12/03/2025
জেনে রাখুন
A general idea about different subjects.
12/03/2025
12/07/2023
ড. মুহাম্মদ খানী বলছেন - একদিন আমি আমার গাড়িতে বসে ছিলাম, হঠাৎ প্রায় ষোল বছর বয়সী এক কিশোর এসে আমাকে বলল, স্যার আমি কি আপনার গাড়ির সামনের গ্লাসগুলো পরিস্কার করে দিতে পারি?
আমি বললাম - হ্যাঁ।
সে যত্ন করে গ্লাস পরিষ্কার করে দিলে আমি তার হাতে ২০ ডলার গুঁজে দিলাম।ছেলেটি খানিক অবাক হয়ে বলল, আপনি কি আমেরিকায় থাকেন?আমি বললাম - হ্যাঁ। কেন?
সে বলল, আমি কি এই ২০ ডলারের বদলে সেখানকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সম্পর্কে কিছু কথা জানতে পারি?
আমি তার বিনয় ও লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ দেখে তাকে কাছে ডেকে নিয়ে আলাপ শুরু করে দিলাম।
আলাপের শেষ দিকে তাকে জিজ্ঞাসা করলাম - তুমি এভাবে রাস্তায় গাড়ি পরিস্কারের কাজ করে বেড়াচ্ছ কেন , তুমি তো একজন মেধাবী ছাত্র?
উত্তরে সে বলল, আমার দু বছর বয়সেই আমার বাবা মারা যান। আমার মা মানুষের বাসায় কাজ করেন। আমি এবং আমার ছোট বোন বাইরে টুকটাক কাজ করে বেড়াই বাড়তি কিছু রোজগারের আশায় যা দিয়ে আমাদের লেখাপড়ার খরচ চলে। আমি শুনেছি আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নাকি মেধাবী ছাত্রদের উচ্চতর লেখাপড়ার জন্য স্কলারশিপ দেয়। আমার খুব ইচ্ছা সেখানে পড়ার।কিন্তু সেখানে আমাকে সাহায্য করার মত তো কেউ নেই।
আমি বললাম - চলো, আগে আমরা একসাথে ডিনার করি।
সে বলল, একটি শর্তে আপনার দাওয়াত কবুল করতে পারি। আর তা হল বিনিময়ে আমি আপনার গাড়ির পেছনের গ্লাসগুলোও পরিষ্কার করে দেব।
আমি কথা না বাড়িয়ে তা মেনে নিয়ে হোটেলে ঢুকলাম।খাবার অর্ডার করলে সে ওয়েটারকে বলল তারগুলো পার্সেল করে দিতে। সে বাসায় গিয়ে তার মা আর বোনকে নিয়ে খাবে। খেয়াল করলাম তার ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অসামান্য।
বিদায় বেলায় সিদ্ধান্ত হল সে তার কাগজপত্রগুলো আমাকে দিবে, আমি সাধ্যমতো চেষ্টা করব।
এভাবে দীর্ঘ ছয়মাস পর আমি তাকে আমেরিকা এনে ভালো একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করতে সক্ষম হলাম।
সে তার তার মেধা ও অধ্যবসায়ের জোরে কয়েক বছরের মধ্যেই আধুনিক টেকনোলজির কনিষ্ঠ টেক ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। নিউইয়র্ক টাইমসের পাতায় তাকে নিয়ে লিড নিউজ হলে সারা বিশ্বে হইচই পড়ে যায়।
তার ঈর্ষনীয় সফলতায় আমি ও আমার পরিবার যারপরনাই আনন্দিত হই। এদিকে তাকে না জানিয়ে তার মা ও বোনের ভিসা ব্যবস্থা করে আচমকা তার সামনে আমেরিকায় নিয়ে এসে তাকে বড়সড় সারপ্রাইজ দিয়ে চমকে দেই। তাদের দেখে সে বোবা বনে যায়। এমনকি কাঁদতে পর্যন্ত ভুলে যায়।
এখন সে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা শিক্ষকদের একজন।
তারও কিছুদিন পর আমি একদিন বাসা থেকে রাস্তার দিকে তাকিয়ে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যাই। দেখি সে বাইরে দাঁড়িয়ে আমার গাড়ির গ্লাসগুলো পরিষ্কার করছে!চটজলদি দৌড় গিয়ে তাকে বাধা দিয়ে বলি - এগুলো কি করছো?সে অশ্রুসজল চোখে বলল, ছাড়ুন স্যার! আমাকে আমার কাজ করতে দিন। যেন আমি আমার পরিচয় ভুলে না যাই। আমি মনে রাখতে চাই আমি কি ছিলাম আর আজ কি হলাম। এবং আপনি আমার জন্য কী করেছেন!
এই সেই ফিলিস্তিনি যুবক ফরিদ আব্দুল আলী। যিনি বর্তমানে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসিদ্ধ তরুণ প্রফেসর :) 🫡🫡
বিশ্ব জ্ঞান এবং বিজ্ঞানের অজানা রহস্য
(সংগৃহীত)
আসসালামু আলাইকুম।
বানান করে কুরআন শিক্ষার 78 টি পর্ব।
ইচ্ছা থাকলে নিজে নিজেই শিখতে পারবেন।
ধন্যবাদ।
এসো কুরআন শিখি (২০২২) নবম সংস্করণ Share your videos with friends, family, and the world
23/06/2023
#প্রেক্ষাপট_১
উচ্চ বেতনে চাকুরি করা এক যুবক আরেক গরীব যুবককে প্রশ্ন করলো,
- তুমি কোথায় চাকুরি করো?
- একটা কোম্পানিতে ।
- স্যালারি কতো?
- ১০০০০ টাকা।
- মোটে দশ হাজার? চলো কিভাবে? তোমার মালিক তোমার প্রতি অবিচার করছে। তুমি যেই ছেলে তোমার যা যোগ্যতা,তাতে হেসেখেলেই তুমি অনেক টাকা বেতন পেতে পারো।
যুবকের মেজাজ খাট্টা হয়ে গেলো। নিজের কাজের প্রতি ও বসের প্রতি
বেজায় রুষ্ট হয়ে উঠলো। পরদিন গিয়ে সরাসরি বসকে বেতন বাড়ানোর কথা। জানালো। কথা কাটাকাটি হওয়ার একপর্যায়ে বস তাকে চাকরিচ্যুত করলো।
এখন যুবকটি বেকার।
#প্রেক্ষাপট_২
- তোমার প্রথম সন্তান হলো বুঝি?
- জ্বি।
- তোমার স্বামী এ উপলক্ষ্যে তোমাকে কিছু দেয় নি? উপহার, টাকা বা এ জাতীয় কিছু?
- না। কেন দিবে? এ তো আমাদেরই সন্তান! উপহার বা টাকা দিতে হবে কেন?
- কেন তোমাকে হাত খরচার জন্যেও তো দু’চার পয়সা দিতে পারে। তার কাছে কি তোমার কোনও মূল্য নেই? তুমি চাকরানি?
স্ত্রীর মনে ধরলো কথাটা।
সারাদিন কথাটা ভাবতে ভাবতে মনটা বিষিয়ে উঠলো। সত্যিই তো! আমাকে একটা টাকাও কখনো ছোঁয়ায় না! রাতে কর্মক্লান্ত স্বামী ঘরে ফিরলো।
স্ত্রীর মুখ দিয়ে বোমা বিস্ফোরিত হলো। রেগে গেলো দু’জনে, কথা কাটাকাটি ঝগড়া আর ঝগড়া। পরে হাতাহাতি, শেষ পর্যন্ত তালাকে গিয়ে গড়ালো।
#প্রেক্ষাপট_৩
- এই বৃদ্ধ বয়েসে কষ্ট করছেন? ছেলে ঢাকায় থাকে,বড় চাকুরি করে শুনেছি। মস্ত বড় ফ্ল্যাটে বউ-বাচ্চা নিয়ে থাকে। আপনাদের দু’জনকে সাথে নিয়ে যেতে পারে না? আপনাদের দেখতেও তো আসে না!
- না না, ছেলে আমার খুবই ব্যস্ত। টাকা পাঠায় তো। ফোনে ও খোঁজ-খবর নেয় নিয়মিত।
- কী এমন ব্যস্ততা তার শুনি? নিজের জন্মদাতা-জন্মদাত্রীকে দেখতে আসার সময় হয় না?
- সারাদিন অফিস-বাসা করতে করতেই তো তার সবটা সময় চলে যায়!
- আপনি খোঁজ নিয়েছেন? সে ঢাকায় বাড়ি-গাড়ি হাঁকিয়ে বেড়াচ্ছে।
আর আপনারা অজপাড়াগাঁয়ে ধুঁকছেন?
বৃদ্ধ বাবা বাসায় এসে স্ত্রীকে খুলে বললো।
স্ত্রীও বাধা দিল,
- আপনি ভুল শুনেছেন। সে আসলেই ব্যস্ত।
- নাহ,সেকি কি মিথ্যা বলতে পারে ?
আহা রে! কাকে বুকের রক্ত পানি করে বড় করলাম। এটা ভেবেই করে বসলেন ব্রেইন স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক!
# এবার_আসি_মূলকথায়
-কিছু নিরীহ-অযাচিত প্রশ্ন আমাদের সুখী জীবনকে ক্ষণিকের মধ্যেই দুঃখী করে দিতে সক্ষম।
-আমাদের সমাজে ছদ্মবেশী দরদীরা নিরন্তর শান্ত জীবনে অশান্তির দাবানল জ্বালিয়ে দেয়।
-ছদ্মবেশী ডাইন/ডাইনীগুলো নিজের থেকে কিন্তু আপনাকে কিছুই দিবেনা। কিন্তু অন্যের থেকে অবৈধভাবে আদায় করার পদ্ধতি শিখিয়ে দিয়ে আপনাকে জিতিয়ে দেয়ার নামে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিবে।
#গল্পের_হিতোপদেশঃ
---জীবনে ৩য় ব্যাক্তি কে প্রবেশ করার সুযোগ দেবেন না। আর যদিও কোন ভাবে ঢুকে যায় তাহলে যথা সম্ভব তার কথা কানে তুলবেন না।
৩য় ব্যাক্তি হতে সাবধান।
09/06/2023
ডিভোর্সের ২৫ বছর পর নিজের প্রাক্তন স্বামীকে নিজের বৃদ্ধাশ্রমে দেখে চমকে গেলাম । কিছু বুঝতে পারছিনা। এতোবছর পর মানুষটাকে এভাবে দেখতে হবে তা একদম অকল্পনীয় ছিলো।লোকটা একপাশে গুটিসুটি মেরে বসে আছে। দেখতে বড্ড অসহায় লাগছে। নিজের মধ্যে সংকোচ করছে তার সামনে যাবো কি যাবো না।অনেকটা জড়তা নিয়ে শেষ পর্যন্ত তার সামনে গিয়ে দাড়ালাম।সামনে দাঁড়ানোর পরও লোকটার কোনো ভাবের পরিবর্তন হলো না, বুঝতে অসুবিধা হলোনা, যে সামনে থাকা মানুষটা চোখে দেখতে পায় না।
২৭ বছর আগে পারিবারিকভাবে আমার সাথে বিয়ে হয়েছিলো সিফাতের। বেশ ভালোই চলছিলো আমাদের সংসার।যৌথ হওয়াতে পুরো পরিবার একসাথে থাকতাম।শান্ত স্বভাবের হওয়াতে সবার সাথে আমার সম্পর্ক খুব ভালোই ছিলো। আমাকে সবাই ভালোবাসতো। বিয়ের প্রায় দুই বছর অতিক্রম হওয়ার পরও যখন আমাদের সন্তান হচ্ছিল না তখন আমার শ্বশুর বাড়ির লোকজন আমাকে বিভিন্ন চাপ দিতে লাগলো।অবশেষে রিপোর্ট থেকে জানতে পারি, আমি কখনো মা হতে পারবেনা। এরপর শুরু হয় শ্বশুড় বাড়ির বিভিন্ন মানসিক যন্ত্রণা। তবুও নিশ্চুপ ছিলাম কারণ আমার পাশে আমার ভালোবাসার মানুষ সিফাত ছিলো।কিন্তু সুখ নামক বস্তু হয়তো সবসময় সয় না।আমার ক্ষেত্রেও তার বিপরীত কিছু হলো না।পরিবারের চাপে সিফাতও আমার থেকে দূরত্ব নিয়ে নিলো।তবুও নিজেকে মানাতাম যে মানুষটা মনের কষ্টে হয়তো এমন করছে।
শ্বশুর বাড়িতে থাকাটা যখন অনেকটা যন্ত্রণাদায়ক হয়ে গেলো তখন ঠিক করলাম কিছুদিন বাপের বাড়িতে গিয়ে উঠবো এতে হয়তো পরিবেশ কিছুটা শান্ত হবে।যেদিন রাতে সিফাতকে বাপের বাড়ির কথা জানালাম সেদিন রাতে তার কোনো উত্তর পেলামনা।কিন্তু আগেরকার সময়ে বাপের বাড়ি যাওয়ার কথা বল্লে তার মুখটা কালো হয়ে যেতো,এবারে তার মধ্যে তেমন পরিবর্তন হলোনা।
বাপেরবড়ি যাওয়ার প্রায় তিনদিন বাদে একটা কুরিয়ার এলো যাতে লেখা আছে সিফাতের বিয়ের কথা আর আমাদের ডিভোর্সের পেপার।চিঠি আর ডিভোর্স পেপারটা হাতে নিয়েই আমার পুরো মাথা ফাঁকা হয়ে গেলো ।বুঝতে বাকি রইলো না পুরে বিষয়টা বহুদিন আগে থেকে পরিকল্পিত। শুধু আমার বের হওয়ার অপেক্ষায় ছিলো।যার জন্য এতো কষ্ট আর অপমান সয়য়ে ছিলাম সেই যখন পাশকেটে চলে গেলো তখন নিজেকে পুরো একা মনে হলো।ভাবলাম ঐ বাড়ি গিয়ে এ বিষয়ে প্রশ্ন করবো,প্রতিবাদ করবো কিন্তু মনে হলো যার জন্য ও বাড়িতে যাবো সেই তো আমাকে চাই না তাই গিয়ে লাভ কি!!! ডিভোর্স পেপারে সাইন করে পাঠিয়ে দিলাম।ডিভোর্স পেপার পাঠানোর পর তার সাথে আর কখনো দেখা বা যোগাযোগ হয়নি কারণ আমি নিজেই সবটা বন্ধ করে দিয়েছিলাম।
ক্ষণে ক্ষণে মনে হতো আমার মতো নিঃসন্তান, স্বামী ত্যাগী মানুষের পৃথিবীতে না থাকা শ্রেয় কিন্তু একটা সময় বুঝতে পারলাম নিজের জন্য না হলেও অন্যের জন্য বাঁচতে হবে।নিজের মতো ভুক্তভোগী নারীদের জন্য বাঁচতে হবে।বাঁচতে হবে ওসব শিশুদের জন্য যারা পরিচয়হীন হয়ে বেঁচে আছে এ পৃথিবীতে। পেছনে ফেলে আসা মানুষগুলোর প্রতি কোনো অভিযোগ রইলোনা। ।মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলাম, সমাজের তাদের জন্য কাজ করবো যারা নিজেদের ত্রুটির জন্য পরিবার পরিজনের কাছে আঘাতপ্রাপ্ত।অতীতকে ভুলে, কঠোর পরিশ্রমে একদিন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করলাম।স্থাপিত করলাম এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম, বিধবা নারীদের জন্য বিভিন্ন কাজের ব্যবস্থা করেলাম।। আমার মতো যে সকল নারী এ সমাজে অবহেলিত, মানসিক আঘাতে জর্জরিত তাদের জন্য কিছু করতে পারাটাকে নিজের জন্য অনেক সৌভাগ্যের মনে হলো।
অসুস্থ আর অস্বাভাবিক লাগছে সিফাতকে।আমি নাহয় তার আপন ছিলাম না তাই আমাকে ছাড়তে তার হৃদয় কাঁপেনি তাহলে যারা তার আপন ছিলো তারা কেনো তাকে এখানে রেখে গেলো?? একজন সার্ভেন্টকে জিজ্ঞেস করলাম, ওনাকে এখানে কে এনেছে?? উত্তরে সে জানায়, সন্তানরা সবাই বিদেশ থাকে কেউ দায়িত্ব নিতে চায় না তাই আশ্রমে রেখে গিয়েছে।দীর্ঘশ্বাস ফেল্লাম আর মনে মনে চিন্তা করলাম, একসময় নিঃসন্তান হওয়ায় সিফাত আমাকে ছেড়েছিলো আর আজ সে সন্তানরাই তাকে বৃদ্ধাশ্রমে ছেড়ে গেলো।এটাই হয়তো প্রকৃতির খেলা!!!!
শিক্ষা: কারও সাথে জুলুম করতে নাই, কারও অধিকার খর্ব করতে নেই, কাউকে অসম্মান করতে নেই! আল্লাহ তার নিয়মে সেসব তাকেই ফেরত দেয়!!
(সংগৃহিত ও ঈষৎ পরিমার্জিত)
ভালো লাগলে পেজটি কে ফলো দিয়ে পাশে থাকবেন ❤️
আপনার টাইমলাইনে শেয়ার দিয়ে রাখুন ভবিষ্যতে কাজে লাগবে।
পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১৩০ টি শব্দের অর্থ তাছাড়া দলিলে লিখিত অনেক শব্দ আছে, যার সংক্ষিপ্ত রুপ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এমনও কিছু শব্দ আছে যা খুব কম ব্যবহার হয়। যারা পুরাতন দলিলের ব্যবহৃত শব্দের অর্থ বোঝেন না,তাদের জন্য আমার এই লেখাটিঃ-
১. মৌজা = গ্রাম।
২. জে.এল নং = মৌজা নং/গ্রাম নম্বর।
৩. ফর্দ = দলিলের পাতা।
৪. খং = খতিয়ান।
৫. সাবেক = আগের/পূর্বের বুজায়
৬. হাল = বর্তমান।
৭. বং = বাহক, অর্থাৎ যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম
লিখে।
৮. নিং = নিরক্ষর।
৯. গং = আরো অংশীদার আছে।
১০. সাং = সাকিন/গ্রাম।
১১. তঞ্চকতা = প্রতারণা।
১২. সনাক্তকারী = যিনি বিক্রেতাকে চিনে।
১৩. এজমালী = যৌথ।
১৪. মুসাবিদা = দলিল লেখক।
১৫. পর্চা = বুঝারতের সময় প্রাথমিক খতিয়ানের যে
নকল দেওয়া হয় তাকে পর্চা বলে।
১৬. বাস্তু = বসত ভিটা।
১৭. বাটোয়ারা = বন্টন।
১৮. বায়া = বিক্রেতা।
১৯. মং = মবলগ/মোট
২০. মবলক = মোট।
২১. এওয়াজ = সমপরিমাণ কোন কিছু বদলে
সমপরিমাণ কোন কিছু বদল করাকে এওয়াজ
বলে।
২২. হিস্যা = অংশ।
২৩. একুনে = যোগফল।
২৪. জরিপ = পরিমাণ।
২৫. এজমালী = কোনো ভূমি বা জোতের একাধিক
শরীক থাকিলে তাহাকে এজমালী সম্পত্তি বা
এজমালী জোত বলে।
২৬. চৌহদ্দি = সীমানা।
২৭. সিট = নকশার অংশ বা মৌজার অংশের
নকশাকে সিট বলে।
২৮. দাখিলা = খাজনার রশিদ।
২৯. নক্সা = ম্যাপ।
৩০. নল = জমি পরিমাপের নিমিত্তে তৈরী অংশ দণ্ড।
৩১. নাল = চাষাবাদের উপযোগী ভূমি।
৩২. পিং = পিতা।
৩৩. জং = স্বামী।
৩৪. দাগ নং = জমির নম্বর।
৩৫. এতদ্বার্থে = এতকিছুর পর।
৩৬. স্বজ্ঞানে = নিজের বুঝ মতে।
৩৭. সমূদয় = সব কিছু।
৩৮. ইয়াদিকৃত = পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে
শুরু করিলাম।
৩৯. পত্র মিদং = পত্রের মাধ্যমে।
৪০. বিং = বিস্তারিত।
৪১. দং = দখলকার।
৪২. পত্তন = সাময়িক বন্দোবস্ত।
৪৩. বদল সূত্র = এক জমি দিয়া অন্য জমি গ্রহণ করা।
৪৪. মৌকুফ = মাপ।
৪৫. দিশারী রেখা = দিকনির্দেশনা।
৪৬. হেবা বিল এওয়াজ = কোন জিনিসের পরিবর্তে
ভূমি/জমি দান করাকে হেবা বিল এওয়াজ বলে।
৪৭. বাটা দাগ = কাটা দাগ এটি ভগ্নাংশ আকারে
থাকে, যার উপরের সংখ্যা আগের দাগ এবং
নিচের সংখ্যা এই দাগের বাটা।
৪৮. অধুনা = বর্তমান।
৪৯. রোক = নগদ।
৫০. ভায়া = বিক্রেতার পূর্বের ক্রয়কৃত দলিল।
৫১. দান সূত্র = কোনো ভূমি দলিল মূলে দান করিলে
দান গ্রহণকারী দান সূত্রে ভূমির মালিক বলিয়া
গন্য হয়।
৫২. দাখিল খারিজ = কোনো জোতের ভূমি ও জমা
হইতে কতেকাংশ ভূমির খরিদ্দার ওয়ারিশ সূত্রে
প্রাপ্ত ব্যাক্তিকে পৃথকভাবে নাম জারি করিয়া দিলে
তাহাকে দাখিল খারিজ বলে।
৫৩. তফসিল = তালিকা, কোনো দলিলের নিম্নভাগে
লিখিত সম্পত্তির তালিকাকে তফসিল বলে।
৫৪. খারিজ = যখন কোনো সরকার বা জমিদার
কোনো প্রজাকে তাহার অংশীদারের জমা হইতে
পৃথকভাবে খাজনা দিবার অনুমতি দেন তখন
তাহাকে খারিজ বলে।
#ভূমিপরামর্শক পেইজে লাইক দিয়ে সাথেই থাকুন
৫৫. খতিয়ান = প্রত্যেক মৌজার এক বা একাধিক
ভূমির জন্য একত্রে যে রেকর্ড সৃষ্টি করা হয়
তাহাকে খাতিয়ান বলা হয়। খতিয়ানে তৌজি
নম্বর, পরগনার নাম, জে.এল বা গ্রামের নাম,
খতিয়ান নম্বর, স্বত্ত্বের বিবরণ মালিকের নাম,
তাহার পিতা ও গ্রামের নাম, দাগ নম্বর, প্রত্যেক
দাগের উত্তর সীমানা, ভূমির প্রকার অর্থাৎ (ডাঙ্গা,
ধানী, ডোবা, পতিত, গর্ত, হালট, ইত্যাদি)
দখলকারের নাম, ভূমির ষোল আনা পরিমাণ,
হিস্যা ও হিস্যা মত পরিমাণ একর লিখিত থাকে।
৫৬. জরিপ = সাধারণত কর নির্ধারণ ভিত্তিতেই এই
সার্ভে করা হইয়া থাকে।
৫৭. এওয়াজ সূত্র = সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা
জিনিসের বদলে সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা
জিনিস প্রাপ্ত হইলে তাহাকে এওয়াজ সূত্রে প্রাপ্ত
বলা হয় ইহাকে বদল সূত্রও বলে।
৫৮. অছিয়তনামা = যদি কোনো ব্যাক্তি মৃত্যুর পূর্বে
তাহার ওয়ারিশ বা আত্বীয় স্বজনকে তার স্থাবর-
অস্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা সম্পর্কে দলিল মূলে
কোনো নির্দেশ দিয়া যান তবে তাহাকে
অছিয়তনামা বলে। মৃত্যুর পর উক্ত অছিয়ত
প্রবলের জন্য জেলা জজ সাহেব হইতে অনুমতি
লইতে হয় হিন্দু ধর্মে উহাকে উইল বলে।
৫৯. তফসিল = বিক্রিত জমির তালিকা।
৬০. নামজারী = অন্যান্য অংশীদার থেকে নিজের নাম
খতিয়ানে খোলাকে নামজারী বলে।
৬১. অধীনস্থ স্বত্ত্ব = উপরিস্থিত স্বত্ব বা জমিদারী
স্বত্বের অধীনে কোনো স্বত্ত্ব সৃষ্টি করিলে তাহাকে
অধীনস্থ স্বত্ত্ব বা নীচস্থ স্বত্ত্ব বলে।
৬২. আলামত = ম্যাপের মধ্যে গাছপালা, বাড়ীঘর,
মন্দির, মসজিদ, গোরস্থান, জলভূমি, ইত্যাদি
বুঝাইবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে আলামত বলে।
৬৩. আমলনামা = কোনো ব্যক্তি অন্যের নিকট হইতে
কোনো ভূমি নিলাম বা খোস – খরিদ করিয়া
ভূমিতে দখল লওয়ার যে দলিল প্রাপ্ত হয় তাহাকে
আমনামা বলে।
৬৪. আসলি = মূল ভূমি।
৬৫. আধি = উৎপন্ন ফসলের অর্ধেক ভূমির মালিক,
অর্ধেক প্রজায় রাখিলে তাহাকে আধি বা বর্গ
বলে।
৬৬. ইজারা = ঠিকা। নির্দিষ্ট খাজনায় নির্দিষ্ট সময়ের
জন্য তালুক বা মহলাদির বন্দোবস্ত দেওয়া বা
নেওয়া।
৬৭. ইয়াদদন্ত = স্মারকলিপি।
৬৮. ইন্তেহার = ঘোষণাপত্র।
৬৯. এস্টেট = ১৭৯৩ সালে সরকার বাহাদুর যে সমস্ত
মহাল স্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দিয়াছেন তাহাদিগকে
জমিদারী বা এস্টেট বলে।
৭০. ওয়াকফ = ধর্মীয় কাজের উদ্দেশ্যে আল্লাহর নামে
উৎসর্গকৃত সম্পত্তি।
৭১. কিত্তা = চারিটি আইন দ্বারা বেষ্টিত ভূমি খন্ডকে
এক একটি কিত্তা বা পট বলে।
৭২. কিস্তোয়ার জরিপ = গ্রামের অন্তর্গত জমিগুলো
কিত্তা কিত্তা করে জরিপ করার নাম কিস্তোয়ার
৭৩. কিস্তি = নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী টাকা দিবার
অঙ্গীকার বা ব্যবস্থা।
৭৪. কায়েম স্বত্ত্ব = চিরস্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দেওয়া
ভূমিকে কায়েম স্বত্ত্ব বলে।
৭৫. কবুলিয়ত = মালিকের বরাবরে স্বীকারোক্তি
করিয়া কোনো দলিল দিলে তাহাকে বকুলিয়ত
বলে। কবুলিয়াত নানা প্রকার। যথা- রায়তি, দর
রায়তি, কোর্ফা ও আদি বর্গা কবুলিয়াত।
৭৬. কটকোবালা = সুদের পরিবর্তে মহাজনের দখলে
জমি দিয়া টাকা কর্জ করত: যে দলিল দেওয়া হয়
তাহাকে কটকোবালা বল।
৭৭. কান্দা = উচ্চ ভূমি। গোবামের সন্নিকটস্থ ভূমিকেও
কান্দা বলে।
৭৮. কিসমত = মৌজার অংশকে কিসমত বলে।
৭৯. কোলা ভূমি = বসত বাড়ীর সংলগ্ন নাল জমিকে
কোলা ভূমি বলে।
৮০. কোল = নদীর কোনো ছোট অংশ তাহার প্রধান
স্রোতের সহিত বা হইতে সংযুক্ত হইয়া গেলে
তাহাকে কোল বলে।
৮১. খানাপুরী = প্রাথমিক স্বত্ত্ব লিপি। ইহা রেকর্ড অব
রাইটস তৈরির ধাপ। খসড়া ও খতিয়ানের কলাম
বা ঘর পূরণ করাই ইহার কাজ।
৮২. খামার = ভূম্যধিকারী খাস দখলীয় ভূমিকে খামার,
খাস-খামার, নিজ জোত বা কমত বলে।
৮৩. খাইখন্দক = ডোবগর্ত, খাল, নালা ইত্যাদি চাষের
অযোগ্য ভূমিকে খাইখন্দক বলে।
৮৪. খিরাজ = কর, খাজনা।
৮৫. খানে খোদা = মসজিদ।
৮৬. খসড়া = জমির মোটামুটি বর্ণনা।
৮৭. গর বন্দোবস্তি = যে জমির কোনো বন্দোবস্ত
দেওয়া হয় নাই।
৮৮. গরলায়েক পতিত = খাল, নালা, তীরচর, ঝাড়,
জঙ্গল ইত্যাদি অনাবাদি ভূমিকে গরলায়েক পতিত
বলে।
৮৯. গির্বি = বন্ধক।
৯০. চক = থক বসত ম্যাপের এক একটি পটকে চক
বলে।
৯১. জমা বন্দী = খাজনার তালিকা।
৯২. চাকরাণ = জমিদার বাড়ীর কাজ-কর্ম নির্বাহ
করণার্থে ভোগ-দখল করিবার নিমিত্তে যে জমি
দেওয়া হয় তাহাকে চাকরাণ বলে।
৯৩. চাঁদা = জরিপ কার্যে নির্দিষ্ট করা স্টেশনকে চাঁদা
বলে।
৯৪. চটান = বাড়ীর সন্নিকটস্থ উচ্চ পতিত স্থানকে
চটান বলে।
৯৫. চালা = উচ্চ আবাদি ভূমি (পুকুরের পাড় ইত্যাদি)
৯৬. চর = পলিমাটি গঠিত ভূমি।
৯৭. জবর-দখল = জোরপূর্বক দখল।
৯৮. জমা = এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে
খাজনা দেওয়া হয় তাহাকে এক একটি জমা বলে।
৯৯. জোত = এক প্রকার প্রজাস্বত্ত্ব।
১০০. জজিরা = নাব্য নদীতে যে দ্বীপ গঠিত হয়
তাহাকে জজিরা বলে।
১০১. জায়সুদী = হস্তান্তরকরণ ক্ষমতা ব্যতীত কিয়ং
কালের জন্য বন্ধক। অর্থাৎ মহাজনের নিকট
বন্ধক দিয়া যদি এই মর্মে টাকা কর্জ করা যায়,
যে যতদিন পর্যন্ত আসল টাকা পরিশোধ না হইবে
ততদিন পর্যন্ত মহাজন উক্ত জমি ভোগ-দখল
করিতে থাকিবেন, তবে তাহাকে জায়সুরি বলে।
১০২. জালি = এক প্রকার ধান যাহা জলাভূমিতে
জন্মে।
১০৩. টেক = নদী ভগ্নস্থান ভরাট হইয়া যে পয়স্তি
উৎপন্ন হয় তাহাকে টেক বলে।
১০৪. টাভার্স = ঘের জরিপ।
১০৫. ঠিকা রায়ত = নির্দিষ্ট মেয়াদে সাময়িকভাবে
দখলকারকে ঠিক রায়ত বলে অথবা যে
রায়তের কোনো দখলি স্বত্ত্ব নেই।
১০৬. ঢোল সহরত = কোনো ক্রোক, নিলাম ইস্তেহার বা
দখলি পরওয়ানা সরজমিনে ঢোল পিটাইয়া
জারি করাকে ঢোল সহরত বলে।
১০৭. তামিল = আদেশ মোতাবেক রেকর্ড সংশোধন
করা।
১০৮. তামাদি = খাজনা আদায় করার নির্দিষ্ট সময়
অতিক্রম হইলে তাহাকে তামাদি বলে।
১০৯. তুদাবন্দী = সীমানা নির্দেশ।
১১০. তহশিল = খাজনাদি আয়ের নিমিত্ত নির্দিষ্ট
এলাকাকে তহশিল বলে।
১১১. তলবানা = সমন জারির সময় পিয়নকে প্রদত্ত
ফিস।
১১২. তলববাকী = বকেয়া খাজনা আদায়ের কিস্তি।
১১৩. তালুক = নিম্নস্থ স্বত্ত্ব।
১১৪. তরমিম = শুদ্ধকরণ।
১১৫. তরতিব = শৃংখলা।
১১৬. তৌজি = ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তীয়
ভূমির জন্য কালেক্টরীতে যে রেজিষ্ট্রী বই থাকে
তাহাকে তৌজি বলে। প্রত্যেক তৌজির ক্রমিক
নম্বর থাকে। জমিদারের অধীন প্রজার
জোতকেও তৌজি বলা হয়।
১১৭. দিয়ারা = পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।
১১৮. দর পত্তনী = পত্তনীর অধীন।
১১৯. দখলী স্বত্ত্ব বিশিষ্ট প্রজা = দখলদার হিসেবে যে
প্রজার স্বত্ত্ব আছে।
১২০. দশসালা বন্দোবস্ত = দশ বৎসরের মেয়াদে
বন্দোবস্ত দেওয়াকে দশসালা বন্দোবস্ত বলে।
১২১. দিয়ারা = পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।
১২২. দাগ নম্বর = মৌজা নকশায় প্রত্যেক প্লটের যে
সিরিয়াল নম্বর বসান হয়,তাহাকে দাগ নম্বর
বলে।
১২৩. দরবস্ত = সমুদয়।
১২৪. নথি = রেকর্ড।
১২৫. দেবোত্তর = দেবতাদিগকে প্রদত্ত নিষ্কর ভূমি।
১২৬. দেবিচর = যে সকল বালুচর সাধারণ জোয়ারের
পানিতে ডুবিয়া যায় তাহাদিগকে দেবিচর বলে।
১২৭. দিঘলি = নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা আদায়কারী
একপ্রকার প্রজা।
১২৮. নক্সা ভাওড়ন = পূর্ব জরিপ অনুসারে গ্রামের
সীমাগুলো এখন আর ঠিক মতো পাওয়া যায়
না। ফলে সীমানা লইয়া প্রায়ই জমিদারের মধ্যে
ঝগড়া বাঁধে। পূর্বের ফিল্ডবুক অনুসারে প্রত্যেক
লাইনের মাপ ও বিয়ারিং লইয়া, লাইনটি প্রথমে
যেখানে যেভাবে ছিল, তা চিহ্নিত করিয়া, কোন
জমি কোন মৌজার অন্তর্গত,তাহা ঠিক করার
নামই,নক্সা ভাওড়ান বা রিলেইং বাউন্ডারীজ।
১২৯. নামজারী = ভূম্যধিকারী সরকারের সাবেক
নামের পরিবর্তে খরিদ্দার অথবা ওয়ারিশ সূত্রে
প্রাপ্ত ব্যক্তির নাম রেজিস্ট্রী করাকে নামজারী
বলে।
১৩০. নাম খারিজ বা জমা খারিজ = ১৬ আনা
জোতার মোট জমা হইতে নামজারীকৃত
ওয়ারিশ বা খরিদ্দারের দখলীয় জমির জমা ১৬
আনা জোতার জমার হার অনুসারে জাম ভাগ
করিয়া দিয়া পৃথক জমা সৃষ্টি করাকে নাম
খারিজ বা জাম খারিজ বলে।
28/02/2023
* হতাশ হবেন না...
বারাক ওবামা যখন প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অবসর নেন তখন তার বয়স ৫৫ বছর।
অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন তখন তার বয়স ৬৯ বছর।
ঢাকায় যখন সকাল ৫ টা বাজে, লন্ডনে তখন রাত ১১ টা।
সময়ের হিসেবে লন্ডন, ঢাকার থেকে ছয় ঘণ্টা পিছিয়ে..
এতে কিন্তু প্রমাণ হয় না যে, লন্ডন ঢাকার থেকে স্লো (slow)!
পৃথিবীর সবকিছু আপন গতিতে এবং নিজ সময় অনুযায়ী চলে।
কেউ গ্রাজুয়েশন শেষ করে ২২ বছর বয়সে..
কিন্তু চাকরি পেতে আরো ৫ বছর লেগে যায়।
আবার কেউ ২৭ বছরে গ্রাজুয়েশন শেষ করে পরের দিনই চাকরি পেয়ে যান!
অনেকে ২৫ বছর বয়সে কোম্পানির CEO হয়ে, মারা যান ৫০ বছর বয়সে।
আবার অনেকে ৫০ বছর বয়সে CEO হয়ে, মারা যান ৯০ বছরে।
কেউ ৩৩ বয়সে এখনও সিঙ্গেল,
আবার কেউ ২২ বছর বয়সে বিয়ে করে সন্তান জন্ম দিয়েছেন!
মনে হতেই পারে, পরিচিতদের মধ্যে আপনার থেকে কেউ অনেক এগিয়ে আছেন,
আবার কেউ আছেন অনেক পিছিয়ে।
কিন্তু আপনার ধারনা ভুল..
প্রত্যেকেই তার নিজ নিজ সময়, অবস্থান এবং গতিতে আছেন।
আগে থাকাদের প্রতি অভিযোগ না করে, পিছিয়ে থাকাদের অবহেলা না করে,
সব সময় শান্ত থাকুন।
আপনি এগিয়েও নেই, পিছিয়েও নেই!
আপনার পথ আপনার, অন্যের পথ অন্যের।
শুধু সময়কে গুরুত্ব দিয়ে পরিশ্রম করে যান..
একদিন ঠিকই সফল হবেন ইনশাআল্লাহ!
#সংগৃহীত #শিক্ষামূলক #বাস্তবতা
02/02/2023
দলিলে দাগ নম্বর ভুল। চৌহদ্দি ভুল। দলিল কি টিকবে? দলিলে দাগ নম্বর ভুল। চৌহদ্দি ভুল। দলিল কি টিকবে?
31/12/2022
মনোরম জান্নাতের কাহিনী | বেহেশত | The life of Heaven | Ahmed Niaz মনোরম জান্নাতের কাহিনী | বেহেশত | The life of Heaven | Ahmed NiazVoice: Ahmed Niaz🔹Ahmed Niaz Facebook ID: https://www.facebook.com/ahmedniazofficial🔹Alif...
31/12/2022
আল্লাহ কে? কি তাঁর পরিচয়? তিনি কি করেন? (পর্ব ১) জানুন বিস্তারিত | Who is Allah? Islam and Life Presents: আল্লাহ কে? কি তাঁর পরিচয়? তিনি কি করেন? (পর্ব ১) জানুন বিস্তারিত | Who is Allah? ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬Produced By : Islam and LifeVoi...
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Cumilla
3543
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 23:00 |
| Tuesday | 09:00 - 23:00 |
| Wednesday | 09:00 - 23:00 |
| Thursday | 09:00 - 23:00 |
| Friday | 09:00 - 23:00 |
| Saturday | 09:00 - 23:00 |
| Sunday | 09:00 - 23:00 |