abul hasanat jasim

abul hasanat jasim

Share

সাহিত্য, দাওয়াত ও দ্বীন এই তিনটির মধ্যে সম্পর্ক কায়েম থাকা প্রয়োজন।

12/11/2025

এক রূহানী আলোকপ্রভা

আলহামদুলিল্লাহ!
যিনি পাকিস্তানের প্রসিদ্ধ পীর, হযরত মাওলানা জুলফিকার আহমদ নকশেবন্দী (দামাত বারাকাতুহুম)-এর প্রিয় খলিফা ও মুরীদ — সেই মহান রূহানী ব্যক্তিত্ব, আমাদের প্রিয় শায়খ মোহাম্মদ (দা.বা.)।
তিনি নকশেবন্দিয়া সিলসিলার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যিনি আল্লাহর পথে মানুষকে আহ্বান করেন, আত্মার পরিশুদ্ধির মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্যে পৌঁছে দেন।
বাংলাদেশের অধিকাংশ আলেম, পীর ও আল্লাহওয়ালা ব্যক্তিত্ব তার নাম শ্রদ্ধাভরে উচ্চারণ করেন, অনেকেই তার হাতে বায়‘আত গ্রহণ করেছেন। এমনকি দেশের নামকরা অনেক সেলিব্রিটির হৃদয়ও তার রূহানী দৃষ্টিতে পরিবর্তিত হয়েছে।
আমি নিজেও— আলহামদুলিল্লাহ— তার পবিত্র হাতে বায়‘আত গ্রহণ করেছি। দিন দিন তার সোহবতে আমার অন্তর নরম হচ্ছে, ইলম ও আমলের পাত্র পূর্ণ হচ্ছে, রূহ সতেজ হচ্ছে।

একদিন তার বয়ানে তিনি এমন একটি ঘটনা শুনালেন যা আমার অন্তরকে নাড়া দিয়ে গেল।
তিনি বললেন—

“এক সফরে আমি সিরিয়ায় ছিলাম। সেখানে বিভিন্ন স্থানে আলেম, তালিবুল ইলম, সাধারণ মানুষ— সবার সঙ্গে সাক্ষাৎ হলো। আমি প্রত্যেককে এক প্রশ্ন করতাম:
‘এদেশে হানাফী বেশি, না শাফেয়ী?’
কেউ বলতেন— ‘শাফেয়ী’, আবার কেউ বলতেন— ‘হানাফী’।

কিন্তু আমি লক্ষ্য করলাম, তারা কেউ নিজেদের মাজহাবকে বড় করে দেখেন না। বরং অপর মাজহাবের অনুসারীদের সম্মান করেন, শ্রদ্ধা করেন। তাদের চরিত্র, তাদের বিনয়, তাদের আখলাক দেখে আমি অভিভূত হয়ে গেলাম।

অদ্ভুত এক সৌন্দর্য— তারা নিজেদের মতকে নয়, অপরের মতকে শ্রেষ্ঠ মনে করেন।”

এরপর শায়খ মোহাম্মদ (দা.বা.) একদিন সিরিয়ার একটি লাইব্রেরিতে গেলেন।
দেখলেন— সেখানে শুধু হানাফী মাযহাবের কিতাবাদি ছাপা হয়।
তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “আপনারা কি হানাফী?”
তারা উত্তর দিলেন, “না, আমরা তো শাফেয়ী মাযহাবের অনুসারী, প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাই।”

শায়খ অবাক হয়ে বললেন, “তাহলে হানাফী কিতাব কেন ছাপাচ্ছেন?”
তারা বিনম্র হেসে বললেন—

“আমাদের পূর্বপুরুষ আমাদের ওসিয়ত করে গেছেন, যেন আমাদের বংশে কেউ না কেউ হানাফী মাযহাবের খেদমত করে যায়। আমরা শাফেয়ী, তাই আমাদের দায়িত্ব— হানাফীদের জন্য কিছু করা। এভাবেই তো উম্মতের ঐক্য টিকে থাকে।”

সুবহানাল্লাহ!
কী বিশুদ্ধ মন!
কী হৃদয়স্পর্শী উদারতা!
যেখানে আমরা নিজেদের মতের বাইরে এক পা ফেলতেও সংকোচ করি, সেখানে তারা নিজেদের ভিন্ন মাজহাবের খেদমতে জীবন উৎসর্গ করছেন।

একবার ফকীহুল মিল্লাত হযরত মুফতি আবদুর রহমান (দা.বা.)-এর কাছে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করলেন,
“হযরত, বাংলাদেশে তো অনেকে নামাজে হাত উঠায় না। আবার কেউ কেউ উঠায়। এই নিয়ে বিতর্ক কেন? সালাফীদের বিরোধিতা করেন কেন?”

হযরত নরম স্বরে উত্তর দিলেন—

“আমরা তাদের বিরোধিতা করি, কারণ তারা বলে— যারা হাত না উঠায় তাদের নামাজ শুদ্ধ নয়।
অথচ শাফেয়ী মাযহাবে হাত উঠানো আছে, হানাফী মাযহাবে না উঠানোর দলীল আছে।
কিন্তু শাফেয়ী হানাফীর নামাজকে অশুদ্ধ বলেন না, হানাফীও শাফেয়ীর নামাজকে অশুদ্ধ বলেন না।
পক্ষান্তরে সালাফীরা শুধু নিজেদের মতকেই সঠিক বলে দাবি করে— এ কারণেই আমরা তাদের বিরোধিতা করি।”

আসলে আমাদের দেশে এক বড় রোগ ঢুকে গেছে—
যদি কেউ শাফেয়ী হয়, আমরা তাকে সন্দেহের চোখে দেখি;
যদি কেউ হানাফী হয়, তার প্রতি পক্ষপাত করি।
অথচ উভয়ই ইসলামের সুপ্রাচীন, সুপ্রতিষ্ঠিত মাজহাব।
সম্মান, সহনশীলতা, ভালোবাসা— এটাই প্রকৃত দ্বীনি রূহ।

আমরা ভুলে গেছি, “উম্মতের ঐক্য মতের মিল নয়, মননের বিশুদ্ধতায়।”
যদি কেউ আল্লাহর পথে, নবীর সুন্নাহর পথে থাকে— তবে সে আমাদের ভাই, সে আমাদের আপন।

10/07/2025

একটি পাঠ, একটি উপলব্ধি

আজকের আরবি ব্যাকরণের ক্লাসে একটি সহজ বিষয় পড়াচ্ছিলাম। মনে হচ্ছিল, বিষয়টি এতটাই সরল যে নিশ্চয়ই সবাই বুঝে ফেলেছে—বিশেষ করে মেধাবী ছাত্ররা তো নিশ্চয়ই।

কিন্তু ক্লাস শেষে আমি এক অপেক্ষাকৃত দুর্বল ছাত্রকে জিজ্ঞেস করলাম, “তুমি বুঝেছো?”
সে এক নিঃসংকোচ সরলতায় বলল, “বুঝি নাই।”

আমি কিছুটা থমকে গেলাম। এতো সহজ কথা সে বুঝেনি? অবাক হলেও মনে একধরনের দায়িত্ববোধ জেগে উঠল। আমি ধৈর্য নিয়ে আবার ব্যাখ্যা করলাম। এবার সে বুঝল। তার মুখে হাসি ফুটে উঠল—এক চুপচাপ ছাত্রের চোখে আনন্দের দীপ্তি।

সেই মুহূর্তে আমার মনে হলো, আমরা অনেক সময় কেবল মেধাবীদের মুখ দেখেই অনুমান করি যে সবাই বুঝেছে। অথচ যারা নীরবে বসে থাকে, প্রশ্ন করে না, তারাই সবচেয়ে বেশি অন্ধকারে রয়ে যায়।

আজ আমি শিখলাম, শিক্ষক হিসেবে আমার প্রশ্নটা হওয়া উচিত না, “তোমরা সবাই বুঝেছো?”
বরং জিজ্ঞেস করতে হবে তাদের, যারা লজ্জা পায়, দ্বিধা করে, চুপ থাকে।

কারণ শিক্ষকতা মানে শুধু বোঝানো নয়—বোঝাতে পারা। আর সেটাই সত্যিকারের আনন্দ, যখন আলো পৌঁছে যায় সেই স্থানে, যেখানে আগে ছিল শুধুই নীরবতা।

07/07/2025

আজকের এই দিনটি আমাদের জন্য যেমন আনন্দমিশ্রিত সম্মানের, তেমনি বেদনাবিধুর ও আবেগঘন। কেননা, আমাদের প্রিয় জামেয়া ইমাম মুসলিম রহ.-এর ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় সংযোজিত হয়েছে—যেখানে মদিনা মুনাওয়ারাহ থেকে আগত পাঁচ জন বরেণ্য শায়খ, যারা জ্ঞান, তাকওয়া ও হিকমাহর আলোকে উদ্ভাসিত, আমাদের মাঝে এক সপ্তাহ ধরে আরবি ভাষা ও বিশুদ্ধ আকিদাহর আলো ছড়িয়ে দিয়ে গেছেন।

তাদের পবিত্র আগমনে আমাদের প্রাঙ্গণ যেন হয়ে উঠেছিল এক টুকরো হারানো মদিনা—যেখানে প্রতিটি ক্লাসে, প্রতিটি শব্দে, তাদের কথার গভীরতায় ও অনুপ্রেরণায় আমরা যেন অনুভব করছিলাম নববী মসজিদের কোনো হালকায় বসে আছি। তারা কেবল ভাষা শেখাননি, বরং আমাদের অন্তরকে জাগিয়ে তুলেছেন, চিন্তার গভীরে পোঁছানোর তাওফিক দিয়েছেন।

আর আজ, সেই পবিত্র সফরের সমাপ্তি লগ্নে এসে দাঁড়িয়েছি আমরা। তাদের বিদায়ের এ মুহূর্ত যেন এক পৃষ্ঠা বন্ধ করে দেওয়া একটি সুন্দর অধ্যায়ের। হৃদয় ভারাক্রান্ত, চোখের কোনে যেন অশ্রু জমে ওঠে—তবুও কৃতজ্ঞ হৃদয়ে বলি:

يا شيخنا الفضلاء، جزاكم الله خيراً
হে আমাদের প্রিয় শায়খগণ! আল্লাহ আপনাদের উত্তম প্রতিদান দিন। আপনারা যে জ্ঞান, যে আন্তরিকতা, যে সময় আমাদের জন্য ব্যয় করেছেন—তা চিরকাল আমাদের স্মৃতিতে জ্বলজ্বল করবে। আপনাদের প্রতিটি উপদেশ, প্রতিটি তাকরীর, আমাদের অন্তরে বীজ বপন করেছে ঈমান ও তাওহিদের।

আপনাদের এ সফর ছিল আমাদের জন্য এক ‘রহমতের বৃষ্টি’। আপনারা চলে যাচ্ছেন, কিন্তু রেখে যাচ্ছেন দিকনির্দেশনার দীপ্ত মানচিত্র, আলোকিত পথ।

আজ আমরা যখন আপনাদেরকে বিদায় জানাচ্ছি, তখন মুখে হাসি থাকলেও হৃদয়ে চাপা কষ্ট, এক নির্মল বিষাদের ছায়া। তবে এই আশাবাদ নিয়েই আপনাদেরকে বিদায় দিচ্ছি—

إن شاء الله اللقاء في دار السلام، في جنات عدن عند حوض النبي ﷺ.

আপনাদের সাথে আবার দেখা হবে—এই দুনিয়ায় হোক বা জান্নাতে নবীজীর (ﷺ) হাউজে কাওসার তীরে।

শেষে এই দোয়া করি:
আল্লাহ আপনাদের হিফাযত করুন, আপনাদের ইলমে আরও বরকত দান করুন, এবং আমাদের এই জামেয়াকে দিনদিন মদিনার আলোকে উদ্ভাসিত করুন।

والسلام عليكم ورحمة الله وبركاته

03/06/2025

ছাত্রটি তাহেলী ক্লাসের, বাড়ি নাইক্ষ্যংছড়িতে। তার চলাফেরা, আচরণ, উঠাবসা—সব কিছুতেই এক ধরনের ভিন্নতা আছে, যেন সে অন্য সহপাঠীদের থেকে আলাদা এক সৌম্যসত্তা। ছোট্ট এই ছেলেটির মধ্যে এক অপূর্ব ভদ্রতা লক্ষ্য করা যায়, মাশাআল্লাহ! তাকে দেখলেই মনে হয়, তার পিতা-মাতাও নিশ্চয়ই সদাচার ও শিষ্টাচারে পরিপূর্ণ।

একদিন এক মেহমানকে বরণ করার সময় সে যে সংগীতটি পাঠ করল, তা হৃদয় ছুঁয়ে গেল। সংগীতটির প্রতিটি ছন্দ, প্রতিটি উচ্চারণ যেন হৃদয়ের গভীরে এক ধরনের প্রশান্তি ঢেলে দিল। তার কণ্ঠে সেই সংগীত শুনে আমার অন্তর আনন্দে আন্দোলিত হয়ে উঠল।

তাই খেলাধুলার সময়, আসরের নামাজের পর, যখন সে অন্যান্য ছাত্রদের সঙ্গে খেলায় মেতে ছিল, আমি তাকে একপাশে ডেকে এনে সেই সংগীতটি রেকর্ড করে রাখি। যেন এই অপূর্ব মুহূর্তটি সংরক্ষিত থাকে, যেন সবাই শুনতে পারে তার কোমল কণ্ঠে উচ্চারিত সেই হৃদয়গ্রাহী বাণী।

সকলের কাছে দোয়া চাই, যেন আল্লাহ পাক তাকে কবুল করে নেন, তাঁকে বানিয়ে দেন ইলম ও হিকমতের এক উজ্জ্বল প্রদীপ—যেমন ছিলেন শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলবী (রহ.)। আল্লাহ তাআলা তার ভবিষ্যৎকে হিফাযত করুন এবং দ্বীনের খেদমতে কবুল করুন। আমিন।

02/06/2025

জামাআতে শাশুমের ছাত্রদের নিয়ে আজ ছিল আরবি সাহিত্যের ক্লাস। পাঠদান চলছিল নিজস্ব গতিতে, হঠাৎ এক ছাত্র ফিকহ সংক্রান্ত একটি মাসআলা জিজ্ঞেস করল। প্রশ্নটি ছিল হালকা নয়—বরং এমন এক প্রসঙ্গ, যা শুনেই অন্তরে একপ্রকার আলোকময়তা অনুভব করলাম।
আমি এক মুহূর্ত থেমে তার দিকে তাকালাম, তারপর বললাম—
“তোমার এই প্রশ্নে আমি আপ্লুত। তুমি জানো না, কী গভীর প্রশান্তি আমি অনুভব করি যখন কেউ ফিকহ নিয়ে জানতে চায়। ফিকহ আমার কাছে শুধু একটি জ্ঞানশাখা নয়, বরং কোরআন ও সুন্নাহর বর্ণিত জীবনব্যবস্থার সূক্ষ্ম অনুবাদ। ফিকহ মানে আল্লাহর হুকুমকে বুঝে জীবন সাজানো—আর সে চেষ্টায় আমি আত্মার এক ধরনের পুলক খুঁজে পাই।”

এই মুহূর্তে আমি ছাত্রদের দিকে তাকিয়ে আরও বললাম—
“জানো, আমি জীবনে কাউকে কখনো আরবি ভাষা বিভাগে ভর্তি হতে বলিনি—না কোনো ছাত্রকে, না কোনো বন্ধু বা সুহৃদকে। কারণ, ভাষা নিজে একা গন্তব্য নয়, ভাষা হলো সেই সেতু—যার মাধ্যমে আমরা পৌঁছাই কোরআনের আয়াত ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিসের বাণীতে।
তোমাদের বলছি, ভাষা শেখো ঠিকই, কিন্তু শেখো সেই হৃদয় নিয়ে, যে হৃদয় ফিকহের গভীরতা ছুঁতে চায়, কোরআনের আহ্বান বুঝতে চায়, এবং হাদিসের ভাষ্যে নিজের পথ খুঁজে পেতে চায়। আমি নিজে কোরআন, হাদিস ও ফিকহকে জীবনের মূলভিত্তি মনে করি, এবং চাই—তোমরাও এই মহান চর্চার সাথী হও।”

ছাত্ররা নিঃশব্দে শুনছিল। তাদের চোখেমুখে জিজ্ঞাসা ছিল না, ছিল একপ্রকার গভীর শ্রদ্ধা। মনে হচ্ছিল, মুহূর্তটি যেন থেমে গেছে কিছুটা—আলো আর উপলব্ধির এক স্নিগ্ধ ছায়ায়।

এমন সময়ে একজন শিক্ষক বুঝতে পারেন—তাঁর কথা শুধু শ্রবণ নয়, বোধের গভীরে পৌঁছেছে।

25/05/2025

৯ম পার্ট|
আরবি ভাষার গভীর সৌন্দর্য উন্মোচনে

আরবি ভাষায় ব্যবহৃত কিছু জটিল, অথচ গভীর তাৎপর্যময় ছয় থেকে সাতটি শব্দের বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে এই পর্বে। প্রতিটি শব্দ যেন এক একটি জ্ঞানরশ্মি, যা তালিবুল ইলমদের হৃদয়ে আলোর দ্যুতি ছড়াবে।

এই ব্যাখ্যাগুলো শুধুই শব্দ বিশ্লেষণ নয়—এ এক আত্মিক অনুধাবনের যাত্রা, যা ইলমের অন্বেষণে সহায়ক হবে ইনশা আল্লাহ।

ভিডিওটি নিজে মনোযোগ দিয়ে দেখুন এবং অন্যদের সাথেও শেয়ার করুন ইলমের বারতা ছড়িয়ে দেওয়ার নিয়তে।

#ইলমেরপ্রসার #আরবিভাষা #তাফসীর #ইসলামিকজ্ঞান #আরবিশব্দবিশ্লেষণ #ইসলামিকশিক্ষা

21/05/2025

৭ম পর্ব: আরবি ভাষায় ব্যবহৃত জটিল শব্দের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ

আজকের পর্বে আমরা বিশ্লেষণ করেছি প্রায় ১০-১২টি গুরুত্বপূর্ণ আরবি শব্দ, যেগুলোর সঠিক অর্থ ও প্রয়োগ জানা প্রতিটি আরবি শিক্ষার্থীর জন্য অপরিহার্য। এই শব্দগুলো দৈনন্দিন পাঠ, ব্যাকরণ এবং ভাষার গভীরতা অনুধাবনে বিশেষ সহায়ক।

যেমন:
آحاد, آخر, آخران, آخرون, أواخر, أخرى, أخريان, أخريات, أخر
এ সমস্ত শব্দের পার্থক্য, ব্যাকরণিক ব্যবহার ও প্রাসঙ্গিক উদাহরণসহ বিস্তারিত বিশ্লেষণ রয়েছে আজকের ভিডিওটিতে।

এই ভিডিওটি প্রত্যেক তালিবুল ইলম-এর জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়। জ্ঞানের এই আলোকবর্তিকা যেন আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে যায়, তাই আপনার নিকট অনুরোধ—ভিডিওটি নিজে দেখার পাশাপাশি শেয়ার করুন, যাতে অন্যরাও উপকৃত হতে পারে।

জ্ঞান ছড়িয়ে দিন, আলোর পথ উন্মুক্ত করুন।
اللهم زدنا علماً

17/05/2025

৬ষ্ঠ পর্ব
তিন-চারটি আরবি ভাষার কঠিন শব্দের নাহু ও বালাগাত শাস্ত্রের আলোকে ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ

আরবি ভাষা কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং এটি এক সমৃদ্ধ সাহিত্য ও শৈলীর উৎস। এ ভাষার প্রতিটি শব্দের পেছনে লুকিয়ে আছে ইতিহাস, অলংকার ও গভীর তাৎপর্য। এ পর্বে আমরা আলোচনা করব তিন-চারটি বাছাইকৃত কঠিন আরবি শব্দ—যেগুলোর শাব্দিক গঠন, নাহুবিদ্যার নিয়ম এবং বালাগাতশাস্ত্রের রসালো দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করা হবে।

নাহু (ব্যাকরণ) আমাদের শেখায় কিভাবে শব্দের সঠিক স্থান ও রূপ নির্ধারণ করতে হয়, আর বালাগাত (অলংকারশাস্ত্র) শেখায় শব্দের সৌন্দর্য, প্রভাব ও আবেগ কিভাবে ফুটিয়ে তোলা যায়। এই বিশ্লেষণ তালিবে ইলমদের জন্য জ্ঞানের দরজা খুলে দেবে ইনশাআল্লাহ।

আশা করি—প্রিয় তালিবে ইলমগণ—আপনারা ভিডিওটি মনোযোগ দিয়ে দেখবেন, নিজে উপকৃত হবেন এবং হক ও হিদায়াতের এই আলোকধারা অন্যদের মাঝেও ছড়িয়ে দেবেন।

জ্ঞান অর্জন করুন, চিন্তার দিগন্ত প্রসারিত করুন, হেদায়েতের আলোকে জীবন আলোকিত করুন।

16/05/2025

পার্ট – ৫ | আরবি ভাষার শিক্ষার্থীদের জন্য

আমাদের استقرائي طلب অনুসন্ধানে, আলিফ নাহু ও বালাগাত শাস্ত্রে ৬টি ভিন্ন প্রকারে পাওয়া যায়।
সেগুলো হলো:

1. ضمير متصل

2. علامة لرفع المثنى

3. بدلاً من نون التوكيد الخفيفة

4. بدلاً من نون النصب

5. حرف تفريق

6. حرف إطلاق

এই ভিডিওতে প্রতিটি প্রকারের উদাহরণসহ সহজভাবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছি।

ভিডিওটি শেয়ার করুন, যেন অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও উপকৃত হতে পারে।

#আরবি_শিক্ষা

15/05/2025

৪ পার্ট | তালেবুল ইলমদের প্রতি নিবেদিত
আরবি ভাষায় ব্যবহৃত হামযায়ে ইস্তেফহাম-এর অধিক অর্থে ব্যবহৃত তিনটি অর্থের বিশ্লেষণাত্মক ব্যাখ্যা।
আশা করছি এলমের প্রসারের লক্ষ্যে ভিডিওটি শেয়ার করবেন এবং তালেবুল ইলম ভাই-বোনেরা উপকৃত হবেন ইন শা আল্লাহ।

#আলিমহওয়ারপথে #তালেবুলইলম

14/05/2025

৩ পার্ট
তালিবে ইলম ভাই ও বোনদের প্রতি—

আলোচ্য এই পর্বে আমরা গুরুত্বের সাথে আলোকপাত করেছি নাহু ও বালাগত শাস্ত্রের আলোকে হামজাহ-এর ব্যবহারের ওপর। এ দুই শাস্ত্রে হামজাহ কীভাবে বিবেচিত হয়েছে, তার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা ও প্রাসঙ্গিক দৃষ্টান্ত আমরা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি—নির্ভরযোগ্য সূত্রের আলোকে এবং যতটা সম্ভব সহজবোধ্য রূপে।

আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াসের মূল লক্ষ্য একটিই—তালিবে ইলমদের সামনে ভাষাগত এই সূক্ষ্ম বিষয়টি স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করা, যেন তারা এর গভীরতা অনুধাবন করতে পারেন এবং নিজেদের ভাষাজ্ঞানকে আরও সুদৃঢ় করে তুলতে সক্ষম হন।

এই জ্ঞানমূলক আলোচনাটি আপনার প্রিয়জনদের সাথেও শেয়ার করুন।
আর যদি কোথাও কোন ভুল-ত্রুটি আপনার দৃষ্টিতে আসে, তবে ভ্রাতৃত্ববোধ থেকে তা শুধরে দেওয়ার বিনীত অনুরোধ রইল।

ইনশাআল্লাহ, আমরা সবাই একে অপরের সহযাত্রী হয়ে সত্য ও জ্ঞানের পথে অগ্রসর হতে পারব।

Want your school to be the top-listed School/college in Cox's Bazar?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Co'xbazar
Cox's Bazar