22/07/2025
জুনায়েদের বলা শেষ কথাগুলো 😔😭
"আম্মু আমি আজ স্কুলে যাব না।”
৭ বছরের বয়সী জুনায়েদের কথা শুনে মা ধ'ম'কে বললেন,
“একদম না যাওয়ার বায়না ধরবে না জুনায়েদ। যেতে হবে, চলো রেডি হও।”
“মা, ভালো লাগছে না আমার। কাল থেকে যাই?”
“না, বাবা এখনি যেতে হবে। স্কুল থেকে আসার পর, তোমাকে নিয়ে ঘুরতে যাব। কেমন?”
জুনায়েদের চোখ চকচক করে উঠল। বলল,
“সত্যি!”
“হ্যাঁ, সত্যি।”
জুনায়েদকে স্কুলের জন্য রেডি করে মা, আর ছেলে বেরিয়ে পড়লো। স্কুল গেইটে জুনায়েদকে নামিয়ে মা হেসে বললেন,
“আম্মু, বাসায় গিয়ে চিকেন রান্না করব, তোমার জন্য। ঠিক আছে?”
“ওকে, আম্মু।”
জুনায়েদের মা, রান্না করছিল। হঠাৎ নিউজ পেল, জুনায়েদের স্কুলে বিমান ক্র্যাশ করেছে। হাত থেকে চিকেনের পাতিলটা পড়ে গেল। কাঁ'পা কাঁ'পা হাতে জুনায়েদের বাবাকে কল দিলো। তারপর, ছুটে বেরুলো ছেলেকে খুঁজতে। “জুনায়েদ, ঠিক আছেতো?”
তারপর? তারপর, ২ ঘন্টা খোঁজার পর, হঠাৎ দেখতে পেলো, “পো/ড়া দে'হ নিয়ে জুনায়েদ তার আম্মুর দিকেই এগিয়ে আসছে। মুহুর্তেই পড়ে গেল মা'টিতে। শেষ নি’শ্বা’স ত্যাগ করলো জুনায়েদ। কলিজা কাঁ/পি/য়ে দেওয়ার মত চিৎ’কা’র করে উঠল জুনায়েদের বাবা-মা। মা কান্না করতে করতে বললেন,
“আমার বাজান, আমার বাজানে, না করছিল আম্মু আজ আমি স্কুলে যাব না। আমি জো'র করে পাঠিয়েছি। আমার বাজানে আজকে বিকেলে ঘুরতে যাওয়ার কথা ছিল আমার সাথে। ওহ বাজান, চিকেন খাইবা না তুমি? আব্বা, আমারে নিঃস্ব করে তুমি কই চইলা গেলা আব্বা?”
জুনায়েদের আর বাসায় ফেরা হলো না, চিকেন খাওয়া হলো না, তার আম্মুর সাথে ঘুরা হলো না, আর, হোমওয়ার্কও করা হলো না।
মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা উত্তরা।
২১ জুলাই ২০২৫ ( ইতিহাসের কালো অধ্যায়)
26/03/2025
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা Hasnat Abdullah
২৬ শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ভিরাল্লা সাদত খান উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
তার এই আগমন উপলক্ষে ভিরাল্লা সাদত খান উচ্চবিদ্যালয় এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকশিক্ষিকাগণ মহদয় এবং ছাত্রছাত্রীদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
18/03/2025
শুভকামনা রইলো সবার জন্য❤️
26/10/2024
৯৫-৯৮ সালে এমন একটা নোট থাকলে যে আনন্দ লাগতো, এখন ১০ লাখ টাকা পকেটে নিয়ে ঘুড়লেও এমন আনন্দ লাগে না।
এনিওয়ে টাকাকে আবার আগের রুপে ফিরিয়ে আনার জন্য তত্বাবধায়ক সরকারকে ধন্যবাদ😝
27/09/2024
কুমিল্লা বিমানবন্দর পুনরায় চালু এবং বিমান বাহিনীর Forward Operational Base (FOB) স্থাপনের বিষয় দুটি গুরুত্বপূর্ণ এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য প্রাসঙ্গিক। আবার কুমিল্লা বিমানবন্দরকে ঢাকা বিমানবন্দরের বিকল্প হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনা এবং কার্যকারিতাও অনেক কারণে গুরুত্বপূর্ণ এবং অধিকতর লাভজনক । বিষয়গুলো নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
১. কুমিল্লা বিমানবন্দর পুনরায় চালু করণ:
কুমিল্লা বিমানবন্দরটি ব্রিটিশ শাসনামলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে বর্তমানে এটি ব্যবহার করা হচ্ছে না। এটি পুনরায় চালু করার ক্ষেত্রে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা রয়েছে:
অর্থনৈতিক উন্নয়ন: কুমিল্লা অঞ্চলে বিমানবন্দর চালু হলে সেখানকার ব্যবসা-বাণিজ্য আরও সম্প্রসারিত হবে। আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলে কুমিল্লার ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তারা লাভবান হতে পারেন।
পর্যটন খাতের বিকাশ: কুমিল্লা একটি ঐতিহাসিক অঞ্চল, যেখানে অনেক প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান এবং পর্যটন আকর্ষণ রয়েছে। বিমানবন্দর চালু হলে এই অঞ্চলে পর্যটন খাতের উন্নয়ন হবে, যা অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে।
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন: বিমানবন্দরটি চালু হলে ঢাকা এবং চট্টগ্রামের বাইরে দেশের আরও অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হবে। এতে আভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।
২. বিমান বাহিনীর Forward Operational Base (FOB) স্থাপন:
Forward Operational Base (FOB) হলো একটি কৌশলগত সামরিক ঘাঁটি যা সেনাবাহিনীর সামনে থেকে পরিচালনা করা হয়, বিশেষ করে জরুরি বা কৌশলগত প্রয়োজনীয়তার সময়। কুমিল্লায় FOB স্থাপন দেশের সামরিক সক্ষমতা এবং প্রতিরক্ষা কৌশল আরও জোরদার করতে পারে। এর কিছু সুবিধা হলো:
কৌশলগত অবস্থান: কুমিল্লার ভৌগলিক অবস্থান দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ। এখানে FOB স্থাপন করলে ভারতীয় সীমান্তের কাছাকাছি এলাকার উপর নিরবচ্ছিন্ন নজরদারি করা সম্ভব হবে।
সামরিক প্রস্তুতি ও প্রতিরক্ষা: এটি বিমান বাহিনীর দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে। জরুরি অবস্থায় FOB থেকে বিমান বাহিনী দ্রুত উড্ডয়ন করতে পারবে।
জাতীয় নিরাপত্তা: কুমিল্লায় FOB স্থাপন করলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা বাড়বে, বিশেষ করে দেশের অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসী হুমকি এবং সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে।
কুমিল্লা বিমানবন্দরকে ঢাকা বিমানবন্দরের বিকল্প (Alternate) হিসেবে ব্যবহার করা হলে এর কার্যকারিতা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। নিচে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
৩. ঢাকা বিমানবন্দরের বিকল্প হিসেবে কুমিল্লা বিমানবন্দর:
৩.১. ঢাকা বিমানবন্দরের চাপ হ্রাস:
ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি দেশের প্রধান বিমানবন্দর, যা অধিক চাপের মুখে রয়েছে। অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক উড়ান পরিচালনার জন্য এই বিমানবন্দরের সক্ষমতা প্রায় সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছেছে। ফলে সময়মতো ফ্লাইট পরিচালনা, যাত্রীদের ভিড় এবং ফ্লাইট বিলম্বের সমস্যা বেড়েছে। খুব কম দূরত্বের বিবেচনায় কুমিল্লা বিমানবন্দরকে বিকল্প হিসেবে ব্যবহারের মাধ্যমে এই চাপ কমানো যেতে পারে।
৩.২. জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প সুবিধা:
বিভিন্ন কারণে, যেমন দুর্যোগ, প্রযুক্তিগত সমস্যা বা অন্যান্য অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে, ঢাকা বিমানবন্দর যদি সাময়িকভাবে বন্ধ থাকে, তাহলে কুমিল্লা বিমানবন্দরকে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে জরুরি অবস্থায় ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা কমে যাবে এবং বিমানবন্দরের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে।
৩.৩. ভৌগলিক অবস্থানের সুবিধা:
কুমিল্লা বিমানবন্দরটি ঢাকার সাথে তুলনামূলকভাবে কাছাকাছি অবস্থানে অবস্থিত (প্রায় ৯০-১০০ কিমি দূরে)। ঢাকা থেকে সহজেই সড়কপথে কুমিল্লায় পৌঁছানো সম্ভব, ফলে এটি একটি কার্যকর বিকল্প হতে পারে। বিশেষ করে যদি এক্সপ্রেসওয়ে এবং রেল সংযোগ আরও উন্নত করা হয়, তবে যাত্রী পরিবহনের সময় কমিয়ে আনা যাবে।
৩.৪. অভ্যন্তরীণ এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধি:
কুমিল্লা বিমানবন্দর চালু হলে ঢাকার বিকল্প হিসেবে অভ্যন্তরীণ এবং আঞ্চলিক ফ্লাইটগুলির জন্য একটি নতুন গন্তব্য তৈরি করা সম্ভব হবে। এতে করে আঞ্চলিক ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পর্যটনের বিকাশে অবদান রাখা যাবে। চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল এবং দেশের অন্যান্য বিমানবন্দরগুলোর সাথে নতুন করে যোগাযোগ স্থাপিত হবে।
৩.৫. ব্যয় এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন:
ঢাকা বিমানবন্দরের বিকল্প হিসেবে কুমিল্লা বিমানবন্দরকে গড়ে তুলতে হলে কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে। রানওয়ে সম্প্রসারণ, আধুনিক টার্মিনাল নির্মাণ এবং বিমান পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা স্থাপন করতে হবে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এটি একটি কার্যকর বিনিয়োগ হতে পারে, যা দেশের সামগ্রিক বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।
৪. চ্যালেঞ্জ:
কুমিল্লা বিমানবন্দরকে বিকল্প হিসেবে কার্যকর করতে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে:
অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা: বর্তমান অবকাঠামো বড় আকারের বাণিজ্যিক ফ্লাইটের জন্য পর্যাপ্ত নয়। এজন্য আধুনিকীকরণ প্রয়োজন।
পর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণ: বিমানবন্দর পরিচালনা এবং ফ্লাইট নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিচালন দক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে।
সার্বিক মূল্যায়ন:
কুমিল্লা বিমানবন্দরকে বিকল্প হিসেবে উন্নয়ন করা গেলে তা দেশের বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য একটি বড় ধরনের পদক্ষেপ হতে পারে। ঢাকা বিমানবন্দরের ওপর চাপ কমানো, জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প সুবিধা তৈরি, এবং আঞ্চলিক যোগাযোগের উন্নয়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে সক্ষম। এ কারণে কুমিল্লা বিমানবন্দর পুনরায় চালু এবং বিমান বাহিনীর FOB স্থাপন কেবল আঞ্চলিক উন্নয়ন নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তা এবং সামরিক কৌশলগত সক্ষমতা উন্নয়নে বড় ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে।
04/07/2024
ভিরাল্লা সাদত খান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম ভুইয়ার স্যারের শেষ কর্মদিবসে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন❤️
06/04/2024
কমপক্ষে ০১ বার পড়ুন সবগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ আমল 📖🤲🏻
১.লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
২.জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহওয়া আহলুহু।
৩.লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহানাকা ইন্নি কুন্তু মিনাজ য্ব-লিমিন।
৪.আল্লাহুম্মা সল্লি আলা মুহাম্মাদিন নাবিয়িল উম্মিয়ি ওয়ালা আলি ওয়াসাল্লিম তাসলিমা।
৫.বিসমিল্লাহি ফি সাবিলিল্লাহ ওয়ালা মিল্লাতি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
৬.আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিন শাররি বাসার।
৭.আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিন আযাবিল কবর।
*আউযুবিকা মিন আযাবিল জাহান্নাম।
*আউযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাহিয়া ওয়ালা মামাতি।
*আউযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাসিহিদ দা'জ্জা'ল।
৮.আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়িনা মুহাম্মদ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)।
৯.আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ইলমান নাফিয়ান ওয়ারিঝকান ত্বইবান ওয়া আমালান মুতাকাব্বালান।
১০.আল্লাহুম্মা ইন্নি আসালুকাল জান্নাতা ওয়া আউযুবিকা মিনান্নার।
১১.আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা রিদ্ধাকাওয়াল জান্নাত।
১২.আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা হুসনাল খতিমাহ।
১৩.আল্লাহুম্মা ইন্নি আস আলুকা মিন ফাদলিক।
১৪.আল্লাহুমা ইন্নি আস আলুকা হুব্বাকা হুব্বা মান ইউহিব্বুক।
১৪.আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন জান্নাতুল ফেরদাউস।
১৫.আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফিতনাতিল দুনিয়া আমিন 🤲🏻
🤲🏻 পড়া শেষে আলহামদুলিল্লাহ 🤲🏻
Copy
30/03/2024
#বিষয়_টা_অতীব_জরুরি
যারা ঈদে বাড়ি ফিরবেন তাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা।
সম্প্রতি একটা কেমিক্যাল এর ব্যবহার তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে কিছু অসৎ মানুষের হাতে পড়েছে। কেমিক্যাল টার নাম হচ্ছে স্কোপোলামিন। এটা সাধারণত সাড়ে তিন ফিট দূর থেকেও বাতাসের মাধ্যমে একজন মানুষকে আসক্ত করতে পারে। এই কেমিক্যালটা আমাদের ন্যাসাল রুটের মাধ্যমে যখন ভেতরে প্রবেশ করে তখন মানুষের মস্তিষ্কের প্রাইমারি ইনিশিয়াল স্টেজ অফ থিংকিং সহজ বাংলায় বললে মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। যে কারণে মানুষ তাৎক্ষণিকভাবে সামনে থাকা মানুষের নাচের পুতুলে পরিণত হয়। তখন আপনাকে ওই লোক যা কমান্ড দেবে আপনি সেটাই করবেন। এটা থেকে বাঁচতে আমি কিছু বিষয়ের কথা বলছি এগুলো মাথায় রাখবেন।
১. অপরিচিত কারো থেকে কোন কিছু খাবেন না সে যত ভালই মনে হোক না কেন।
২. সব সময় মাস্ক পরবেন।
৩. আপনার মুখের সামনে অপরিচিত কোন লোকের হাত আনতে দিবেন না হাতটা আপাত দৃষ্টিতে খালি মনে হলেও।
৪. যেন তারা লোকের কাছ থেকে মাস্ক কিনবেন না।
৫. একা যাত্রী হয়ে কোন গাড়িতে উঠবেন না।
৬. সিটে অথবা সিটের আশেপাশে পড়ে থাকা পানি কখনোই চোখে মুখে দিবেন না।
৭. অপরিচিত কোন লোক আপনার এড্রেস জানার জন্য কোন কাগজ হাতে দিতে চাইলে সেটা ধরবেন না।
৮. কোন কাগজ ঠিকানা দেখার বাহানা করে আপনার চোখের সামনে আনতে দেবেন না।
৯. গাড়ির ভেতরে কেউ আপনাকে মুখ দিয়ে বাতাস করার সাথে সাথে চিৎকার করে উঠবেন। আশেপাশে থাকা সবাইকে অবহিত করবেন যে আমি যদি অজ্ঞান হয়ে যাই তার জন্য আমার এই পাশে বসা লোক দায়ী।
১০. দেখতে একেবারে ভদ্র, হুজুরের মত ,এরকম কোন লোক ইফতারের সময় ইফতার অথবা খেজুর দিলে খাবেন না। অনেক সময় মানুষকে বিশ্বাস করানোর জন্য ছোলা এবং মুড়ির ভেতরে কোন কিছু দেওয়া থাকে না। সেটা আগে নিজেরা খেয়ে মানুষকে বিশ্বাস অর্জন করে ওটার মাঝখান দিয়ে হয়তো খেজুর অথবা পানির ভেতরে কিছু দিয়ে দিতে পারে।
১১. গাড়ির ভেতরে কারো সঙ্গে বন্ধুত্ব করবেন না মনে রাখবেন গাড়ি থেকে নেমে গেলেই আপনাদের বন্ধুত্ব শেষ হয়ে যাবে তার চাইতে ভালো গাড়ির ভেতরে বন্ধুত্ব নাই হোক।
১২. মাস্ক বিষয়ে সতর্ক হবেন অবশ্যই কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করবেন
১৩. আমার মোবাইলে ঘড়ির টাইমটা একটু ঠিক করে দেন এ কথা বলে হাতে কোন মোবাইল দিতে চাইলে সেটা নিবেন না। কারন স্কোপোলামিন আপনার হাতে লাগলে আপনি মনের অজান্তেই কখনো মুখের কাছে নেবেন এটা একটা স্বাভাবিক। আর ওটার জন্যই ফাঁদ পেতে ওয়েট করবে ওই লোক।
#সংগৃহীত Si Belal Hossain