প্রথম আলোর ফেসবুক পেজে রুবাইয়াৎ ইসলাম নামের একজন লিখেছে।
এক বক্তা একবার এক মাহফিলে বয়ান করছে,
-ভাইসব আপনারা কেউ হিন্দুদের পূজা দেখতে যাবেন না।
আপনাদের পরিবারের কাউকেও যেতে দিবেন না
আপনাদের পরিচিত সবাইকে যেতে নিষেধ করবেন,
এটা আপনাদের ঈমানি দায়িত্ব
কারন মুসলমানের সন্তান হয়ে পূজা দেখা হারাম হারাম হারাম।
মাহফিলের পাশ দিয়ে এক হিন্দুলোক হেটে যাচ্ছিলো,
হুজুরের এই ওয়াজ শুনে লোকটি খিল খিল করে হাসতে শুরু করলো
তার হাসি দেখে লোকজন ধমক দিয়ে বললো
ঐ মিঞা হাসো কেনো?
-লোকটি বললো হুজুর মনে হয় পাগল হয়ে গেছে
আরে মুসলমান পূজায় যাবে কেনো?
এখনতো মুসলমানদের ঘরে ঘরেই পূজো হচ্ছে
কারন ষ্টার জলসা ষ্টার প্লাস জি বাংলায় যতো গুলো নাটক সিরিয়াল হয়
সবগুলো সিরিয়ালেই পূজো থাকে. আসলে সবগুলো
পূজোর স্পেশাল এপিসোড হয়।
-আপনারা একটা বিষয় চিন্তা করুন আমরা মুসলিমরা যে পাপের ভয়ে পূজোয় যাই না. সে একই পাপ আজ আমাদের মুসলিমদের প্রায় প্রতিটি ঘরেই হচ্ছে.
বিধর্মীরা খুব সুক্ষ্মভাবে আমাদের ঈমানকে হরণ করছে, অথচ আমরা অবচেতন ভাবেই তাদের সহযোগিতা করছি.
প্রিয় ভাইয়েরা আসুন আমরা প্রত্যেকেই পোস্টটি শেয়ার/ কপি করার মাধ্যমে অপর মুসলিম ভাইদের সর্তক করি. এবং আমাদের সকলের ঈমানকে হেফাজত করি..
আল্লাহ্ সকলের ঈমানকে মজবুত করুন.
......আমিন....
Md.Zahedul Goni
Md.Zahedul Goni, Cox's bazar, Bangladesh
30/07/2017
কেউ হাসবেন না প্লিজ...🙊🙈😏
আমি অন্তত, আমার বিয়েতে এসব থেকে দূরে থাকতে চাই :-( যত্তসব ফালতু রীতি
চট্টগ্রামে আসলে হচ্ছেটা কি ?
বোন বড় হয়েছে। বিয়ের কথা বার্তা চলছে। পারিবারিক ভাবে মতের মিল হওয়ার পর আকদ এর দিন ধার্য্য করা হয়। অনুষ্টানের শেষে ছেলের বাড়ি থেকে নাকি রাতে ৫০ জন আমার বোনকে দেখতে আসবে।
নতুন আত্মীয়। তাদের জন্য যেমন তেমন খাবার করা যাবেনা। অনেক টাকার বাজার করলাম। দেখলাম ওরা বেশকিছু মিষ্টি নিয়ে এসেছে।ওরা চলে যাবার পর মা জানালো সকালে বোনের শ্বাশুর বাড়িতে মিষ্টি নিতে হবে আরো সাথে কত কী!! কয়েক কেজি আর সস্তা মিষ্টি চলবেনা। দামী নিতে হবে তাও কমপক্ষে দশ কেজি। বরপক্ষ নাকি সমাজকে দিতে হবে। নয়তো সমাজ নাকি বদনাম করবে।
এ কেমন সমাজ মাথায় আসেনা। ব্যাপারটা এমন যে মিষ্টি কোনোদিন চোখে দেখে নাই। আকদের দিন মসজিদে সমাজীদের মিষ্টি খাওয়ানো হইসে সেটা যথেষ্ট না।
আকদ এর আগে বিয়ের চুক্তি গুলো হয়ে যায়। আমার বাবা এলাকার মুরব্বীদের সাথে কথা বলে ফাইনাল সিদ্ধান্ত নেয় যে কাবিন ১৫ লক্ষ টাকা, স্বর্ণ দশ ভরি দিলে ওনি আত্নীয়তা করতে রাজি। বরপক্ষও কনফার্ম করে যে এক হাজার মানুষ না খাওয়ালে আর ফার্ণিচার ঠিকঠাক না দিলে ওরা আত্নীয়তা করবেনা।
শেষ পর্যন্ত সবকিছু মেনে নিয়ে বিয়েটা ঠিক হয়। এসব বিষয়ে বড়দের মুখের উপর বলতে নেই দেখে কিছু বলতে পারলাম না।
বরপক্ষ একহাজার। আমাদের ৫০০-৭০০ মানুষ হবে এমন একটা হিসাব করে আয়োজন করা হয়। বাসায় সিদ্ধান্ত হয়েছিল অমুকের তমুককেও দাওয়াত করতে হবে। কাজে কামে নাকি আত্নীয়স্বজনের পরিচয়। তাই বলে লতা দিয়ে পাতা!! ঐ যে বড়দের উপর কথা বলতে নেই।
বিয়ের দিন দেখলাম আমি যে বড় ভাইকে দাওয়াত দিলাম ওনি মোটর সাইকেলের পিছনে আরো দুজন নিয়ে হাজির। ছোট ভাইয়ের বন্ধুরা নিজেদের বন্ধুদের নিয়ে হাজির যাদের কিনা ছোট ভাই নিজেই চিনেনা। ফলাফল খাবার সংকট। মানসম্মানের ব্যাপার। দ্রুত অতিরিক্ত বাজার করে রান্না করতে হল।
প্রচলিত নিয়ম মেনে বিয়ের পর দিন বোনের শ্বাশুর বাড়িতে আমাদের দুইশ জনের দাওয়াত। বৌ ভাত যাকে বলে। নিয়মের বাইরে যাওয়া যাবেনা বলে কিছু বলতে পারলাম না। অনেক টাকা গাড়ীভাড়া, অন্যানা খরচ গেলেও লতা দিয়ে পাতা হওয়া আত্নীয়দেরও দাওয়াত খাওয়াতে নিয়ে গেলাম। এরপর নাকি জামাইর বাড়ির দুশজন খাওয়াতে হবে। নয়তো কথা থেকে যাবে। সেটাও করতে হল ইচ্ছার বিরুদ্ধে।
বাসায় প্রশ্ন করলাম এতকিছুর দরকার কি? বলল এটাই করতে হবে। এটাই সঠিক। আমাদের মেয়েকে এরা সুখে না রেখে যাবে কই? কিন্তু আসলেই কি এটা সুখ? লতা দিয়ে পাতা হওয়া আত্নীয়কে দাওয়াত করে খাওয়ালে সুখ!!
যাই হোক সব শেষ করলাম। কিছু টাকা ঋণ নিতে হল বোনের সুখ কেনার জন্য। কিন্তু পরিপূর্ণ সুখ কিনতে রমজানের ঈদে জামাইর বাড়ির চৌদ্দ গোষ্ঠীর জন্য কাপড় দিতে হল। কোরবানীর ঈদে গরু দিতে হল। আর বারো মাসে তেরো রকমের জিনিস দিতে হল।
এর মধ্যে বোনের বাচ্চা হয়। আকীকা করানোর সময় আবার গরু দিতে হল। বোনের দেবর, ননদের বিয়ে হয় স্বর্ণ দিতে হল। দাওয়াত খাওয়াতে হল। এতকিছু করতে করতে ঋণের টাকা অনেক মাথায়। নিজের বিয়ের বয়সটাও চলে যাচ্ছে। ঋণ শোধ করে, নিজের বিয়ের জন্যও এতকিছু করার প্রস্তুতি নিতে হবে। ততদিনে বুড়া হয়ে যাব। বিয়ের আর দরকার কী!!
দুঃখের বিষয় হল যার সুখের জন্য এতকিছু করলাম, পারিবারিক জটিলতার কারণে তারই ডিভোর্স হয়ে গেল। তাহলে সুখ কই? সুখ এমন এক জিনিস যেটা টাকাতে পাওয়া যায় না। এর জন্য শিক্ষা আর সুন্দর একটা মন দরকার।
সুখের জন্য এসব জাস্ট তিন নাম্বার হাত "অযুহাত" এই চট্টগ্রামে। এটা নিয়ে গর্বের কিছু নাই। নিজের পরিশ্রমের টাকা লতা দিয়ে পাতা হওয়া আত্মীয়দের খাওয়ানোর দরকার নেই। কেউ খুশি মনে সামর্থ্য আছে বলে এসব করলে বাধা নেই। তবে নিয়ম মেনে করতে গেলে অবশ্যই আমার চুলকানি আছে।
এ কেমন সংস্কৃতি, যে নিয়মে বিয়ে করতে পাচ-সাত লক্ষ খরচ করতেই হবে!! টাকা কি গাছে ধরে? আর দাওয়াত দিলে নিজের সাথে মোটরসাইকেল আছে বলে হুদাই অতিরিক্ত দুজন নেয়া বন্ধ করুন। দুইশ টাকা খরচ করলে খাবার রেষ্টুরেন্টে অভাব নাই। অত ক্লোজ কেউ না হলে দাওয়াত পাওয়া মাত্র দৌড় দিয়েন না।
এসব অপসংস্কৃতির কারণে চট্টগ্রামে একটা মেয়ে বিয়ে দিতে যেমন বাপ ভাইয়ের পাছার চামড়া চলে যায়, তেমনি ছেলে বিয়ে করতে গেলেও বয়স হয়ে মাথার চুল চলে যায় এত লক্ষ টাকা ম্যানেজ করতে।
আবার অনেক মেয়েকে এমন বলতে শুনা যায়... আমি বাবার একমাত্র মেয়ে সুতরাং আমার জন্য খরচ না করে কার জন্য করবে.....
আসুন আমরা শিক্ষিত জেনারেশন সব বুঝি, ছেলেমেয়ে উভয়ই নিজ অবস্থান থেকে বদলে যাই।
বিঃদ্রঃ লেখাটি খুব ভালো লাগলো, তাই এক ভাইয়ের থেকে নিয়ে পোস্ট করলাম।
বছর আড়াই তো হলোই আজানের ধ্বনি কানে আসে না!
ফজরে কেউ 'আসসালাতু খাইরুন মিনার নাও' বলে ঘুম ভাঙায় না। এদেশে আওয়াজেরও নির্দিষ্ট একটা মাত্রা রয়েছে- তার বেশী শব্দ করা যাবে না।
আর তাই তো মসজিদে মাইক ব্যবহার করে বা উচ্চস্বরে আজানও দেয়া যাবে না, যায় না।
এবং, একই সংগে গীর্জা বা মন্দির থেকেও কোন উচ্চ আওয়াজ বাইরে যেতে পারে না।
এটাই এদেশের আইন।
সকলের জন্যই সমান অধিকার।
খৃষ্টান দেশ; তো, তাতে কি? সবার জন্য সমান অধিকার।
কোন ধর্ম, বর্ণ, চেহারার সেপ- এতে কিছুই এসে যায় না এখানে। সাদা কালো চাইনিজ স্প্যানিশ এতে কি এসে যায়? আপনি হিন্দু না ইহুদী- এতে কিছুই যায় আসে না। আপনি নাস্তিক না আস্তিক- সেটা আপনার বিষয়।
এখানে সকলেই ভদ্র। কেউ কাউকে ঘাটায় না, বিরক্ত করে না। অসভ্যতা করে না।
এখানকার ছেলেরা ফ্যাল ফ্যাল করে মেয়েদের দিকে হা করে তাকিয়েও থাকে না।
কে কি জামা পরেছে বা পরেনি, কে হিজাব মাথায় দিয়েছে বা বোরকা দিয়ে সর্বাংগ ঢেকে রেখেছে তাতে কারো কিছুই এসে যায় না; যেমন এসে যায় না কেউ অতি সংক্ষিপ্ত পোষাক পরলেও। কারণ কারো দিক তো তাকানোর ফুসরতই নেই অন্যের।
সকলেই কাজ নিয়ে ব্যস্ত।
এখানে শাহবাগ নেই।
এখানকার কেউ 'দেশপ্রেম' 'দেশপ্রেম' বলে চিৎকার করে না; কেউ দিবস কেন্দ্রিক দেশপ্রেমও ফলায় না!
এরা শুধু কাজ করে। আর কাজ করেই আজ এরা 'আমেরিকা'।
কাজই এখানে দেশপ্রেম। চাপাবাজিতে দেশপ্রেম যে হয় না- সেটা তারা আরও আড়াইশ বছর আগেই দেখিয়ে দিয়েছে।
এখানে শুধুই যোগ্যতার কদর।
আর সেই সংগে, এটাকে বলা হয় 'ল্যান্ড অব অপুরচনিটি'।
আপনার যোগ্যতা দিয়ে যা খুশী তাই করে নিন।
যোগ্যতা দিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প হোন, বারাক ওবামা হোন, বিল গেটস হোন, মার্ক জাকারবার্গ হোন, সুন্দর পিচাই হোন!
এদেশে মমতাজ হয়ে এমপি বা তারাণা হালিম হয়ে মন্ত্রীও হতে পারবেন না!
নারীর ক্ষমতায়ণের বিষাক্ত বুলি আওড়িয়ে 'হিলারী ক্লিনটন' হয়েও নির্বাচিত হওয়াও সম্ভব না।
শুধুই যোগ্যতার খেলা এখানে।
ডায়নামিক মানুষদের কদর এদেশে।
এখানে মানুষের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।
তারপরও ৩২ কোটি মানুষ।
এখানে মশা নেই, কাক নেই, নেরী কুকুরও নেই। অবশ্য 'পেট এনিমেল' রয়েছে।
এদেশেও ভাস্কর্য আছে।
তবে, তাদের সুপ্রিম কোর্টে তারা ভাস্কর্য বসায়নি।
তারা তাদের সুপ্রিম কোর্টে বসিয়েছে একটা স্ট্যান্ড- যেটাতে সর্বকালের সেরা বিচারকের সম্মান দেয়া হয়েছে ইসলামের প্রোফেট মুহাম্মদ (সা) কে।
এদেশে ভাস্কর্য মানেই জর্জ ওয়াশিংটন না।
এদেশে ভাস্কর্য মানেই ল্যাংটা মেয়ে মানুষের মুর্তি না।
এদেশে ভাস্কর্য হয় ক্রিয়েটিভিটির।
মৃনাল হকের মতো কথিত ভাস্করদের কোন জায়গা এদেশে হয় না- সেই যোগ্যতা না থাকায় তারা ফিরে যায় নিজ দেশে।
সব দেশপ্রেম খুঁজে পাওয়া যায় শুধুই বাংলাদেশে।
সব বুদ্ধিজীবিও খুঁজে পাওয়া যাবে ঐ বাংলাদেশেই!
যে দেশে ভাস্কর্য প্রতিষ্ঠা করেই দেশকে এগিয়ে নেয়া হবে হাজার বছর।
দেশ হয়ে যাবে মুক্তবুদ্ধির চর্চাকেন্দ্র।
একি এক অদ্ভুৎ ক্রীড়াক্ষেত্র!
গত প্রায় দশ বছর আমরা এসবই দেখে যাচ্ছি। শুনে যাচ্ছি।
স্ট্যান্ডার্ডহীন একাডেমিক সার্টিফিকেট দিয়ে দেশের ছেলে-মেয়েদের প্রতিবন্ধী করে ফেলা হচ্ছে!
এরা পরে থাকে দেশপ্রেম নিয়ে!
শত কোটি টাকা খরচ করে 'সোনার বাংলা গান' গেয়ে এরা দেশপ্রেম দেখায়। রেকর্ড করে দেশপ্রেমের।
এদেশে একটা ব্রীজ, কালভার্ট, রাস্তা, ভবন তৈরীতে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করে ফেলা হয় মুহুর্তেই।
একটা সম্পূর্ণ ব্যাংক খেয়ে ফেলা হয় মুহুর্তেই।
যোগ্যতার কোন সম্মান নেই এদেশে।
যে এমপি আজ মারা যায় কাল তার স্ত্রী বা পুত্র-কন্যা পায় পরবর্তী এমপি হবার নমিনেশন। কি দারুণ যোগ্যতা!
(প্রবাসী আমেরিকানের লেখা। ঈষৎ নয় বড় রকমের সংক্ষেপিত। বানানে সমস্যা আছে ঠিক করিনি )
(Collected from Ashraf Ashu post )
রমজানের রোজা রেখে আপনি.............
০১. গালিগালাজ, মারামারি, ফাটাফাটি, মিথ্যে কথা বলতে পারবেন না।
০২. মাজন, টুথপেষ্ট, কয়লা, কালি বা বালি দিয়ে দাত মাজতে পারবেন না।
((খালি ব্রাশিং মেশিন দিয়ে মাজতে হবে, সর্বোত্তম পন্থা রাসূল সঃ এর সুন্নাত মিসওয়াক করা!))
০৩. প্রচন্ড তাপদাহ থেকে বাঁচতে সারাদিন পানিতে ডুবে থাকতে পারবেন না।
০৪. ঘুমের ঘোরে রোজাকে উবে দিতে বেঘোরে সারাদিন ঘুমে কাটাতে পারবেন না।
০৫. রোগি বা দুর্বল কেউ ভূলে পানাহার করলে তাৎক্ষনিক তাকে রোজার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়া যাবেনা।
০৬. সময় ব্যয়ের জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা খেলায় মত্ত থাকতে পারবেন না।
((ইসলামে শালীনতামূলক কোন খেলা নিষিদ্ধ নয়; কিন্তু সময় নষ্টকারি যে কোন খেলা ইসলাম সমর্থন করেনা, কারণ ইসলাম সময়ের প্রতি খুবই পাংচুয়াল!))
০৭. মোবাইল, টেলিভিশনে অশ্লিল ছবি দেখা যাবেনা।
০৮. মানুষকে দেখিয়ে দেখিয়ে দোয়া-তাসবিহ, জিকির ইত্যাদি করা যাবেনা, এটি রিয়া।
((রিয়া সাংঘাতিক শিরক!))
০৯. অযু করার সময় নাকে পানি, কুলি & গড়গড়া করার সময় সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
১০. স্বামী সাক্ষাৎ আজরাঈল হলে এবং বাড়িতে নাবালক বা রোজাহীণ কেউ না থাকলে তরকারির স্বাদ পরিক্ষা করা যাবে, এমনকি নামাজে থাকলে নিঃশ্ব্দে এসে দরজা খুলে দেয়া যাবে।
১১. স্ত্রীকে চুমু বা জড়িয়ে ধরলে রোজার কোন ক্ষতি নেই, তবে খেয়াল রাখতে হবে এ কাজ করতে গিয়ে যেন স্বামী/স্ত্রীর বিশেষ অর্গান থেকে বিশেষ পদার্থ বের না হয়।
((এরকম হলে কাযা+কাফফারা আদায় করতে হবে, কাযা+কাফফারা হলো একনাগাড়ে ৬০ টি রোজা রাখতে হবে। রোজা রাখতে গিয়ে যদি ৫৯ তম দিন ঈদের দিন হয়, তাহলে পূনরায় এক থেকে ষাট টি রাখতে হবে।
কেননা, ইদুল ফিতর, ইদুল আযহা এবং তৎপরবর্তী ৩ দিন = ৫ দিন ইসলামে রোজা রাখা হারাম!))
১২. মহিলারা কাফফারা আদায়কালে হায়েজ (মাসিক ঋতুস্রাব) দেখা দিলে রোজার ধারাবাহিকতা নষ্ট হবেনা, যেদিন থেকে হায়েজ বন্ধ হবে সেদিন থেকে বাকি রোজা রাখা স্টার্ট করতে হবে।
((নিফাসের ক্ষেত্রে ভিন্ন মাসআলা!))
★উপরোক্ত ০১ থেকে ১০ নং কারণে আপনার রোজা ভঙ্গ হবেনা, তবে রোজার পবিত্রতার ভারসাম্য নষ্ট হবে। আপনি কি চান এই মৃতপ্রায় রোজা নিয়ে রবের দরবারে যেতে..!
★যেসব কারনে রোজা ভঙ্গ হবে★
০১. সেহরির সময় আছে মনে করে সেহরি খেলে অথবা ইফতারের সময় হয়েছে মনে করে ইফতার করলে।
০২. কেউ জোরপূর্বক কিছু খাইয়ে দিলে।
০৩. ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করলে।
((অনিচ্ছায় যত বমি হোকনা কেন রোজার কোন ক্ষতি হবেনা, এমনকি সামান্য বমি আসার পর ডুকে গেলেও কোন সমস্যা নেই!))
০৪. শরীরে বল, শক্তিবৃদ্ধিকারক ইনজেকশান পুশ করলে।
((তবে রোগের কারণে কোন ইনজেকশান দেয়া হলে ক্ষতি নেই!))
০৫. দাতের ফাঁকে মার্বেল পরিমাণ খাদ্যকনা আটকে থাকার পর তা খেয়ে ফেললে।
****এছাড়া.....****
★হঠাৎ কোন মেয়ের যৌনাঙ্গ দেখার পর উত্তজিত হয়ে বীর্য নির্গত হলে রোজার কাফফারা দিতেতে হবেনা।
★মুসাফির ইচ্ছে করলে রোজা রাখতেও পারবে আবার নাও রাখতে পারবে।
★জিবন-মৃত্যুর প্রশ্ন আসলে রোজা ভেঙ্গে ফেলা সম্পূর্ণ জায়েজ।
((এতে কাফফারা দিতে হবেনা।))
★ কোন মা যদি অনুভব করে যে, ইফতার পর্যন্ত রোজাবস্থায় থাকলে পেঠের বাচ্চার সমস্যা হবে, তাহলে ভেঙ্গে ফেলা জায়েজ।
★কেউ বেহুশ হলে তাকে তাৎক্ষনিক রোজা ভাঙ্গাতে কোন সমস্যা নেই।
★রক্ত পরিক্ষার জন্য রক্ত নেয়া হলে বা কাউকে রক্ত দিলে রোজার ক্ষতি নেই।
★বাচ্চা যদি অন্যের দুধ পান না করে এবং বাজারে প্রচলিত কেনা দুধের প্রতি অনীহা পোষন করে, তাহলে মায়ের রোজা না রাখার বিধান আছে।
★কাউকে সাপে দংশন করলে রোজা ভাঙ্গা জায়েজ।
★দুর্বল কেউ সাহস করে রোজা রাখার পর যদি থাকতে না পারে তাহলে তার জন্য রোজা ভাঙ্গা জায়েজ।
পোষ্টের সব মাসআলা ---
*সহিহ বুখারী,
*সহিহ মুসলিম,
*সিহাহ সিত্তার সব কিতাব,
*রাসায়েল ও মাসায়েল,
*ফিকহুস সুন্নাহ,
*ফতোয়ায়ে আলমগীরী,
*তাফসিরে মা'রেফুল কুরান,
*তাফসিরে কুরতুবি থেকে উৎকলিত।
নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে দেওয়ানবাগী হুজুর ইউনাইটেড হাসপাতালের আইসিইউ তে ভর্তি। পত্রিকা, ওয়াল, টিভিতে বিজ্ঞাপন দিয়ে আজকাল যারা পীর হচ্ছেন, যারা সরাসরি জান্নাতে যাওয়ার গ্যারান্টি দিচ্ছেন এবং হাতি ঘোড়া উপঢৌকন নিচ্ছেন। তারা আসলে - একজন সাইন্সের ছাত্রের চেয়ে কম জ্ঞানী একজন তুচ্ছ মানুষ।
দেওয়ানবাগী হুজুর সিরিয়া যুদ্ধ নিয়ে বলেছিলেন - "আমি চাইলেই এই যুদ্ধ থামাই দিতে পারি, কিন্তু আল্লাহ নাকি তাকে নিষেধ করেছে"। "প্লিচ হুজুর, আপনি আপনার শরীরের নিউমোনিয়ায় যে Inflammation যুদ্ধ শুধু হইছে, সেইটা থামান" ।
-------
Dr Sayed Sujon
হুমায়ূন আহমেদকে সাংবাদিক অভিনেতা মাহফুজ আহমেদ প্রশ্ন করেছিলেন,
"এ দেশের বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা সম্পর্কে আপনার অভিমত কী?’'
হুমায়ূন আহমেদের সহজ উত্তর ছিল,
“আমাদের বুদ্ধিজীবী সমাজে যাঁরা আছেন, তাদের কার্যক্রম খুব একটা পরিষ্কার না। এরা কেন জানি ইসলাম ধর্মকে খুব ছোট করে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান অন্য ধর্মের উৎসবে আমাদের বুদ্ধিজীবীরা উপস্থিত থাকেন, বক্তৃতা করেন, বাণী দেন- কিন্তু ইসলামী কোনো জলসায় কেউ উপস্থিত হয়েছেন বলে শোনা যায় না। তাদের মতে, ইসলামি জলসায় কেউ উপস্থিত থাকা মানে তার বুদ্ধিবৃত্তি নিম্নমানের। সে একজন প্রতিক্রিয়াশীল, সাম্প্রদায়িক লোক।
আমাদের বুদ্ধিজীবীদের কাছে হিন্দু, বৌদ্ধ বা খ্রিষ্টানদের কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার অর্থ মুক্তবুদ্ধির চর্চা করা, প্রগতির চর্চা করা, সংস্কারমুক্ত হওয়া ইত্যাদি।
প্রফেসর আব্দুস সালাম ঢাকায় এসে যখন বক্তৃতার
শুরুতে ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম’
বললেন, তখন আমাদের বুদ্ধিজীবীরা
হকচকিয়ে গেলেন। কারণ তাদের কাছে
প্রগতিশীল হওয়া, বুদ্ধিজীবী হওয়া, মুক্তবুদ্ধির চর্চা করা মানেই ইসলামবিরোধী হতে হবে । এসব তারা উদাহরণ হিসেবেও ব্যবহার করেন; কিন্তু রাসূল মুহাম্মাদ (স) এর বাণী কখনো তাদের মুখ থেকে শোনা যায় না।
আমার মতে, পৃথিবীর তাবৎ ঔপন্যাসিক যাঁর কোটের পকেট থেকে বেরিয়ে এসেছেন, তার নাম দস্তয়ভস্কি। আরেকজন আছেন মহামতি টলস্টয়। এক রেলস্টেশনে যখন টলস্টয় মারা গেলেন, তখন তাঁর ওভারকোটের পকেটে একটি বই পাওয়া গেছে, তার নাম 'Sayings of the Prophet'। বইটি ছিল টলস্টয়ের খুব প্রিয়। সব সময় সঙ্গে রাখতেন। সময় পেলেই পড়তেন। বইটিতে রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিভিন্ন সময়ে বলা ইন্টারেস্টিং কথাগুলো গ্রন্থিত।
আমি বিনয়ের সঙ্গে আমাদের বুদ্ধিজীবীদের কাছে জানতে চাইছি, আপনাদের ক’জন বইটি পড়েছেন? টলস্টয় যে বইটি পকেটে নিয়ে ঘুরে বেড়াতেন, সেই বই আমাদের প্রত্যেকের একবার কি পড়া উচিত নয়? আমার মতে, প্রতিটি শিক্ষিত
ছেলেমেয়ের বইটি পড়া উচিত।”
( তিনি প্রিয় নবী (স) এর হাদীস পড়ার কথা বলেছেন)
.
সুত্রঃ হুমায়ূন আহমেদ
ঘরে বাইরে হাজার প্রশ্ন।
লেখকঃ অভিনেতা মাহফুজ আহমেদ
কলকাতা 24x7 পত্রিকায় কিছুদিন আগে খবর ছাপিয়েছিল ‘মাত্র দুসপ্তাহের মধ্যে গোটা বাংলাদেশ দখল করে নিতে পারবে ভারত’
বাংলাদেশ দখল করবে ভারত, এটা চিন্তা করাওতো ভারতে বোকামি। যেখানে বাংলাদেশের রাজপদ থেকে বেড রুম পর্যন্ত ভারতের দখলে। ভারতীয় টিভি চ্যানেল স্টার প্লাস, স্টার জলসা ও জি বাংলা বন্ধ চেয়ে করা রিট যা আজ খারিজ করে দিয়ে বাংলাদেশ দখলে রাখার বিষয়টি আরো পাকাপোক্ত করে দিল মহামান্য হাইকোর্ট (copy from Islam hasan vai.
ভারত থেকে ভেসে আসা হাতিকে বাঁচাতে সরকার আর মিডিয়ার কত আয়োজন আমরা দেখলাম,
অথচ #মায়ানমারের বৌদ্ধ সন্ত্রাসীদের হামলা থেকে প্রানে বেঁচে আসা আরাকানি #রোহিংগা মুসলমানদের এতোটুকু মাথা গোজার আশ্রয় দেয়ার মত কেউ নাই, বরং সাগরের পানিতে ভেসে আসা এই মানুষগুলোকে কক্সবাজার থেকেই আবার মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়ে ফের মায়ানমারে পাঠানো হচ্ছে।
#মানবতা আজ বাক্সবন্দি।
ভালো অভ্যাস:
১। অপরের সামনে নাক খুটবেন না, নাক ঝাড়বেন না, কান খোচাবেন না, থুথু ফেলবেন না এবং দাঁত খোচাবেন না।
২। অপরের মুখের সামনে হাঁচি দিবেন না।
৩। হাই তুলে মুখ হা করতে হলে হাত দিয়ে মুখ চেপে হা করুন।
৪। অন্যের মুখের সামনে দাঁত ব্রাশ বা মাজবেন না।
৫। কারো মুখের সামনে বাসি মুখে কথা বলবেন না।
৬। ঘুমন্ত ব্যক্তিকে চিৎকার করে বা ধাক্কা দিয়ে ঘুম ভাঙ্গাবেন না।
৭। অপরের ব্যবহৃত তোয়ালে বা গামছা ব্যবহার করবেন না।
৮। মুখে একত্রে বেশী খাবার পুড়ে বা মুখ ফুলিয়ে খাবেন না।
৯। খাবারের পরে লুঙ্গি, শাড়ি বা পরিহিত পোষাক দিয়ে হাত, মুখ মুছবেন না।
১০। বিনা অনুমতিতে বা বিনা নোটিশে কারো ঘরে প্রবেশ করবেন না।
১১। বিনা অনুমতি বা বিনা সম্মতিতে কারো জিনিস ব্যবহার করবেন না (যদিও সামান্য কিছু হয়)।
১২। কারো ব্যক্তিগত বা পারিবারিক বিষয়ে অযথা নাক গলাবেন না।
১৩। বিনা প্রয়োজনে অধিক কথা বলবেন না।
১৪। অপরের বক্তব্য ধৈর্য্য সহকারে শুনুন।
১৫। একে অপরের সাহায্যে এগিয়ে আসুন।
১৬। মানুষমমাত্রই ভুল করে,তাই ক্ষেত্র বিশেষএ ভুল হলে আন্তরিক ভাবে দু:খ প্রকাশ করার চর্চা করুন।
১৭। বেশি বেশি সালাম / গ্রিটিংস দেওয়ার চেষ্টা করুন।
১৮। সালাম / যে কোন শুভ কামনার জবাব দিন।
১৯। ক্ষমা ও সহনশীলতার চর্চা করুন।
২০। ইবাদত, মিটিং, মাহফিল, কনফারেন্স ও বিশেষ ডিউটি ইত্যাদিতে মোবাইল ফোন বন্ধ অথবা ভাইব্রেশন দিয়ে রাখুন।
২১। কোন জিনিস যেখান থেকে নিয়েছেন ঠিক সেখানেই রাখুন।
২২। মানুষকে সু-পরামর্শ দিন। না পারলে চুপ থাকুন। অযথা জানার অধিক বলার চেষ্টা না করাই শ্রেয়।
২৩। ব্যক্তিগতভাবে দৈনন্দিন জীবনে নিজ নিজ ক্ষেত্রে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করুন
05/10/2016
গান্জা তে ভেজাল না মেশানোর অনুরোধ করছি ....
বদরুল ছাত্রলীগের কেউ নয় শিবির হতে পারে: হাসান মাহমুদ সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী খাদিজা বেগম নার্গিসের ওপর হামলাকারী বদরুল আলম ছাত্রলীগের কেউ নয় বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ।বুধবার দুপুরে প্রেসক্লাবের হ…
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Cox's Bazar
4700