Jagatpur sadhana high school

Jagatpur sadhana high school

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Jagatpur sadhana high school, Middle School, jagatpur, Titas, Cumilla.

25/11/2020

২০০৫ এ বিএনপি সরকার যখন মাধ্যমিক পর্যায়ে সায়েন্স-আর্টস-কমার্স বাদ দিয়ে একমুখী শিক্ষা প্রস্তাব করেছিল, জাফর ইকবাল স্যার তখন খুব রাগ করেছিলেন। তিনি পত্র-পত্রিকার পাতা কাঁপিয়ে যুক্তি তো দিয়েছিলেনই যে কেন এই একমুখী শিক্ষা বন্ধ করা দরকার, একই সঙ্গে আন্দোলনেও নেমেছিলেন যেন সরকার এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। স্যারের ভাষ্য অনুযায়ী একমুখী শিক্ষা মানে শুধু সায়েন্স-আর্টস-কমার্স এক করে দেয়া নয়, বরং ইংরেজি মাধ্যম, বাংলা মাধ্যম ও বিপুল পরিমাণ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের একসাথে একই সিলেবাস পড়ানোর নামই একমুখী শিক্ষা। একই সঙ্গে স্যার আরও বলেছিলেন যে, সরকার যেই পাঠ্যক্রম প্রস্তাব করেছে সেখানে ১০০ নম্বরের ধর্মশিক্ষা আছে, ১০০ নম্বরের ব্যাবসায় শিক্ষা আছে, কিন্তু ফিজিক্স আর কেমিস্ট্রির জন্য বরাদ্দ আছে কেবল ৩৭.৫ নম্বর করে। অর্থাৎ ছাত্র-ছাত্রীরা যতটুকু পদার্থবিজ্ঞান (কিংবা রসায়ন) শিখবে তার থেকে তিনগুণ তাদের ধর্ম কিংবা ব্যবসায় শিক্ষা শিখতে হবে। স্যার আরও বলেছিলেন শিক্ষকের হাতে যদি তিরিশ নম্বর থাকে তাহলে সেটা কখনোই ন্যায়সঙ্গতভাবে দেয়া হবে না।

যাহোক, স্যারের তীব্র আন্দোলনের মুখেই হোক, স্যারের বিশেষজ্ঞ মতামতকে সম্মান জানিয়েই হোক, বা যে কোন কারণেই হোক, তৎকালীন বিএনপি-জামাত সরকার এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে।

পনের বছর পর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দে একই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। মাধ্যমিকে থাকছে না সায়েন্স-আর্টস-কমার্স, সবাইকে একই বিষয় পড়তে হবে। এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান নামে একটি বিষয় থাকবে, তবে সেখানে ফিজিক্স বা কেমিস্ট্রি আদৌ ৩৭.৫ করে থাকবে না তার চেয়েও কমে যাবে সেটা স্পষ্ট নয় এখনও। এসএসসিতে দশটি বিষয়ের মাঝে পাঁচটি বিষয়ের পরীক্ষা হবে পাবলিকলি, আর পাঁচটি বিষয়ের মার্কস (অর্থ্যাৎ পুরো পরীক্ষার ৫০% মার্কস) আসবে স্কুল থেকে, অর্থ্যৎ স্কুলের শিক্ষকদের হাতেই থাকবে ৫০% মার্কস। এই সিলেবাসে 'ভাল থাকা' নামে বিষয় আছে, তবে কৃষিশিক্ষা নেই।

জাফর ইকবাল স্যার এই শিক্ষানীতি নিয়ে তেমন আপত্তি করেননি, বরং খুঁজে দেখলাম এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে যখন এই নীতি পর্যালোচনা হচ্ছিল, তখন তিনি এটাকে স্বাগত জানিয়ে কলাম লিখেছিলেন। সেই কলামে তিনি বলেছেন যে - মাধ্যমিকে যার টাকা আছে, যে প্রাইভেট পড়তে পারবে, সে বিজ্ঞান বিভাগে পড়বে আর যার টাকা নেই প্রাইভেট পড়ার ক্ষমতা নেই তাকে মানবিক বা ব্যবসায় শিক্ষা পড়তে হবে - এটা কেমন কথা? কাজেই মাধ্যমিকে আলাদা বিভাগ থাকার প্রয়োজনই নেই। বরং সবারই কিছু বিজ্ঞান সঙ্গে কিছু অর্থনীতি পড়া ভাল।

স্যারের কাছে বিনীত অনুরোধ এই যে, আমাকে দয়া করে এই কয়েকটা পয়েন্ট একটু বুঝিয়ে বলুন।

১। আগে স্কুলের শিক্ষকের হাতে তিরিশ নম্বর ছিল, যেটার মিসইউজ হবে বলে আপনি রাজী হননি। এখন স্কুলের শিক্ষকদের হাতে ৫০% নম্বর চলে যাচ্ছে, এটার মিসইউজ হবে না আপনি কীভাবে নিশ্চিত হলেন?

২। ২০০৫ এ ১০০ নম্বরের ধর্মশিক্ষা ছিল আর এক বিজ্ঞান বিষয়ের মাঝে ফিজিক্স-কেমিস্ট্রি ৩৭.৫ করে ছিল। এখনও ১০০ নম্বরের ধর্মশিক্ষা থাকছে, সাথে একই বিজ্ঞান বিষয়ের মাঝে ফিজিক্স-কেমিস্ট্রি এবং সম্ভবত বায়োলজিও থাকছে। তাহলে ফিজিক্স-কেমিস্ট্রির মার্কস থাকছে ৩৩.৩ করে। আপনার যদি কেবলমাত্র ৩৭.৫ নম্বরের ফিজিক্স কেমিস্ট্রি পড়া নিয়ে আপত্তি থেকে থাকে, এখন ৩৩.৩ নম্বরের ফিজিক্স কেমিস্ট্রি পড়া নিয়ে আপত্তি নেই কেন?

৩। ১০০ নম্বরের ব্যবসায় শিক্ষা পড়তে দিতে আপনি রাজী হননি, বলেছিলেন বিজ্ঞান কম পড়ে ব্যবসায় শিক্ষা পড়ার কী দরকার? আমি একমত আপনার সঙ্গে। কিন্তু এখন যে ব্যবসায় শিক্ষাও নেই, এর বদলে আছে ১০০ নম্বরের 'ভাল থাকা'। এটাকে আপনি কেন জরুরী মনে করেন ব্যবসায় শিক্ষার চেয়েও?

৪। অর্থনীতি তো নতুন শিক্ষাক্রমে নাই-ই, কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে কৃষিশিক্ষাও নাই। আপনি কি সন্তুষ্ট?

৫। ২০০৫ এর তথাকথিত একমুখী শিক্ষার সঙ্গে আজকের এই নতুন শিক্ষাক্রমের পাঠ্যক্রমগত কী পার্থক্য আছে?

প্রশ্নগুলো সহজ স্যার, আর উত্তরও তো জানা। তবু আপনি বললে ভাল হয়, না বললেও ক্ষতি নাই।

- মাহমুদ হাসান

30/04/2020

কোথায় আছি আমরা ?

করোনা ভাইরাস নিয়ে চীন কাজ শুরু করেছে১৯৮০ সালেরও আগে। অনেকের গবেষণা মতেচীন ক্ষমতার লড়াইয়ে টিকে থাকার জন্য এইBioweapons নিয়ে কাজ করছিলো। হয়তোএক্সিডেন্টালি অথবা পরিকল্পনামাফিকভাইরাস নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে।আমেরিকা যখন NuclearWeapons নিয়ে কাজকরছে তখন চায়না করছে Bioweapons নিয়ে।নাকের ডগায় বসে থেকে ভারত তিলে তিলেগড়ে তুলেছে তার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। একটাবাটনে চাপলে ধুলায় মিশে যাবে অর্ধেকদুনিয়া।
ইজরাইলের মত রিফিউজি দেশ তারাও গড়েতুলেছে পৃথিবীর সবচেয়ে নিঃছিদ্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। আর বাংলাদেশ??
এই যুদ্ধে বাংলাদেশ কোথায়???
জাপানে ডিফেন্স ফোর্স তৈরীতে
আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ছিলো। জাপান
প্রতিরক্ষা খাতের পুরো অর্থই ট্রান্সফার করে দিলেন শিক্ষা খাতে। যেখানে স্কুল
লেভেলেই সহবৎ শেখানোর পাশাপাশি
জাপান সামরিক কৌশলও শেখালো তার
বাচ্চাদের। এলিট ফোর্স নেই কিন্তু পুরো
দেশের ১০০% নাগরিক যুদ্ধকৌশল শিখে বসে আছে।অন্যদিকে বাংলাদেশ, তিলে তিলে শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়েছে৷ বই থেকে মোরাল এডুকেশন তুলে দিয়েছে। কোচিংসেন্টারের ব্যবসা চাঙ্গা করতে গিয়ে পুরোজেনারেশনকে খেলাধুলা থেকে বিরতরেখেছে। খাবারে ফরমালিন বিষ মিশিয়েশারীরিক ভাবে দূর্বল জাতি তৈরি করেছে।
টাকার লোভে ডাক্তাররা মায়ের পেট কেটে
সিজারের নামে লাখে লাখে প্রি ম্যাচিউর
বেবি বের করে এনেছে। টেলিযোগাযোগ
কোম্পানি গুলো পরিকল্পনা করে ইয়াং
জেনারেশনকে ফেসবুক আড্ডায় ঢুকিয়ে
দিয়েছে। জোর করে ছাত্রদের সরল রৈখিক
রাজনীতিতে যুক্ত করা হয়েছে।
একটা দেশের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করার জন্য যা যা করা সম্ভব তার সব কিছুই এপ্লাই করা হয়েছে৷দেশের কোন স্ট্রং পররাষ্ট্র নীতি তৈরিহয়নি। বিজ্ঞান গবেষণায় কোন বরাদ্দ নেই, কারো কোন আগ্রহ নেই। সবাইকে বিসিএস গাইড ধরিয়ে দিয়ে সরকারের অনুগত করা হয়েছে। বেস্ট সেলিং এর দৌড়ে টিকে থাকতে
কেউ এখন আর বুদ্ধিবৃত্তিক লেখাঝুকা করতে আগ্রহী নয়। রাজনৈতিক দল গুলো মনের মাধুরী মিশিয়ে ইতিহাস বিকৃত করে চলেছে। মোট কথা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পররাষ্ট্র নীতি,বিজ্ঞান, ইতিহাস, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা,অর্থনীতি, পরিবেশ যে কোন সূচকেবাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ভয়াবহ অন্ধকার।এখানে ফ্লাইওভার নির্মাণকে উন্নতি বলা হয়,অথচ এই ফ্লাইওভার হাজারে হাজারে পড়ে আছে চায়নায়। একটা স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকে বিজয় ধরা হয়, অথচ নাসা ছুটে চলেছে গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে।একটা দেশ যার নিজস্বতা বলে কিচ্ছু নেই।
নিজস্ব ট্রেডমার্ক নেই, নিজস্ব আবিষ্কার
নেই, নিজস্ব পলিসি নেই, নিজস্ব প্রযুক্তি
নেই। এই দেশ নিয়ে গর্ব করার কি আছে আমি বুঝি না।হাওয়ায় দেশ চলছে।
ব্যাংকে টাকা রাখবেন, টাকা হাওয়া হয়ে
যাবে বুঝতেই পারবেন না৷
বিশ্ববিদ্যালয় বাচ্চাদের চাকুরীর জন্য তৈরি
করবে কিন্তু নতুন কোন আইডিয়া নিয়ে আলাপ হবে না।
আচ্ছা এই যে চীন আরো ৪০ বছর আগে থেকে করোনা ভাইরাস নিয়ে কাজ করছে এই তথ্য কেন বাংলাদেশের কাছে থাকবে না?
যে দেশের সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড়
বানিজ্যিক সম্পর্ক৷ হা* করতে গেলেও চাইনিজ
কমোড লাগে, সেই দেশ কেন আগে থেকেই
চায়নাকে অবজার্ভ করবে না? কেন তারা
জানবে না যে আগামীকাল চায়না কেমন
রিয়্যাক্ট করতে পারে? কেন আগে থেকেই
প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকবে না?
পুরোদস্তুর একটা খাদক (ভোক্তা) দেশ তৈরি হয়েছে। যাকে বলে বাজার! ভারতের বাজার,চায়নার বাজার, পাকিস্তানের বাজার,কোরিয়ার বাজার। শুধু বাজারই না, ৩য় শ্রেণীর পণ্য বিক্রি করার জন্য ২০ কোটি ক্রেতার এক বাজার। যাকে স্লেভ বললেও ভুল হবে না। স্বাধীনতার তকমা জড়িয়ে থাকবে,
কিন্তু আদতে দেশ, মন, মস্তিষ্ক বেচে বসে
আছে অন্য দেশের কাছে। যাদের নিজস্ব কোন ক্ষমতা নেই। পুরোটাই পরগাছা।
একটা ভাইরাসের ভ্যাকসিনের জন্য পর্যন্ত অন্য দেশের দিকে তাকিয়ে আছে। কাল এই ভ্যাকসিন যদি কেউ না দেয়, পুরো জাতি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে৷ হুদাই বড় বড় ডায়লগ,বাঙ্গালী বীরের জাতি।
চায়না যখন আগামী ১০ বছরের মধ্যে পৃথিবীর ক্ষমতা দখল করতে ব্যস্ত, আমেরিকা যখন গ্রহ
থেকে গ্রহান্তরে রকেট ছুটিয়ে চলেছে, ভারত যখন একটার পর একটা নিউক্লিয়ার টেস্ট করছে
তখন আমরা ব্যস্ত এই গবেষণায় যে স্বাধীনতার ভাষণ কে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু না জিয়াউর রহমান?
দুনিয়া যখন স্পেস ট্রাভেল করছে তখন আমরা একটা মেট্রোরেল তৈরি করেই নিজেদের উন্নত জাতি বলে নিজেরাই নিজেদের পীঠ চুলকাচ্ছি। আহা বাঙ্গালী!!
সঙ্গ দোষে লোহা ভাসে। কথায় আছে মূর্খের রাজা হওয়া থেকে জ্ঞানীর চাকর হওয়া উত্তম...

কপি

03/08/2019

জাতীয় সঙ্গীত আমার সোনার বাংলার সুর is a copied tune 😐

Ami Kothay Pabo Tare (Bengali: কোথায় পাবো তারে, "Where shall I meet him") is a Bengali song whose lyrics and tune were written by Baul singer Gagan Harkara. After the tune of music of this song Rabindranath Tagore composed Amar Shonar Bangla, the national anthem of Bangladesh.[1][2][3][4][5]

Source: https://en.m.wikipedia.org/wiki/Ami_Kothay_Pabo_Tare

অরিজিনাল গানটা এখানে শুনতে পারেনঃ

https://youtu.be/RaFetWNuaoE

মানে রবি ঠাকুরও কপিবাজ ছিলেন।

আর তুম্রা যারা নিজেদের পোস্ট কার্টেসি ছাড়া কপি হইলেই ফেবুতে হাউকাউ লাগায়ে দেও।

[জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা উদ্দেশ্য নয়। কপি পেস্টের হিস্টোরি জানানোই উদ্দেশ্য]

Ami Kothay Pabo Tare - Wikipedia Ami Kothay Pabo Tare (Bengali: কোথায় পাবো তারে, "Where shall I meet him") is a Bengali song whose lyrics and tune were written by Baul singer Gagan Harkara. After the tune of music of this song Rabindranath Tagore composed Amar Shonar Bangla, the national anthem of Bangl...

10/12/2017
04/11/2017

“লাশ গলে যাওয়ায় লোহার কাঁটার সাথে গেঁথে লাশ ট্রাকে তুলেছি। মেয়েদের লাশের কারো স্তন পাই নাই, যোনীপথ ক্ষতবিক্ষত এবং পিছনের মাংস কাটা দেখিছি”, বলছিলেন, ঢাকা পৌরসভার রেলওয়ে সুইপার কলোনীর সুইপার চুন্নু ডোম।

১৯৭১ সনের ২৮শে মার্চ আমাদের সুইপার ইন্সপেক্টর ইদ্রিস সাহেব আমাকে লাশ উঠাবার জন্য ডেকে ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটিতে নিয়ে যান। দেখলাম, ঢাকা জজ কোর্টের দক্ষিণ দিকের প্রবেশপথের যে রাজপথ শাঁখারীবাজারের দিকে চলে গেছে, সে রাস্তার দু’ধারে ড্রেনের পাশে যুবক-যুবতীর, নারী-পুরুষের, শিশু-কিশোরের বহু পচা লাশ।

বহু লাশ পচে ফুলে বীভৎস হয়ে আছে, দেখলাম শাখারীবাজারের দুদিকের ঘরবাড়ীতে আগুন জ্বলছে, অনেক লোকের অর্ধপোড়া লাশ পড়ে থাকতে দেখলাম, দুই পার্শ্বে অদূরে সশস্ত্র পাঞ্জাবী সেন্যদের প্রহরায় মোতায়েন দেখলাম।

প্রতিটি ঘরে মানুষ ও আসবাবপত্র জ্বলছে। একটি ঘরে প্রবেশ করে এক জন মেয়ে, এক জন শিশু সহ ১২ জন যুবকের দগ্ধ লাশ উঠিয়েছি। শাঁখারীবাজারের প্রতিটি ঘর থেকে যুবক-যুবতী, বালক-বালিকা, কিশোর-শিশু ও বৃদ্ধের লাশ তুলেছি। পাঞ্জাবীরা প্রহরায় থাকাকালে সেই সব মানুষের অসংখ্য লাশের উপর বিহারীদের উচ্ছৃঙ্খল উল্লাসে ফেটে পড়ে লুট করতে দেখলাম। প্রতিটি ঘর থেকে বিহারী জনতাকে মূল্যবান সামগ্রী, দরজা, জানালা, সোনাদান সবকিছু লুটে নিয়ে যেতে দেখলাম।

লাশ উঠাতে উঠাতে এক ঘরে প্রবেশ করে এক অসহায় বৃদ্ধাকে দেখলাম- বৃদ্ধা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে “পানি পানি” বলে চিৎকার করছিল, তাকে আমি পানি দিতে পারি নাই ভয়ে, বৃদ্ধাকে দেখে আমি আরো ভীত হয়ে পালিয়ে এসেছি। আমি পানি দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আমাদের পিছনে সশস্ত্র পাঞ্জাবী সেনা প্রহরায় থাকায় আমি সেই বৃদ্ধাকে পানি দিয়ে সাহায্য করতে পারি নাই।

২৮শে মার্চ শাঁখারিবাজার থেকে প্রতিবারে একশত লাশ উঠিয়ে তৃতীয়বার ট্রাকে বোঝাই করে তিনশত লাশ ধলপুর ময়লার ডিপোতে ফেলেছি।

২৯শে মার্চ সকাল থেকে আমরা মিটফোর্ড হাসপাতালের লাশঘর ও প্রবেশপথের দুপার্শ্ব থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শিববাড়ী, রমনা কালিবাড়ী, রোকেয়া হল, মুসলিম হল, ঢাকা হল থেকে লাশ উঠিয়েছি। ২৯শে মার্চ আমাদের ট্রাক প্রথম ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতালের প্রবেশ পথে যায়। আমরা উক্ত পাঁচজন ডোম হাসপাতালের প্রবেশপথে নেমে একটি বাঙ্গালী যুবকের পচা, ফুলা, বিকৃত লাশ দেখতে পেলাম।

লাশ গলে যাওয়ায় লোহার কাঁটার সাথে গেঁথে লাশ ট্রাকে তুলেছি। এরপর আমরা লাশ ঘরে প্রবেশ করে বহু যুবক-যুবতী, বৃদ্ধ-কিশোর ও শিশুর স্তুপীকৃত লাশ দেখলাম। আমি এবং বদলু ডোম লাশ ঘর থেকে লাশের পা ধরে টেনে ট্রাকের সামনে জমা করেছি, আর গণেশ, রঞ্জিত এবং কানাই লোহার কাঁটা দিয়ে বিঁধিয়ে বিঁধিয়ে পচা, গলিত লাশ ট্রাকে তুলেছে।

প্রতিটি লাশ গুলিতে ঝাঁঝরা দেখিছি, মেয়েদের লাশের কারো স্তন পাই নাই, যোনীপথ ক্ষতবিক্ষত এবং পিছনের মাংস কাটা দেখিছি। মেয়েদের লাশ দেখে মনে হয়েছে, তাদের হত্যা করার পূর্বে তাদের স্তন জোর করে ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে, যোনিপথে লোহার রড কিংবা বন্দুকের নল ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। যুবতী মেয়েদের যোনিপথের এবং পিছনের মাংস যেন ধারালো চাকু দিয়ে কেটে এসিড দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রতিটি যুবতী মেয়ের মাথায় খোঁপা খোঁপা চুল দেখলাম। মিটফোর্ড থেকে আমরা প্রতিবারে একশত লাশ নিয়ে ধলপুর ময়লার ডিপোতে ফেলেছি।

৩০শে মার্চ আমাদের উক্ত পাঁচ জনের সাথে দক্ষিণা ডোমকে সাহায্য করতে দেয়া হয়। আমাদের ট্রাক সেদিন সাত মসজিদের সম্মুখ থেকে যখন বাঙ্গালী লাশ উঠাচ্ছিলাম, তখন অসংখ্য বিহারী জনতা আমাদের চারিদিকে দাঁড়িয়ে হাসছিল, বাঙ্গালীদের পরিণতি দেখে উপহাস করছিল। আমরা সাত মসজিদের সম্মুখ থেকে আটটি বাঙ্গালী যুবকের লাশ তুলেছি, কতিপয় লাশ দেখলাম উপুড় হয়ে পড়ে আছে। সবার পিঠ গুলির অসংখ্য আঘাতে ঝাঁঝরা হয়ে আছে। পচা, ফুলা লাশ তুলতে যেয়ে দেখলাম কারো লুঙ্গী পরা, কারো পায়জামা পরা। আবার কারো দেহে হাওয়াই শার্ট এবং টেট্রনের দামী শার্ট। পানি থেকে বারটি লাশ তুলেছি; প্রতিটি লাশের চোখ এবং হাত পেছনের দিকে বাঁধা ছিল।

নদীর পাড় থেকে বারটি লাশ গুলির আঘাতে ঝাঁঝরা দেখেছি। লাশ দেখে মনে হল, ভদ্র ঘরের অভিজাত বাঙ্গালী যুবকের লাশ। সাত মসজিদের সকল লাশ তুলে আমরা ধলপুর ময়লা ডিপোতে ফেলেছি। ফিরে এসে ট্রাক নিয়ে আমরা মিন্টু রোডের লাশ তুলতে গিয়েছি। মিন্টু রোডের রাস্তার পাশ থেকে প্যান্ট পরা দুটি পচা, ফুলা লাশ তুলেছি, দেখলাম লাশের পাশেই ভিক্ষার ঝুলি, টিনের ডিব্বা ও লাঠি পড়ে আছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিববাড়ীর সম্মুখ থেকে দুজন রুপসী যুবতী মেয়ে এবং তিন জন যুবকের ক্ষতবিক্ষত লাশ তুলেছি। রোকেয়া হলে একটি অর্ধদগ্ধ যুবতীর লাশ তুলেছি, মুসলিম হলে প্রবেশ করে একটি পচা লাশ পেয়েছি, ঢাকা হলের ভেতর থেকে চারজন ছাত্রের লাশ তুলেছি।

পরের দিন ৩১ মার্চ বাসাবো খাল থেকে তিনটি পচা লাশ তুলেছি। সেদিন অসুস্থ্ থাকায় আমি আর লাশ তুলতে যেতে পারি নাই।

টিপসহি/-
চুন্নু ডোম
৭-৪-১৯৭৪
তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (অষ্টম খণ্ড, পৃষ্ঠা নং- ৩৬-৩৭)

আর আজকে আমরা পাকিস্তানকে ভালোবাসি, একাত্তরে কি হইছিল না হইছিল সব ভুলে পাকিস্তানকে সমর্থন করি, পাকিস্তানী ক্রিকেটারদের কি দোষ, তাদের কেন সমর্থন করা যাবে না, ভালোবাসা যাবে না সেই প্রশ্ন তুলি! অথচ পাকিস্তান সভ্যতার বর্বরতম এই গণহত্যার জন্য ক্ষমা চাওয়া তো দূরে থাক, আজো অস্বীকার করে, মিথ্যাচার চালায়, বলে যে একাত্তরের গন্ডগোল হইছিল, গণহত্যার পুরা ব্যপারটাই ভারতের ষড়যন্ত্র! :)

Photos 28/02/2017

ছবি:- বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন (১৯৩৪-১৯৭১)
১০ই ডিসেম্বর বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন শহীদ দিবস । ১৯৭১ সালের এই দিনে নোয়াখালীর কৃতিসন্তান ও মুক্তিযুদ্ধের গর্ব খুলনার রুপসায় পাকিস্তানি হানাদারদের সাথে যুদ্ধে শহীদ হন। স্বাধীনতা লাভের মাত্র ৬ দিন পূর্বে শহীদ হওয়া বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ১৯৩৪ সালে নোয়াখালী জেলা শহর হতে ২৫কি.মি. দূরে বর্তমান সোনাইমুড়ী উপজেলার দেউটি ইউনিয়নের বাগপাঁচরা গ্রামে জন্মগ্রহন করেন ।

মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসীকতার জন্য যে ৭ জন শহীদকে বাংলাদেশ সরকার বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত করেছেন তাদের নিয়ে আমার ৭ পর্বের ধারাবাহিক পোষ্টের আজ ২য় পর্ব বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে নিয়ে।

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের পরিচিতি ও স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর ভূমিকা

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ১৯৩৪ সালের জুন মাসে নোয়াখালী জেলার সাবেক বেগমগঞ্জ থানার বর্তমানে সোনাইমুড়ী উপজেলার বাগপাদুরা বর্তমান নাম আমিননগরে গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন৷তাঁর পিতার নাম মোঃ আজহার পাটোয়ারী এবং মায়ের নাম মোছাঃ জুলেখা খাতুন৷ তিনি ছিলেন পরিবারের বড় সন্তান। খুব অমায়িক ও সুঠাম দেহের অধিকারী ছিলেন এই বীরশ্রেষ্ঠ৷ ভালোবাসতেন দেশ, দেশের মাটি আর দিগন্তবিস্তারী সমুদ্র৷তাই বেছে নিয়েছিলেন নৌবাহিনীর চাকুরী।
পড়ালেখার শুরু করেন নিজ গ্রামের প্রাইমারি স্কুলে৷ হাইস্কুলে পড়তে হয় পার্শবর্তী থানার আমিষাপাড়ায়৷ প্রথম দিকে তাঁদের সংসারে অভাব-অনটনের ছোঁয়া না লাগলেও ছেলেমেয়ে বড় হতে হতে পরিবারে দেখা দেয় অসচ্ছলতা৷ তাই হাইস্কুল পাস করার পরই রুহুল আমিনকে জীবিকার সন্ধানে বের হতে হয়৷

পরিবারে পিতাকে সাহায্য করার মানসে ১৯৫৩ সালে তিনি যোগ দেন জুনিয়র মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে তত্কালীন পাকিস্তান নৌবাহিনীতে৷ চাকরি হবার পরই শুরু হয় প্রশিক্ষণ৷ প্রথমেই তাঁকে যেতে হয় করাচির অদূরে আবর সাগরের মধ্যে অবস্থিত মনোরা দ্বীপে পিএমএস বাহাদুর-এ৷ প্রাথমিক প্রশিক্ষণ সমাপ্ত হলে তিনি যোন দেন পিএনএস কারসাজে অর্থাৎ নৌবাহিনীর কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে৷ ১৯৫৮ সালে শেষ হয় তাঁর পেশাগত প্রশিক্ষণ৷ ১৯৬৫ সালে তিনি নির্বাচিত হন মেকানিশিয়ান কোর্সের জন্য এবং পিএনএস কোর্স সমাপ্তির পর আর্টিফিসার পদে নিযুক্ত হন৷ ১৯৬৮ সালে তিনি বদলি হন চট্টগ্রাম পিএনএস বখতিয়ার নৌঘাঁটিতে৷

১৯৭১ সালের মার্চে পাক হানাদার বাহিনী কর্তৃক সংঘটিত বর্বরতম ঘটনার সময় রুহুল আমিন চট্টগ্রামে কর্মরত ছিলেন৷ নৌঘাঁটিতে বসে বসে শুনেছেন নির্দয়ভাবে তাঁর স্বজন, পাড়া প্রতিবেশীদের হত্যার খবর৷ শুনেছেন আর ফুঁসে ওঠেছেন৷ মনে মনে নিজেকে তৈরি করেছেন প্রতিশোধ নেয়ার জন্য৷ দেশকে মুক্ত করার সংগ্রামে কিভাবে নিজেকে যুক্ত করা যায় সে পথ খুঁজছেন৷ কিন্তু নৌঘাঁটিতে বসে তা সম্ভব নয়৷ সুতরাং সবার আগে এখান থেকে বের হতে হবে৷ বাঙালি সৈনিকরা তখন পাকিস্তানি সেনাদের চবি্বশ ঘন্টা নজরদারীর মধ্যে৷ এখান থেকে বের হওয়াও তো চাট্টিখানি কথা নয়৷ তিনি মনে মনে পালানোর জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকেন৷ এবং একদিন সবার অলক্ষ্যে সকলের চোখকে ফাঁকি দিয়ে বের হয়ে পড়েন নৌঘাঁটি থেকে৷ পালিয়ে সীমান্ত পার হয়ে তিনি চলে যান ত্রিপুরা৷ যোগ দেন ২ নং সেক্টরে৷ মেজর শফিউল্লাহ্র নেতৃত্বে ২ নং সেক্টরে তিনি সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং স্থলযুদ্ধের বিভিন্ন অপারেশনে যোগ দেন৷

১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ নৌবাহিনী গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়৷ এ উদ্দেশে নৌবাহিনীর সদস্যদের যাঁরা বিভিন্ন সেক্টর ও সাব-সেক্টরে থেকে মুক্তিযুদ্ধ করছিলেন তাঁদেরকে সেপ্টেম্বর মাসে একত্রিত করা হয় আগরতলায় এবং গঠন করা হয় ১০ নং সেক্টর৷ ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন নৌবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে আগরতলায় একত্রিত হয়ে কলকাতায় আসেন এবং যোগ দেন ১০ নং নৌ সেক্টরে৷

১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর খুলনার রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামে রূপসা নদীতে নৌবাহিনীর জাহাজ পলাশ নিয়ে খুলনার উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর ভারতীয় বিমান বাহিনীর সাথে এক 'ভুল বোঝাবুঝির যুদ্ধে' গোলার আঘাতে শহীদ হন আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন৷ যুদ্ধে তাঁর অসামান্য বীরত্বের জন্য তাঁকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' উপাধিতে ভূষিত করা হয়৷তিনি যে ভাবে শহীদ হন-

১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর৷ মুক্তিবাহিনীর বীর যোদ্ধারা অসম বিক্রমে দখল করে নেন যশোর সেনানিবাস৷ এর পরবর্তী লক্ষ্য হিসেবে ধরা হলো মংলা বন্দরকে হানাদার বাহিনীর কাছ থেকে মুক্ত করা৷ মংলা বন্দরে পাকিস্তান বাহিনীর দখলকৃত নৌঘাঁটি পিএনএস তিতুমীর দখল তাঁদের পরবর্তী উদ্দেশ্য৷

৯ ডিসেম্বর, রাত৷ বাধাহীনভাবেই গানবোটগুলো সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্টে অবস্থান করে৷ সেখানে রাতযাপনের পর ১০ ডিসেম্বর ভোর ৪টার দিকে যাত্রা করে মংলা বন্দরের দিকে৷ কোনোরকম প্রতিরোধ ব্যতীতই তিনটি রণতরী পৌঁছে গেল মংলা বন্দরে৷ সকাল তখন সাড়ে সাতটা৷ মংলা বন্দরেই থেকে গেল ভারতীয় সীমান্তরক্ষী পেট্রলক্রাস্ট 'চিত্রাঙ্গদা'।

শুরু হলো মূল অভিযান৷ মংলা বন্দর পার হয়ে গানবোটগুলো আরও ভেতরে খুলনার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে৷ একসময় গানবোটগুলো খুলনা শিপইয়ার্ড ছেড়ে পৌঁছায় রূপসা ফেরিঘাটের কাছে৷ তখন দুপুর ১২টার কাছাকাছি৷ ঠিক এমনি সময় আকাশের অনেক উঁচুতে দেখা গেল তিনটি জঙ্গি বিমান৷ পাকিস্তানিদের বিমান অনুমান করে 'পদ্মা' ও 'পলাশ' থেকে চাওয়া হলো বিমানগুলোকে চ্যালেঞ্জ করে গুলি ছোড়ার অনুমতি৷ কিন্তু মিত্রবাহিনীর ক্যাপ্টের মনেন্দ্রনাথ সামন্ত জানালেন, বিমানগুলো ভারতীয়৷ ভারতের পশ্চিম দিনাজপুরের এয়ারফিল্ড থেকে এসেছে এগুলো৷ সুতরাং উদ্বিগ্ন হবার মতো কোনো কারণ নেই৷ শুনে সবাই আক্রমণের প্রস্তুতি থেকে বিরত থাকল৷ কারণ ভারতীয় বিমান বাহিনীকে জানানো হয়েছিল এই এলাকায় যাতে কোনো ভাবেই বোম্বিং না করা হয়৷ আর তাছাড়া গানবোটগুলোর উপরিভাগ হলুদ রঙেও রাঙানো হয়েছিল৷ এবং মিত্রবাহিনীকে জানানো হয়েছিল হলুদ রং করা গানবোটগুলো আমাদের, অর্থাৎ এই গানবোটগুলোতে আক্রমণ করা যাবে না৷

কিন্তু হঠাৎ শুরু হলো পটপরিবর্তন৷ ভারতীয় বিমানবাহিনীর অতি উৎসাহী কয়েকজন বিমান সেনার খামখেয়ালির কারণে সদ্য গঠিত বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে দিতে হয়েছিল বিপুল খেসারত৷ এক প্রকার অবাক করে দিয়ে বিমানগুলো নিচে নেমে এল৷ দক্ষিণ-পশ্চিমে উড়ে গেল খুব নিচু দিয়ে৷ তারপর পাক দিয়ে এসেই হঠাৎ বোমা ফেলল৷ একটা বোমা গিয়ে পড়ল পদ্মার ইঞ্জিনরুমে৷ ইঞ্জিনরুম হলো একেবারে বিধ্বস্ত৷ স্প্লিন্টারের আঘাতে হতাহত হলো বহু নাবিক৷ পুরোপুরি অচল হয়ে গেল পদ্মা৷
আবারও ফিরে এল বিমানগুলো৷ এবারের বোমাগুলো থেকে কোনোরকমে রক্ষা পেল 'পলাশ' ও 'পানভেল'৷ কিন্তু সকলে ভয় পেয়ে গেল৷ কে কী করবে ঠিক বুঝে উঠতে পারছে না৷ ঠিক তখন পলাশের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রায় চৌধুরী সকলকে জাহাজ ত্যাগ করার জন্য আদেশ দেন৷ এমন আদেশ শুনে বেশ ক্ষুব্ধ হলেন রুহুল আমিন৷ যুদ্ধ না করে তিনি ভীরুর মতো জাহাজ ছেড়ে যাবেন না৷ তিনি সকলকে আহবান করলেন জাহাজ ত্যাগ না করার জন্য৷ তিনি হানাদার বাহিনীর বিমানগুলোতে গুলি চালাতে অনুরোধ জানালেন ক্রুদের৷ নিজে চলে গেলেন ইঞ্জিনরুমে দায়িত্ব পালন করার জন্য৷ যে করেই হোক বিমান হামলা থেকে গানবোটকে বাঁচাতে হবে৷ কিন্তু কেউই অধিনায়কের আদেশ অমান্য করে ঝুঁকি নিতে রাজি হলো না৷ আর তাই বিমানগুলোকেও আর চ্যালেঞ্জ করে আক্রমণ করা হলো না৷

এবার বিমানগুলো পেছন দিক থেকে উড়ে এল৷ কোনোরকম বাধা ছাড়াই চালাল বোমাবর্ষণ৷ একটা বোমা এসে পড়ল পলাশের ওপর৷ ধ্বংস হলো পলাশের ইঞ্জিনরুম৷ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলো না৷ বরং জাহাজে রাখা গোলাবারুদ ফুটতে শুরু করল৷তিনি পানিতে ঝাপিয়ে পড়ে নদীর কূলে সাঁতার কেটে উঠতে গিয়ে পাকিস্তানী সৈনদের হাতে ধরা পড়েন এবং পাকিস্তানী সৈনরা রুহুল আমিনকে বেনটের আঘাতে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করেন৷

এই অসম সাহসী বীরের শবদেহ সমাহিত করা হয় খুলনার রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামে রূপসা নদীর তীরে৷ তাঁর কবরটি আজও তাঁর বীরত্বের শক্তি ও শোককে বুকে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে রূপসা ফেরিঘাটের লুকপুরে

সংক্ষিপ্ত জীবনী

নাম: রুহুল আমিন
জন্ম : জুন, ১৯৩৪ সাল।
জন্মস্থান : নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার বর্তমানে সোনাইমুড়ী উপজেলার বাগপাদুরা গ্রামে৷
পিতা : মোঃ আজহার পাটোয়ারী৷
মা : মোছাঃ জুলেখা খাতুন৷
কর্মস্থল : নৌবাহিনী৷
পদবী : স্কোয়াড্রন ইঞ্জিনিয়ার৷
মুক্তিযুদ্ধে অংশরত সেক্টর : ১০নং সেক্টর৷
মৃত্যু : ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সাল৷
সমাধিস্থল : রূপসা ফেরিঘাটের লুকপুরে৷

ছবি ও তথ্য সূত্র:- মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর,ইন্টারনেট, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বিভিন্ন গবেষনাপত্র।

21/02/2017

► চীনের রাজাকে বলা হতো : Son of God.
► ভুটানের মুদ্রার নাম : গুলট্রাম।
► আফগানিস্তানের প্রধান ভাষা : পশতু।
► সূর্যোদয়ের দেশ বলা হয় : জাপানকে।
► বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ দেশ :
ইন্দোনেশিয়া।
► থাইল্যান্ডের পূর্বনাম : শ্যামদেশ।
►সৌরজগৎ আবিষ্কার করেন : এন.
কোপার্নিকাস।
► ম্যালেরিয়া যে ধরনের জীবাণু :
পরজীবী।
► প্রতি মিনিটে পূর্ণ বয়স্ক সুস্থ মানুষের
হৃদস্পন্দন করে : ৭২ বার।
► পঁচা ডিমের গন্ধের জন্য দায়ী :
হাইড্রোজেন সালফাইড।
► বৈদ্যুতিক হিটার ও বৈদ্যুতিক ইস্ত্রিতে
ব্যবহৃত হয় : নাইক্রোম তার।
► জাতিসংঘ দ্বিতীয়বারের মত
‘আদিবাসী দশক্’
ঘোষনা করে ২০০৫-২০১৪ সাল পর্যন্ত।
► জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত
হয় – ১৯৭৩।
► নেলসন ম্যান্ডেলার ওপর নির্মিত
সিনেমার নাম – দি হিউম্যান ফ্যাক্টর।
► কোন দেশের কাছে সবচেয়ে বেশি
পারমাণবিক চুল্লি রয়েছে? – রাশিয়া।
► বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস
লিমিটেড ঢাকা-
লন্ডন সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা শুরু
করে : ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০।
► ডলুরা শুল্ক ষ্টেশন অবস্থিত :
সুনামগঞ্জ।
► বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম নারী
পরিচালক : অধ্যাপিকা হান্নানা বেগম।
► কোন সেক্টর কমান্ডারের সাংকেতিক
নাম ছিল
‘টাইগার লিডার’ : মীর শওকত আলী।
► ইসরাইলকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম
মুসলিম দেশ : মিশর।
► গোলান মালভূমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে
: ইসরাইল ও মিশর।
► গ্রে উলফ নামে পরিচিত : কামাল
আতাতুর্ক।
► বাংলাদেশে কত সনে ভ্যাট চালু হয়্? –
১৯৯১
► জাতিসংঘ সনদের রচয়িতা : Archibald
Macleish.
► ‘রেড স্কোয়ার’ অবস্তিত : মস্কোয়।
► পারস্য উপসাগরে যে দ্বীপ অবস্থিত :
বাহরাইন দ্বীপ।
► বিশ্বের বৃহত্তম লাইব্রেরি : লাইব্রেরি
অব কংগ্রেস।
► ‘রয়টার’ যে দেশের সংবাদ সংস্তা :
যুক্তরাজ্য।
► বিশ্বের সর্ববৃহৎ প্রাণী : নীল তিমি।
► ‘সিমলাইন’ হলো : ইসরাইল কর্তৃক গাজা
উপত্যকায় নির্মিত বেষ্টনী।
► WTO’ প্রতিষ্ঠিত হয় : ১ জানুয়ারি ১৯৯৫।
► ইরান ২য় বিশ্বযুদ্ধে সমর্থন করে :
জার্মানিকে।
-
#জান্নাতারা....

12/07/2016

৪০টি বিষয়ের জনক পরিচিতিঃ
⇣⇣⇣⇣⇣⇣⇣⇣⇣⇣⇣⇣⇣⇣⇣⇣⇣⇣⇣⇣⇣⇣
১। জীব বিজ্ঞানের জনক : এরিস্টটল

২। প্রাণী বিজ্ঞানের জনক : এরিস্টটল

৩। রসায়ন বিজ্ঞানের জনক : জাবির ইবনে
হাইয়্যান

৪। পদার্থ বিজ্ঞানের জনক : আইজ্যাক
নিউটন

৫। সমাজ বিজ্ঞানের জনক : অগাষ্ট কোৎ

৬। হিসাব বিজ্ঞানের জনক : লুকাপ্যাসিওলি

৭। চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক : ইবনে সিনা

৮। দর্শন শাস্ত্রের জনক : হলেন থেলিস

৯। ইতিহাসের জনক : হেরোডোটাস

১০। ভূগোলের জনক : ইরাটস থেনিস

১১। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক : এরিস্টটল

১২। অর্থনীতির জনক : এডাম স্মিথ

১৩। অংকের জনক : আর্কিমিডিস

১৪। বিজ্ঞানের জনক : থ্যালিস

১৫। মেডিসিনের জনক : হিপোক্রটিস

১৬। জ্যামিতির জনক : ইউক্লিড

১৭। বীজ গণিতের জনক : আল খাওয়াজমী

১৮। জীবাণু বিদ্যার জনক : লুই পাস্তুর

১৯। বিবর্তনবাদ তত্ত্বের জনক : চার্লস
ডারউইন

২০। সনেটের জনক : পের্ত্রাক

২১। সামাজিক বিবর্তনবাদের জনক :
হার্বাট স্পেন্সর

২২। বংশগতি বিদ্যার জনক : গ্রেডার
জোহান মেনডেন

২৩। শ্রেণীকরণ বিদ্যার জনক : করোলাস
লিনিয়াস

২৪। শরীর বিদ্যার জনক : উইলিয়াম হার্ভে

২৫। ক্যালকুলাসের জনক : আইজ্যাক নিউটন

২৬। বাংলা গদ্যের জনক : ঈশ্বর চন্দ্র
বিদ্যাসাগর

২৭। বাংলা কবিতার জনক : মাইকেল মধুসুদন
দত্ত

২৮। সার্থক বাংলা উপন্যাসের জনক :
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

২৯। বাংলা নাটকের জনক : দীন বন্ধু মিত্র

৩০। বাংলা সনেটের জনক : মাইকেল মধুসুদন
দত্ত

৩১। ইংরেজী কবিতার জনক : খিউ ফ্রে
চসার

৩২। মনোবিজ্ঞানের জনক : উইলহেম উন্ড

৩৩। বাংলা মুক্তক ছন্দের জনক : কাজী
নজরুল ইসলাম

৩৪। বাংলা চলচিত্রের জনক : হীরালাল
সেন

৩৫। বাংলা গদ্য ছন্দের জনক : রবীন্দ্রনাথ
ঠাকুর

৩৬। আধুনিক রসায়নের জনক : জন ডাল্টন

৩৭। আধুনিক গণতন্ত্রের জনক : জন লক

৩৮। আধুনিক অর্থনীতির জনক : পাল
স্যমুয়েলসন

৩৯। আধুনিক বিজ্ঞানের জনক : রাজার বেকন

৪০। ইংরেজি নাটকের জনক : শেক্সপ'

01/06/2016

❂ াংলাদেশের_শ্রেষ্ঠ_____❂

* শ্রেষ্ঠ কবি- #কাজী_নজরুল_ইসলাম
* শ্রেষ্ঠ আধুনিক কবি- #শামসুর_রাহমান ও আল মাহমুদ
* শ্রেষ্ঠ মহিলা কবি- #সুফিয়া_কামাল
* শ্রেষ্ঠ ভাষাবিদ ড. #মুহাম্মাদ শহীদুল্লাহ
* শ্রেষ্ঠ কার্টুনিষ্ট- #রফিকুন্নবী (রণবী)
* শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রকার- #জহির রায়হান।
* শ্রেষ্ঠ স’পতি- এফ , আর, খান
* শ্রেষ্ঠ জাদুকর- #জুয়েল আইচ
* শ্রেষ্ঠ দাবাড়– #গ্রাণ্ড মাস্টার নিয়াজ মোর্শেদ
* শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত সাধক- #ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ
* শ্রেষ্ঠ পল্লী কবি- #জসীম উদ্দীন
* শ্রেষ্ঠ কাঠ খোদাই শিল্পী- #অলক রায়
* শ্রেষ্ঠ সাতারু- #ব্রজেন দাশ
* শ্রেষ্ঠ ফুটবলার- #যাদুকর সামাদ
* শ্রেষ্ঠ পর্যটন কেন্দ্র- #কক্সবাজার
* শ্রেষ্ঠ মহিলা দাবাড়– #রাণী হামিদ
* শ্রেষ্ঠ ভাস্কর- #শামীম শিকদার
* শ্রেষ্ঠ শুটার- #সাবরিন সুলতানা
* শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী- #শাবানা
* শ্রেষ্ঠ নির্মাতা- #জহিরুল ইসলাম
* শ্রেষ্ঠ সংগীত শিল্পী- #মরহুম আব্বাস উদ্দিন
* শ্রেষ্ঠ মহিলা সংগীত শিল্পী- #রুনা লায়লা
* শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী- ড. #কুদরত ই খুদা
* শ্রেষ্ঠ চিত্রকর- মরহুম #শিল্পাচার্য জয়নুল
আবেদীন।
★ সবাই কে ধন্যবাদ.....

25/05/2016

২ টা কৌতুক এবং কিছু জ্ঞানের কথা.....!!!!

১. একদিন খবর এর কাগজ এ প্রকাশ হল যে দেশের ৫০% মহিলা ই নির্বোধ...!!!
খবর শুনে মহিলারা বিক্ষোভ করল এবং খবর কাগজ এর অফিস ভাংচুর করল..!!!

পরদিন খবর এর কাগজ ভুল শিকার করে ক্ষমা চেয়ে খবর প্রকাশ করল যে দেশের ৫০% মহিলা ই বুদ্ধিমতি.....!!!

আর কোন বিক্ষোভ নেই.....!!!

২. এক bf তার gf কে একটা ধাঁধাঁ জিজ্ঞাসা করল ...
bf: তুমি খালি পেটে কয়টা আপেল খেতে পারবে....?
gf: ৪ টা
bf: উত্তর ভুল, ১ টি আপেল খেলেই তো তোমার পেট আর খালি থাকবে না...!!

পরদিন

gf তার বান্ধবী কে ঠিক ঐ ধাঁধাঁ টি জিজ্ঞাসা করল ....
বান্ধবী. : আমি খালিপেটে ৩ টা আপেল খেতে পারবো...!!
gf.: ওফফ তুই যদি ৪ টা বলতি তাহলে আমি তোকে ধাঁধাঁ টার উত্তর যে ভুল সেটা বুঝিয়ে দিতে পারতাম..!!!

বি.দ্র.: কৌতুক কে কৌতুক এর মতো করে দেখবেন।

জ্ঞানের কথা কেও শুনতে চায়না.... তার পর ও আমি কিছু জ্ঞানের কথা বলবো।

" SUNSILK বিশ্বাস করে মেয়েরা SHINE করবে দিন থেকে রাত পর্যন্ত "
কথা হচ্ছে শ্যাম্পুর সাথে SHINE এর কি সম্পর্ক, আর রাত এর ই বা কি সম্পর্ক...!!

Fair&lovely মেয়েদের লক্ষ টাকা দিতে চায় Business করার জন্য..!! কেন...!!!

SSC রেজাল্ট এর পরদিন প্রায় সবগুল খবর কাগজ এর রেজাল্ট সম্পর্কিত ছবি গুল দেখলে মনে হবে যে এবার শুধু মেয়েরাই পরিক্ষা দিয়েছে..!!

সব ধরনের বিজ্ঞাপনে নারী দের ব্যবহার করা হচ্ছে...!! কিসের বিজ্ঞাপন, কে ব্যবহার করবে সেটা কোন ব্যাপার না..!! কেন...!!!

বেগম রোকেয়া যে কথাটি বলে গেছেন তার সাথে আমি একমত। নারী শিক্ষার প্রয়োজন আছে।নারী কে শিক্ষিত হতেই হবে।এর কোন বিকল্প নেই।
সরকার ও নারী শিক্ষার ব্যপারে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিভিন্ন শিক্ষা বৃত্তি, ফ্রি বই বিতরণ,অবৈতনিক উচ্চশিক্ষা, আর ও কতো কি...!!

শিক্ষা নিতে গিয়ে মেয়েরা বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। school, college এ হিজাব নিষিদ্ধ করা হচ্ছে।এটা নিয়ে সরকার এর তেমন কোন মাথাব্যথা নেই।সরকার এর উচিত শিক্ষার সুযোগ এর পাশাপাশি নারী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

এখন কিছু মানুষ নারী স্বাধীনতার ব্যপারে খুব গলাবাজি করছে। স্বাধীনতা বলতে তারা কি বোঝাতে চাচ্ছেন..!! স্বাধীনতা মানে কি উগ্রতা..!!, স্বাধীনতা মানে কি উগ্র পোশাক.!!, স্বাধীনতা মানে কি নারী পুরুষ অবাধ মেলামেশা...!! না কি প্রেম ভালবাসার নামে অবাধ যৌনাচার...!!!..??

পাবলিক টয়লেট এ একটা লেখা দেখছিলাম. " মোরগের মতো স্বাধীনতা চাই "
শেয়াল মুরগীর স্বাধীনতা চাইবেই..!! মুরগী স্বাধীন থাকলেই শেয়ালের লাভ। মুরগীর ছোট্ট বাচ্চা ভুল করে শেয়ালের চাওয়া স্বাধীনতার দিকে অগ্রসর হতেই পারে, মুরগীর উচিত বাচ্চাকে শেয়ালের হাত থেকে রক্ষা করা।

সুশীল সমাজ নামে একটা সমাজ দেশে আছে যারা দেশের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথাবলে,মতামত প্রদান করে।তাদের কথা যে দেশের কি সু: হয় সে ব্যপারে আমার সন্দেহ আছে।

এসব সুশীল সমাজ এর কথা না শুনে নিজের বিবেক বুদ্ধি দিয়ে বিচার করুন।
আসুন আমরা নিজেরা সচেতন হই, অন্নদের ও সচেতন করার চেষ্টা করি...!!!

সম্পূর্ণ পোষ্টটি কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ....

Want your school to be the top-listed School/college in Cumilla?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Jagatpur, Titas
Cumilla
3517