Emon Mohammad Morshed

Emon Mohammad Morshed

Share

মানুষ এত সহজে কোনো জিনিসই বিলিয়ে দেয় না, যত সহজে সে উপদেশ বিলিয়ে দেয় ।

Photos from Emon Mohammad Morshed's post 23/08/2024

অনেকে বলছে, যে বাঁধ না খুললে ভারতের ত্রিপুরা ডুবে যেতো, তারা বাধ্য হয়ে ছেড়েছে। পরে বাঁধ অটো ভেঙেই যেতো। তখন আরো বেশী ক্ষতি হত। তাই এখানে আসলে ভারতের দোষ নেই। চলুন এই কথাটার ফাঁকটা বুঝার চেষ্টা করি একটু।
নদী চলবে নদীর মত। এতে তারা বাঁধ দিল কেনো শুরুতেই? কারণ তারা বাংলাদেশকে পানি বঞ্চিত করে রেখেছিল এতদিন। নদীকে নদীর মত চলতে দিলে, নদীর গভীরতা এবং প্রশস্ততা ঠিক থাকতো। হঠাৎ বেশী পানি আসলেও নদী তা সহ্য করতে পারতো। পানি সহজে সমুদ্রে পৌছতো।
কিন্তু বাঁধ দেয়ার কারণে, বাংলাদেশের নদীগুলো শুঁকিয়ে খালের মত হয়ে গিয়োছে। পলি জমে অগভীর হয়ে গিয়েছে, জায়গায় জায়গায় চর জন্মেছে। এখন হঠাৎ পানি ছেড়ে দিলে এই অগভীর এবং চিকন নদীগুলো সেই পানি ধারণ করতে না পেরে আশেপাশের সব ডুবিয়ে দেয়। এবার বুঝেছেন আসল কাহিনী?
কোন লোক এখন ভারতের সাফই গাইতে আসলে, বা কোন ধানাই পানই করলে, যেমন ভারতের তো উপায় ছিল না, তাই বাধ্য হয়ে বাঁধ ছেড়েছে, ওরে চটকনা মেরে বলবেন, তাহলে বাঁধটা শুরুতে দিয়েছিল কেনো?
Photo just for reference:
Hoover Dam

22/08/2024

বাংলাদেশে বন্যা একটি প্রকট সমস্যা, যা দেশের কৃষি, অর্থনীতি এবং জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, ভারতের অনেক কার্যকলাপ এই বন্যার পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে এই বিষয়ে কিছু কারণ তুলে ধরা হলো:

১. উজানের পানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাঁধ নির্মাণ:
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং পশ্চিমবঙ্গে ব্রহ্মপুত্র, গঙ্গা, তিস্তা, মেঘনা, এবং অন্যান্য বড় বড় নদীর উজানে একাধিক বাঁধ, ব্যারাজ এবং জলাধার নির্মাণ করা হয়েছে। ভারতের এই নদীগুলি বাংলাদেশের মধ্যে প্রবেশ করে। ভারতের জলাধার এবং বাঁধ থেকে পানি ছেড়ে দিলে বাংলাদেশের নদীগুলিতে পানির স্তর দ্রুত বৃদ্ধি পায়, যা বন্যার কারণ হতে পারে। বিশেষ করে বর্ষাকালে, অতিরিক্ত পানি ছেড়ে দেওয়ার ফলে বাংলাদেশের অনেক অঞ্চল প্লাবিত হয়।

২. তিস্তা নদীর পানি বণ্টন সমস্যা:
তিস্তা নদী বরাবরই ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে একটি বিতর্কিত বিষয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে গজলডোবা ব্যারাজ নির্মাণের ফলে তিস্তা নদীর পানি প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এই কারণে শুষ্ক মৌসুমে তিস্তা নদীতে পানির স্তর অত্যন্ত কমে যায়, এবং বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত পানি ছেড়ে দেওয়া হলে বন্যার সৃষ্টি হয়।

৩. সেচ প্রকল্প ও পানি সংরক্ষণ:
ভারত তার সেচ প্রকল্পের জন্য এবং কৃষি জমিতে পানি সরবরাহের জন্য উজানের পানি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে। এর ফলে বর্ষাকালে এই পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে ব্যবহারের চেষ্টা করা হয়, কিন্তু বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি জমা হয়ে গেলে তা ছেড়ে দেওয়া হয়, যা বাংলাদেশের নিচু অঞ্চলে বন্যার সৃষ্টি করে।

৪. কৌশলগত বাঁধ ও ব্যারাজ ব্যবস্থাপনা:
ভারতের কিছু বাঁধ এবং ব্যারাজ এমনভাবে পরিচালিত হয়, যা বর্ষার সময়ে পানি ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এতে করে বাংলাদেশের নদী ও জলাশয়ে পানির চাপ বৃদ্ধি পায়। ভারতের একতরফা সিদ্ধান্ত এবং সমন্বয়ের অভাব বাংলাদেশের বন্যার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়।

৫. নদী পুনর্নির্মাণ এবং ভূমি ব্যবহার পরিবর্তন:
ভারত তার অভ্যন্তরীণ নদীগুলির পুনর্গঠন এবং ভূমি ব্যবহার পরিবর্তনের মাধ্যমে পানির প্রবাহের স্বাভাবিক গতিপ্রকৃতি পরিবর্তন করেছে। এর ফলে নদীর নিচের দিকে বাংলাদেশের অংশে জলস্তর অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ে, যা বন্যার কারণ।

৬. আন্তর্জাতিক নদী নীতি এবং সহযোগিতা অভাব:
ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে পানি বণ্টন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা ও চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও, বাস্তবায়ন এবং পরিচালনায় অসামঞ্জস্যতা দেখা যায়। ভারতের একতরফা পদক্ষেপ এবং সহযোগিতার অভাবে বাংলাদেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে ওঠেছে।

22/08/2024

🌟 স্বাগতম! 🌟

আপনাদের সকলকে পেইজে স্বাগতম! 🎉 আমরা খুবই আনন্দিত যে আপনি আমাদের সাথে যোগ দিয়েছেন। আমাদের পেইজে আপনি পাবেন বিভিন্ন রকমের তথ্য, আপডেট, সৃজনশীল পোস্ট, ইত্যাদি।

আমরা আশা করি, আপনারা এখানে এসে নতুন কিছু শিখতে ও উপভোগ করতে পারবেন। আপনার মন্তব্য, প্রশ্ন এবং মতামত আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই, বিনা দ্বিধায় আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন এবং আমাদের সাথেই থাকুন!

আপনার দিনটি সুন্দর হোক! ✨

Want your school to be the top-listed School/college in Cox's Bazar?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address

Chakaria
Cox's Bazar