31/07/2026
এক পোস্টে গনিত, শিক্ষাক্রম প্রশ্ন এবং Action research নমুনা....(এক পলক দেখে নিন,দরকারী মনে হলে Share করুন এখনই)
গাঠনিক মূল্যায়ন (পিটিআই টাঙ্গাইল)
তারিখ: ১৭.০৪.২০২৫
উপমডিউল-৩.৫ গণিত
মডিউল-৩
নিচের প্রশ্নের উত্তর দিনঃ
৩। নিচের কোন বৈশিষ্ট্যটি একটি পাঠ্যপুস্তকের একাডেমিক ও অভ্যন্তরীন দিক সম্পর্কিত?*
ক) সহজলভ্য, সুলভ ও সুন্দর প্রচ্ছদ
খ) মুদ্রন ও ব্যকারণগত ভাবে নির্ভুল
গ) পূর্নাঙ্গ পাঠ্যক্রমের ভিত্তিতে রচিত√
ঘ) আকৃতি ভাবে ব্যবহার উপযোগী
২। নিচের বাক্যগুলোর মধ্য থেকে সঠিক বাক্যটি খঁজে বের করুন।
*
ক) শিখনফলের ভিত্তিতে পাঠের বিষয়বস্তু রচনা করা হয়√
খ) পাঠের বিষয়বস্তু ভিত্তিতে শিখনফল নির্ধারণ করা হয়
গ) শিক্ষক পাঠের বিষয়বস্তু ও শিখনফল নির্ধারণ করেন
ঘ) শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে শিখনফল নির্ধারন করেন
৫। আবিষ্কার পদ্ধতির প্রধান বৈশিষ্ট্য হল :
*
ক) শিক্ষক নিজে নিজে সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করবেন
খ) শিক্ষার্থী নিজে নিজে সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করবে
গ) শিক্ষক শিখার্থীদের সমস্যার সমাধান খুঁজে বলে দিবেন
ঘ) শিক্ষার্থীরা সমস্যা এবং সমাধান খঁজে বের করবে√
৪। “বাস্তব উদাহরণ থেকে সূত্র গঠন করা” কোন পদ্ধতির অন্তর্গত?
*
ক) আরোহী√
খ) অবরোহী
গ) আবিষ্কার
ঘ) প্রকল্প
১। জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২১ অনুসারে গণিত বিষয়ের জন্য মোট কয়টি বিষয়ভিত্তিক যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে?
*
ক) ৬ টি
খ) ৮ টি√
গ) ১৮ টি
ঘ) ৩০ টি
১৫। চিত্রের ক্ষেত্রটিতে ত্রিভুজক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত?
*
ক) ০২ বর্গ সেমি
খ) ০৩ বর্গ সেমি
গ) ০৫ বর্গ সেমি√
ঘ) ১০ বর্গ সেমি
১১। নিচের কোন পদ্ধতিগুলোর মধ্যে কোনটি যোগ, বিয়োগ, গুণ এবং ভাগ ৪ টি প্রকৃয়ার জন্যই উপযোগী শিক্ষাদান কৌশল?
*
ক) গাণিতিক সমস্যা√
খ) হাতে রেখে
গ) হাতে না রেখে
ঘ) পরিমাপ ও বন্টন
১৭। “ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র কী” এটি গনিত শিখন মূল্যায়নের কোন ক্ষেত্র কে নির্দেশ করে?
*
ক) গাণিতিক ধারণা
খ) গাণিতিক প্রক্রিয়াগত ধারণা
গ) গাণিতিক সমস্যা সমাধানের ধারণা
ঘ) সূত্র সম্পর্কে ধারণা√
৬। প্রকল্প-পদ্ধতির প্রবক্তা কে?
*
ক) সক্রেটিস
খ) কিলপ্যাট্রিক√
গ) আর্মস্ট্রং
ঘ) এরিস্টটেল
১৩। “একটা প্রকৃত ভগ্নাংশ ও একটা অপ্রকৃত ভগ্নাংশের গুনফল- প্রকৃত ভগ্নাংশের চেয়ে বড় আর অপ্রকৃত ভগ্নাংশের চেয়ে ছোট হবে” উক্তিটি-
*
ক) সত্য√
খ) মিথ্যা
১০। মৌলিক ভাগসত্যের সংখ্যা কয়টি?
*
ক) ৭০ টি
খ) ৮০ টি
গ) ৯০ টি√
ঘ) ১০০ টি
৮। সংখ্যা লেখার নিচের পদ্ধতিগুলির মধ্যে কোন পদ্ধতি দশভিত্তিক?
*
ক) রোমান সংখ্যা পদ্ধতি
খ) আরব ও ভারতীয় সংখ্যা পদ্ধতি√
গ) প্রাচীন মিসরীয় সংখ্যা পদ্ধতি
ঘ) চীনা পদ্ধতি
১৮। গণিতে উপকরন নির্বাচনের ক্ষেত্রে ২ টি বিবেচ্য বিষয়ের নাম লিখুন
*
উত্তর: ১. শিক্ষার্থীর মানসিক স্তর ও দক্ষতা ২. পাঠ্যবস্তুর বিষয়বস্তু ও শিক্ষার উদ্দেশ্য
৭। De Lange এর গাণিতিক সাক্ষরতার Tree- Structure অনুসারে গাণিতিক স্বাক্ষরতার কয়টি ক্ষেত্র আছে?
*
ক) ৬ টি√
খ) ৫ টি
গ) ৪ টি
ঘ) ৩ টি
১৪। ৭৮৮.৭৮ সংখ্যাটির শতাংশ অংশের স্থানীয় মান কত?
*
ক) .০৮√
খ) .৭
গ) ৮
ঘ) ৮০
১২। ১২ সংখ্যাটির গুণনিয়ক কয়টি?
*
ক) ৩ টি
খ) ৬ টি√
গ) ৯ টি
ঘ) ১২ টি
১৬। গণিত শিখন মূল্যায়নের ক্ষেত্র কতটি?
*
ক) ৩ টি
খ) ৪ টি
গ) ৫ টিπ
ঘ) ৬টি
৯। নিচের কোনটি সংখ্যা শেখানোর পদ্ধতির সাথে সামাঞ্জস্যপূর্ণ নয়?
*
ক) ছবির সাথে ছবি মিলানো
খ) ছবির সাথে সংখ্যা মিলানো
গ) অন্তর দিয়ে গণনা
ঘ) ক্যালকূলেটরের গণনা√
#2025年
মডিউল ৩. উপমডিউল ১। শিখনক্ষেত্র ও শিক্ষাক্রম এবং মূল্যায়ন অভীক্ষাপদ (উত্তর সহ)
গাঠনিক মূল্যায়ন (জানুয়ারি-অক্টোবর/২০২৫)
মডিউল ৩. উপমডিউল ১। শিখনক্ষেত্র ও শিক্ষাক্রম এবং মূল্যায়ন অভীক্ষাপদ
সময়: ৫৫ মিনিট পূর্ণমান: ২০
[দ্রষ্টব্যঃ-ডান পাশের সংখ্যা প্রশ্নের পূর্ণমান জ্ঞাপক
১। সঠিক উত্তরটি উত্তরপত্রে লিখুন: ১×৪=৪
ক) শুভ ছবি আঁকার এক পর্যায়ে প্রায় নির্ভুলভাবে কম সময়ে ছবি আঁকতে পারে। এক্ষেত্রে শুভর দক্ষতা মনোপেশিজ ক্ষেত্রের কোন উপক্ষেত্রের অন্তর্ভুক্ত?
উত্তর: i) নিপুণতা
খ) বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষেত্রের ভিত্তিস্তর কোনটি?
উত্তর: i) জ্ঞান
গ) সাকিব, পরিবেশ দূষণে কী কী ক্ষতি হয় তা তার বন্ধু রাকিবকে বুঝিয়ে দিল। এটি তার জ্ঞানক্ষেত্রের কোন উপক্ষেত্রের বহিঃপ্রকাশ?
উত্তর: i) অনুধাবন
ঘ) প্রয়োগ কৌশল অনুযায়ী অভীক্ষা কত ধরণের?
উত্তর: ii) ৩
২। যে কোনো ৪ টি প্রশ্নের উত্তর দিন। ৩×৪=১২
ক) শিখনফল, শিখন-শেখানো কার্যক্রম এবং মূল্যায়নের মধ্যে সম্পর্ক ব্যাখ্যা করুন।
উত্তর: শিখনফল, শিখন-শেখানো কার্যক্রম এবং মূল্যায়ন এই তিনটি বিষয় একে অপরের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শিখনফল হচ্ছে একজন শিক্ষার্থী একটি নির্দিষ্ট পাঠ শেষে কী শিখবে তার সুস্পষ্ট ধারণা। শিখন-শেখানো কার্যক্রম হচ্ছে সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে শিক্ষার্থী শিখনফল অর্জনে সক্ষম হয়। আর মূল্যায়ন হচ্ছে শিক্ষার্থীর শিখনফল কতটা অর্জিত হয়েছে তা যাচাই করার পদ্ধতি।
খ) একটি কার্যকর ফলাবর্তনের প্রয়োগ কৌশল ব্যাখ্যা করুন।
উত্তর: একটি কার্যকর ফলাবর্তনের প্রয়োগ কৌশল হলো:
১. নির্দিষ্ট এবং স্পষ্ট হওয়া: ফলাবর্তনে শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট কাজ এবং তাদের কর্মদক্ষতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিতে হবে।
২. সময়োপযোগী হওয়া: শিক্ষার্থীদের কাজের পরপরই ফলাফল জানানো উচিত।
৩. গঠনমূলক হওয়া: ফলাবর্তনে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে তা দূর করার উপায় সম্পর্কে নির্দেশনা দিতে হবে।
৪. ব্যক্তিগতকৃত হওয়া: প্রতিটি শিক্ষার্থীর প্রয়োজন অনুযায়ী ফলাফল জানাতে হবে।
৫. ব্যবহারিক হওয়া: ফলাবর্তনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাজের মান উন্নয়নের সুযোগ থাকতে হবে।
গ) বহুনির্বাচনী অভীক্ষাটি পরিমার্জন করে লিখুন:
শিল্প বিপ্লবকে ইতিহাসের একটি বড় সন্ধিক্ষণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। শিল্প বিপ্লব কখন হয়?
উত্তর : ১৮ শতকে
ঘ) শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি/সিলেবাসের পার্থক্য লিখুন।
উত্তর: শিক্ষাক্রম এবং পাঠ্যসূচি/সিলেবাসের মধ্যে প্রধান পার্থক্য হলো:
* শিক্ষাক্রম একটি বৃহত্তর ধারণা, যেখানে একটি নির্দিষ্ট স্তরের শিক্ষার সামগ্রিক পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত থাকে। এর মধ্যে শিক্ষার উদ্দেশ্য, বিষয়বস্তু, মূল্যায়ন পদ্ধতি এবং সহ-শিক্ষাক্রমিক কার্যক্রমের মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকে। অন্যদিকে, পাঠ্যসূচি/সিলেবাস একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের জন্য তৈরি করা হয়, যা শিক্ষাক্রমের একটি অংশ। এতে বিষয়বস্তুর বিস্তারিত বিবরণ, পঠন-পাঠনের কৌশল এবং মূল্যায়ন পদ্ধতি উল্লেখ থাকে।
৫) কাঠামোবদ্ধ অভীক্ষা প্রণয়নের নীতিমালাসমূহ লিখুন।
উত্তর: কাঠামোবদ্ধ অভীক্ষা প্রণয়নের নীতিমালাগুলো হলো:
১. অভীক্ষার উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা।
২. পাঠ্যক্রমের বিষয়বস্তুর উপর ভিত্তি করে প্রশ্ন তৈরি করা।
৩. প্রশ্নের ভাষা সহজ ও বোধগম্য রাখা।
৪. বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন যেমন- বহু নির্বাচনী, সংক্ষিপ্ত উত্তর, রচনামূলক ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করা।
৫. প্রশ্নের মান সঠিকভাবে নির্ধারণ করা এবং প্রশ্নপত্রের ভারসাম্য বজায় রাখা।
৬. উত্তর প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত সময় প্রদান করা।
৭. মূল্যায়ন পদ্ধতি নির্ধারণ করা এবং শিক্ষার্থীদের ফলাফল সম্পর্কে জানানো।
৬) শিক্ষকতা পেশায় শিক্ষাক্রমের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করুন।
উত্তর: শিক্ষকতা পেশায় শিক্ষাক্রমের গুরুত্ব অপরিসীম। শিক্ষাক্রম শিক্ষকদের জন্য একটি পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করে, যা তাদের শিক্ষাদানের উদ্দেশ্য, বিষয়বস্তু এবং পদ্ধতি নির্ধারণে সাহায্য করে। শিক্ষাক্রমের মাধ্যমে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের জন্য উপযুক্ত শিখন অভিজ্ঞতা তৈরি করতে পারেন এবং তাদের সামগ্রিক বিকাশে সহায়তা করতে পারেন। এছাড়াও, শিক্ষাক্রম শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন এবং তাদের অগ্রগতি পরিমাপের জন্য একটি কাঠামো প্রদান করে।
৩। কলাম (colum) 'A' এ সৃজনশীল প্রশ্নের চিন্তন দক্ষতার কতিপয় অভীক্ষাপদ উল্লেখ করা হলো। কোন অভীক্ষাটি কলাম (colum) 'B' এর কোন ধরনের অভীক্ষার সাথে সম্পর্কিত তা থেকে মিল করে লিখুন।
উত্তর:
ক) আপনার মতে, বায়ু দূষণ কীভাবে রোধ করা যায়? - উপায় নির্ধারণমূলক অভীক্ষা
খ) বায়ু জায়গা দখল করে, প্রমাণ করুন। - ব্যবহারিক অভীক্ষা
গ) মানুষ কীভাবে মাটি দুষণ করছে? উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করুন। - কার্যকরণ সম্পর্কভিত্তিক অভীক্ষা
ঘ) কৃষিকাজে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে মানুষ সহজেই রোগাক্রান্ত হয় কেন? ৩টি যুক্তি প্রদান করুন। - যুক্তিনির্ভর অভীক্ষা
#কর্মসহায়ক #গবেষণা #প্রতিবেদন
বিষয়: ক্লাসে কিছু শিক্ষার্থী বিশৃঙ্খলা করার কারণ অনুসন্ধান ও প্রতিকার
অধ্যায় ১: ভূমিকা
শ্রেণিকক্ষ হলো শিক্ষা কার্যক্রমের প্রাণকেন্দ্র। কিন্তু বাস্তবে অনেক সময় দেখা যায়, কিছু শিক্ষার্থী ক্লাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। এর ফলে শিক্ষকের পাঠদান ব্যাহত হয়, অন্য শিক্ষার্থীরা মনোযোগ হারায় এবং সামগ্রিক শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই এই সমস্যা নিয়ে কর্মসহায়ক গবেষণা পরিচালনা করা জরুরি। এই গবেষণার মাধ্যমে সমস্যার মূল কারণ চিহ্নিত করে কার্যকর প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নির্ধারণ করা সম্ভব।
অধ্যায় ২: গবেষণার উদ্দেশ্য
১. শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের বিশৃঙ্খল আচরণের কারণ অনুসন্ধান।
২. শিক্ষাদানের ওপর এর প্রভাব নির্ধারণ।
৩. কার্যকর প্রতিকার ও সমাধানের উপায় নির্ধারণ।
অধ্যায় ৩: গবেষণা প্রশ্ন
১. শিক্ষার্থীরা কেন ক্লাসে বিশৃঙ্খলা করে?
২. বিশৃঙ্খলার ফলে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার পরিবেশে কী প্রভাব পড়ে?
৩. শিক্ষার্থীদের বিশৃঙ্খল আচরণ কমানোর উপায় কী?
অধ্যায় ৪: গবেষণার পদ্ধতি
তথ্য সংগ্রহের কৌশল:
শ্রেণিকক্ষ পর্যবেক্ষণ।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎকার ও প্রশ্নোত্তর।
শিক্ষক ও অভিভাবকদের মতামত।
বিদ্যালয়ের রেকর্ড বিশ্লেষণ।
তথ্য বিশ্লেষণ: সংগ্রহকৃত তথ্য শ্রেণিবদ্ধ করে কারণ, প্রভাব এবং প্রতিকার চিহ্নিত করা হয়েছে।
অধ্যায় ৫: বিশ্লেষণ
ক) বিশৃঙ্খলার প্রধান কারণ
১. পারিবারিক কারণ – অভিভাবকের অনিয়মিত তত্ত্বাবধান, অশান্ত পারিবারিক পরিবেশ, পড়াশোনার অভ্যাস গড়ে না ওঠা।
২. বিদ্যালয়-সংক্রান্ত কারণ – একঘেয়ে পাঠদান, পাঠ্যবস্তুর প্রতি অনাগ্রহ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী দুর্বল সম্পর্ক।
৩. শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত কারণ – চঞ্চল স্বভাব, আত্মবিশ্বাসের অভাব, সহপাঠীদের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা।
৪. সামাজিক/প্রযুক্তিগত কারণ – খারাপ বন্ধুদের প্রভাব, মোবাইল-গেম ও সামাজিক মাধ্যমের নেতিবাচক ব্যবহার।
খ) বিশৃঙ্খলার প্রভাব
শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হয়।
অন্য শিক্ষার্থীদের শেখার আগ্রহ কমে যায়।
শিক্ষক মানসিক চাপ অনুভব করেন।
বিদ্যালয়ের সামগ্রিক সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়।
সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ বিপন্ন হয়।
অধ্যায় ৬: ফলাফল
গবেষণার ফলাফল থেকে দেখা যায়—
বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর বিশৃঙ্খল আচরণের পেছনে পারিবারিক তত্ত্বাবধানের অভাব এবং পাঠদান পদ্ধতির একঘেয়েমি অন্যতম কারণ।
শিক্ষক-শিক্ষার্থীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং আকর্ষণীয় শিক্ষণ কৌশল গ্রহণ করলে পরিস্থিতি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসে।
অভিভাবকের সক্রিয় সহযোগিতা থাকলে শিক্ষার্থীর আচরণ পরিবর্তন দ্রুত সম্ভব।
অধ্যায় ৭: সুপারিশ
১. শিক্ষণ কৌশল উন্নয়ন: গেম-ভিত্তিক শেখানো, দলীয় কাজ, ভিজ্যুয়াল ও প্রযুক্তি ব্যবহার।
২. প্রশংসা ও অনুপ্রেরণা: শৃঙ্খল শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা, দুষ্টু শিক্ষার্থীকে দায়িত্বশীল কাজে যুক্ত করা।
৩. ক্লাসরুম নিয়ম: লিখিতভাবে স্পষ্ট নিয়ম তৈরি করে তা কার্যকর করা।
4. অভিভাবক-শিক্ষক সমন্বয়: নিয়মিত যোগাযোগ, আচরণগত অগ্রগতির প্রতিবেদন শেয়ার করা।
৫. মানসিক সহায়তা: প্রয়োজনে কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করা।
৬. সহপাঠী নেতৃত্ব: ক্লাস ক্যাপ্টেন/দলনেতার মাধ্যমে শৃঙ্খলা রক্ষা।
সারসংক্ষেপ (Abstract):
এই কর্মসহায়ক গবেষণার উদ্দেশ্য ছিল শ্রেণিকক্ষে কিছু শিক্ষার্থীর বিশৃঙ্খল আচরণের কারণ চিহ্নিত করা এবং কার্যকর প্রতিকার নির্ধারণ করা। গবেষণায় শ্রেণি-পর্যবেক্ষণ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার, অভিভাবকের মতামত এবং বিদ্যালয়ের নথিপত্র বিশ্লেষণের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। ফলাফলে দেখা যায়, শিক্ষার্থীদের বিশৃঙ্খলার প্রধান কারণ পারিবারিক তত্ত্বাবধানের অভাব, একঘেয়ে পাঠদান, ব্যক্তিগত মানসিক অস্থিরতা এবং সামাজিক/প্রযুক্তিগত নেতিবাচক প্রভাব। এই বিশৃঙ্খলার ফলে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হয় এবং শিক্ষাদান ব্যাহত হয়। গবেষণার সুপারিশ অনুযায়ী অংশগ্রহণমূলক ও আকর্ষণীয় শিক্ষণ কৌশল গ্রহণ, শৃঙ্খলাবিধান, অভিভাবক-শিক্ষক সমন্বয় এবং মানসিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে শ্রেণিকক্ষের বিশৃঙ্খলা কমিয়ে আনা সম্ভব।
অধ্যায় ৮: উপসংহার
শ্রেণিকক্ষের বিশৃঙ্খলা শিক্ষার মান নষ্ট করার অন্যতম কারণ। এর মূল উৎস পারিবারিক, বিদ্যালয়িক, ব্যক্তিগত ও সামাজিক প্রভাবের মধ্যে নিহিত। গবেষণার ফলাফল নির্দেশ করে যে, শিক্ষক যদি শিক্ষার্থীদের মানসিকতা বুঝে আকর্ষণীয় ও অংশগ্রহণমূলক পাঠদান করেন, পাশাপাশি অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগ নেন, তবে শ্রেণিকক্ষের বিশৃঙ্খলা অনেকাংশে কমানো সম্ভব। এভাবে শিক্ষার পরিবেশ হবে আনন্দময়, শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং কার্যকর।
তথ্যসূত্র (References):
১. জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। প্রাথমিক শিক্ষা শিক্ষক সহায়িকা। ঢাকা: এনসিটিবি।
২. শিক্ষা অধিদপ্তর। বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন প্রতিবেদন, ঢাকা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
৩. Rahman, M. (2018). Classroom Management and Student Behavior in Primary Schools. Dhaka: University Press Limited (UPL).
৪. Alam, S. & Chowdhury, R. (2020). Education and Discipline in the Classroom. Dhaka: Academic Press.
৫. UNICEF Bangladesh. (2022). Creating Child-Friendly Learning Environment in Primary Schools. Dhaka: UNICEF.
৬. UNESCO. (2021). Education for Sustainable Development: A Guide for Teachers. Paris: UNESCO Publishing.