#ইসলামী_শারীয়ায়_তালাকঃ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
ইসলামী শরীয়তের অনন্য উপহার বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে গড়ে ওঠা পারিবারিক জীবন। এ অটুট বন্ধন ছিন্ন করার প্রয়াস চালানো হচ্ছে বিভিন্ন অপকৌশলের আশ্রয় নিয়ে। অধিকার প্রতিষ্ঠা, সাবলম্বী করা ইত্যাদি স্লোগানে।
Islam is the complete code of life ইসলাম যেভাবে বিবাহ বন্ধনের স্বীকৃতি দিয়েছে তেমনি প্রয়োজনে বিচ্ছিন্ন করার সুযোগ ও রেখেছে। নিম্নে তালাক সম্পর্কে আলোচনা করা হবে
إن شاء الله و بإذن الله.
#তালাকের_শারয়ী_দৃষ্টিভঙ্গিঃ
শারীয়াতে ইসলামী তালাককে অবৈধ বা একেবারে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেনি, আবার এ জন্য কোন কারণও নির্ধারণ করে দেয় নি যে, সে অবস্থায় তালাক বাধ্যতামূলক হয়ে যাবে। তবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন যে, তালাক আল্লাহ তাআলার নিকট সর্বাধিক অপছন্দনীয় বৈধ কর্ম।
# স্বামী স্ত্রীকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন কিছু দিক নির্দেশনা দিয়েছেন, যেগুলো অনুসরণের মাধ্যমে তালাকের মতো জটিল পরিস্থিতি খুব কমই সৃষ্টি হয়।
# আর তালাকের পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তার এমন পন্থা বাতলে দিয়েছেন, যাতে ক্ষতির পরিমাণ নগণ্য।
বর্তমান সময়ে মানুষ সেসব অনুশাসনের অনুসরণে সুখময় দাম্পত্যের স্বাদ আস্বাদন করতে পারে।
#কুরআন_সুন্নাহতে_তালাকঃ
তালাকের যথেচ্ছা ব্যবহার রুখতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে দিক নির্দেশনা দিয়েছেন তার অন্যতম হল,
* স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কোন অমিল দেখা দিলে পরস্পরের ভালো গুণের প্রতি দৃষ্টিপাত করা। হয়তো সেগুলো সহজে সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে। বরং কুরআন কারীম আরও অগ্রসর হয়ে ঘোষণা করেছে:
وَعَاشِرُوهُنَّ بِٱلۡمَعۡرُوفِۚ فَإِن كَرِهۡتُمُوهُنَّ فَعَسَىٰۤ أَن تَكۡرَهُوا۟ شَیۡـࣰٔا وَیَجۡعَلَ ٱللَّهُ فِیهِ خَیۡرࣰا .
অর্থাৎ নারীদের সাথে ন্যায়সঙ্গত ও সদ্ভাবে জীবন যাপন করো। অতঃপর যদি তোমরা তাদেরকে অপছন্দ করে, তবে হয়তো তোমরা এমন এক জিনিস কে অপছন্দ করছো রাতে আল্লাহ তাআলা প্রচুর কল্যাণ রেখেছেন।_সূরা নিসা, ১৯।
পরবর্তী ধাপে কুরআন কারীম একথা বলে যে, নরম-গরম সব পন্থা অবলম্বন করে ও স্বামী স্ত্রীর মধ্যকার দ্বন্দ্ব-কলহ নিজেরা সমাধা করতে না পারে। তবে তাৎক্ষণিক বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত না নিয়ে উভয় পক্ষ সালিশ নিযুক্ত করবে। তারা সমাধানের চেষ্টা করবে। উপরন্তু আল্লাহ তাআলা একথাও বলেছেন,
إِن یُرِیدَاۤ إِصۡلَـٰحࣰا یُوَفِّقِ ٱللَّهُ بَیۡنَهُمَاۤۗ .
অর্থাৎ যদি এরা উভয়ে সৎ নিয়তে সংশোধনের চেষ্টা করে তবে আল্লাহ তাআলা এদের মধ্যে সু-সম্পর্ক সৃষ্টি করে দিবেন। সূরা নিসা-৩৫।
#তালাকের_প্রকারভেদঃ
প্রয়োগের পদ্ধতিগত দৃষ্টিতে তিন প্রকার। যথাঃ
১। 'আহসান' বা তালাকের সর্বোত্তম পন্থা। অর্থাৎ মাসিক ঋতুস্রাব হতে মুক্ত এমন পবিত্রতা যে পবিত্রতায় স্বামী স্ত্রী একান্তে মিলিত হয়নি। এমন পবিত্রতার সময়ে স্ত্রীকে এক তালাক প্রদান করা। ইদ্দত শেষে বৈবাহিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।
২। 'হাসান তালাক' যাকে সুন্নাহ তালাক ও বলে, অর্থাৎ তিন 'তুহরে' বা পবিত্রতায় তিন তালাক প্রদান করা।
৩। 'তালাকে বিদআত তথা নাযায়েজ তালাক: যা সুন্নাহ বহির্ভূত পন্থায় প্রদান করা হয়। যথা: *মাসিক চলাকালীন সময়ে তালাক প্রদান, *তেমনি যে পবিত্রতায় স্বামী স্ত্রী একান্তে মিলিত হয়েছে।
* একসাথে তিন তালাক প্রদান করা।
* এক তুহরে বা পবিত্রতায় ভিন্ন ভিন্ন শব্দে তিন তালাক দেয়া। এ সকল অবস্থাতেই তালাক প্রদান নাযায়েজ। কবিরা গুনাহ। কিন্তু দিয়ে দিলে কার্যকর হয়ে যায়।
#শরীয়া_পরিপালনের_উপকারিতা:
সুন্নাহ সম্মত পন্থায় বহুবিধ কল্যাণ নিহিত। যথা: ১। সাময়িক মনমালিন্য বা ঝগড়ার কারণে তালাক হবে না।
২। স্বামীকে উপযুক্ত সময়ের অপেক্ষা এজন্য করতে বলা হয়েছে যেন সে ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
৩। প্রতীক্ষার কারণে উভয়ের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের প্রবল সম্ভাবনা থাকে। ফলে তা আর তালাক পর্যন্ত পৌঁছে না।
৪। তথাপি উপযুক্ত সময় আসার পরেও তালাকের সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত থাকলে স্বামী এক তালাকেক রযয়ী প্রদান করবে। ফলে ইদ্দত অতিবাহিত হওয়ার পর বৈবাহিক সম্পর্ক বিলুপ্ত হবে এবং উভয়ে নিজ ভবিষ্যতের ব্যাপারে স্বাধীন ভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে।
৫। ইদ্দত চলাকালীন স্বামী স্বীয় ভুল বুঝতে পারে এবং ভবিষ্যতে কল্যাণের ধারণায় স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয়ার সম্ভাবনা থাকে।
৬। ইদ্দত অতিবাহিত হওয়ার পর স্বামী-স্ত্রী পুনরায় সংসার করতে চায় তাহলে স্বাভাবিক নিয়মে পারস্পরিক সম্মতিতে নতুনভাবে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে।
৭। এরপরে আবারও কলহ দেখা দিলে দ্বিতীয় বার ও তাড়াহুড়ো না করে শরয়ী নির্দেশনা মেনে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত। অর্থাৎ এক তালাক প্রদান করবে।
৮। এরপরে ও বিষয়টি স্বামী স্ত্রীর আয়ত্বাধীন থাকে। অর্থাৎ ইদ্দত চলাকালীন স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। আর ইদ্দত অতিবাহিত হলেও তৃতীয়বার বিবাহের বৈধতা বিদ্যমান।
কুরআন-সুন্নাহর বর্ণীত পদ্ধতির প্রতি দৃষ্টিপাত করলে পরিস্কার বুঝা যায় যে বিবাহ বন্ধন অটুট রাখতে এবং ভাঙ্গন রোধে পর্যাক্রমে কতটা গুরুত্ব প্রদান করেছে।
বি:দ্র: তৃতীয় তালাকের পর আর বিবাহ পুণর্বহাল করা যাবে না স্বামী স্ত্রীকে আর ফিরিয়ে আনতে পারবে না। পারস্পরিক সম্মতিতে ও নতুন করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না। বাধ্যতামূলক উভয়কে পৃথক হতেই হবে।
#তালাক_সংক্রান্ত_কিছু_বিভ্রান্তি:
দ্বীনি শিক্ষার অভাবে অনেকেই তিন তালাকের কমকে তালাক ই মনে করে না। এক বা দুই তালাক লেখা হলে তালাকই হয় না। এজন্য তালাকের পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে শুরুতেই তিন বা তার অধিক তালাক দিয়ে থাকে।
*অনেকে লাখ থেকে কোটি পর্যন্ত সংখায় তালাক দিয়ে থাকে। অথচ এক তালাকের দ্বারাই উদ্দেশ্য সাধিত হয়ে যায়।
*অনেকে সকালে তালাক দিয়ে বিকেলে প্রত্যাহার করে নেয়। অর্থাৎ বিষয়টি তুচ্ছ মনে করে।
* রাগান্বিত অবস্থায় তালাক দিলে তালাক হয় না।
* নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তালাক দিলে তালাক হয় না।
* স্বাক্ষীর উপস্থিতি ছাড়া তালাক হয় না।
* তালাক নামা স্ত্রী গ্রহণ না করলে তালাক হয় না।
অথচ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীস অনুযায়ী যেকোন অবস্থায় তালাক দিলে তা কার্যকর হয়ে যায়।
* একসাথে তিন তালাক প্রদান শারীয়ার দৃষ্টিতে নিষিদ্ধ ও মারাত্মক অপরাধ। যার প্রাথমিক শাস্তি হলোঃ পারস্পরিক সম্পর্ক পুণর্বহালের সুযোগ শেষ হয়ে যায়। এ ব্যাপারে প্রসিদ্ধ চার মাযহাবের ঐক্যমত্য রয়েছে। এজন্য তিন তালাকের পর অনেকেই মারাত্মক পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে থাকে। বিধায় তালাকের এ ভ্রান্ত ধারণা দূর করা প্রয়োজন।
#অনিচ্ছাকৃত_তালাকঃ
[عن أبي هريرة:] ثَلاثٌ جِدُّهنَّ جِدٌّ، وهَزْلُهنَّ جِدٌّ؛ النِّكاحُ، والطَّلاقُ، والرَّجْعةُ. سنن أبي داود ٢١٩٤.
হযরত আবু হুরায়রা রা হতে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তিনটি বিষয় এমন রয়েছে যেগুলো ইচ্ছাকৃত বলা আর হাসি তামাচ্ছলে বলা সমানভাবে কার্যকর (তা হলো) বিবাহ, তালাক, রাযআত বা তালাক প্রত্যাহার।
#অনুরোধ:
* ভদ্রলোকেরা স্ত্রীদের প্রহার করে না। এ জন্যই কোন নবী থেকে ও তা প্রমানিত নয়। আমরা কি এহেন আচরণে লজ্জিত হবো না?
*তালাকের উত্তম পন্থা যা উম্মাহর সর্বসম্মত মতামত, তা জনসাধারণের মাঝে ব্যাপক আলোচনায় নিয়ে আসা।
*মিডিয়ার মাধ্যমে জনগণের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা।
সর্বোপরি উলামায়ে কেরাম এ বিষয়ে স্ববিশেষ দৃষ্টি দিবেন বলে আশা প্রকাশ করি।
وصلى الله وسلم على نبينا محمد وعلى آله وصحبه .
(الألوكة.نيت.
বিয়ে ও তালাকের শরয়ী রূপরেখা এর সহযোগিতায় )
Darul Uloom Adda
কুরআন-সুন্নাহ ও সাধারণ শিক্ষার সমন্ব?
জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা ও আদর্শ আবুল আলা মওদূদী সাহেবের ভ্রান্ত এবং কুফুরী আক্বীদাগুলো রেফারেন্সসহ নিম্নে পেশ করা হলোঃ-
১। মওদূদী বলেছে, সমস্ত নবী গোনাহগার। -- (তাফহীমাত ২য় খন্ড ৫৭ পৃঃ)
২। মওদূদী বলেছে, নবী ও সাহাবীদের মধ্যে লোভ , লালসা , ঘৃনা-বিদ্ধেষ , কার্পন্য , স্বার্থপরতা ও প্রতিহিংসা ছিল , যারা ফলে ওহুদ যুদ্ধে পরাজিত হয়েছেন। ---( তাফহীমুল কুরআন ২য় খন্ড পৃঃ ৬০ , ৯৯ নং টীকা।)
৩। কুরআন নাযিল হওয়ার একশত বছর পরে তা পরিবর্তন হয়ে গেছে। --- (কুরআনের চারটি মৌলিক পরিভাষা পৃঃ ১৪ ও ১৫)
৪।মওদূদী বলেছে, আমাদের নবী তাঁর রেসালতের দায়িত্ব আদায়ে ভূল ত্রুটি করেছেন। ---- (তাফহীমুল ১৯ খন্ড পৃঃ ২৮৬ , ৪নং টীকা , কুরআনের চারটি মৌলিক পরিভাষা পৃঃ ১১৮)
৫। নবী আঃ এর মত লম্বা দাড়ি রাখা বা অন্যান্য কর্ম নবী আঃ এর মত করা মারাত্মক ধরনের বিদাত ও দ্বীনের বিপজ্জনক বিকৃতি।
---- (রাসায়েল ও মাসায়েল ১ম খন্ড পৃঃ ১৮২ ও ১৮৩ নং)
৬। হাদীসের দ্বারা যদি বেশি কিছু অর্জিত হয় তবে সহীহ হওয়ার ধারনার উপর দৃঢ় বিশ্বাস ইয়াকিন রাখা যায় না। ----( তরজমানুল কুরআন পৃঃ ২৬৭ খন্ড ২৬ সংখ্যা ৩)
৭। আল্লাহ পাকের বিধান অস্বীকার করে মওদূদী বলেছিলো - " যে ক্ষেত্রে নর-নারীর অবাধ মেলামেশা সেক্ষেত্রে যেনার কারনে ( আল্লাহ পাক উনার আদেশ কৃত ) রজম শাস্তি প্রয়োগ করা জুলুম "( তাহফীমাত ২/২৮১)
নোট- অথচ জেনাকারীদের জন্যে রজমের শাস্তি স্বয়ং আল্লাহ পাক নিজেই দিয়েছেন।
৮। ফেরেশতা ঐ জিনিস যাকে গ্রীক, ভারত ইত্যাদি দেশের মুশরিকরা দেব-দেবী হিসাবে স্থির করেছে।----( তাজদীদ ও ইহইয়ায়ে দীন ১০ পৃ)
৯।হযরত আদম আলাইহিস সালাম মানবিক দুর্বলতায় আক্রান্ত ছিলেন ----( তাহফীমুল কুরআন উর্দু ,৩/১২৩)
১০। হযরত নূহ আলাইহিস সালাম এর চিন্তা ধারার দিক থেকে দীনের চাহিদা থেকে সরে গিয়েছিলেন------( তাহফীমুল কুরআন ২/৩৪৪, ৩য় সংস্করন ,১৯৬৪ ইং )
১১। নবী হওয়ার পূর্বে হযরত মুসা আলাইহিস সালাম দ্বারা একটি কবীরা গুনাহ হয়েছিলো ---( রাসায়েল ও মাসায়েল ১/৩১)
১২। মহানবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানবিক দুর্বলতা থেকে মুক্ত ছিলেন না | অথাৎ তিনি মানবিক দুর্বলতার বশিভুত হয়ে গুনাহ করেছিলেন---( তরজমানুল কুরআন , ৮৫ সংখ্যা , ২৩০ পৃষ্ঠা , তরজমানুস সুন্নাহ ৩/৩০৫ )
১৩। কোরআনুল করীম নাজাতের জন্য নয়; নিছক হেদায়াতের জন্য -----(তাফহীমুল কোরআন ১ম খন্ড, ৩২১ পৃষ্ঠা)
১৪। হযরত আবু বকর সিদ্দিক রদ্বিয়াল্লাহু আনহু খিলাফতের দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ অযোগ্য ছিলেন |"( তাজদীদ ও এহহীয়ায়ে দীন ২২ পৃ )
১৫। হযরত উসমান রদ্বিয়াল্লাহু আনহু উনার মাঝে স্বজন প্রীতীর বদগুন বিদ্যমান ছিলো ---( খেলাফত ও মুলকিয়াত ৯৯ পৃ )
ভিনেগার বা সিরকা খাওয়ার হুকুম কী?
উত্তর: স্বাস্থ্য সচেতন মানুষদের কাছে বর্তমানে 'আপেল সিডার ভিনেগার' একটি পরিচিত নাম৷ এছাড়াও ভিনেগার বহু পূর্ব থেকেই বিভিন্ন খাদ্য ও রান্নায় ব্যবহার হয়ে আসছে৷ এখন দ্বীনদার ব্যক্তিদের মনে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে এটি খাওয়া বৈধ কিনা৷
মাসআলাটি গভীরভাবে পর্যালোচনা করার পর যতটুকু বুঝে এসেছে তা হল-
ভিনেগার বা সিরকা খাওয়া কোন ইখতিলাফ ছাড়াই জায়েজ৷
এখানে সংশয় সৃষ্টি হওয়ার যে কারণ তা হল- খল বা সিরকা বা ভিনেগার বানানোর প্রক্রিয়া এবং খমার বানানোর প্রক্রিয়া প্রায় একই৷
পার্থক্য হল খমার মুসকির হয়, ঝাঁঝালো হয়, তেতো হয়৷
আর খল মুসকির হয় না, তবে ঝাঝালো হয় এবং টক হয়৷
খল ও খমারের পার্থক্যের ক্ষেত্রে মৌলিকভাবে দুটো বিষয় ক্রিয়াশীল- মুসকির হওয়া এবং নিয়ত হওয়া৷
সুতরাং যদি কেউ খমার এর নিয়তে কোন عصير তৈরি করে এবং সেটি মুসকির হয় তাহলে সেটি বিল ইত্বেফাক হারাম৷
এবার কথা হল যে عصير টি খমারের নিয়তে তৈরি করা হয়েছে সেটিকে যদি কেউ খল বা সিরকাতে রূপান্তরিত করে তাহলে যমহূর আলেমদের মতামত হলো এটিও হারাম বা নাজায়েয হবে৷
কিন্তু একই প্রক্রিয়া ব্যবহার করে যদি কেউ কোনো عصير কে খল বা সিরকা বা ভিনেগারের নিয়তে তৈরি করে এবং সেটি মুসকির বা নেশা উদ্রেককারী না হয় তাহলে সেটি খাওয়া বিল ইত্তেফাক জায়েজ এবং বৈধ৷
এখানে শুধু লক্ষণীয় বিষয় হল, যে عصير টি তৈরি করা হয়েছে চাই সেটি দীর্ঘমেয়াদি পঁচনশীল পক্রিয়ায় হোক না কেন, সেটি কি খমার এর নিয়তে তৈরী করা হয়েছে নাকি খল এর নিয়তে তৈরী করা হয়েছে!
যদি খল বা সিরকার নিয়তে তৈরী করা হয় এবং সেটি মুসকির বা নেশা উদ্রেককারী না হয় তাহলে এটি বিল ইত্তেফাক জায়েজ৷
তবে বাজারে এক প্রকার ভিনেগার পাওয়া যায় যেটি উইথ অ্যালকোহল- সেটি নাজায়েজ ও হারাম৷
খল এর সাথে খমারের মিশ্রন থাকার কারণে৷ অথবা বলা যেতে পারে ভিনেগারের সাথে অ্যালকোহলের মিশ্রণ থাকার কারণে৷
والله أعلم بالصواب
মনে রাখতে হবে এখানে কয়েকটি মাসআলা রয়েছে যার প্রত্যেকটির হুকুম ভিন্ন ভিন্ন- আসীর, খমার, নাবীয, খল৷ একটি বিধানের সাথে আরেকটির বিধান গুলিয়ে ফেললে চলবে না৷
এখানে আরো একটি সংশয় থেকে যায়- যে কোম্পানিগুলো ভিনেগার প্রস্তুত করে তারা কি এটি অ্যালকোহল বা ওয়াইন থেকে প্রস্তুত করে নাকি সরাসরি ভিনেগার হিসেবে প্রস্তুত করে-
এর উত্তর, খাদ্যের ক্ষেত্রে মূলনীতি হলো প্রতিটি খাদ্য হালাল যতক্ষণ না তাতে হারামের কোন অকাট্য দলিল পাওয়া যায়৷
واليقين لا يزول بالشك
সুতরাং যখন এটি বাজারে ভিনিগার হিসেবে আসবে আমরা এটিকে ভিনেগার বা সিরকার হুকুমেই গ্রহণ করবো৷
আর পূর্বেই বলা হয়েছে কিছু কিছু ভিনেগার থাকে যেখানে উইথ অ্যালকোহল লেখা থাকে সেটি নিশ্চিত হারাম৷
এখানে দালিলিক কিছু পর্যালোচনা দেয়া হলো
আহলে ইলমদের জন্য-
والأشربة المحرّمة عند الحنفيّة على ثلاثة أنواعٍ النّوع الأوّل: الأشربة المتّخذة من العنب وهي:
أ - الخمر وهي المتّخذة من عصير العنب النّيء إذا غلى واشتدّ عند أبي يوسف ومحمّدٍ، وقذف بالزّبد عند أبي حنيفة. وبقول الصّاحبين من عدم اشتراط قذف الزّبد قال الأئمّة الثّلاثة مالكٌ والشّافعيّ وأحمد. ولعصير العنب أنواعٌ بحسب ذهاب جزءٍ منه بالطّبخ، كالباذق، والطّلاء، والمثلّث، والمنصّف ولا يختلف حكمها كما سيأتي بيانه. وفي حكم هذا النّوع ما يتّخذ من الزّبيب، وهو صنفان:
1 - نقيع الزّبيب وهو أن يترك الزّبيب في الماء من غير طبخٍ حتّى تخرج حلاوته إلى الماء، ثمّ يشتدّ ويغلي ويقذف بالزّبد عند أبي حنيفة، أو لم يقذف بالزّبد عند صاحبيه.
2 - نبيذ الزّبيب وهو النّيء من ماء الزّبيب إذا طبخ أدنى طبخٍ وغلى واشتدّ.
النّوع الثّاني: ما يتّخذ من التّمر أو الرّطب (وهو السّكّر) والبسر (وهو الفضيخ). وفي حكم هذا النّوع الخليطان. وهو شرابٌ من ماء الزّبيب وماء التّمر أو البسر أو الرّطب المختلطين إذا طبخا أدنى طبخٍ وإن اشتدّ، ولا عبرة بذهاب الثّلثين
النّوع الثّالث: نبيذ ما عدا العنب والتّمر كالعسل أو التّين أو البرّ ونحوها. هذه هي الأشربة المحرّمة عند الحنفيّة، أمّا الخمر فبإجماع الأمّة، وأمّا نبيذ العنب والتّمر فيحرم عند أبي حنيفة وأبي يوسف القدر المسكر منها خلافاً لمحمّدٍ، وأمّا نبيذ العسل والتّين والبرّ والشّعير ونحو ذلك فمباحٌ عند أبي حنيفة وأبي يوسف، بشرط ألاّ يشرب للهوٍ أو طربٍ، وخالفهما محمّدٌ، ورأيه هو المفتى به عند الحنفيّة،
حكم المطبوخ من العنب أو عصيره
11 - إنّ المطبوخ من عصير العنب أدنى طبخٍ، بحيث ذهب منه أقلّ من الثّلثين، وكان مسكراً يحرم شرب قليله وكثيره عند الفقهاء عامّةً، لأنّه إذا ذهب أقلّ من الثّلثين بالطّبخ، فالحرام فيه باقٍ، وهو ما زاد على الثّلث. أمّا إذا ذهب ثلثاه بالطّبخ، وبقي ثلثه فهو حلالٌ وإن اشتدّ عند أبي حنيفة وأبي يوسف. وقال محمّدٌ: يحرم. وهذا الخلاف فيما إذا قصد به التّقوّي، أمّا إذا قصد به التّلهّي فإنّه لا يحلّ بالاتّفاق. وعن محمّدٍ مثل قولهما. وعنه أنّه كره ذلك، وعنه أنّه توقّف فيه. هذا إذا طبخ عصير العنب، فأمّا إذا طبخ العنب كما هو، فقد حكى أبو يوسف عن أبي حنيفة أنّ حكمه حكم العصير لا يحلّ حتّى يذهب ثلثاه. وروى الحسن عن أبي حنيفة أنّ حكمه حكم الزّبيب، حتّى لو طبخ أدنى طبخةٍ يكون بمنزلة الزّبيب، أي يحلّ منه ما دون المسكر وإن لم يذهب ثلثاه، لأنّ طبخه قبل عصره أبعد عن صفة الخمر، فلم يعتبر ذهاب الثّلثين.
حكم المطبوخ من نبيذ التّمر ونقيع الزّبيب وسائر الأنبذة
12 - مذهب جمهور العلماء - كما تقدّم - أنّ ما أسكر من النّيء والمطبوخ، سواءٌ اتّخذ من العنب أو التّمر أو الزّبيب أو غيرها يحرم شرب قليله وكثيره، وقد سبق ذكر أدلّتهم. أمّا عند الحنفيّة، فقد قال أبو حنيفة وأبو يوسف: إنّ المطبوخ من نبيذ التّمر ونقيع الزّبيب أدنى طبخةٍ، يحلّ شربه ولا يحرم إلاّ السّكر منه. وعن محمّدٍ روايتان: الرّواية الأولى: لا يحلّ شربه، لكن لا يجب الحدّ إلاّ بالسّكر. والرّواية الثّانية: قال محمّدٌ: لا أحرّمه، ولكن لا أشرب منه. واحتجّ أبو حنيفة وأبو يوسف لقولهما: بأنّ طبخ العصير على هذه الصّفة - وهي أن يذهب أقلّ من ثلثيه - لا يحرم إلاّ السّكر منه، وإن اشتدّ وقذف بالزّبد، إذا غلب على ظنّه أنّ الشّراب لا يسكره، وذلك لأنّه ليس فيه قوّة الإسكار بنفسه. هذا، وإن حلّ شرب القليل الّذي لا يسكر عند أبي حنيفة وأبي يوسف ليس مطلقاً، ولكنّه مقيّدٌ بشروطٍ هي:
1 - أن يكون شربه للتّقوّي ونحوه من غرضٍ صحيحٍ.
2 - أن يشربه لا للّهو والطّرب، فلو شربه للّهو أو الطّرب فقليله وكثيره حرامٌ.
3 - ألاّ يشرب ما يغلب على ظنّه أنّه مسكرٌ، فلو شرب حينئذٍ، فيحرم القدح الأخير الّذي يحصل السّكر بشربه، وهو الّذي يعلم يقيناً، أو بغالب الرّأي، أو بالعادة أنّه يسكره. وهذا كلّه عند أبي حنيفة وأبي يوسف، كما تقدّم، ومثلهما بقيّة فقهاء العراق: إبراهيم النّخعيّ من التّابعين، وسفيان الثّوريّ، وابن أبي ليلى، وشريكٌ، وابن شبرمة، وسائر فقهاء الكوفيّين، وأكثر علماء البصريّين، فإنّهم قالوا: إنّ المحرّم من غير الخمر من سائر الأنبذة الّتي يسكر كثيرها هو السّكر نفسه، لا العين، وهذا إنّما هو في المطبوخ منها.
13 - ودليل أبي حنيفة ومن معه من السّنّة ما يأتي:
أ - عن عبد اللّه بن عمر رضي الله عنهما «أنّ النّبيّ صلى الله عليه وسلم: أتي بنبيذٍ فشمّه، فقطّب وجهه لشدّته، ثمّ دعا بماءٍ فصبّه عليه وشرب منه»
ب - «إنّ النّبيّ قال: لا تنبذوا الزّهو والرّطب جميعاً، ولا تنبذوا الرّطب والزّبيب جميعاً، ولكن انتبذوا كلّ واحدٍ منها على حدته»، وفي لفظ البخاريّ ذكر التّمر بدل الرّطب. قالوا: وهذا نصٌّ على أنّ المتّخذ من كلّ واحدٍ منها مباحٌ.
ج - عن أبي سعيدٍ رضي الله عنه «أنّ النّبيّ صلى الله عليه وسلم نهى عن التّمر والزّبيب أن يخلط بينهما، يعني في الانتباذ». وزيد في روايةٍ أنّه قال: «من شربه منكم فليشربه زبيباً فرداً، وتمراً فرداً، وبسراً فرداً».
د - واستدلّوا على إباحة الخليطين بما روته عائشة رضي الله عنها قالت: «كنّا ننتبذ لرسول اللّه صلى الله عليه وسلم في سقاءٍ، فنأخذ قبضةً من تمرٍ، وقبضةً من زبيبٍ، فنطرحهما فيه، ثمّ نصبّ عليه الماء فننتبذه غدوةً فيشربه عشيّةً، وننتبذه عشيّةً فيشربه غدوةً»
14 - وأدلّتهم من الآثار
أ - ما روي عن عمر رضي الله عنه أنّه كتب إلى عمّار بن ياسرٍ رضي الله عنه: إنّي أتيت بشرابٍ من الشّام طبخ حتّى ذهب ثلثاه وبقي ثلثه، فذهب منه شيطانه وريح جنونه، وبقي طيبه وحلاله، فمر المسلمين قبلك، فليتوسّعوا به في أشربتهم. فقد نصّ على أنّ الزّائد على الثّلث حرامٌ، وأشار إلى أنّه ما لم يذهب ثلثاه فالقوّة المسكرة فيه قائمةٌ، ورخّص في الشّراب الّذي ذهب ثلثاه وبقي ثلثه.
ب - ما روي أيضاً عن عمر رضي الله عنه أنّه كان يشرب النّبيذ الشّديد، وأنّه هو وعليٌّ وأبو عبيدة بن الجرّاح ومعاذ بن جبلٍ وأبو الدّرداء وأبو موسى الأشعريّ أحلّوا الطّلاء، وكانوا يشربونه، وهو: ما ذهب ثلثاه وبقي ثلثه، وقال عمر: هذا الطّلاء مثل طلاء الإبل، ثمّ أمر بشربه، وكان عليٌّ يرزق النّاس طلاءً يقع فيه الذّباب، فلا يستطيع الخروج منه، أي لحلاوته. حكم الأشربة الأخرى:
15 - تقدّم أنّ مذهب جمهور العلماء تحريم كلّ شرابٍ مسكرٍ قليله وكثيره، وعلى هذا فإنّ الأشربة المتّخذة من الحبوب والعسل واللّبن والتّين ونحوها يحرم شرب قليلها إذا أسكر كثيرها، وبهذا قال محمّد بن الحسن من الحنفيّة وهو المفتى به عندهم. وذلك للأدلّة المتقدّمة من أنّ كلّ شرابٍ مسكرٍ خمرٌ وكلّ خمرٍ حرامٌ " وغير ذلك. ورأي الجمهور مرويٌّ عن عمر، وعليٍّ، وابن مسعودٍ، وابن عمر، وأبي هريرة، وسعد بن أبي وقّاصٍ، وأبيّ بن كعبٍ، وأنسٍ، وعائشة، وابن عبّاسٍ، وجابر بن عبد اللّه، والنّعمان بن بشيرٍ، ومعاذ بن جبلٍ، وغيرهم من فقهاء الصّحابة رضي الله عنهم. وبذلك قال ابن المسيّب، وعطاءٌ، وطاوسٌ ومجاهدٌ، والقاسم، وقتادة، وعمر بن عبد العزيز، وأبو ثورٍ، وأبو عبيدٍ، وإسحاق بن راهويه، والأوزاعيّ، وجمهور فقهاء الحجاز، وجمهور المحدّثين عن فقهاء التّابعين ومن بعدهم. تفصيلاتٌ لبعض المذاهب في بعض الأشربة:
16 - اختلف المالكيّة والشّافعيّة والحنابلة في حكم بعض الأشربة غير المسكرة في تقديرهم، كالخليطين، والنّبيذ، والفقّاع.
ب - النّبيذ غير المسكر:
17 - قال الحنابلة وغيرهم: لا يكره إذا كانت مدّة الانتباذ قريبةً أو يسيرةً، وهي يومٌ وليلةٌ. أمّا إذا بقي النّبيذ مدّةً يحتمل فيها إفضاؤه إلى الإسكار، فإنّه يكره، ولا يثبت التّحريم عند المالكيّة والشّافعيّة إلاّ بالإسكار، فلم يعتبروا المدّة أو الغليان. ولا يثبت التّحريم عند الحنابلة ما لم يغل العصير، أو تمض عليه مدّة ثلاثة أيّامٍ بلياليها. وإن طبخ العصير أو النّبيذ قبل فورانه واشتداده، أو قبل أن تمضي عليه ثلاثة أيّامٍ حتّى صار غير مسكرٍ كالدّبس، ونحوه من المربّيات، وشراب الخرّوب، فهو مباحٌ، لأنّ التّحريم إنّما ثبت في المسكر، فبقي ما عداه على أصل الإباحة. واستدلّوا بحديث ابن عبّاسٍ «أنّ النّبيّ صلى الله عليه وسلم كان ينقع له الزّبيب، فيشربه اليوم والغد وبعد الغد إلى مساء الثّالثة، ثمّ يأمر به فيسقى أو يهراق».
أثر تخلّل الخمر وتخليلها
33 - إذا تخلّلت الخمر بنفسها بغير قصد التّخليل يحلّ ذلك الخلّ بلا خلافٍ بين الفقهاء. لقوله صلى الله عليه وسلم: «نعم الأدم الخلّ». ويعرف التّخلّل بالتّغيّر من المرارة إلى الحموضة، بحيث لا يبقى فيها مرارةٌ أصلاً عند أبي حنيفة، حتّى لو بقي فيها بعض المرارة لا يحلّ شربها، لأنّ الخمر عنده لا تصير خلاًّ إلاّ بعد تكامل معنى الخليّة فيه. كما لا يصير العصير خمراً إلاّ بعد تكامل معنى الخمريّة. وقال الصّاحبان: تصير الخمر خلاًّ بظهور قليلٍ من الحموضة فيها، اكتفاءً بظهور الخلّيّة فيه، كما أنّ العصير يصير خمراً بظهور دليل الخمريّة، كما أشرنا في بيان مذهبهما.
রাসুল সাঃ রিসালাতের দায়িত্ব
পালনে ত্রুটি করেছেন
- মওদুদী
মহানবী সাঃ নিজে মনগড়া কথা বলেছেন
এবং নিজের কথায় নিজেই সন্দেহ পোষণ করেছেন
-মওদুদী
নাউজুবিল্লাহ নাউজুবিল্লাহ নাউজুবিল্লাহ
মওদুদী আকীদার লোকদের মুসলমানিত্ব আছে কিনা আপনারাই বলুন। এরা কিসের ইসলাম পালন করে? ওলামায়ে কেরাম কেন এদের ইসলামী দল নয় বলে, কেন অভিশপ্ত ভ্রান্ত দল বলে, তার কিছু ভ্রান্ত আকীদা নিম্নে উল্লেখ করলাম। পড়ে দেখুন হিসেব মিলাতে পারবেন না। এরা যে কাদিয়ানীর থেকেও নিকৃষ্ট তাতে কোন সন্দেহ নাই। যারা আল্লাহ্, নবী রাসুল, সাহাবায়ে কেরামের ভুল ধরে তাদের কি ঈমান আছে?
০১- আল্লাহ পাক সম্পর্কে মওদুদীর মন্তব্য-
“যে ক্ষেত্রে নর-নারীর অবাধ মেলামেশা, সেক্ষেত্রে যেনার কারণে (আল্লাহ পাকের আদেশকৃত) রজম শাস্তি প্রয়োগ করা নিঃসন্দেহে জুলুম।” (নাঊযুবিল্লাহ) (তাফহীমাত, ২য় খণ্ড, ২৮১ পৃষ্ঠা)
০২- ফেরেশতা সম্পর্কে মওদুদীর মন্তব্য-
“ফেরেশতা প্রায় ঐ জিনিস যাকে গ্রীক, ভারত ইত্যাদি দেশের মুশরিকরা দেবী-দেবতা স্থির করেছে।” (নাঊযুবিল্লাহ)
(তাজদীদ ও ইহইয়ায়ে দ্বীন, ১০ পৃষ্ঠা)
০৩- পবিত্র কুরআন সম্পর্কে মওদুদীর মন্তব্য-
কুরআন শরীফের মনগড়া ব্যাখ্যা করা জায়িয। তিনি তাফহীমুল কুরআনের ভূমিকাতে লিখেন, কুরআনের এক একটি বাক্য পড়ার পর, তার যে অর্থ আমার মনে বাসা বেঁধেছে এবং মনের ওপর তার যে প্রভাব পড়েছে, তাকে যথাসম্ভব নির্ভুলভাবে নিজের ভাষায় লেখার চেষ্টা করেছি। (তাফহীমুল কুরআন,বাংলা ১/১০)
০৪- ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে মওদুদীর মন্তব্য-
ইসলাম কোনো ধর্মের নাম নয় বরং এটি হলো একটি বিপ্লবী মতবাদ। (তাফহীমাত-১/৬২)
০৫- আম্বিয়ায়ে কেরাম আঃ সম্পর্কে মওদুদীর মন্তব্য-
নবীগণ মাসুম নন। প্রত্যেক নবীর দ্বারাই কোনো না কোনো গুনাহ সংঘটিত হয়েছে। (তাফহীমাত ২/৪৩)
০৬- ঈসা আঃ সম্পর্কে মওদুদীর মন্তব্য-
‘হযরত ঈসা আ.কে আল্লাহ তা‘আলা আসমানে উঠিয়ে নিয়েছেন এ কথা বলা যাবে না, আবার তিনি মারা গেছেন একথাও বলা যাবে না। বরং, বুঝতে হবে, এ ব্যাপারটি অস্পষ্ট। (তাফহীমূল কুরআন, উর্দূ, ১/৪২১)
০৭- মুসা আঃ সম্পর্কে মওদুদীর মন্তব্য-
ক- মুসা আঃ এর উদাহরণ ঐ তাড়াহুড়াকারী বিজেতার মত, যে নিজের অধীনতদের নির্দেশ দেয়া ছাড়াই মার্চ করতে করতে চলে যায়, আর পিছনে জংলার অগ্নির মত বিজিত এলাকায় বিদ্রোহ ছড়িয়ে যায়। [নাউজুবিল্লাহ] {রেসালায়ে তরজুমানুল কুরআন-২৯/৪-৫}
খ- “নবী হওয়ার পূর্বে মুসা আঃ দ্বারা একটি বড় গুনাহ হয়েছিল। তিনি এক ব্যাক্তিকে কতল করেছিলেন।”
(রাসায়েল ও মাসায়েল, ১ম খণ্ড, ৩১ পৃ.)
০৮- হযরত দাউদ আঃ সম্পর্কে মওদুদীর মন্তব্য-
ক- হযরত দাউদ আঃ তার এলাকার ইসরাইলীদের সাধারণ রেওয়াজের বশবর্তী হয়ে উরিয়ার কাছ থেকে তালাকের আবেদন করেন। [নাউজুবিল্লাহ] {তাফহীমাত-২/৪২, দ্বিতীয় প্রকাশ, (তাফহিমুল কোরআন(উর্দু):৪র্থ খণ্ড, সুরা সাদ, ৩২৭ পৃ. ১ম সংস্করণ, অক্টোবর ১৯৬৬ইং)}
খ- হযরত দাউদ আঃ যে কাজটি করেছিলেন তাতে প্রবৃত্তির কামনার কিছু দখল ছিল, শাসন ক্ষমতার অসংগত ব্যবহারের সাথেও তার কিছু সম্পর্ক ছিল, এবং তা এমন কোন কাজ ছিল যা কোন ন্যায়নিষ্ঠ শাসকের জন্য শোভনীয় ছিল না। [তাফহীমুল কুরআন-১৩/৯৫, আধুনিক প্রকাশনী, ১১শ প্রকাশ}
০৯- হযরত আদম আঃ সম্পর্কে মওদুদীর মন্তব্য-
“হযরত আদম আঃ মানবিক দূর্বলতায় আক্রান্ত ছিলেন। তিনি শয়তানী প্রলোভন হতে সৃষ্ট তরিৎ জযবায় আত্মভোলা হয়ে নিজ নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ফেলেন। ফলে আনুগত্যের উচ্চ শিখর হতে নাফারমানীর অতল গহ্বরে গিয়ে পড়েন।” (তাফহিমুল কোরআন (উর্দু): ৩য় খণ্ড, ১২৩ পৃ.)
১০- হযরত নূহ আঃ সম্পর্কে মওদুদীর মন্তব্য-
“হযরত নূহ আঃ চিন্তাধারার দিক থেকে দ্বীনের চাহিদা হতে দূরে সরে গিয়েছিলেন। তার মধ্যে জাহিলিয়াতের জযবা স্থান পেয়েছিল।” (তাফহিমুল কোরআন: ২য়খণ্ড, ৩৪৪ পৃ. ৩য় সংস্করণ, ১৯৬৪ ইং)
১১- হযরত ইব্রাহীম আঃ সম্পর্কে মওদুদীর মন্তব্য-
“এখানে আর একটি প্রশ্নের উদ্রেক হয় যে, হযরত ইব্রাহীম আঃ যখন নক্ষত্র দেখে বলেছিলেন, এটা আমার প্রতিপালক এবং চন্দ্র-সূর্য দেখে এগুলোকেও নিজের প্রতিপালক হিসাবে আখ্যা দিয়েছিলেন, তখন সাময়িকভাবে হলেও কি তিনি শিরকে নিপতিত হননি?” (তাফহিমুল কোরআন ১মখণ্ড, ৫৫৮ পৃ.)
১২- হযরত ইউসুফ আঃ সম্পর্কে মওদুদীর মন্তব্য-
‘আমাকে মিসরের রাজকোষের পরিচালক নিয়োগ করুন’- এ কথাটি বলে শুধু অর্থমন্ত্রী হওয়ার জন্যই প্রার্থনা করেননি। কারো কারো ধারনা, বরং তিনি এ বলে ডিকটিটরীই চেয়েছিলেন মৌলিকভাবে। এরই ফলশ্রুতিতে বর্তমান ইতালীর মুসোলিনির যে মর্যাদা তিনিও এর কাছাকাছি মর্যাদার অধিকারী হয়েছিলেন।” (তাফহীমাত: ২য় খণ্ড, ১২২ পৃ. ৫ম সংস্করন এবং নির্বাচিত রচনাবলী (বাংলা) ২য় খণ্ড, ১৫১ পৃ, আধুনিক প্রকাশনী, ১ম সংস্করন ১৯৯১ইং)
১৩- হযরত ইউনুস আঃ সম্পর্কে মওদুদীর মন্তব্য-
“হযরত ইউনুস আঃ এর দ্বারা রিসালাতের দায়িত্ব আদায় করার ব্যাপারে কিছু ত্রুটি হয়ে গিয়েছিল। সম্ভবত তিনি ধৈর্যহারা হয়ে নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই আপন স্থান ত্যাগ করে চলে গিয়েছিলেন।” (তাফহিমুল কোরআন: ২য় খণ্ড, সূরা ইউনুস (টিকা দ্রষ্টব্য) ৩য় সংস্করণ, ১৯৬৪ ইং)
১৪- হযরত মুহাম্মাদ সাঃ সম্পর্কে মওদুদীর মন্তব্য-
ক- মুহাম্মদ (সাঃ) মানবিক দুর্বলতা থেকে মুক্ত ছিলেন না। অর্থাৎ তিনি মানবিক দুর্বলতার বশবর্তী হয়ে গুনাহ করেছিলেন। যে কারণে ‘সূরা নাসর’ এর মধ্যে তাকে তাওবা ও ইস্তেগফার করতে বলা হয়েছে। (তাফহীমুল কুরআন বাংলা, ১৯/২৯০)
খ- “আল্লাহ তা’য়ালার নিকট কাতর কন্ঠে এই আবেদন করুন, যে কাজের দায়িত্ব আপনাকে দেওয়া হয়েছিল তা সম্পন্ন করার ব্যাপারে আপনার দ্বারা যে ভুল ত্রুটি হয়েছে কিংবা তাতে যে অসম্পূর্ণতা রয়ে গেছে তা যেন তিনি ক্ষমা করে দেন।”
(তাফহিমুল কোরআন (বাংলা) ১৯শ খণ্ড, ২৮০পৃ. মুদ্রনেঃ ওরিয়েন্টাল প্রেস, ঢাকা ১৯৮০ ইং এবং কোরআনের চারটি মৌলিক পরিভাষা (বাংলা) ১১২পৃ. ৮ম প্রকাশ, আধুনিক প্রকাশনী: জুন ২০০২)
গ- “মহানবী সাঃ নিজে মনগড়া কথা বলেছেন এবং নিজের কথায় নিজেই সন্দেহ পোষণ করেছেন।”
(তরজমানুল কোরআন, রবিউল আউয়াল সংখ্যা, ১৩৬৫ হিজরী)
ঘ-হযরত মুহাম্মদ সাঃ রিসালাতের দায়িত্ব পালনে ত্রুটি করেছেন, তাকে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে।
(তাফহীমুল কুরআন, সুরায়ে নসর এর তাফসীর)
১৫- সাহাবায়ে কেরাম সম্পর্কে মওদুদীর মন্তব্য-
ক- সাহাবায়ে কেরামকে সত্যের মাপকাঠি জানবে না।
(দস্তুরে জামায়াতে ইসলামী-পৃঃ৭)
খ- “সাহাবায়ে কেরাম সমলোচনার বাহিরে নন। তাদের দোষ বর্ণনা করা যায়। সাহাবাদের সম্মান করার জন্য যদি ইহা জরুরী মনে করা হয় যে, কোনভাবেই তাদের দোষ বর্ণনা করা যাবে না তবে আমার (মওদুদী) দৃষ্টিতে ইহা সম্মান নয় বরং মূর্তি পূজা। যার মূলোৎপাটন এর লক্ষ্যেই জামাতে ইসলামীর জন্ম”। (তরজুমানুল কুরআন ৩৫শ’ সংখ্যা, পৃষ্ঠা ৩২৭)
গ- “সাহাবায়ে কিরাম অনেকে মনগড়া হাদিস বর্ণনা করেছেন।”
(তরজমানুল কোরআন ৩৫ সংখ্যা) ঙ/৩)
ঘ- “সাহাবাদের মধ্যে জাহেলিয়াতের বদ-স্বভাবের পুনরাবৃত্তি ঘটে।”
(তাফহীমাত ২য় খণ্ড, ১৫৫ পৃষ্ঠা)
ঙ- “হযরত আবু বকর রাঃ খিলাফতের দায়িত্ব পালনে সম্পুর্ণ অযোগ্য ছিলেন”। (তাজদীদ ও ইয়াহইয়ায়ে দীন: পৃষ্ঠা ২২,)
চ- “নবী করীম সাঃ এর ওফাতের সময় ব্যাক্তিসম্মানের কু-মনোবৃত্তি হযরত উমর (রঃ) কে পরাভূত করেছিল।
(তরজুমানুল কুরআন, রবিউস সানি ৩৫৭ হিজরী)।
ছ- “হযরত উসমান রাঃ এর মাঝে স্বজন-প্রীতির বদগুণ বিদ্যমান ছিল। (খেলাফত ও মুলকিয়াত, পৃষ্ঠা ৯৯)
জ- “হযরত আলী রাঃ স্বীয় খেলাফতকালে এমন কিছু কাজ করেছেন যাকে অন্যায় বলা ছাড়া উপায় নেই। (খেলাফত ও মুলকিয়াত, পৃষ্ঠা ১৪৬/১৪৩)
ঝ- “হযরত মুয়াবিয়া রাঃ স্বার্থবাদী, গনিমতের মাল আত্মসাৎকারী, মিথ্যা সাক্ষ্য গ্রহকারী ও অত্যাচারী ছিলেন”।
(খেলাফত ও মুলকিয়াত, পৃষ্ঠা ১৭৩)
১৬- সুন্নাত সম্পর্কে মওদূদীর মন্তব্য-
নবী কারীম সাঃ এর আদত-আখলাককে সুন্নাত বলা ও তা অনুকরণে জোর দেওয়া আমার মতে সাংঘাতিক ধরণের বিদ‘আত ও ধর্ম বিকৃতির নামান্তর। (রাসায়েলে মাসায়েল-১/২৪৮)
১৭- মাযহাব এর তাক্বলীদ (অনুসরণ) করা সম্পর্কে মন্তব্য-
জ্ঞানী ব্যক্তির জন্য তাক্বলীদ করা, তথা চার মাযহাবের কোনো এক মাযহাবের অনুসরণ করা নাজায়িয ও গুনাহের চেয়েও জঘন্যতম। (রাসায়েলে মাসায়েল, ১/২৩৫)
১৮- নামায রোযা ইত্যাদি সম্পর্কে মওদুদীর মন্তব্য-
দ্বীনের আসল মাকসাদ হচ্ছে, ইসলামী হুকুমত। আর নামায, রোযা, হজ্জ, যাকাত, প্রভৃতি ইবাদত হচ্ছে উক্ত মাকসাদ অর্জনের মাধ্যম মাত্র। (আকাবিরে উম্মত কি নযর মে মাওলানা মওদূদী পৃঃ ৬৪, জিহাদের হাক্বীকত-১৬)
১৯- ইফতার সম্পর্কে মওদুদীর মন্তব্য-
ইফতারের জন্য কোনো সময়সীমা নির্ধারিত নেই। তাই কয়েক সেকেন্ড বা কয়েক মিনিট এদিক সেদিক হলে রোযা নষ্ট হবে না। যার অর্থ দাঁড়ায় যে, সূর্য ডোবার আগেও ইফতার করতে পারবে। (তাফহীমূল কুরআন উর্দূ ১/১৪৬)
২০- দাড়ি সম্পর্কে মওদুদীর মন্তব্য-
দাড়ি কাটা/ছাঁটা জায়িয। কেটে/ছেঁটে এক মুষ্টির কম হলেও ক্ষতি নেই। নবী কারীম সাঃ যে পরিমাণ দাড়ি রেখেছিলেন, সে পরিমাণ দাড়ি রাখাকে সুন্নাত বলা এবং তার অনুসরণে জোর দেওয়া আমার মতে মারাত্মক অন্যায়। (রাসায়েলে মাসায়েল ১-২৪৭)
২১- সিনেমা দেখা সম্পর্কে মওদুদীর মন্তব্য-
প্রকৃত পথে সিনেমা দেখা জায়িয। (রাসায়েলে মাসায়েল ১-২৬২)
২২- তাসাউফ (আত্মশুদ্ধি) সম্পর্কে মওদুদীর মন্তব্য-
আত্মশুদ্ধির জন্য রাষ্ট্রক্ষমতা পূর্বশর্ত, অর্থাৎ রাষ্ট্র ক্ষমতা অর্জন করা ছাড়া ব্যক্তির আত্মশুদ্ধি অসম্ভব। (আত্মশুদ্ধির ইসলামি পদ্ধতি-৭)
তিনি আরও বলেনঃ তরিকত বা পীরালীর মাধ্যমে মুসলমানদেরকে আফিম দেওয়া হয়েছে, এর ফলে তাদেরকে অচেতন, অকর্মা ও অকেজো করে দেওয়া হয়েছে । (তাজদীদে ইহইয়ায়ে দ্বীন-২২)
এই হচ্ছে ভ্রান্ত অভিশপ্ত মওদুদীর আকীদা সমূহ।
যারা না বুঝে এ ভ্রান্ত মতবাদ গ্রহণ করেছেন বা এর শিকার হয়েছেন, তাদের প্রতি আমাদের আকুল আবেদন এই যে, আপনারা হক্কানী উলামায়ে কেরামের সোহবতে আসুন। উল্লেখিত কথাগুলো নিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করুন। কবরে ঈমানের পরীক্ষা একবারই হবে, ফেল করলে দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। মওদূদী সাহেব এর সাথে উলামায়ে কেরাম এর কোনো ঝগড়া বা হিংসা নেই। শুধুমাত্র সাধারণ মুসলমানদের ঈমানের হেফাযতের জন্যই এই প্রচেষ্টা।
শিবির ভাইদের প্রতি আকুল আবেদন, ওলামাদের সাথে শত্রুতা করে কবরে পার পাবেননা, ওলামাদের গালি দিয়ে জান্নাতের আশা করতে পারেননা। আপনাদের এই ভ্রান্ত আকীদা কি ঠিক আছে? নিজের বিবেক দিয়ে চিন্তা করুন। কেন আপনাদের চ্যালেঞ্জ দেওয়া হচ্ছে বুঝুন এবার। আপনারা সহজ সরল মানুষদের ঈমানকে কিভাবে নষ্ট করছেন দেখুন। আসুন আকীদা আগে ঠিক করি। নিজেদের ভিতর হাজারো শিরকী আকীদা রেখে পীর মাশায়েখ ওলামায়ে কেরামকে গালি দিবেন না, তিনারা আপনাদের শত্রু নয়, কবরে গেলে হেরে যাবেন তাই তিনারা আপনাদের সঠিক পথে আনতে এই প্রচেষ্টা।
এবার আপনিই বলুন,
এই আকীদা গ্রহণ করার পর
আপনার ঈমান কি ঠিক আছে?
মুহতারাম Md. Ibrahim Khalil ভাইয়ার টাইম লাইন অবলম্বনে৷
17/11/2019
আলহামদুলিল্লাহ ! দারুল উলুম আড্ডা বরুড়া, কুমিল্লা। মাদ্রাসার দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্রদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
উপস্থিত ছিলেন:
মুতাওয়াল্লী: জনাব নাসির আহমেদ সহকারী সচিব অব: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
মুহতামিম: মুফতী আশিকুর রহমান ।
শিক্ষক: হাফেজ মোবারক হোসেন ও সন্মানীত অভিভাবক বৃন্দ।
12/10/2019
আজ থেকে পরীক্ষা শুরু হয়েছে চলবে সপ্তাহ ব্যাপী ইনশাআল্লাহ, সকল পরীক্ষার্থীদের জন্য আল্লাহর রহমত কামনা করছি।
12/10/2019
আজ থেকে পরীক্ষা শুরু হয়েছে, চলবে সপ্তাহ ব্যাপী। আল্লাহ তাআলা সকল পরীক্ষার্থীদের সহায় হোন। আমীন।
#যেসব কারণে দুআ কবুল হয় না:
#আটটি কারণে দুআ কবুল হয় না, এসব কারণে মানুষের অন্তর মরে যায় হক/নেক গ্রহণের যোগ্যতা হারিয়ে যায়।
* তোমরা আল্লাহর হক সমূহ জানা সত্ত্বেও আদায় কর না।
* কুরআন পাঠ করো তবে তাতে বর্ণিত দন্ড বিধিমালা কার্যকর কর না।
* রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মহব্বতের দাবি করো তবে তাঁর সুন্নাহর অনুসরণ করোনা।
* তোমরা মৃত্যুকে ভয় করো অথচ তার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করো না।
* আল্লাহ তাআলা বলেন শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু তাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না অথচ তোমরা তার সাথে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক গড়ে গুনাহে লিপ্ত হও।
* তোমরা বলো যে আমরা জাহান্নামকে ভয় পায় অথচ নিজেকে নিজে টেনে জাহান্নামের ফেলে দিচ্ছো।
* জান্নাতের আশা করো অথচ তার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ/আমল করো না।
* প্রত্যুষে ঘুম থেকে উঠে নিজের দোষ ত্রুটি ফেলে রেখে অন্যের দোষ চর্চা করতে থাকো।
আল্লাহ তাআলা এসকল দোষ ত্রুটি থেকে মুক্তি দান করুন আমীন!
04/08/2019
04/08/2019
ক্লাস চলছে
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Cumilla