Mufti Arafat Hossain Arifi

Mufti Arafat Hossain Arifi

Share

Religious Teacher, Religious leader.

14/08/2023

চলে গেলেন কোরআনের পাখি আল্লাহ পাকের উত্তম হেফাজতে । আর ময়দানে সুমধুর কন্ঠে তাফসীর শুনতে পারবো না সেটা ভেবে হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। হে আল্লাহ ভালো রাখেন কোরআনের পাখিকে মজলুমের কারাগারে জুলুমের শিকার হয়ে তিনি চলে গেলেন না ফেরার দেশে। এর বিনিময়ে বাংলাদেশে ইসলামের রাজ কায়েম কর যেটা তার আকাঙ্ক্ষা ছিল এবং আমাদেরও প্রত্যাশা। হে আল্লাহ আপনি তাকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করুন এবং শহীদ হিসেবে কবুল করুন। আমিন ইয়া রাব্বুল আলামিন।।।

13/08/2023

কলকাতার বাবুরা বলেছেন,"ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় করার কোন দরকার নেই। ফার্মগেট আছে,ধানমণ্ডি আছে পাশে একটা কৃষি কলেজ করে দাও। "

এই ধরনের কায়েমী স্বার্থবাদী আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে ব্রিটিশ লর্ডের কাছে গিয়ে শেরে বাংলা ফজলুল হক বোঝালেন ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতেই হবে। এবার ব্রিটিশরা কিছুটা নমনীয় হল --- কিন্তু বিশ্বযুদ্ধের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হল একটু দেরীতে । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যখন প্রতিষ্ঠিত হয় তখন বাংলার শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন শেরে বাংলা ফজলুল হক ।

শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ১৯১৬ সালে মুসলিম লীগ এর সভাপতি নির্বাচিত হন । পরের বছর ১৯১৭ সালে তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এর সাধারণ সম্পাদক হন । তিনিই ইতিহাসের একমাত্র ব্যক্তি যিনি একই সময়ে মুসলিম লীগ এর প্রেসিডেন্ট এবং কংগ্রেস এর জেনারেল সেক্রেটারি ছিলেন । ১৯১৮ -১৯ সালে জওহরলাল নেহেরু ছিলেন ফজলুল হকের ব্যক্তিগত সচিব ।

১৯৩৭ এর নির্বাচনে শেরে বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক ঘোষণা দিয়েছেন নির্বাচনে জিতলে তিনি জমিদারি প্রথা চিরতরে উচ্ছেদ করবেন।
তিনি যাতে নির্বাচিত হতে না পারেন তার জন্য সারা বাংলাদেশ আর কলকাতার জমিদাররা একত্র হয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করেছেন। লাভ হয়নি --- কৃষকরা তাদের নেতাকে ভোট দিয়েছেন।

মুসলিম লীগ এর লাহোর অধিবেশনে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বক্তব্য দিচ্ছেন । হঠাৎ করে একটা গুঞ্জন শুরু হলো, দেখা গেল জিন্নাহর বক্তব্যের দিকে কারও মনযোগ নাই । জিন্নাহ ভাবলেন, ঘটনা কী ? এবার দেখলেন, এক কোণার দরজা দিয়ে ফজলুল হক সভামঞ্চে প্রবেশ করছেন, সবার আকর্ষণ এখন তার দিকে । জিন্নাহ তখন বললেন --- When the tiger arrives, the lamb must give away. এই সম্মেলনেই তিনি উত্থাপন করেছিলেন ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব ।

১৯৪০ সালের ২২-২৪ শে মার্চ লাহোরের ইকবাল পার্কে মুসলিম লীগের কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। এই কনফারেন্সে বাংলার বাঘ আবুল কাশেম ফজলুল হক ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন। তিনি তার প্রস্তাবে বলেন, হিন্দু সাম্প্রদায়িকতার বাস্তবতায় হিন্দু মুসলিম একসাথে বসবাস অসম্ভব। সমাধান হচ্ছে, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে একটি স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্র এবং পূর্বাঞ্চলে বাংলা ও আসাম নিয়ে আরেকটি স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হবে।

পাঞ্জাবের মওলানা জাফর আলী খান, সীমান্ত প্রদেশের সর্দার আওরঙ্গজেব, সিন্ধের স্যার আব্দুল্লাহ হারুন, বেলুচিস্তানের কাজী ঈসা ফজলুল হকের প্রস্তাব সমর্থন করেন। কনফারেন্সে এই প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে পাশ হয়।

লাহোর প্রস্তাব উত্থাপনের সময়ে হিন্দুপ্রধান প্রদেশগুলোতে মুসলিম নির্যাতনের মাত্রা বাড়তে থাকার কারণে ফজলুল হক খুবই উদ্বিগ্ন এবং কিছুটা উত্তেজিত ছিলেন। তিনি তার বক্তব্যে একবার বলেন, ‘ আমি আগে মুসলিম, পরে বাঙালী (muslim first, bengali afterwards)’। বক্তৃতার এক পর্যায়ে এসে বলেন, ‘কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলোতে যদি আর কোনো মুসলিম নির্যাতিত হয় তাহলে আমি বাংলার হিন্দুদের উপর তার প্রতিশোধ নেব।’

যে ফজলুল হক তিন বছর আগে সোহরাওয়ার্দী, নাজিমউদ্দিনকে রেখে শ্যামাপ্রসাদের সাথে কোয়ালিশন সরকার গঠন করেছেন সেই ফজলুল হকের মুখে এমন বক্তব্য তখনকার ভারতে ব্যাপক আলোড়ন সৃাষ্ট করেছিল।

বর্তমানে যে পাকিস্তান রাষ্ট্র তার ভিত্তি হচ্ছে লাহোর প্রস্তাব। তাই ২৩ শে মার্চ কে পাকিস্তানে প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

কিন্তু লাহোর প্রস্তাব পাশ হওয়ার কয়েকদিন পরে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ চালাকির আশ্রয় নেন। তিনি বলেন, প্রস্তাবটি টাইপ করার সময়ে ভুল করে muslim majority states লেখা হয়েছে; আসলে হবে state । জিন্নাহর ধারণা ছিল, দেন-দরবার করে দুই পাশে দুইটা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা করা যাবে না। তাই স্টেটস এর জায়গায় স্টেট লিখে একটা মুসলিম মেজরিটি রাষ্ট্র করতে হবে।

জিন্নাহর এই ধূর্ততার কারণে ফজলুল হক তার সাথে পাকিস্তান আন্দোলনে সম্পৃক্ত হননি। তরুণ শেখ মুজিব যখন জিন্নাহর নেতৃত্বে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েছেন তখন অভিজ্ঞ ফজলুল হক পাকিস্তানের বিরোধিতা করেছেন। 'তিঁনি অনুমান করতে পেরেছিলেন পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হলে কী কী দুর্দশা হবে বাংলার মানুষের। তাই তিঁনি পাকিস্তানের বিরোধিতা করেছেন। অসমাপ্ত আত্মজীবনী তে বঙ্গবন্ধু লিখেছেন.......
"
বাংলার মাটিও তাকে ভালোবেসে ফেলেছিল। যখনই হক সাহেবের বিরুদ্ধে কিছু বলতে গেছি, তখনই বাধা পেয়েছি। একদিন আমার মনে আছে একটা সভা করছিলাম আমার নিজের ইউনিয়নে, হক সাহেব কেন লীগ ত্যাগ করলেন, কেন পাকিস্তান চাননা এখন? কেন তিনি শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির সাথে মিলে মন্ত্রীসভা গঠন করেছেন? এই সমস্ত আলোচনা করছিলাম, হঠাৎ একজন বৃদ্ধ লোক যিনি আমার দাদার খুব ভক্ত, আমাদের বাড়িতে সকল সময়েই আসতেন, আমাদের বংশের সকলকে খুব শ্রদ্ধা করতেন- দাঁড়িয়ে বললেন,”যাহা কিছু বলার বলেন, হক সাহেবের বিরুদ্ধে কিছুই বলবেন না। তিনি যদি পাকিস্তান না চান, আমরাও চাই না। জিন্নাহ কে? তার নামও তো শুনি নাই। আমাদের গরিবের বন্ধু হক সাহেব।” এ কথার পর আমি অন্যভাবে বক্তৃতা দিতে শুরু করলাম। সোজাসুজিভাবে আর হক সাহেবকে দোষ দিতে চেষ্টা করলাম না। কেন পাকিস্তান আমাদের প্রতিষ্ঠা করতেই হবে তাই বুঝালাম। শুধু এইটুকু না, যখনই হক সাহেবের বিরুদ্ধে কালো পতাকা দেখাতে গিয়েছি, তখনই জনসাধারণ আমাদের মারপিট করেছে। অনেক সময় ছাত্রদের নিয়ে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছি, মার খেয়ে।"

বঙ্গবন্ধু ' র বাবা বলেছেন , " বাবা তুমি যাই করো শেরে বাংলার বিরুদ্ধে কিছু বলো না। শেরে বাংলা এমনি এমনি শেরে বাংলা হয়নি। "

ফজলুল হক জানতেন মাঝখানে ভারতকে রেখে পশ্চিম আর পূর্বে জোড়া দিয়ে এক পাকিস্তান করলে তা কখনো টিকবে না। ‘ জিন্নাহ আমার লাহোর প্রস্তাবের খৎনা করে ফেলেছে -বলে ফজলুল হক পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সক্রিয় থাকেননি।

১৯৪৬ এ এসে জিন্নাহ সোহরাওয়ার্দীর দুই বাংলা একত্র করে স্বাধীন যুক্তবাংলার দাবী মেনে নিয়েছিলেন। কিন্তু কংগ্রেসের বিরোধিতার কারণে শেষ পর্যন্ত বাংলাও ভাগ করতে হল।

ফজলুল হক বলেছিলেন, একটি পাকিস্তান কখনও টিকবে না। বাংলা এবং আসামকে নিয়ে পৃথক স্বাধীন রাষ্ট্র করতে হবে।

১৯৭১ সালে এসে দেখা গেল, ফজলুল হকের আশঙ্কা এবং ভবিষ্যতবাণী সঠিক। ১৯৭১ এর মত এমন কিছু যে ঘটবে শেরে বাংলা ফজলুল হক তা আঁচ করতে পেরেছিলেন ১৯৪০ সালেই। তাই তিনি ১৯৪০ সালেই বাংলা আর আসাম নিয়ে পৃথক রাষ্ট্র করতে চেয়েছিলেন। অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম স্বপ্নদ্রষ্টা হলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক।

১৯৭১ এর যুদ্ধ হল ফজলুল হকের লাহোর প্রস্তাবের বাস্তবায়ন। লাহোর প্রস্তাব ফজলুল হক যেভাবে উত্থাপন করে ছিলেন সেভাবে মানলে একাত্তরে এই দেশে রক্তগঙ্গা বইত না।

পেশাজীবনে 'কলকাতা হাইকোর্টের নামকরা আইনজীবী ছিলেন। একদিন তাঁর জুনিয়র হাতে একগাদা পত্রিকা নিয়ে এসে বললেন, " স্যার , দেখুন , কলকাতার পত্রিকাগুলো পাতার পর পাতা লিখে আপনার দুর্নাম ছড়িয়ে যাচ্ছে --- আপনি কিছু বলছেন না । " তিঁনি বললেন, " ওরা আমার বিরুদ্ধে লিখছে তার মানে হল আমি আসলেই পুর্ব বাংলার মুসলমান কৃষকদের জন্য কিছু করছি। যেদিন ওরা আমার প্রশংসা করবে সেদিন মনে করবে বাংলার কৃষক বিপদে আছে। "

মুহাম্মদ ওয়াজেদ আলী বরিশাল বারের নামকরা উকিল । একবার ওয়াজেদ আলী র প্রতিপক্ষ মামলার ইস্যু জটিল হওয়ার কারণে কলকাতা থেকে তরুণ উকিল ফজলুল হককে নিয়ে আসে ওয়াজেদ আলীকে মোকাবেলা করার জন্য । ফজলুল হক ওই সময়ে কেবলমাত্র ফজলুল হক , শেরে বাংলা তখনও হননি । তিনি মামলা লড়তে এসেছেন , কিন্তু বিপক্ষের উকিল কে সেই খবর জানতেন না ।

কোর্টে এসে দেখলেন বিপক্ষে তার বাবা ওয়াজেদ আলী দাঁড়িয়েছেন । ফজলুল হক স্বাভাবিকভাবে যুক্তিতর্ক শুরু করলেন ।

এক পর্যায়ে ওয়াজেদ আলী আদালতকে উদ্দেশ করে বললেন , “ ইনি যা বলছেন তা আইনসংগত না । আইনটা হল আসলে এরকম এরকম ....... ইনি নতুন উকিল তো আইন কানুন ভালো বোঝেন না । “

উত্তরে ফজলুল হক বললেন , “ তিনি পুরাতন অভিজ্ঞ উকিল হলে কী হবে ? তিনি হচ্ছেন কৃষকের ছেলে উকিল ( প্রকৃতপক্ষে তার দাদা আকরাম আলী ছিলেন ফারসি ভাষার পন্ডিত ) , তিনি আইনের কী আর বোঝেন ? আমি হচ্ছি উকিলের ছেলে উকিল , যুক্তি আমারটাই ঠিক । “

খ্যাতির সাথে ৪০ বছর ধরে কলকাতা হাইকোর্টে ওকালতি করেছেন । আইন পাশ করার আগে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিজিক্স কেমেস্ট্রি আর ম্যাথমেটিক্সে ট্রিপল অনার্স করেছেন । মাস্টার্স করেছেন ম্যাথমেটিক্স এ । ছোটবেলায় একবার পড়ে বইয়ের পৃষ্ঠা ছিঁড়ে ফেলার গল্প রূপকথার মত এদেশের সবার মুখে মুখে ।

বাংলার প্রাদেশিক পরিষদের বাজেট অধিবেশনে একজন এম পি শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক কে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে বক্তব্য দিতে লাগলেন । ঐ এম পি শেরে বাংলার বিরুদ্ধে গানও লিখে এনেছেন এবং সংসদের বাজেট বক্তুতা করতে গিয়ে সেই গানটি হেলেদুলে কর্কশ কণ্ঠে গাইতে শুরু করলেন । এরকম পরিস্থিতিতে যে কারও পক্ষে মাথা ঠাণ্ডা রাখা মুশকিল ।

শেরে বাংলা ঐ এমপি র বক্তব্যের মধ্যেই বলে উঠলেন -- "Mr Speaker, I can jolly well face the music, but I cannot face a monkey."

এবার ঘটলো মারাত্মক বিপত্তি । তার মত নেতার কাছ থেকে এরকম মন্তব্য কেউ আশা করেনি । এদিকে , ঐ এম পি স্পিকারের কাছে দাবী জানালেন -- এই মুহূর্তে ক্ষমা চাইতে হবে এবং এই অসংসদীয় বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে । স্পিকার পড়লেন আরেক বিপদে -- তিনি কীভাবে এত বড় একজন নেতাকে এই আদেশ দেবেন ।

শেরে বাংলা ছিলেন ঠাণ্ডা মাথার বুদ্ধিমান মানুষ । তিনি উঠে দাঁড়িয়ে বললেন --- " Mr. Speaker, I never mentioned any honourable member of this House. But if any honourable member thinks that the cap fits him, I withdraw my remark."

'জ্ঞানতাপস প্রফেসর আবদুর রাজ্জাক তাঁর জীবনী লিখতে চান জেনে বলেছিলেন, " রাজ্জাক, সত্যি বলো, তোমার মতলবটা আসলে কী ? " প্রফেসর রাজ্জাক বললেন, " আমার এই বিষয়টা খুব ভালো লাগে ---- আপনি যখন ইংরেজদের সাথে চলেন তখন মনে হয় আপনি জাত ইংরেজ। যখন বরিশালে আসেন মনে হয় আপনি বহুবছর ধরে নিজেই কৃষিকাজ করেন। আবার যখন কলকাতায় শ্যামাপ্রসাদ বাবুকে ভাই বলে ডাক দেন তখন আপনাকে আসলেই হিন্দু মনে হয়। আবার যখন ঢাকার নবাব বাড়িতে ঘুড়ি উড়ান তখন মনে হয় আপনিও নবাব পরিবারের একজন । নিজেকে কেউ আপনার মত এত পাল্টাতে পারে না। আপনি যাই বলেন, সত্য হোক -- মিথ্যা হোক, মানুষ বিনা দ্বিধায় তা বিশ্বাস করে। "

মহাত্মা গান্ধী র নাতি রাজমোহন গান্ধী তার বইতে লিখেছেন -- তিন নেতার মাজারে তিনজন নেতা শায়িত আছেন যার মধ্যে দুজন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন । একজনকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে দেওয়া হয়নি, অথচ তিনিই ছিলেন সত্যিকারের বাঘ ।

কিন্তু এটা তার জীবনের কোনো অপূর্ণতা নয়, একমাত্র রাষ্ট্রপতি হওয়া ছাড়া সম্ভাব্য সব ধরনের পদে তিনি অধিষ্ঠিত ছিলেন জীবনের কোনো না কোনো সময়ে । তিনি ছিলেন বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী, পূর্ব বাংলার তৃতীয় মুখ্য মন্ত্রী; পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পূর্ব - পাকিস্তানের গভর্নর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ।

সর্বভারতীয় রাজনীতি ছেড়ে শুধু পূর্ববাংলার রাজনীতি কেন করছেন এই প্রশ্নের উত্তরে ফজলুল হক বলেছিলেন -- এরোপ্লেন এ উঠলে নিচের জিনিস ছোট আর ঝাপসা দেখাতে পারে, তাই আমি মাটিতেই থাকছি । রাজনীতির এরাপ্লেন এ না চড়লেও সৌদি বাদশাহ সউদ ফজলুল হকের সাথে একটা মিটিং করার জন্য নিজের ব্যক্তিগত বিমান পাঠিয়েছিলেন ফজলুল হককে নিয়ে যাওয়ার জন্য ।

অসীম সাহসী এই মানুষটি আমাদেরকে সকল অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে নির্ভয়ে প্রতিবাদ করার কথা বলেছেন। বাঙালী জাতিকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন অনেক আগেই । তিনি বলেছেন, যে জাতি তার বাচ্চাদের বিড়ালের ভয় দেখিয়ে ঘুম পাড়ায়, তারা সিংহের সাথে লড়াই করা কিভাবে শিখবে ?

আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় ছিলেন ফজলুল হকের শিক্ষক। আবুল মনসুর আহমদের সাথে আলাপচারিতায় ফজলুল হক সম্পর্কে আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের মন্তব্য :

"ফযলুল হক মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত খাঁটি বাঙ্গালী।সেই সঙ্গে ফযলুল হক মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত খাঁটি মুসলমান।খাঁটি বাঙ্গালীত্বের সাথে খাটি মুসলমানত্বের এমন অপূর্ব সমন্বয় আমি আর দেখি নাই। ফযলুল হক আমার ছাত্র বলে বলছিনা, সত্য বলেই বলছি।খাঁটি বাঙ্গালীত্ব ও খাটি মুসলমানত্বের সমন্বয়ই ভবিষ্যৎ বাঙ্গালীর জাতীয়তা।"

রেফারেন্স: আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর।(পৃষ্ঠা ১৩৫-৩৬)

পহেলা বৈশাখের সরকারি ছুটি, বাংলা একাডেমির প্রতিষ্ঠা এই ফজলুল হকের অবদান । কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে ফজলুল হক মানুষের ভালোবাসা পেয়েছেন কারণ কৃষক--শ্রমিক সংখ্যাগরিষ্ঠ এই উপমহাদেশে মাত্র একজন ব্যক্তি কৃষকদের জন্য রাজনীতি করেছেন । তিঁনি হলেন -- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ।

১৯৪৮ সালে ঢাকায় এসেছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার কথা বললে ছাত্ররা তীব্র প্রতিবাদ করে। জিন্নাহ ছাত্রদের সাথে বৈঠকও করেন। কিন্তু ছাত্ররা ছিল নাছোড়বান্দা। জিন্নাহর ধারণা হলো, ফজলুল হক ছাত্রদেরকে উসকানি দিচ্ছেন। ফজলুল হকের বুদ্ধিতে ছাত্ররা উর্দুর বিরোধিতা করছে। জিন্নাহ এবার ফজলুল হকের সাথে দেখা করতে চাইলেন। কিন্তু ফজলুল হক দেখা করতে রাজি হলেন না। ফজলুল হক জিন্নাহকে ব্যক্তিগতভাবে অপছন্দ করতেন।

জিন্নাহর পীড়াপিড়িতে শেষ পর্যন্ত রাজি হলেন ফজলুল হক। বন্ধ দরজার আড়ালে কথা হয়েছিল দুই মহান নেতার। কিন্তু ইংরেজিতে কী ধরনের বাক্য বিনিময় হয়েছিল তাদের মধ্যে পরবর্তীতে তা লিখেছেন ফজলুল হকের একান্ত সহকারী আজিজুল হক শাহজাহান --

জিন্নাহ : পাকিস্তান তো তুমি কোনোদিন চাওনি। সব সময়ে বিরোধিতা করে এসেছো।

হক : প্রস্তাবটি তো আমিই করেছিলাম। পরে ওটার খতনা করা হয়েছে। আমি এটা চাইনি।

জিন্নাহ: পাকিস্তানের এই অংশ বেঁচে থাক তা তুমি চাও না। তাই ভারতের কংগ্রেসের টাকা এনে ছাত্রদের মাথা খারাপ করে দিয়েছ। তারা আমাকে হেস্তনেস্ত করছে।

হক: আমি এখানে কোনো রাজনীতি করি না। হাইকোর্টে শুধু মামলা নিয়ে চিন্তা করি। আইন আদালত নিয়ে থাকি ।

জিন্নাহ : জানো, তুমি কার সাথে কথা বলছো ?

হক: আমি আমার এক পুরোনো বন্ধুর সাথে কথা বলছি।

জিন্নাহ: নো নো, ইউ আর টকিং উইথ দ্য গভর্নর জেনারেল অব পাকিস্তান ।

হক: একজন কনস্টিটিউশনাল গভর্নর জেনারেলের ক্ষমতা আমি জানি।

জিন্নাহ: জানো, তোমাকে আমি কী করতে পারি ?

হক: (ডান হাতের বুড়ো আঙুল দেখিয়ে) তুমি আমার এ্যাই করতে পারো। মিস্টার জিন্নাহ, ভুলে যাওয়া উচিত নয় এটা বাংলাদেশ এবং তুমি রয়েল বেঙ্গল টাইগারের সাথে কথা বলছ।

(আজিজুল হক শাহজাহানের কলাম,অমরাবতী প্রকাশনী,ঢাকা;পৃষ্ঠা ৪৬-৪৭)

01/08/2023

খতমে শিফা পড়ার নিয়ম:-
`````````````````````````````````
১। ইস্তেগ্ফার- ১১বার
২। সূরা ফাতিহা- ১০০ বার
৩। দরূদ শরীফ- ১০০ বার
৪। সূরা আলাম নাশরাহ- ৭৯ বার
৫। সূরা ইখলাছ- ১০০০ বার
৬। পুনরায় সূরা ফাতিহা- ৭বার
৭। পুনরায় দরূদ শরীফ- ১০০বার
৮। তারপর এই দোয়া (একশত বার): فَسَهِّلْ يَا اِلٰهِىْ كُلَّ صَعْبٍ بِحُرْ مَتِ سَيِّدِ الْاَ بْرَارِ سَهِّلْ سَهِّلْ بِفَضْلِكَ يَاعَزِيْزُ‎
উচ্চারণ: ফাসাহ্হিল ইয়া ইলাহি কুল্লা ছা’বিন বিহুরমাতি সায়্যেদিল আবররি সাহ্হিল- সাহ্হিল বিফাদ্বলিকা ইয়া আজীজ। অত:পর
৯। يَا قَاضِىَ الْحَاجَاتْ ইয়া ক্বদ্বিয়াল হাযাত- ১০০বার
১০। يَا كَفِىَ الْمُهِمَّاتْ ইয়া কাফিয়াল মুহিম্মাত- ১০০বার
১১। يَا دَافِعَ الْبَلِيَّاتْ ইয়া দাফিয়াল বালিয়্যাত- ১০০বার
১২। يَا مُجِيْبَ الدَّعْوَاتْ ইয়া মুযিবাদ দা’ওয়াত- ১০০বার
১৩। يَا رَافِعَ الدَّرَجَاتْ ইয়া রাফিয়াদ্ দারযাত- ১০০বার
১৪। يَا حَلَّالَ الْمُشْكِلَاتْ ইয়া হাল্লালাল্ মুশ্কিলাত্- ১০০বার
১৫। يَا مُسَبِّبَ الْاَسْبَابْ ইয়া মুসাব্বিবাল আসবাব- ১০০বার
১৬। يَا شَافِعَ الْاَمْرَاضْ ইয়া শাফিয়াল আমরাজ- ১০০বার
১৭। يَا مُفَتِّحَ الْاَبْوَابْ ইয়া মুফাত্তিহাল্ আব্ওয়াব- ১০০বার
১৮। رَبِّ اِنِّىْ مَغْلُوْبٌ فَانْتَصِرْ রব্বি ইন্নি মাগ্লুবুন ফানতাছির- ১০০বার
১৯। يَا غَوْثُ اَغِثْنِىْ وَاَمْدُدْنِىْ ইয়া গউছু আগিছ্নী ওয়া আম্দুদ্নীয়া- ১০০বার
২০। اِنَّالِلّٰهِ وَاِنَّااِلَيْهِ رَاجِعُوْنْ ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন- ১০০বার
২১। لَااِلٰهَ اِلَّاۤ اَنْتَ سُبْحَانَكَ اِنِّىْ كُنْتُ مِنَ الظّٰلِمِيْنْ লা-ইলাহা ইল্লা আ আংতা সুব্হানাকা ইন্নি কুংতু মিনাজ জোয়ালিমীন- ১০০বার‎
২২। فَاسْتَجَبْنَا لَهٗ وَنَجَّيْنٰهُ مِنَ الْغَمِّ وَكَذٰ لِكَ نُنْجِى الْمُؤْمِنِيْنْ ফাসতাজাবনা লাহু ওয়ানাজ্জাইনাহু মিনাল গম্মি ওয়া কাজালিকা নুনজিল মু’মিনীন- ১০০বার‎
২৩। يَا اَرْ حَمَ الرَّحِمِيْنْ ইয়া আরহামার রহিমিন- ১০০বার‎
২৪। অতঃপর ১০০বার দরূদ শরীফ পাঠ করে খতম শেষ করে খালেছ দিলে মুনাজাত করবে, ইনশাআল্লাহ্, আল্লাহপাক কবুল করবেন এবং এর ফলাফল প্রত্যক্ষ হতে থাকবে।

26/07/2023

এতো সুন্দর কাহিনী পড়ে শেয়ার না করে পারলাম না। পড়েই দেখুন, নিজের অজান্তে চোখ দিয়ে পানি চলে আসবে...

একদিন মদীনার দুই ব্যক্তি একজন যুবককে টেনে-হিঁছড়ে, অর্ধপৃথিবীর শাসক খলীফা হযরত উমর (রা) এর দরবারে হাজির করল। এবং তারা বিচার দাখিল করল যে, "এই যুবক আমাদের পিতাকে হত্যা করেছে। আমরা এর ন্যায় বিচার চাই।"

আমিরুল মু’মিনীন খলীফা হযরত উমর (রা) সেই যুবককে তার বিপক্ষে করা দাবী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। সেই যুবক বললেন, "তাদের দাবী সম্পুর্ণ সত্য।" এই বলে যুবকটি তাঁর অনাকাঙ্ক্ষিত ঘঠনাটি বর্ণনা করতে লাগলেন।

তিনি বললেন, "আমি ক্লান্ত হয়ে যাবার কারণে বিশ্রামের জন্য এক খেজুর গাছের ছায়ায় বসলাম। ক্লান্ত শরীরে অল্প সময়েই ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার একমাত্র পছন্দের বাহন উটটি পাশে নেই। খুঁজতে খুঁজতে কিছু দূর গিয়ে পেলাম, তবে তা ছিল মৃত। পাশেই ছিল ওদের বাবা। যে আমার উটকে তার বাগানে প্রবেশের অপরাধে পাথর মেরে হত্যা করেছে। এই কারণে আমি হঠাৎ করে রাগান্বিত হয়ে পড়ি এবং তাদের বাবার সাথে তর্কাতর্কি করতে করতে এক পর্যায়ে মাথায় পাথর দিয়ে আঘাত করে ফেলি, ফলে সে সেইখানেই মারা যায়। যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ঘটে গেছে। এর জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী।"

বাদী’রা জানালেন- "আমরা এর মৃত্যুদণ্ড চাই।" হযরত উমর (রা) সব শুনে বললেন, "উট হত্যার বদলে তুমি একটা উট নিলেই হতো, কিন্তু তুমি বৃদ্ধকে হত্যা করেছ। হত্যার বদলে হত্যা। এখন তোমাকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হবে। তোমার কোন শেষ ইচ্ছা থাকলে বলতে পারো।" নওজোয়ান বললো, "আমার কাছে কিছু ঋণ ও অন্যের রাখা কিছু আমানত আছে। আমাকে যদি কিছু দিন সময় দিতেন তবে আমি বাড়ি গিয়ে আমানত ও ঋণগুলি পরিশোধ করে আসতাম।"

খলিফা হযরত উমর (রা) বললেন, "তোমাকে এভাবে একা ছেড়ে দিতে পারি না। যদি তোমার পক্ষ থেকে কাউকে জিম্মাদার রেখে যেতে পারো তবে তোমায় সাময়িক সময়ের জন্য মুক্তি দিতে পারি। "নওজোয়ান বললো, "এখানে আমার কেউ নেই। যে আমার জিম্মাদার হবে। এখন আমি কি করি।" যুবকটি তখন নিরুপায় হয়ে দাঁড়িয়ে রইল।

এই সময় হঠাৎ মজলিসে উপস্থিত এক সাহাবী যার নাম হযরত আবু যর গিফারী (রা), দাঁড়িয়ে বললেন, "আমি হবো ঐ ব্যক্তির জামিনদার।" সাহাবী হযরত আবু যর গিফারীর (রা) এই উত্তরে সভায় উপস্থিত সবাই হতবাক। একেতো অপরিচিত ব্যক্তি তার উপর হত্যার দন্ড প্রাপ্ত আসামীর জামিনদার। খলিফা বললেন, "আগামি শুক্রবার জুম্মা পর্যন্ত নওজোয়ানকে মুক্তি দেয়া হলো। জুম্মার আগে নওজোয়ান মদীনায় না আসলে নওজোয়ানের বদলে আবু যরকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হবে।" মুক্তি পেয়ে নওজোয়ান ছুটলো মাইলের পর মাইল দূরে তার বাড়ির দিকে। আবু যর গিফারী (রা) চলে গেলেন নিজ বাড়িতে।

দেখতে দেখতে জুম্মাবার এসে গেল। নওজোয়ানের আসার কোনো খবর নেই। হযরত উমর (রা) রাষ্ট্রীয় পত্রবাহক পাঠিয়ে দিলেন আবু যর গিফারির (রা) কাছে। পত্রে লিখা আজ শুক্রবার বাদ জুমা সেই যুবক যদি না আসে আইন মোতাবেক আবু যর গিফারির মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হবে। আবু যর যেন সময় মত জুম্মার প্রস্তুতি নিয়ে মসজিদে নববীতে হাজির হন। খবর শুনে সারা মদীনায় থমথমে অবস্থা। একজন নিষ্পাপ সাহাবী আবু যর গিফারী আজ বিনা দোষে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হবেন।
জুমার পর মদীনার সবাই মসজিদে নববীর সামনে হাজির। সবার চোখে পানি। কারণ দন্ডপ্রাপ্ত যুবক এখনো ফিরে আসেনি। জল্লাদ প্রস্তুত।

জীবনে কত জনের মৃত্যুদন্ড দিয়েছে তার হিসেব নেই। কিন্তু আজ কিছুতেই চোখের পানি আটকাতে পারছে না জল্লাদ। আবু যরের মত একজন সাহাবী সম্পূর্ণ বিনা দোষে আজ মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হবেন, এটা মদীনার কেউ মেনে নিতে পারছেন না। এমনকি মৃত্যুদন্ডের আদেশ প্রদানকারী খলিফা উমর (রা) নিজেও চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। হৃদয় তাঁর ভারাক্রান্ত। তবু আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। কারো পরিবর্তনের হাত নেই। আবু যর (রা) তখনও নিশ্চিন্ত মনে হাঁসি মুখে দাঁড়িয়ে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত। জল্লাদ ধীর পায়ে আবু যর (রা) এর দিকে এগুচ্ছেন আর কাঁদছেন। আজ যেন জল্লাদের পা চলে না। পায়ে যেন কেউ পাথর বেঁধে রেখেছে।

এমন সময় এক সাহাবী উচ্চ স্বরে জল্লাদকে বলে উঠলেন, "হে জল্লাদ একটু থামো। মরুভুমির ধুলার ঝড় উঠিয়ে ঐ দেখ কে যেন আসতেছে। হতে পারে ঐটা নওজোয়ানের ঘোড়ার পদধুলি। একটু দেখে নাও, তারপর না হয় আবু যরের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করো।" ঘোড়াটি কাছে আসলে দেখা যায় সত্যিই এ সেই নওজোয়ান।

নওজোয়ান দ্রুত খলিফার সামনে এসে বললো, "হুযুর বেয়াদবি মাফ করবেন। রাস্তায় যদি ঘোড়ার পায়ে ব্যথা না পেত,তবে যথা সময়েই আসতে পারতাম। বাড়িতে গিয়ে আমি একটুও দেরি করি নাই। বাড়ি পৌঁছে গচ্ছিত আমানত ও ঋণ পরিশোধ করি। তারপর বাবা, মা এবং নববধুর কাছে সব খুলে বলে চিরবিদায় নিয়ে মৃত্যুর প্রস্তুতি নিয়ে মদীনার উদ্দেশ্যে রওনা দেই। এখন আমার জামিনদার ভাইকে ছেড়ে দিন আর আমাকে মৃত্যুদন্ড দিয়ে পবিত্র করুন। কেননা কেয়ামতের দিন আমি খুনি হিসেবে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে চাই না।"

আশেপাশের সবাই একেবারেই নীরব। চারিদিকে একদম থমথমে অবস্থা। সবাই হতবাক, কি হতে চলেছে। যুবকের পুনরায় ফিরে আসাটা অবাক করে দিলো সবাইকে।

খলিফা হযরত উমর (রা) যুবককে বললেন, "তুমি জানো তোমাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে, তারপরেও কেন ফিরে এলে।" উত্তরে সেই যুবক বলল- "আমি ফিরে এসেছি, কেউ যাতে বলতে না পারে, এক মুসলমানের বিপদে আরেক মুসলামান সাহায্য করতে এগিয়ে এসে নিজেই বিপদে পড়ে গেছিলো।"

এবার হযরত উমর (রা) হযরত আবু যর গিফারী (রা) কে জিজ্ঞেস করলেন, "আপনি কেন না চেনা সত্যেও এমন জামিনদার হলেন।" উত্তরে হযরত আবু যর গিফারী (রা) বললেন, "পরবর্তিতে কেউ যেন বলতে না পারে, এক মুসলমান বিপদে পড়েছিলো, অথচ কেউ তাকে সাহায্য করতে আসেনি।"

এমন কথা শুনে, হঠাৎ বৃদ্ধের দুই সন্তানের মাঝে একজন বলে উঠল, "হে খলীফা আপনি তাকে মুক্ত করে দিন। আমরা তার উপর করা অভিযোগ তুলে নিলাম।"

হযরত উমর (রা) বললেন, কেন? তাদের মাঝে একজন বলে উঠলো, "কেউ যেন বলতে না পারে, এক মুসলমান অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল করে নিজেই স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ার পরেও অন্য মুসলমান তাকে ক্ষমা করেনি।"

হায়াতুস সাহাবা-৮৪৪

28/06/2023

ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক আমাদের জীবন শুধুমাত্র মহান আল্লাহ তায়ালার জন্য।

14/06/2023

কলকাতায় এক কেজি গরুর গোশতের দাম ১৭৫ রুপি যা বাংলাদেশী টাকায় ২২৪ টাকা। তার ৩০০ কিলোমিটার দূরে ঢাকায় সেই গরুর গোশত বিক্রি হয় ৮০০ টাকা কেজিতে এমনকি মাত্র ১২৭ কি: মি: দূরেও সেই গোশতের কেজি ৬০০ টাকা।

ব্যার্থ রাষ্ট্র পাকিস্তানে গরুর গোস্ত পাওয়া যায় ৬০০ রুপিতে যা কিনা বাংলাদেশী ২৩০ টাকার সমান। প্রতিবেশী রাষ্ট্র নেপালে প্রতি কেজি গরুর মাংসের দাম ০.৭৬ ইউএস ডলার মানে ৮০ টাকা, ভুটানে ১৬০ নুল বা ২০৭ টাকা, মিয়ানমারে ৫.৬৬ ইউএস ডলার বা ৫৬৭ টাকা।

মোটামুটি দেখা যায় দক্ষিণ এশিয়ার সমস্ত প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মধ্যে বাংলাদেশে গরুর গোস্তের দাম সবচেয়ে বেশি।

এখন তো আপনারা বলবেন, এই দেশ মুসলমানদের দেশ , গরুর গোশত খায় বেশি, তাই দাম ও বেশি।

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গরুর গোশত খাওয়ার তালিকায় ভারতের অবস্থান ৫ম, ২০২২ সালে সেখানে গরুর গোশত খাওয়া হয়েছে ২৯ লক্ষ মেট্রিক টন।

এই তালিকায় পাকিস্তান আছে ৮ম অবস্থানে ২০২০ এ ওরা ১৭.৫ লক্ষ্য মেট্রিক টন গরুর গোশত খেয়েছে

অদ্ভুত, ব্যাপার হচ্ছে এই দেশের মানুষের গরু গোশত খাওয়ার তেমন কোন রেকর্ড খুঁজে পেলাম না কোথাও !

নিরবে দুর্ভিক্ষে কাঁদছে আমার প্রিয় মাতৃভূমি সোনার বাংলাদেশ

13/06/2023

ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَلَمِينَ وَالصَّلَٰوةُ وَٱلسَّلَامُ عَلَٰى رَسُولِهِۦ مُحَمَّدٍ ﷺ وَّاله وَأَصْحَابِهِۦ أَجْمَعِينَ.

ইলম কারো সাথে প্রতারণা করেনা..
=============================
নাহু সরফের জ্ঞান আপনার প্রয়োজনে না হোক,উম্মার প্রয়োজনে শিখে রাখুন
যা জানা থাকল যে কোনো আরবী কিতাবের হরকত ব্যতিত ইবারত পড়া সম্ভব!!!

ইলমে নাহুর ১০০ আমেলের (عامل) বর্ণনা

শায়েখ আবু বকর আব্দুল কাহের ইবনে আব্দুর রহমান জুরজানী রহ. এর মতে নাহুতে عامل মোট ১০০টি। তা দুই ভাগে বিভক্ত। যথাঃ- ১. لفظي ২. معنوي
১.عامل لفظي.আবার দুই ভাগে বিভক্ত ১.سماعي ২. قياسي

عامل سماعي হলো- ৯১ টি
عامل قياسي হলো – ৭ টি
عامل معنوي হলো – ২ টি
সর্বমোট عامل হলো ১০০ টি।।

عامل سماعي
আবার ১৩ ভাগে বিভক্ত:
১. الحروف الجارة .................. (১৭ টি)
২. الحروف المشبهة بالفعل................. (৬ টি)
৩. الحرفان المشبهتان بلي.................. (২ টি)
৪. الحروف الناصبة للاسم..................(৭ টি)
৫. الحروف الناصبة للفعل المضارع.......(৪ টি)
৬. الحروف الجازمة للفعل المضارع.......(৫ টি)
৭. الاسماء الجازمة للفعل المضارع........(৯ টি)
৮. الاسماء الناصبة للاسم................... (৪ টি)
৯. أسماء الأفعال..............................(৯ টি)
১০. الأفعال الناقصة........................(১৩ টি)
১১. أفعال المقاربة............................(৪ টি)
১২. أفعال المدح و الذم.....................(৪ টি)
১৩. أفعال القلوب............................ (৭ টি)

সর্বমোট عامل হলো ১০০ টি।

(১)-الحُرُوف الجارة -১৭টি,
ب، ت، ك، ل، واو، مُنذُ، مُذ، خَلاَ، رُبَّ، حَاشَا، مِن، عَدَا، فِى، عَن، عَلٰى، حَتىّٰ ، اِلى
হারফে জারের নিয়ম- আলিফ লাম আসলে ১ জের, না আসলে ২ জের, إضافة হলে ১ জের (غير منصرف) গায়রে মুসারেফে ১ যবর।

(২)-حَرفُ مُشَبَهَّة بِالفِعل- ৬টি, إِِنَّ -أنَّ كَأَنَّ - لَيتَ - لٰكِنَّ- لَعَلَّ

আমল: ইসম (إسم) কে যবর খবর (خبر) কে পেশ- যেমন: .ان زيدان قاءم

(৩)- الحرُوفِ مَا و لاَ المُشَبَّهَتَانِ بِلَيس--ইসেম কে পেশ খবর কে যবর- যথাঃ ََمَا ----۔ لا

(৪)۔اَلاسمَاءِ نَکِرَة۔৪۔۔۔টি َكَم - كَذَا -كَيتَ -ذَيت

(৫)- ُالحُرُوفِ النَّاصِبِ المُضَارِع ৪-(মুদারার ৫টি সিগায় যবর ১,৪,৭,১৩,১ ) নুন আরাবী বিলুপ্ত ৭টি সিগায় ২,৫,৮,১১
,৩,৯,১০,আর ৬,১২,মাবনী যথা اَن -لَن -كَى-- اِذَن

(৬) ---الحُرُوفِ الجَازِمَةِ المُضَارِع- ৫ মুদারার ৫টি সিগায় যবর ১,৪,৭,১৩,১ ) নুন বিলুপ্ত ৭টি সিগায় ২,৫,৮,১১
,৩,৯,১০,আর ৬,১২,মাবনী আলাল ফাতাহ যথাঃاِن -لَـمَّا--لاَمِ الَامرِ--لاَئ۔۔ِ النَّهِى - لَم۔۔

(৭)۔۔الاَسمَاءِ شَرطِیةُ۔১১টি,ইহার দুটি فعل مضارع কে جزم দেয়।৯টি مَا -مَن-مَهمَا-اَى- حَيثُمَا-اِذمَا-مَتىٰ-اَينمَا-اَنىّٰ

(৮)۔۔الَافعَالِ الناقصة ۔ইসেম কে পেশ رفع খবর কে نصب۔ ১৩টিٰكَانَ- صَارَ-ظَلَّ -بَاتَ -اَصبَحَ -اَمسٰى -اَضحَى -مَا فَتِىَ- مَا بَرِحَ -مَا دَامَ -مَا زَألَ -مَا اَنفَكَ -لَيس -

(৯).الاسماء الافعال -৩টি মাদীর অর্থ আর ৬টি আমরের অর্থ প্রদান করে।
নয়টি -شَتَّانَ-سَرعَانَ-حَيهَل-هَيهَاتَ-عَلَيكَ-دُونكَ-رُوَيدَ- بَلهُ-هَلُمَّ۔ هَاشَا

(১০)۔ اَفعَالِ المُقَارَبَة ۔ ৪ ইহারা مبتدأ কে--দিবে رفع -
ও خبر-نصب কে দেয়। যথা-যথা- َكَادَ- كَرُبَ -عَسٰى -اَوشَك

(১১)-اَفعَالِ المَدحِ والذَم --ইহারা مبتدأ ও خبر কে رفع দেয়। -৪টিঃ نِعمَ- حَبَّذَ۔ -َسَاءَ -بِئسَ ۔

(১২)-افعال القلوب - ، وتسمى أفعال الشك واليقين
ইহারা مبتدأ ও خبر কে نصب দেয়।
৭টিঃوَجَدْتُ -رَأيْتُ-عَلِمْتُ -خِلْتُ -حَسِبْتُ ظَنَنْتُ -زَعَمْتُ

(ُ১৩)۔۔الحروف الندأ ۔اسم ناصب۔যথা َّيَا -أَيَا--هَيَا-اَى-أَ -وَ-اِلا

(১৪)আমলে কিয়াসি -৭টি فِعلُُ- اِسمِ فَاعِلُُ، اِسمِ مَفعُولُُ، صِفَةِ مُشَبَّهة-مُضَافُُ- اِسمِ تَام-مَصدَر

(১৫) ۔۔عَامِلُُ مَعنُوی ۔۔۔١۔مُبتَدَاء۔٢

حرف غير عامل-
১।الحروف التنبيه-যথা -৩টি/ সাবধান/ -اَلا- اَمَا-هَا
২।الحروف الايجاب ৬টি, যথা-نَعَمْ، بَلَى، اَجَلْ، انَّ جَيْرَ،،اِىْ
৩।حرف استفهام কি-هل، أ، ام، اف، او،
৪।حرف نفى হারফে নাফী-না/ নও، ما، لا، ليس
৫।حرف زيادة অতিরিক্ত ৮টি -إن، أن، ما ، لا، من، بِ، لِ
। ৬।حرف تفسير অথ্যাৎ ৩টি -أن، اى، ف
৭।حرف تخصيص -(যদি-না)ألا، هلا، (কি-না,) لولا، لوما
৮.।حرف مصدر যথা-ما، ان ৯।حرف تاكيد-যথাঃ لَ، نْ، نّ، قد، لقد، إنَّ، أنَّ ১০।حرف ردع কখনো না-كلا-
َّ১১। হারফে তাওয়াক্কু ক্বাদ,লাক্বাদ --قد۔لقد۔
১২।হারফে শর্তঃ ইন, লাও, ইম্মা, ان۔لو۔اما۔
১৩।---الحروف العطف----১০। যথা
حروف العطف:-هِي عَشَرَةٌ:الواوُ،والفاءُ،وثُمَّ،وحَتّى،و أوٌ ، وإمّا ، ، ولكِنٌ .وبَلٌ۔وأَمٌ ، ولا ،

-واو-এবং/ও/বরঞ্চ/বরং/ فاء- তারপর/ অতপর অতএব/ সুতরাং ثم-আবার/পুনরায়/তারপর-حتى-অতপর/পর্যন্ত/অবশেষে--او-অথবা/ কিংবা -اما হয়ত,অথবা -لكن কিন্ত-بل-বরং-ام অথবা-لا --না,নয়ত।
১৫।الحروف الاستثنى ১১টি الا-- غير -سوى - سواء-حَاشَا-عَاد- مَا عاد -خلا- ما خلا -ليس-لايكون

تاکید لفظی۔١١۔نفس۔عین۔کلا۔کلتا۔کل ۔اجمع ۔اکتع۔ابصع
۔عامة۔جمیع۔
৪টি কসম বা শফথের জন্য আসে।বা তা,ওয়াও,লাম--ب۔ت۔ل۔و۔
١۔۔حروف القسم في اللغة العربية هي الباء، التاء، الواو واللام،[1] والحروف الأربعة هذه هي من حروف الجر أيضًا
لام التوكيد۔لام الأمر۔لام التعليل۔
মুনসারিফ- তিন প্রকার যথা-১. اَسْمَاءِ مَرْفُوْعَات২. اَسْمَاءِ مَنْصُوْبَات৩. مَجْرُوْرَات اَسْمَاءِ ۔
১।--اَسْمَاءِ مَرْفُوْعَات-বাক্যের মধ্যে বিভিন্ন عَامِلْ অনুযায়ী যে সব اِسْمٌএর শেষে رفع (পেশ) দিয়ে পড়তে হয় তাদের সমষ্টিকে اَسْمَاءِ مَرْفُوْعَاتٌ-- বলে।৮প্রকার--
১.। فَاعِل ۔ذَهَبَ زَيْدٌ ، قَامَ بَكْرٌ২।.۔نَائِبِ فَاعِل ضُرِبَ خَالِقٌ، قُتِلَ هِلاَلٌ৩।.مُبْتَدَأ۔خَالِدٌ عَالِمٌ، اللهُ قَادَرٌ
৪।.خَبْر۔بَكْرٌ فَاضِلٌ،مَاجِدٌ كَبِيْرٌ
৫।:خَبْرُ اِنَّ وَ اِخْوَاتِهَا ۔۔اِنَّ بَكْرًا قَائِم
৬।:اِسْمُ كَانَ وَ اِخْوَاتِهَا ۔كَانَ اللهُ عَالِيْمَا
৭।.خَبْرُ لاَءِ لِلْنَفِى الْجِنْسِ ۔لاَ رَجُلَ قَائِمٌ
৮।.اِسْمُ مَا وَ لاَ اَلْمُشَبَّهَتَيْنِ بِلَيْسَ۔۔مَا كَرِيْمٌ حَاضِرًا
২।- اَسْمَاءِ مَنْصُوْبَات -বাক্যের মধ্যে বিভিন্ন عَامِلْ অনুযায়ী যে সব اِسْمٌএর শেষে نَصَبْ (যবর) দিয়ে পড়তে হয় তাদের সমষ্টিকে اَسْمَاءِ مَنْصُوْبَاتٌ বলে। উহার ১২ প্রকার যথা
১. مَفْعُوْل مُطْلَق – ضَرَبْتُ ضَرْبًا، جَلَسْتُ جَلْسَتًا
২. مَفْعُوْل بِهِ – قَتَلَ بُوْشٌ عِرَقِيًا، اَكَلَ بَكْرٌ سَمَكًا
৩. مَفْعُوْل فِيْهِ – صُمْتُ دَهْرًا، جَلَسْتُ خَلْفَكَ
৪. مَفْعُوْل لَهُ – ضََرَبْتُهُ تَادِيْبًا
৫. مَفْعُوْل مَعَهُ – جَاءَ الْبَرْدُ مَعَ الْجُبَّاةَ، جِئْتُ اَنَا وَ مَاجِدًا
৬. حَالْ – جَائَنِى خَالِقٌ رَاكِبًا، ضَرَبْتُ بَكْرًأ مَسْدُوْدًا
৭. تَمیِيْز – مُسْلِمُوْنَ عِرَاقِيًا، اَحَدَ عَشَرَ كَوْكَبَا
৮. مُسْتَثْنَى – جَائَنِى تَلاَمِيْذُ اِلاَّ مَاجِدًا
৯. خَبْرُ كَانَ وَ اِخْوَاتِهَا – كَانَ بَكْرٌ قَائِمًا
১০. اِسْمُ اِنَّ وَ اِخْوَاتِهَا – اِنَّ خَالِدًا صَائِمٌ
১১. اِسْمُ لاَءِ لِلْنَفِى الْجِنْسِ – لاَ غُلاَمَ فِى الدَّارِ
১২. خَبْرُ مَا وَ لاَ اَلْمُشَبَّهَتَيْنِ بِلَيْسَ – مَا بَكْرٌ حَضِرًأ فِى الْمَسْجِدِ
3. مَجْرُوْرَات اَسْمَاءِ (جر -যের বিশিষ্ট اسم):
১.مَجْرُوْر۔فِىْ الْبَيْتِ، كَتَبْتُ بِالْقَلَمِ২مُضَافْ اِلَيْهِ۔غُلاَمُ بَكْرٍٍ، كِتَابُ خَالِدٍ۔
مَجْرُوْرَات۔٢۔حرف جار ۔اضافة۔٢۔لفظی۔معنوی۔٣۔من۔ ل۔فی۔.
৩--মাজরুরাত ২ প্রকার।১।হারফে জার ২।ইজাফাত ইজাফাত ২প্রকার লাফজী, মানুয়ী, মানুয়ী ৩ প্রকার মিন, লাম,ফি,।

৪--মুয়ান্নাসের আলামত ৫টি১। গোল তা,২।
علامت المٶنث۔
تاء مجرورة۔الف مقصورة۔الف ممدودة۔تاء مقدرة۔
বড় তা, ৩।উহ্যতা,৪,ছোট আলিফ ৫।বড় আলিফ

والأَسٌبَابُ التِّسٌعَةُ هِىَ : اَلٌعَدٌلُ ،وَالوَصٌفُ ،والتَّأنِيٌثُ ،والمَعٌرِفَةُ ،والعُجٌمَةُ ،والجَمٌعُ ،وَالتَّركِيبُ ،وَالألِفُ والنُّونُ الزَّائِدَتَانِ ، وَوَزٌنُ الفِعٌلِ. وَحُكٌمُهُ أَنٌ لا تَدٌخُلَهُ الكَسٌرَةُ والتَّنٌوِينُ ، وَيَكُونَ في مَوٌضِعِ الجَرِّ مَفٌتُوحاً أبدا.تقول جَاءَنِي اَحْمَدُ ، وَرَأَيتُ اَحَمَدَ ،

وَالتَّأنِيثُ بِالألِفِ المَقٌصُورَةِ كحُبٌلَى وَالمَمٌدُودَةِ كحَمٌراء مُمتَنِعٌ صَرٌفُهُما ألبَتَّةَ ، لأنَّ الألِفَ قَائِمٌ مَقَامَ السَّبَبَين : التَّأٌنِيثِ وَلُزُومِهِا.
ছয়টি শহরের মুনসারিফ।যথা-
عراق۔منی۔شام۔فلاح۔حجر۔اسوط۔
ছয়জন নবীর নাম মোবারক মুনসারিফ।যথা-
نُوح،عَلَيْهِ السَّلَامُ ۔هُود عَلَيْهِ السَّلَامُ -لُوطٌ عَلَيْهِ السَّلَامُ
شُعیَبُ عَلَيْهِ السَّلَامُ۔صَالِحٌ۔عَلَيْهِ السَّلَامُ۔ مُحَمَّد ۔ﷺ
গায়রে মুনসারিফ যখন মুদাফ مضاف বা উহার প্রথমে আলিফ ও লাম অক্ষর যুক্ত হয় তখন উহাতে কাসরা বা যের প্রদান করা বৈধ।যথা
مَرَرْتُ بألاَحْمَدِ۔ مَرَرْتُ بأَحْمَدِکم
عَلَامَتُ الْاسْم۔
َعَلَامَتٌه صِحَةُ الٌاِخٌبَارِ عَنٌهُ نَحٌوُ زَيٌدُُ قَائِمُُ وَالٌاِضَافَةُ نَحٌوُغُلَامُ زَيٌدٍوَدُخُوٌلُ لَامِ التَّعُرِيٌفِ كَا لرًجُلِ وَالٌجَرِّوَالتَّنوِيٌنِ نَحٌوُبِزَيٌدٍ وَالتَّثٌنِيَةُ وَالٌجَمٌعُ وَالنَّعٌتُ وَالتَّصٌغِيٌرُ وَالنَّدَاءُ فَاِنَّ كُلَّ هذِه خَوَاصُُ الٌاِسٌمِ وَمَعٌنَى الٌاِخٌبَارِ عَنٌهُ اَنٌ يَّكُوٌنَ مَحٌكُوٌمَ عَلَيٌهِ لِكُوٌنِه فَاعِلًا اَوٌ مَفٌعُوٌلًا اَوٌمُبٌتَدأ وَيُسَمّى اِسٌمًا لِسُمُوّهِ عَلى قَسِيٌمَيٌهِ لَالِكَوٌنِه وِسٌمًا عَلى الٌمَعٌنى

عَلَامَتُ الْاسْمِ-١۔-اسم٢۔۔مَعْرِفَة٣۔-تَنْوِينٌ--٤۔ حَرْف جَار-٥۔مضاف-٦۔مضاف الیه۔- ٧۔مُسْنَد اِلَيه-٨۔تصغیر۔٩۔مَنْسُوب-١٠واحد۔١١۔مُثَنّى-١٢۔مَجْمُوع-١٣۔مَوْصُوف-١٤۔صفت۔١٥۔منادی۔١٦۔تاء مربوة١٧۔۔تاء مجرورا۔١٨۔غیر منصرف۔١٩۔یاء النسبة۔٢٠۔ضمیر۔٢١۔إِسْمَاء سِتَّة مُكَبَّرَة ۔٧
عَلَامَتُ الْفِعْل۔۔
عَلَامَتُه اَنٌ يَصِحَّ الٌاِخٌبَارُ بِه لَاعَنُهُ وَدُخُوٌلُ قَدِ وَالسّيٌنٍ وَسَوٌفَ وَالٌجَزٌمِ وَالتَّصٌرٍيٌفُ اِلى الٌمَاضِىٌ وَالٌمُضَارِعِ وَكَوٌنِه اَمٌرًا اَوٌنَهٌيًا وَاِتَصَالُ الٌضَّمَائِرِ الٌبَارِزَةِ الٌمَرٌفُوٌعَةِ نَحٌوُ ضَرَبٌتُ وَتَاءُ التَّانِيٌثِ السَّاكِنَةِ نَحٌوُضَرَبَت وَنُوٌنَىِ التَّاكِيٌدِ فَاِنَّ كُلَّ هذِه خَوَاصُ الٌفِعٌلِ وَمَعٌنَى الٌاِخٌبَارِبِه اَنٌ يَّكُوٌنَ مَحكُوٌمًا بِه وَيُسَمّى فِعٌلًا بِاِسٌمِ اَصٌلِه وَهُوَالٌمَصٌدَرُلِاَنَّ الٌمَصٌدَرَ هُوَفِعٌلُ الٌفَاعِلِ حَقِيقَةً.
عَلَامَتُ الْفِعْل۔١۔قَدْ۔ ٢۔س۔٣۔سَوْفَ٤۔حَرْف نَاصبه۔٥۔حَرْفِ جازم-٦۔ضمير مرفوع متصل۔٧۔ماضی ۔٨۔مضارع٩۔امر ١٠۔نهی۔أَقْسَامُ الْإِسْمِ الْمُتَمَكِّنِ۔(١مُفْرَد مُنْصَرِف صَحِيح۔٢) مُفْرَد مُنْصَرِف جَار مَجْرِي صَحِيح ۔٣۔جُمْع مُكَسَّر مُنْصَرِف۔٤ جَمْع مُؤَنّث سَالِم ۔٥۔إِسْم غَير مُنْصَرِف ۔٦۔إِسْمَاء سِتَّة مُكَبَّرَة ۔٧۔مُثَنَّى٨۔۔کلا۔کلتا۔٩۔إِثْنَتَانِ وَ إِثْنَانِ –١٠۔۔جُمْع مُذَكَّر سَالِمٌ ۔۔١١۔ أُولُو ١٢۔–عِشْرُونَ۔من ۔تسعون۔١٣۔إِسْم مَقْصُور ۔١٤۔
غیر جُمْع مُذَكَّر سَالِم مضافا یاء متکلم ۔١٥۔إِسْم مَنْقُوص١٦۔
جُمْع مُذَكَّر سَالِم مضافا یاء متکلم
اسم غیر متمکن۔ثمانیة اقسام۔مضمرات۔اسماء اشارات۔اسماء موصولات۔۔اسماء افعال۔اسماء اصوات۔اسماء کنایات۔اسماء ظروف۔مرکب بناءی۔۔
وَالتَّابِعُ لِلْمَرْفُوعِ، وَهُوَ خمسة أَشْيَاءَ اَلنَّعْت۔۔ُ، وَالْعَطْفُ،عطف البیان۔ وَالتَّوْكِيدُ، وَالْبَدَلُ

১। الماضي এর আগে কি কি আসলে ভবিষ্যৎ এর অর্থ দেয়ঃاذا۔من۔ان۔ان۔
إِذَا - إِذَا جَآءَ نَصْرُ ٱللَّهِ وَٱلْفَتْحُ আন-নাস্‌র 110:1
যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে,
َمَن - شَهْرُ رَمَضَانَ ٱلَّذِىٓ أُنزِلَ فِيهِ ٱلْقُرْءَانُ هُدًى لِّلنَّاسِ وَبَيِّنَٰتٍ مِّنَ ٱلْهُدَىٰ وَٱلْفُرْقَانِۚ فَمَن شَهِدَ مِنكُمُ ٱلشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُۖ وَمَن كَانَ مَرِيضًا أَوْ عَلَىٰ سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِّنْ أَيَّامٍ أُخَرَۗ يُرِيدُ ٱللَّهُ بِكُمُ ٱلْيُسْرَ وَلَا يُرِيدُ بِكُمُ ٱلْعُسْرَ وَلِتُكْمِلُوا۟ ٱلْعِدَّةَ وَلِتُكَبِّرُوا۟ ٱللَّهَ عَلَىٰ مَا هَدَىٰكُمْ وَلَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ -আল-বাকারাহ 2:185

إِن -قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ ٱللَّهَ فَٱتَّبِعُونِى يُحْبِبْكُمُ ٱللَّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْۗ وَٱللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ আলি ‘ইমরান 3:31
যে সময় তওবা ۔ দোয়া এর অর্থ বুঝাবে।
غفر الله لک۔
*যখন ফেলে ماضی এর পূর্বে কসম ও حرف نفی۔
আসে
۔ حیاتک لا نکثث عهدک ما دمت حیا۔
নআমি তোমার জীবনের কসম আমি যতদিন বাঁচবো তোমার ওয়াদা ভঙ্গ করব না। ।
امدہ ماضی بمعنی مضارع چند جاں۔عطف ماضی بر مضارع در مقام ابتداء۔بعد ۔موصول و نداء و لفظ حیث کلما۔ در جزاء و شرط و عطف ہر در باشد دعاء۔

حدثنا دین دین پر مداری در مقامی ابتدا خدا بعد موصول ل ہوندا خدا لفظ و قلم

।مضارع আগে কি কি আসলে অতীতের এর অর্থ দেয়ঃ

لَمْ أَفْعَلْ- لَمأَْ نَفْعَلْ-:كَلَّا لَوْ تَعْلَمُونَ عِلْمَ ٱلْيَقِينِ
৩। مضارع আগে কি কি আসলে حال এর অর্থ
দেয়ঃমা,লাইসা,লামে ইবতাদা لام ابتداإیة۔ ليس-مَاالنَّافيَّةِ
وَهُمْ عَلَى مَا يَفْعَلُونَ بِالْمُؤْمِنِينَ شُهُودٌ (7)
ما اعطیک مَاطلبتَ۔
।তুমি যা চাচ্ছ আমি তোমাকে দিচ্ছি না۔

ان الاستاذ لیشرح الدرس ۔
শিক্ষক ছাত্রকে পড়া বুঝিয়ে বলছেন।
۔لست ارضی عنک۔
আমি তোমার প্রতি সন্তুষ্ট নই।
৩। مضارع আগে কি কি আসলে ভবিষ্যৎ
এর অর্থ ।দেয়ঃ
--أَنْ، وَلَنْ، وَإِذَنْ، وَكَيْ-حتى-
(2) أمَّا (أَنْ):فحَرْفُ مصدرٍ ونصبٍ واستقبالٍ.
-ومِثَالُهَا قولُهُ تعالَى: {أَطْمَعُ أَنْ يَغْفِرَ لِي}.
-وقولُهُ جلَّ ذِكْرُهُ: {وَأَخَافُ أَنْ يَأْكُلَهُ الذِّئْبُ}.
-وقولُهُ تعالَى: {إِنِّي لَيَحْزُنُنِي أَنْ تَذْهَبُوا بِهِ}.
-وقولُهُ تعالَى: {وَأَجْمَعُوا أَنْ يَجْعَلُوهُ فِي غَيَابَتِ الجُبِّ}.
(3) وأمَّا (لَنْ): فحَرْفُ نفِيٍ ونصبٍ واستقبالٍ.
-ومِثَالُهُ قولُهُ تعالَى: {لَنْ نُؤْمِنَ لَكَ}.
-وقولُهُ تعالَى: {لَنْ نَبْرَحَ عَلَيْهِ عَاكِفِينَ}.
-وقولُهُ تعالَى: {لَنْ تَنَالُوا البِرَّ}.
لِكَيْلاَ تَأْسَوْا}.
قوْلِهِ تعالَى: {كَيْ لا يَكُونَ دُولَةً}.
أدوات النصب

أَنْ، َلَنْ، ، وَكَيْ ۔َإِذَنْ-حَتَّى- س --سَوفَ۔لام امر ۔
-لام تاکید۔َ -نون تاکید ۔ثقیلة۔خفیفة۔قد ۔الدعاء ۔طلب۔
। আল্লাহ তোমার প্রতি অনুগ্রহ করুক রোগী কখনো কখনো সুস্থ হয়
২।المَاضِي এর আগে لَا আসলে এর তাকিদের ফায়দা দেয়ঃআল-কিয়ামাহ 75:31। فَلَا صَدَّقَ وَلَا صَلَّىٰ

৪। مضارع ۔আগে কি কি আসলে مستقبل۔ভবিষ্যৎএর অর্থ ।দেয়ঃ-
أَنْ، َلَنْ، ، وَكَيْ ۔َإِذَنْ-حَتَّى- س --سَوفَ۔لام امر ۔
-لام تاکید۔َ -نون تاکید ۔ثقیلة۔خفیفة۔قد ۔الدعاء ۔طلب۔
১।আন২।, লান, ৩।কাই,৪ ইযান, এই চারটি হরফ আসলে পর, (মুদারার পাঁচ সিগাহ ১.৪.৭.১৩.১৪)
মুস্তাকবেলের পাঁচটি সিগার পেশ তাড়িয়ে দেয় যবর। আন۔ان সমস্ত স্থানে উহ্য থেকে مضارع জবর نصب প্রদান করেন কি স্থানসমূহকে ناصب۔باواسطة বলা হয়।
( أَنْ، لَنْ،کَيْ، اِذَنْ) حَتَّى۔
لاَمِ کَی ۔لاَمِ جُحُودُ ۔اَن مُقَدََّرة۔ان مَصْدَرَیهُ

۔الی۔ان او۔الا ان او۔حَتَّى ان۔او۔ الا ۔ثُمَّ

امر۔نهی۔نفی۔استفهام۔تمنی۔عرض۔ترجی۔تخصیص۔

۔, ফার
জাওয়াবে ৮ জায়গায়, ওয়ার জাওয়াবে ৮ জায়গায়।)
***যে বিদ্যা অর্জন করলে আরবী ভাষা শুদ্ধভাবে বলতে, লিখতে ও পড়তে পারা যায় তাকে القواعد العربية বা আরবী ব্যাকরণ বলে।علم الاملاء۔علم الصرف-علم النحو -علم العروض - علم البلاغة۔--اِسْم اقسام۔১. اَلاِسْمُ الْجَامِد২. اَلاِسْمُ الْمَصْدَر৩. اَلاِسْمُ الْمُشْتَق
জুমলা ২ প্রকার আসলুল জুমলা, সিফাতুল জুমলা
انواع الجملة٢۔۔الخبریة۔٢۔۔الانشاءیة۔١٠۔امر۔نهی۔استفهام۔تمنی۔ترجی۔عقود۔نداء۔قسم۔تعجب۔عرض۔الجملة الاسمیة۔الجملة الفعلیة۔الظرفیة۔الشرطیة۔-
সিফাতুল জুমলা۔۔۔صفة الجملة ۔১০ প্রকার-
الجملة المبینة۔المٶکدة۔المعللة۔المعترضة۔المستأنفة۔
الابتداءیة۔النتیجة۔المعطوفة۔الحالیة۔المقطوعة
হারফে জার কোনটি কি অর্থ দেয়--
١۔حرف۔الباء۔١٩۔۔الصاق۔استعانة۔تعلیل۔ مع مصاحبة۔تعدیة۔مقابلة۔قسم۔۔استعطاف۔ظرفیة۔بدل۔تفدیة۔مِن۔مَن۔استعلاء ۔تبعیض۔علی۔زاءدة۔الی۔مجاوزة عن۔
দিয়া, দ্বারা, কর্তৃক, সাথে, বিনিময়ে, কিছু, প্রতি, ব্যাপারে, প্রসঙ্গে, শপথ, কারন, যেহেতু অর্থে ব্যবহৃত হয়।
٢۔۔التاء۔١۔۔قسم۔٣۔کاف۔۔٤۔۔ تشبیه۔زیادة۔تعلیل۔اسم۔

٤۔۔لام۔۔١٥۔۔اختصاص۔ملک۔استحاق۔تعلیل۔معاقبة۔قسم۔۔تعجب۔انتهاء الزمان۔علی۔فی۔زیادة۔الزمان۔عن۔مع۔عند۔

۔٥۔واو۔١۔قسم۔٦۔٧۔ منذ ۔مذ۔ ١۔من۔ for.٨۔.رب۔٢۔قلیل۔کثیر۔٩۔١٠۔١١۔حاشا۔عدا خلا۔١۔۔الا۔استثناء
١٢۔۔فی۔١٥۔ظرفیة۔استعلاء۔ضرب۔ مع۔۔سبب۔مثال۔واسطة۔الی من۔عن۔ تاکید۔مقاسمة۔موازنة۔۔
মধ্যে, ভিতরে, বিষয়ে, প্রসঙ্গে, ব্যাপারে অর্থে ব্যবহৃত হয়।
من۔١٥۔المکان۔الزمان۔تبعیض۔البیان۔بدل۔شیء۔ای۔الی۔زیادة۔التبیین۔فصل۔استعانة۔من مجاوزة۔قسم۔ فی۔
- মিন– হতে, কিছু, -র, এর, বর্ণনা {স্থন-কালের ক্ষেত্রে} অর্থে ব্যবহৃত হয়।
عن۔٤۔من ۔استعلاء۔۔بعدیة۔جزاء۔
হতে, নিকট হতে, র, এর, {ব্যক্তি, বস্তুর ক্ষেত্রে} অর্থে ব্যবহৃত হয়।
علی۔٩۔استعلاء۔مع۔بین۔عند۔حسب۔لزوم۔ضد۔ علی۔
الی۔انتهاء الغایة۔زمانی۔مکانی۔مع۔ظرف۔التبیین۔بعض۔
تاکید۔علة۔استثناء۔
উপরে, পাশে, বিপক্ষে, বিরুদ্ধে অর্থে ব্যবহৃত হয়।
১৭. الى – দিকে, পর্যন্ত, তে, প্রতি অর্থে ব্যবহৃত হয়।
الف لام ۔اربعة اقسام۔۔١۔استغراقی۔الحمد ۔۔٢۔جنس۔ان الانسان لفی خسر۔۔۔٣۔عهد خارجی۔ فَعَصَى فِرْعَوْنُ الرَّسُولَ [المز مل۔٤۔عهد ذهنی۔إذْهُمَا في الغَارِ [التوبة:41
حرف نداء ٥۔۔ یا۔ قریب۔بعید۔ ۔ایا۔ بعید۔ اها ۔بعید۔۔ای قریب ۔ا۔قریب -قاعدة ۔٧۔١۔۔منادی مفرد۔ ضمه۔٢۔منادی مضاف۔ نصب۔٣۔مشابه مضاف۔نصب ۔٤۔نکره غیر معینة۔ نصب۔٥۔الف استغاثه۔نصب۔٦۔لام استغاثه۔ کسرة ٧۔معرف باللام۔ضمه۔۔۔معرفة۔٧۔العلم۔الاسماء الاشارة۔الاسماء الموصولات۔معرف باللام۔مضمرات۔مضاف الی المذکورات۔المنادی۔۔تنوین۔٥۔تمکن تنکیر۔عواض۔مقابلة۔ترنم۔
ماضی۔بحث۔٢٤۔صیغة۔٣٥٦۔مضارع۔بحث۔١٢۔صیغة۔١٥٦۔
امر ۔بحث۔١٢۔صیغة۔٧٢۔نهی۔بحث۔١٢۔صیغة۔٧٢۔اسم مشتاق۔بحث۔٥۔صیغة۔٣٢۔

ألأَسٌمَاءُ المَرٌفُوعَةُ ثَمَانِيَةُ أَقٌسَامٍ :اَلفَاعِلُ، والمَفٌعُولُ ما لمٌ يُسَمَّ فَاعِلُهُ،والمبتَدَأُ وَالخَبَرُ، وخَبَرُ إنَّ وَأَخَوَاتِهَا،واِسٌمُ كَانَ ،واسٌمُ(مَا)و(لا)المُشَبَّهَتَيٌنِ بِـلَيٌسَ)وخَبَرُ(لا)الَّتِى لِنفي الجَنٌسِ.
منصوبات الأسماء. هِيَ: اَلْمَفْعُولُ بِهِ، وَالْمَصْدَرُ، وَظَرْفُ اَلزَّمَانِ، وَظَرْفُ اَلْمَكَانِ، وَالْحَالُ، وَالتَّمْيِيزُ، وَالْمُسْتَثْنَى، وَاسْمُ لَا، وَالْمُنَادَى، وَالْمَفْعُولُ مِنْ أَجْلِهِ، وَالْمَفْعُولُ مَعَهُ، وَخَبَرُ كَانَ وَأَخَوَاتِهَا، وَاسْمُ إِنَّ وَأَخَوَاتِهَا، وَالتَّابِعُ لِلْمَنْصُوبِ، وَهُوَ أَرْبَعَةُ أَشْيَاءٍ: النَّعْتُ وَالْعَطْفُ وَالتَّوْكِيدُ وَالْبَدَلُ.
الفَاعِلُ :كُلُّ اسٌمٍ قَبٌلَهُ فِعٌلٌ ، أَوصفةٌ، أسٌنَدُ إلَيٌهِ ،على معٌنى أنّهُ قام به لاوَقعَ عليٌه نَحٌوُ:قَامَ زيدٌ
فَإنٌ كَانَ الفَاعِلُ مظِهراٍ ، وُحِّدَالفِعٌلُ أَبَداً ، نَحٌو: ضَرَبَ زَيٌدٌ ، وَضرب الزَّيٌدانِ وَضرب اَلزَّيدُونَ ، وَإنٌ كَانَ مُضٌمَراً ، وُحِّد للوَاحِدِ ، نَحٌوُ:زيدضَرَبَ، وَثُنَّى لِلمُثَنَّى ، نَحٌوُ: الزَّيٌدَانِ ضربا ، وجُمِعُ لِلجَمٌعِ، نَحٌوُ: الزَّيٌدُونَ ضربُوا.
وَاعٌلَمٌ ! اَنّ الْاِضَافَةَ عَلى قِسٌمَيٌنِ : مَعٌنَوِيَّةٌ، وَلَفٌظِيَّةٌ.أمّاالمَعٌنَوِيَّةٌ فهِيَ أنٌ يَكُونَ المُضَافُ غَيٌر صِفَةٍ مُضَافَةٍ إلى مَعٌمُولِهَا ، وهِيَ إمِّا بِمَعٌنَى اللامِ نَحٌوُ: غُلامُ زَيد، أوٌ بِمَعٌنَى مِن نَحٌوُ:خاتمُ فضةِ، أوٌ بِمَعٌنَى فِي نَحٌوُ:صَلاةُ اللَّيٌلِ
মিজান -مُنْشَعِبٌ মুনশাইব-নিয়ে আলোচনাঃ۔۔۔۔۔۔۔۔
١۔۔اثبات فعل ماضى مُطْلَق معروف۔۔فَعَل- َ فَعَلَا - فَعَلُوْا - فَعَلَتْ -فَعَلَتَا -فَعَلْن-َ فَعَلْتَ -فَعَلْتُمَا -فَعَلْتُمْ -فَعَلْتِ-فَعَلْتُمَا -فَعَلْتُنَّ -فَعَلْتُ -فَعَلْنَا -
٢۔۔۔إِثْبَات فعل ماضى قَرِيب معروف۔۔قَدْ فَعَل- َ قَدْ فَعَلَا -قَدْ فَعَلُوْا -قَدْ فَعَلَتْ َ- قَدْ فَعَلَتَا -قَدْ فَعَلْن-َ قَدْ فَعَلْتَ -قَدْ فَعَلْتُمَا -قَدْ فَعَلْتُمْ - قَدْفَعَلْتِ- قَدْفَعَلْتُمَا قَدْ-فَعَلْتُنَّ -قَدْفَعَلْتُ -قَدْ فَعَلْنَا
٣۔۔إِثْبَات فعل ماضى بَعِيد معروف۔۔كَانَ فَعَل-َ كَانَا فَعَلَا- كَانُوا فَعَلُوْا -كَانَتْ فَعَلَتْ- كَانَتَا فَعَلَتَا -كُنَّ فَعَلْن-َ كُنْتَ فَعَلْتَ- كُنْتُمَا فَعَلْتُمَا- كُنْتُمْ فَعَلْتُمْكُنْتِ فَعَلْتِ - كُنْتُمَا فَعَلْتُمَا- كُنْتُنَّ فَعَلْتُن-َّ كُنْتُ فَعَلْت-ُ كُنَّا فَعَلْنَا -
٤۔۔۔إِثْبَات فعل ماضى إِسْتِمْرَارِى معروف-كَانَ يَفْعَلُ -كَانَا يَفْعَلَانِ- كَانُوا يَفْعَلُونَ -كَانَتْ تَفْعَلُ كَانَتَاتَفْعَلَانِ - كُنَّ يَفْعَلْنَ- كُنْتَ تَفْعَلُ -) كُنْتُمَا تَفْعَلَان-ِ كُنْتُمْ تَفْعَلُون-َ كُنْتِ تَفْعَلِينَ- كُنْتُمَا تَفْعَلَان-ِ كُنْتُنَّ تَفْعَلْنَ -كُنْتُ أَفْعَلُ -كُنَّا نَفْعَل
٥۔۔اثبات فعل مضارع معروف۔۔ يَفْعَلُ - يَفْعَلَانِ- يَفْعَلُونَ - تَفْعَلُ - تَفْعَلَانِ - يَفْعَلْنَ- تَفْعَلُ تَفْعَلَان-ِ تَفْعَلُون-َ تَفْعَلِينَ- تَفْعَلَان-ِ تَفْعَلْنَ - أَفْعَلُ - نَفْعَل
٦۔۔نفى تَاكِيد بَلَنْ دَرْفعل مُسْتَقْبِل معروف۔۔لَنْ يَّفْعَلَ -لَنْ يَّفْعَلَا- لَنْ يَّفْعَلُوا- لَنْ تَفْعَلَ- لَنْ تَفْعَلَا -لَنْ يَّفْعَلْنَ -لَنْ تَفْعَلَ -لَنْ تَفْعَلَا -لَنْ تَفْعَلُوا- لَنْ تَفْعَلِى- لَنْ تَفْعَلَا- لَنْ تَفْعَلْن-َ لَنْ اَفْعَل-َ لَنْ نَفْعَلَ-
٧۔۔نفى جحد بلم درفعل مستقبل معروف۔۔لم يَفْعَلْ- لم يَفْعَلَا- لم يَفْعَلُوا- لم تَفْعَل-ْ لم تَفْعَلَا لم يَفْعَلْنَ- لم تَفْعَل-ْ لم تَفْعَلَا-لم تَفْعَلُوا لم تَفْعَلِى-لم تَفْعَلَا+ لم تَفْعَلْنَ- لم أَفْعَل- لم نَفْعَل-
৮।لام تاكيد بانون تاكيد ثقيلة درفعل مستقبل معروف
নিশ্চয়তাবোধক লাম ও তাশদীদবিশিষ্ট নূনযোগে কর্তৃবাচ্য ভবিষ্যতকালীন ক্রিয়া
لَيَفْعَلَنَّ-لَيَفْعَلَانِّ-لَيَفْعَلُن-َّلَتَفْعَلَنَّ -لَتَفْعَلَانِّ-لَيَفْعَلْنَانِّ -لَتَفْعَلَن-َتَفْعَلَانِّ-لَتَفْعَلُنَّ -لَتَفْعَلِن+لَتَفْعَلَان-لَتَفْعَلْنَانِّ -َلَاَفْعَلَنََّّ لَنَفْعَلَنَّ-
৯। امر حاضر معروف
-ا৬
أِفْعَلْ-أِفْعَلَا-أِفْعَلُوا-أِفْعَلِى--أِفْعَلَا-أِفْعَلْنَ
১০।امر غائب معروف
لِيَفْعَلْ-لِيَفْعَلَا- لِيَفْعَلُوا -لِتَفْعَل ْ-لِتَفْعَلَا- لِيَفْعَلْنَ
১১।امر متكلم معروف-২
لِاَفْعَلْ- لِنَفْعَلْ
১২।امر معروف بانون ثقيلة-১৪
أِفْعَلَنَّ-أِفْعَلَانِّ-أِفْعَلُنَّ-أِفْعَلِنَّ-أِفْعَلَانِّ-أِفْعَلْنَانِّ-لِيَفْعَلَنَّ-لِيَفْعَلَانِّ-
لِيَفْعَلُنَّ-لِتَفْعَلَنَّ-لِتَفْعَلَانِّ-لِيَفْعَلْنَانِّ-لِاَفْعَلَنَّ-لِنَفْعَلَنَّ
১৩।فعل نهى معروف -কর্তৃবাচ্য নিষেধাজ্ঞাসূচ ক্রিয়া-১৪
لَا تَفْعَل-ْ لَا تَفْعَلَا-لَا تَفْعَلُوا لَا تَفْعَلِى-ঁلَا تَفْعَلَا+ لَا تَفْعَلْنَ- لَا يَفْعَلْ- لَا يَفْعَلَا- لَاَ يَفْعَلُوا- لَا تَفْعَل-ْ لَا تَفْعَلَا لَا يَفْعَلْنَ-
لَا أَفْعَل-لَا نَفْعَل-
১৪।اسم فاعل-৬
فَاعِلٌ- فَاعِلَانِ -فَاعِلُونَ -فَاعِلَةٌ -فَاعِلَتَانِ -فَاعِلَاتٌ-
১৫।اسم مفعول-৬
مَفْعُول-مَفْعُولَانِ -مَفْعُولُونَ -مَفْعُولَةٌ -مَفْعُولَتَانِ -مَفْعُولَاتٌ -
১৬।اسم ظرفস্থান বা কালবাচক বিশেষ্য-৩
مَفْعَل-مَفْعَلَانِ -مَفَاعِلٌ -۔
১৭।آلة – যন্ত্রবাচক বিশেষ্য-৯
۔۔مِفْعَلٌ مِفْعَلَان-مَفَاعِل مِفْعَلَة۔ٌ مِفْعَلَتَان۔مَفَاعِل۔ مِفْعَالٌ---مِفْعَالَانِ--مَفَاعِيلُ
১৮।تفضيل – আধিক্যবাচক বিশেষ্য-৮۔۔أَفْعَلُ-أَفْعَلَانِ-أَفْعَلُونَ/أَفَاعِلُ-فُعْلَٰى-فُعْلَيَانِ-فُعَلٌ/فُعْلَيَات-
প্রকারভেদঃ اسم مشتق বা উদ্ভাবিত বিশেষ্য সাত প্রকারঃ১। اسم فَاعل বা কর্তৃবাচক বিশেষ্য, যথা- فَاعِلٌ
২। اسم مفعول বা কর্মবাচক বিশেষ্য, যথা – مَفْعُولٌ
৩। اسم ظرف বা স্থান বা কালবাচক বিশেষ্য, যথা – مَفْعَلٌ৪। اسم آلة বা যন্ত্রবোধক বিশেষ্য, যথা – مِفْعَالٌ
৫। اسم تَفْضيل বা আধিক্যবোধক বিশেষ্য, যথা – اَفْعَلُ
৬। صفت مشبه বা স্থায়ী গুণবাচক বিশেষ্য, যথা – فَعِيلٌ
৭। اسم فاعل مُبَالِغَة , যথা – فَعَّالَةٌ
ٌ ৮টি বাবের একটি ছক প্রদান করা হল।
১।جَدْوَل أَبْوَاب ثُلَاثى مُجَرَّد
মূল তিন বর্ণবিশিষ্ট বাবসমূহের ছক۔۔۔۔أَبْوَابٌ مُطَّرِدٌ مَوْزُونٌ مَوْزُونٌ بِهِ مَاضِى– ع كَلِمَة مُضَارِع – ع كَلِمَة
১.بَابُ أَوَّلُ نَصَرَ – يَنْصُرُ فَعَلَ – يَفْعُلُ فَتَحة ضُمَّة
২.بَابُ ثَانى ضَرَبَ – يَضْرِبُ فَعَلَ – يَفْعِلُ فَتَحة كَسْرَة
৩.بَابُ ثَالِث سَمِعَ – يَسْمَعُ فَعِلَ – يَفْعَلُ كَسْرَة فَتَحة
৪.بَابُ رَابِع فَتَحَ – يَفْتَحُ فَعَلَ – يَفْعَلُ فَتَحة فَتَحة
৫.بَابُ خَامِس كَرُمَ – يَكْرُمُ فَعُلَ – يَفْعُلُ ضُمَّة ضُمَّة
۔۔أَبْوَابُ شَاذ۔
৬.بَابُ أَوَّلُ حَسِبَ – يَحْسِبُ فَعِلَ – يَفْعِلُ كَسْرَة كَسْرَ
৭.بَابُ ثَانى فَضِلَ – يَفْضُلُ فَعِلَ – يَفْعُلُ كَسْرَة ضُمَّة
بَابُ ثَالِث كَوُدَ – يَكْوَدُ
৮.كَاد – يَكَادُ فَعُلَ – يَفْعَلُ ضُمَّة فَتَحة
এই بَاب এর কতিপয় مَصْدَر বা ক্রিয়া মূলঃ- ٱلطَّلَبُ – তালাশ করা, ٱلدُّخُولُ – প্রবেশ করা, ٱلْقَتْلُ – হত্যা করা, ٱلْفَتْلُ – পাক দেওয়া, ٱلْخُرُوجُ – বের হওয়া, ٱلْ كِتَابَةُ – লিখা, ٱلْفَسَادُ – ধ্বংস করা, ٱلْحُكْمُ – আদেশ দেওয়া।
এই بَاب এর কতিপয় مَصْدَر বা ক্রিয়া মূলঃ- ٱلْغُسْلُ – ধৌত করা, ٱلْغَلْبُ – বিজয়ী হওয়া, ٱلْظُّلْمُ – অত্যাচার করা, ٱلْفَصْلُ – পৃথক করা, ٱلْجُلُوسُ – বসা, ٱلْخَتْمُ – সমাপ্ত করা,।
২।أَبْوَاب ثُلَاثِى مَزِيد فِية بِى هَمْزَة وَصْل
,।هَمْزَة وَصْل বিহীন অতিরিক্ত তিন অক্ষরবিশিষ্ট ৫টি বাব
رَقْم مَوْزُون بِه مَوْزُون مَاضِى – مُضَارِع অর্থ أَصْل
১. ١ إِفْعَاٌ إِكْرَامٌ أَكْرَمَ – يُكْرِمُ সম্মান করা كرم
২. تَفْعِيلٌ تَصْرِيفٌ صَرَّفَ – يُصَرِّفُ ঘুরান ফিরান صرف
৩. تَفَعُّلٌ تَقَبُّلٌ تَقَبَّلَ – يَتَقَبَّلُ গ্রহণ করা قبل
৪. مُفَاعَلَةٌ مُقَاتَلَةٌ قَاتَلَ – يُقَاتِلُ পরস্পর লড়াই করা قتل
৫. تَفَاعُلٌ تَقَابُل-ٌ تَقَابَلَ – يَتَقَابَلُ পরস্পর সম্মুখীন হওয়া قبل
৩।أَبْوَاب ثُلَاثِى مَزِيد فِية بَاهَمْزَة وَصْل
,।هَمْزَة وَصْل সহকারে অতিরিক্ত তিন অক্ষরবিশিষ্ট ৯টি বাবرَقْم مَوْزُون بِه مَوْزُون مَاضِى – مُضَارِع অর্থ أَصْل
١ إِفْتِعَالٌ إِجْتِنَابٌ إِجْتَنَبَ – يَجْتَنِبُ বিরত থাকা جنب
٢ إِسْتِفْعَالٌ إِجْتِنْصَارٌ إِسْتَنْصَرَ – يَسْتَنْصِرُ সাহায্য কামনা
٣ إِنْفِعَالٌ إِنْفِطَارٌ إِنْفَطَرَ – يَنْفَطِرُ ফেটে যাওয়া فطر
٤ إِفْعِلَالٌ إِحْمِرَارٌ إِحْمَرَّ – يَحْمَرُّ লাল হওয়া حمر
٥ إِفْعِيلَالٌ إِدْهِيمَامٌ إِدْهَامَّ – يَدْهَامُّ খুব কালো হওয়া دهم
٦ إِفْعِيعَالٌ إِخْشِيشَانٌ إِخْشَوْشَنَ – يَخْشَوْشِنُ খুব শক্ত হওয়া
٧ إفْعِوَّالٌ إِخْلِوَّاذٌ إِخْلَوَّذَ – يَخْلَوِّذُ উটের দৌড়ানো جلذ
٨ إِفَّاعُلٌ إِثَّاقُلٌ إِثَّاقَلَ – يَثَّاقِلُ ভারী হওয়া ثقل
٩ إِفَّعَّلٌ إِطَّهَّرٌ إِطَّهَّرَ – يَطَّهَّرُ পবিত্র হওয়া طهر

أدوات النصب هي: أن، لن،كي- إذن، ، لام كي، لام الجحود، حتَّى، ("فَـ، وَ، أَوْ" في جواب النفي أو الطلب).

أمثلة:
- أَنْ: أريد أَنْ أتَعلَّـمَ.
- لَنْ: لَنْ يَنْجَـحَ الكسولُ.
- إذنْ: قال خالدٌ لِسالم: سأزورُك، فقال له سالمٌ: إذَنْ أُكْرِمَـكَ.
- كَيْ: اجتهد كَيْ تَنْجَـحَ.
- لامُ كَيْ (أي اللام التي تفيد معنى كي): أدرسُ النحو لِأتقـنَ اللغة العربية.
- لام الجحود (وهي المسبوقة بـ"ما كان" أو "لم يكن"): ما كان المجتمع لِـينْهَـضَ لولا جهود المصلحين.
- حَتَّى: لا يؤمن أحدكم حتى يُحِـبَّ لأخيه ما يحب لنفسه.
- الفاء: أحسن إلى الناس فَتَنالَ حبهم.
- الواو: لاَ تَنْهَ عَنْ خُلُقٍ وَتَأْتِـيَ مِثْلَهُ.
- أَوْ (التي بمعنى إلى أو بمعنى إلا): لألزمنَّك أو تقضـيَـني حقي.

أدوات النصب
أدوات النصب هي: أن، لن، إذن، كي، لام كي، لام الجحود، حتَّى، ("فَـ، وَ، أَوْ" في جواب النفي أو الطلب).
وهذا الذي سار عليه الناظم تبعا لابن آجروم هو مذهب الكوفيين الذي يعتبر كل أداة من هذه الأدوات حرف نصب قائما بذاته، أما نحاة البصرة ومن تبعهم فيختزلون هذه النواصب في أربعة هي أن ولن وكي وإذن، ويعتبرون النصب بعد الأدوات الأخرى بـ"أن" مقدرة.
وإليك أمثلة على كل من هذه الأدوات:
- أَنْ: "وأنْ تَصُومُوا خَيْرٌ لَكُمْ".
- لَنْ: "لَنْ تَنالُوا البِرَّ حَتَّى تُنْفِقُوا مِمَّا تُحِبُّونَ".
- إذنْ (ويشترط أن تكون في صدر جملة جوابية): قال زيد لسعيد: سأزورك، قال سعيد: إذنْ أكرمك.
- كَيْ: "كَيْ تَقَرَّ عَيْنُها".
- لامُ كَيْ (أي التي هي بمعنى كي التعليلية): "وَأَنْزَلْنَا إِلَيْكَ الذِّكْرَ لِتُبَيِّنَ لِلنَّاسِ مَا نُزِّلَ إِلَيْهِمْ".
- لام الجحود (وهي اللام المسبوقة بما كان أو لم يكن): "وَمَا كَانَ اللَّهُ لِيُعَذِّبَهُمْ وَأَنْتَ فِيهِمْ".
حتى (إذا كان المضارع بعدها دالا على المستقبل): "لَنْ نَبْرَحَ عَلَيْهِ عَاكِفِينَ حَتَّى يَرْجِعَ إِلَيْنَا مُوسَى".

ويشترط في النصب بالفاء والواو وأو أن تكون الجملة التي قبلها منفية أو طلبية (ويشمل الطلب: الأمر والنهي والاستفهام والتمني والتحضيض والعرض والترجي)، ومن أمثلة ذلك:
الفاء: "لا يُقْضَى عَلَيْهِمْ فَيَمُوتُوا"،"وَلا تَطْغَوْا فِيهِ فَيَحِلَّ عَلَيْكُمْ غَضَبِي"، "يَا لَيْتَنِي كُنْتُ مَعَهُمْ فَأَفُوزَ...".
- الواو: "أَمْ حَسِبْتُمْ أَنْ تَدْخُلُوا الْجَنَّةَ وَلَمَّا يَعْلَمِ اللَّهُ الَّذِينَ جَاهَدُوا مِنْكُمْ وَيَعْلَمَ الصَّابِرِينَ".
لاَ تَنْهَ عَنْ خُلُقٍ وَتَأْتِيَ مِثْلَهُ ... عَارٌ عَلَيكَ إِذَا فَعَلْتَ عَظِيمُ
- أَوْ: لأَسْتَسْهِلَنَّ الصَّعْبَ أَوْ أُدْرِكَ المُنَى * فَمَا انْقَادَتِ الآمَالُ إِلا لِصَابِرِ
وَكُنْتُ إِذَا غَمَزْتُ قَنَاةَ قَوْمٍ * كَسَرْتُ كُعُوبَهَا أَوْ تَسْتَقِيمَا

فالنواصب عشرة، وهي: أن ولن وإذاً وكي، ولام كي، ولام الجحود، وحتى، والجواب بالفاء والواو وأو.
٢٥٦ - وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: «تَدَارُسُ الْعِلْمِ سَاعَةً مِنَ اللَّيْلِ خَيْرٌ مِنْ إِحْيَائِهَا» . رَوَاهُ الدَّارِمِيُّ
অর্থঃরাসূল ﷺ বলেছেন, রাতের কিছু সময় এলেম চর্চা করা, সারা রাত জেগে নফল ইবাদত হইতে উত্তম।
٢١٧ - وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا. قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - ﷺفَقِيهٌ وَاحِدٌ أَشَدُّ عَلَى الشَّيْطَانِ مِنْ أَلْفِ عَابِدٍ، رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ، وَابْنُ مَاجَهْ.
অর্থঃএকজন মুত্তাকী বিজ্ঞ ফাকিহ আলিমকে শয়তান বে_ইলেম হাজার আবিদের চেয়ে বেশি ভয় করে।তিরমিযী ২৬৮১, ইবনু মাজাহ্ ২২,আরবী দ্বিতীয় পত্র (যে সব বিষয় জানা আবশ্যক)

وَمَا تَوْفِيقِي إِلَّا بِاللَّهِ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَإِلَيْهِ أنيب.۔۔۔۔اللهم اهدي بالهدايه النحو والصرف باللغه العربيه۔۔۔ا

Want your school to be the top-listed School/college in Cumilla?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

Adarsha Sadar
Cumilla
3500