13/03/2026
বিবেকবান মানুষের কাছে জিজ্ঞাসা
দখলদার কে / কারা ?
আসসালামু আলাইকুম|
আমি মু নুরুল আবছার |
সাহিত্যিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক | আমাকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর মিডিয়া অপপ্রচারের কারনে অত্যন্ত ভারাক্রান্ত মনে আপনাদের কাছে গত ২ মার্চ দারুল আমান মাদ্রাসায় সংঘটিত ঘটনার ইতিবৃত্ত জানানোর প্রয়োজন মনে করছি |
🙏ভূমির মালিকানা..
মাদ্রাসার ভূমিটির দখলিয় মালিক মরহুম মাষ্টার নুরুল করিম চৌং ও জসিম উদ্দিন চৌং পিতা _ ডা. খলিলুর রহমান
🙏 ২৮/৬/১৯৯৫ সালে মুফতি আব্দুল হক জসিম থেকে কিছু জমির দখল কিনে এবং কিছু জমি দান নিয়ে ঐ ভূমিতে মাদ্রাসা স্থাপন করেন |
🙏১৯৯৬ / ৯৭ সালের দিকে আব্দুল হক সাহেব দখলীয় মাদ্রাসার ভূমির দ্বিগুন ভুমি বিভিন্ন জনকে বিক্রি করে দেয়ায় মাদ্রাসার ভুমির আবার দখল নেয় জসিম চৌং |
🙏 নৈতিক স্খলনজনিত একটি ঘটনায় মুফতি আব্দুল হক বিডিআর ও স্থানীয় জনগন কর্তৃক লাঞ্ছিত হয়ে মাদ্রাসা ও এলাকা থেকে বিতাড়িত হয় |
🙏 জসিম চৌং ও আব্দুল হক থেকে জমি কেনা পক্ষ গুলো মাদ্রাসার ভুমি দখলে নিলে মাদ্রাসার তৎকালীন ২ জন শিক্ষক ও স্থানীয় কিছু মানুষের অনুরোধে সিকদার পাড়ার ওসমান ও আবছারের নেতৃত্বে আমরা কিছু ছাত্র যুবক মাদ্রাসার দায়িত্ব নেয়
🙏প্রশাসনের সহযোগিতায় জসিম উদ্দিন চৌং এর সাথে সমন্বয় করে জসিম চৌং কে সভাপতি ও ওসমান গনিকে সেক্রেটারী করে মাদ্রাসাটি পরিচালিত হয়ে আসছিল |
🙏২০০৭ সালে মৌলানা ফরিদুল আলম সাহেব কে পরিচালক ও পরিচালনা কমিটির সভাপতি দিয়ে আমরা মাদ্রাসা পরিচালনা করি |
🙏 মৌলানা ফরিদুল আলম সাহেব ভূমির মালিকানার আরেক পক্ষ জনাব মাষ্টার নুরুল করিম চৌং পরিবার থেকে মাদ্রাসার জন্য নোটারি পাবলিক এর মধ্যমে ওয়াকফ করে নেন। মহান আল্লাহ মরহুম নুরুল করিম চৌং ও তার পরিবারকে এর উত্তম প্রতিদান দিন
🙏 ভূমি নিস্কন্টক করার
পর আমরা ( দারুল ঈমান পরে সংশোধিত দারুল আমান পরে ট্রাস্ট রেজিঃ করার সময় দারুল আমান ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট ) গঠন করে ভুমিটি বন্দোবস্তির (ভূমির স্থর পরিবর্তন সহ )আবেদন করি |
🙏২০১২ সালে মুফতি আব্দুল হক সাহেব তৎকালীন পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমানকে সভাপতি দেখিয়ে আবার মাদ্রাসায় আসার চেষ্টা করে |
দালিলিক প্রমাণ পত্র দেখে মেয়র মহোদয় আমাদের প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব দেন
🙏 হাফেজ হাশেম নামীয় ব্যক্তিটি (মসজিদ মাদ্রাসায় দান করে এমন সংস্থার পক্ষে) কাজ করেন | ২০১২ সালে মাদ্রাসায় দাতাদের পক্ষে মসজিদ ও ভবন নির্মাণ করেন |
🙏 ২০১২ সালে তিনি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা এবং মাদ্রাসায় অবস্থান করে দাতাদের কাজ করার ইচ্ছা পোষন করলে আমরা তাকে সুযোগ করে দেয় |
🙏 ২০২০ সালে দারুল আমান ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট সরকারী অধিভুক্ত হয় | তখন থেকে আমরা মাদ্রাসাটি ট্রাস্টি বডি দিয়ে পরিচালনা করে আসছি |
🙏 ২০২২ সালে হাফেজ হাশেমের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা সংশ্লিষ্ঠতার অভিযোগ পত্রিকায় প্রকাশিত হলে এবং গোয়েন্দা সংস্হা কর্তৃক তদন্ত হলে তার ব্যাপারে আমরা কঠোর হয় |
🙏 ২০২৪ সালে পট পরিবর্তনের পর আমরা প্রতিষ্ঠানের হিসাব নিকাশের ব্যাপারে তাকে সতর্ক করি |
🙏১৬ / ৭ /২০২৫ সালে ট্রাস্টি বোর্ডের সিদ্ধান্ত মোতাবেক একাডেমি শাখা ট্রাস্টের সভাপতি ওসমান গনি এবং হিফজ শাখা হাসেম সাহেব পরিচালনা করে আসছেন
🙏 ২০২৬ সালে সরকারী বই আনতে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের হিসাবের ব্যাপারে কঠোরতা আরোপ করলে ট্রাস্টি বড়ির সাথে হাসেমের দুরত্ব সৃষ্টি হয় |
🙏 ৯/২/২৬ প্রাক্তন ছাত্র কাফেলা ( যারা এখন ট্রাস্টের চরিত্র হনন এবং মব সৃষ্টি ও দখলে লাঠিয়াল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে ) স্থানীয় জনগন , সমাজপতি, মাদ্রাসার শিক্ষক ছাত্র,অডিট কমিটি,ট্রাস্টিবডি ও হাফেজ হাশেম মাদ্রাসা সংক্রান্ত বৈঠকে বসেন |
দীর্ঘ বৈঠকের পর উপস্থিত সকলের সামনে হাশেম সাহেব প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন।
🙏হাফেজ হাশেম অব্যহতি নেয়ার পর ১০/ ২/২৬ ট্রাস্টি বডির মিটিং এ তাকে আহবায়ক করে তার শুন্য পদে একজন যোগ্য লোক নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়
🙏 জনাব হাসেম সহযোগিতার পরিবর্তে ষড়যন্ত্রের পথ অবলম্বন করলে এবং ট্রাস্টের সভাপতির রিং ও Text এর জবাব দিতে অনীহা প্রকাশ করলে বর্ণিত চিঠিটি দেয়ার জন্য গত ২/৩/২৬ তারাবীর নামাযের পর ট্রাস্টি বডি মাদ্রাসায় যায় |
সেখানে সে
পরিকল্পিতভাবে বাক বিতন্ডায় লিপ্ত হলে আমরা চিঠিটি দিয়ে চলে আসি |
🙏 পরে এই বাক বিতণ্ডার অডিও শুনিয়ে স্থানীয়দের উত্তেজিত করে মসজিদের মাইকে মসজিদ দখলের মিথ্যা ঘোষনা দিয়ে সহজ সরল এলাকা বাসীকে রাস্তায় এনে গভীর রাত্রে মব সৃষ্টি করে |
💝কৃতজ্ঞতা ঃ আমরা যখন থেকে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নেই এলাকা এবং এলাকার বাইরের নিম্নবর্ণিত বিদ্যুৎসাহী ও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক দানশীল হিতৈষি যথাক্রমে জসিম উদ্দিন চৌং, মরহুম মাস্টার নুরুল করিম চৌং পরিবার ( স্থপতি মামুনুর রশিদ চৌং, খলিল মুর্শেদ চৌং ) ,আকতার ভাই,প্রফেসর আলমগীর, মোজাফ্ফর মামা, সাহাব উদ্দিন কন্ট্রাকটর, বদিউল আলম সওদাগর, শাহাজাহান সওদাগর, বাবুল ভাই,কবির সওদাগর, কাজল ভাই, নুরুল কবির বদ্দা,
এডভোকেট মোতাহের, গিয়াস উদ্দিন স্যার,আমির হোসেন ড্রাইভার,
সোনা বিবি,হাফেজ নাছির, ক্বারী নাছির সহ অনেকের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ |
জিজ্ঞাসা ঃ
*১০১ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি কেউ দেখেছেন কী?
* কোনো প্রতিষ্ঠানের অনার বোর্ড চায়ের দোকানে public place এ ঠাঙ্গানোর নজির দেখেছেন কী?
* * প্রতিষ্ঠানের জন্য লাঠিয়াল আনুষ্ঠানিক লাঠিয়াল বাহিনী কোনো প্রতিষ্ঠানে দেখেছেন কী?
* এই ঘটনা গুলো কী প্রমাণ করে?
[দীর্ঘ ৩০ বছরের প্রাতিষ্ঠানিক স্মৃতির ধারাবাহিকরতা, এবং তথ্যের সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে | সংশোধনী দিয়ে মার্জনা করবেন | ]