14/07/2021
Banglar Babor
Blood misson Honest
14/07/2021
আমার জীবনের উপলব্ধি
- শাহ আব্দুল হান্নান
আমি ৮০ বছর বয়স পার করেছি। এই দীর্ঘ জীবনে নিজের অনেক অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধি হয়েছে। সেসব উপলব্ধি থেকে কিছু এটা পাঠকদেরকে অবিহিত করছি, যাতে তারা চিন্তার খোরাক পেতে পারেন। সব সময় আমি সংযত চিন্তা করেছি। গভীরভাবে ভেবেছি। কারণ সেই হিসেবে আমার উপলব্ধি হয়েছে যা পাঠকদের জন্য উপকারী হতে পারে। একে একে আমার পনেরোটি উপলব্ধি নিম্নে উপস্থাপন করছি।
১. কাউকে যোগ্য লোক হতে হলে তার উচিত গুরুত্বপূর্ণ অনেক বই পড়া। এসব বই হতে পারে ইসলামের ওপর এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়ের ওপর। গণ্যমান্য লেখকের বই বাছাই করা উচিত। কারণ সব লেখকের উপলব্ধি সমান হয় না। যারা সিনিয়র লেখক, তারা অনেক চিন্তা করে লিখে থাকেন।
২. ইসলামের জন্য কাজ করতে হলে পবিত্র কুরআনের অর্থ প্রতি বছর অন্তত একবার পড়া উচিত। কুরআনের সাথে গভীর সংযোগ ছাড়া ইসলামের মহৎ কর্মী হওয়া সম্ভব নয়। কুরআন শরিফ অসাধারণ গ্রন্থ। এতে রয়েছে আল্লাহ তায়ালা সম্পর্কে বা তাওহিদ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা; নৈতিকতা সম্পর্কে ব্যাপক আলোচনা; শিরকের বিরুদ্ধে যুক্তি এবং অনৈতিকতার বিরুদ্ধে বড় শাস্তির ঘোষণা।
৩. ইসলামের জন্য যোগ্য লোক তৈরি করা জরুরি। এ জন্য সিনিয়র লোকদের উচিত ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে ক্লাস করা। একেকটি ক্লাসে ১৫-২০ জন থাকতে পারে। এই কোর্স এক বা দুই বছরের জন্য হতে পারে। নিজে এ রকম ১০টি কোর্স করেছি। এসব কোর্স কুরআনভিত্তিক ও উন্নত ইসলামী সাহিত্যভিত্তিক হতে হবে।
৪. নারীদের সব সময় খুব গুরুত্ব দিতে হবে। তাদের ব্যাপক অংশগ্রহণ ছাড়া ইসলামের বা দেশের সত্যিকার কল্যাণ হতে পারে না। তাদের মর্যাদা ও অধিকার সুনিশ্চিত করতে হবে।
৫. বর্তমানে যেসব ইসলামী সংগঠন রয়েছে সেগুলোকে শক্তিশালী করা প্রয়োজন। সংগঠন ছাড়া বড় কাজ করা যায় না। প্রত্যেকেরই উচিত তার পছন্দের ইসলামী সংগঠনে যোগদান করা।
৬. অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী বইগুলো বেশি করে ছড়িয়ে দেয়া দরকার। ইসলামী দাওয়াতের অগ্রগতি নির্ভর করে মানুষকে ইসলামী বই দেয়ার ওপর। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী বই। অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী বই ভালো করে ছড়ানো হয়নি। এসব গুরুত্বপূর্ণ বই ছড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
৭. সমাজসেবার মাধ্যমে প্রত্যেকের উচিত নিজের গ্রাম বা এলাকার দারিদ্র্য দূর করা। সব কিছুই সরকার করতে পারে না। সে জন্য ব্যক্তি উদ্যোগের প্রয়োজন অনেক।
৮. মধ্যপন্থাই উত্তম। আল্লাহতায়ালা কুরআনের মধ্যপন্থার কথা বলেছেন। মুসলিম জাতিকে তিনি ‘মধ্যপন্থী’ উম্মত বলেছেন।
৯. হঠকারিতা ও বাড়াবাড়ি ভালো নয়। কুরআনের বিভিন্ন জায়গাতে বাড়াবাড়ির নিন্দা করা হয়েছে। সূরা নাহলের ৯০ আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেছেন।
১০. শ্রমিকরা আমাদের দেশে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বঞ্চিত। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তারা উপযুক্ত মজুরি পান না। বাধ্য হয়ে তাদেরকে অনেক আন্দোলন করতে হয়। অথচ শ্রমিকদের সমস্যা বোঝা আমাদের সবারই দায়িত্ব।
১১. গৃহকর্মীদের/গৃহে যারা কাজ করে, তাদেরই খুবই কম মজুরি দেয়া হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বর্তমানে তাদেরকে দুই থেকে তিন হাজার করে টাকা দেয়া হচ্ছে। অথচ এই মজুরি যা দেয়া উচিত তার অর্ধেকও নয়।
১২. যারা অফিসে কাজ করেন তাদের উচিত সব সাক্ষাৎপ্রার্থীকে সাক্ষাতের সুযোগ দেয়া। এর ফল খুব ভালো হয়। এমনকি সুবিচার করতেও এটা সহায়ক হয়ে থাকে।
১৩. অফিসের কাজ ফেলে রাখা উচিত নয়। কাজ ফেলে রাখলে পরে তা জটিলতা সৃষ্টি করে।
১৪. বিদেশ সফরে গেলে কিছু ইসলামী বই সাথে নিয়ে গেলে ভালো হয়। এতে বিদেশে ইসলামের দাওয়াত দিতে অনেক সুবিধা।
১৫. বিদেশ সফরে গেলে সেই দেশের স্থানীয় মসজিদ ও স্থানীয় ইসলামী সংগঠনের অফিস পরিদর্শন করে আসা উচিত। এতে উম্মাহর মধ্যে পারস্পরিক সর্ম্পক বৃদ্ধি পায়।
১৬. বিশ্বের বড় শক্তিগুলো আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সুবিচারের নীতি অনুসরণ করে না। তারা নিজেদের রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী স্বার্থে কাজ করে। অনেকসময় শোষণ করে।
১৭. সবর (ধৈর্য) মহা ওষুধ। সবর সব সময় সব অবস্থায় মানুষকে সাহায্য করে।
১৮. যে রাগারাগি করে, তার ভুল করার সম্ভাবনা বেশি।
১৯. সাধ্যমতো দান করা উচিত। দান করলে কেবল অন্যের নয়, নিজেরও কল্যাণ হয়।
২০. মানবজাতির সংশোধনের জন্য সাধ্যমতো ভালো কাজের আদেশ এবং মন্দ কাজের নিষেধ করা উচিত।
আমি নিজের উপলব্ধিগুলো বললাম। যদি এগুলো আপনাদের ভালো লেগে থাকে, তবে আপনারাও এগুলোকে আপনাদের কাজের ভিত্তি বানাতে পারেন।
লেখক : ইসলামী চিন্তাবিদ ও সাবেক সচিব, বাংলাদেশ সরকার।
বই: আরজ আলী সমীপে
লেখক: আরিফ আজাদ
"ইসলাম কখনোই আচারসর্বস্ব কোনো ধর্মের নাম নয় যে এটাকে কিছু তন্ত্র-মন্ত্র, কিছু দোয়া-দরূদ আর কিছু উৎসব-আনন্দের গন্ডির মধ্যে ফেলে বিচার করতে হবে। ইসলাম একটি দ্বীনের নাম। দ্বীন অর্থ যতখানি না ধর্ম, তারচেয়েও বেশি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামে এমন একটি নীতিও নেই, এমন একটি কথাও নেই যা একজন মানুষের কাছে অসম্ভব, অযৌক্তিক ঠেকতে পারে।"
উন্নত জীবনের চপেটাঘাত ও যাপিত জীবন!
১. পঞ্চাশোর্ধ্ব এক করোনা রোগী সুইসাইড নোট লিখে মুগদা হাসপাতাল থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন। লিখে গেছেন, নিজের একাকীত্বের কথা। টাকা ছিল, পয়সা ছিল। কিন্তু আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু ছিল না কাছে। পরিবার ও আত্মীয়দের সবাই ছিল যুক্তরাষ্ট্রসহ "উন্নত" দেশে! একাকীত্ব সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেছেন বলে লিখে গেছেন!
২. চলচ্চিত্রের সাবেক দাপুটে নায়িকা, সাবেক সাংসদ, কবরী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। মারা যাওয়ার পর তার একটি সাক্ষাৎকারের কিছু অংশ ভাইরাল হয়েছে। তা হলো, জীবনে ভালো একজন বন্ধু পেলাম না, ভালো একজন স্বামী পেলাম না, সন্তানরাও যে যার মতো! কারো সাথে বসে এক কাপ চা খাবো, মনের কথা খুলে বলব- তা পেলাম না! (আধুনা- প্র.আ)
৩. "বিশ্ব রাজনীতির ১০০ বছর" বইয়ের লেখক, খ্যাতনামা কলামিস্ট, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রফেসর ড. তারেক শামসুর রাহমানের লাশ নিজের বাসা থেকে দরজা, তালা ভেঙে উদ্ধার করা হয়েছে! বাসায় তিনি ছিলেন একা। স্ত্রী ও কন্যা আছেন যথারীতি "স্বপ্নের দেশ" যুক্তরাষ্ট্রে! অসুস্থ ও মৃত্যুর সময় আপন জনেত কেউ ছিল না পাশে, কেউ জানেনি কিছু!
টাকা, পয়সা, যশ, খ্যাতি, পরিচিতি সবই ছিল। কিন্তু কারো পাশে ছিল না স্ত্রী, কারোবা স্বামী বা পুত্র-কন্যা!
ছিল একাকীত্ব! অখণ্ড একাকীত্ব! আমরা কত কীইনা ভাবতাম তাদের!
প্রতিটি মৃত্যুই কষ্টের!
কিন্তু "উন্নত" মহলে আমাদের সমাজ ও পরিবার ব্যবস্থা কোনদিকে যাচ্ছে তা ভাবতে গিয়ে আবারও শিউরে উঠেছি!
হায়রে ক্যারিয়ার, হায়রে উন্নয়ন, হায়রে উন্নত বিশ্বের স্বপ্ন! হায়রে পরিবার ও সমাজ ব্যবস্থা!
একটু চিন্তা করতে পারেন, একটু ভাবতে পারেন।
© শিহাব শাকির।
(কালেক্টেড পোস্ট)
লেখক মাওলা ভাই
পড়লে লজ্জা পাবেন -
জাপানে রাস্তার মোড়ে মোড়ে কোনো মসজিদ নেই, রাত জেগে ওয়াজ নেই, নসিহত নেই, ধর্মীয় স্কলার নেই, মাজার নেই, ওরশ নেই, পীর নেই, মুরিদ নেই, কুতুব নেই, আবদাল নেই, তাবলীগ নেই, আমরা শ্রেষ্ঠ জাতি বলেও কোনো কিছুই নেই। এগুলো ছাড়াই জাপান একটা সুশৃঙখল জাতি।
গত ত্রিশ বছরের মধ্যে কোনো দূর্নীতি নেই, কোনো ঘুষ নেই, কোনো ধর্ষণ নেই, স্কুলে কোনো ছাত্রকে বেত্রাঘাতের রেকর্ড নেই। কোনো কাজের জন্য কোনো ফাইল আটকে পড়ার নজির নেই। কারো সুপারিশ ছাড়া কোনো ছাত্র স্কুলে ভর্তি হতে পারছেনা, কারো প্রমোশন হচ্ছেনা- এমন দৃষ্টান্তও নেই। দলীয় ভাবে জাপানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষকের নিয়োগের নজিরও নেই। রাস্তায় পড়ে থাকা বুভুক্ষু মানুষও নেই। আছে শুধু কর্মনিষ্ঠা, শৃঙখলা।
ভূমিকম্পের সময় সব খাবার ক্যাম্পে রেখে দেয়া হয়েছিলো। নিজের প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কেউ একটা রুটিও নিয়ে যায়নি। ত্রান কেন্দ্রে একজন প্রহরীকেও পাহারাদার রাখতে হয়নি। লাইন দাঁড়িয়ে সবাই যার যার মতো প্রয়োজনীয় খাবার নিয়ে গেছে। লাইন দাঁড়ানো শেষ ছেলেটির হাতে খাবার প্যাকেট দেয়ায় -সে সেই প্যাকেট আবার লাইনের সামনে রেখে এসেছে। যদি তার সামনে দাঁড়ানো কারো খাবার কম পড়ে যায়।
জাপানে কোনো কালো বাজারি দ্রব্যের দাম বাড়িয়ে মানুষকে জিম্মি করেনা। কেউ খাবারে ভেজাল মেশায় না। রাস্তাঘাট গুলো এতো ঝকঝকে পরিষ্কার। নিজের চেহারা রাস্তায় দেখা যায়। শুধু বয়স্ক কিংবা যুবকরা না একজন শিশুও জাপানের রাস্তায় যেখানে সেখানে ময়লা ফেলে রাখেনা। কোনো প্রোগ্রাম এক মিনিট দেরিতে শুরু হয় না। এক মিনিট ট্রেন লেট করেছিলো বলে - পত্রিকার পাতায় ক্ষমা চাওয়া হয়েছিলো।
টেকনোলজি আর ডেভেলপমেন্টে জাপান পৃথিবী থেকে দশ বছর এগিয়ে আছে। পুরো পৃথিবীর খাবার ফুরিয়ে গেলেও জাপানে আগামি ত্রিশ বছরের জন্য খাবার মজুদ আছে। বোমায় কয়লা হয়ে যাওয়া জাপান পুরো দুনিয়ার গাড়ীর বাজারে নেতৃত্ব দিচ্ছে। অথচ, জাপানে ভার্চুয়ালি কোনো ন্যাচারাল রিসোর্স বলতে কিছুই নেই।
জাপানের মানুষের মাঝে আছে শুধু বিনয় আর বিনয়। আর ক্ষমা প্রার্থনা। অবসরে যাওয়া জাপানি প্রধানমন্ত্রী বারবার বলছেন- কি করতে পেরেছি তার জন্য দয়া করে গুণ কীর্তন করবেন না। বরং যা করতে পারিনি সেটার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি। দু হাত একসাথে করে- জনগনের সামনে মাথা নীচু করে- (যেটা জাপানি কালচার) - বারবার ক্ষমা চাচ্ছিলেন জাপানের বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী সিনজো আবে।
সামনে রোজা আসছে। দেখবেন রোজার আগমনে অন্যান্য মুসলিম দুনিয়া শান্ত হয়ে আসছে। মানুষের মাঝে একটা ভাবগম্ভীর পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। কিন্তু আমাদের দেশে শুরু হবে কেনা কাটার মচ্ছব। যার দুই কেজি পিঁয়াজ দরকার সে কিনবে বিশ কেজি। যার এক কেজি চিনি দরকার সে কিনবে- দশ কেজি। এমন করে খাবার মজুদ করা শুরু হবে - যেন সারা বছর না খেয়ে ছিলো। রোজার পরও আর কোনোদিন খাবার খাবোনা। দুনিয়ার সব খাবার এই ত্রিশ দিনেই খেয়ে শেষ করতে হবে। এই সুযোগে পবিত্র রমজানের ব্যানার টাঙ্গিয়ে দ্রব্য মূল্যের দাম বাড়িয়ে ব্যবসায়ীরাও অপবিত্র কাজ করা শুরু করে দিবে।
আমাদের মোড়ে মোড়ে এতো এতো মসজিদ, মাঠে মাঠে এতো ওয়াজ, গলিতে গলিতে এতো মাজার হওয়ার পরও পরিবর্তন হচ্ছে না কেন? ধর্মের দোষ দিচ্ছিনা, মসজিদেরও না, মাজারেরও না। শুধু আত্মসমালোচনা করছি।
মহান আল্লাহ তা'আলা আমাদের আরো বেশি বিনয়ী হওয়ার তৌফিক দান করুন, আমিন।
সব উম্মতে মোহাম্মাদী যদি বিভিন্ন নাম দিয়ে জান্নাতে যায়, আমার জায়গা কম পড়বে না।
ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহিমাহুল্লাহ।
কপি পোষ্ট
#ইসলামী আন্দোলন সম্পর্কে জানতে
হলে, মতামত পেশ করতে হলে
তাত্ত্বিক দিকের নূন্যতম যে সব
জানতেই হবে তার একটা
তালিকাঃ .
১.আল-কুরআন
শুদ্ধভাবে কুরআন পড়তে চেষ্টা করা।
তাজবীদ ও কুরআন সংক্রান্ত
প্রাথমিক জ্ঞান।
ইলমুল কুরআন ও সহীহ কুরআন তেলাওয়াত
শিক্ষা
মানুষের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, ঈমান,
আখেরাত, ইসলামী আন্দোলন না
করার পরিণাম, আনুগত্য, পর্দা,
তাকওয়া, বাইয়াত, মুমিনের
গুনাবলী প্রভৃতি সংক্রান্ত আয়াত
মুখস্থ।
তাজবীদ সংক্রান্ত মৌলিক জ্ঞান
ইলমুল কুরআন-পরিচয়, নাজিল ও
সংকলনের ইতিহাস, অধ্যয়নে সমস্যা,
নিয়ম ও সমাধান এবং কুরআন
ব্যাখ্যার মূলনীতি ইত্যাদি
সম্পর্কে বিশদ জ্ঞান অর্জন।
সম্পূর্ণ কুরআন কমপক্ষে একবার অর্থসহ
তিলাওয়াত করা।
মুখস্থকরণঃ অর্থসহ মুখস্থ কমপক্ষে ১১টি
সূরা (সূরা ফাতিহা ও ফিল থেকে
নাস), তাওহীদ, রিসালাত,
আখিরাত, তাকওয়া, সংগঠন,
ইসলামী আন্দোলন, বাইয়াত, ত্যাগ-
কুরবানী, মুমিনের গুনাবলী, পর্দা,
অর্থ ব্যবস্থা ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা এবং
লক্ষ্য উদ্দেশ্য-পাঁচদফা কর্মসুচী
সংক্রান্ত আয়াত।
দারস প্রস্তুত করতে শেখা।
২. আল-হাদীসঃ
হাদীস সংক্রান্ত প্রাথমিক জ্ঞান
অর্জন করা।
ঈমান, ইসলাম, আখিরাত, ইলম,
নামাজ ও ইসলামী আন্দোলন
সম্পর্কে হাদীস জানা।
হাদীস সংক্রান্ত মৌলিক
জ্ঞানার্জন
ইলমুল হাদীসঃ সংজ্ঞা,
শ্রেণীবিভাগ, গুরুত্ব, সহীহ
হাদিসের বৈশিষ্ট্য ও পরিভাষা
সংক্রান্ত জ্ঞানঃ সনদ, মতন,
রেওয়ায়েত, দেরায়েত ও রাবী
ইত্যাদি।
হাদীস বর্ণনার প্রার্থক্যের কারণ।
হাদীস সংরক্ষন ও সংকলনের
ইতিহাস।
উপমহাদেশে ইলমে হাদীস চর্চা।
দারসে হাদিস প্রস্তুত করতে
শেখা।
মুখস্থকরণঃ ঈমান, নৈতিক
চরিত্র,তাকওয়া, ইসলামী আন্দোলন,
ইসলামী আন্দোলন না করার
পরিনাম, আখিরাত, আল্লাহর পথে
অর্থ ব্যয়, মোয়ামেলাত, পর্দা,
বাইয়াত, আনুগত্য এবং মানুষের লক্ষ্য-
উদ্দেশ্য এর উপর হাদীস।
৩. মাসয়ালা-মাসায়েলঃ
অজু, গোসল ও তায়াম্মুম সংক্রান্ত
প্রয়োজনীয় মাসয়ালা-মাসায়েল
নামাজ-রোজা সংক্রান্ত
প্রয়োজনীয় মাসয়ালা-মাসায়েল
ঈমান, শিরক-বিদয়াত
ইসলামের মৌলিক অনুশাসন
সংক্রান্ত জ্ঞান, ফরজ, ওয়াজিব,
হালাল, হারাম, কবীরা গুনাহ।
তাহারাত (পবিত্রতা), নামাজ,
রোজা ও পর্দা সংক্রান্ত
প্রয়োজনীয় মাসয়ালা-
মাসায়েল।
৩. (ক) ফিকাহ ও প্রাথমিক উসূলে
ফিকাহঃ
তাহারাতঃ
সংজ্ঞা ও পরিচিতি
অপবিত্রতাঃ শ্রেণী বিভাগ,
পানির পবিত্রতা
পোশাক-পরিচ্ছেদের পবিত্রতা,
এস্তেঞ্জা
অজুঃ ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাত,
মুস্তাহাব ও মাকরূহ ইত্যাদি
তায়াম্মুমঃ সংজ্ঞা, কখন সিদ্ধ হয়,
ফরজসমুহ
হালাল হারামের সামগ্রিক ও
মৌলিক ধারণা
সুন্নাত ও বিদয়াত সংক্রান্ত
মৌলিক ধারণা
সালাতঃ
ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাত, মুস্তাহাব,
মাকরূহ ইত্যাদি
নামাজ নষ্ট হওয়ার কারণসুমহঃ সাহু
সিজদা, জামায়াতে নামাজের
নিয়ম-কানুন সমূহ
জুময়া, ঈদ ও জানাজার নামাজ, কসর
ও কাজা নামাজ
সওমঃ
ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাত, মুস্তাহাব,
মাকরূহ ইত্যাদি
কাফ্ফারা ও কাজা সওম
পর্দা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় বিধি
বিধান
যাকাত ও হজ্জের সংক্ষিপ্ত
পরিচিতি
শপথের(কসম) প্রকারভেদ, কাফফারা
৪. ইসলামী আদর্শঃ
ঈমানের প্রাথমিক পরিচয় ও দাবী
ইসলামী জীবন ব্যাবস্থা সম্পর্কে
প্রাথমিক ধারণা
মুসলমান কাকে বলে? মুসলমান ও
কাফেরের মধ্যে পার্থক্য
আখিরাত সম্পর্কে ধারনা
আল্লাহর দিকে আহ্বানের গুরুত্ব ও
পদ্ধতি
ইসলামের সোনালী ঐতিহ্য/অতীত
ঈমানের পরিচয়, তাৎপর্য ও দাবী
পূর্ণাঙ্গ মুসলমান কাকে বলে?
তাওহীদ রিসালাত ও আখিরাত
ইবাদত কাকে বলে
মৌলিক ইবাদতসমূহের গুরুত্ব ও
তাৎপর্য
দ্বীন ও শরীয়ত
ঈমানের মৌলিক বিষয়সমূহ ও
তাৎপর্য
তাওহীদ, রেসালাত ও আখিরাত
সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান।
৪.(ক) ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থাঃ
ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা সম্পর্কে
মৌলিক ধারণা
ইসলামী নৈতিকতা, রাজনীতি,
রাষ্ট্র ব্যবস্থা, অর্থনীতি ও শিক্ষা
ব্যবস্থা সম্পর্কে জ্ঞানার্জন।
জীবন ও জগৎ সম্পর্কে ইসলামের
ধারণা-পৃথিবীতে মানুষের স্থান
ইসলামী সমাজের বৈশিষ্ট্য
ব্যক্তি, পরিবার, আত্মীয়তা,
প্রতিবেশী, পারিবারিক
অধিকার ও কর্তব্য
ইসলামী সমাজে নারীর স্থান,
অধিকার ও কর্তব্য
ইসলামী ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের স্থান
দারুল হরব, দারুল কুফর ও দারুল
ইসলামঃ সংজ্ঞা ও প্রার্থক্য
ইসলামী রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য
ইসলামী রাষ্ট্রের মৌলিক
দায়িত্বসমুহ
ইসলামী রাষ্ট্রের শাসনতন্ত্র
ইসলামী রাষ্ট্রের আইন, বিচার ও
শাসন বিভাগঃ অধিকার, দায়িত্ব,
কর্তব্য ও পারস্পারিক সম্পর্ক
রাষ্ট্র প্রধানঃ নির্বাচন,
অধিকার ও কর্তব্য
ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মৌলিক
অধিকার
ইসলামী রাষ্ট্রে অমুসলিমদের
অধিকার
৪. (খ) ইসলামী অর্থনীতিঃ
ইসলামী অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য ও
রূপরেখা
উৎপাদন, বন্টন ও ভোগ ব্যবস্থা
অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও মজুরের
অধিকার
জাতীয়করণ ও ইসলামী দৃষ্টিকোণ
যাকাত ব্যবস্থা ও সুদবিহীন ব্যাংক
ব্যবস্থা
পূঁজিবাদ, সমাজতন্ত্র ও ইসলামঃ
তুলনামূলক অধ্যয়ন
৪. (গ) শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিঃ
ইসলামী জীবন ব্যবস্থায় শিক্ষার
গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা
ইসলামী শিক্ষার বৈশিষ্ট্য ও
রূপরেখা
ইসলামী জীবন ব্যবস্থায় সংস্কৃতির
স্থান
ইসলামী সংস্কৃতির রূপরেখা
ইসলামী সংস্কৃতির লক্ষ্য ও
বৈশিষ্ট্য
সাংস্কৃতিক আগ্রাসন
৫. সংগঠন ও ইসলামী আন্দোলনঃ
সংগঠনের গুরুত্ব সম্পর্কে জানা
ইসলামী আন্দোলন কি, কেন এবং
না করার পরিনাম
সংগঠনের কাঠামোর, কর্মসূচী,
কর্মপদ্ধতি ও ঐতিহ্যকে জানা
আদর্শ প্রচারের পদ্ধতি অবগত হওয়া
ইসলামী আন্দোলনঃসংজ্ঞা,
উদ্দেশ্য, লক্ষ্য, তাৎপর্য, গুরুত্ব ও
প্রয়োজনীয়তা
আন্দোলনের ধারা ও প্রকৃতি,
সফলতার শর্ত, না করার পরিণাম
আন্দোলনের কর্মীদের পারস্পরিক
সম্পর্ক
ইসলামী আন্দোলনের ইতিহাস,
সমস্যা ও সম্ভাবনা।
ইসলামী আন্দোলনের সংজ্ঞা, গুরুত্ব
ও প্রয়োজনীয়তা
ইসলামী আন্দোলনের ধারা ও
কর্মনীতি
ইসলামী আন্দোলনের সফলতার জন্য
প্রয়োজনীয় নৈতিকতা ও মানবীয়
গুনাবলী
অন্যান্য আন্দোলনের সাথে
ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থক্য
যুগে যুগে ইসলামী আন্দোলনের
সফলতা ও ব্যর্থতার কারণ
নবুওয়াত ও রিসালাত, নবী-
রাসুলদের দায়িত্ব ও কাজ
তাজদীদে দ্বীন ও মুজাদ্দিদের
কার্যাবলী
৫(ক). ইতিহাস, চরিত্র ও আদর্শঃ
আম্বিয়াগনের (আঃ) সংক্ষিপ্ত
জীবনী; তদানীন্তন আন্দোলনের
অবস্থা।
নবুয়তে মুহাম্মদী – জীবন ও কর্ম
মাক্কী জীবনঃ নবুয়ত প্রাপ্তি,
দাওয়াতের সূচনা, প্রতিবন্ধকতা,
তায়েফ গমন, হিজরত
মাদানী জীবনঃ রাষ্ট্র গঠন,
পরিচালনা ও প্রশাসন, অর্থনৈতিক ও
সামাজিক সংষ্কার,
বৈদেশিকনীতি ও সমরনীতি,
অমুসলিমদের প্রতি আচরণ, নারী
সমাজের মর্যাদা, বদর, ওহুদ ও
খন্দকের যুদ্ধ, হুদাইবিয়ার সন্ধি,
মক্কা বিজয়, তাবুক যুদ্ধ, বিদায় হজ্জ
ইত্যাদি।
প্রসিদ্ধ সাহাবীদের জীবন ও
চরিত্র
খেলাফতঃ রাষ্ট্র গঠন, পরিচালনা
ও প্রশাসন, অর্থনৈতিক ও সামাজিক
সংস্কার।
বৈদেশিক নীতি ও সমরনীতি,
অমুসলিমদের প্রতি আচরণ, নারী
সমাজের মর্যাদা, খেলাফত পতনের
কারণ।
ওমর ইবনে আব্দুল আযীয, ইমাম আবু
হানিফা, ইমাম মালেক, ইমাম
শাফী ও ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল
ইমাম গাজ্জালী (র), ইমাম ইবনে
তাইমিয়া, মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল
ওহাব, জামালুদ্দিন আফগানী,
বদিউজ্জামান নুরসী প্রমুখ
বিভিন্ন দেশে ইসলাম প্রচার
উপমহাদেশে ইসলামী আন্দোলন
বাংলাদেশে ইসলামের আগমন
শাহ ওয়ালী উল্লাহ মুহাদ্দেস
দেহলভী (র)
শাহ আব্দুল আযীয (র)
মুজাহিদ আন্দোলনের উত্থান,
সংগঠন ও কার্যক্রম পরিচালনা
হযরত শাহ জালাল ও শাহ মাখদুম (র)
ফারায়েজী আন্দোলন
তিতুমীরের আন্দোলন
উপমহাদেশের আযাদী আন্দোলন
সাইয়েদ আহমদ দেহলভী (র)
শায়খ আহমদ সরহিন্দ (মুজাদ্দীদে
আলফে সানী)
ইখওয়ানুল মুসলিমীন ও জামায়াতে
ইসলামীঃ উন্মেষ, ক্রমবিকাশ,
বর্তমান অবস্থা
বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী
সংগঠনের পরিচিতি
বিভিন্ন দেশের ইসলামী
আন্দোলনের অবস্থা, সমস্যা ও
সম্ভাবনা
৬. সংগঠন সংক্রান্তঃ
সংগঠনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্যে, কর্মসূচী,
কর্মকৌশল, বৈশিষ্ট্য, ইতিহাস
ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত
অধ্যয়ন।
সংগঠনের দাওয়াতী কর্মসূচী,
দাওয়াতদানকারীর মর্যাদা ও
বৈশিষ্ট্য, দাওয়াতের পদ্ধতি-
ধারা ও কৌশল, ইসলামী
দাওয়াতের বিষয়বস্তু ও তাৎপর্য।
কর্মী গঠন, পরিকল্পনা গ্রহন ও
বাস্তবায়ন নেতৃত্বঃ ইসলামের
দৃষ্টিতে নেতৃত্ব ও সংগঠন
পরিচালনা
আনুগত্য, পরামর্শ ও এহতেছাব
৭. বিবিধঃ অন্যান্য মতবাদ ও
সমসাময়িক জ্ঞানার্জন
ক্যারিয়ার সচেতনতা এবং মন ও
মননের বিকাশ
জ্ঞান বিজ্ঞান ও আধুনিক প্রযুক্তি
সম্পর্কে ধারনা অর্জন।
ইংরেজী এবং আরবী ভাষায়
দক্ষতা অর্জনের সহায়ক বই অধ্যয়ন
আধুনিক বিজ্ঞান, তথ্য প্রযুক্তি
সম্পর্কে সম্যক জ্ঞানার্জন
আন্দোলনের প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে
সম্যক ধারণা অর্জন
বিজ্ঞানে মুসলমানদের অবদান
সাম্প্রতিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক
পরিস্থিতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা
অর্জন
ক্যারিয়ার গঠনের প্রয়োজনীয়তা
ও পদ্ধতি সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন
চিরন্তন ও সমসাময়িক কালের
গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক
বিষয় সম্পর্কে জ্ঞানার্জন।
বিশ্বায়ন (Globalization)
সুশাসন (Good Governance)
আইন ও মানবাধিকার (Law & Human
Rights)
দুর্নীতি ও সন্ত্রাস (Corruption &
Terrorism)
স্বাস্থ্য অত্যাবশ্যকীয় (Health।।।।
"ইসলাম হচ্ছে শ্রেষ্ঠ ধর্ম এবং মুসলমানরা হচ্ছে সর্ব নিকৃষ্ট অনুসারী।" ইসলামিক দেশগুলি কতখানি ইসলামিক এই নিয়ে গবেষণা করেন জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক হুসেন আসকারী।
গতকাল নেটে এমন তথ্য পড়ে মোটেও বিচলিত হইনি।
ইসলাম ধর্মে রাষ্ট্র ও সমাজ চলার যে বিধান দেয়া হয়েছে তা যে দেশগুলি প্রতিদিনের জীবনে মেনে চলে তা খুঁজতে যেয়ে দেখা গেলো,-- যারা সত্যিকার ভাবে ইসলামিক বিধানে চলে তারা কেউ বিশ্বাসী মুসলিম দেশ নয়।
স্টাডিতে দেখা গেছে সবচেয়ে ইসলামিক বিধান মেনে চলা দেশ হচ্ছে নিউজিল্যান্ড এবং দ্বিতীয় অবস্থানে লুক্সেমবার্গ। তারপর এসেছে পর্য্যায়ক্রমে আয়ারল্যান্ড, আইসল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক ষষ্ঠ ও কানাডা সপ্তম অবস্থানে। মালয়েশিয়া ৩৮তম, কুয়েত ৪৮তম, বাহরাইন ৬৪তম, এবং অবাক করা কান্ড সৌদি আরব ১৩১তম অবস্থানে। গ্লোবাল ইকোনমি জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় বাংলাদেশের অবস্থান সৌদীদেরও নীচে।
গবেষণায় দেখা গেছে, মুসলমানরা নামাজ, রোজা, সুন্নাহ, কোরআন, হাদিস, হিজাব, দাড়ি, লেবাস নিয়ে অতি সতর্ক কিন্তু রাষ্ট্রীয়, সামাজিক ও পেশাগত জীবনে ইসলামের আইন মেনে চলেনা। মুসলমানরা পৃথিবীর সবার চেয়ে বেশি ধর্মীয় বয়ান,ওয়াজ নসিহত শোনে কিন্তু কোন মুসলিম দেশ পৃথিবীর সেরা রাষ্ট্র হতে পারেনি। অথচ গত ষাট বছরে মুসলমানরা অন্ততঃ ৩০০০ বার জুমার খুতবা শুনেছে।
একজন বিধর্মী চাইনিজ ব্যবসায়ী বলেছেন, মুসলমান ব্যবসায়ীরা আমাদের কাছে এসে দুই নম্বর নকল জিনিষ বানানোর অর্ডার দিয়ে বলে, অমুক বিখ্যাত কোম্পানির লেভেল লাগাবেন। পরে যখন তাদেরকে বলি আমাদের সাথে খানা খান, তখন তাঁরা বলেন, হালাল না, তাই খবোনা। তাহলে নকল মাল বিক্রি করা কি হালাল?
একজন জাপানি নব্য মুসলিম বলেছেন, আমি পশ্চিমা দেশগুলিতে অমুসলিমদের ইসলামের বিধান পালন করতে দেখি, আর পূর্বের দেশগুলিতে ইসলাম দেখি কিন্তু কোন মুসলিম দেখিনা। আলহামদুলিল্লাহ, আমি আগেই ইসলাম এবং মুসলমানদের পার্থক্য বুঝেই আল্লাহর ধর্ম গ্রহন করেছি। ইসলাম ধর্ম শুধু নামাজ রোজা নয়, এটি একটি জীবন বিধান এবং অন্যের সাথে মোয়ামালাত আর মোয়াশারাতের বিষয়। একজন নামাজ রোজা পড়া আর কপালে দাগওয়ালা মানুষও আল্লাহর চোখে একজন মোনাফেক হতে পারে।
নবী(স) বলেছেন, "আসল সর্বহারা আর রিক্ত মানুষ হচ্ছে তারা, যারা কেয়ামতের দিন রোজা, নামাজ, অনেক হজ্জ্ব, দান খয়রাত নিয়ে হাজির হবে কিন্তু দুর্নীতি করে সম্পদ দখল, অন্যদের হক না দেয়া, মানুষের উপর অত্যাচারের কারণে রিক্ত হস্তে জাহান্নামে যাবে।"
ইসলামের দুটি অংশ, একটি হচ্ছে বিশ্বাসের প্রকাশ্য ঘোষণা যাকে 'ঈমান' বলা হয়, আর একটি হচ্ছে বিশ্বাসের অন্তর্গত বিষয় যাকে 'এহসান' বলা হয়,-- যা ন্যায়গতভাবে সঠিক সামাজিক নিয়ম কানুন মেনে চলার মাধ্যমে বাস্তবায়ন হয়। দুটোকে একত্রে প্র্যাকটিস না করলে ইসলাম অসম্পূর্ন থেকে যায় যা প্রতিটি নামের মুসলমান দেশে হচ্ছে।
ধর্মীয় বিধি নিষেধ মানা যার যার ব্যক্তিগত দায়িত্বের মধ্যে পড়ে এবং এটি আল্লাহ ও বান্দার মধ্যকার বিষয়। কিন্তু সামাজিক বিধি নিষেধ মেনে চলা একজন বান্দার সাথে অন্য বান্দার মধ্যকার বিষয়। অন্য কথায় ইসলামিক নীতিমালা যদি মুসলমানরা নিজেদের জীবনে ব্যবহারিক প্রয়োগ না করে, মুসলিম সমাজ দুর্নীতিতে ছেয়ে যাবে এবং আমাদের ভবিষ্যৎ হবে অসম্মানজনক।
বার্নার্ড' শ একবার বলেছিলেন, "ইসলাম হচ্ছে শ্রেষ্ঠ ধর্ম এবং মুসলমানরা হচ্ছে সর্ব নিকৃষ্ট অনুসারী"।
কপিরাইট
কুরআনে ১১৪টি সূরা?
১. আল ফাতিহা (সূচনা)
২. আল বাকারা (বকনা-বাছুর)
৩. আল ইমরান (ইমরানের পরিবার)
৪. আন নিসা (নারী)
৫. আল মায়িদাহ (খাদ্য পরিবেশিত টেবিল)
৬. আল আনআম (গৃহপালিত পশু)
৭. আল আরাফ (উঁচু স্থানসমূহ),
৮. আল আনফাল (যুদ্ধে-লব্ধ ধনসম্পদ),
৯. আত-তাওবাহ্ (অনুশোচনা),
১০. ইউনুস (নবী ইউনুস),
১১. হুদ (নবী হুদ),
১২. ইউসুফ (নবী ইউসুফ),
১৩. আর রা'দ (বজ্রপাত),
১৪. ইব্রাহীম (নবী ইব্রাহিম),
১৫. সূরা আল হিজর (পাথুরে পাহাড়),
১৬. আন নাহল (মৌমাছি),
১৭. বনী-ইসরাঈল (ইহুদি জাতি),
১৮. আল কাহফ (গুহা),
১৯. মারইয়াম (মারইয়াম (ঈসা নবীর মা))
২০. ত্বোয়া-হা (ত্বোয়া-হা),
২১. আল আম্বিয়া (নবীগণ),
২২. আল হাজ্জ্ব (হজ্জ),
২৩. আল-মু'মিনূন (মুমিনগণ),
২৪. আন-নূর (আলো),
২৫. আল ফুরকান (সত্য মিথ্যার পার্থক্য নির্ধারণকারী গ্রম্থ),
২৬. আশ শুআরা (কবিগণ),
২৭. আন নম্ল (পিপীলিকা),
২৮. আল কাসাস (কাহিনি),
২৯. আল-আনকাবূত (মাকড়শা),
৩০. আর রুম (রোমান জাতি),
৩১. লোক্মান (একজন জ্ঞানী ব্যক্তি),
৩২. আস সেজদাহ্ (সিজদা),
৩৩. আল-আহযাব (জোট),
৩৪. সাবা (রানী সাবা/শেবা),
৩৫. ফাতির (আদি স্রষ্টা),
৩৬. ইয়াসীন (ইয়াসীন),
৩৭. আস ছাফ্ফাত (সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো),
৩৮. ছোয়াদ (আরবি বর্ণ),
৩৯. আয্-যুমার (দলবদ্ধ জনতা),
৪০. আল মু'মিন (বিশ্বাসী)
৪১. হা-মীম সেজদাহ্ (সুস্পষ্ট বিবরণ),
৪২. আশ্-শূরা (পরামর্শ),
৪৩. আয্-যুখরুফ (সোনাদানা),
৪৪. আদ-দোখান (ধোঁয়া),
৪৫. আল জাসিয়াহ (নতজানু),
৪৬. আল আহ্ক্বাফ (বালুর পাহাড়),
৪৭. মুহাম্মদ (নবী মুহাম্মদ (সা.) ),
৪৮. আল ফাত্হ (বিজয়, মক্কা বিজয়),
৪৯. আল হুজুরাত (বাসগৃহসমূহ),
৫০. ক্বাফ (ক্বাফ),
৫১. আয-যারিয়াত (বিক্ষেপকারী বাতাস),
৫২. আত্ব-তূর (তূর পাহাড়),
৫৩. আন-নাজম (তারা),
৫৪. আল-ক্বামার (চন্দ্র)
৫৫. আর রাহমান (পরম করুণাময়)
৫৬. আল ওয়াক্বিয়াহ্ (নিশ্চিত ঘটনা)
৫৭. আল-হাদীদ (লোহা)
৫৮. আল-মুজাদালাহ (অনুযোগকারিণী),
৫৯. আল-হাশর (সমাবেশ),
৬০. আল-মুমতাহিনাহ (নারী, যাকে পরীক্ষা করা হবে),
৬১. আস-সাফ (সারবন্দী সৈন্যদল),
৬২. আল-জুমুআ (সম্মেলন/শুক্রবার),
৬৩. আল-মুনাফিকুন (কপট বিশ্বাসীগণ),
৬৪. আত-তাগাবুন (মোহ অপসারণ),
৬৫. আত-তালাক (তালাক),
৬৬. আত-তাহরীম (নিষিদ্ধকরণ),
৬৭. আল-মুলক (সার্বভৌম কর্তৃত্ব),
৬৮. আল-কলম (কলম),
৬৯. আল-হাক্কাহ (নিশ্চিত সত্য),
৭০. আল-মাআরিজ (উন্নয়নের সোপান),
৭১. নূহ (নবী নূহ)
৭২. আল জ্বিন (জ্বিন সম্প্রদায়)
৭৩. আল মুজাম্মিল (বস্ত্রাচ্ছাদনকারী)
৭৪. আল মুদ্দাস্সির (পোশাক পরিহিত),
৭৫. আল-কিয়ামাহ (পুনরুত্থান),
৭৬. আদ-দাহর (সময়),
৭৭. আল-মুরসালাত (প্রেরিত পুরুষগণ),
৭৮. আন নাবা (মহাসংবাদ),
৭৯. আন-নাযিয়াত (প্রচেষ্টাকারী),
৮০. আবাসা (তিনি ভ্রুকুটি করলেন),
৮১. আত-তাকভীর (অন্ধকারাচ্ছন্ন),
৮২. আল-ইনফিতার (বিদীর্ণ করা),
৮৩. আত-মুত্বাফ্ফিফীন (প্রতারণা করা),
৮৪. আল ইনশিকাক (খণ্ড-বিখণ্ড করণ),
৮৫. আল-বুরুজ (নক্ষত্রপুঞ্জ),
৮৬. আত-তারিক্ব (রাতের আগন্তুক),
৮৭. আল আ’লা (সর্বোন্নত),
৮৮. আল গাশিয়াহ্ (বিহ্বলকর ঘটনা),
৮৯. আল ফাজ্র (ভোরবেলা),
৯০. আল বালাদ (নগর),
৯১. আশ শামস (সূর্য),
৯২. আল লাইল (রাত্রি),
৯৩. আদ দুহা (পূর্বাহ্নের সূর্যকিরণ),
৯৪. আল ইনশিরাহ (বক্ষ প্রশস্তকরণ),
৯৫. আত-ত্বীন (ডুমুর),
৯৬. আল আলাক (রক্তপিণ্ড),
৯৭. আল ক্বাদর (মহিমান্বিত),
৯৮. আল বাইয়্যিনাহ (সুস্পষ্ট প্রমাণ),
৯৯. আল যিলযাল (ভূমিকম্প),
১০০. আল আদিয়াত (অভিযানকারী),
১০১. আল ক্বারিয়াহ (মহাসংকট),
১০২. আত তাকাসুর (প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা),
১০৩. আল আছর (সময়),
১০৪. আল হুমাজাহ (পরনিন্দাকারী),
১০৫. আল ফিল (হাতি),
১০৬. কুরাইশ (কুরাইশ গোত্র),
১০৭. আল মাউন (সাহায্য-সহায়তা),
১০৮. আল কাওসার (প্রাচুর্য),
১০৯. আল কাফিরুন (অবিশ্বাসী গোষ্ঠী),
১১০. আন নাসর (স্বর্গীয় সাহায্য),
১১১. আল লাহাব (জ্বলন্ত অঙ্গার),
১১২. আল ইখলাস (একত্ব)
১১৩. আল ফালাক (নিশিভোর)
১১৪. আন নাস (মানবজাতি)
কখনো আল্লাহ আমাদের দুর্বল করে দেন
অধিক শক্তিশালী হবার জন্য।
কখনো আল্লাহ আমাদের হৃদয় চূর্ণ করে দেন
আমাদের পরিপূর্ণ করার জন্য।
কখনো আল্লাহ আমাদের দুঃখ সইতে দেন
অধিক সহনশীল হবার জন্য।
কখনো আল্লাহ আমাদের ব্যর্থতা দেন
জীবন সংগ্রামে জয়ী হবার জন্য।
কখনো আল্লাহ আমাদের একাকিত্ব দেন
অধিক সচেতন হবার জন্য।
কখনো আল্লাহ আমাদের সর্বস্ব ছিনিয়ে নেন
আল্লাহর রহমতের মূল্য বুঝার জন্য।
সুতরাং হতাশ হওয়া যাবেনা। নিরাশ হলে চলবে না। সর্বাবস্থায় আল্লাহর উপর ভরসা করতে হবে। ধৈর্য্য ধারন করতে হবে। কেননা আল্লাহ তায়ালা বলেছেন -
"অবশ্যই আমি তোমাদেরকে পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, মাল ও জানের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের।" সূরা আল বাক্বারাহ ১৫৫।
আল-কুরআনের ১০ টি নাম।
১) ( আল হুদা) পদপ্রদর্শক।
২) ( আল ফুরকান) পার্থক্যকারী।
৩) ( আয্- যিকর) উপদেশ।
৪) ( আল হিকমাহ) প্রজ্ঞা।
৫) ( আল শিফা) উপশমকারী।
৬) ( কিতাবুম মুবিন) সুস্পষ্ট কিতাব।
৭) ( আল কিতাব) গ্রন্থ।
৮) ( আন নূর) আলো।
৯) ( আল ওহি) প্রত্যাদেশ।
১০) (আল কালাম) বাণী
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Chauddagram, Comilla
Comilla