বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা ও বন্দর নগরী চট্রগ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চল হিসাবে প্রাচীন ময়নামতি সভ্যতার কেন্দ্র ভূমি কুমিল্লা আদিকাল হতেই শিক্ষা দীক্ষায় একটি অগ্রবর্তী অঞ্চল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত। কুমিল্লার ভৌগোলিক অবস্থান, প্রাকৃতিক বৈশিষ্ঠ্য এই এলাকার আর্থসামাজিক কাঠামোকে এমনভাবে বিন্যাস করেছে যে, শিক্ষা দীক্ষা কুমিল্লার জনগনের সাংস্কৃতিক মানদন্ডে ও জীবিকায় এক সূদুর প্রসারী প্রভাব
ফেলেছে এবং জীবন জীবিকার প্রধান মাধ্যম হিসাবে পরিণত হয়েছে। অত্র এলাকায় জনগোষ্ঠির মধ্যে শিক্ষা দীক্ষার প্রসার কুমিল্লার জনগোষ্ঠিকে আলাদা ভাবে সমগ্র দেশে চিহ্নিত ৭করে এক চমৎকার ঐতিহ্য সৃষ্টি করেছে। কুমিল্লা জেলা সদরের বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকলেও জীবন ও জীবিকার যুদ্ধে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে সাময়িক ভাবে পশ্চাদপসরণ করে এলাকার অসীম সম্ভাবনাময় সন্তানেরা জীবিকার প্রয়োজনে ছোট চাকুরী অথবা ক্ষুদ্র ব্যবসায় জড়িত হয়ে পড়েছিল। তাদের উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের অপার তৃষ্ণা ছিল, কিন্তু ছিল না সুযোগ। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় উদ্যোগ শুরু হলো একটি নৈশ কলেজ প্রতিষ্ঠার। ১৯৭০ সালের ১০ আগষ্ট কুমিল্লা হাই স্কুল ভবনে অধ্যাপক ফজলুল করীমের সভাপতিত্বে সর্বজনাব ডঃ সিরাজুল ইসলাম, এম.এ.সামাদ, এম.এ. আলী ভূঞা, রফিকুল আলম, অধ্যক্ষ মোসলেউদ্দিন আহমেদ, আলী হোসেন ভূঞা, আবদুল লতিফ চৌধুরী ও হাফিজ উদ্দিন আহমেদের উপস্থিতিতে “কুমিল্লা নৈশ মহাবিদ্যালয়” স্থাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় উপস্থিত ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে গঠিত হয় সাংগঠনিক কমিটি। উক্ত কমিটির সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়া হয় তৎকালীন কুমিল্লা হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক জনাব হাফেজ উদ্দিন আহমেদকে। নাম মাত্র ১৫০/০০ টাকা ভাড়ায় কুমিল্লা হাই স্কুল কর্তৃপক্ষ স্কুল ভবনে ক্লাশ শুরু করার অনুমতি প্রদান করেন। নতুন অধ্যক্ষ নিয়োগ না করা পর্যন্ত কলেজের ছাত্র ভর্তির দায়িত্ব পালনের জন্য জনাব আবদুল খালেক এম.কে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়। ১৯৭০-৭১ শিক্ষা বর্ষে স্বল্পকালীন সময়ের জন্য জনাব আবিদ উল্লাহ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। কলেজ প্রতিষ্ঠার অব্যবহিত পরেই দেশবাসীর বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের ফলশ্রুতিতে দেশ স্বাধীন হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ। নব উ্দ্দীপনায় একটি নতুন জাতি পৃথিবীর ইতিহাসে তার নিজস্ব স্থান চিহ্নিত করার এক প্রচন্ড তাগিদ অনুভব করে। নতুন দেশ ও নতুন কাঠামোয় প্রয়োজন হয়ে পড়ে এক নতুন নেতৃত্বের। এরই ফলশ্রুতিতে পুরানো সাংগঠনিক কমিটির স্থলে ৯/৭/৭২ তারিখে তৎকালিন ডিস্ট্রিক্ট এডমিনিস্ট্রেটর এডভোকেট আহমেদ আলী এম.সি.এ. কে চেয়ারম্যান ও জনাব হাফেজ উদ্দিন আহমেদ কে সম্পাদক করে নতুন এডহক কমিটি ঘটন করা হয়। উক্ত এডহক কমিটির সদস্য ছিলেন কুমিল্লা মহিলা কলেজ (বর্তমানে সরকারী) এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক মোঃ আবদুর রউফ (বর্তমানে চেয়ারম্যান,আদর্শ সদর উপজেলা পরিষদ,কুমিল্লা) এবং কলেজের নতুন অধ্যক্ষ মোঃ ওয়াজ উদ্দিন। তিনি ১/৮/৭২ তারিখে অধ্যক্ষ হিসাবে যোগদান করেন। নতুন এডহক কমিটির যোগ্য নেতৃত্বে কলেজটির ছাত্র সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে শুরু করে এবং এই প্রেক্ষিতে কলেজের নিজস্ব জায়গার প্রয়োজন অনুভব করে তৎকালীন এডহক কমিটির প্রচেষ্টায় সদ্য স্বাধীন দেশের স্থানীয় গণপরিষদ সদস্য অধ্যাপক মোঃ খোরশেদ আলমের সহায়তায় জেলা প্রসাশন ১৯৭৩ সালে কুমিল্লার সুপারী বাগানে (বর্তমানে কলেজটি যেখানে অবস্থিত) কলেজের জন্য নিজস্ব জমি বন্দোবস্ত প্রদান করেন। এই সময়ে কলেজের ছাত্র সংখ্যা অতি দ্রুত হ্রাস পেতে থাকে, কেননা কলেজের ছাত্র-ছাত্রীর বিরাট সংখ্যক অংশ নিন্ম বেতন ভূক্ত কর্মচারী বিধায় তৎকালীন অর্থনৈতিক দুর্দশায় নিজের সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। ১৯৭৪-৭৫, ১৯৭৫-৭৬ সালের দিকে কলেজ প্রায় ছাত্র শূন্য হয়ে পড়ে। কলেজের তহবিল নেমে আসে শূন্যের কোঠায়। শিক্ষকদের বেতন দেয়া হয়ে পড়ে দুঃসাধ্য। কলেজে ক্লাশ হয়ে দাঁড়ায় অনিয়মিত। এমতাবস্থায় ১৯৭৬ সালে এডহক কমিটির এক জরুরী সভা কলেজের অবস্থা পর্যালোচনা করে নতুন উদ্যমে কলেজ পরিচালনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। এ সময়ে কুমিল্লা মহিলা কলেজ সরকারী কলেজে পরিণত হলে ঐ কলেজের অধ্যাপক মোঃ ওয়াজ উদ্দিন কুমিল্লা নৈশ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব পালনে সরকারী জটিলতা হেতু অপারগতা প্রকাশ করায় এডহক কমিটির অনুরোধে তৎকালীন এডহক কমিটির সদস্য অধ্যাপক মোঃ আবদুর রউফ ১৫/৬/৭৭ তারিখে অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সরকার কর্তৃক দেয় বন্দোবস্ত কৃত জায়গার দখল নেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ কলেজ তহবিল না থাকায় কুমিল্লা হাই স্কুল ভবনেই কলেজের ক্লাশ অনুষ্ঠিত হতে থাকে। অধ্যাপক মোঃ আবদুর রউফ অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর একটি নিয়মিত শিক্ষক মন্ডলী গঠন করে কলেজের ক্লাশ নিয়মিত করন এবং উক্ত শিক্ষক মন্ডলীর উদ্যোগে অফিস-আদালত, পাড়া-মহল্লায় ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে ছাত্র সংগ্রহের ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। বর্তমান শিক্ষক মন্ডলীর একটি বিরাট অংশ কলেজ কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক উদ্যোগের সাথে জড়িত হয়ে বিনা বেতনে নিয়মিত ক্লাশ নেয়ার ব্যাপারে অধ্যক্ষ সাহেবকে সহায়তা দান শুরু করেন। এডহক কমিটির যোগ্য পরিচালনায় অধ্যক্ষ মোঃ আবদুর রউফের নেতৃত্বে নব গঠিত শিক্ষক মন্ডলীর নিরলস পরিশ্রমে একটি মৃত প্রায় কলেজ কুমিল্লার শিক্ষা পরিমন্ডলে এক নতুন বেগের সঞ্চার করে। স্বল্প সংখ্যক ছাত্র/ছাত্রী নিয়ে ক্লাশ শুরু হলেও এর পরিচিতি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। ১/১/৭৭ হতে সরকারের প্রয়োজনীয় স্বীকৃতি ও অনুমোদন লাভ করলে শিক্ষকদের বকেয়া সরকারী অনুদানের অর্থ মঞ্জুরী আসে। বিনা বেতনে চাকুরীরত শিক্ষকরা অধ্যক্ষ সাহেবের অনুরোধে উক্ত অনুদানের অর্থ ব্যক্তিগত ভাবে গ্রহণ না করে সরকার কর্তৃক বন্দোবস্তকৃত জায়গার মূল্য প্রয়োজনীয় সরকারী তহবিলে জমা দেয়ার জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষকে প্রদান করেন। শিক্ষক মন্ডলীর প্রাপ্ত বেতনের টাকা হতে প্রয়োজনীয় অর্থ সরকারী তহবিলে জমা দেয়া হয় এবং সুপারী বাগানস্থ কলেজের জন্য বরাদ্দকৃত নিজস্ব জায়গায় ১৫/২/৮০ ইং তারিখে কলেজটি স্থানান্তরিত হয়। এই সময়ে ঢাকাস্থ কুমিল্লা জনকল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে এডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমান ও জনাব আবু তাহেরের প্রচেষ্টায় কুমিল্লা অজিত গুহ কলেজকে ১২,০০০/- টাকা দান করা হয়। কুমিল্লার পূর্বাঞ্চলে শহরের জনগোষ্ঠির একটি বিরাট সংখ্যক অংশ বসবাস করলেও সেখানে কোন কলেজ না থাকায় এলাকা বাসীর দীর্ঘ দিনের লালীত বাসনার সাথে সংগতি রেখে কুমিল্লা নৈশ মহাবিদ্যালয়ে উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ে দিবা বিভাগ চালু করা হয়। কলেজের নিজস্ব জায়গাটি পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসাবে সরকার হতে প্রাপ্ত হলেও যেহেতু সুপারী বাগানে প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, ভাষা আন্দোলনের মহান সৈনিক, বরণীয় সাহিত্যিক, কুমিল্লার কৃতি সন্তান অধ্যাপক অজিত কুমার গুহের নিজস্ব বসতবাড়ী ছিলো সেহেতু তাঁর স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে কলেজ পরিচালনা কমিটি ৮ মে ১৯৮০ সালে কুমিল্লা নৈশ মহাবিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে কলেজটির নতুন নাম করন করেন “কুমিল্লা অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়” (দিবা ও নৈশ শাখা)। নতুন নামে নতুন জায়গায় নতুন আংগিকে কলেজটি শুরুহয়। প্রথমেই কমন রুম সমস্যা সহ কলেজ উপযোগী প্রয়োজনীয় ভবনের অভাব তীব্রভাবে অনুভূত হয়। প্রায় পরিত্যক্ত একটি পাকা বাড়ী ও নড়বড়ে বেড়া ও টিনের ছাউনি ঘেরা অপ্রতুল ঘর নিয়েই শুরু হয় নতুন যাত্রা। দিবা বিভাগ ও নৈশ বিভাগে ছাত্র বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। এর সাথে প্রয়োজন হয়ে পড়ে নতুন ভবন নির্মানের। কলেজের অধ্যক্ষ সাহেবের অনুরোধে শিক্ষক মন্ডলী আবারো গ্রহণ করে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। বেতনের একটি অংশ ভবন নির্মাণের জন্য প্রদান করতে তারা হয় প্রস্তুত। এ সময় অধ্যক্ষ ও শিক্ষকমন্ডলীর সিদ্ধান্তে অনুপ্রাণিত হয়ে এগিয়ে আসেন বিশ্ষ্টি সমাজসেবী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জনাব আনসার আহমেদ। কলেজ পরিচালনা পরিষদের সাথে আলোচনাক্রমে গ্রহণ করা হয় এক বিশাল পরিকল্পনা। এ লক্ষ্যে ভবন নির্মাণের জন্য সংগ্রহ করা হয় বিপুল পরিমান কাঠ, টিন ও নগদ অর্থ। তন্মধ্যে বেগম ফজলুর রহমান, সুপারী বাগান কুমিল্লা ১০,০০০/- টাকা, জনাব ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ চকবাজার ১১,০০০/- টাকা, জনাব এ.কে.এমডি মহিউদ্দিন, নির্বাহী প্রকৌশলী, সড়ক ও জনপথ কুমিল্লা ৫,০০০/- টাকা, মেসার্স চাঁদপুর ঢাকা বাস মালিক সমিতি, বাদুরতলা ১০,০০০/- টাকা, মেসার্স কুমিল্লা জুয়েলার্স, ছাতিপট্টি ৫,০০০/- টাকা, বাবু সুখেন সাহা চকবাজার ৫,০০০/- টাকা, জনাব মোকসুদ আলী লাকসাম ১০ বান টিন, জনাব খোরশেদ আলম সুরুজ, লাকসাম ৫ বান টিন, জনাব নুরুল হক রাণীর বাজার ৫০০০ ইট, জনাব আনোয়ার হোসেন তালপুকুর পাড় ১৪০০০ ইট উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দান আমাদের এই প্রতিষ্ঠানে যুক্ত হয়। এই সময়ে ভবন নির্মাণে শিক্ষকরা পর্যায়ক্রমে দিবারাত্রি উপস্থিত থেকে কায়িক শ্রম প্রদান করে দ্রুততার সাথে কাজ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীকালে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মাহবুবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত অনুদানের ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা দিয়ে পুকুর ভরাট করে খেলার মাঠ উন্নয়ন করা হয়। স্থানীয় সাংসদ ও মন্ত্রী লেঃ কর্ণেল (অবঃ) আকবর হোসেন, বীর প্রতীক এর প্রচেষ্টায় কলেজটিকে ‘বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন’ প্রকল্পভূক্ত করে ফ্যাসিলিটিজ বিভাগের মাধ্যমে একটি দ্বিতল ভবন নির্মাণ করা হয়। উক্ত দ্বিতল ভবনের ৩য় তলার নির্মাণ কাজ কলেজের নিজস্ব তহবিলে সম্পন্ন হয়েছে। অতঃপর ১৯৯৬ সালে এক অগ্নিকান্ডে কলেজের মূল ভবনের প্রায় সবকটিক্ষ ভস্মিভূত হলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জরুরী ভিত্তিতে ১০,০০,০০০/- (দশ লক্ষ) টাকা মঞ্জুরী দেয়। উক্ত মঞ্জুরীর সাথে নিজস্ব তহবিলের সমন্বয় করে একটি বৃহৎ ত্রিতল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। প্রায় শূন্য অবস্থা থেকে অতি অল্প সময়ে কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সঠিক নির্দেশনায় অধ্যক্ষ মোঃ আবদুর রউফের সুযোগ্য নেতৃত্বে একদল নিবেদিত প্রাণ তরুণ শিক্ষক মন্ডলীর অর্থনৈতিক আত্মত্যাগ ও কায়িক শ্রমের অনন্য উদাহরণ কলেজটি চট্রগ্রাম বিভাগের অন্যতম বেসরকারী ডিগ্রী কলেজে রূপান্তরিত হয়েছে। এমতাবস্থায় ২০/০৮/২০০৭ তারিখে অধ্যক্ষ মোঃ আবদুর রউফ এর চাকুরীর মেয়াদ শেষ হলে উপাধ্যক্ষ আ.স.ম. মহিউদ্দিন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বভার গ্রহণ করে নিয়মিত অধ্যক্ষ নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেন। অতঃপর যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে ২১/০৩/২০০৯ তারিখে নিয়মিত অধ্যক্ষের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন অত্র কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.কে.এম.আলকাসুর রহমান। কলেজের একাডেমিক ও প্রতিষ্ঠাকালে কোন দানবীর বা অন্যকোন সরকারী, বেসরকারী বড় সাহায্যে আমাদের এই কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। সমাজের বুদ্ধিজীবি, শিক্ষানুরাগীদের উৎসাহে এলাকাবাসীর অনুপ্রেরণায় এবং প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে কলেজ শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এ কলেজটি প্রতিষ্ঠিত, যা সারা দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এক বিরল ও ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত।
02/04/2024
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ৩০ জুন
চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ৩০ জুন থেকে। মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১১ আগস্ট। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ১২ আগস্ট থেকে ২১ আগস্টের মধ্যে শেষ করতে হবে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর আবুল বাশার স্বাক্ষরিত রুটিনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। রুটিন অনুযায়ী, প্রথমদিন বাংলা প্রথমপত্রের পরীক্ষা হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে পরীক্ষা চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত।
RESULT SUMMARY
INST: 105820 - COMILLA AJITGUHA COLLEGE
BUSINESS STUDIES: PASSED=213; NOT PASSED=15; GPA5=2;
HUMANITIES: PASSED=139;
SCIENCE: PASSED=132; NOT PASSED=7; GPA5=42