Somsain uddin

Somsain uddin

Share

❝অনন্ত মহাকালে
মোর যাত্রা
অসীম মহাকাশের অন্তে।❞
আবরার ফাহাদ
❝My journey in the infinite universe
to the end of the infinite space.❞
Abrar Fahad

If you go a little further, you can understand whose love was real, and whose was just for show. 🙂🦋

26/05/2026

গায়রতহীন মানুষের দুনিয়াবী ক্ষতি হয়না, কিন্তু তার কারণে আশপাশের মানুষ ও তার জাতের বড় ক্ষতি হয়।

গায়রতের সাথে লজ্জার সম্পর্ক সবচে ঘনিষ্ঠ। যার গায়রত নাই, ধরে নিবেন তার লজ্জাও নাই। আবার যার গায়রত নেই, সে দাইয়্যুস হওয়া অপরিহার্য।

আপনি বউকে বুকে নিয়ে গান শুনান, আদর যত্ন করুন, তবে তার সাথে বাসর যেমন গোপনে করেন, সেভাবে তার নামটিও দুনিয়ার কাছ থেকে পর্দা করান। গায়রত সম্পন্ন পুরুষ কখনো তার বিবির গন্ধও বাহিরে ছড়াতে দেননা। এই আলাপ তাদের জন্য, যারা সত্যই জানে গায়রত কাকে বলে।

এক লোক হযরত আলী রাঃ কাছে জানতে চায়লেন- -কেমন আছেন?
-আলহামদুলিল্লাহ
-আপনার বিবি সাহেবা কেমন আছে?
হুজুর বললেন, সম্ভব হলে তলোয়ার দিয়ে তোমার কল্লা এখন নামিয়ে দিতাম, আমার বিবির খবর তোমার নিতে হচ্ছে কেন?

কুরাইশের এক লোক তার উঠ জবেহ করে দিচ্ছিলো, লোকেরা বললো, জবেহ না করে বিক্রি করলে কিছু টাকা পাওয়া যেত।
লোকটি বলে, যে পিঠে আমার পরিবার চড়েছে, সে একই পিঠে অন্য কেহ আরোহন করুক, তা আমার গায়রতে আঘাত করে।

(কিতাব থেকে গায়রতের ইলম সাধারণত অর্জিত হয় না, গায়রতের ইলম মায়ের কোল থেকে, বাবার জবান থেকে, সন্তানের কলবে স্থান নেয়। তাই সভ্য গায়রত সম্পন্ন পিতা-মাতা হোন, সন্তাতের ৮০% শিক্ষা আপনার দ্বারা হয়ে যাবে)

আর আপনি যদি ওপেন প্লেসে বসে বউকে নিয়ে গান গায়তে থাকেন, আপনার পোলাপান বউ নিয়ে ওপেন প্লেসে নাচতে নামবে।

23/05/2026

মা...

আজ বুঝি, পৃথিবীর সবচেয়ে নিঃস্বার্থ মানুষটার নাম ছিল মা।

ছোটবেলায় যখন স্কুলে যেতাম, মনে হতো আমার জন্য এত চিন্তা করার কী আছে! এখন বাড়ি থেকে দূরে থাকি, জীবনের বাস্তবতার সঙ্গে লড়াই করি, তখন বুঝি—আমার একবেলা খাবার, আমার পড়াশোনা, আমার ভবিষ্যৎ নিয়ে যে মানুষটা সবচেয়ে বেশি ভাবত, সে ছিল আমার মা।

পরীক্ষার ফল ভালো হোক বা খারাপ, সারা পৃথিবী প্রশ্ন করলেও মা শুধু বলতেন, "চেষ্টা কর, একদিন ঠিক হবে।"

আজ অনেক কথা বলতে ইচ্ছে করে। বলতে ইচ্ছে করে, “মা, তোমার ছেলে এখনও লড়াই করছে। এখনও তোমার স্বপ্নগুলো পূরণ করার চেষ্টা করছে।” কিন্তু সেই কথাগুলো শোনার জন্য তুমি আর এই দুনিয়ায় নেই।

মানুষ বলে সময় সব কষ্ট কমিয়ে দেয়। কিন্তু মাকে হারানোর কষ্ট সময় কমায় না, শুধু মানুষকে সেই কষ্ট নিয়ে বাঁচতে শিখিয়ে দেয়।

আল্লাহ যেন আমার মাকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করেন। আমিন। 🤲🖤

— তোমার সেই ছেলে, যে আজও প্রতিটি সাফল্যের আগে তোমাকে খোঁজে।

23/05/2026

অ্যাডভোকেট শিশির মনিরের মন্তব্য এবং ইসলামের সামাজিক নীতি: একটি তাত্ত্বিক পর্যালোচনা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনিরের সাম্প্রতিক মন্তব্যটি আধুনিক নাগরিক অধিকার এবং ঐতিহ্যগত ইসলামি শাসননীতির এক জটিল সমীকরণ তৈরি করেছে। তাঁর বক্তব্য—"কে হিজাব পড়লো বা না পড়লো, কার ব্যক্তিগত জায়গায় কী হলো, তা নিয়ে আমাদের প্রবলেম কেন হবে?"—মূলত কোনো ধর্মীয় ফতোয়া বা শরীয়তের শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা নয়। একজন আধুনিক আইনবিদ হিসেবে তিনি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ব্যক্তির ‘ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার’ (Right to Privacy) এবং জোর-জুলুমহীন এক উদার পরিবেশের কথা বোঝাতে চেয়েছেন। পবিত্র কুরআনের সূরা আল-বাকারাহর ২৫৬ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, "দ্বীনের ব্যাপারে কোনো জবরদস্তি নেই।" এই সুপ্ত নীতিকে সামনে রেখে তিনি স্পষ্ট করতে চেয়েছেন যে, রাষ্ট্র বা সমাজের সাধারণ মানুষ বলপ্রয়োগের মাধ্যমে কারও ওপর কোনো ধর্মীয় পোশাক বা বিধান চাপিয়ে দিতে পারে না। বিশেষ করে একটি বহুত্ববাদী সমাজে সব নাগরিকের স্বাধীনতা রক্ষা এবং উগ্রতা পরিহারের কৌশলগত রাজনৈতিক অবস্থান হিসেবে তাঁর এই বার্তাটি অত্যন্ত বাস্তবসম্মত ও দূরদর্শী।

তবে একজন ইসলামি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা হিসেবে এই মন্তব্যের সাথে শাস্ত্রীয় ইসলামের সামাজিক কাঠামোর কিছু স্পষ্ট দূরত্ব বা বৈপরীত্য দৃশ্যমান হয়। ইসলাম কেবল ব্যক্তির আধ্যাত্মিক মুক্তির ধর্ম নয়, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ সামাজিক জীবনব্যবস্থা। ইসলামে হিজাব বা পর্দা কোনো ঐচ্ছিক বিষয় বা সাধারণ ব্যক্তিস্বাধীনতার অংশ নয়, বরং এটি মহান আল্লাহর একটি অপরিবর্তনীয় ফরজ বিধান। তদুপরি, ইসলামি সমাজ দর্শনের অন্যতম মূল স্তম্ভ হলো ‘আমর বিল মা’রুফ ওয়া নাহি আনিল মুনকার’ বা সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ (সূরা আল-ইমরান: ১১০)। এই নীতি অনুযায়ী, সমাজে কোনো ধর্মীয় বিধানের লঙ্ঘন হলে অন্য মুসলিমদের দায়িত্ব হলো সুন্দর ভাষা ও হিকমতের সাথে তা সংশোধনের চেষ্টা করা। ফলে, "অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে আমাদের মাথা ঘামানোর দরকার নেই"—এই পশ্চিমা লিবারেল বা ধর্মনিরপেক্ষ সুরটি প্রচলিত ইসলামি ভাবাদর্শ এবং দলের সাধারণ কর্মীদের মনস্তত্ত্বের সাথে পুরোপুরি খাপ খায় না। পরিশেষে বলা যায়, শিশির মনিরের এই বক্তব্যটি ইসলামের সামাজিক দায়বদ্ধতার নীতিকে কিছুটা ক্ষুণ্ন করলেও, আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় ইসলামের একটি সহনশী

21/05/2026

📌 বিয়ের আগে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন এই ৮টি প্রশ্ন! 💍
আমাদের মধ্যে যারা আগামী কিছুদিনের মধ্যে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন, আজকের পোস্টটি মূলত তাদের জন্য। বিয়ে কোনো সাময়িক উৎসব নয়, এটি সারাজীবনের একটি যৌথ সফর। তাই বিয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজেকে খুব যৌক্তিকভাবে ৮টি প্রশ্ন করা জরুরি। যদি এই প্রশ্নগুলোর সঠিক ও বাস্তবসম্মত উত্তর নিজের কাছে পান, তবেই বিয়ের জন্য এগিয়ে যাওয়া উচিত।

নিজের দাম্পত্য জীবনকে সুন্দর ও অর্থবহ করতে আজই নিজেকে এই প্রশ্নগুলো করুন:

১. আমি কি মানসিকভাবে সম্পূর্ণ স্থির তো?
আমাদের জীবনে অনেকেরই নানা অতীত কষ্ট, ব্রেকআপের ট্রমা, চাইল্ডহুড ট্রমা কিংবা ব্যর্থতার গ্লানি (যেমন: কোথাও চান্স না পাওয়া, চাকরি বা ব্যবসায় ক্ষতি, সঠিক ভ্যালিডেশন না পাওয়া) থাকে। এই ভেতরের ক্ষত বা ট্রমাগুলো নিরাময় না করে যদি আমরা বিয়ের জীবনে প্রবেশ করি, তবে অজান্তেই আমরা আমাদের সঙ্গী এবং দাম্পত্য জীবনকেও ট্রমাটাইজড করে ফেলি। তাই আগে নিজের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করুন।

২. আমি কি আমার প্রত্যাশা ও সীমাবদ্ধতা জানি?
পার্টনারের কাছ থেকে আমার এক্সপেক্টেশন (Expectation) কতটুকু এবং নিজের লিমিটেশন (Limitation) কী—সেটা পরিষ্কার জানা থাকা দরকার। নিজের সীমাবদ্ধতা আর প্রত্যাশার পরিমাপ জানলে বিয়ের পরের জীবনটা অনেক সহজ হয়ে যায়।

৩. সংকটের সময়ে আমার রিঅ্যাকশন কেমন হয়?
বিয়ের পর জীবনে ঝামেলা, রাগারাগি, অভিমান কিংবা ঝগড়া হবেই—এটা খুব স্বাভাবিক। কিন্তু প্রশ্ন হলো, যখন কোনো সমস্যা তৈরি হয়, তখন আপনি কীভাবে রিঅ্যাক্ট করেন? আপনি কি রেগে গিয়ে কথা বলা বন্ধ (Silent treatment) করে দেন, নাকি শান্ত হয়ে আলোচনা করেন? নিজের এই প্যাটার্নটি বোঝা খুব জরুরি।

৪. আমি কি সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো ভয়ে বা ইনসিকিউরিটিতে ভুগছি?
অনেক সময় আমরা পার্টনারের কাছে কিছু চেয়ে না পেলে বা বিপরীত দিক থেকে নেতিবাচক আচরণ দেখলে ভয় পেয়ে যাই। মনে মনে ভাবি, "একবার চেয়ে এই ব্যবহার পেয়েছি, ভবিষ্যতে আর কিছু চাবোই না।" এই ধরনের ইনসিকিউরিটি বা গুটিয়ে থাকার প্রবণতা সম্পর্কের দূরত্ব বাড়ায়। আপনার মনের ভেতর এমন কোনো লুকানো ভয় কাজ করছে কিনা, তা খতিয়ে দেখুন।

৫. আমরা কি একে অপরের ফ্যামিলি ভ্যালুজ (Family Values) বুঝি?
বিয়ে শুধু দুটি মানুষের নয়, দুটি পরিবারেরও মিলন। আমি আমার ফ্যামিলি ভ্যালু বুঝলাম, কিন্তু অপর মানুষটার পরিবারের প্রায়োরিটি বা মূল্যবোধ কী, সেটা আমি সম্মান করতে পারছি কিনা? ঠিক একইভাবে সে-ও আমার পরিবারের ভ্যালু বুঝতে পারছে কিনা—এই বোঝাপড়া বা 'Sync' হওয়াটা অত্যন্ত দরকার।

৬. আমার বিয়ের উদ্দেশ্য কী—সামাজিক লোকদেখানো নাকি জান্নাতি সফর?
আমরা কি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি আপলোড করে "Finally Married" ক্যাপশন দেওয়া, বন্ধুদের কাছে শো-অফ করা কিংবা ইনবক্সে "Made for each other" কমেন্ট পাওয়ার জন্য বিয়ে করছি? বিয়ের উদ্দেশ্য যদি শুধু সামাজিক মর্যাদা বা দেখানোর জন্য হয়, তবে তা ভুল। বিয়ের প্রকৃত মাকসাদ বা উদ্দেশ্য হওয়া উচিত—পরস্পরের হাত ধরে "জান্নাতি সফর" সফল করা।

৭. আমি কি নিজের আত্মসম্মান (Self-Respect) ও ম্যাচিউরিটি সম্পর্কে সচেতন?
আমি আসলে কোথায় বিলং করি, আমার ব্যক্তিত্ব কেমন, আমি কতটা ম্যাচিউরড বা একটি নতুন পরিস্থিতি সামলানোর মতো ইমপ্যাক্ট আমার আছে কিনা—বিয়ের পিঁড়িতে বসার আগেই এই সেলফ-অ্যাসেসমেন্ট বা আত্মমূল্যায়ন করে নেওয়া উচিত।

৮. সমস্যার সমাধান আমরা কীভাবে করি?
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট! যখন দুজনের মধ্যে কোনো তীব্র মতবিরোধ বা ঝগড়া হয়, তখন আমরা কীভাবে সেটা ডিল করি? মাথা গরম করে যা ইচ্ছা তাই বলে ফেলি, নাকি একে অপরের প্রতি ন্যূনতম সম্মানটা বজায় রাখি? আমরা কি ঝগড়া আরও বাড়িয়ে দিই, নাকি আল্লাহর কাছে পানাহ চেয়ে শান্ত মাথায় সমাধানের পথ খুঁজি?

শেষ কথা:
সময়ের সিদ্ধান্ত সময়ে না নিলে পরবর্তীতে আফসোস করতে হয়। এই ৮টি প্রশ্ন বিয়ের আগে নিজেকে করলে হয়তো অনেকেরই দাম্পত্য জীবন আরও অনেক বেশি সুন্দর, গোছানো এবং শান্তিময় হতে পারত। তাই তাড়াহুড়ো না করে, নিজেকে জানুন, সঠিক উত্তর খুঁজুন এবং একটি সুন্দর জীবনের দিকে পা বাড়ান।

✨ আপনার বিয়ের উদ্দেশ্য হোক জান্নাতের সফর। ✨

20/05/2026

আল্লাহ কি আমাদের ক্ষমা করবেন?

18/05/2026

সময় ভাগ্য পরিস্থিতি, সবকিছুর কাছেই পরাজিত আমি~! 😅❤️‍🩹

17/05/2026

আপনি ব্যবসা শুরু করেছেন আপনার রিজিক বৃদ্ধির জন্য, এটা খুব ভালো কথা। কিন্তু ব্যবসার শুরুতে আপনার নিয়ত এবং কর্মপন্থা কেমন হওয়া উচিত, তা কি একবারও ভেবে দেখেছেন?উপরে একজন আল্লাহ আছেন, যিনি সমস্ত রিজিকের মালিক। তিনি প্রতিটি মানুষের ভাগ্য নির্ধারণ করেন। আপনি যদি সততার সাথে আপনার ব্যবসা শুরু করেন, তবে আপনার দোকানে কাস্টমার বা ক্রেতা এনে দেওয়ার দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহর! তিনিই মানুষের মনে আপনার ব্যবসার প্রতি ভালোবাসা ও আস্থা তৈরি করে দেবেন।কিন্তু আফসোস! আজকের যুগে আমরা কাস্টমার বাড়ানোর জন্য, মানুষকে খুশি করার জন্য এমন সব কর্মকাণ্ড করছি, যাতে স্বয়ং আল্লাহ তাআলা বেজার বা অসন্তুষ্ট হন।একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করে বলুন তো—নর্তকী এনে নাচ-গান করালে কি ব্যবসায় বরকত আসে?এমন সব ফেমাস সেলিব্রেটি, নায়ক বা গায়কদের এনে উদ্বোধন করাচ্ছেন, যারা জীবনে কোনোদিন কিবলামুখী হয়ে সিজদা দিয়েছে কি না সন্দেহ! যাদের ঈমানের কোনো ঠিকঠিকানা নেই, তাদেরকে দিয়ে ব্যবসার শুভ সূচনা করছেন?মনে রাখবেন, যে ব্যবসার শুরুটাই হয় আল্লাহর অবাধ্যতা, পর্দাহীনতা আর গুনাহের মাধ্যমে, সেই ব্যবসার ওপর আল্লাহর রহমত নয়, বরং কুদরত ও লানত বর্ষিত হয়! বাহ্যিক চাকচিক্য হয়তো বাড়বে, কিন্তু ভেতরের শান্তি ও বরকত চিরতরে হারিয়ে যাবে।তাই আসুন, মানুষকে খুশি করার সস্তা হুজুগ বাদ দিয়ে আল্লাহকে খুশি করার চেষ্টা করি। বাবা-মা, মুরুব্বী বা আলেমদের দোয়া নিয়ে, হালাল উপায়ে ব্যবসা শুরু করি। রিজিক দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ!হ্যাসট্যাগ: #বিজনেস_টিপস #হালাল_রিজিক

Photos from Somsain uddin's post 17/05/2026

ধীরে হাঁটো পথিক পথ হারানোর চেয়ে ফুরিয়ে যাওয়ার দুঃখ বেশি:)

Photos from Somsain uddin's post 15/05/2026

অভিমান যখন
পাহাড় সমান, নিরবতাই তখন একমাত্র সমাধান...!

13/05/2026

প্রশ্ন : মানুষ কিভাবে দলকানা বা ব্যক্তিপূজারী হয়,
উত্তর :- সাধারণত অন্ধ আবেগ, যুক্তির অভাব, কোনো বক্তার আকর্ষণীয় বাচনভঙ্গি এবং তথ্য যাচাই না করার মানসিকতা থেকেই মানুষ এই ফাঁদে পা দেয়। ইসলামের দৃষ্টিতে কোনো বক্তার বক্তব্য শুনে সরাসরি প্রভাবিত হওয়ার আগে এই অন্ধ অনুকরণ বা ব্যক্তিপূজার মানসিকতা থেকে মুক্ত থাকা সবচেয়ে বড় জরুরি বিষয়। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন, "হে মুমিনগণ! যদি কোনো ফাসেক বা পাপাচারী তোমাদের কাছে কোনো বার্তা নিয়ে আসে, তবে তোমরা তা পরীক্ষা করে দেখবে" (সূরা আল-হুজুরাত, আয়াত: ৬)। বক্তা যতই জনপ্রিয় বা সুবক্তা হোন না কেন, শোনামাত্রই তার কথাকে পরম সত্য মনে না করে প্রথমে ঠান্ডা মাথায় তার তথ্যের উৎস এবং নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করতে হবে। বিখ্যাত তাবেয়ী ইমাম ইবনে সিরিন (রহ.) এ বিষয়ে কঠোর সতর্কবাণী দিয়ে বলেছেন, "নিশ্চয়ই এই ইলম (দ্বীনি জ্ঞান) হলো আপনার দ্বীন; অতএব, লক্ষ্য রাখুন যে কার কাছ থেকে আপনি দ্বীন গ্রহণ করছেন।" বক্তার আবেগঘন উপস্থাপনা, কান্না বা গলার আওয়াজে বিভ্রান্ত না হয়ে দেখতে হবে তার বক্তব্য পবিত্র কোরআন ও সহিহ হাদিসের অকাট্য দলিলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা। দ্বীনি বিষয়ে অন্ধ অনুকরণের কোনো স্থান নেই; তাই সমাজে ফিতনা ও উগ্রতা এড়াতে যেকোনো বক্তব্য শোনার পর বিবেক-বুদ্ধি খাটানো, দলিল খোঁজা এবং প্রয়োজনে অন্য প্রবীণ ও নির্ভরযোগ্য আলেমদের সাথে পরামর্শ করে সত্য-মিথ্যা নিশ্চিত হওয়াই ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা।

13/05/2026

একটা দল দ্বীনের বিধান এর ক্ষেত্রে কতটা পোন্টা হলে মসজিদ এর ভিতর বিয়ে না বিপ্লব স্লোগান দিতে পারে ?

Want your school to be the top-listed School/college in Cox's Bazar?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Moheshkhali
Cox's Bazar
4710