05/12/2021
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি!
আসসালামু আলাইকুম।
এতদ্বারা সকলের জ্ঞাতার্থে জানানো যাচ্ছে যে, পীর কাশিমপুর গ্রামের স্বনামধন্য কোচিং সেন্টার মেরিটোরিয়াস একাডেমিক কেয়ারে একজন দক্ষ, বিচক্ষন, কর্মক্ষম ও শিক্ষিত ম্যানেজার জরুরী ভিত্তিতে প্রয়োজন।
আগ্রহী ব্যাক্তিগণকে নিম্নোক্ত মেইলে সিভি পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
মেইলঃ [email protected]
অথবা যোগাযোগ করুন নিম্নোক্ত নাম্বারে।
মোবাইলঃ ০১৭৭৬১৮৩৭৭৭, ০১৮৮৬৪৯৫৭২৬, ০১৬২৪৫৯৮০৫৪
13/11/2021
আগামীকাল ১৪ নভেম্বর শুরু হতে যাচ্ছে বহুল প্রতিক্ষিত এসএসসি এক্সাম-২০২১।
পরীক্ষার্থীদের জন্য মেরিটোরিয়াস একাডেমিক কেয়ার কোচিং এর পক্ষ থেকে রইল অনেক দোয়া ও শুভ কামনা। তোমাদের সফলতাই আমাদের সফলতা।
আশা করি তোমরা সর্বোচ্চ সফলকাম হবে ইনশাআল্লাহ।🤍
26/10/2021
💥 আচ্ছা বলো তো, বুলেটের চেয়ে ____ বেশি শক্তিশালী।
(a) ব্যালট
(b) বিদ্যুৎ
(c) আগুন
(d) আলো
দেখা যাক কে কে কমেন্টে সঠিক উত্তরটি দিতে পারো!😀👇
25/10/2021
💥 আচ্ছা বলো তো, m ও n বিজোড় সংখ্যা হলে, নিচের কোনটি জোড়?
(a) mn
(b) mn+1
(c) mn+2
(d) mn+
দেখা যাক কে কে কমেন্টে সঠিক উত্তরটি দিতে পারো!😀👇
24/10/2021
আজকের এই ইন্টারনেট আর সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে ‘মনোযোগের অভাব’। যেকোনো কাজের উপরই দীর্ঘক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখাটা আজকাল হয়ে ওঠে না; সেটা হোক পড়াশোনা কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে গল্প-আড্ডা। আর এমনি করে প্রতিনিয়তই আমাদের প্রয়োজনীয় অনেক কিছুর উপর থেকেই ফোকাস হারিয়ে বা কমে যাচ্ছে। কিন্তু জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে গেলে এই ফোকাস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। পড়াশোনা বা যেকোনো কাজে কীভাবে এই ফোকাস বা মনোযোগ ফিরিয়ে আনা যায় তাই থাকছে আজকের এই লেখায়। 😉
🍂 মর্নিং রুটিন (Morning Routine):
সকালে আমরা কখন ঘুম থেকে উঠি এবং কী করি তার উপরেই কিন্তু নির্ভর করে সারাদিন আমরা কতটা প্রোডাক্টিভ থাকতে পারবো এবং পড়াশোনায় কতটা ফোকাস দিতে পারবো। তাই মর্নিং রুটিনটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সকালে ঘুম থেকে উঠেই আগে ঠিক করে নাও সারাদিন কী পড়বে আর কতটা পড়বে। এর ফলে তোমার সামনে নির্দিষ্ট একটা গোল থাকবে আর সেটা কিন্তু তোমাকেই পূরণ করতে হবে। কোনকিছু না ভেবে পড়াশোনা করার চেয়ে রুটিন করে পড়া অনেক বেশি কার্যকরী। আর যখনই তোমার আগে থেকে করে রাখা একটি তালিকা ধীরে ধীরে পূরণ হবে, তোমার আত্মবিশ্বাসও অনেক বেড়ে যাবে। এর ফলে তোমার PMA (Positive Mental Attitude)-এর বিকাশ ঘটবে। এই PMA যখনই তোমার সারাক্ষণের সঙ্গী হয়ে উঠবে তখন তুমি যেকোনো কাজে অফুরন্ত এনার্জি নিয়ে সেটা করে ফেলতে পারবে। তবে-
সমস্ত রকমের আসক্তি অর্থাৎ টিভি, গেমস, সোশ্যাল মিডিয়া (ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদি) থেকে সকালের সময়টাতে দূরে থাকতে হবে। কারণ এতে অনেক একটিভ এনার্জি নষ্ট হয়ে যায়, যা সারাদিনে আবার ফিরিয়ে আনাটা অনেক কঠিন। তাই সকালের সময়টাতে এ সমস্ত আসক্তি থেকে দূরে থাকতে হবে, তা না হলে পড়াশোনায় মনোযোগ সহজেই নষ্ট হবে। বিখ্যাত লেখিকা Julie Morgenstern তাঁর ‘NEVER CHECK E-MAIL IN THE MORNING’ বইটিতে একটি জায়গায় বলেছেন,
“যদি তুমি তোমার সকালটা নিখাদ পড়াশোনা দিয়ে শুরু করো তাহলে দিনের বাকি অংশটা মনোযোগ দিয়েই পড়াশোনা করতে পারবে।”
🍂 বি অ্যা কম্পিউটার (Be a Computer):
তুমি তো সকালে উঠে সারাদিনে কী কী পড়বে তার একটি তালিকা তৈরি করে ফেলেছ অর্থাৎ প্লানিং হয়ে গেছে। এর পরের ধাপ হচ্ছে সম্পাদনা অর্থাৎ তালিকা অনুযায়ী সমস্ত কাজগুলো সঠিকভাবে সম্পন্ন করা। কিন্তু সেটা কীভাবে করবে? এর জন্য তুমি হয়ে যেতে পারো একটি কম্পিউটার! অর্থাৎ কম্পিউটার যেমন একবার অন করলে বন্ধ করার আগ পর্যন্ত সমস্ত নিয়ম মেনে টাস্ক ফলো করে, তেমনি তোমাকেও সেইভাবে কাজ করার অনুশীলন করতে হবে। Cal Newport তাঁর ‘DEEP WORK’ বইতে লিখেছেন,
“High Quality Work Productivity = Time Spent * Intensity of Focus,”
অর্থাৎ দিন শুরু করো সবচেয়ে কঠিন কাজ দিয়ে, কেননা দিনের শুরুর দিকে তোমার ফোকাস লেভেল সবচেয়ে বেশি থাকে। সকালে তুমি প্রথমে ৩০ মিনিট পড়, তারপর ৫ মিনিট ব্রেক নাও। তারপর আবার ৪৫ মিনিট পড়, আবার ব্রেক নাও। তারপর আবার ৬০ মিনিট পড়। আর প্রতিটা নতুন সেশনে আগের সেশনের পড়াগুলো রিভাইস করে নাও।
🍂 রিলাক্স (Relax):
David Allen তাঁর ‘Getting Things Done’ বইতে লিখেছেন,
“Your ability to generate power is directly proportional to your ability to relax.”
দিনের প্রথম তিনটি সেশন শেষ করার পর অবশ্যই রিলাক্স করা উচিত। কিন্তু এই রিলাক্সেসনের সময় টিভি বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ডুবে যাওয়া যাবে না। কেননা এগুলো নেশার মত, একবার এগুলোর মধ্যে ঢুকে গেলে বেরিয়ে আসা কষ্টকর। তারচেয়ে বাড়ির বাইরে প্রকৃতির মধ্যে কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করো কিংবা বারান্দায়ও হাঁটতে পারো।
🍂 ফেক ইট টিল ইউ মেক ইট (FAKE IT, TILL YOU MAKE IT):
উপরের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করার পরেও যদি তুমি নিজের ফোকাস হারিয়ে ফেলো তাহলে কী করবে! মূলত তখনই কাজে আসবে এই পয়েন্টটা; অর্থাৎ এমন ভাব করো যেন তুমি কাজটা করে ফেলেছ। এখন প্রশ্ন হল, এটা কীভাবে এপ্লাই করবে? তোমার সবচেয়ে পছন্দের বিষয়ের একটি বই খুলে বসো, পাতা ওলটাও, পছন্দের দুয়েক লাইন পড়। এভাবে করতে থাকলে ধীরে ধীরে তোমার পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ আবার ফিরে আসবে।
আর হ্যাঁ, ব্লগটি তোমার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলনা কিন্তু!🙂
23/10/2021
T20 World Cup 2021 Match Schedules...✌️🇧🇩
22/10/2021
💥আচ্ছা বলো তো, দুই ব্যক্তি একটি কাজ একত্রে ৮ দিনে করতে পারে। প্রথম ব্যক্তি একা কাজটি ১২ দিনে করতে পারে। দ্বিতীয় ব্যক্তি একা ঐ কাজটি কত দিনে করতে পারবে?🤔
(a) ২০ দিনে
(b) ২৫ দিনে
(c) ২৪ দিনে
(d) ৩০ দিনে
ঝটপট সঠিক উত্তরটি জানিয়ে দাও কমেন্ট সেকশনে! 👇
22/10/2021
“আল্লাহর পথে একটি সকাল কিংবা একটি সন্ধ্যা ব্যয় করা গোটা পৃথিবী এবং পৃথিবীর সমস্ত সম্পদের চেয়ে উত্তম”
– আল হাদিস (সহীহ বুখারী)
21/10/2021
💥আচ্ছা বলো তো, কোন সংখ্যাটি নিম্নোক্ত ধারায় অন্তর্ভুক্ত নয়?🤔
১- ২ -৫ – ১০ – ১৩ – ২৬ – ২৯ - ৪৮
(a) ১
(b) ১০
(c) ২৯
(d) ৪৮
ঝটপট সঠিক উত্তরটি জানিয়ে দাও কমেন্ট সেকশনে!
21/10/2021
-“পড়তে বসতে ইচ্ছা করে না!
-“আরে, আমি তো প্রতিদিন বই নিয়ে বসি, কিন্তু কই যে হারায় যাই!🤯
আমাদের সবার সমস্যাগুলোকে যদি একসাথে করি তাহলে ইন্টারসেকশনে যেটা পড়বে বা সবচেয়ে কমন যেটা হবে সেটা হচ্ছে মনোযোগ না আসা। মনোযোগ না আসলে পড়া কি করে হবে! আর পরীক্ষার আগের দু’দিনের মনোযোগ দিয়ে পাশ করার মতো শর্টকাট ওয়ে দিয়ে পড়ালেখা কি চলে? চলো মনোযোগ ধরে রাখারও কিছু শর্টকাট ওয়ে দেখি...😉
✅ পড়ার মত পরিবেশ: একটানা পড়ার সবচেয়ে বড় সমস্যা মনোযোগ ধরে রাখতে না পারা। খেয়াল করলে দেখতে পারবে আমাদের পড়ায় সবচেয়ে ব্যাঘাত ঘটায় আমাদের সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং এর নোটিফিকেশন দেখার অস্থিরতা, আশে পাশের গল্পের টুকরো বার্তা, আড্ডা ইত্যাদি। তাই সচেতনভাবে এই টুলসগুলো তোমার পাশে থেকে ২-৩ ঘণ্টার জন্য সরিয়ে তারপর একান্তে বসো। এতে পড়তে বসতে তোমার আগ্রহ না জাগালেও অন্তত মনোযোগ সরিয়ে নেবে না।
✅ কয়েকজন মিলে গ্রুপ স্টাডি: নিয়মিত পড়া কন্টিনিউ করতে গ্রুপ স্টাডির বিকল্প নেই। একসাথে কয়েকজন বন্ধু মিলে সপ্তাহের তিন/চারদিন, আগে থেকে ঠিক করে রাখা সময়ে বসে অনুশীলন চর্চা করা যায়, নিজেদের ঝালাই করে নেয়া যায়, এবং পরবর্তী দিনের হোমওয়ার্কও নেয়া যায়। এতে যেমন একঘেয়েমি আসে না তেমনি বন্ধুদের সাথে তাল মেলাতে হলেও তোমাকে পড়তেই হচ্ছে।
✅ বন্ধুরা মিলে কুইজ প্রতিযোগীতা: সপ্তাহের যে কোন একদিন কোন একটা খটমটে চ্যাপ্টার নিজেদের কুইজ কম্পিটিশনের জন্যে রাখতে পারো। কুইজের জন্য পড়তে হলে তোমাকে ঐ চ্যাপ্টার গভীরভাবে পড়তেই হবে, এতে তোমার ঐ চ্যাপ্টারের নৈর্ব্যক্তিক, সৃজনশীল দুটোরই প্রস্তুতি হয়ে যাবে। এভাবে প্রতি মাসে তুমি অনায়াসে চারটা চ্যাপ্টার আয়ত্ত করতে পারবে সেই সাথে এর আনন্দ বাড়াতে বন্ধুরা মিলে চাঁদা তুলে কুইজ বিজয়ীর জন্য পুরস্কার রাখতে পারো!
✅ সবকিছুতেই অংশগ্রহণ: ধরো, তোমার ক্লাস টেস্ট আর বাংলাদেশের খেলা মিলে কনফ্লিক্টিং সিচুয়েশন। খেলা দেখতে বসলে কখন সময় চলে যায় বুঝতেই পারো না আবার এই সময়ে একটানা মনোযোগ দিয়ে পড়াও অসম্ভব।! তাহলে?
এ সময় তুমি নিজের জন্য সময় বেঁধে নাও বোলিং-ব্যাটিং এ কত ওভার করে তুমি দেখবে, এতে তুমি পড়ার জন্য কত সময় পাবে। এতে তোমার স্কোর দেখার জন্য বার বার ছুটে আসতে হবে না; “খেলা দেখতে পারছি না, খেলা দেখতে পারবো না” এই অস্থিরতাও তোমার মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটাবে না!
✅ আনন্দের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেয়া: মনোযোগ ধরে রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হচ্ছে আনন্দিত থাকা, তৃপ্ত থাকা। নিয়মিত পড়ার পাশাপাশি তোমার আনন্দের বিষয়গুলোতে অংশগ্রহণ করো; সপ্তাহের একদিন ফুটবল কিংবা সাঁতার, আলোচিত কোন মুভি, বিষয়ভিত্তিক বই- তা করো যা তোমাকে আনন্দ দেয়। তোমার তৃপ্ত মন তোমাকে বিক্ষিপ্ত হতে দেবে না, আরো একাগ্র করবে।
✅ নিয়মিত থাকা: নিয়মিত পড়াশুনা করা- শুনতে ক্লিশে হলেও মেধাবী শিক্ষার্থী আর সাধারণ শিক্ষার্থীর এটাই বড় পার্থক্য। গ্রীষ্মের ছুটি, ঈদের ছুটি, পূজার ছুটি, পরীক্ষা শেষের ছুটি যাই হোক না কেন, খুব অল্প হলেও প্রতিদিনই পড়া চালিয়ে যাও। পড়ালেখার মত লম্বা রেসে এই একটি অভ্যাসই তোমাকে ট্র্যাকে ধরে রাখবে।
20/10/2021
💥তুমি কি বলতে পারবে- নিচের চিত্রে মোট কয়টি ত্রিভুজ আছে?
(ক) ৬টি
(খ) ৭টি
(গ) ৮টি
(ঘ) ১০টি
দেখা যাক কে কে কমেন্টে সঠিক উত্তরটি দিতে পারো!😀👇
19/10/2021
🎯 বলো তো, প্রশ্নবোধক স্থানে কোন চিত্রটি বসবে?🤔
ঝটপট জানিয়ে দাও কমেন্ট সেকশনে👇