নাবাত

নাবাত � নাবাত — মানুষ ও প্রকৃতির সেতুবন্ধন, নিরাপদ খাদ্যের প্রত্যয়ে।

বাংলাদেশের যেকোন প্রান্তে সব্জির বীজের দোকানে ঢুকে দেখেন - সব হাইব্রিড ।দেশি জাতের একটা বীজও খুঁজে পাবেন না ।এটা শুধু কৃ...
01/07/2026

বাংলাদেশের যেকোন প্রান্তে সব্জির বীজের দোকানে ঢুকে দেখেন - সব হাইব্রিড ।
দেশি জাতের একটা বীজও খুঁজে পাবেন না ।
এটা শুধু কৃষির ব্যাপার না, পুরোটাই ইন্টারন্যাশনাল পলিটিক্স ।
আমাদের বছরে কয়েক হাজার কোটি টাকার বীজ লাগে - যার সিংহভাগই আমদানি করা, মেইনলি ভারত থেকে । সাথে আছে চায়না, জাপান, ইন্দোনেশিয়া ।
//.\
হাইব্রিড বীজের মজার একটা ডিজাইন আছে ।
একবার লাগাবেন, ফসল পাবেন - কিন্তু সেই ফসলের বীজ রেখে দিলে পরের বার আর ভালো গাছ হবে না । মজা করে অনেকে বলে - "ওয়ান টাইম মেইড, কারিগর ডেড" ।
আর এই বীজ এমনভাবে বানানো, যাতে সার বেশি লাগে ।
এখন একটু চেইনটা খেয়াল করেন -
ইউরিয়া বেশি দিলেন > গাছে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে গেল > গ্লুকোজ খাইতে পোকা চলে এলো > পোকা মারতে কীটনাশক স্প্রে করতে হলো ।
আর আমাদের দেশে কীটনাশকের মেয়াদ, কয়দিন পর ফসল তোলা নিরাপদ - এসব মানার চল কই ?
সকালে শসায় স্প্রে করে, বিকেলে সেই শসা বাজারে । পরদিন দুপুরে আপনি "হেলদি ফুড" ভেবে সেটাই খাচ্ছেন ।
//.\
এর রেজাল্ট কি ?
পাঞ্জাবের অনেক গ্রামে - কৃষিতে সবচে উন্নত যারা, সবচে দামি কীটনাশক যারা ব্যাবহার করে - প্রতি ১০০ জনে ৭৫-৮০ জন চাষী ক্যান্সার আক্রান্ত ।
বাংলাদেশে অফিশিয়ালি, প্রতি ১০০ জন ক্যান্সার রোগীর ৬২-৬৪ জনই কৃষক, যারা নিজ হাতে এই কীটনাশক স্প্রে করেন ।
সমাধান কোথায় ?
সত্যি বলতে, এই জায়গায় আমি কিছুটা হতাশ । কারন দায় শুধু কৃষি বিভাগ বা চাষীর না - দায় আমাদের ভোক্তাদেরও ।
এক কেজি বেগুনের ছয়টার একটায় পোকা পেলেই আমরা মুখ ঘুরিয়ে নেই । রঙ একটু মিয়ান, একটু ফ্যাকাসে হলে কিনতেই চাই না ।
তাহলে চাষী কেন পোকাহীন, চকচকে ফসল বানাতে বিষ ঢালবে না ?
//.\
সবাই নিজের সুবিধাটা খোঁজে - চাষী লাভ খোঁজে, ভোক্তা সৌন্দর্য খোঁজে ।
সচেতনতার জায়গাটায় যেটা করা দরকার, সেটা কেউই করতে চায় না ।
বিড়ালের গলায় ঘন্টীটা বাঁধবে কে ?

মুজাহিদুল ইসলাম জাহিদ

এআই যে কোথায় চলে যাচ্ছে, এই অ্যাপটা থেকে একটু ধারণা পাবেন।Cowgorithm নামের এই অ্যাপটা খুবই ইন্টারেস্টিং একটা কাজ করে। এট...
15/06/2026

এআই যে কোথায় চলে যাচ্ছে, এই অ্যাপটা থেকে একটু ধারণা পাবেন।

Cowgorithm নামের এই অ্যাপটা খুবই ইন্টারেস্টিং একটা কাজ করে। এটা আপনার ফার্মের গরুর জন্য ভার্চুয়াল ফেন্স তৈরি করে।

আপনাকে জাস্ট প্রতিটা গরুর গলায় একটা করে সোলার পাওয়ার্ড এআই কলার পরিয়ে দিতে হবে। ব্যাস, এরপর স্মার্ট ফোন থেকেই আপনি গরুগুলোকে মনিটর করতে পারবেন।

আপনাকে গরুর জন্য বেড়াও নির্মাণ করতে হবে না। আপনি জাস্ট অ্যাপে ঢুকে ম্যাপ থেকে ভার্চুয়াল একটা ফেন্স এঁকে দিবেন। গরুগুলো ঐ ফেন্স থেকে বের হবে না।

ফেন্সের কাছাকাছি যেতে চাইলেই তাদের গলায় থাকা কলার এক ধরনের সাউন্ড এবং মৃদু ভাইব্রেশন তৈরি করে তাদেরকে সেদিকে যেতে বাধা দিবে।

ফলে আপনার যদি চোরের ভয় না থাকে, জাস্ট গরুগুলো নিজে নিজে দূরে চলে যায় কি না, এরকম ভয় থাকে, তাহলে এই অ্যাপ ব্যবহার করলে আপনার আর কখনও ফেন্স তৈরি করতে হবে না।

এটাকে আপনি গরু চরানোর সময়ও ব্যবহার করতে পারবেন। গরুকে কোনো একটা নির্দিষ্টি দিকে নিতে চাইলে শুধু অ্যাপে ফেন্সটাকে ড্র্যাগ করলেই হবে - গরুগুলো নিজেরাই ঐ পথ ধরে ঐদিকে এগিয়ে যাবে। আপনাকে হই হট হট করে গরু তাড়িয়ে বেড়াতে হবে না।

ফলে ফার্মাররা খুব সহজই গরুকে এক জায়গার ঘাস শেষ হয়ে গেলে অন্য জায়গায় নিয়ে যেতে পারবে। দূর থেকে কন্ট্রোল করার মাধ্যমেই।

এই কলারগুলো একইসাথে গরুর শরীরের বিভিন্ন রীডিংও অ্যাপে পাঠাতে থাকবে। ফলে কোনো গরু যদি অসুস্থ হয়, আহত হয়, দুধ দেওয়ার বা বাচ্চা দেওয়ার উপযোগী হয়, সেটাও ইউজার তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারবে।

অ্যাপটাকে নাকি গরুদের আচরণের উপর ৭০০ কোটি ঘন্টার ডেটা দিয়ে ট্রেইন করানো হয়েছে। নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং আমেরিকার কয়েকটা অঙ্গরাজ্যে এই নাকি অলরেডি ১ মিলিয়নের বেশি গরুর উপর ব্যবহার করা হচ্ছে।

দুনিয়া কোথায় যাচ্ছে, ভাবা যায়?

লেখক - মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা

ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা।  #নিরাপদখাদ্য
08/06/2026

ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা।
#নিরাপদখাদ্য

আমরা বিশ্বাস করি, মানুষ ও প্রকৃতি একে অপরের পরিপূরক। আমাদের জীবন, স্বাস্থ্য এবং ভবিষ্যৎ সবকিছুই প্রকৃতির সাথে গভীরভাবে জ...
06/06/2026

আমরা বিশ্বাস করি, মানুষ ও প্রকৃতি একে অপরের পরিপূরক। আমাদের জীবন, স্বাস্থ্য এবং ভবিষ্যৎ সবকিছুই প্রকৃতির সাথে গভীরভাবে জড়িত।

কিন্তু আজ নিরাপদ খাদ্য নিয়ে মানুষের উদ্বেগ বাড়ছে। আমরা প্রতিদিন যে খাবার খাই, তার উৎপাদন পদ্ধতি, গুণগত মান এবং নিরাপত্তা নিয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে। অথচ নিরাপদ খাদ্য কোনো বিলাসিতা নয়; এটি প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার।

নাবাত সেই উপলব্ধি থেকেই যাত্রা শুরু করেছে।

আমাদের লক্ষ্য শুধু কৃষি বা প্রাণিসম্পদ নিয়ে কথা বলা নয়; বরং এমন একটি সচেতনতা গড়ে তোলা, যেখানে সুস্থ মাটি, সঠিক কৃষি চর্চা, প্রাণিসম্পদের কল্যাণ এবং পরিবেশের ভারসাম্যের মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা যায়।

আমরা বিশ্বাস করি, প্রকৃতির প্রতি দায়িত্বশীল হওয়াই নিরাপদ খাদ্যের প্রথম ধাপ। তাই নাবাত হবে জ্ঞান, সচেতনতা এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে মানুষ প্রকৃতির কাছাকাছি আসবে এবং নিরাপদ খাদ্যের গুরুত্ব সম্পর্কে জানবে।

🌱 নাবাত — মানুষ ও প্রকৃতির সেতুবন্ধন, নিরাপদ খাদ্যের প্রত্যয়ে।

Address

Muradnagar
Comilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নাবাত posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share