TEVT Learning

TEVT Learning

Share

Making technical topics simple and accessible to all.

Photos from Basic Electronics's post 26/05/2026
Photos from TEVT Learning's post 26/05/2026

Retractable Sootblower (রিট্র্যাক্টেবল সুটব্লোয়ার)। এটি থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট বা বড় শিল্পকারখানার বয়লারে ব্যবহার করা হয়।

সংক্ষেপে বলতে গেলে, Sootblower-এর প্রধান কাজ হলো বয়লারের ভেতরের পাইপ বা টিউবের গায়ে জমে থাকা ছাই (Soot) এবং ময়লা পরিষ্কার করা।

নিচে এর কাজের বিবরণ এবং গুরুত্ব সহজভাবে আলোচনা করা হলো:

👉প্রধান কাজসমূহ
ছাই ও ময়লা পরিষ্কার করা: বয়লারে যখন কয়লা, তেল বা অন্য কোনো জ্বালানি পোড়ানো হয়, তখন প্রচুর পরিমাণে ছাই ও ফ্লু-গ্যাস (Flue gas) তৈরি হয়। এই ছাইগুলো বয়লারের ভেতরের ওয়াটার টিউব বা সুপারহিটার টিউবের গায়ে আস্তরণ হিসেবে জমে যায়। সুটব্লোয়ার উচ্চ চাপের বাষ্প (Steam) বা বাতাস স্প্রে করে এই জমে থাকা ছাই ও ময়লা উড়িয়ে দেয়।

👉তাপ স্থানান্তর সচল রাখা: টিউবের গায়ে ছাই জমে থাকলে তা ইনসুলেটর বা তাপ নিরোধক হিসেবে কাজ করে, ফলে ভেতরের পানির কাছে ঠিকমতো তাপ পৌঁছাতে পারে না। সুটব্লোয়ার দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার করলে টিউবগুলো সরাসরি আগুনের তাপ পায় এবং তাপ স্থানান্তর (Heat Transfer) প্রক্রিয়া সচল থাকে।

👉বয়লারের দক্ষতা (Efficiency) বাড়ানো: তাপ স্থানান্তর ভালো হলে কম জ্বালানি পুড়িয়ে বেশি বাষ্প (Steam) তৈরি করা যায়, যা বয়লারের সামগ্রিক কার্যক্ষমতা অনেক বাড়িয়ে দেয়।

👉এটি যেভাবে কাজ করে (How it works)
১. ভেতরে প্রবেশ (Insertion): যখন এটি চালু করা হয়, তখন এই দীর্ঘ মেকানিক্যাল আর্ম বা ল্যান্স টিউবটি (Lance tube) স্বয়ংক্রিয়ভাবে বয়লারের ভেতরের গরম অংশে প্রবেশ করে।
২. স্প্রে ও ঘূর্ণন (Spraying & Rotation): ল্যান্স টিউবের মাথায় নজেল থাকে। এটি ঘোরার পাশাপাশি উচ্চ চাপের বাষ্প বা বাতাস চারদিকে স্প্রে করতে থাকে, যা টিউবের গায়ে লেগে থাকা শক্ত ছাইগুলোকে ভেঙে দেয়।
৩. বাইরে চলে আসা (Retraction): পরিষ্কার করার কাজ শেষ হলে যন্ত্রটি আবার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বয়লারের বাইরে (ছবিতে যেভাবে দেখছেন এই পজিশনে) চলে আসে, যাতে বয়লারের ভেতরের তীব্র তাপে এটি নষ্ট না হয়ে যায়।

👉সহজ কথায়, বয়লারের টিউবগুলোকে পরিষ্কার রেখে পাওয়ার প্ল্যান্টের উৎপাদন ক্ষমতা ঠিক রাখার জন্য সুটব্লোয়ার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রক্ষণাবেক্ষণ ডিভাইস।
এখন এই নেমপ্লেটের সাহায্যে আপনারা কি কি তথ্য বুঝতে পেরেছেন কমেন্ট এ জানান।



















#পাওয়ারপ্ল্যান্ট

#বয়লার_রক্ষণাবেক্ষণ

#ইঞ্জিনিয়ারিং

#টেকনিক্যাল_জ্ঞান











17/05/2026

গাড়ির এসি সিস্টেম মূলত রেফ্রিজারেন্টকে গ্যাস থেকে তরল এবং তরল থেকে গ্যাসে রূপান্তর করার মাধ্যমে কেবিনকে ঠান্ডা করে। এই চক্রে কম্প্রেশরের কাজ হলো:

গ্যাস গ্রহণ: গাড়ির ভেতরের ইভাপোরেটর (Evaporator) থেকে নিম্ন-চাপ (Low-pressure) এবং সাধারণ তাপমাত্রার গ্যাসীয় রেফ্রিজারেন্ট টেনে নেওয়া।

সংকোচন (Compression): কম্প্রেশর এই গ্যাসকে প্রচণ্ড চাপে সংকুচিত করে। চাপ বাড়ার কারণে বয়েলের সূত্র অনুযায়ী গ্যাসের তাপমাত্রাও অনেক বেড়ে যায়।

স্থানান্তর: এরপর এই উচ্চ-চাপ এবং উচ্চ-তাপমাত্রার গ্যাসকে গাড়ির সামনের দিকে থাকা কন্ডেন্সারে (Condenser) ধাক্কা দিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়, যেখানে এটি বাইরের বাতাসের সংস্পর্শে ঠান্ডা হয়ে তরলে পরিণত হয়।

ম্যাগনেটিক ক্লাচ (Magnetic Clutch)
বেশিরভাগ গাড়ির কম্প্রেশরে একটি ম্যাগনেটিক ক্লাচ থাকে, যা একটি বেল্টের মাধ্যমে গাড়ির ইঞ্জিনের সাথে যুক্ত থাকে। গাড়ির ইঞ্জিন সবসময় চলতে থাকলেও এসি সবসময় চালু থাকে না।

যখন ড্যাশবোর্ড থেকে এসির সুইচ অন করা হয়, তখন একটি বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ম্যাগনেটিক ক্লাচকে সক্রিয় করে।

এটি ইঞ্জিনের ঘুরতে থাকা পুলির সাথে কম্প্রেশরের শ্যাফটকে শক্তভাবে যুক্ত করে দেয়, ফলে কম্প্রেশর কাজ করা শুরু করে।

এসি বন্ধ করলে ক্লাচটি আবার আলাদা হয়ে যায়।

কম্প্রেশরের সাধারণ কিছু সমস্যা
দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে বা সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কম্প্রেশরে কিছু সাধারণ সমস্যা দেখা দিতে পারে:

অস্বাভাবিক শব্দ: কম্প্রেশরের ভেতরের যন্ত্রাংশ বা ক্লাচের বিয়ারিং (Bearing) ক্ষয়ে গেলে এসি চালু করার সাথে সাথে ঘর্ষণের শব্দ বা গোঁ গোঁ আওয়াজ হতে পারে।

গ্যাস লিক হওয়া: কম্প্রেশরের বিভিন্ন জয়েন্টের সিল (Seal) বা ও-রিং (O-ring) শুকিয়ে বা নষ্ট হয়ে গেলে রেফ্রিজারেন্ট লিক হতে পারে। গ্যাস কমে গেলে এসি আর ঠান্ডা বাতাস দিতে পারে না।

ক্লাচ কাজ না করা: ম্যাগনেটিক ক্লাচের কয়েল পুড়ে গেলে বা বৈদ্যুতিক সংযোগে সমস্যা থাকলে সুইচ অন করার পরও কম্প্রেশর ইঞ্জিনের সাথে যুক্ত হতে পারে না।

লুব্রিকেন্টের অভাব: এসি সিস্টেমে রেফ্রিজারেন্টের পাশাপাশি নির্দিষ্ট পরিমাণ কম্প্রেশর অয়েল (PAG oil) থাকে। তেলের পরিমাণ কমে গেলে ঘর্ষণে কম্প্রেশর অতিরিক্ত গরম হয়ে চিরতরে নষ্ট (Seize) হয়ে যেতে পারে।

রক্ষণাবেক্ষণের কিছু টিপস
নিয়মিত চেকআপ: এসির গ্যাস এবং কম্প্রেশর অয়েলের পরিমাণ ঠিক আছে কিনা তা নিয়মিত পরীক্ষা করা উচিত।

শীতকালেও ব্যবহার: দীর্ঘ সময় এসি বন্ধ রাখলে এর ভেতরের সিলগুলো লুব্রিকেশনের অভাবে শুকিয়ে ফেটে যেতে পারে। তাই শীতকালেও সপ্তাহে অন্তত একবার ১০-১৫ মিনিটের জন্য গাড়ির এসি চালু রাখা ভালো।
কন্ডেন্সার পরিষ্কার রাখা: কন্ডেন্সারে অতিরিক্ত ময়লা জমলে গ্যাস ঠিকমতো ঠান্ডা হতে পারে না, যার ফলে কম্প্রেশরের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। তাই গাড়ি ধোয়ার সময় কন্ডেন্সার পানি দিয়ে পরিষ্কার রাখা উচিত।

17/05/2026

Commercial Kitchen Cooling System (কমার্শিয়াল কিচেন কুলিং সিস্টেম):
এই ছবিটি মূলত বড় রেস্তোরাঁ বা হোটেলের কমার্শিয়াল কিচেনের জন্য তৈরি একটি বিশেষায়িত কুলিং এবং ভেন্টিলেশন সিস্টেমের ডেমো।
সিস্টেমের ধরন: এটি একটি স্পট কুলিং বা মেক-আপ এয়ার সিস্টেম। কিচেনের মতো অতিরিক্ত গরম এবং ধোঁয়াযুক্ত পরিবেশে শেফদের আরামদায়কভাবে কাজ করার জন্য এটি ডিজাইন করা হয়েছে।
মূল অংশসমূহ: নিচে বাম পাশে "Smart" ব্র্যান্ডের একটি আউটডোর বা কন্ডেন্সিং ইউনিট দেখা যাচ্ছে। সেখান থেকে একটি মেটালিক ডাক্ট (Duct) দিয়ে বাতাস উপরের স্টেইনলেস স্টিলের প্যানেলে যাচ্ছে। প্যানেলটিতে একাধিক নোজল বা ডিফিউজার বসানো আছে, যা নির্দিষ্ট জায়গায় (যেমন- শেফের দিকে) সরাসরি ঠান্ডা বাতাস সরবরাহ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
উদ্দেশ্য: পেছনের ব্যানারে লেখা "cool faster, fume-free, energy smarter" থেকে বোঝা যায়, এর মূল কাজ হলো দ্রুত ঠান্ডা করা, ধোঁয়ামুক্ত পরিবেশ তৈরি করা এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা। "FRESCO" লেখাটি সম্ভবত এই প্রজেক্ট বা কিচেন সলিউশনটির মডেল নাম।

15/05/2026

পোস্টটি Basic Electronics ভাইয়ের।
আপনার কথার সাথে পূর্ণ একমত 🤚🏻🤚🏻🤚🏻

03/05/2026

এটা একটি VCB (Vacuum Circuit Breaker) এর ইন্টারনাল মেকানিজম।

VCB এর প্রধান অংশ

1. Vacuum Interrupter (VI)

এটা VCB-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ

ভ্যাকুয়ামের ভিতরে দুইটা কন্টাক্ট থাকে:

Fixed Contact (স্থির)

Moving Contact (চলমান)
এখানে কোনো বাতাস নেই, তাই আর্ক (spark) খুব দ্রুত নিভে যায়

2. Operating Mechanism (Spring + Motor + Gear)

ছবির মাঝখানে যে গিয়ার, স্প্রিং, মোটর দেখা যাচ্ছে:

Spring Charging Motor → স্প্রিং চার্জ করে

Closing Spring → ব্রেকার ON করার শক্তি দেয়

Opening Spring → OFF করার জন্য কাজ করে

Gear Mechanism → মুভমেন্ট ট্রান্সফার করে
এই মেকানিজমটাই ব্রেকারকে খুব দ্রুত ON/OFF করে

3. ON/OFF Indicator (I / O)

সবুজ (O) = OFF

লাল (I) = ON
ON coil = যা Vcb কে অন করতে সাহায্য করে ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেম

OFF coil= যা Vcb কে অফ করতে সাহায্য করে
অপারেটর বুঝতে পারে ব্রেকারের অবস্থা

4. Auxiliary Switch & Control Wiring

ডান পাশে সবুজ-সাদা টার্মিনাল ব্লক:

Control circuit এর জন্য

Protection relay, indication, interlocking এর সাথে কাজ করে

5. Drive Shaft & Linkage

নিচের দিকে লম্বা শ্যাফট

এটা মেকানিজম থেকে Vacuum interrupter-এ মুভমেন্ট পাঠায়

VCB কীভাবে কাজ করে (Step-by-step)

1. Normal Condition (ON অবস্থায়)

Moving contact + Fixed contact একসাথে থাকে

কারেন্ট সহজে প্রবাহিত হয়

2. Fault হলে (Short Circuit / Overload)

Relay signal দেয়

Trip coil activate হয়

3. Opening (Trip Operation)

Opening spring কাজ করে

Moving contact দ্রুত আলাদা হয়ে যায়

ভ্যাকুয়ামের মধ্যে arc তৈরি হয় কিন্তু ভ্যাকুয়ামে
কোনো গ্যাস নেই আর্ক sustain করতে পারে না
তাই খুব দ্রুত (milliseconds এর মধ্যে) নিভে যায়

4. Closing Operation

Motor স্প্রিং চার্জ করে

Close command দিলে:

Closing release হয়

Contact আবার যুক্ত হয়।

24/04/2026

🔷 ফ্রিকোয়েন্সি পরিবর্তনের জন্য কী ব্যবহার হয়?
অসিলেটর বা ইলেকট্রনিক সার্কিটে ফ্রিকোয়েন্সি পরিবর্তন (Frequency Control) করতে সাধারণত নিচের কম্পোনেন্টগুলো ব্যবহার করা হয়:
1. Resistor (R) ও Capacitor (C)
RC Oscillator-এ সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়
ফ্রিকোয়েন্সি সূত্র:
2. Inductor (L) ও Capacitor (C)
LC Oscillator-এ ব্যবহার হয়
সূত্র:
3. Variable Capacitor (ভ্যারিয়েবল ক্যাপাসিটার)
রেডিও টিউনিং-এ ব্যবহার হয়
ঘুরিয়ে সহজে ফ্রিকোয়েন্সি পরিবর্তন করা যায়
4. Variable Resistor (Potentiometer)
কিছু সার্কিটে R পরিবর্তন করে ফ্রিকোয়েন্সি কন্ট্রোল করা হয়
5. Crystal (Quartz Crystal)
খুব নির্ভুল ফ্রিকোয়েন্সির জন্য ব্যবহার হয়
এখানে ফ্রিকোয়েন্সি প্রায় স্থির থাকে (change করা যায় না সহজে)
🔷 কোন যন্ত্র (Equipment) দিয়ে ফ্রিকোয়েন্সি পরিবর্তন করা হয়?
1. VFD (Variable Frequency Drive)
👉 সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ (ইন্ডাস্ট্রিতে)
মোটরের স্পিড কন্ট্রোল করতে ব্যবহৃত হয়
ইনপুট AC কে DC করে আবার variable frequency AC তৈরি করে
HVAC, পাম্প, ফ্যান—সব জায়গায় ব্যবহৃত
2. Function Generator
বিভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সির সিগন্যাল তৈরি করতে পারে
ল্যাব ও টেস্টিং কাজে ব্যবহার হয়
3. Signal Generator
RF ও কমিউনিকেশন সিস্টেমে ব্যবহৃত
নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সি তৈরি ও পরিবর্তন করা যায়
4. Oscillator Circuit (Tunable)
ভ্যারিয়েবল কম্পোনেন্ট দিয়ে ফ্রিকোয়েন্সি adjust করা যায়
🔷 সহজভাবে সংক্ষেপে
👉 ফ্রিকোয়েন্সি পরিবর্তন করতে লাগে:
R, C, L (সার্কিটের ভেতরে)
👉 ফ্রিকোয়েন্সি পরিবর্তনের যন্ত্র:
VFD (মোটরের জন্য)
Function Generator (ল্যাব)
Signal Generator (কমিউনিকেশন)

24/04/2026

🔷 অসিলেটর সার্কিটের কাজ কী?
অসিলেটর (Oscillator) হলো এমন একটি ইলেকট্রনিক সার্কিট যা DC (Direct Current) পাওয়ারকে AC (Alternating Signal) এ রূপান্তর করে এবং নিজে নিজেই একটি নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সির সিগন্যাল তৈরি করে।
🔷 মূল কাজ (Main Function)
👉 কোনো ইনপুট সিগন্যাল ছাড়াই নিরবচ্ছিন্ন AC সিগন্যাল তৈরি করা
🔷 কিভাবে কাজ করে?
অসিলেটরের কাজ ৩টি মূল বিষয়ের উপর নির্ভর করে:
1. Amplifier (অ্যাম্প্লিফায়ার)
সার্কিটে একটি অ্যাম্প্লিফায়ার থাকে
এটি সিগন্যালকে বাড়ায়
2. Feedback (ফিডব্যাক)
আউটপুটের একটি অংশ আবার ইনপুটে ফেরত আসে
এটাকে বলে Positive Feedback
3. Oscillation তৈরি হওয়া
ফিডব্যাক সঠিক হলে (gain = 1 এবং phase shift = 0° বা 360°)
সার্কিটে নিজে নিজেই সিগন্যাল তৈরি হতে থাকে
👉 এটাকে বলে Barkhausen Criterion
🔷 সহজভাবে বুঝুন
ধরুন:
আপনি মাইককে স্পিকারের সামনে ধরলেন
একটা “হুঁউউউ…” সাউন্ড নিজে নিজে তৈরি হয়
👉 এটিই এক ধরনের Oscillation
🔷 আউটপুট কেমন হয়?
সাইন ওয়েভ (Sinusoidal)
স্কয়ার ওয়েভ (Square)
ট্রায়াঙ্গুলার ওয়েভ (Triangular)
🔷 কোথায় ব্যবহার হয়?
📡 রেডিও ও টিভি ট্রান্সমিটার
⏱️ ঘড়ি (Clock generator)
📱 মোবাইল কমিউনিকেশন
💻 মাইক্রোকন্ট্রোলার ক্লক সার্কিট
🔊 অডিও সিগন্যাল জেনারেটর
🔷 সংক্ষেপে
অসিলেটর সার্কিট DC থেকে নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সির AC সিগন্যাল তৈরি করে এবং তা অবিরাম চালিয়ে যায়।

24/04/2026

🔷 সেন্ট্রিফিউগাল কম্প্রেশর কী?
সেন্ট্রিফিউগাল কম্প্রেশর হলো এমন একটি ডাইনামিক কম্প্রেশর যা ঘূর্ণায়মান ইম্পেলার (Impeller) ব্যবহার করে গ্যাস বা বায়ুর গতিশক্তিকে চাপ শক্তিতে (Pressure Energy) রূপান্তর করে।
👉 সহজভাবে:
এটি গ্যাসকে দ্রুত ঘুরিয়ে বাইরে ছুঁড়ে দিয়ে তার চাপ বাড়ায়।
🔷 প্রধান অংশগুলো
Suction Inlet (ইনলেট) – গ্যাস প্রবেশ করে
Impeller (ইম্পেলার) – ঘুরে গ্যাসকে ত্বরান্বিত করে
Diffuser (ডিফিউজার) – গ্যাসের গতি কমিয়ে চাপ বাড়ায়
Casing (কেসিং) – পুরো সিস্টেম ধারণ করে
Shaft & Bearing – ঘূর্ণন বজায় রাখে
Discharge Outlet (আউটলেট) – উচ্চচাপ গ্যাস বের হয়
🔷 কার্যপ্রণালী (Working Principle)
১. গ্যাস প্রবেশ
গ্যাস সাকশন ইনলেট দিয়ে কম্প্রেশরে ঢুকে
২. ইম্পেলার দ্বারা ত্বরান্বিত করা
ইম্পেলার খুব দ্রুত ঘোরে (High RPM)
গ্যাসকে ঘুরিয়ে কেন্দ্র থেকে বাইরে (radial direction) ছুঁড়ে দেয়
এতে গ্যাসের velocity (গতি) অনেক বেড়ে যায়
৩. ডিফিউজারে প্রবেশ
দ্রুতগতির গ্যাস ডিফিউজারে যায়
এখানে গতি কমে কিন্তু চাপ (pressure) বেড়ে যায়
👉 (Bernoulli principle অনুযায়ী)
৪. চাপ বৃদ্ধি
গ্যাসের kinetic energy → pressure energy তে রূপান্তর হয়
৫. আউটলেট দিয়ে বের হওয়া
উচ্চ চাপের গ্যাস ডিসচার্জ আউটলেট দিয়ে বের হয়
🔷 মাল্টি-স্টেজ সিস্টেম
বড় কম্প্রেশরে একাধিক ইম্পেলার থাকে
প্রতিটি স্টেজে চাপ ধাপে ধাপে বাড়ে
🔷 সহজ উদাহরণ
ধরুন:
আপনি পানিভর্তি বালতি ঘুরাচ্ছেন
পানি বাইরে ছিটকে যায় (centrifugal force)
👉 ঠিক একইভাবে কম্প্রেশরে গ্যাস বাইরে ছিটকে চাপ বৃদ্ধি করে
🔷 কোথায় ব্যবহার হয়?
HVAC (চিলার সিস্টেম)
পাওয়ার প্ল্যান্ট
গ্যাস প্রসেসিং
বড় ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্ল্যান্ট

Want your school to be the top-listed School/college in Cox's Bazar?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Cox Bazar
Cox's Bazar