ইঙ্গিত

মারফত তত্ত্বের ইঙ্গিত সাধক সিধ্য বলে কারে
ভাব থাকে না যার অন্তরে
আমল পুরে চল সবে
দেখতে তারে আপন ঘরে

হযরত আল হাসান আল-বাসরী (রহঃ) বলেন —“মন্দের মূল তিনটি এবং শাখা ছয়টি।মূল তিনটি হলো —১) হিংসা-বিদ্বেষ,২) লোভ-লালসা এবং৩) দু...
17/10/2024

হযরত আল হাসান আল-বাসরী (রহঃ) বলেন —
“মন্দের মূল তিনটি এবং শাখা ছয়টি।
মূল তিনটি হলো —
১) হিংসা-বিদ্বেষ,
২) লোভ-লালসা এবং
৩) দুনিয়ার প্রতি ভালোবাসা।

আর শাখা ছয়টি হলো —
১) নিদ্রা,
২) পেট ভরে খাওয়া,
৩) আরাম-আয়েশ,
৪) নেতৃত্ব,
৫) প্রশংসা পাওয়া ও
৬) গর্ব-অহংকারের প্রতি আকর্ষণ ও ভালোবাসা।”

“এই দুনিয়াতে কল্যাণময় হচ্ছে জ্ঞানার্জন ও আল্লাহর ইবাদাত করা এবং আখিরাতে কল্যাণময় হচ্ছে জান্নাত”।

"সেজদা " শব্দটির অর্থ ডিকশেনারীতে বলা হয়েছে --মাথা নত করা ,ইবাদাতের জন্যকপাল ও নাককে মাটিতে রাখা ,কাকুতি মিনতি সহকারে মা...
03/10/2024

"সেজদা " শব্দটির অর্থ ডিকশেনারীতে বলা হয়েছে --মাথা নত করা ,ইবাদাতের জন্য
কপাল ও নাককে মাটিতে রাখা ,কাকুতি মিনতি সহকারে মাথা নত করা। তাছাড়া সেজদা শব্দের অর্থ আনুগত্য স্বীকার করা ,নম্রতা ও বশ্যতা স্বীকার
করা ,আত্মসমর্পণ করা ইত্যাদি বুঝায়।
ইসলামের মধ্যে দুইটি দিগ রয়েছে জাহেরী এবং
বাতেনি।
সিজদা দুই প্রকার1. ইবাদতি সিজদা এবং
2. তাজেমি সিজদা।
1. যা স্রষ্টার উদ্দেশে সিজদা দেয়া হয় তা ইবাদতি সিজদা এবং আল্লাহর

2.প্রিয় খাস বান্দাগনের সম্মানের জন্য নিদির্ষ্ট বিধায় এ সিজদাকে বলা হয় তাজেমি সিজদা।
আল্লাহ বলেন "আল ইনসানু সিররি ওয়া আনা
সিররুহ" অর্থাৎ মানুষ আমার গোপন ভেদ এবং
আমি
মানুষের গোপন ভেদ। আল্লাহ পাকের পরিচয় ও
প্রেম -এ মানুষ হতেই হবে। রাসুল (সা:) বলেছেন
"আনা আহমাদুল বেলামিম" অর্থাৎ আমি মীম
ছাড়া আহাম্মদ তথা তিনিই আহাদ এবং
আহাম্মদ।
আল্লাহ পাক কুরআনে বলেছেন --"ওয়া ইজ
কালা
রাব্বুকা লিল মালায়েকাতি ,ইন্নি জায়েলুন
ফিল
আরদে খালিফাতান "অর্থাৎ এবং যখন
তোমার রব
ফেরেস্তাদের বললেন ,নিশ্চই আমি পৃথিবীর
মধ্যে
আমার খলিফা নির্বাচন করব। এখানে "ফিল
আরদে"শব্দটি সরাসরি অর্থ হলো "পৃথিবীর
মধ্যে"
আল্লাহ ফেরেস্তাদের আরো বললেন
--"কালা
ইন্নি আ'লামু মা-লা তা'লামুন"অর্থাৎ নিশ্চয়
আমি যা জানি তোমারা তা জান না।
সূরা হিজর:29 - অতঃপর যখন তাকে ঠিকঠাক
করে
নেব এবং তাতে আমার রূহ থেকে ফঁুক দেব, তখন
তোমরা তার সামনে সেজদায় পড়ে যেয়ো।
এই আয়াতে আল্লাহ পাক বলেছেন আমার রুহ।
তার
মানে আল্লাহ হতেই আদম কিন্তু ইবলিশ
নিরাকার
আল্লাহর এবাদত করতে পছন্দ করত যখন আল্লাহ
আদম
আক্কৃতি হলো তখন তা মেনে নিতে পারল না।
সূরা হিজর:30 - তখন ফেরেশতারা সবাই মিলে
সেজদা করল।
সূরা হিজর:31 - কিন্তু ইবলীস-সে
সেজদাকারীদের
অন্তর্ভূক্ত হতে স্বীকৃত হল না।
সূরা আল বাক্বারাহ:34 - এবং যখন আমি হযরত
আদম
(আঃ)-কে সেজদা করার জন্য ফেরেশতাগণকে
নির্দেশ দিলাম, তখনই ইবলীস ব্যতীত সবাই
সিজদা
করলো। সে (নির্দেশ) পালন করতে অস্বীকার
করল
এবং অহংকার প্রদর্শন করল। ফলে সে
কাফেরদের
অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেল।
সূরা বনী ইসরাঈল:61 - স্মরণ কর, যখন আমি
ফেরেশতাদেরকে বললামঃ আদমকে সেজদা
কর,
তখন ইবলীস ব্যতীত সবাই সেজদায় পড়ে গেল।
কিন্তু সে বললঃ আমি কি এমন ব্যক্তিকে
সেজদা
করব, যাকে আপনি মাটির দ্বারা সৃষ্টি
করেছেন?
সূরা ত্বোয়া-হা:116 - যখন আমি
ফেরেশতাদেরকে বললামঃ তোমরা আদমকে
সেজদা কর, তখন ইবলীস ব্যতীত সবাই সেজদা
করল।
সে অমান্য করল।
সূরা কাহফ:50 - যখন আমি ফেরেশতাদেরকে
বললামঃ আদমকে সেজদা কর, তখন সবাই
সেজদা
করল ইবলীস ব্যতীত। সে ছিল জিনদের একজন।
সে
তার পালনকর্তার আদেশ অমান্য করল। অতএব
তোমরা কি আমার পরিবর্তে তাকে এবং
তার
বংশধরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করছ? অথচ তারা
তোমাদের শত্রু। এটা জালেমদের জন্যে খুবই
নিকৃষ্ট বদল।
সূরা আল আ’রাফ:11 - আর আমি তোমাদেরকে
সৃষ্টি করেছি, এরপর আকার-অবয়ব, তৈরী
করেছি।
অতঃপর আমি ফেরেশতাদেরকে বলছি-
আদমকে
সেজদা কর তখন সবাই সেজদা করেছে, কিন্তু
ইবলীস সে সেজদাকারীদের অন্তর্ভূক্ত ছিল
না।
সূরা আল আ’রাফ:12 - আল্লাহ বললেনঃ আমি
যখন
নির্দেশ দিয়েছি, তখন তোকে কিসে সেজদা
করতে বারণ করল? সে বললঃ আমি তার চাইতে
শ্রেষ্ট। আপনি আমাকে আগুন দ্বারা সৃষ্টি
করেছেন এবং তাকে সৃষ্টি করেছেন মাটির
দ্বারা।
সূরা ছোয়াদ:75 - আল্লাহ বললেন, হে ইবলীস,
আমি স্বহস্তে যাকে সৃষ্টি করেছি, তার
সম্মুখে
সেজদা করতে তোমাকে কিসে বাধা দিল?
তুমি
অহংকার করলে, না তুমি তার চেয়ে উচ্চ
মর্যাদা
সম্পন্ন?
সূরা বনী ইসরাঈল:53 - আমার বান্দাদেরকে
বলে
দিন, তারা যেন যা উত্তম এমন কথাই বলে।
শয়তান
তাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধায়। নিশ্চয় শয়তান
মানুষের প্রকাশ্য শত্রু।
সূরা সাবা:20 - আর তাদের উপর ইবলীস তার
অনুমান
সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করল। ফলে তাদের
মধ্যে
মুমিনদের একটি দল ব্যতীত সকলেই তার পথ
অনুসরণ
করল।
উপরের আয়াতে আল্লাহ স্পস্ট ভাবে বলে
দিছেন
শুধু একটি মাত্র দল এবং তারা হলো যারা
কামেল
পীরকে সিজদা করেছে।
আব্দুল কাদির জিলানি বলেছেন -"মান
আরাদাল
ইবাদাতা বা আদাল ওয়াসুলে ফাকাদ
আশরাকা
বিল্লাহি" অর্থ মিলনের পর ইবাদত
নিঃসন্দেহে
শিরক। খাজা বাবা বলেছেন --"মানতু শূদম
তুমান
সুদী মানতুন শূদম তু জা সুদী। আঁকশ কেনা
গোয়েদ
আজই মানদিগর তুদী গরী "অর্থ আমি তুমি
হলাম
,তুমি আমি হলে ,আমি দেহ এবং তুমি প্রাণ
,এর পর
আর কেহ বলতে না পারে যে ,তুমি একজন আর
আমি
আরেক জন।
সূরা আল বাক্বারাহ:138 - আমরা আল্লাহর রং
গ্রহণ
করেছি। আল্লাহর রং এর চাইতে উত্তম রং আর
কার
হতে পারে?আমরা তাঁরই এবাদত করি।
রাসুলের প্রায় পৌনে দুশত বছর পরে এ
হাদিসটি
একজন রাবির দ্বারা বলানো হয়েছে। তাও
হাদিসটি একজনের বর্ণিত বিদায় ইহাকে
হাদিসে
"ওয়াহেদ" বলা হয়। এটি খুব দুর্বল হাদিস পরে
এই
হাদিসটি বিশাল পথ ভ্রস্ট আক্কৃতি ধারণ
করে।
ইবনে কাসীর তার "আল বিদায়া ওয়ান
নিহায়া "
কিতাবে ৫ম খন্ডে ১৮৪-৮৫ পৃষ্টায় বলেছেন উক্ত
সেজদা সংক্রান্ত হাদিসটি সহি নয়। তা
প্রমান
পাওয়া গেছে এবং কুরআনে কি বলে তাই
দেখুন।
সূরা ইউসূফ:100 - এবং তিনি পিতা-মাতাকে
সিংহাসনের উপর বসালেন এবং তারা সবাই
তাঁর
সামনে সেজদাবনত হল। তিনি বললেনঃ পিতা

হচ্ছে আমার ইতিপূর্বেকার স্বপ্নের বর্ণনা
আমার
পালনকর্তা একে সত্যে পরিণত করেছেন এবং
তিনি আমার প্রতি অনুগ্রহ করেছেন। আমাকে
জেল
থেকে বের করেছেন এবং আপনাদেরকে গ্রাম
থেকে নিয়ে এসেছেন, শয়তান আমার ও আমার
ভাইদের মধ্যে কলহ সৃষ্টি করে দেয়ার পর।
আমার
পালনকর্তা যা চান, কৌশলে সম্পন্ন করেন।
নিশ্চয় তিনি বিজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
সূরা ইউসূফ:4 - যখন ইউসুফ পিতাকে বললঃ পিতা,
আমি স্বপ্নে দেখেছি এগারটি নক্ষত্রকে।
সুর্যকে
এবং চন্দ্রকে। আমি তাদেরকে আমার উদ্দেশে
সেজদা করতে দেখেছি।
সূরা ইউসূফ:2 - আমি একে আরবী ভাষায়
কোরআন
রূপে অবতীর্ণ করেছি, যাতে তোমরা বুঝতে
পার
সূরা ইউসূফ:111 - তাদের কাহিনীতে
বুদ্ধিমানদের
জন্য রয়েছে প্রচুর শিক্ষণীয় বিষয়, এটা কোন
মনগড়া কথা নয়, কিন্তু যারা বিশ্বাস স্থাপন
করে
তাদের জন্যে পূর্বেকার কালামের সমর্থন এবং
প্রত্যেক বস্তুর বিবরণ রহমত ও হেদায়েত।
সূরা কাহফ:54 - নিশ্চয় আমি এ কোরআনে
মানুষকে
নানাভাবে বিভিন্ন উপমার দ্বারা আমার
বাণী
বুঝিয়েছি। মানুষ সব বস্তু থেকে অধিক
তর্কপ্রিয়।
উপমা বলতে আমরা বুঝি উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত
তাহলে সুরা ইউসুফের মধ্যে সিজদার বিষয়টি
কি
উপমা নয় কি।
এই আয়াতে তো আল্লাহ নিজেই হুকুম
দিয়েছেন
সিজদা দিতে এবং জ্ঞানি দের শিক্ষনীয়
বিষয়ও
রয়েছে তাহলে এই সুরায় সিজদার মধ্যে অনেক
শিক্ষনীয় রয়েছে।
হযরত উম্মে হানি (রাঃ) বর্ণনা করেন, মেরাজ
শরীফ শেষে রাসূলে করীম (সাঃ) বলেছেন,
অতঃপর
বাহনে আরোহন করিয়ে আমাকে মসজিদে
হেরেম
শরীফে আনা হলো, আর আমি ফজরের নামাজ
আদায় করলাম। হযরত উম্মে হানী (রাঃ)
বললেন,
মেরাজ শরীফের মহাসংবাদ শুনে হযরত রাসূল
(সাঃ) এর চাঁদর মোবারক ধরে আরজ করলাম, হে
আমার চাচা জানের শাহজাদা! আপনাকে
শপথ
করে আরজ করছি যে, আপনি আসরা বা ভ্রমনের
এবং আম্বিয়ায়ে কেরামদের কথা যদি
কোরাইশদিগকে বলেন, তবে যারা আপনার
নবুয়তে
বিশ্বাস করেন, তারাও আপনাকে মিথ্যা
অপবাদ
দিবে। তখন রাসূল (সাঃ) তার হাত মোবারক
দ্বারা
চাদরটি টান দিলেন আর তা আমার হাত হতে
ছুটে
গেল। চাদরের যে অংশটুকু তার শেকম (পেট)
মোবারকের উপর উঠে গেল, তাতে দেখি কী!
তার
পেট মোবারকের নাড়ি-ভূড়ি যেন একটি স্বচ্ছ
কাগজের মতো জড়ানো আর রাসূল (সাঃ) এর
কলব
মোবারক হতে এক নূরের জ্যোতি ধারা
বিচ্ছুরিত
হচ্ছে। আমার চোখ দু’টিতে সে জ্যোতিতে ধাঁ
ধাঁ
লেগে গেল। তখনই আমি তার সামনে সেজদায়
লুটিয়ে পড়লাম। সেজদা হতে উঠে দেখি,
তিনি
(সাঃ) বাইরে তাশরীফ নিয়ে গেছেন।
[আল্লামা জালালুদ্দীন সিয়ুতী (রাহঃ) রচিত
‘খাসায়েসুল কুবরা’, খ.১, পৃ.৩৩৬]
আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া " প্রথম খন্ডের
৪৩৭ -৩৮
পৃষ্টায় দেখা যায় যে : ইসহাক (আ:) এর দুইপুত্র
ছিলেন। বড় ছেলের নাম ঈস এবং ছোট ছেলের
নাম
ছিল ইয়াকুব। যিনি ইউসুফ নবীর পিতা। ইয়াকুব
নবীর
বড় ভাই ঈস ছিলেন হজরত ইসমাঈল (আ:) এর
মেয়ের
জামাই। ঘটনা ক্রমে ইয়াকুব (আ:) নিজ মাতৃভূমি
ছেড়ে শাম দেশে অনেক দিন বসবাস করে
ছিলেন।
যখন ইয়াকুব (আ:) তার নিজ দেশে ফিরে আসতে
ছিলেন তখন পথে দেখলেন তার বড় ভাই ঈস
চারশত
লোকের এক বাহিনী নিয়ে তার দিকে অগ্রসর
হচ্ছে। ইয়াকুব (আ তার পরিবার বর্গকে পিছনে
রেখে তিনি সম্মুখে যান। ইয়াকুব (আ এর বড়
ভাই ঈস
সম্মুখে উপস্তিত হলে তাকে দেখেই ইয়াকুব (আ

বার সেজদা করেন। পরে দাস-দাসী ও তাদের
সন্তানরা ঈস কে সেজদা করলো।
খাজা গরিবে নেওয়াজ (রা:) -কে যখন তার
মুর্শিদ
খাজা ওসমান হারুনী (রা:) তার পবিত্র
মুছাল্লা
,খির্কা ,লাঠি মোবারক দান করে খেলাফত
দেন
তখন খাজা গরিবে নেওয়াজ (রা:) তার
মুরশিদকে
তাজিম সিজদা করেছিলেন।
""আনিসুল আরওয়াহ""কিতাবের পৃষ্টা নং ৪৮।
খাজা মইনউদ্দিন চিস্তি তার মুর্শিদকে
আজমীরের জামে মসজিদের ভিতর দুইবার
কদমে
সিজদা দিয়েছেন।
"দলিলুল আরেফিন"পৃষ্টা নং ১৫২-১৫৩।
"রাহাতুল মুহিব্বীন " কিতাবের ৭০ পৃষ্টায় ৬৮৯
হিজরী ৭ই রমজান ,শুক্রবার আমির খসরু দুবার খাজা নিজামউদ্দিন আউলিয়াকে (রা:) সিজদা
করেছিলেন।

এক ছেলে কোন এক মাওলানা সাহেবকে জিজ্ঞাসা করতেছে আচ্ছা হুজুর নামাজ পড়ার জন্য তো আগে ওজু করতে হয়?হুজুর বললেন তা তো অবশ্যই,ও...
27/08/2024

এক ছেলে কোন এক মাওলানা সাহেবকে জিজ্ঞাসা করতেছে আচ্ছা হুজুর নামাজ পড়ার জন্য তো আগে ওজু করতে হয়?হুজুর বললেন তা তো অবশ্যই,ওজু করা ফরজ।ওজু ছাড়া নামাজ হয় না।ছেলেটা তখন বলল হুজুর ধরেন আমি এমন এক জায়গায় গেলাম যেখানে পানির কোন ব্যবস্থাই নাই।তখন আমি কী করুম?হুজুর বললেন পানি নাই তো কী হইছে তুই মাটি/ধুলা/বালু দিয়া তায়াম্মুম করবি।তবু নামাজ ছাড়ন যাইব না।নামাজ পড়তেই হবে।এবার ছেলেটা বলল হুজুর ধরেন আমি এমন এক জায়গায় গেলাম যেখানে পানিও নাই আবার ধুলা/বালু/মাটিও নাই।আছে শুধু প্যাগ আর প্যাগ(কাদা)।এহন আমি কী করুম?ছেলেটার এই রকম আজব প্রশ্ন শুইন্যা হুজুর রীতিমত থতমত খাইয়া গেলেন।উনার মাসলার ভান্ডার শেষ হয়ে গেল।শেষে কোন উপায় অন্তর না পাইয়া হুজুর বললেন,হারামজাদা আগে ক তুই এমন জায়গায় যাইবি কেন!যেখাবে পানিও নাই,বালু,মাটি বা ধুলাও নাই এমন জায়গার তর কামডা কী?😂🤪😂

একজন বিজ্ঞ আলেম ছিলেন, যার অনেক ছাত্র ছিল। যখনই তার কাছে নতুন কোনো শিষ্য আসতো তিনি তখন তার পরীক্ষা নিতেন।তিনি কিছু পাখি ...
04/08/2024

একজন বিজ্ঞ আলেম ছিলেন, যার অনেক ছাত্র ছিল। যখনই তার কাছে নতুন কোনো শিষ্য আসতো তিনি তখন তার পরীক্ষা নিতেন।

তিনি কিছু পাখি পালতেন।
আর পাখিগুলোকে তিনি একটি কথা শিক্ষা দিয়েছিলেন, কথাটি হল; "শিকারি আয়েগা, দানা ডালেগা, জাল বিছায়েগা, ফাসনা নেহি"।
অর্থাৎ "শিকারি আসবে, খাবার দিবে, জাল পাতবে, ফেঁসে যেও না।"

যখনই নতুন কোনো ছাত্র আসতো তখনই তিনি তাকে কিছু দানা আর একটি জাল দিয়ে বলতেন, "যাও ঐ গাছের নিচ থেকে কিছু পাখি ধরে নিয়ে আসো।"

পাখিগুলো মানুষ দেখামাত্রই এই বলে গান গাইতে শুরু করতো যে, "শিকারি আয়েগা, দানা ডালেগা, জাল বিছায়েগা, ফাসনা নেহি"।
তখন বেশিরভাগ ছাত্রই ফিরে আসতো এই ভেবে যে, এত চালাক পাখি ধরা যাবে না!

কিন্ত যদি কোনো ছাত্র জাল পাততো আর দানা দিতো তবে দেখতো যে, পাখিগুলো মুখে ঐ কথা বলছে ঠিকই কিন্ত দানা খেতে আসছে আর জালে ফেঁসে যাচ্ছে। অর্থাৎ তাদের মুখের কথা তাদের কোনো কাজেই আসছে না।

এই পাখিগুলো আসলে কি বলছে তারা সেটা নিজেরাই জানে না।
পাখিগুলো জানে না- 'শিকারি' কি জিনিস! 'জাল' কি জিনিস! 'ফাসনা' কি জিনিস! তাই তারা মুখে যতই গান গাওক না কেন, তাও জালে ফেঁসে মৃত্যু ডেকে আনছে।

★ আজকের জামানায় আমাদের অবস্থাও ঠিক যেন পাখিদের মতই হয়ে গেছে।
আমরা মুখে 'লা~ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলে সাক্ষ্য দিচ্ছি, কিন্তু আমরা এর মর্ম জানি না।
প্রত্যেক সালাতে সূরা ফাতিহা পড়ি কিন্তু আমরা বুঝি না এর ভিতর আল্লাহ কি বলতে চেয়েছেন।

একই সাথে আমরা সুদ-ঘুষ, পরনিন্দা, অহংকার, যিনা, গীবত, অশ্লীলতা, পর্দাহীনতা, ও অসংখ্য হারাম কাজ করছি আর কথা বলা পাখির মতই আবার কালেমা বলছি আর নিজেকে মুসলমান হিসেবে দাবীও করছি! কাজেই আমাদের এই সাক্ষ্যদান কথা বলা পাখির মতন।
আমরা মুখে কালেমা জপার পরেও শিকারীর জালে ফেঁসে যাচ্ছি।
আল্লাহ তাআলা আমাদের যথাযথভাবে অনুবাধন করার তৌফিক দান করুন আমীন

-মারফত তত্ত্বের ইঙ্গিত

ধর্মে যতো ফেতনা ফ্যাসাদ দেখতে পাও, তা মদের মটকা হতে বের হয় না,এগুলো আসে পাগড়ীর নিচ থেকে। -মাওলানা জালাল উদ্দীন রুমি (রঃ)
31/07/2024

ধর্মে যতো ফেতনা ফ্যাসাদ দেখতে পাও,
তা মদের মটকা হতে বের হয় না,
এগুলো আসে পাগড়ীর নিচ থেকে।

-মাওলানা জালাল উদ্দীন রুমি (রঃ)

20/07/2024

পূর্বজন্ম সৃতি বিষয়ঃ ৬ মোরাকাবা তা'লীম দেন জাফরী সাহেব

13/07/2024

পূর্বজন্ম সৃতি বিষয়ঃ৫ মোরাকাবা তা'লীম দেন জাফরী সাহেব

তুমি সরল পথ না চিনতে পারলে, তোমার নফস তোমাকে যা করতে বলে তার বিপরীত কর, ঐটাই তোমার জন্য সরল পথ।       -জালাল উ‌দ্দিন রুম...
07/07/2024

তুমি সরল পথ না চিনতে পারলে,
তোমার নফস তোমাকে যা করতে বলে তার বিপরীত কর,
ঐটাই তোমার জন্য সরল পথ।
-জালাল উ‌দ্দিন রুমি

06/07/2024

পূর্বজন্ম সৃতি বিষয়ঃ৪ মোরাকাবা তা'লীম দেন জাফরী সাহেব

"সব কিছু জেনে ফেলাই জ্ঞান নয়, জ্ঞান হলো কী কী এড়িয়ে যেতে হবে বা বর্জন করতে হবে তা জানা।"            -জালাল উ‌দ্দিন রু...
05/07/2024

"সব কিছু জেনে ফেলাই জ্ঞান নয়,
জ্ঞান হলো কী কী এড়িয়ে যেতে হবে
বা বর্জন করতে হবে তা জানা।"
-জালাল উ‌দ্দিন রু‌মি

দুনিয়া প্রত্যাশী লোভী আলেমের ভূমিকা শয়তানের চেয়েও জঘন্যতম। –ইমাম গাজ্জালি (রহ.)
03/07/2024

দুনিয়া প্রত্যাশী লোভী
আলেমের ভূমিকা শয়তানের চেয়েও জঘন্যতম।

–ইমাম গাজ্জালি (রহ.)

29/06/2024

পূর্বজন্ম সৃতি বিষয়ঃ৩ মোরাকাবা তা'লীম দেন জাফরী সাহেব

Address

Cumilla

Telephone

+8801716325539

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মারফত তত্ত্বের ইঙ্গিত posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share