Md Omar Faroque

Md Omar Faroque I don"t care who are you.If you respect me I will respect you.

আলহামদুলিল্লাহ ❣️ অগণিত শোকরিয়া মহান রবের নিকট 🙏وَإِذَا مَرِضْتُ فَهُوَ يَشْفِينِ “এবং আমি যখন অসুস্থ হয়ে পড়ি, তখন তিনি...
17/08/2026

আলহামদুলিল্লাহ ❣️
অগণিত শোকরিয়া মহান রবের নিকট 🙏
وَإِذَا مَرِضْتُ فَهُوَ يَشْفِينِ
“এবং আমি যখন অসুস্থ হয়ে পড়ি, তখন তিনিই আমাকে সুস্থ করে তোলেন।”

পৌরসভা চেয়ারম্যান থেকে রাষ্ট্রপতি 💚কলেজ অধ্যাপক থেকে বঙ্গভবনে স্বাগতম ❣️বাংলাদেশের ২৩ তম  রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন বিএনপির মহা...
13/08/2026

পৌরসভা চেয়ারম্যান থেকে রাষ্ট্রপতি 💚
কলেজ অধ্যাপক থেকে বঙ্গভবনে স্বাগতম ❣️
বাংলাদেশের ২৩ তম রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
অভিনন্দন স্যার ❣️
Mirza Fakhrul Islam Alamgir

তোমরা যারা অকৃতকার্য হয়েছো 👇গতকাল ১০ আগস্ট প্রকাশিত হয়েছে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ পাবলিক পরীক্ষার (এসএসসি-২৬) ফলাফল বলা গত...
11/08/2026

তোমরা যারা অকৃতকার্য হয়েছো 👇
গতকাল ১০ আগস্ট প্রকাশিত হয়েছে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ পাবলিক পরীক্ষার (এসএসসি-২৬) ফলাফল বলা গত ২৯ বছরের মধ্যে পাশের হার সর্ব নিম্ন সারাদেশে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৮ লাখেরও বেশি! কমেছে জিপিএ ফাইভ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংখ্যা। ৩১২ টির বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কেউই পাশ করেনি অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অসন্তুষ্ট!

বর্তমান সময়ে যে কোন পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই সবার আগে যে খবরটি মানুষ নিতে চায় সেটা হলো জিপিএ ফাইভ পেয়েছে কিনা?

ব্যাক্তি হিসেবে আমার কাছে এটি ইংরেজি বর্ণমালার অন্যান্য বর্ণের মতো এ+,এ ..। এগুলো একটি লেটার গ্রেড মাত্র। মেধাকে গ্রেডে মূল্যায়ন করা কঠিন এবং বৈষম্যমূলক বলে মনে হয়। কিন্তু একজন বাবা অথবা প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে আমি মনে প্রাণেই চাই আমার সন্তান কিংবা শিক্ষার্থী সে যেন সেরা ফলাফলটাই করে। তবে এ ফলাফল বাজার ধরে নয়! বেশি মূল্যে হতে হবে।কারণ বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কিংবা গবেষণা সকল ক্ষেত্রে এই গ্রেডকে অগ্রাধিকার দেয়া হয় ।

আসলে শিক্ষার আসল উদ্দেশ্য কিন্তু চাকরি কিংবা উচ্চ শিক্ষায় সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন নয়। শিক্ষার আসল উদ্দেশ্য মানুষকে সামাজিক জীবে পরিণত করা এর পাশাপাশি একজন শিশুর শরীর ,মন এবং আত্মার পরিপূর্ণ বিকাশ সাধন। অন্যদিকে শিক্ষার যে চিরায়ত সংজ্ঞা "শিক্ষা হলো অভিজ্ঞতা এবং অনুশীলনের মাধ্যমে মানুষের আচরণের অপেক্ষাকৃত স্থায়ী এবং কাঙ্খিত পরিবর্তন "। যার মাধ্যমে সত্যিকার অর্থেই মানুষ হিসেবে গড়ে উঠা সম্ভব।

তাহলে এখন প্রশ্ন হচ্ছে ফলাফল কি প্রয়োজন নেই ?

অথবা থাকলে ভালো ফলাফল অর্জন কিভাবে সম্ভব? এর উত্তরে আমি প্রথমে বলব ভালো ফলাফল নয় আপনার সন্তানকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করুন🙏। সে যদি ভালো মানুষ হয়ে উঠে নীতি, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ তার মধ্যে বিকশিত হয় সে তখন অন্যকে শ্রদ্ধা করতে শিখবে ।

ভালো- মন্দ, ন্যায়- অন্যায়ের পার্থক্য করতে শিখবে সৃষ্টি কর্তার আনুগত্য করবে, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ তার মধ্যে তৈরি হবে, দেশপ্রেম জাগ্রত হবে।তার দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন হবে। তখন পড়াশুনা করা, নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাওয়া, শিক্ষক -পিতা মাতার কথা শোনা, ভালো বন্ধু নির্বাচন করা, সবার সাথে ভালো ব্যবহার করা পিতা মাতাকে তাদের কাজে সহযোগিতা করা ভালো ফলাফল করতে চেষ্টা করে যাওয়া এই সবগুলো তার দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে পড়ে সে এটা বুঝতে পারবে। তখন ভালো ফলাফল এমনিতেই হবে ।আপনাকে বাড়তি কিছু করতে হবে না।

সুতরাং সবার আগে ভালো মানুষ হওয়া প্রয়োজন। সবাইকে দিয়ে ভালো ফলাফল নাও হতে পারে। আপনি কি ধারালো ছুরি দিয়ে যা কাটতে পারেন ভোঁতা ছুড়ি দিয়েও তাই কাটতে পারেন? পারেন না এটা সম্ভব ও নয়। মেধা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে নেয়ামত এ কারণে পার্থক্য হতে পারে। তবে হাল ছাড়া যাবে না ,কেউ এক ঘন্টা পড়াশোনা করে যা করতে পারে অন্যজনের হয়তো তা করতে একদিন লাগতে পারে সুতরাং চেষ্টা করে যেতে হবে। ইংরেজিতে একটা প্রবাদ আছে আমরা সবাই জানি "where there is a will there is a way" ।

নব্য জাহেলিয়াতের এই যুগে যেখানে সন্তান বাবা কে খুন করে! শিক্ষক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে, বাবার নিকট সন্তান অনিরাপদ । হত্যা,খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই, ইভটিজিং চাঁদাবাজি, দুর্নীতি,সুদ,ঘুষ যেখানে নিত্য ঘটনা সেখানে আপনার সন্তানকে সত্যিকার অর্থে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই আপনার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। জিপিএ ফাইভ পাওয়া, মেডিক্যাল, বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা দেশের সেরা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করা সকলেই যদি ভালো মানুষ হতো তাহলে পৃথিবীটা আরও সুন্দর হতো । বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস গুলোতে অপরাধ সংঘটিত হতো না কারণ এখানকার সবাই তো ভালো ছাত্র। ভালো থাকুক আমাদের সন্তানেরা 🙏।

যারা জিপিএ ফাইভ পেয়েছো তাদের জন্য শুভকামনা যারা পাওনি তাদের জন্য ও শুভকামনা রইল। হাল ছেড়োনা---
অকৃতকার্য যারা হয়েছে আত্নবিশ্বাসী হলে বোর্ড চ্যালেঞ্জ করতে পারো জানো তো এবার পুনঃনিরীক্ষণ নয় পুনঃ মূল্যায়ন করা হবে ভাগ্য সহায় ভালো কিছু হবে ইনশাআল্লাহ। অন্যথায় দ্বিগুণ উৎসাহে চেষ্টা চালিয়ে যাও সফল তুমি হবেই ইনশাল্লাহ 🙏
ধন্যবাদ সবাইকে ❣️

মোঃ ওমর ফারুক
প্রিন্সিপাল
মাতৃভূমি আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ।
রায়পুর দাউদকান্দি কুমিল্লা।

তারিখ -১১/০৮/২০২৬

আলহামদুলিল্লাহ ❣️ Matribhumi Ideal School and College এসএসসি -২০২৬ পরীক্ষায় ৭ জন জিপিএ -৫ সহ  ৯৩ % পাশ করায় সকল শিক্ষক...
10/08/2026

আলহামদুলিল্লাহ ❣️
Matribhumi Ideal School and College
এসএসসি -২০২৬ পরীক্ষায় ৭ জন জিপিএ -৫ সহ ৯৩ % পাশ করায় সকল শিক্ষক - শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ❤️

03/08/2026
“আমার সন্তান আমাকে সব কথা বলে না কেন?”একসময় যে সন্তান স্কুলে কী ঘটেছে, কার সঙ্গে কথা হয়েছে, কে কী বলেছে—সবকিছু এসে আপনাক...
29/07/2026

“আমার সন্তান আমাকে সব কথা বলে না কেন?”
একসময় যে সন্তান স্কুলে কী ঘটেছে, কার সঙ্গে কথা হয়েছে, কে কী বলেছে—সবকিছু এসে আপনাকে বলত, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সে ধীরে ধীরে চুপ হয়ে যাচ্ছে।

আপনি জিজ্ঞেস করলে বলে—
👉“কিছু হয়নি।”
👉“জানি না।”
👉“বলতে ইচ্ছা করছে না।”

তখন অনেক বাবা-মায়ের মনে হয়, সন্তান বুঝি বদলে গেছে, খারাপ সঙ্গ পেয়েছে কিংবা ইচ্ছা করেই সবকিছু লুকাচ্ছে।

কিন্তু শিশুর নীরবতা সবসময় অবাধ্যতা নয়। অনেক সময় সে কথা লুকায় কারণ সে নিশ্চিত নয়—সত্য বললে তাকে বোঝা হবে, নাকি বিচার করা হবে।

৭–১৪ বছর বয়সে শিশু শুধু বড় হয় না; তার চিন্তাভাবনা, আত্মসম্মান, ব্যক্তিগত পরিসর, সামাজিক পরিচয় এবং আবেগ প্রকাশের ধরনও বদলে যেতে থাকে। এই সময়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক নিরাপদ থাকলে সে সমস্যা নিয়ে ঘরে ফিরে আসে। কিন্তু সম্পর্ক যদি ভয়, অপমান বা অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়ায় ভরা হয়, তাহলে সে ধীরে ধীরে নিজের ভেতরের দরজা বন্ধ করে দেয়।

🛑🛑 সন্তান কথা লুকায় কেন?

1️⃣ সে আপনার প্রতিক্রিয়াকে ভয় পায়
সন্তান যখন কোনো ভুলের কথা বলতে আসে, তখন সে শুধু ঘটনাটি জানায় না; একই সঙ্গে আপনার মুখ, কণ্ঠস্বর এবং সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়াও পর্যবেক্ষণ করে।

সে মনে মনে ভাবে—
👉“বললে কি মা খুব চিৎকার করবে?”
👉“বাবা কি আমাকে মারবে?”
👉“আমার ফোন নিয়ে নেবে?”
👉“সবাইকে বলে দেবে?”
👉“আমাকে খারাপ বলবে?”

যদি শিশুর পূর্ব অভিজ্ঞতা হয় যে সত্য বললেই অপমান, শাস্তি বা অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া আসে, তাহলে তার মস্তিষ্ক শেখে—
👉সত্য বলার চেয়ে লুকিয়ে থাকা নিরাপদ। তাই মিথ্যা বলা বা কথা গোপন করা অনেক সময় চরিত্রের সমস্যা নয়; এটি আত্মরক্ষার কৌশল হয়ে উঠতে পারে।

2️⃣ আপনি শুনতে চান, কিন্তু মাঝপথেই বিচার করে ফেলেন
অনেক বাবা-মা বলেন—
👉“আমার সন্তান আমাকে কিছুই বলে না।”

কিন্তু সন্তান যখন বলতে শুরু করে, তখনই তারা বলেন—
👉“আমি আগেই বলেছিলাম।”
👉“তুমি সবসময় এমন করো।”
👉“ওই বন্ধুর সঙ্গে মিশতে মানা করেছিলাম।”
👉“তোমারই দোষ।”

এতে শিশুর মনে হয়, বাবা-মা তার কথা শুনতে চান না; তারা শুধু ভুল ধরতে চান।

সন্তান কথা বলার সময় যদি বারবার বাধা পায়, তাহলে সে ধীরে ধীরে শুধু প্রয়োজনীয় তথ্যটুকু বলবে—মনের কথা নয়।

3️⃣ তার অনুভূতিকে ছোট করা হয়
শিশু যখন বলে—
👉“আজ আমার খুব খারাপ লেগেছে।”

তখন যদি উত্তর হয়—
✅️“এতটুকু ব্যাপারে মন খারাপ?”
✅️“এগুলো কোনো সমস্যা হলো?”
✅️“নাটক করো না।”

তাহলে সে শেখে, তার অনুভূতির কোনো মূল্য নেই। ঘটনাটি আপনার কাছে ছোট হতে পারে, কিন্তু শিশুর কাছে সেটি তার সেই মুহূর্তের সম্পূর্ণ পৃথিবী হতে পারে।

বন্ধু কথা বলেনি, শিক্ষক বকেছেন, পরীক্ষায় নম্বর কমেছে, খেলায় বাদ পড়েছে—এসব ঘটনা প্রাপ্তবয়স্কের চোখে সাধারণ হলেও শিশুর আত্মসম্মানে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া মানে তার প্রতিটি দাবির সঙ্গে একমত হওয়া নয়। বলা যায়—
👉“ঘটনাটা তোমাকে কষ্ট দিয়েছে, আমি বুঝতে পারছি।”
এই একটি বাক্য তাকে শেখায়—তার অনুভূতি নিরাপদ।

🛑🛑 তার ব্যক্তিগত কথা অন্যের সামনে বলা হয়

অনেক বাবা-মা সন্তানের ব্যক্তিগত কথা আত্মীয়, প্রতিবেশী বা শিক্ষকের সামনে বলে দেন।

যেমন—
✅️“ও রাতে এখনো ভয় পায়।”
✅️“ওর একটা মেয়েকে পছন্দ হয়েছে।”
✅️“পরীক্ষার আগে কাঁদছিল।”
✅️“ও খুব দুর্বল মনের।”

বাবা-মা হয়তো মজা করে বলেন, কিন্তু শিশুর মনে এটি বিশ্বাসভঙ্গ হিসেবে ধরা দিতে পারে। একবার যদি সে বুঝতে পারে যে ব্যক্তিগত কথা গোপন থাকবে না, তাহলে ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও সে লুকাতে শুরু করবে। বিশ্বাস তৈরি হতে সময় লাগে; কিন্তু একটি প্রকাশ্য অপমানেই সেই বিশ্বাস দুর্বল হতে পারে।

5️⃣ প্রতিটি কথার শেষে উপদেশ থাকে
শিশু সবসময় সমাধান চায় না। কখনো সে শুধু চায় কেউ তার কথা শুনুক।

কিন্তু অনেক বাবা-মা সন্তানের কথা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই উপদেশ দিতে থাকেন—
✅️“তোমার উচিত ছিল…”
✅️“এভাবে করলে কেন?”
✅️“এখন থেকে আমার কথা শুনবে।”

এতে কথোপকথন সম্পর্কের জায়গা থেকে বক্তৃতায় পরিণত হয়। কখনো সরাসরি জিজ্ঞেস করুন—
👉“তুমি কি চাও আমি শুধু শুনি, নাকি তোমাকে কোনো পরামর্শ দিই?”
এই প্রশ্ন শিশুকে সম্মানিত ও নিয়ন্ত্রণে থাকার অনুভূতি দেয়।

6️⃣ সে মনে করে আপনি তার দিকটি বুঝবেন না

৭–১৪ বছর বয়সে বন্ধুত্ব, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং সহপাঠীদের মতামত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এই সময় কোনো বন্ধুর সঙ্গে ঝামেলা, প্রত্যাখ্যান, উপহাস, দল থেকে বাদ পড়া কিংবা প্রথম পছন্দের অনুভূতি শিশুর কাছে খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

কিন্তু সে যদি মনে করে বাবা-মা বলবেন—
✅️“এ বয়সে এসব কী?”
✅️“পড়াশোনা ছাড়া কিছু মাথায় নেই?”
✅️“বন্ধুত্বের এত দরকার কী?”

তাহলে সে বাবা-মায়ের পরিবর্তে এমন কাউকে খুঁজবে, যে তাকে বিচার না করে শুনবে। সমস্যা হলো, বাইরের সেই ব্যক্তি সবসময় নিরাপদ নাও হতে পারে।

7️⃣ পরিবারের পরিবেশে ভুল করার অনুমতি নেই

কিছু পরিবারে শিশু কেবল তখনই গ্রহণযোগ্য অনুভব করে, যখন সে—
✅️ ভালো নম্বর পায়,
✅️ শান্ত থাকে,
✅️ বাবা-মায়ের কথা মেনে চলে,
✅️ কোনো ভুল করে না।

এতে তার মনে শর্তসাপেক্ষ ভালোবাসার ধারণা তৈরি হতে পারে—
👉“আমি ভালো থাকলেই আমাকে ভালোবাসা হবে।”
তখন ভুল, ব্যর্থতা বা অপ্রত্যাশিত অনুভূতি সে লুকিয়ে রাখতে শুরু করে।

একটি শিশুর জানা প্রয়োজন—
👉“তোমার আচরণ ভুল হতে পারে, কিন্তু তুমি আমাদের কাছে মূল্যবান।” এই পার্থক্যটি তার আত্মসম্মান ও সততার ভিত্তি তৈরি করে।

8️⃣ তাকে অতিরিক্ত জেরা করা হয়

স্কুল থেকে ফেরার পর একসঙ্গে অনেক প্রশ্ন—
👉“কার সঙ্গে ছিলে?”
👉“কোথায় গিয়েছিলে?”
👉“কে ফোন করেছিল?”
👉“কেন এত দেরি?”
👉“মোবাইলে কী দেখছ?”

এগুলো নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে, কিন্তু কণ্ঠস্বর যদি জেরা করার মতো হয়, তাহলে শিশু আত্মরক্ষামূলক হয়ে যায়।

জিজ্ঞাসাবাদের বদলে যোগাযোগ করুন।
✅️“আজকের দিনের সবচেয়ে ভালো অংশ কোনটি ছিল?”
✅️“আজ এমন কিছু ঘটেছে, যা তোমাকে অস্বস্তিতে ফেলেছে?”
✅️“কাউকে নিয়ে চিন্তা হচ্ছে?”
খোলা প্রশ্ন শিশুকে নিজের মতো করে কথা বলার সুযোগ দেয়।

🛑🛑 বাবা-মা নিজের ভুল কখনো স্বীকার করেন না

যে পরিবারে শুধু শিশুই ক্ষমা চায়, কিন্তু বড়রা কখনো নিজের ভুল স্বীকার করেন না, সেখানে সমান সম্পর্ক তৈরি হয় না।

বাবা-মা যদি বলেন—
👉“সেদিন তোমার কথা না শুনেই আমি রেগে গিয়েছিলাম। আমার ভুল হয়েছে।”

তাহলে শিশু বুঝতে শেখে—
✅️ ভুল করা স্বাভাবিক,
✅️ সত্য বলা নিরাপদ,
✅️ ক্ষমা চাওয়া দুর্বলতা নয়,
✅️ সম্পর্ক মেরামত করা সম্ভব।
বাবা-মায়ের এই সততা শিশুর সততাকেও উৎসাহিত করে।

1️⃣0️⃣ তার গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্য নেই

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুর ব্যক্তিগত পরিসরের প্রয়োজনও বাড়ে। তার ডায়েরি, ব্যাগ, ফোন বা ব্যক্তিগত কথোপকথন সবসময় গোপনে পরীক্ষা করলে সে মনে করতে পারে, তাকে বিশ্বাস করা হচ্ছে না।

তবে এর অর্থ সম্পূর্ণ স্বাধীনতা নয়। অনলাইন নিরাপত্তা, অপরিচিত ব্যক্তির যোগাযোগ, হুমকি, সাইবার বুলিং বা ক্ষতিকর কনটেন্টের ক্ষেত্রে অভিভাবকের নজর প্রয়োজন।

কিন্তু নজরদারি যেন গোপন অভিযান না হয়। বরং আগে থেকেই নিয়ম তৈরি করুন—

“অনলাইনে কোনো অস্বস্তিকর ঘটনা ঘটলে তুমি আমাকে বলতে পারো। প্রথমে আমি তোমাকে সাহায্য করব, পরে আমরা নিয়ম নিয়ে কথা বলব।”
🔸️এতে নিরাপত্তা ও বিশ্বাস—দুটিই বজায় থাকে।

🛑🛑শিশু কেন বাইরে অন্য কাউকে বিশ্বাস করতে শুরু করে?

মানুষ স্বাভাবিকভাবেই এমন জায়গায় কথা বলে, যেখানে সে—
✅️ শোনা যায়,
✅️ গ্রহণযোগ্যতা পায়,
✅️ অপমানিত হয় না,
✅️ গোপনীয়তা পায়,
✅️ নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে পারে।

এই চাহিদা ঘরে পূরণ না হলে শিশু বন্ধু, অনলাইন পরিচিত ব্যক্তি বা অন্য কোনো বড় মানুষের কাছে তা খুঁজতে পারে।

বন্ধুত্ব বা বাইরের সম্পর্ক সবসময় খারাপ নয়। কিন্তু বাবা-মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক অত্যন্ত দূরত্বপূর্ণ হয়ে গেলে শিশুর ঝুঁকিপূর্ণ প্রভাবের মধ্যে পড়ার সম্ভাবনা বাড়তে পারে।

তাই লক্ষ্য সন্তানকে সবার থেকে বিচ্ছিন্ন করা নয়; লক্ষ্য হলো এমন সম্পর্ক তৈরি করা, যাতে সে প্রয়োজন হলে ঘরে ফিরে আসতে পারে।

🛑🛑 সন্তানকে কথা বলানোর আগে কী করবেন?

1️⃣ নিজের প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করুন
সন্তান এমন কিছু বলতেই পারে, যা শুনে আপনি ভয়, রাগ বা হতাশা অনুভব করবেন। তবু প্রথম প্রতিক্রিয়াটি গুরুত্বপূর্ণ।
সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার না করে বলতে পারেন—
👉“আমি বিষয়টি শুনে উদ্বিগ্ন হয়েছি। কিন্তু আগে তোমার পুরো কথাটা শুনতে চাই।” আপনার শান্ত প্রতিক্রিয়া তার মস্তিষ্কে নিরাপত্তার সংকেত পাঠায়।

2️⃣ কথা বলার সঠিক সময় বেছে নিন
রাগের মুহূর্তে, পরীক্ষার আগে, সবার সামনে অথবা দ্রুত বের হওয়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করবেন না।
হাঁটার সময়, রাতে শান্ত পরিবেশে, একসঙ্গে কোনো কাজ করার সময় অনেক শিশু চোখে চোখ না রেখেও সহজে কথা বলতে পারে।

3️⃣ সরাসরি সমস্যায় না গিয়ে সম্পর্ক তৈরি করুন
শুধু সমস্যা হলেই সন্তানের সঙ্গে কথা বলবেন না।
প্রতিদিন অন্তত কিছু সময়—
✅️ তার পছন্দের বিষয়ে কথা বলুন,
✅️ একসঙ্গে খাবার খান,
✅️ হাঁটুন,
✅️ খেলা দেখুন,
✅️ তার পছন্দের গান বা ভিডিও সম্পর্কে জানুন।
সম্পর্ক দুর্বল রেখে গভীর কথা আশা করা কঠিন।

4️⃣ প্রতিটি কথাকে শিক্ষা দেওয়ার সুযোগ বানাবেন না
কখনো শুধু বলুন—
✅️“আমি তোমার কথা শুনছি।”
✅️“তারপর কী হলো?”
✅️“তখন তোমার কেমন লেগেছিল?”
এই প্রশ্নগুলো শিশুকে নিজের অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করতেও সাহায্য করে।

5️⃣ সমস্যা ও শিশুকে আলাদা করুন
বলবেন না—
👉“তুমি মিথ্যাবাদী।”

বলুন—
✅️“তুমি আজ সত্যটি বলোনি। আমি বুঝতে চাই, সত্য বলতে তোমার ভয় কোথায় ছিল।” এই ভাষা শিশুর চরিত্রকে আক্রমণ না করে আচরণের কারণ খুঁজতে সাহায্য করে।

6️⃣ গোপনীয়তার সীমা আগে থেকেই পরিষ্কার করুন
বলতে পারেন—
👉“তোমার ব্যক্তিগত কথা আমি অকারণে কাউকে বলব না। তবে তুমি যদি বিপদে থাকো, কেউ তোমাকে আঘাত করে, অথবা তুমি নিজেকে ক্ষতি করার কথা ভাবো, তখন তোমাকে নিরাপদ রাখতে অন্য একজন বিশ্বস্ত বড় মানুষের সাহায্য নিতে হবে।” এটি সৎ ও নিরাপদ সম্পর্ক তৈরি করে।

🛑🛑 সন্তান কথা বললে যে কথাগুলো বলবেন না

❌ “আমি জানতাম তুমি এমন কিছু করবে।”
❌ “আমার মুখ ডুবিয়ে দিলে।”
❌ “তোমার বয়সে আমি কখনো এমন করিনি।”
❌ “এই কথা কাউকে বললে কী হবে জানো?”
❌ “তুমি আমাদের বিশ্বাসের যোগ্য নও।”

এর বদলে বলুন—
✅ “সত্য বলার জন্য ধন্যবাদ।”
✅ “আমি রেগে যেতে পারি, কিন্তু তোমার কথা শুনব।”
✅ “আমরা একসঙ্গে এর সমাধান খুঁজব।”
✅ “তোমার আচরণের ফল থাকবে, কিন্তু তুমি একা নও।”
✅ “আগে বুঝি কী ঘটেছে।”

🛑🛑 কখন শিশুর নীরবতাকে গুরুত্বসহকারে দেখতে হবে?
সব শিশু সমান কথা বলে না। কেউ স্বভাবগতভাবে কম কথা বলতে পারে। কিন্তু হঠাৎ আচরণ বদলে গেলে খেয়াল করুন।

যেমন—
1️⃣ আগে কথা বলত, এখন একেবারে চুপ,
2️⃣ পরিবারের সঙ্গে থাকতে চায় না,
3️⃣ ঘুম বা খাওয়ার পরিবর্তন,
4️⃣ স্কুলে যেতে ভয়,
5️⃣ অকারণ রাগ বা কান্না,
6️⃣ পড়াশোনায় হঠাৎ অবনতি,
7️⃣ শরীরে অজানা আঘাতের চিহ্ন,
8️⃣ কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে ভয় পাওয়া,
9️⃣ নিজেকে মূল্যহীন বলা,
1️⃣0️⃣ মৃত্যুর কথা বা নিজেকে আঘাত করার ইঙ্গিত।

এসব ক্ষেত্রে শুধু শাসন নয়; শান্তভাবে কথা বলা এবং প্রয়োজনে শিশু-কিশোর মানসিক স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞের সহায়তা নেওয়া জরুরি।

সন্তানকে সব কথা বলতে বাধ্য করা যায় না। ভয় দেখিয়ে তথ্য পাওয়া যায়, কিন্তু বিশ্বাস পাওয়া যায় না। বিশ্বাস গড়ে ওঠে যখন শিশু বারবার অনুভব করে—
✅️“আমি ভুল করলেও আমার কথা শোনা হবে।”
✅️“আমার অনুভূতিকে ছোট করা হবে না।”
✅️“আমাকে শুধুই বিচার করা হবে না।”
✅️“বিপদে পড়লে আমি ঘরে ফিরতে পারব।”

মনে রাখবেন, সন্তান যখন আপনার কাছে সত্য বলতে ভয় পায়, তখন সমস্যাটি শুধু তার লুকিয়ে রাখার অভ্যাসে নাও থাকতে পারে; সমস্যাটি আপনার প্রতিক্রিয়ার ইতিহাসেও লুকিয়ে থাকতে পারে।

তাই প্রশ্নটি শুধু এই নয়—
👉“আমার সন্তান আমাকে সব কথা বলে না কেন?”

আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—
👉“সে সত্য বললে আমি কি তার জন্য নিরাপদ একজন মানুষ হয়ে উঠতে পারি?”

🔯🔯 আপনার সন্তান কি এখন আগের তুলনায় কম কথা বলে? তাকে দোষ দেওয়ার আগে একবার ভাবুন—সে কি সত্য বলার জন্য আপনার কাছে যথেষ্ট নিরাপদ অনুভব করে? কমেন্টে লিখুন, সন্তানের সঙ্গে বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে তুলতে আপনি কোন অভ্যাসটি আজ থেকেই বদলাতে চান।
Compiled by
Md Omar Faroque

#সন্তান_লালন_পালন #শিশুমনোবিজ্ঞান #বাংলা_প্যারেন্টিং

সরকার বদলায়, দল বদলায় অথচ সুপারিশের ব্যবস্থা বদলায় না!:"সিভি অনুযায়ী তার বয়স মাত্র আঠারো। এসএসসি শেষ হওয়া মাত্রই য...
22/07/2026

সরকার বদলায়, দল বদলায় অথচ সুপারিশের ব্যবস্থা বদলায় না!:
"সিভি অনুযায়ী তার বয়স মাত্র আঠারো। এসএসসি শেষ হওয়া মাত্রই যেহেতু চাকরি খুঁজছেন, তাই অনুমান করা যায় বাড়িতে অভাব। এই রকম সংসারে একটা চাকরি মানে শুধু চাকরি না। মানে মায়ের ওষুধ, ছোট ভাইয়ের ফিজিক্স টিচারের বেতন, বৃষ্টি এলে যে টিনের চাল দিয়ে পানি পড়ে তা সারানো।

এ দেশে গরিবের চাকরি হয় কীভাবে? পরীক্ষা দিয়ে, লাইনে দাঁড়িয়ে। আর সবশেষে, কোনো ক্ষমতাবান মানুষের দরজায় গিয়ে সুপারিশ নিয়ে। এলাকার সবচেয়ে ক্ষমতাবান মানুষটির নাম এমপি সাহেব।

তো একদিন সিভিটা এমপি সাহেবের কাছে পৌঁছাল। হয়তো মেয়েটি নিজে নিয়ে গিয়েছিল, হয়তো পরিবারের কেউ। ভরসা নিয়ে গিয়েছিল। যেভাবে গরিব মানুষ ক্ষমতাবানদের দ্বারস্থ হয়।

সিভিতে সই পড়ল। জোর সুপারিশ করা হলো।

কিন্তু সুপারিশের দাম হিসেবে মেয়েটিকে কী দিতে হয়েছে? হয়তো কিছুই না। হয়তো সবকিছু। আমরা জানি না।

আর এই "জানি না"-টাই আসল কথা। কারণ যে সম্ভাবনাটা এখন আমাদের সামনে, সেটা কোনো সাধারণ কেলেঙ্কারি না। সম্ভাবনাটা হলো, জামায়াতে ইসলামীর একজন সংসদ সদস্য তাঁর পদের জোর খাটিয়ে একটা অসহায় মেয়েকে একা রুমে নিয়ে গেছেন। চাকরির প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে।

সম্ভাবনা মানে প্রমাণ না, জানি। কিন্তু এই প্রশ্নটা সংসদের এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। যথেষ্ট প্রাথমিক প্রমাণ আমাদের সামনে এসেছে। তদন্ত কমিটি হোক, খতিয়ে দেখা হোক। অভিযোগ মিথ্যা হলে মানুষটা কলঙ্কমুক্ত হবেন। আর সত্য হলে, 'মহান সংসদ' নামের মর্যাদাটুকু বাঁচাতে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।

আর সংসদ যদি চুপ করে থাকে? তাহলে সেই নীরবতার মানে একটাই। এই সংসদ হয়েছে গরিবকে শোষণ করার জন্য। অথবা গরিবের মেয়ে এমপির দরজায় গেলে যা ইচ্ছা তা-ই করার জন্য।

---

এখানে আরেকটা কথা না বলে পারছি না। এই যে সুপারিশের ব্যবস্থা, ক্ষমতাবানের এক লাইনের সইয়ে চাকরি হয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা, এটা কি শুধু এই একটা ঘটনার সমস্যা?

প্রতিটা নির্বাচনে প্রতিটা দল আমাদের কথা দেয়, দুর্নীতিমুক্ত দেশ, জিরো টলারেন্স। অথচ সরকার বদলায়, দল বদলায়, সুপারিশের ব্যবস্থাটা বদলায় না।

এই একটা জায়গায় সব দল একমত। কেন? যার সই ছাড়া চাকরি হয় না, সেই গরিব মানুষটাকে জিম্মি রাখার জন্যই কি? আজকের গল্পটা দেখিয়ে দিল, এই জিম্মিদশার দাম কোথায় গিয়ে ঠেকতে পারে।
চমৎকার লিখেছেন ❣️"
Tasnim Jara

হারলেও অনাদিকাল Leo Messi   কে মনে রাখবে ফুটবল বিশ্ব! আজকে পর্দা নামছে বিশ্ব ফুটবল উন্মাদনার,নিচের ছবির মতো আজকের গল্পটা...
19/07/2026

হারলেও অনাদিকাল Leo Messi কে মনে রাখবে ফুটবল বিশ্ব!
আজকে পর্দা নামছে বিশ্ব ফুটবল উন্মাদনার,
নিচের ছবির মতো আজকের গল্পটা নাও হতে পারে! আর্জেন্টিনা হারতেও পারে তাতে কি? সারা বিশ্ব আর্জেন্টিনার পিছনে যেভাবে লেগেছে! জিতেই বা কিভাবে🤩 তাছাড়া আজকে বেশীরভাগ ভবিষ্যদ্বাণী আর্জেন্টিনার বিপক্ষে😭 হোক না! রানার্স আপ তো হবে? স্পেন আমার ও প্রিয় দল গুলোর অন্যতম। যে দল ই জয় লাভ করুক জম্পেশ একটা লড়াইয়ের প্রত্যাশা করছি! একজন আর্জেন্টাইন ফুটবল সমর্থক হিসেবে আজকে জয় ছাড়া অন্য কিছু ভাবছি না!
আমার প্রেডিকশন -3 Vs -1
উল্টোটা ও হতে পারে,সব কিছু ফয়সালা হবে আজকেই ।
খেলাটা দিন শেষে খেলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকুক!
Argentina 🇦🇷 Fourth starts is loading 🏆🏆🏆---🏆

Best wishes for Argentina 🇦🇷🏆 Road to Champion!আমার পিছনে ওনারা সবাই আর্জেন্টিনা 🇦🇷 ফুটবল দলের সমর্থক ⚽। আজকে   Vs   এর ...
15/07/2026

Best wishes for Argentina 🇦🇷🏆 Road to Champion!
আমার পিছনে ওনারা সবাই আর্জেন্টিনা 🇦🇷 ফুটবল দলের সমর্থক ⚽। আজকে Vs এর মধ্যকার সেমিফাইনালে জয় ছাড়া অন্য কিছু ভাবছে না 😊।
নিজেদের দল বাদ যাওয়ার পর যাদের মন খারাপ তাদের বলছি আর মাত্র একটা ম্যাচ কষ্ট করে পার করে দেন কি আর করবেন হেক্সা এবার হবে না 😁

Address

Cumilla

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md Omar Faroque posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Md Omar Faroque:

Shortcuts

Share