সবাইকে অগ্রিম ঈদের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক!
MSI Academy
Our mottos only help of Enlightened the world.
এক কাপ চায়ের কথা ভাবুন তো! রাস্তার ধারের কোনও সাধারন দোকানে যে চা আপনি ৫ বা ১০ টাকায় খান, ফাইভ স্টার হোটেলে সেই একই চা সুন্দর একটি কাপে পরিবেশন করা হয় ৫০০ টাকায়! চা কিন্তু একই, শুধু বদলেছে তার 'পরিবেশ' আর 'উপস্থাপন'।
ঠিক একইভাবে, জীবনে যদি কখনো আপনার মনে হয় যে মানুষ আপনাকে গুরুত্ব দিচ্ছে না বা আপনার কোনো দাম নেই, তার মানে এই নয় যে আপনি সত্যি সত্যিই মূল্যহীন। এর মানে হলো— আপনি হয়তো ভুল জায়গায় আছেন, ভুল মানুষের সাথে আছেন অথবা নিজেকে ভুলভাবে উপস্থাপন করছেন।
নিজের ভ্যালু বা গুরুত্ব ১০ গুণ বাড়িয়ে তোলার জন্য আজই নিজের জীবনে প্রয়োগ করুন এই ১০টি সহজ সাইকোলজিক্যাল রুল:
✅👉১. ছেড়ে যাওয়ার সাহস রাখুন (The Power of Walking Away)
আপনার ভ্যালু বা সম্মান সবচেয়ে বেশি তখনই বাড়ে, যখন আপনি অপমানের জায়গা থেকে সম্মানের সাথে সরে আসতে পারেন। যে সম্পর্কে, যে আড্ডায় বা যে কাজের জায়গায় আপনার কোনো কদর নেই— সেখানে জোর করে পড়ে থাকবেন না। যখন মানুষ দেখবে আপনাকে চাইলেই ধরে রাখা যায় না এবং আপনার আত্মসম্মানবোধ প্রখর, তখন তারা আপনাকে হারাতে ভয় পাবে এবং আপনার কদর করতে বাধ্য হবে।
✅👉২. সহজলভ্য নয়, মূল্যবান হন (Be Valuable, Not Available)
অর্থনীতির একটা সহজ নিয়ম হলো— যার যোগান বেশি, তার দাম কম। বাতাস ছাড়া আমরা বাঁচতে পারি না, কিন্তু বাতাসের কোনো দাম নেই কারণ তা সব জায়গায় পাওয়া যায়। অন্যদিকে হীরের দাম কোটি টাকা, কারণ তা দুর্লভ।
ঠিক তেমনি, আপনি যদি মানুষের এক ডাকেই নিজের সব কাজ ফেলে সবসময় হাজির হয়ে যান, তবে মানুষ আপনাকে সস্তা ভাবতে শুরু করবে। সবার জন্য সবসময় 'অ্যাভেইলেবল' থাকা বন্ধ করুন। মাঝে মাঝে 'না' বলতে শিখুন এবং নিজের সময়কে সবার আগে গুরুত্ব দিন।
✅👉 ৩. রহস্য ধরে রাখুন (The Power of Mystery)
যে বইয়ের গল্প আমরা আগে থেকেই জানি, সেই বই পড়তে আমাদের আর ভালো লাগে না। মানুষের ক্ষেত্রেও বিষয়টা একই। যারা খুব বেশি কথা বলে এবং নিজের সব পরিকল্পনা, কষ্ট বা দুর্বলতার কথা সবাইকে বলে বেড়ায়, মানুষ তাদের প্রতি দ্রুত আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।
তাই কম কথা বলুন, বেশি শুনুন। নিজের জীবনের সবটা খোলা বইয়ের মতো সবার সামনে মেলে ধরবেন না। আপনার মধ্যে কিছুটা রহস্য থাকতে দিন, মানুষকে ভাবতে দিন আপনার পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে চলেছে!
✅👉৪. কথার চেয়ে কাজকে বড় করুন (Actions Over Words)
"আমি এই করব, সেই করব, ফাটিয়ে দেব"— এসব কথা বলে বেড়ানো মানুষগুলোকে সমাজ খুব একটা গুরুত্ব দেয় না। নিজের বড় বড় পরিকল্পনার কথা ঢোল পিটিয়ে সবাইকে জানানো বন্ধ করুন। নীরবে কাজ করুন, আপনার পরিশ্রমের ফলাফলটাই যেন সবার কানে শব্দ করে। যখন আপনার সফলতা কথা বলবে, তখন মানুষকে আর আপনার গুরুত্ব বুঝিয়ে দিতে হবে না।
✅👉 ৫.নিজেকে আপডেট করুন (The Upgrade Rule)
বর্তমানের ফাইভ-জি (5G) স্মার্টফোনের যুগে কেউ যদি আপনাকে পুরোনো একটি বাটন ফোন ব্যবহার করতে দেয়, আপনি সেটা ব্যবহার করতে অস্বস্তি বোধ করবেন?
তেমনি আপনি যদি সময়ের সাথে নিজেকে আপডেট না করেন, তবে সমাজ আপনাকে দাম দেবে না। নিজের ভ্যালু বাড়াতে প্রতিদিন নতুন কিছু শিখুন, ভালো বই পড়ুন, নতুন স্কিল তৈরি করুন এবং নিজের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিন। মনে রাখবেন, স্থির পুকুরের জলে শেওলা জমে, কিন্তু বহমান নদীর জল থাকে সবসময় পরিষ্কার। আপনি পুকুর হবেন না, নদী হোন।
✅👉৬.আবেগের নিয়ন্ত্রণ (Emotional Control)
কেউ একজন কিছু বলল আর আপনি সাথে সাথে সবার সামনে রেগে গেলেন বা কেঁদে ফেললেন— এমনটা করলে সমাজ আপনাকে দুর্বল ও অপরিণত (Immature) ভাববে।
নিজের আবেগের রিমোট কন্ট্রোল কখনো অন্যের হাতে দেবেন না। কেউ অপমান করলে সাথে সাথে রিঅ্যাক্ট (React) না করে শান্ত থাকুন এবং হাসিমুখে এড়িয়ে যান। আপনার এই নীরবতা এবং শান্ত স্বভাবই আপনার ব্যক্তিত্বকে অন্যদের চোখে অনেক বেশি সম্মানজনক করে তুলবে।
✅👉৭. মানুষের পেছনে ছোটা বন্ধ করুন (Stop Chasing People)
নিজের সুখের জন্য বা একাকিত্ব দূর করার জন্য অন্যের মনোযোগের কাঙাল হবেন না। যারা সবসময় অন্যের সঙ্গ পাওয়ার জন্য মরিয়া থাকে, সমাজ তাদের সস্তা মনে করে। এর বদলে একা থাকতে শিখুন, নিজের সঙ্গ উপভোগ করুন (Embrace Solitude)। নিজের শখ, বই পড়া, বা কোনো পছন্দের কাজের মধ্যে ডুবে থাকুন। আপনি যখন নিজের মধ্যেই পরিপূর্ণ ও সুখী থাকবেন, মানুষ এমনিতেই আপনার দিকে আকর্ষিত হবে।
✅👉 ৮.নিজের সীমারেখা বা বাউন্ডারি তৈরি করুন (Set Your Boundaries)
অন্যরা আপনাকে ততটুকুই অপমান করবে, যতটুকু অপমান আপনি মুখ বুজে সহ্য করবেন। নিজের জন্য একটি পরিষ্কার বাউন্ডারি বা সীমারেখা তৈরি করুন। আশেপাশের মানুষকে আপনার আচরণ দিয়ে বুঝিয়ে দিন যে, ওই সীমানা অতিক্রম করার অধিকার কারও নেই। নিজের আত্মসম্মানের সাথে কখনোই আপস করবেন না। যে দিন থেকে আপনি নিজের সম্মানের ব্যাপারে আপসহীন হবেন, পৃথিবীও আপনাকে সম্মান করতে বাধ্য হবে।
✅👉৯. সঠিক মানুষের সঙ্গ বেছে নিন (Upgrade Your Circle)
ইংরেজিতে একটি কথা আছে— "You are the average of the five people you spend the most time with." আপনি যাদের সাথে সবচেয়ে বেশি সময় কাটান, আপনার চিন্তাভাবনাও ঠিক তাদের মতোই হয়ে যায়। আপনি যদি সস্তা মানসিকতার, পরচর্চাকারী ও লক্ষ্যহীন মানুষদের সাথে মেশেন, তবে সমাজ আপনাকেও তাদের কাতারেই ফেলবে। তাই এমন মানুষদের সাথে মেশার চেষ্টা করুন, যারা জীবনে বড় কিছু করতে চায় এবং আপনাকেও ভালো কাজে অনুপ্রাণিত করে।
✅👉১০. অযথা অভিযোগ করা বন্ধ করুন (Complain Less, Solve More)
আমাদের আশেপাশে এমন কিছু মানুষ আছে, যারা সবসময় নিজের পরিস্থিতি, দুর্ভাগ্য বা অন্যদের নিয়ে কেবল অভিযোগ করতেই থাকে। সত্যি বলতে, এই "কাঁদুনে" স্বভাবের মানুষদের কেউ পছন্দ করে না। আজ থেকে অভিযোগ করা বন্ধ করুন। কোনো সমস্যা হলে সেটার সমাধান কীভাবে করা যায়, সেদিকে ফোকাস করুন। যারা যেকোনো পরিস্থিতিতে ইতিবাচক থাকে এবং সমাধানের পথ খোঁজে, সমাজ তাদেরকেই সত্যিকারের 'লিডার' হিসেবে সম্মান করে।
🌸✍️🌸শেষ কথা 🌸🌻🌸
সম্মান কেউ কাউকে উপহার হিসেবে দেয় না, সম্মান নিজের যোগ্যতা দিয়ে অর্জন করে নিতে হয়। এই ১০টি নিয়ম শুধু পড়ার জন্য নয়, আজ থেকেই নিজের জীবনে চর্চা করার জন্য। নিজেকে ভালোবাসুন, নিজের ওপর বিনিয়োগ করুন। যখন আপনি নিজেকে মূল্যবান হিসেবে গড়ে তুলবেন, তখন পুরো পৃথিবী আপনাকে সেই মূল্য দিতে বাধ্য হবে!
👉🔥এমনই সব পাওয়ারফুল টিপস এবং প্র্যাকটিক্যাল জীবন দর্শন পেতে আমাদের পেজটি 'ফলো' করে রাখুন। ইন্টারনেটে ভালো কনটেন্টের ভিড়ে এই ধরণের ‘Real & Practical’ তথ্য পাওয়া সত্যিই বিরল। হারিয়ে যাওয়ার আগেই যুক্ত হোন আমাদের সাথে! 🤝
👉🌿এই পোস্টটি আপনার ভালো লাগলে অন্যদের মধ্যেও শেয়ার করবেন ।
জীবন গড়তে ও স্ট্রং চিন্তাশীল হতে উপরের পোস্ট থেকে শিক্ষা নিয়া উচিৎ।
আসুন রহমতের মাসে বেশি বেশি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাজ করি। হিংসা বিদ্বেষ ভুলে সবাই মন খুলে একে অন্যের কল্যাণের জন্য দোয়া করি!
Pls follow the page
পরলোক'গত কুয়েতি লেখক আব্দুল্লাহ যারাল্লাহ র মৃত্যুর আগে লিখে যাওয়া কিছু অনুভূতি-
"মৃত্যু নিয়ে আমি কোনো দুশ্চিন্তা করবো না, আমার মৃতদেহের কি হবে সেটা নিয়ে কোন অযথা আগ্রহ দেখাবো না। আমি জানি আমার মুসলিম ভাইয়েরা করণীয় সবকিছুই যথাযথভাবে করবে।"
তারা প্রথমে আমার পরনের পোশাক খুলে আমাকে বিবস্ত্র করবে,
আমাকে গোসল করাবে,
(তারপর) আমাকে কাফন পড়াবে,
আমাকে আমার বাসগৃহ থেকে বের করবে,
আমাকে নিয়ে তারা আমার নতুন বাসগৃহের (কবর) দিকে রওনা হবে,
আমাকে বিদায় জানাতে বহু মানুষের সমাগম হবে,
অনেক মানুষ আমাকে দাফন দেবার জন্য তাদের প্রাত্যহিক কাজকর্ম কিংবা সভার সময়সূচী বাতিল করবে,
কিন্তু দুঃখজনকভাবে অধিকাংশ মানুষ এর পরের দিনগুলোতে আমার এই উপদেশগুলো নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করবে না,
আমার (ব্যক্তিগত) জিনিষের উপর আমি অধিকার হারাবো,
আমার চাবির গোছাগুলো,
আমার বইপত্র,
আমার ব্যাগ,
আমার জুতোগুলো,
হয়তো আমার পরিবারের লোকেরা আমাকে উপকৃত করার জন্য আমার ব্যবহারের জিনিসপত্র দান করে দেবার বিষয়ে একমত হবে,
এ বিষয়ে তোমরা নিশ্চিত থেকো যে, এই দুনিয়া তোমার জন্য দুঃখিত হবে না অপেক্ষাও করবে না,
এই দুনিয়ার ছুটে চলা এক মুহূর্তের জন্যও থেমে যাবে না,
অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কিংবা ব্যবসাবাণিজ্য সবকিছু চলতে থাকবে,
আমার দায়িত্ব (কাজ) অন্য কেউ সম্পাদন করা শুরু করবে,
আমার ধনসম্পদ বিধিসম্মত ভাবে আমার ওয়ারিসদের হাতে চলে যাবে,
অথচ এর মাঝে এই সম্পদের জন্য আমার হিসাব-নিকাশ আরম্ভ হয়ে যাবে,
ছোট এবং বড়..... অনুপরিমাণ এবং কিয়দংশ পরিমান, (সবকিছুর হিসাব)
আমার মৃত্যুর পর সর্বপ্রথম যা (হারাতে) হবে, তা আমার নাম!!!
কেননা, যখন আমি মৃত্যুবরণ করবো, তারা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলবে, কোথায় "লাশ"?
কেউ আমাকে আমার নাম ধরে সম্বোধন করবে না,
যখন তারা আমার জন্য (জানাযার) নামাজ আদায় করবে, বলবে, "জানাযাহ" নিয়ে আসো,
তারা আমাকে নাম ধরে সম্বোধন করবে না....!
আর, যখন তারা দাফন শুরু করবে বলবে, মৃতদেহকে কাছে আনো, তারা আমার নাম ধরে ডাকবে না...!
এজন্যই দুনিয়ায় আমার বংশপরিচয়, আমার গোত্র পরিচয়, আমার পদমযার্দা, এবং আমার খ্যাতি কোনকিছুই আমাকে যেন ধোঁকায় না ফেলে,
এই দুনিয়ার জীবন কতই না তুচ্ছ, আর, যা কিছু সামনে আসছে তা কতই না গুরুতর বিষয়।
অতএব, (শোন) তোমরা যারা এখনো জীবিত আছো...
Collected
গুণাহ!
24/11/2025
#আল্লার_নিয়ামত_ও_শোকরিয়া:( #কিছু_নসিহত)
জীবন চলার পথে মানুষ নিত্য নতুন অভিজ্ঞতার সঙ্গী হয়! এটা হয় কিছুটা সাফল্যের/ কিছুটা ব্যর্থতার/তিক্ততার/মধুর/ শোকের! এটা হবেই! সব কিছুর প্রভুর ইচ্ছা। আমরা তার ইচ্ছাতেই চলি! আমাদের কাজটা হলো, আমরা তার ইচ্ছাতেই চলব, তার সংবিধান মানব নিরাপদ থাকব। নয়তো দুইকালই নিরাপদ থাকব না। সতে্যর দিশা, সৎ শিক্ষা এই কুরআন ও তার রাসূলের সুন্নাহর মধ্যেই রয়েছে। আসুন সবাই প্রতিদিন সকাল বিকালের কিছু সময় দিয়ে এটা চর্চা করি ও মানি। তাহলে বুঝতে পারবেন। আসলে আপনি কোন পথেই আছেন। আপনি নিজেরেই বিচার করবেন এই দুইটা দ্বারা। জগতের সমস্ত আইন এটাকে কেন্দ্র করে এবং এটার কাছে নত। সবকিছু মহান আল্লাহর উচ্ছা। আমরা ১ সেকেন্ড বাচঁব কি মরব সব তারই হাতে। আমাদের রিজিক, শান্তি, সাফল্য, ব্যর্থতা সব তার হাতে। আমাদের কাজটাই হলো তার বিধান মেনে যাওয়া ও সে মোতাবেক চলা।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে সহীহ বুঝ দান করুক ও সে মোতাবেক চলার তৌফিক দিক। আমাদের প্রত্যেকের শ্রমকে তার পথেই কবুল করুক! আমিন।
প্রত্যেকের দিন শুরু হোক মহান রবের সন্তুষ্টির মধ্য দিকে এবং কাজের মাধ্যমে। আমাদের এ শ্রম, এ পরিশ্রম মহান প্রভু কবুল করুক! দুনিয়া ও আখিরাত সফল করুক। সবাই বলেন আমিন।
প্রত্যেক মুমিন তার জীবনের প্রতিটি পাতা, প্রতিটি কাজ করে মহান প্রভু নির্দেশনা ও সীমারেখা অনুযায়ি। আপনার কোথাও ও ভুল হচ্ছে না তো!
21/11/2025
একদিন গাধা শিয়ালকে বলল, "ঘাসের রং নীল।"
শিয়াল সাথে সাথে জবাব দিল, "না, ঘাসের রং সবুজ।"
কিছুক্ষণের মধ্যেই দুজনের আলোচনা তুমুল তর্কে পরিণত হল। শেষে তারা জঙ্গলের রাজা সিংহের কাছে উপস্থিত হল মীমাংসার জন্য।
রাজদরবারে পৌঁছেই গাধা ডাক ছাড়তে শুরু করে দিল, "মহারাজ, আপনিই বলুন ঘাসের রং নীল কিনা?"
সিংহ উত্তর দিল, "হ্যাঁ, ঘাসের রং নীল।"
গাধা তখন সিংহের সামনে গিয়ে নেচে কুঁদে নালিশের সুরে বলতে থাকল, "শিয়াল আমার কথা মানছে না, তর্ক করছে। ওকে শাস্তি দিন।"
সিংহ তৎক্ষণাৎ ঘোষণা করল, "শিয়ালকে ১ সপ্তাহের জন্য মুখ বন্ধ রাখার শাস্তি দেওয়া হল।"
গাধা খুশিতে লাফাতে লাগল এবং বলতে বলতে চলে গেল, "ঘাসের রং নীল! ঘাসের রং নীল!"
শিয়াল শাস্তি মেনে নিয়ে অনুযোগের সুরে বলল, "মহারাজ, আপনি আমাকে শাস্তি দিলেন কেন, যখন ঘাসের রং সত্যিই সবুজ।"
সিংহ উত্তর দিল, "তোমাকে শাস্তি দেওয়ার সাথে ঘাসের রং সবুজ নাকি নীল সেই প্রশ্নের কোনো সম্পর্ক নেই। তোমাকে শাস্তি দিয়েছি কারণ তোমার মতন একটা বুদ্ধিমান ও সাহসী প্রাণী গাধার সাথে তর্ক করে নিজের মেধার অপচয় করেছে এবং এরকম একটা বাজে কারণে আমার কাছে এসে আমার মূল্যবান সময় নষ্ট করেছে।"
শিক্ষা: মূর্খের সাথে কখনও তর্ক করতে যাবেন না।
Muhammod Sirajul Islam Raj
Assalamoalikom to all of my facebook followers. How are you today?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Website
Address
Cox's Bazar
COX'SBAZARSADAR