ইসলামিয়া আশ্বরাফুল উলুম মহিলা মাদ্রাসা ঝাপুয়া মহেশখালী

ইসলামিয়া আশ্বরাফুল উলুম মহিলা মাদ্রাসা ঝাপুয়া মহেশখালী

Share

শরিয়াহ মোতাবেক নারীদের যুগ উপযোগী ইস? Islamic institute

10/04/2025

অত্র মাদ্রাসায় ১৪৪৬-১৪৪৭ হিজরী শিক্ষাবর্ষে ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, অদ্যকার ৬ই শাওয়াল ১৪৪৬ হিজরী মোতাবেক, ৫ই এপ্রিল ২০২৫ ইংরেজি (শনিবার) অত্র মাদ্রাসায় ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে ।আলহামদুলিল্লাহ।

❤️ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনিয় নীতিমালা।

মেয়েদের জন্য এটি একটি ঐতিহ্যবাহী পুরাতন সফল দ্বীনী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে ধর্মীয় জ্ঞান শিক্ষা দানের পাশাপাশি উত্তম চরিত্র এবং নীতি-নৈতিকতারও শিক্ষা দেয়া হয়।

✍️সুতরাং প্রত্যেক আগাত শিক্ষার্থীকে নিম্নের দিকনির্দেশনা অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

👉ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীকে অবশ্যই প্রকৃত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের অনুসারী ও পর্দাশীল হতে হবে।
👉পোশাক-পরিচ্ছদ,পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা,সাজ-সজ্জা ও আচার-আচরণ অবশ্যই শরীয়ত ও সুন্নাহ অনুযায়ী হতে হবে।
👉মাদ্রাসায় নিয়মিত উপস্থিত থেকে দরস ও তাকরারে বাধ্যতামূলকভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে।
👉মাদ্রাসার সুনাম নষ্ট হয় এমন কোন কর্মকাণ্ড করা যাবে না।
👉মাদ্রাসার শিক্ষা বিভাগের যাবতীয় নিয়ম-কানুন মেনে চলতে বাধ্য থাকবেন।
👉মাদ্রাসার সম্মানিত শিক্ষক শিক্ষিকা-কর্মচারি -গেট সিকিউরিটি সহ প্রত্যেক ব্যক্তির প্রতি সর্বোচ্চ আনুগত্য প্রদর্শন করতে হবে। তাঁদের সাথে বেআদবী, অশুভ আচরণ বহিষ্কারযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
👉ছাত্রীদের জন্য মোবাইল ব্যবহার একটি ধ্বংসাত্মক কাজ। তাই সকল শিক্ষার্থীকে তা পরিহার করতে হবে।
👉 বাহিরের কোন ইলেকট্রনিক মাদ্রাসায় এসে ব্যবহার করতে পারবে না & বন্যা এবং তুফানের সময় চার্জের অনুমতি নিতে হবে।

#ভর্তি ফি ও খোরাকী সংক্রান্ত নিয়মাবলি :
প্রত্যেক বিভাগের ফি একই রকম না হওয়ায় এখানে বলা হয়নি,, গরিব এতিমদের জন্য বিশেষ আলাপের ব্যবস্থা রয়েছে
ইয়াতীম ও হতদরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য দরখাস্তের ভিত্তিত্বে ফ্রি খানা চালু করার সুযোগ রয়েছে।
👉মাদ্রাসার উপরের ক্লাসের যে কোন ছাত্রীদের মাদ্রাসার গ্রন্থাগার থেকে কিতাব নিয়ে পড়ার সুযোগ আছে নিয়মের ভিত্তিতে ।

বিঃদ্রঃ
ভর্তি সংক্রান্ত কোন বিষয় জানার থাকলে তালিমাতে মাদ্রাসা।
মোবাইল :
+8801813105654
+880 1813-259614

মাদ্রাসার লিল্লাহ বোর্ডিং সংক্রান্ত কোন বিষয় জানার থাকলে হাফিজ মাওলানা আব্দুশ শাকুর সাহেব দা:
মোবাইল :
+880 1830-783848

21/04/2024

অত্র মাদ্রাসায় ১৪৪৫-১৪৪৬ হিজরী শিক্ষাবর্ষে ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, অদ্যকার ১০ই শাওয়াল ১৪৪৫ হিজরী মোতাবেক, ২০ এপ্রিল ২০২৪ ইংরেজি (শনিবার) অত্র মাদ্রাসায় ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে ।আলহামদুলিল্লাহ।

❤️ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনিয় নীতিমালা।

মেয়েদের জন্য এটি একটি ঐতিহ্যবাহী পুরাতন সফল দ্বীনী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে ধর্মীয় জ্ঞান শিক্ষা দানের পাশাপাশি উত্তম চরিত্র এবং নীতি-নৈতিকতারও শিক্ষা দেয়া হয়।

✍️সুতরাং প্রত্যেক আগাত শিক্ষার্থীকে নিম্নের দিকনির্দেশনা অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

👉ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীকে অবশ্যই প্রকৃত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের অনুসারী ও পর্দাশীল হতে হবে।
👉পোশাক-পরিচ্ছদ,পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা,সাজ-সজ্জা ও আচার-আচরণ অবশ্যই শরীয়ত ও সুন্নাহ অনুযায়ী হতে হবে।
👉মাদ্রাসায় নিয়মিত উপস্থিত থেকে দরস ও তাকরারে বাধ্যতামূলকভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে।
👉মাদ্রাসার সুনাম নষ্ট হয় এমন কোন কর্মকাণ্ড করা যাবে না।
👉মাদ্রাসার শিক্ষা বিভাগের যাবতীয় নিয়ম-কানুন মেনে চলতে বাধ্য থাকবেন।
👉মাদ্রাসার সম্মানিত শিক্ষক শিক্ষিকা-কর্মচারি -গেট সিকিউরিটি সহ প্রত্যেক ব্যক্তির প্রতি সর্বোচ্চ আনুগত্য প্রদর্শন করতে হবে। তাঁদের সাথে বেআদবী, অশুভ আচরণ বহিষ্কারযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
👉ছাত্রীদের জন্য মোবাইল ব্যবহার একটি ধ্বংসাত্মক কাজ। তাই সকল শিক্ষার্থীকে তা পরিহার করতে হবে।
👉 বাহিরের কোন ইলেকট্রনিক মাদ্রাসায় এসে ব্যবহার করতে পারবে না & বন্যা এবং তুফানের সময় চার্জের অনুমতি নিতে হবে।

#ভর্তি ফি ও খোরাকী সংক্রান্ত নিয়মাবলি :
প্রত্যেক বিভাগের ফি একই রকম না হওয়ায় এখানে বলা হয়নি,, গরিব এতিমদের জন্য বিশেষ আলাপের ব্যবস্থা রয়েছে
ইয়াতীম ও হতদরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য দরখাস্তের ভিত্তিত্বে ফ্রি খানা চালু করার সুযোগ রয়েছে।
👉মাদ্রাসার উপরের ক্লাসের যে কোন ছাত্রীদের মাদ্রাসার গ্রন্থাগার থেকে কিতাব নিয়ে পড়ার সুযোগ আছে নিয়মের ভিত্তিতে ।

বিঃদ্রঃ
ভর্তি সংক্রান্ত কোন বিষয় জানার থাকলে তালিমাতে মাদ্রাসা।
মোবাইল :
+8801813105654
+880 1813-259614

মাদ্রাসার লিল্লাহ বোর্ডিং সংক্রান্ত কোন বিষয় জানার থাকলে হাফিজ মাওলানা আব্দুশ শাকুর সাহেব দা:
মোবাইল :
+880 1830-783848

21/04/2024

অত্র মাদ্রাসার সম্মানিত পরিচালকের মোবাইল চুরি (গাড়িতে পকেট মারার শিকার) হওয়ায় হযরত দেশ বিদেশের অনেক মুহিব্বিনদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে অপারগ মর্মে ব্যথিত হয়েছেন।
ইনশাআল্লাহ আবার যোগাযোগ সচল হবে।
সকলের কাছে বিষয়টি বিবেচনার জন্য অনুরোধ রইল।
এডমিন

Photos from ইসলামিয়া আশ্বরাফুল উলুম মহিলা মাদ্রাসা ঝাপুয়া মহেশখালী's post 16/12/2023

আজ অত্র জামেয়ার বালিকা শাখার তিন তলা ভবনের উদ্বোধন হয়।
প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেছেন
আল হেদায়া ফাউন্ডেশনের ভাইয়েরা।(ফয়সাল ভাই)

31/05/2023

কুরবানীর জরুরি ৬৬ টি মাসয়ালা!
________________________________________________

১.কার উপর কুরবানী ওয়াজিব?
উঃ জিলহজ্জ মাসের ১০ সুবহে সাদিক থেকে১২ তারিখ
সূর্যাস্ত পর্যন্ত কারো কাছে যদি নিছাব পরিমাণ সম্পদ থাকে ৭ঃ৫ সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ অথবা সাড়ে ৫২ ভরি রুপা থাকে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব।

২.নিছাবের মেয়াদ কত দিন?
উঃ ৩ দিন, জিলহজ্জ মাসের ১০,১১ এবং ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত।

৩. তিন দিনের মধ্যে কোন দিন কুরবানী করা উত্তম?
উঃ ১০ তারিখে প্রথম দিন।

৪.যদি নাবালক এর নিছাব পরিমাণ সম্পদ থাকে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে কি ?
উঃ না।

৫.বালেক সুস্থ মস্তিষ্ক না নিছাব পরিমাণ সম্পদ আছে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে কি ?
উঃ- না

৬.যদি নাবালেক এর নিছাব পরিমাণ সম্পদ থাকে এর পক্ষে থেকে কুরবানী দেওয়া কি?
উঃ মুস্তাহাব, ওয়াজিব না।

৭.দরিদ্র লোকের উপর কুরবানী কি ওয়াজিব?
উঃ- না, তবে যদি কুরবানির নিয়তে পশু ক্রয় করে
তখন সে পশু কুরবানী করা ওয়াজিব।

৮.কেউ যদি কুরবানির দিন গুলোতে কুরবানির দিতে না পারে তাহলে কি করবে, যদি সে নিছাব পরিমাণ সম্পদ আছে, কোন সমস্যায় দিতে পারে নি তাহলে কি করবে?

উঃ-একটা ছাগল যে কুরবানী উপযুক্ত সে ছাগলের সমপরিমাণ টাকা সদকা করে দিবে ন এটা হলো যারা পশু ক্রয় করতে পারেনি তাদের জন্য।
কিন্তু যারা পশু কিনেছেন কিন্তু তিন দিনের মাঝে কুরবানী দিতে পারেন নি তাহলে তার জন্য করণীয় হলো সে পশু সদকা করে দেওয়া।

আবার যদি কেউ তিন দিন পর জবাই করে ফেলে তাহলে সে ঐ পশুর গোশত ওজন করবে তারপর যদি ঐ পশুর ক্রয়ের টাকা থেকে কম হয় তাহলে গোশত সহ
যতো টাকার গোশত কম হয়েছে পুরো টাই সদকা করতে হবে। ধরনে আপনি ২০ হাজার দিয়ে কিনেছেন ওজন দিয়ে দেখলেন ১৮ হাজার টাকার গোশত হয়েছে
গোশতের আরও ২ হাজার টাকা সদকা করতে হবে।

৯.প্রথম দিন কখন থেকে কুরবানী করা যাবে?
উঃ যে এলাকায় জুমার নামাজ,এবং ঈদের নামাজ ওয়াজিব সে এলাকায় ঈদের নামাজের আগে কুরবানী করা জায়েজ নেই। তবে কোন প্রকার দুর্ঘটনা ঘটে গেলে
যদি ঈদের নামাজ না পড়া যায় তাহলে করনীয় হলো সূর্য মধ্যে আকাশ অতিক্রম করার পর কুরবানী করা জায়েজ হবে।

১০.রাতে কুরবানী দিলে কি হবে?
উঃ ১০,১১ তারিখে রাতে দিলে হবে ১২ তারিখ রাতে দিলে হবে না।

১১.কোন কোন পশু দিয়ে কুরবানী দেওয়া জায়েজ?
উঃ- গরু,উট,মহিষ,দুম্বা, ছাগল এবং ভেড়া।

১২.পশু দের লিঙ্গ ভেদ করতে হবে কি?
উঃ- না, পুরুষও মহিলা উভয় দিয়ে হবে।

১৩.পশুর বয়স সীমা কত?
উঃ উট কম পক্ষে ৫ বছর,গরু মহিষ ২ বছর
ভেড়া, দুম্বা ছাগল ১ বছর।
ভেড়া এবং দুম্বা ১ বছর হয়নি তবে বলিষ্ঠ মনে হয়
যে এক বছর হয়েছে তাহলে এটা দিয়ে কুরবানী হবে।
তবে ছাগল ১ বছরের নিচে কোন ভাবে হবে না।

১৪.শরীক সর্বোচ্চ কত জন হওয়া যাবে?
উঃ উট,গরু,মহিষে সর্বোচ্চ ৭ জন কমে হলে সমস্যা নেই তবে একা দেওয়া উত্তম । ছাগল, দুম্বা, ভেড়া তে একজন।

১৫.গোশত ভাগে কম বেশি হলে?
উঃ- কারো কুরবানী সহীহ হবে না।

১৬. শরীকের মাঝে কেউ যদি গোশত খাওয়ার নিয়তে দেয় তাহলে?

উঃ- কারো কুরবানী হবে না।

১৭.কুরবানীর পশুতে আকিকা দেওয়া যাবে?
উঃ- হ্যাঁ, তবে উট, গরু,এবং মহিষে।

১৮. শরীক দার দের মাঝে যদি কারো অধিকাংশ বা পুরা টাকা হারাম হয় তাহলে কি কুরবানী হবে?

উঃ- না না না! কারো কুরবানী হবে না।

১৯. গরু, মহিষ উট একা কুরবানী নিয়তে কিনার অন্য কাউকে কি শরীক করা যাবে?

উঃ- ধনী হলে পারবে অর্থাৎ যার উপর ওয়াজিব , তবে গরিব ওয়াজিব না কুরবানী তার উপর। পশু কিনে ফেলছে কুরবানীর নিয়তে তাহলে শরীক করা যাবে না একাই দিতে হবে।

২০.কোন ধরনের পশু নির্বাচন করা উত্তম?
উঃ- রিষ্ট পুষ্ট, তাজা পশু নির্বাচন করা সুন্নত।

২১.যে পশু তিন পায়ে ভর করে চলে এমন পশু ধারা কি কুরবানী হবে?

উঃ- না

২২.রোগ্ন পশু দিয়ে কি কুরবানী হবে?
উঃ- না

২৩.দাঁত ছাড়া পশু দিয়ে কি কুরবানী হবে?
উঃ একটা দাত নেই এটা কোন ভাবেই হবে না ,অথবা কিছু আছে তবে ঘাস খেতে পারে না এমন পশু ধারা কুরবানী হবে না।

২৪. শিং ছাড়া পশু দিয়ে কুরবানী হবে কি ?
উঃ জন্মগত যে পশুর শিং নেই সেটা ধারা হবে।
তবে পরবর্তীতে যেটা ভেঙ্গে যায় আর তার ফলে মস্তিষ্কে ক্ষতি হয় এমন পশু ধারা হবে না। তবে অর্ধে হলেও হবে।

২৫.লেজ কাটা, কান কাটা পশু দিয়ে কুরবানি হবে কি?
উঃ যদি পশুর লেজ বা কান অর্ধেক বা তার বেশি কাটা হয় তাহলে সে পশু ধারা কুরবানী হবে না।
তবে অর্ধেকের কম হলে হবে।

২৬.অন্ধ পশু ধারা কুরবানী করা যাবে কি?
উঃ- না তবে যে পশুর এক চোখ ও অন্ধ সেটা দিয়েও হবে না।



২৭.কুরবানীর নিয়তে পশু ক্রয় করার পর হারিয়ে গেলে দাতা কি করবে?

উঃ- ধনী হলে আরেক টা ক্রয় করবেন।
এবং গরিব ওয়াজিব নয় এমন ব্যক্তি ক্রয় করতে হবে না
তবে কিনার পরে যদি আবার প্রথম পশু ফিরে পাওয়া যায় তাহলে ধনী ব্যক্তি যেকোন একটা কুরবানী করলে হবে, তবে দুটা করা উত্তম একটা করলেও হবে।

** আর গরিব ব্যক্তি যদি হয় তাহলে দুটাই দিতে হবে।
দুটাই দেওয়া তখন ওয়াজিব।

২৮.গর্ভবতী পশু কুরবানী করা কি জায়েজ আছে?
উঃ- হ্যা জায়েজ।

২৯.পশু জবাইয়ের পরে যদি বাচ্চা কে জীবিত পাওয়া যায় তাহলে কি করবে?
উঃ- বাচ্চা ও জবাই দিতে হবে।

৩০.জবাইয়ের আগ মুহূর্তে যদি পশু প্রসব অবস্থায় উপনীত হয় তখন করনীয় কি?

উঃ- সে পশু জবাই করা জায়েজ আছে, তবে মাকরূহ!

৩১.পশু ক্রয় করার পর যদি এমন কোন দোষ দেখা যায় যে দোষ গুলো থাকিলে কুরবানী হয় না তখন করনীয় কি?
উঃ- এই পশু ধারা কুরবানী হবে না।
তবে এখানে গরিব ব্যক্তির জন্য জায়েজ আছে
ধনী ব্যক্তির জন্য জায়েজ নয়।

৩২.আপনি কোন পশু ক্রয় করার সময় জিজ্ঞেস করলেন বয়স কত সে বললো ২ বছর যদি সেটার আসলে বয়স ২ বছর না হয় তখন কি করনীয় বা কুরবানী কি হবে?

উঃ- হ্যা হবে তবে যে বিক্রেতা মিথ্যা বলেছে তার গুনা হবে।

৩৩.পশু কোথায় জবাই করা উত্তম?
উঃ- যেখানে পরিবেশ দূষিত হওয়ার আশংকা কম থাকে।

৩৪. পশু কে জবাই করা উত্তম?
উত্তমঃ- নিজের পশু নিজে কুরবানী করা উত্তম।

৩৫.বন্ধা পশু ধারা কুরবানী হবে কি?
উঃ- হ্যা হবে ।

৩৬.অনেক সময় হুজুর জবাই করার পর দেখা যায় সম্পূর্ণ হয় নি আবার অন্য জন তরবারি হাতে নিয়ে
রগ বা শিরা কাটতে যায় এটা কি জায়েজ হবে?

উত্তরঃ- হ্যা জায়েজ আছে তবে উভয় ব্যক্তি বিসমিল্লাহি আল্লাহ আকবার না বললে কুরবানী হবে না।
একজন যদি না বলে সেক্ষেত্রে ও কুরবানী বাতিল হয়ে যাবে।

৩৭. কুরবানীর পশু ধারা উপকৃত হওয়া যাবে কি?
উঃ না এটা কোন ভাবে জায়েজ নেই।

৩৮.কুরবানীর পশু ধারা যদি আপনি হাল চাষ করে ফেলেন সেক্ষেত্রে করনীয় কি?
উঃ অন্য পশু ধারা করলে যে পারিশ্রমিক আসত সে পরিমান টাকা সদকা করে দেওয়া।

৩৯.কুরবানির পশুর,দুধ পান করা যাবে কি?
উঃ- না

৪০. যদি পশুর জবাইর আগে মন হয় দুধ দহন না করলে পশুর কষ্ট হবে তাহলে করনীয় কি?

উঃ- সে দুধ দহন করে সদকা করে দিতে হবে.
ভুলে খেয়ে ফেললেন তখন যে পরিমাণ পান করেছেন সে পরিমাণ অর্থ সদকা করতে হবে।

৪১.পশু ক্রয় করার পর শরীক মারা গেল তখন কি করবে?

উঃ- তার ওয়ারিশ রা যদি বলে কুরবানী করেন তাহলে
করতে পারবেন, আর যদি বলে না করতে পারবেন না তাহলে টাকা দিয়ে দিতে হবে।
তবে চাইলে পরবর্তী আরেক জন শরীক করতে পারবেন।

৪২.জবাইয়ের আগে পশু বাচ্চা দিলে কি করবেন?

উঃ- ঐ বাচ্চা জীবিত সদকা করে দিতে হবে।
সদকা না করলে পশুর সাথে জবাই করতে হবে।
এখানে জবাই করা বাচ্চার গোশত সদকা করে দিতে হবে, আপনে খেতে পারবেন না।

৪৩.মৃত্যু ব্যক্তির পক্ষ থেকে কি কুরবানী করা যাবে?

উঃ- হ্যা করা যাবে, তবে উসিয়ত করে গেলে গোশত সদকা করে দিতে হবে। উছিয়ত না করলে আপনে খেতে পারবেন।

৪৪.তিন দিনের বেশি কুরবানীর গোশত রাখা যাবে?
উঃ- হ্যা রাখা যাবে যতো দিন ইচ্ছে!

৪৫.অনুমান করে বন্টন করা কি জায়েজ আছে?
উঃ- না, পূর্ণ ওজন করে ভাগ করতে হবে।

৪৬. তিনের এক অংশ গরীব কে দেওয়া, যদি সেটা না দেই তাহলে কি কুরবানী হবে? (আমরা যেটা কে সমাজের গোশত বলি)
উঃ- হ্যা হবে তবে সেটা বড় কৃপ্রনতার পরিচয়।

৪৭.গোশত চর্বি বিক্রি করা যাবে কি?
উঃ- না।

৪৮.জবাইকারী বা কসাই কে গোশত দিয়ে পারিশ্রমিক দেওয়া যাবে কি?

উঃ না টাকা দিতে হবে, তবে পরে হাদিয়া হিসেবে গোশত দিতে পারবেন আগে পারিশ্রমিক দিতে হবে।

৪৯. জবাই করার অস্র কেমন হতে হবে?
উঃ দাড়ালো উত্তম।

৫০. জবাইয়ের কত সময় পর চামড়া আলাদা করা যাবে?
উঃ- নিসতেজ হওয়ার পর পশু।

৫১.এক পশু কে অন্য পশুর সামনে জবাই করা যাবে কি?

উঃ- যাবে তবে ঠিক না নবী কারীম সাঃ নিষেধ করেছেন?

৫২.কুরবানীর গোশত অন্য র্ধমের ব্যক্তি কে দেওয়া যাবে কি ?
উঃ- হ্যা তাতে কোন সমস্যা নেই।

৫৩.পশু মারা গেলে অথবা ছিনতাই হয়ে গেলে কি করনীয়?
উঃ- ধনী হলে আরেক টা ক্রয় করবেন।
গরিব হলে লাগবে না।

৫৪.মুসাফির এর উপর কুরবানী করা কি ওয়াজিব?
উঃ না।

৫৫.কুরবানী ওয়াজিব এমন ব্যক্তির পক্ষ থেকে কুরবানী করলে কি করনীয়?

উঃ- ঐ ব্যক্তি থেকে অনুমতি নিতে হবে।

৫৬.কুরবানী গোশত খাওয়া কি?
উঃ- মুস্তাহব, না খেলেও গুনা হবে না। তবে খাওয়া উত্তম।

৫৭.কুরবানী ওয়াজিব এমন ব্যক্তি যদি ঋণ নিয়ে কুরবানী করে কুরবানী হবে কি?
উঃ হবে তবে সুদের উপর ঋণ নিয়ে করলে হবে না।

৫৮.হাজীরা যদি মুসাফির থাকে তখন তাদের উপর কুরবানী কি ওয়াজিব?
উঃ- না।

৫৯.পাগল পশু ধারা কুরবানী কি হবে?
উঃ- না।

৬০.নবী কারীম সাঃ এর পক্ষ থেকে কুরবানী করা কি?
উঃ- উত্তম সামার্থ্যবান দের জন্য।
এটার গোশত সবায় খেতে পারবে।

৬১.খাসি কৃত পশু ধারা কুরবানী করা যাবে কি?
উঃ- হ্যা

৬২.বিদেশে অবস্থানে ব্যক্তির করনীয় কি?
উঃ- উনার পক্ষ থেকে দেশে কুরবানী দিলেও হবে

৬৩.পশুর চামড়া কি নিজে ব্যবহার করা যাবে?
উঃ- হ্যা,তবে বিক্রি করলে টাকা সদকা করতে হবে।

৬৪.জবাই কারী কে পারিশ্রমিক দিতে হবে কি?
উঃ উত্তম হাদিয়া দেওয়া।

৬৫.কুরবানীর দিনে মুরগী হাঁস জবাই করা যাবে কি?
উঃ- যাবে, তবে কুরবানী নিয়তে করা যাবে না।

৬৬. জীবিত ব্যক্তির পক্ষ হতে কুরবানী করা যাবে কি?
উঃ- হ্যা যাবে।

আলহামদুলিল্লাহ এই হলো ৬৬ টি মাসায়ালা
আল্লাহ সকল কে সঠিক নিয়ম মেনে কুরবানী করার তৌফিক দান করুন আমিন।

21/01/2023

নতুন একাডেমিক ভবনের ৩য় তলার ছাদ ঢালায় চলছে।

Photos from Al-Jameatul Ashrafiya Japua Moheskhaliআল জামেয়াতুল আশরাফিয়া ঝাপুয়া মহেশখালী's post 16/08/2022
02/07/2022

২০২৩ সাল থেকে চালু হবে। কিন্তু পাঠ্যপুস্তকে যা যা বাদ দেয়া হয়েছে এবং যা যা যুক্ত হয়েছে তা সকলের জানা উচিত।
-------------------------------
পাঠ্যপুস্তকে বাংলা বই থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে -
১)) ক্লাস-২: ‘সবাই মিলে করি কাজ’ - শিরোনামে মুসলমানদের শেষ নবীর সংক্ষিপ্ত জীবন চরিত।
২) ক্লাস-৩: ‘খলিফা হযরত আবু বকর’ শিরোনামে একটি সংক্ষিপ্ত জীবন চরিত।
৩) ক্লাস-৪: খলিফা হযরত ওমর এর সংক্ষিপ্ত জীবন চরিত।
৪) ক্লাস-৫ : ‘বিদায় হজ্জ’ নামক শেষ নবীর সংক্ষিপ্ত জীবন চরিত।
৫) ক্লাস-৫: বাদ দেওয়া হয়েছে কাজী কাদের নেওয়াজের লিখিত ‘শিক্ষা গুরুর মর্যাদা’ নামক একটি কবিতা। যা বাদশাহ আলমগীর মহত্ব বর্ণনা উঠে এসেছে। এবং শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে আদব কেমন হওয়া উচিত তা বর্ণনা করা হয়েছিলো।
৬) ক্লাস-৫ : শহীদ তিতুমীর নামক একটি জীবন চরিত। এ প্রবন্ধটিতে শহীদ তিতুমীরের ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘটনা উল্লেখ ছিলো।
৭) ক্লাস-৬ : ড. মুহম্মদ শহীদু্ল্লাহ লিখিত ‘সততার পুরুষ্কার’ নামক একটি ধর্মীয় শিক্ষনীয় ঘটনা।
৮) ক্লাস-৬ : মুসলিম দেশ ভ্রমণ কাহিনী- ‘নীলনদ আর পিরামিডের দেশ’।
৯) ক্লাস-৬ : মুসলিম সাহিত্যিক কায়কোবাদের লেখা ‘প্রার্থনা’ নামক কবিতাটি।
১০) ক্লাস-৭: বাদ দেয়া হয়েছে মরু ভাষ্কর নামক শেষ নবীর সংক্ষিপ্ত জীবন চরিত।
১১) ক্লাস-৮: বাদ দেওয়া হয়েছে ‘বাবুরের মহত্ত্ব’ নামক কবিতাটি।
১২) ক্লাস ৯-১০: সর্ব প্রথম বাদ দেওয়া হয়েছে মধ্যযুগের বাংলা কবি শাহ মুহম্মদ সগীরের লেখা ‘বন্দনা’ নামক ধর্মভিত্তিক কবিতাটি।
১৩) ক্লাস ৯-১০: এরপর বাদ দেওয়া হয়েছে মধ্যযুগের মুসলিম কবি ‘আলাওল’ এর ধর্মভিত্তিক ‘হামদ’ নামক কবিতাটি।
১৪) ক্লাস ৯-১০: বাদ দেওয়া হয়েছে মধ্যযুগের মুসলিম কবি আব্দুল হাকিমের লেখা বঙ্গবানী কবিতাটি।
১৫) ক্লাস ৯-১০: গোলাম মোস্তাফার লেখা জীবন বিনিময় কবিতাটি। কবিতাটিতে মোঘল বাদশাহ বাবর ও তারপুত্র হুমায়ুনকে নিয়ে লেখা।
১৬) ক্লাস ৯-১০: কাজী নজরুল ইসলামের লেখা বিখ্যাত ‘উমর ফারুক’ কবিতা।

পাঠ্যবইয়ে যা প্রবেশ করেছে-
১) ক্লাস-৫ : স্বঘোষিত নাস্তিক হুমায়ুন আজাদ লিখিত ‘বই’ নামক একটি কবিতা, যা মূলত মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কোরআন বিরোধী কবিতা।
২) ক্লাস-৬: প্রবেশ করানো হয়েছে ‘বাংলাদেশের হৃদয়’ নামক একটি কবিতা। যেখানে রয়েছে হিন্দুদের দেবী দূর্গার প্রশংসা।
৩) ক্লাস-৬: সংযুক্ত হয়েছে ‘লাল গরুটা’ নামক একটি ছোটগল্প। যা দিয়ে মুসলিম শিক্ষার্থীদের শেখানো হচ্ছে গরু হচ্ছে মায়ের মত, অর্থাৎ হিন্দুত্ববাদ।
৪) ক্লাস-৬: অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে ভারতের হিন্দুদের তীর্থস্থান রাচি’র ভ্রমণ কাহিনী।
৫) ক্লাস-৭: `লালু’ নামক গল্পে বাচ্চাদের শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে হিন্দুদের পাঠাবলীর নিয়ম কানুন।
৬) ক্লাস-৮: পড়ানো হচ্ছে হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থ ‘রামায়ন’ এর সংক্ষিপ্তরূপ।
৭) ক্লাস ৯-১০: প্রবেশে করেছে ‘আমার সন্তান’ নামক একটি কবিতা। কবিতাটি হিন্দুদের ধর্মসম্পর্কিত ‘মঙ্গলকাব্যের অন্তর্ভূক্ত, যা দেবী অন্নপূর্ণার প্রশংসা ও তার কাছে প্রার্থনাসূচক কবিতা।
৮) ক্লাস ৯-১০: অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে ভারতের পর্যটন স্পট ‘পালমৌ’ এর ভ্রমণ কাহিনী।
৯) ক্লাস ৯-১০: পড়ানো হচ্ছে ‘সময় গেলে সাধন হবে না’ শিরোনামে বাউলদের বিকৃত যৌনাচার।
১০) ক্লাস ৯-১০: ‘সাকোটা দুলছে’ শিরোনামের কবিতা দিয়ে ৪৭ এর দেশভাগকে হেয় করা হচ্ছে, যা দিয়ে কৌশলে ‘দুই বাংলা এক করে দেওয়া’ অর্থাৎ বাংলাদেশকে ভারতের অন্তর্ভূক্ত হতে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।
১১) ক্লাস-৯-১০: প্রবেশ করেছে ‘সুখের লাগিয়া’ নামক একটি কবিতা, যা হিন্দুদের রাধা-কৃষ্ণের লীলাকৃর্তণ।
(সংগৃহীত)

Want your school to be the top-listed School/college in Cox's Bazar?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Japua, Kalarmarcadha, Moheskhali
Cox's Bazar
92