16/02/2022
Cox's bazar MATS Students
MATS means Medical assistant training school
16/02/2022
ঈদ মোবারক।
পবিত্র ঈদ উল ফিতর সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। আমাদের সবার আগামী হোক নিরাপদ, সুন্দর ও শান্তির। বিশ্ব হোক পরিচ্ছন্ন, ও বর্নিল আনন্দময়।
আপনি ও আপনার পরিবারের সকলের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
🌷 যে টেস্টের রিপোর্ট দেখলেই বিরক্তি উদ্রেক হয় সেটা widal test. বিশেষ করে গ্রাম-গঞ্জে এমনকি শহরেও হর হামেশা শুধু এই টেস্ট দিয়েই অনেকে টাইফয়েড (entetic fever) ডায়াগনোসিস করেন, বিশেষ করে হাতুড়ে শ্রেণী! সে এক বিচিত্র কারবার! যদিও অনেকে জানে যে এটি non specific টেস্ট, তবুও সেটি বিলুপ্ত না হয়ে এখনো বহাল তবিয়তে টিকে আছে কিছু মানুষের কল্যাণে! widal test এর মাধ্যমে salmonella তে যে H antigen (flagellar) ও O antigen (somatic) ডিটেক্ট করা হয় তেমন এন্টিজেন আরো অনেক ব্যাকটেরিয়ার আছে, যার ফলে প্রায়ই এটা false positive রেজাল্ট দেয়?
🌱 Enteric fever কেন বলে?
🍂 বলা হয় এই জন্য - এই fever এর জীবাণু বসবাস করে বিভিন্ন প্রাণীর enteron (gut) এ, ছড়ায় enteron থেকে অর্থাৎ feco oral রুটে, এটাক করে প্রথমে enteron কে, আর enteric symptoms ই বেশি থাকে!
🍂 Enteric fever এর কারণ দুটো Bacteria:
> Salmonella Typhi - টাইফয়েড
> Salmonella Paratyphi A & B - প্যারাটাইফয়েড
এরা আক্রমণ করলেই যে fever হবে বিষয়টা এমন না। তারা gut mucosa ক্রস করে যদি সিস্টেমে আসে, অর্থাৎ invasive salmonella হয় তবেই fever হবে। সব salmonella strain কিন্তু invasive না, যারা invasive তাদের এটাকের ১০-১৪ দিন পর সাধারণত জ্বর আসে, তাই এটাই তাদের incubation period.
🍂 ব্যাকটেরিয়া gut থেকে system এ এসে সংখ্যাবৃদ্ধি করে - হয় bacteraemia, আর এরপরই fever. ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা যত বাড়তে থাকে - জ্বর ও তত বাড়তে থাকে। আর এ কারণেই typhoid fever হয় step ladder প্যাটার্নের এবং continuous fever, অর্থাৎ জ্বর আস্তে আস্তে ৪-৫ দিন ধরে বাড়তে থাকে (insidious), আবার আস্তে আস্তে কমতে থাকে!
এই জ্বরে bacteraemia এত বেশি হয় যে neutrophil গুলো তাদের সাথে পেরে ওঠে না, ফলে neutrophil মরতে মরতে সংখ্যা কমতে থাকে - তাই রক্তে হয় neutropenia, আর পায়খানার সাথে যায় leucocytes.
জ্বরের সাথে malaise, headache, myalgia বিশেষ করে limb pain এসব থাকে.
রোগের শুরুতে প্রথম সপ্তাহে আমরা তাই এসব symptoms পাবো, প্লাস CBC তে neutropenia পাবো, প্লাস যেহেতু bacteraemia যেহেতু blood culture পজিটিভ হবে!
🍂 প্রথম সপ্তাহ শেষে ব্যাকটেরিয়াগুলো রক্তে ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে যাবে, ফলে তৈরি হবে bacterial emboli - যারা superficial capillary ব্লক করে Rose Spot rash করবে, সাথে করতে পারে epistaxis.
যেহেতু ব্যাকটেরিয়ারা ক্লান্ত, তাই বিশ্রাম নিতে তারা তারপর আশ্রয় নেবে শরীরের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষ করে lymphoid tissue গুলোতে। lymphoid tissue সবচেয়ে বেশি থাকে intestine এ Peyer's patch ও lymphoid follicle হিসেবে। যেখানে ব্যাকটেরিয়া আশ্রয় নেওয়ার ফলে সেগুলো ফুলেফেঁপে উঠে। ileocecal junction এর lymphoid follicle গুলো ফুলে উঠায় পায়খানা আর সহজে বের হতে পারে না, হয় constipation.
কিন্তু ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে lymphoid follicle গুলো ততটা developed না, তাই সেগুলো ফুলে উঠে constipation হওয়ার চান্স নাই, অর্থাৎ শিশুদের constipation হয় না।
বড়দের constipation এর পর এবং শিশুদের শুরুতেই ব্যাকটেরিয়াগুলো intestinal mucosa কে নষ্ট করা শুরু করে, হয় mucosal ulceration - যার ফলে mucosa এর absorptive power ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ফলে হল diarrhoea ও vomiting.
ডায়রিয়া শুরু হলে ব্যাকটেরিয়াগুলো পায়খানার সাথে বাইরে বের হতে শুরু করে, ফলে stool culture পজিটিভ হয়।
আর এ কারণেই টাইফয়েডের শুরুর দিকে blood culture পজিটিভ হলেও, stool culture পজিটিভ হয় পরের দিকে, তারও বেশ পরের দিকে কিছু ব্যাকটেরিয়া urine এর সাথে বের হয় - হয় পজিটিভ urine culture.
mucosal ulceration খুব গভীর হলে হতে পারে intestinal perforation ও haemorrhage.
আমরা জানি spleen ও একটা lymphoid organ, তাই ব্যাকটেরিয়াগুলো সেখানেও যায় বিশ্রাম নিতে - হয় splenomegaly, হাত দিয়ে palpate করা যায়।
🍂 বিশ্রাম শেষ হলে দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষের দিকে ব্যাকটেরিয়াগুলোতাদের পূর্ণ শক্তি নিয়ে সদলবলে বের হয় আবার সিস্টেমকে আক্রমণ করতে! ফলাফল ভয়াবহ, করে অসংখ্য titis - nephritis, myocarditis, cholecystitis, osteomyelitis, meningitis, etc. ফাইনালি coma & death!
এটা মনে করার কোন কারণ নেউ যে complication শুধু দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষেই হবে। যদি প্রথম সপ্তাতেই bacteraemia মাত্রাতিরিক্ত হয়, complications তখনও হতে পারে!
তবে সুখের বিষয় হল, এতসব complications কিছুই হবে না যদি সময়মত রোগ ধরে চিকিৎসা করা যায়।
🌱 প্যারাটাইফয়েড কি?
🍂 টাইফয়েড এর মতই, শুধু পরিমাণে অল্প। যেমন- অল্প সময়ে প্রকাশ পায়, অল্প জ্বর, অল্প কমপ্লিকেশন, অল্প দিনে ভাল হয়। শুধু একটা জিনিস বেশি, আর তা হল Rose spot rash.
🌱 রোগ ধরবো কিভাব?
🍂 সেসব কিন্তু অলরেডি পড়া হয়ে গেছে!
sign symptoms কি থাকবে জেনেছি। খাবার দাবার পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার হিস্ট্রি নিতে পারি।
আর টেস্ট-
প্রথমে CBC, Blood Culture.
পরে Stool Culture.
তারও পরে প্রয়োজনে Urine Culture.
🌱 চিকিৎসা কি হবে!
🍂 এখানেও সেই পুরান কাসুন্দি! অনেকেই যা দিয়ে শুরু করেন তা হল Ceftriaxone বা Cefotaxime. খুবই কার্যকর, কিন্তু এগুলো দেয়া মানে শুরুতেই মশা মারতে কামান দাগার মত অবস্থা! কারণ salmonella হল গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া। তাই শুধু তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর এমন এন্টিবায়োটিকই যথেষ্ট, যেমন-
> Chloramphenicol (আজকাল দেওয়া হয়না, bone marrow suppression, aplastic anaemia, hypersensitivity reaction করে)
> Co-trimoxazole (এটাও আজকাল দেওয়া হয়না, sulphur আছে তাই অনেক বেশি hypersensitivity reaction করে)
> Ampicillin (এটাও দেওয়া হয়না, আগে দেওয়া হত। দু একটা কোম্পানির আছে)
> Ciprofloxacin (খুবই কার্যকর, কিন্তু ইচ্ছেমত খাওয়ায় অনেকের ক্ষেত্রেই রেজিস্ট্যান্ট)
> Azithromycin (Ciprofloxacin রেজিস্ট্যান্ট হলে এটা দেয়া হয়, তবে খুব একটা কার্যকর না)
> Cefixime (আজকাল বেশ ব্যবহার হচ্ছে। বেশ কার্যকর, আর injectable Ceftriaxone এর একটা ভাল বিকল্প third generation cephalosporin এটি. orally দেয়া যায়। তবে মনে রাখতে হবে, Cefixime এর সাধারণ ডোজ 8mg/kg/day হলেও - enteric fever এ এর ডোজ 20mg/kg/day)
★ ওষুধ দিতে হবে ১৪ দিন!
🌿 চিকিৎসা শেষে রোগী এখন সুস্থ, তবে একটা ঝামেলা আছে! এ ঝামেলা সবার ক্ষেত্রে না, ৫% রোগীর ক্ষেত্রে বিশেষ করে যাদের cholecystitis ডেভেলপ করে তাদের GB এর মধ্যে Salmonella ঘাপটি মেরে বসে থাকে। যদিও রোগীর কোন ক্ষতি করে না, তবে তার পায়খানার সাথে অল্প অল্প করে বাইরে বের হতে থাকে। অর্থাৎ রোগী অন্যদের জন্য chronic carrier হিসেবে কাজ করে। এক্ষেত্রে রেজিস্ট্যান্স না থাকলে ১ মাসের জন্য ciprofloxacin দিলে ভাল ফল পাওয়া যায়, বা যেসব এন্টিবায়োটিক bile এ বেশি secretion হয় যেমন cefoperazone দিলে GB salmonella মারা যেতে পারে। এতেও কাজ না হলে cholecystectomy করতে হয়!
🌿 Prevention is better than Cure, এই নীতিতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে, ভালভাবে হাত ধুতে হবে, স্যানিটারি ল্যাট্রিন ব্যবহার করতে হবে, খাবার ঠিকভাবে রান্না করতে হবে, বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে, তবেই অনেক ভাল থাকা যাবে।
পাশাপাশি এর কিছু vaccine ও আছে যা ২ বছরের পর থেকে দেওয়া যায়। polio, influenza এর মত typhoid এর vaccine ও দু ধরণের - live & killed. একবার নিলে ২-৩ বছরের জন্য ভাল থাকা যায়। অনেক দেশেই টাইফয়েড নির্মূল হয়েছে, তারা আমাদের মত টাইফয়েড প্রবণ দেশে আসার আগে শরীরে vaccine দিয়ে আসে। আশা করছি ঠিকঠাক হাইজিন মেইন্টেইন করতে সক্ষম হলে একদিন আমরাও enteric fever মুক্ত হব! ধন্যবাদ 🙂
Blog Writer : Dr. Kawsar (DMC)
করোনার এন্ট্রি পয়েন্ট ৫ টা,
দুই চোখ
দুই নস্ট্রিল ( নাকের ছিদ্র)
মুখ
২+২+১= ৫
আমাদের প্রথমেই খেয়াল রাখতে হবে, এই ৫ টা এন্ট্রি যেনো আমরা সুরক্ষায় রাখি,,
বন্ধ রাখি ত বলতে পারবো না। কারন চোখ দিয়ে দেখতে হবে, নাক দিয়ে নিশ্বাস নিতে হবে, এবং মুখ দিয়ে কথা বলতে হবে, খেতে হবে।
তাই সুরক্ষা করতে হবে।
গগলস পড়বেন, ppe র অরিজিনাল গগলস পাওয়া যাবে না, তাই স্পোর্টস এর দোকান থেকে সাতারের গগলস টা পাওয়া গেলে ভালো।
মুখে n95 mask, কিন্তু তাও available না, তাই সার্জিক্যাল মাস্ক দুইটা এক সাথে পড়তে হবে। টাইট ফিটিংস করে।
যার সাথে কথা বলবেন মিনিমাম ১ মিটার দুরত্ব বজায় রাখবেন ( ডাক্তার দের জন্য হাসপাতালে এটা ফলো করা কঠিন)
হাতে গ্লাভস পড়বেন। এই গ্লাভসে বার বার সেনিটাইজার দিয়ে ক্লিন রাখবেন।
গ্লাভস যদি নাও পড়েন তারপরও ঘন্টায় ঘন্টায় বা সুযোগ পেলেই বা কোন কিছু টাচে গেলেই হাত সাবান দিয়ে ধোবেন ( সাবান লাগতে লাগতে হাতে ফোস্কা পড়লেও কিছু করার নাই, লাংসে ফোস্কা পড়া থেকে হাতে ফোস্কা পড়া ভালো)
কোন মতেই হাত মুখে যাবেনা, দেখা যায় আমরা বাংগালী রা যখন তখন হাত মুখে নিই। নাকে ত দিনে ৫০ বার গুতাই। এই অভ্যাস এই চান্সে বদলে ফেলতে হবে।
অনিচ্ছা সত্ত্বেও হাত মুখে, নাকে চোখে যায়। ড্রপলেট হাতে থাকলে, আর সেই হাত পরিস্কার না থাকলে ওই ড্রপলেট হাত দিয়ে নাক চোখের মাধ্যমে লাংসে যাবেই,,এটা ১০০% শিউওর থাকেন। তাই হাত মুখে নাকে চোখে নেয়া নিষেধ ( খাবারের সময় ছাড়া, তাও হাত ভালো করে ধুয়ে)
হাত চোখে মুখে না নেয়ার এক্টা টেকনিক ফলো করতে পারেন। l দুই হাতের elbow তে, মানে কুনুইয়ের ভাজে ছোট ছোট বোতল, বা ছোট হেক্সিসলের বোতল, বা ঔষুধের বোতল বেধে রাখুন টাইট করে,, তারপর হাত ভাজ করুন,, শত চেষ্টাতেও হাত মুখে যাবেনা,, ট্রাই করে দেখুন, এখনোই।
আমাদের স্কিন হচ্ছে ন্যাচারাল বেরিয়ার, তাই স্কিন পরিস্কার, সাবান দিয়ে ধুলেই হবে, যতক্ষন পর্যন্ত না স্কিন থেকে হাত দিয়ে ড্রপলেট নাকে মুখে চোখে যায়,,,
বাইরে থেকে বাসায় ফেরার সাথে সাথে জুতা বাইরে রাখবেন, সোজা বাথরুম যাবেন, কাপড় চোপড় বদলে ফেলবেন, ধুইতে দিবেন, হাত পা সাবান দিয়ে পরিস্কার করবেন,,, বেটার হয় গোসল করলে।
দুই চোখ, দুই নস্ট্রিল, এক মুখের সুরক্ষা করুন, হাত সাবান দিয়ে পরিস্কার করুন
কাপড় চোপড়, পরিস্কার রাখুন,
দরকারী কাজ বা অফিস কাজ শেষ করে যত টা সম্ভব বেশি বাসায় অবস্থান করুন।
আপাতত অসামাজিক হোন, মানে সমাজ এড়িয়ে চলুন,,,
সমাজ থেকে দুরে থাকুন,, করোনা আপনার কাছ থেকে দুরে থাকবে।
মা, চাচী, খালা, কাকী ফুফু, মাসি পিসিদের প্রতি অনুরোধ, নিজের ওড়না না, মাস্ক দিয়ে মুখ ঢাকুন, কারন ভাইরাস টা আপনার ভাসুর না যে ওড়না দিয়ে মুখ ঢাকবেন ,,, এটা করোনা,,,,, করোনা ভাইরাস,,,,,
যারা টং ঘরে চা খাওয়ার জন্য ব্যাকুল, তাদের জন্য উপদেশ,,আপাতত বাসায় মা অথবা বোন অথবা বউ, নিদেন পক্ষে বুয়ার হাতের চা খান,,, নহেতু একদিন তাও জুটবে না,,
যারা chill করতে না পেরে দুঃখিত তারা আপাতত বাসায় ঝিমান, তা না হলে দোজখের ফেরেস্তারা চিলিং মুডে বসে থাকবে আপনার অপেক্ষায়।
আর যারা ডাক্তারদের গালি দেন, তারা গালি অব্যাহত রাখুন, কারন আপনাদের গুরু সাবেক এম পি গোলাম মাওলা রনি বলেছেন,
চোখ দিয়ে করোনা ভাইরাস রুগি চেনা যায়,,,,,,!!"
so, continue,,,, স্বয়ং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও এই পাগল রে সহ্য করতে পারেন নাই,,, আমরা ডাক্তার রা কোন ছার!!!!
কথা হলো পাগলা গারদের তালা টা খুলছে কে 🤨🤨??
স্বত্বঃ Syed Ohidul Hoque
#করোনাভাইরাস
কি করা উচিৎ,কি করা উচিৎ নয়❓
১. COVID-19 কী?🔴
COVID-19 ভাইরাসের নাম না। রোগটির নাম। Corona Virus Disease 2019. ফুসফুসে ভাইরাসটির সংক্রমণ হলে এই রোগ হয়।
২. তাহলে ভাইরাসের নামটা কী?
Severe acute respiratory syndrome corona virus 2(SARS-CoV-2).
৩. এটা কী একেবারে নতুন একটা ভাইরাস?
না, করোনা ভাইরাসের বাকি ভাইবোনেরা বহু হাজার বছর ধরে এই পৃথিবীতেই থাকে। তাদের মধ্যে ছয়টি মানুষের শরীরে রোগ বাঁধায়, বাকিরা পশুপাখিদের শরীরে।
এই ভাইরাসটিকে একেবারে নতুন বলা যাবে না। এর জিনের বেশ কিছুটা বাদুড়ে সংক্রমিত একরকমের করোনা ভাইরাসের সাথে মেলে।
৪. করোনা ভাইরাস ছড়ায় কী ভাবে?💠
ভাইরাসটি প্রথম ছড়ানো শুরু করে চিনে হ্যুয়ান প্রদেশের একটি মাছ আর মাংসর বাজার থেকে(ধারনাকৃত)। তারপর থেকেই দেখা যায় যে মানুষ থেকে মানুষের মধ্যেও ছড়াচ্ছে। কী ভাবে এইটা হয় বলি-
ক. সংক্রমিত ব্যক্তি হাঁচলে বা কাশলে তার কফে বা লালায় লেগে থাকা ভাইরাস ছড়িয়ে পরে মোটামুটি ৩ ফুটের দূরত্বে থাকা মানুষের মধ্যে।
খ. সংক্রমিত ব্যক্তির সাথে খাবার শেয়ার করলেও এটা হতে পারে। লালার মাধ্যমে ছড়াতে পারে ভাইরাস।
গ. সংক্রমিত পশুর শরীর থেকেও ছড়ায়। 🕷
৫. চিন থেকে একটা পার্সেল এসেছে আমার নামে? নেব নাকি নেব না?🈳🈴
করোনা ভাইরাসের বাঁচার জন্য যে পরিবেশ লাগে তা মানুষ বা পশুপাখির শরীর ছাড়া পাওয়া যাবে না। তবে এই ভাইরাস সারফেস অনুযায়ী কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘন্টা অবধি বাঁচতে পারে। আপনি কোন ডিসইনফ্যাক্ট্যান্ট দিয়ে পার্সেলের গাটা মুছে নিতে পারেন আগে। তারপরে ভাল করে হাত ধুয়ে নেবেন।
ভাল করে রান্না করা পশুপাখির মাংস আর ফ্রোজেন খাবারে করোনা ভাইরাস থাকার সম্ভাবনা শূন্য।
৬. কী ভাবে তাহলে এই সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচব আমি?🙄
ক. সাবান আর জল দিয়ে ভাল করে হাত ধোবেন। ভাল হাত ধোয়া কাকে বলে তা আমরা কেউই জানি না। তার জন্য এই ইউটিউব ভিডিও সার্চ দিয়ে দেখতে পারেন..😏
খ. বাড়ির বাইরে থাকলে মাঝে মাঝে অ্যালকোহল বেসড হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করুন। প্রতি আধঘন্টায় বা একঘন্টায় করার দরকার নেই। কারোর সংস্পর্শে এলে বা কোথাও খেতে গেলে খাওয়ার আগে এবং পরে করুন। মুখে এটা লাগাবেন না। যে কোন অ্যালকোহল বেসড স্যানিটাইজার হলেই হবে। মেডিকেটেড বা ক্লোরহেক্সিডিন থাকা স্যানিটাইজার ব্যবহার করার কোন প্রয়োজন নেই।😊
ময়লা হাতে কিন্তু স্যানিটাইজার কাজ করে না। তখন হাত ধুতেই হবে।🚰
গ. বারবার নিজের মুখে, ঠোঁটে,নাকে, চোখে হাত দেবেন না। অনেকেরই এই মূদ্রাদোষ থাকে।
ঘ. যাদের হাঁচি বা কাশি হচ্ছে তাদের থেকে এক মিটার দূরত্ব রাখার চেষ্টা করুন। জানি কাজের জায়গায় এটা অনেক সময়তেই সম্ভব নয়, অশালীনও বটে। কিন্তু সংক্রমণ আটকাতে করতেই হবে এটা।
ঙ. কেউ হাঁচলে বা কাশলে মুখের আর নাকের সামনে হাত দিয়ে করতে বলুন। আপনার নিজের ক্ষেত্রেও তাই করুন। চেষ্টা করুন টিস্যু পেপারে হাঁচতে বা কাশতে। তারপরেই টিশ্যুটাকে ফেলে দিন। তারপর নিজের হাত ধুয়ে নিন বা স্যানিটাইজার লাগান। এই অভ্যাসটা তৈরি করতে পারলে ভাইরাসের সংক্রমণ অনেকটাই আটকে দেওয়া যাবে।
চ. কাঁচা মাংসে হাত না দেওয়ার চেষ্টা করুন। রান্নার আগে মাংসটাকে ধোয়ার সময় তো আপনাকে হাত দিতেই হবে। সেক্ষেত্রে মাংস ধোবেন গরম জলে বা খুব ঠান্ডা জলে। ধোয়ার পরে নিজের হাত ধুয়ে নিন সাবানে। কড়ায় মাংস দেওয়ার পরে আর ভয় নেই, ভাল করে রান্না করে নেবেন, দেখবেন হাড়ের কাছের অংশ যেন কাঁচা না থাকে, মুরগীর মাংস রান্নার সময় অনেক ক্ষেত্রে এটা হয়। বাড়ীর মা, মাসি,রান্নার দিদিরা যারা এই পোস্ট পড়তে পারবেন না তাদেরকে বিশেষ করে সতর্ক করুন।
ছ. কাঁচা দুধ খাবেন না। ডিমও ভাল করে সেদ্ধ করে খাবেন। পোচড এগ এড়িয়ে চলুন।
৭. আচ্ছা মাস্ক পরার কথা তো বললেন না? পরব বলে কিনলাম যে।
কিনেছেন বেশ করেছেন।পরে থাকুন।
এ মাস্ক ডাস্ট থেকে আপনাকে প্রটেকশন দিবে,করোনা ভাইরাস থেকে নয়।...🙄
প্রথমত, মাস্ক পরে আপনি করোনাভাইরাসকে আপনার শরীরে আটকাতে পারবেন না। তা সে যতই আধুনিক ভাল মাস্ক হোক না কেন। যে মাস্ক আটকায় তা আপনি পাবেন না বাজারে, ল্যাবরেটরিতে ব্যবহৃত হয় তা।
মাস্ক পরার অভ্যেস নেই আপনার। তাই বারবার নিজের নাকে মুখে হাত দেবেন । এতে হিতে বিপরীত হবে। তাই শুধু শুধু মাস্ক জমাট করে অসাধু ব্যবসায়ীদের ব্যবসায় সুযোগ করে দেওয়া বৈকি তাছাড়া কিছুই নয়।
৮. তাহলে মাস্ক কাদের পরা উচিত?
যারা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ,অথবা নিজেদেরকে আক্রান্ত বলে মনে করছেন তারা পরবেন মাস্ক। যাতে অন্য কারোর শরীরে এই রোগ না ছড়ায়।
আবার বলছি, মাস্ক কোন ভাবেই আপনাকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া থেকে বাঁচাবে না, উলটে আপনার ক্ষতি করবে।
৯. আমার খুব জ্বর কয়েকদিন ধরে, মাথাও ধরেছে, আমার কি করোনা ভাইরাসই হয়েছে?
না, খুব সম্ভবত হয়নি। করোনা ভাইরাসের রোগের প্রাথমিক লক্ষণগুলি আর পাঁচটা সাধারণ ভাইরাসের মতোই। তা হল-
জ্বর,
কাশি,
মাথা আর গায়ে হাতে পায়ে ব্যথা,
ক্লান্তি,
গলা ব্যথা,
নাক দিয়ে জল পড়া,
পাতলা পায়খানা।
এই লক্ষণগুলো রোজের ননগ্ল্যামারাস ভাইরাসগুলোও করে। এতে ভয়ের কিছু নেই। ডাক্তারের কাছেও দৌড়বার দরকার নেই। এগুলো হলে-
জল খান অনেক।
রেস্ট নিন।
জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল খান।
১০. কখন তাহলে ডাক্তারকে দেখানোই দরকার?
যদি এগুলোও শুরু হয়-
শ্বাস কষ্ট।
পাঁচ দিনের বেশি থাকা প্রবল কাশি।
বুকে ব্যথা।
কফের সাথে রক্ত।
পেটে ব্যথা।
১১। আচ্ছা আমার যদি করোনা ভাইরাস হয় তাহলে কী আমি মারা যাব?
করোনা ভাইরাসে আপনার মারা যাওয়ার যা সম্ভাবনা তার থেকে বেশি সম্ভাবনা ক্যান্সারে বা রাস্তার অ্যাক্সিডেন্টে মারা যাওয়ার। প্রতিবছর কমন ফ্লুতে এর চেয়ে অনেক বেশি সংখ্যক মানুষ মারা যায়। আপনারও বছরে দুতিনবার ভাইরাল ফিভার হয়ই, তারমধ্যে ফ্লু-ও থাকে। মারা যান কি?
১২. তাহলে যে শুনছি এত মানুষ মারা যাচ্ছে?
প্রতি ১০০ জন করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে মারা যাচ্ছেন ২ জন। এই সংখ্যাটিও একেবারে সঠিক নয়। বছরের শেষে দেখবেন করোনা ভাইরাসে মারা যাওয়ার সম্ভাবনা আরো কমে যাবে।
১৩. তাহলে যারা মারা যাচ্ছেন তারা কারা?
আপনার বয়স কি ৬০ এর বেশি?
আপনার কি এই রোগ গুলো আছে?
ডায়াবেটিস
অ্যাজমা
ক্যান্সার
এই সবকটার উত্তর যদি না হয় তাহলে আপনি করোনাতে আক্রান্ত হলেও আপনার কোন ভয় নেই। আর পাঁচটা ভাইরাল ফিভারের মতোই দেখুন একে।
এর একটারও উত্তর যদি হ্যাঁ হয় তাহলে সাবধানে থাকুন। আপনার আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি এবং আক্রান্ত হলে ফুস্ফুসের ইনফেকশনের সম্ভাবনাও বেশি। তাই আপনারা আগে ডাক্তারের কাছে যান, ১০ নম্বর প্রশ্নের উত্তরে বলা লক্ষণগুলো দেখলেই।
১৪. হোমিওপ্যাথি কোন ওষুধ খেলে কী করোনা হওয়া থেকে আটকানো যাবে?
না যাবে না।
১৫. ভিটামিন সি খেলে শুনছি করোনার হাত থেকে বাঁচোয়া, এটা কী সত্যি?
না সত্যি না, ভিটামিন সি আমাদের শরিরের ইমিউনিটি বাড়ায়, ঘা শুকোতে সাহায্য করে। কিন্তু আমরা সাধারণত সারাদিনে যেমন খাবার খাই তাতে যথেষ্ট ভিটামিন সি থাকেই। যদি মনে হয় নেই তাহলে বড় জোর আধখানা লেবু বা একটু আমলকী খান। এর বেশি খেতে গেলে কিছুই হবে না। শরীর ইউরিন দিয়ে বার করে দেবে।
ভিটামিন সি করোনার হাত থেকে আলাদা করে বাঁচাবে না আপনাকে।
১৬. আমার যদি করোনা হয়েই যায় তাহলে কী এর কোন ওষুধ আছে? বা আটকানোর জন্য ভ্যাকসিন?
না, এখনও পর্যন্ত কোন ওষুধ নেই। তবে আগে যেমন বললাম, আপনি যদি সুস্থ শরীরে এই ভাইরাস নেন তাহলে নিজে থেকেই কয়েকদিনের মধ্যেই ভাল হয়ে উঠবেন। আর অসুস্থ শরীর থাকলে ডাক্তারের কাছে যান। ডাক্তারবাবু প্রয়োজন মতো ব্যবস্থা নেবেন। তাহলেই আপনার মারা যাওয়ার সম্ভাবনা বেশ কমে যাবে।
করোনা আটকানোর জন্য কোন ভ্যাকসিন নেই এখনও অবধি।
এখনও অবধি বাংলাদেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা খুবই কম। তবে এই সংখ্যা বাড়বে। ৬ নম্বর উত্তরে বলা প্রিকশনগুলো নিলেই হবে।
এয়ারপোর্টগুলোতে একটু বেশি সাবধানী থাকবেন। তবে দেশের মধ্যে ফ্লাইটে যাতায়াত করাতে এখনও কোন চাপ নেই।
১৭. আমার মনে হচ্ছে আমি করোনাতে আক্রান্ত, কী করি? কয়েকটা টেস্ট করিয়ে নি পাড়ার ল্যাব থেকে?
না, আপনার ডাক্তারের কাছে যান আগে। তিনিই যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেবেন।
১৮. আমি নিজেই একজন ডাক্তার/নার্স/ অসুস্থ মানুষের দেখভাল করি, আমি কী করব?
আপনাদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা স্বাভাবিক ভাবেই বেশি। ৬ নম্বর পয়েন্ট অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলুন।
একটি রুগী দেখে অন্য রুগী দেখার আগে প্রতিবার স্যানিটাইজারে হাত পরিষ্কার করবেন।
প্রতি ৫ টি রুগী দেখার পরে সাবান দিয়ে হাত ধোবেন।
অযথা নিজের মুখে ঠোঁটে পেন ঠেকাবেন না, ডাক্তারেরা এটা প্রায়শই করে থাকেন।
১৯. আমি তো বাঙালি, মাছ খেতে ভালবাসি, কী করি?
পুকুরের বা ফার্মের মাছ বিন্দাস যত খুশি খান। সিফুডটা আপাতত এড়িয়ে চলুন। চিংড়িতে চাপ নেই, কারণ ওটা ফার্মে হয়।
২০. বাড়িতে বাচ্চা আছে, কী করি, স্কুলে পাঠাব?
প্রিকশন ৬ নম্বর পয়েন্টের মতো একই। অদ্ভুত ভাবে এখনও পর্যন্ত বাচ্চাদের করোনায় আক্তান্ত হওয়ার খবর ভীষণই কম। স্কুলে পাঠান নিশ্চিন্তে, যদি না স্কুল থেকে কোন বিজ্ঞপ্তি আসে।
২১. আচ্ছা এত রকমের রোগ তো আছে পৃথিবীতে, করোনা নিয়ে এত ভয় কেন তাহলে?
এর কারণ মিডিয়া, আরেকটা কারণ সাধারণ মানুষের সম্যক জ্ঞানের অভাব। তাই যতটা পারলাম সহজ করে লেখার চেষ্টা করলাম।
করোনা আসলে পাড়ার তরুন স্পোর্টিং ক্লাব, মিডিয়ার লাফালাফিতে এটা বার্সিলোনায় পরিণত হয়েছে। আমি আপনি সচেতন থাকলেই এটা আবার পাড়ার মাঠে নেমে আসবে।
©অমিত দেবনাথ
ইন্টার্ন চিকিৎসক
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
করোনাভাইরাস বাতাসে বেশিক্ষণ উড়তে পারে না। এর অর্থ হচ্ছে এটি কফ, থুথু, লালার মাধ্যমে মাটিতে, আমাদের নিত্যদিনের ব্যবহার করা শক্ত জিনিসপত্রে একটা প্রলেপের মতো লেগে থাকে। ফলে আক্রান্ত কেউ আপনার মুখের উপর জোরে হাঁচি-কাশি না দিলে আপনার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তাই বাতাসের মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম।
সমস্ত ধারণাকে ভুল প্রমাণিত করে দেখা যাচ্ছে যে করোনা আমাদের আশেপাশের পরিবেশে (মানে বিভিন্ন জিনিসপত্রে) প্রায় দুই সপ্তাহ বেঁচে থাকতে পারে। এই জিনিসগুলো কি? জিনিসগুলো হলো: মেঝে, দরজার হ্যান্ডেল, লিফ্টের বাটন, চেয়ার, টেবিল, মোবাইল ফোন, পাবলিক কম্পিউটারের কীবোর্ড, যেকোন পাবলিক যানবাহন (উবার/পাঠাও সহ !), রেস্টুরেন্ট, যেকোন পাবলিক জমায়েত, সিঁড়ির হাতল, যেকোন লাউঞ্জ, বিমানের সিট, যেকোন কাউন্টার ইত্যাদি। ফলে এগুলোতে হাত দিবেন এবং সেই হাত দিয়ে আপনার নাকেমুখে, চোখে ডলা দিবেন, কারবার শেষ। রাস্তায় কফ, থুথুতে পা দিবেন, জুতায় লাগবে। জুতা খুলতে গিয়ে হাতে আসবে। হাত থেকে মুখে এবং নাক ও গলা দিয়ে শ্বাসনালিতে যাবে। এজন্যই বারবার বলা হচ্ছে হাত ধোয়ার জন্য। বারবার বলা হচ্ছে পানি কিংবা অন্য তরল বেশিকরে বারবার খাওয়ার জন্য যাতে গলায় কিছু করোনাভাইরাস গেলেও পেটে চলে যায়। গলায় যাতে বসে থাকতে না পারে। পেটে চলে গেলে আলহামদুল্লিলাহ। হজম হয়ে যাবে। আমাদের পেট হলো সৃষ্টির এক বিরাট বিস্ময়।
তাহলে কি করতে হবে আমাদের? বুঝেন নাই কি করতে হবে? হাত ধুইবেন ভালো করে সাবান দিয়ে, বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে কিছুক্ষণ পর পর (বাহিরে থাকলে), আশেপাশের পরিবেশ পরিস্কার রাখবেন, বাসার-অফিসের-ফ্ল্যাট বাড়ির সিঁড়ির হ্যান্ডেল, মেঝে, লিফ্টের নব এবং অন্যান্য যা যা বললাম সেগুলো ভালো করে রেগুলার মোছামুছি করবেন (ডিসইনফেক্ট), পাবলিক পরিবহণে সাবধান থাকতে হবে, বেশী লোকের মাঝে, শপিংমলে, লিফ্টে উঠা কমিয়ে দিতে হবে (এমনিতেই আমাদের দেশে লিফ্টে অনেক রোগ ছড়ায়) এবং নিজেও সাবধানে হাঁচি-কাশি দিবেন (টিস্যু দিয়ে মুখ ঢেকে এবং সঙ্গে সঙ্গে টিস্যু বিনে ফেলে দিতে হবে) এবং অন্যের হাঁচি-কাশি যাতে আপনার মুখে এসে না পরে সেটার দিকে খেয়াল রাখবেন।
আর একটা কথা, বুঝতেই পারছেন মাস্ক কিন্তু করোনা প্রতিরোধে তেমন কোন কাজ করে না। তবে বিশ্বের একনাম্বার দুষিত শহর ঢাকাতে আপনার মাস্ক এমনিতেই পড়া উচিত জীবন বাচাঁনোর জন্য। এ শহরে বছরে হাজার হাজার মানুষ মারা যায় শুধুমাত্র শ্বাসকষ্টজনিত রোগে।
নিজে সতর্ক হোন, সন্তানদেরকে সতর্ক করুন (দেশে-বিদেশে) এবং এই বার্তাগুলো ছড়িয়ে দিন। বাকীটা ভবিষ্যতের কাছেই ছেড়ে দিন, ভয় পাবেন না। সমস্যা হলে মোকাবিলা করতে হবে। ২৫ বছরের বেশী সময় ধরে ভাইরাস প্রতিরোধে কাজ করছি এবং সেই অভিজ্ঞতায় বলছি--
যে কারো যে কোন সময় যে কোন ঘটনা ঘটতে পারে। করোনায় ধরলেও মারা যাওয়ার সম্ভাবনা মাত্র ১.৪% থেকে ২.৫%। তাই যে কোন বিপদ সাহস নিয়ে মোকাবিলা করবেন
ডাক্তাররা কেন টেস্ট করেন? কারনে না অকারনে? নাকি কমিশনের জন্য?। প্রথমে 2 টি ঘটনা বলি...
১। একবার 2 দিনের জর নিয়ে ৩০ বছর বয়সী একজন রোগী আমাকে দেখালেন। আমি দেখার পর মনে হল ভাইরাল ফেভার। রোগীর প্রেসার কম আর খেতে পারছে না তাই রুটিন টেস্ট দিয়ে ভর্তি করলাম। ভর্তি হবার 2 ঘন্টা পর (তখনও রিপোর্ট আসেনাই) রোগী হঠাত খারাপ হয়ে গেল। রোগী খুবই restless, প্রেসার 200/120, শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, রোগীকে icu নেয়া হল, কিছুক্ষণ পর (৩০ মিনিট এর মধ্যে) রোগী মারা গেল। ওই সময় আমি আর ভাগ্যক্রমে বিধু স্যার সেখানে উপস্থিত ছিলাম। রোগী মারা যাবার পর রিপোর্ট আসল, আমরা দেখলাম platelet count 30000.রোগীর লোকের কাছে আবারো ইতিহাস নেয়া হল। রোগীর লোক বলল গতকাল অনেক জর হবার পর তাকে diclofen ট্যাবলেট জর কমানোর জন্য দিয়েছিল গ্রামের ঔষধের দোকানদার। রোগীর platelet count কম ছিল, তার উপর diclofen খেয়ে ব্রেনে রক্তক্ষরন হয়ে রোগী মারা গেছে। শিক্ষনীয় হচ্ছে- platelet count দেখে তা নরমাল হলে তারপর NSAID দেয়া উচিত।
২। ৩/৪ দিন আগে একজন ডায়াবেটিসের রোগী জর নিয়ে আমাকে দেখালেন, আমার মনে হল তার প্রসাবে ইনফেকশন, আমি প্রসাবের পরীক্ষা দিলাম, কিডনীর টেস্ট আগে করা ছিল, নরমাল ছিল তাই আর করালাম না। রোগী বাসা গেলো। ২ দিন পর রোগী হাস্পাতালে ভরতি হল, রোগীর তেমন কোন উন্নতি নেই, C/S দেখার পর এ্যান্টবায়োটিক পরিবরতন করব, ভাবলাম কিডনী কেমন আছে দেখি,আগের রিপটটা খুজে পেলাম না, তাই কিডনীর পরীক্ষাটা করতে দিলাম, রিপট আসার পর আমার কোনভাবেই সঠিক মনে হয় নাই, কারন S. creatinine 12 mg/dl ছিল, ল্যাবে বললাম রিপিট কর, রিপট একই আসল। S. electrolyes করে দেখলাম hyperkalaemia আছে। রোগীর গতকাল ডায়ালাইসিস করা হয়েছে। তাহলে এসব টেস্ট কি অকারনে করা হয়েছিল???শিক্ষনীয় হচ্ছে-ডায়াবেটিস/হাইপ্রেসারের রোগীর মাঝে মাঝে (অন্তত ৬ মাসে ১ বার) এবং যে কোন acute illness এ ভাইটাল অরজান গুলো চেক করা উচিত। (এই রোগীকে প্রথমেই কিডনীর পরীক্ষা দিলে, রোগী বলত সামান্য জর নিয়ে এলাম আর ডাক্তার এত গুলো পরিক্ষা অকারনে দিল, আর রোগী যখন খারাপ হয়ে গেল তখন রোগির লোকের ভাষ্য-আপনি আগে কেন কিডনী টেস্ট করালেন না)।
এবার আসি পরীক্ষা-নীরিক্ষায়। আমরা সাধারনত কয়েকটি পরিক্ষাকে রূটিন বলে থাকি। এগুলো হল-CBC, RBS, S. creatinine, Urine R/E, ECG (after 40 years).
CBC করে আমরা অনেকগুলো তথ্য পাই, যেমন-শরীরে রক্তের পরিমান কেমন, শরীরে কোন ইনফেকশন আছে কিনা, ব্লাড ক্যন্সার আছে কিনা এবং platelet count কেমন, যা কমে গেলে শরীর থেকে রক্ত ক্ষরন হতে পারে। যে কোন রোগির এই টেস্ট না করে তার শরীরে সারবিক অবসহা বুঝা সম্ভব না।
RBS এই পরীক্ষা দিয়ে কারো ডায়াবেটিস আছে কিনা তা স্ক্রেনিং করি। ১৮ বছর পর এই পরিক্ষা বছরে অন্তত একবার করা উচিত, তবে যাদের বাবা-মায়ের ডায়াবেটিস আছে আর যাদের ওজন বেশি তাদের বছরে অন্তত ২ বার (৬ মাস পর পর) করা উচিত। কারো যদি ডায়াবেটিস untreated or uncontrolled থাকে তবে তার কিডনী নষ্ট হয়ে যেতে পারে, হারট এ্যাটাক, ষ্ট্রোক, অন্ধত্ত সহ আরো অনেক জটিল রোগ হতে পারে।
S. creatinine এই টেস্ট দিয়ে আমাদের কিডনী ঠিক আছে কিনা দেখা হয়। কিডনী রোগ যত তারাতারি ধরা পরবে তত ভালো হবার সম্ভবনা বেশি। যাদের ডায়াবেটিস/হাইপ্রেসার আছে তাদের কিডনী নষ্ট হবার সম্ভবনা অনেক বেশি। তাছাড়া যে কোন ধরনের NSAID, কিছু প্রেসারের ঔষধ, কিছু ডায়াবেটিসের ঔষধ, বাত রোগের ঔষধ, ক্যান্সারের ঔষধ দেয়া না দেয়া, কি ডোজে দিতে হবে তা নিরভর করে S. creatinine এর উপর। বছরে অন্তত একবার S. creatinine করা উচিত।
Urine R/E এটি খুবই সাধারন একটি পরীক্ষা কিন্তু খুবই ইনফরমেটিভ, এটি দিয়ে প্রসাবে ইনফেকশন আছে কিনা, কিডনীতে কোন সমস্যা আছে কি না, কিডনীতে কোন পাথর আছে কিনা, ডায়াবেটিস আছে কিনা ইত্যাদি জানা যায়। এছাড়াও কারো কিডনীতে সমস্যা কেবল শুরু হয়েছে কিনা (যা চিকিতসায় ভালো করা সম্ভব) তাও বোঝা যায় (প্রসাব দিয়ে যদি protein যায় তবে বুঝতে হবে কিডনীতে সমস্যা শুরু হয়েছে)।
ECG গত সপ্তাহে একজন ডায়াবেটিস রোগী দেখেছিলাম, যিনি ঔষধ খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন, ভেবেছিলেন ঔষধ খাবার আর দরকার নেই, তার ডায়াবেটিসের পরিক্ষা, কিডনীর পরীক্ষা আর ECG করতে দিলাম, ECG তে Recent anterior MI আসল, ইকো করার পর Ischaemic cardiomyopathy আসল। ডায়াবেটিস ও হাইপ্রেসারের রোগীর বছরে অন্তত একবার ECG করা উচিত। কারন Heart attack বয়স্ক এবং ডায়াবেটিসের রোগীর বুকে কোন ব্যাথা ছাড়াই হতে পারে।
আমার নন-মেডিকেল বন্ধুদের বলছি কেউ যদি এসব টেস্ট (CBC, RBS, S. creatinine, Urine R/E, ECG) করেন, তাহলে ভাববেন না আর জীবনেও এসব করা লাগবে না, আপনি যদি আজ সব টেস্ট করেন আর কালকেই যদি আপনার বুকে ব্যাথা হয় তবে আবারো ECG করতে হবে। দয়া করে ভুল বুঝবেন না। ডাক্তার যে টেস্ট করতে দেন তা আপনার জন্যই, আপনার চিকিতসার জন্যই।
আমি আমার ছাত্র-ছাত্রীদের বলছি, তোমরা কোন রোগীকে চিকিতসা দেবার আগে সবসময় চেষ্টা করবে রুটিন পরীক্ষাগুলো করাতে, কারন একটা জিনিস মনে রাখবে, মেডিকেল সাইন্সে হিরো কখনি তুমি হতে পারবেনা, কিন্তু তোমার এক ভুলে তুমি জিরো হয়ে যাবে। রোগীকে পরিক্ষা করাতে বলবে, রোগি যদি করতে না চায়, চিকিতসা দিবে, রোগী ভালো না হলে তোমাকে বেশি চারজ করবে না, কারন চিকিতসার দরকারী পরিক্ষাতো তারা করান নাই। কিন্তু তুমি যদি পরীক্ষা না করাতে দাও আর রোগীর উন্নতি না হয় বা ঔষধের কোন সাইড ইফেক্ট হয় তবে তোমার ঘাড় ধরে বলবে আপনি কেন পরীক্ষা না করিয়ে চিকিতসা দিলেন??
সবার জন্য বলছি আপনি আপনার টিভি, ফ্রিজ, বাইক, গাড়ি মাঝে মাঝে চেক করেন, সারভিসিং করেন, নিজের শরীরটার বছরে ১ বার সারভিসিং করেন, বছরে ১ বার CBC, RBS, S. creatinine, Urine R/E, ECG, Fasting lipid profiles করে একজন ফিজ়িশিয়ানকে দেখান। এসবের জন্য ২০০০ টাকার বেশি খরচ হবে না। নিজের জন্য বছরে অন্তত ২০০০টাকা খরচ করুন, তাহলে ভবিষ্যতে অনেক ভালো থাকবেন।
Collected
অদ্ভুত এই রোগটির নাম 'কুমিরের কান্না' রোগ,
কুমির নাকি যখন তার শিকার করা প্রানীকে খায় তখন সেই প্রানীর নির্মম পরিণতি দেখে কুমিরের নাকি নিজেরই নাকি চোখ দিয়ে অঝোর ধারায় জল টপ টপ করে পড়তে থাকে। একে সাহিত্যের ভাষায় অনেকে কুমিরের মায়াকান্না বলেন। এমনকি শেক্সপিয়ার ও মায়াকান্না বুঝাতে তার ওথেলো ট্রাজিডি রচনায় কুমিরের কান্না ব্যবহার করেছেন।
আসলে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এ রকম মায়াকান্না বলে কিছু নেই। মুলত কুমির যখন তার শিকার কে কামড়ে ধরে তখন নাক, মুখের অভ্যন্তরের বাতাস প্রচন্ড বেগে চাপ দেয় আশে পাশে থাকা সাইনাস গুলোতে আর সে চাপেই কুমিরের চোখের ল্যাক্রিমাল গ্ল্যান্ড বা চোখ গ্রন্থি গুলো থেকে অনবরত পানি বের হতে থাকে। ফলে তার চোখ টলমল করতে থাকে। এটা কেবল তার খাবার বেলায়ই হয়।
মানুষের চোখের সামনে যখন কোন মজাদার খাবার আনা হয় তখন এমনি এমনি তার জিভে জল চলে আসে। পাকস্থথলিতেও জমা হতে শুরু করে নানান পাচক রস। এটা এক রকম রিফ্লেক্স বা দৈব প্রক্রিয়া। সব মানুষের বেলায়ই কম বেশ এটি হয়ে থাকে।
কিন্তু খাবার সামনে আনলে বা খাবার খেতে থাকার সময় কেউ যদি অঝোর ধারায় কান্না করতে থাকে কিংবা তার চোখ থেকে অনবরত পানি ঝরতে থাকে তবে কেমন মনে হবে বিষয়টি। কোন মানসিক বা ভৌতিক সমস্যা? কিংবা হাস্যকর কিছু? মোটেই তা নয়।
মানুষের ক্ষেত্রেও কুমিরের কান্নার মতো এমন হতে পারে। বিরল এ রোগের নাম ক্রোকোডাইল টিয়ার সিনড্রোম (Crocodile Tears Syndrome) বা 'কুমিরের কান্না' রোগ। শুনতে বেশ অদ্ভুত লাগছে? আসলেই তাই। মানুষের অনেক রোগ আছে রহস্যময়। বেশেষ করে মানসিক ও নিউরোলজিক্যাল কিছু রোগের লক্ষন বেশ রহস্যময়। চিকিৎসা বিজ্ঞান এখনো সেসব রহস্য ভেদ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
কেনো মানুষের কুমিরের কান্না রোগ হয়?
কুমিরের কান্না রোগটি হয় 'বেলস পলসি' (Bell's Palsy) নামে একটি নিউরোলজিকাল রোগের দীর্ঘমেয়াদি পরিণতিতে।
'বেলস পলসি' রোগ আমরা প্রতিনিয়ত চেম্বারে বা হাসপাতালে পাই। এরোগে রোগীর মুখের এক পাশ অবস হয়ে যায়। চোখ বোজা যায়না, খাবার চিবানো যায়না, হাসতে গেলে মুখ এক দিকে বেঁকে যায় এগুলোই হয়ে থাকে 'বেলস পলসি' রোগে। রোগটি পুরুষ থেকে নারীদের বেশী হয় এবং মুখের বাম দিক বেশী আক্রান্ত হতে যায়। সাধারণত ৩/৪ সপ্তাহে এমনি এমনি সেরে যায়। সুনির্দিষ্ট কোন ঔষধ নেই এ রোগের। তবে চিকিৎকের তত্ত্বাবধানে অবশ্যই থাকতে হয় এবং জটিলতা কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়।
কুমিরের কান্না রোগটি প্রধানত হয় এই 'বেলস পলসি' রোগের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিক্রিয়ায় ফলে। খুব কম দেখা যায়। বেলসি পালসি রোগে ফ্যাসিয়াল নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফ্যাসিয়াল নার্ভটির অনেক কাজের মাঝে একটি কাজ হলো খাবার মুখের সামনে আসলে বা মুখের ভিতর খাবার পুরলে লালা গ্রন্থি কে সংকুচিত করে তা থেকে লালা ঝরানো। যাতে ভালোভাবে খাবার চাবানো যায়, গেলা যায়।
'বেলস পলসি' রোগটি যখন সেরে যায় তখন ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত ফ্যাসিয়াল নার্ভটির পুনর্গঠন হতে থাকে। এই রিজেনারেশন প্রক্রিয়ার সময় ভুল বশত তার কিছু শাখা তৈরি হয়ে চলে যায় পার্শ্ববর্তী টিয়ার গ্ল্যান্ড, ল্যাক্রিমাল গ্ল্যান্ড বা অস্রু গ্রন্থিতে। যা হবার কথা না। ফলে ঘটতে থাকে এই ভৌতিক ঘটনা।
খাবার যখন সামনে আসে বা খাবার যখন মুখের ভিতর পুরো হয় তখন রোগীর লালার পাশাপাশি চোখ থেকেও অনবরত পানি পড়তে থাকে। মনে হয় রোগী খাচ্ছে আর অঝোর ধারায় কাঁদছে।
ডা. সাঈদ এনাম
এমবিবিএস (ডিএমসি) এমফিল (সাইকিয়াট্রি)
সহকারী অধ্যাপক
মানসিক রোগ বিভাগ
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ।
অদ্য,সিক্রাউন হোটেল কক্সবাজারে, বিডিএমএ কেন্দ্রিয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক
ডঃ আলম এবং কেন্দ্রিয় কমিটির শিক্ষা ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার মনির হোসেন এর উপস্তিতিতে কক্সবাজার জেলা (বিডিএমএসএ) বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিকেল স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন কমিটি গঠন করা হয়।
অভিনন্দন নতুন ছাত্র কমিটিকে।
from SOMA by ডা. সুলতান-
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ Important topics সবার জন্য।
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
🔯 মানেই হলো অর্থাত বাহ্যিক সৌন্দর্য।বাহ্যিক সুন্দরের সংগায় প্রথমেই আসে স্কীন, হাত পায়ের নখ, চুল, চোখ, অভ্যাস এবং স্মার্টনেস।তাহলে দেখুন Beautyderm থেকে কি কি উৎপন্ন হয়
▫
🔰 #স্কীন-Epidermis
🔰 #নখ-Nail
🔰 #চুল- Hair
🔰 #চোখ-Lens,Retina & Optic nerve
🔰 #অভ্যাস-ঠিকমত খায় দায় ঘুমায়, অর্থাত well circadian rhythm এবং hormones অর্থাত Pituitary gland(hormones) & pineal gland(circadian)
▫
🔰 #স্মার্টনেস-A good Central nervous system
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
🔯
অনেকটা "Body Builder " এর মত...হাস্যকর লাগলেও এটা সুন্দর ভাবে মনে রাখতে সাহায্য করবে!
▫
বডি বিল্ডাররা বেশ মাসলুকার আর শক্তিশালি।।আর তাদের মাসেল বৃদ্ধি করতে প্রচুর ব্লাড সাপ্লাই দরকার। এবং তারা সেক্সুয়ালি বেশ এক্টিভ।চিন্তা করুন একজন বডি বিল্ডারের কথা।এবার দেখুন Body Builder Musclederm থেকে কি কি আসে
▫
🔰 #মাসুকলার_ও_শক্তিশালি-Cardiac, Smooth & Skeletal muscle, Bones & cartilage
▫
🔰 #প্রচুর_ব্লাড_সাপ্লাই-Blood, lymph
▫
🔰বেশি ব্লাড সাপ্লাই হলে Filtration ও বেশি, মানে ইউরিন ও বেশি- Kidneys & ureter
▫
🔰 #সেক্সুয়ালি_এক্টিভ-Gonads & reproductive system
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
🔯 .
মনে রাখুন এভাবে "Tuboderm & Glandoderm" দিয়ে
▫
🔰 -মানে সব টিউব স্ট্রাকচারের⬇⬇⬇
▫
➡ -Larynx, pharynx, trachea, bronchi, lung
➡ -GIT & tonsil
➡ -Bladder & urethra (Ureter from musclederm)
➡ -Audutory tube
এগুলোর lining, ক্লিয়ার?
▫
🔰 মানে হলো Parenchyma of almost all glands
▫
➡ -Submandibular, sublingual, tonsil, thyroid & parathyroid parenchyma
➡ -Liver & pancreas parenchyma
▫
▫
⛔ : Pituitary, Pineal & Parotid, they are totally from Ectoderm
Click here to claim your Sponsored Listing.