15/04/2019
প্রথমবারের মতো কৃষ্ণগহ্বরের ছবি তুললেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা(১০ এপ্রিল ২০১৯)।
আর কোরআন কৃষ্ণগহ্বর বা Black hole সম্পর্কে বলছে ১৪৪০ বছর আগে।
আর এটা আছে সূরা ওয়াকিয়া অধ্যায় নাম্বার ৫৬, আয়াত নাম্বার ৭৫। সেখানে বলা হয়েছে যে, فلا أقسم بمواقع النجوم ( অর্থাৎ আমি শপথ করছি নক্ষত্ররাজির অদৃশ্য হওয়ার স্থানের)
এখানে যে আরবি শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে সেটা হলো مواقع যেটা وقع মূল শব্দ থেকে এসেছে আর English to Arabic অভিধান অনুযায়ীوقع শব্দের অর্থ হলো :
১,fall তথা পতিত হওয়া বা ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়া।
২, Belocked তথা দৃঢ়ভাবে আটকে যাওয়া।
৩, disappear তথা অদৃশ্য হওয়া।
৪,set তথা অস্ত যাওয়া।
অপরদিকে, কৃষ্ণগহ্বর হলো: মহাকাশের এমন একটি স্থান যেখানে গ্ৰহনক্ষত্রাদি পতিত হলে অদৃশ্য হয়ে যায় এমনকি আলোকতরঙ্গও পালাতে পারে না।
আর وقع মূল শব্দ থেকে গঠিত مواقع শব্দটি আরবি স্থান বা কালবাচক বিশেষ্য যাকে আরবি ব্যাকরণের পরিভাষায় اسم ظرف বলা হয়।
(আর ইসমে যরফ হলো : যে বিশেষ্য কোন ক্রিয়া সংঘটনের স্থান বা কাল বোঝায় তাকে ইসমে যরফ বলে।)
আর এ শব্দটি আরবি বহুবচন যার অর্থ হয়,
১, অদৃশ্য হওয়ার স্থান সমূহ,
২, দৃঢ়ভাবে আটকে যাওয়ার স্থানসমূহ,
৩,অস্ত যাওয়ার স্থানসমূহ অর্থাৎ অস্তাচলসমূহ ইত্যাদি।
অতএব যেহেতু কোনো গ্ৰহ বা নক্ষত্র কৃষ্ণগহ্বরের নিকটে গেলে তা অদৃশ্য হয়ে যায় এবং এমন দৃঢ়ভাবে আটকে যায় যাতে আলোকতরঙ্গও পালাতে পারে না বা অদৃশ্য হয়ে যায়।তাই কৃষ্ণগহ্বরকে আমরা বলতে পারি গ্ৰহনক্ষত্রাদির অদৃশ্য হওয়ার স্থান, দৃঢ়ভাবে আটকে যাওয়ার স্থান,অস্তাচল অর্থাৎ مواقع النجوم
তাই কোরআন সেকেলে নয় বরং অনেক আধুনিক ।
শুধু তাই নয় مواقع শব্দটি বহুবচন হওয়ায় আমরা বলতে পারি যে এরকম অনেক কৃষ্ণগহ্বর রয়েছে।
আর কৃষ্ণগহ্বর সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুন।
আর শেয়ার করতে ভুলবেন না কারণ, এ ব্যাপারে হাদীস বলছে আর এটা আছে বাবুল ইলম(باب العلم) অধ্যায় নাম্বার ২, হাদীস নাম্বার ১, মেশকাত শরীফ ও বুখারী।
সেখানে বলা হয়েছে যে,( بلغوا عني ولو ايه )** হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর(রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন, তোমরা আমার পক্ষ থেকে লোকদের নিকট পৌঁছে দাও যদিও তা একটি মাত্র আয়াত হয়।
সুতরাং এই হাদীস থেকে আমরা বুঝতে পারি যে, যখনই কোরআন বা হাদীসের কোন বাণী আমাদের নিকট আসবে তখন অবশ্যই আমাদের তা অন্যদের জানানো উচিত।
তাই শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন।
29/01/2019
আমাদের পেজটিতে like দেওয়ার জন্য আপনাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
24/12/2018
এবারের SSC পরীক্ষার্থীদের জন্য একটা প্রশ্ন। দেখি কে উত্তর দিতে পরো!
প্রশ্নঃ কোনো এক গরমের দিনে বায়ুতে শব্দের বেগ ছিল 440 m s-1 (per second)। ঐদিন বায়ুতে তাপমাত্রা কত ছিল??
10/11/2018
চিত্র দেখে সবাই উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করি।
প্রশ্ন:
১/নিরক্ষরেখা কাকে বলে?
২/দ্রাঘীমা কাকে বলে?
৩/উত্তর মেরুর অক্ষাংশ ৯০° বলতে কি বোঝায়?
30/10/2018
চলো বন্ধুরা আজ সবাই পৃথিবী সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে নেই।
পৃথিবী সূর্য থেকে দূরত্ব অনুযায়ী তৃতীয়, সর্বাপেক্ষা অধিক ঘনত্বযুক্ত এবং সৌরজগতের আটটি গ্রহের মধ্যে পঞ্চম বৃহত্তম গ্রহ। এটি সৌরজগতের চারটি কঠিন গ্রহের অন্যতম। পৃথিবীর অপর নাম "বিশ্ব" বা "নীলগ্রহ"। ইংরেজি ভাষায় পরিচিত আর্থ (Earth) নামে, গ্রিক ভাষায় পরিচিত গাইয়া (Γαῖα)[n ৫] নামে, লাতিন ভাষায় এই গ্রহের নাম "টেরা (Terra)।
,, আরো কিছু ,,
পৃথিবী হল মানুষ সহ কোটি কোটি প্রজাতির আবাসস্থল। পৃথিবীই একমাত্র মহাজাগতিক স্থান যেখানে প্রাণের অস্তিত্বের কথা বিদিত।[২৫]৪৫৪ কোটি বছর আগে পৃথিবী গঠিত হয়েছিল। এক বিলিয়ন বছরের মধ্যেই পৃথিবীর বুকে প্রাণের আবির্ভাব ঘটে।[২৬] পৃথিবীর জৈবমণ্ডল এই গ্রহের বায়ুমণ্ডল ও অন্যান্য অজৈবিক অবস্থাগুলিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। এর ফলে একদিকে যেমন বায়ুজীবী জীবজগতের বংশবৃদ্ধি ঘটেছে, অন্যদিকে তেমনি ওজন স্তর গঠিত হয়েছে। পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের সঙ্গে একযোগে এই ওজন স্তরই ক্ষতিকর সৌর বিকিরণের গতিরোধ করে গ্রহের বুকে প্রাণের বিকাশ ঘটার পথ প্রশস্ত করে দিয়েছে।[২৭]পৃথিবীর প্রাকৃতিক সম্পদ ও এর ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস ও কক্ষপথ এই যুগে প্রাণের অস্তিত্ব রক্ষায় সহায়ক হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, আরও ৫০ কোটি বছর পৃথিবী প্রাণধারণের সহায়ক অবস্থায় থাকবে।[২৮]
পৃথিবীর উপরিতল একাধিক শক্ত স্তরে বিভক্ত। এগুলিকে ভূত্বকীয় পাত বলা হয়। কোটি কোটি বছর ধরে এগুলি পৃথিবীর উপরিতলে এসে জমা হয়েছে। পৃথিবীতলের প্রায় ৭১% লবণাক্ত জলের মহাসাগর দ্বারা আবৃত।[২৯] অবশিষ্টাংশ গঠিত হয়েছে মহাদেশ ও অসংখ্য দ্বীপ নিয়ে। স্থলভাগেও রয়েছে অজস্র হ্রদ ও জলের অন্যান্য উৎস। এগুলি নিয়েই গঠিত হয়েছে বিশ্বের জলভাগ। জীবনধারণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় তরল জল এই গ্রহের ভূত্বকের কোথাও সমভার অবস্থায় পাওয়া যায় না। পৃথিবীর মেরুদ্বয় সর্বদা কঠিন বরফ (আন্টর্কটিক বরফের চাদর) বা সামুদ্রিক বরফে (আর্কটিক বরফের টুপি) আবৃত থাকে। পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগ সর্বদা ক্রিয়াশীল। এই অংশ গঠিত হয়েছে একটি আপেক্ষিকভাবে শক্ত ম্যান্টেলের মোটা স্তর, একটি তরল বহিঃকেন্দ্র (যা একটি চৌম্বকক্ষেত্র গঠন করে) এবং একটি শক্ত লৌহ অন্তঃকেন্দ্র নিয়ে গঠিত।
মহাবিশ্বের অন্যান্য বস্তুর সঙ্গে পৃথিবীর সম্পর্ক বিদ্যমান। বিশেষ করে সূর্য ও চাঁদের সঙ্গে এই গ্রহের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে।
06/10/2018
কে বলতে পার ???
ইন্দ্রিয় কাকে বলে এবং এটি মোট কত প্রকার ও কি কি ???
04/10/2018
দেখুন হযরত ইমাম আলী (রা) কর্তৃক সংরক্ষিত কুরআন
03/10/2018
Please anyone change the profile photo
14/04/2017
If you study hard you will prosper. so let's go for study and be an honest man........
25/03/2017
This is the only group where