12/04/2026
Shah Azizur Rahman
জীবন যেখানে যেমন।
12/04/2026
12/04/2026
📸🇧🇩
#শাহ_আজিজ #ভিডিওগ্রাফি #গ্রামবাংলা
11/04/2026
#জবা #ফুল #শাহ_আজিজ #ফটোগ্রাফি
08/04/2026
#মসজিদ #মিনার #শাহ_আজিজ #ফটোগ্রাফি
১৪ মার্চ ২০২৬, বেইলী রোড, ঢাকা।
চাচায় অসাধারণ বাঁশি বাজায় 💝
© #শাহ_আজিজ #ভিডিওগ্রাফি #বাঁশি 💝
07/04/2026
ঠাকুমা/ঠাকুরমা/দাদি, নিজ নাতি কে নিয়ে দৈনিক স্কুলে নিয়ে আসে। নাতি কান্না করে, স্কুলে আসতে চায় না বিদায় বিশেষ বিবেচনায় নাতির সাথে একই বেঞ্চে বসার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এত মমতা নিয়ে, নাতির হাতেখড়ি দেওয়ার জন্য কি যে প্রাণান্তকর চেষ্টা থাকে দাদির 📚💝
#দাদি #ঠাকুমা #স্কুল #শৈশব
© #শাহ_আজিজ📸✒️📚
06/04/2026
📍 সামাজিক শিক্ষা কেন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
(বেইলি রোড, রমনা, ঢাকা)
এই স্কুলটি সম্পর্কে সহজ ও সংক্ষিপ্ত সব তথ্য একসাথে:
পূর্ণ নাম: সামাজিক শিক্ষা কেন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
স্কুল কোড: ৩১০০৯০২০১
অবস্থান: নিউ বেইলি রোড, রমনা থানা, ঢাকা
ধরন: পুরোপুরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (জাতীয়করণকৃত)
স্কুলটি কেন চালু করা হয়েছিল?
এলাকার সাধারণ ও দরিদ্র শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য।
শুরুতে “সামাজিক শিক্ষা কেন্দ্র” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়, যাতে শিশুরা পড়াশোনার পাশাপাশি সামাজিক মূল্যবোধ ও নৈতিকতা শিখতে পারে।
পরবর্তীতে পুরোপুরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়।
বর্তমান অবস্থা:
বয়স: প্রায় ৫০+ বছরের পুরনো স্কুল।
একসময় জমি-সংক্রান্ত জটিলতা ও ভবন সমস্যার কারণে কষ্ট করে চলেছে (এমনকি ছাপড়া ঘরে ক্লাস হয়েছে)।
বর্তমানে স্বাভাবিকভাবে চলছে।
ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক:
সরকারি প্রাথমিক স্কুল হিসেবে সাধারণত ১৫০-৩০০ জন শিক্ষার্থী থাকতে পারে (প্রতি শ্রেণিতে ৩০-৬০ জন)।
শিক্ষক: ১ জন প্রধান শিক্ষকসহ সাধারণত ৫-৭ জন শিক্ষক।
শিক্ষা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে (বই ও কিছু সুবিধা সরকারি)।
ভর্তি প্রক্রিয়া:
ভর্তি খুব সহজ — সাধারণত জানুয়ারি মাসে হয়।
বয়স অনুযায়ী প্রাক-প্রাথমিক (৫+), প্রথম শ্রেণি (৬+)।
প্রয়োজনীয় কাগজ: জন্ম সনদ, অভিভাবকের NID, ছবি ইত্যাদি।
সরাসরি স্কুলে যোগাযোগ করাই সবচেয়ে ভালো।
এটি ঢাকার বেইলি রোডের মতো একটি এলাকায় সাধারণ শিশুদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ❤️
কোনো অভিভাবক বা শিক্ষানুরাগী যদি এই স্কুল সম্পর্কে আরও জানতে চান, সরাসরি স্কুলে যোগাযোগ করুন।
#সরকারি_প্রাথমিক_বিদ্যালয় #বেইলি_রোড #ঢাকার_স্কুল #প্রাথমিক_শিক্ষা
05/04/2026
বহু বছর পর,বলা যায় ইরাক, আমেরিকা যুদ্ধের পর এমন দৃশ্য আমার চোখে পড়লো।
এরকম দলবদ্ধ ভাবে ইরান, আমেরিকার, যুদ্ধের সংবাদ উৎসাহ নিয়ে দেখতেছে একদল বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষ।
যদিও এরকম বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষদের আগে গ্রামের বাজারের টিভিতে সংবাদ দেখা অথবা রেডিওতে বিবিসি সংবাদ শোনার জন্য একত্রিত হতে দেখা যেতো ।
তবে মজার বিষয় হচ্ছে সবাই মিলে টিভি কিংবা রেডিও তে নয়,যুদ্ধের সংবাদ দেখার জন্য তারা বেছে নিয়েছে মোবাইল ফোন, ইউটিউব হচ্ছে সংবাদ দেখার সবচেয়ে সহজ মাধ্যম।
⛳ সোনাপুর,কাঁচাবাজার, নোয়াখালী সদর।
©📸 #শাহ_আজিজ✒️
04/04/2026
এক টিচার তার ছাত্রদের পড়ানোর জন্য বোর্ডে ৬ এর নামতা লিখছিল। পুরোটাই ঠিক লিখেছিল। কিন্তু লিখতে লিখতে যখন শেষে পৌঁছালো, তখন সে লিখলো,
৷ ৬×১০=৬১
লেখাটি শেষ করে সে পুরোপুরি পিছনে ফিরতেও পারেনি, তার আগেই সবাই জোরে জোরে হাসতে শুরু করলো এবং বলল,
স্যার,
৬×১০=৬১ হয় না
৬×১০=৬০ হয়
আপনি এতোটুকু জানেন না?
আপনি আমাদের কি পড়াবেন?
তখন টিচার হেসে বলল, বাচ্চারা,
আমি ৯ জায়গায় ঠিক লিখেছি। তখন কিন্তু তোমরা আমার প্রশংসা করো নি। কিন্তু আমি যখন এক জায়গায় ভুল লিখেছি, তখন তোমরা আমাকে নিয়ে মজা করা শুরু করেছ।
আমি জানি যে
ব ৬×১০=৬০ হয়।
কিন্তু এই ভুল আমি ইচ্ছা করে করেছি। কারন আমি তোমাদেরকে জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শিখাতে চেয়েছি।
এই দুনিয়া আর এই দুনিয়ার লোক এমনই। তোমরা জীবনে তাদের জন্য সারা জীবন ঠিক কাজ করবে,
কিন্তু কোনদিন যদি তোমার দ্বারা একটা ভুল কাজ হয়ে যায়, মানুষ তোমার সারা জীবনের সব ভালো কাজ ভুলে যাবে।
আর সেই একটা ভুলের জন্য সারা জীবন তোমাকে উল্টাপাল্টা কথা শোনাতে থাকবে। তোমাকে নিয়ে মজা করবে।
কিন্তু সেই সময় তুমি হতাশ হয়ে যাবে না। কষ্টও পাবেনা।
তাদের সেই ব্যবহারকে সমাজের আয়না মনে করবে।
আর তুমি তোমার নিজের রাস্তায়,
সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।।।
04/04/2026
“রোম যখন পুড়ছিল, নিরো তখন বাঁশি বাজাচ্ছিল”
(ইংরেজিতে: “Nero fiddled while Rome burned”)
একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক কিংবদন্তি এবং প্রবাদ।
এটি দায়িত্বজ্ঞানহীনতা, নির্লিপ্ততা বা সংকটের সময় অপ্রাসঙ্গিক কাজে মগ্ন থাকাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
ঘটনার পটভূমি
৬৪ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে রোমের মহা অগ্নিকাণ্ড (Great Fire of Rome) ঘটে। এই আগুন ৬ দিন ধরে জ্বলে এবং রোমের প্রায় ৭০% এলাকা ধ্বংস করে দেয়। হাজার হাজার মানুষ গৃহহারা হয় এবং অনেকে মারা যায়। আগুন সম্ভবত সার্কাস ম্যাক্সিমাসের কাছে দোকান থেকে শুরু হয়েছিল এবং শুষ্ক আবহাওয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
সম্রাট নিরো (Nero Claudius Caesar) তখন রোমান সাম্রাজ্যের শাসক (৫৪–৬৮ খ্রি.)। তিনি ছিলেন জুলিও-ক্লডিয়ান রাজবংশের শেষ সম্রাট এবং ইতিহাসে বিতর্কিত চরিত্র কেউ তাকে নিষ্ঠুর, পাগলাটে ও অত্যাচারী বলে, আবার কেউ তার শিল্পপ্রিয়তা ও নগর পুনর্নির্মাণের প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে।
প্রবাদের উৎস ও কাহিনি
প্রাচীন রোমান ঐতিহাসিকদের লেখায় এই ঘটনার উল্লেখ আছে:
ট্যাসিটাস (Tacitus): বলেন যে, আগুনের সময় নিরো সম্পর্কে গুজব ছড়িয়েছিল যে তিনি রোমের ধ্বংস দেখে ট্রয়ের পতন নিয়ে গান গেয়েছিলেন।
সুয়েটোনিয়াস (Suetonius): নিরো নাকি থিয়েট্রিক্যাল পোশাক পরে ট্রয়ের ধ্বংসের কবিতা আবৃত্তি করেছিলেন এবং কাঁদছিলেন।
ক্যাসিয়াস ডিও (Cassius Dio): নিরো নাকি সিথারা (cithara) বাদকের পোশাক পরে গান গেয়েছিলেন।
এই গল্প থেকে পরবর্তীকালে প্রবাদটি তৈরি হয়েছে যে, নিরো নির্লিপ্তভাবে সংগীত বাজাতে বাজাতে রোম পুড়তে দেখছিলেন।
বাংলায় “বাঁশি” বলা হলেও মূল ইংরেজি প্রবাদে “fiddle” (বেহালা জাতীয় তারযুক্ত যন্ত্র)।
সত্যতা কতটা?
এই কাহিনিটি মূলত কিংবদন্তি বা অতিরঞ্জিত গুজব, পুরোপুরি সত্য নয়। কয়েকটি কারণ:
যন্ত্রের সমস্যা: “Fiddle” (বেহালা) ১০ম-১১শ শতাব্দীতে আবিষ্কৃত হয়েছে। নিরোর সময় (১ম শতাব্দী) এটি ছিল না। নিরো সংগীতপ্রিয় ছিলেন এবং তিনি লাইর (lyre) বা সিথারা (cithara এক ধরনের তারযুক্ত বাদ্যযন্ত্র, লুট বা গিটারের পূর্বসূরি) বাজাতে পারতেন।
কিন্তু আগুনের সময় তিনি এটি বাজিয়েছিলেন এর কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই।
নিরোর অবস্থান: আগুন শুরু হওয়ার সময় নিরো রোমে ছিলেন না, তিনি অ্যান্টিয়াম (Antium) নামক স্থানে (রোম থেকে প্রায় ৫৫ কিমি দূরে) ছিলেন। খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ফিরে আসেন এবং ত্রাণকার্যে অংশ নেন, তার নিজের প্রাসাদ ও বাগান গৃহহারা মানুষের জন্য খুলে দিয়েছিলেন।
রাজনৈতিক প্রচারণা:
নিরো অজনপ্রিয় ছিলেন। তার মৃত্যুর পর ফ্লাভিয়ান রাজবংশ ক্ষমতায় আসে। তাদের সময়ে নিরোর বিরুদ্ধে অনেক গুজব ছড়ানো হয়। যেমন তিনি নিজেই আগুন লাগিয়েছিলেন (নতুন প্রাসাদ “Domus Aurea” বানানোর জন্য)। এসব গল্প তার খারাপ ইমেজ তৈরি করতে সাহায্য করেছে।
আধুনিক ঐতিহাসিকরা মনে করেন, নিরো আগুন লাগানোর সাথে জড়িত ছিলেন না এবং তিনি ত্রাণকার্যও করেছিলেন। তবে আগুনের পর তিনি রোমকে নতুন করে গড়ার পরিকল্পনা নেন, যা অনেকের কাছে অসময়োচিত মনে হয়েছিল।
প্রবাদের অর্থ ও ব্যবহার
এই প্রবাদটি আজও ব্যবহৃত হয় যখন কোনো নেতা বা ব্যক্তি বড় সংকটের সময় নির্লিপ্ত থাকেন বা অপ্রয়োজনীয় কাজে মন দেন।
উদাহরণ:
রাজনৈতিক সংকটে নেতারা যখন অন্য কিছু নিয়ে ব্যস্ত থাকেন।
ব্যক্তিগত জীবনে জরুরি কাজ ফেলে রেখে অকাজে সময় নষ্ট করা।
সংক্ষেপে,
এটি একটি শক্তিশালী রূপক প্রবাদ, কিন্তু ঐতিহাসিকভাবে এর অনেক অংশ অতিরঞ্জিত বা মিথ্যা।
নিরোকে “পাগল সম্রাট” হিসেবে চিত্রিত করার পেছনে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ভূমিকা বেশি।
#শাহ_আজিজ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Cumilla
3561(02)