ইবাদাত ibadat

ইবাদাত ibadat তুমি তোমার আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসুলকে ভালোবাসো? বিশ্বাস করো আমি তোমাকর ভালোবাসি।

21/09/2023
 .....
10/01/2023

.....

29/12/2022

অনেক বোন আছে এদের সঠিক বয়সে বিয়ে করতে বললে বলে আগে লেখাপড়া শেষ করি, ক‍্যারিয়ার গড়ে নিই। এরপর এসব করতে করতে যখন বয়স ২৫ পার হয়ে তিরিশের কোঠায় আসে তখন তাদের চোখের রঙ্গিন চশমা খুলে যায়।

এরপর বলতে থাকে কেউ যাদু করছে, সবাই হিংসা করে ভেঙ্গে দিচ্ছে, চেহারা খারাপ হয়ে যাচ্ছে, কি আমল করলে বিয়ে হবে। যারাই দেখতে আসে তারাই ফিরে যায়। এই হল এদের রোগ।

আরে ভাই কম বয়সী মেয়ে থাকতে তোমার মতো বুড়ী বয়স্ক মেয়ে কেন বিয়ে করবে সে? তোমার টাকা পয়সা তো তার প্রয়োজন নাই।

"মাহফুজের কোন ভাই নাই। একমাত্র বায়োবৃদ্ধ বাবা মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সহযোগিতা চাচ্ছেন একমাত্র ছেলের সন্ধানে। কিন্তু ...
24/12/2022

"মাহফুজের কোন ভাই নাই। একমাত্র বায়োবৃদ্ধ বাবা মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সহযোগিতা চাচ্ছেন একমাত্র ছেলের সন্ধানে। কিন্তু কেউ কোন সহযোগিতা করছে না"

উপরের মন্তব্যটি মাহফুজ ভাইয়ের এক আত্মীয় প্রকাশ করেছেন। মাহফুজ ভাইয়ের জায়গায় একবার নিজেকে চিন্তা করুন! মূমীন তো মূমীনেরই ভাই হয়। তাহলে আমরা সবাই মাহফুজ ভাইয়ের ভাই হতে অসুবিধা কি ?

সবার কাছে অনুরোধ , এই নিউজটি ছড়িয়ে দিবেন। লাইভ সম্প্রচারটি দেখবেন ও শেয়ার করবেন। আপনার-আমার সামান্য প্রচার-প্রসারে হয়ত মাহফুজ ভাই-কে খুঁজে পাওয়া যাবে। মা-বাবার কোলে ফিরে আসতে পারে ।

আল্লাহ হেফাজত করুক!

কপি।

19/12/2022

-আমি নারী,
আমাকে বুঝতে হবে কোন পুরুষ আমাকে ভালোবাসে আর কোন পুরুষ শুধুই কামনার দৃষ্টিতে দেখে। আমাকে জানতে হবে পুরুষের স্নেহের স্পর্শ আর ভোগের স্পর্শের মধ্যে পার্থক্য কি।

-আমি নারী,
আমাকে যেকোন পুরুষের মিষ্টি কথায় ভুলে গেলে চলবে না। দুষ্ট লোকের নিষ্পাপ চাহনিতে হারিয়ে গেলে চলবে না। আমি কোমলমতি বলে যার-তার কাছে কোমল হলে চলবে না বরং সঠিক জায়গায় যোগ্য উত্তর আমাকেই দিতে হবে।

-আমি নারী,
আমাকে নিজেই নিজেকে আগলে রাখতে হবে, আমার চলা ফেরায় নিজের সুরক্ষা নিজেকেই নিশ্চিত করতে হবে।
আমি সব ব্যাপারে নিজেকে পুরুষের সমকক্ষ প্রমাণ করতে গিয়ে নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দিলে হবে না।

-আমি নারী,
আমাকে শতবার ভেঙে যাওয়ার পরেও মাথা তোলে আবার দাঁড়াতে হবে। দিন শেষে নিজেকে নিজেই অনুপ্রেরণা দিতে হবে, শক্ত করে নিজেকে গড়তে হবে, বিপদে নিজের ঢাল নিজেকেই হতে হবে।

হ্যাঁ, আমি কোমলমতি, আমি প্রেমময়ী, আমি মমতাময়ী, আমি শিমুল তুলোর মতো নরম, সঠিক পুরুষের কাছে আমি নদীর মতো শান্ত। তাই বলে আমাকে দূর্বল ভেবো না। কারণ,

"আমি নারী আমায় জানতে এসো না..
ফেতনায় পড়ে যাবে, আমি একজনের জন্য নির্ধারিত"
এবং তার জন্যই" রহমত",বাকি সবার জন্য গজব!!

❝নিঃসন্দেহে নারীদের ছলনা খুবই মারাত্মক❞

-আমি নারী,
"আমি চেষ্টা করলে সব পারি।"

12/12/2022

মুসলিমদের জন্য হারাম রিলেশনকে তিনটা ক্যাটাগরিতে ভাগ করা যায়

•প্রথম ক্যাটাগরি
এরা জানে এদের অবৈধ সম্পর্ক দ্রুতই শেষ হবে । ব্যাভিচারি ও ব্যাভিচারিণী অর্থাৎ ছেলে ও মেয়ে উভয়ের পরিবার কখনো মানবে না এবং এরা নিজেরাও বিয়ে করতে চায় না । কেবলমাত্র সাময়িক মোহের বশবর্তী হয়ে হারাম রিলেশনে জড়িয়ে চরিত্র নষ্ট করে । বেশিরভাগ সময় উঠতি বয়সে বা যৌবনের তাড়নায় বিপথগামী হয় যার কারণে আজীবন আপসোস করতে হয় ।

•দ্বিতীয় ক্যাটাগরি
এরা সুনিশ্চিত নয় শেষ অবদি হারাম সম্পর্ক কোনদিকে যাবে । হালামকে এরা কিছুটা হালালের মতই গ্রহন করে । স্বেচ্ছায় চরিত্র নষ্ট করলেও বিয়ের ক্ষেত্রে পরিবারের উপর নির্ভরশীল । জীবনসঙ্গী বাছাইয়ের জন্য আল্লাহর উপর ভরসা না করে দীর্ঘদিন নফসের গোলামী করে অবশেষে ভাগ্যের উপর ছেড়ে দেয় সবকিছু। যা কখনো একজন তাকওয়াবান মুসলিমের কাজ হতে পারেনা । বুঝেশুনে জীবনসঙ্গীর হক নষ্ট করে যেকারণে এদেরকে মুনাফিক বলা যায় । হারাম রিলেশনটা এদের কাছে কালচারে রুপান্তরিত হয়েছে ।

•তৃতীয় ক্যাটাগরি
এরা মুলত তুলনামূলক কম চরিত্রহীন । তবে ক্ষেত্রবিশেষে জঘন্যতার সীমা অতিক্রম করে বসে । হারাম দিয়ে আরম্ভ করে সেটাকে হালাল করবার জন্য চেষ্টা করে । বেশিরভাগ সময় জেনা আল্লাহর স্বরণ থেকে গাফিল রাখে ও আল্লাহর সিন্ধান্তের জন্য অপেক্ষা না করেই নিজের সিন্ধান্তকে কল্যাণকর মনে করে ভুল করে যার মাসুল দিতে হয় বিবাহ পরবর্তী জিবনে ।এই জেনার কারণগুলোর মধ্যে প্রধান হল পারিবারিক গাফিলতা । সঠিক সময়ে সন্তানদের বিয়ে না দেবার কারণে তারা একটা সময়ে বিপথগামী হয় ।

একটা মুসলিম জনগোষ্ঠীর ঈমান ধ্বংস করতে হারাম রিলেশনই যথেষ্ট ।

নেক সুরতে ফেমিনিজম: ১‌ম্যাসেজ থেকে একটা বিক্ষিপ্ত স্ক্রিনশট পেলাম। এক মেডিকেলের বোনকে ক্যারিয়ারের ব্যাপারে পরামর্শ দেয়া ...
07/12/2022

নেক সুরতে ফেমিনিজম: ১

ম্যাসেজ থেকে একটা বিক্ষিপ্ত স্ক্রিনশট পেলাম। এক মেডিকেলের বোনকে ক্যারিয়ারের ব্যাপারে পরামর্শ দেয়া হচ্ছিলো। লেখিকার বিবরণ না পেলেও, লেখার ধরণ দেখে বুঝতে পেরেছি এরকম তথ্য গোপন করে প্রবৃত্তির অনুসরণ করা ব্যক্তি কে হতে পারে। যাই হোক, আমি শুধু ব্যাপারটা পয়েন্ট আউট করে দিই ইনশাআল্লাহ।

অনেকেই বিস্তারিত না জানার কারণে, এসব ব্যাপারে জ্ঞান না থাকার কারণে এসব মডার্নিস্টদের কথার জালে আটকে যায়। যদিও পরামর্শটা এক/একাধিক বোনকে উদ্দেশ্য করে দেয়া হয়েছিল, তবে এখানেও দলিলের বিকৃতি ঘটিয়ে নফসের ছায়ায় সত্য-মিথ্যার সংমিশ্রণ ঘটানো হয়েছে।

শেষদিকে স্ক্রিনশটের একটা অংশে দেখতে পাই এই চতুর লেখিকা বলেছে, “সবার জন্য আরেকটা রেফারেন্স দেব। ফ্রি-মিক্সিং কান্ট্রি হোক আর শরীয়াহ ভিত্তিক, বাইরে যেয়ে সম্মান বজায় রেখে কাজ করা জায়েজ। আয়েশা (রা.) এর ছোটবোন, আবু বকর (রা.) এর মেয়ে আসমা (রা.) বাইরে গিয়ে কাজ করতেন। এবার কী বলবেন?”

এই কুযুক্তি যে দিতে পারে সেই মহিলাকে আল্লাহ্ হেদায়েত দিন। স্বেচ্ছায় নফসের অনুসরণ করে অন্যদের বিভ্রান্ত করলে আল্লাহ্ তাকে ধ্বং(স) করে দিন। এই অবান্তর প্রশ্ন পাঠকদের দিকে ছুঁড়ে দিয়ে এই ব্যক্তি নিজের যে সলিড গ্রাউন্ড দেখাতে চেয়েছে, সেটা নিতান্তই হাস্যকর একটা ব্যাপার।

এ যে ফতোয়া দিয়ে বেড়াচ্ছে, সেটা কোন এখতিয়ারে? নারীরা কখন চাকরি করতে পারবে এই ব্যাপারে আপাতত একজন আলেমের ফতোয়া আপনাদেরকে দেখাব।
শায়েখ উমায়ের কোব্বাদি কুরআনের জ্যোতিতে বলেছেন :
’প্রয়োজন, অপারগতা কিংবা ঠেকায় পড়ার পরিস্থিতি ছাড়া সাধারণ অবস্থায় নারীদেরকে ঘরে অবস্থান করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। শরীয়ত তাদের ওপর এমন দায়িত্ব আরোপ করেনি, যার কারণে তাদের ঘরের বাইরে যেতে হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন,
“আর তোমরা স্বগৃহে অবস্থান করবে এবং জাহিলিয়াত যুগের মতো নিজেদেরকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।”
-(সূরা আহযাব : ৩৩)’

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন :
‘নারী গোপন জিনিস, যখন সে ঘর থেকে বের হয় শয়তান তাকে তাড়া করে। আর সে আল্লাহ তাআলার সবচে’ নিকটতম তখন হয় যখন সে নিজের ঘরের মাঝে লুকিয়ে থাকে।’
-(তাবারানি : ২৯৭৪)

সরাসরি আল্লাহর কিতাব থেকেই এই কথা সাব্যস্ত হয় যে নারীরা অপ্রয়োজনে গৃহের বাইরে যাবে না, ফতোয়া থেকে স্পষ্ট হয় যে সাধারণ অবস্থায় নারীরা স্বগৃহে অবস্থান করবে। “ফ্রি-মিক্সিং কান্ট্রিতে” সম্মান (!) বজায় রেখে চাইলেই নারীরা বাইরে কাজ করতে যেতে পারবে এই বিধান লেখিকার জন্য খাসভাবে নাযিল হয়েছে কোনোভাবে? এত কনফিডেন্টলি কীভাবে এসব কথা বলে?
‌মনে আল্লাহর ভয় নেই?

এই মহিলা আসমা (রা.)-এর উদাহরণ টেনে এনে নিজের অবস্থানকেই এখানে প্রশ্নবিদ্ধ করে ফেলেছে। কারণ দেখুন, আসমা (রা.) এর স্বামী জুবায়ের ইবনে আওয়াম বিয়ের সময় অত্যন্ত গরিব ছিলেন। তাঁর কেবল একটি ঘোড়া এবং একটি উট ছিলো যার দেখভাল তিনিই করতেন। পরবর্তীতে রাসুল (সা.) তাঁর স্বামীকে একটি খেজুর বাগান দান করেন। সেখান থেকে খেজুরের বিচি বয়ে এনে ঘোড়াকে খাওয়াতেন তিনি।

পরবর্তীতে যখন আবু বকর (রা.) তাঁর কন্যা আসমা (রা.) এর জন্য একজন খাদেম পাঠান, ঘোড়া দেখভালের দায়িত্ব থেকে অব্যহতি পেয়ে তিনি সেটাকে “বিপদ থেকে মুক্ত হওয়া” বলে আখ্যা দেন। পুরো ঘটনা পর্যালোচনা করেই দেখুন, কোথাও কি এমন কিছু সাব্যস্ত হয় যে তিনি স্বেচ্ছায় বাইরে গিয়ে কাজ করতেন? অসচ্ছলতা কি অপারগতা না?

এরপরেও নফসের খোরাক না মিটলে সরাসরি জিজ্ঞেস করতেই হয় এই ঘটনা পর্দার বিধান নাযিলের আগে নাকি পরে? এই ঘটনা থেকে “ফ্রি-মিক্সিং কান্ট্রিতে” সম্মান(!) বজায় রেখে কাজের দলিল পাওয়া যায়?
‌‌
তার উপরের অংশে আরেকটা জালিয়াতি আছে, শরীয়তে নাকি মেয়ের পিতামাতার আর্থিক দায়িত্ব ছেলেদের মতো ১০০% সমান! অথচ এই ব্যাপারেও ফতোয়া হচ্ছে এই :
“মেয়ে সামর্থ্যবান হলে নিজের মোহর থেকে অথবা নিজ মালিকানাধীন অন্য সম্পদ থেকে বাবা-মায়ের জন্য খরচ করবে।
সামর্থ্যবান না হলে মা-বাবার ভরণ-পোষণ দেওয়া ওয়াজিব নয়। তবে এক্ষেত্রে মেয়ে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী পিতামাতাকে সাহায্য করার চেষ্টা করবে। এক্ষেত্রে মেয়েরা ঘরোয়া পরিবেশে শিক্ষকতা করে বা কোন হস্তশিল্প (যেমন সেলাইয়ের কাজ) বা হাঁস-মুরগি পালন করে তাদের সহযোগিতা করতে পারে। স্বামীর সাথে আলোচনাসাপেক্ষে শরীয়তের সীমায় বৈধ হয় এমন যেকোনো কর্মসংস্থায় যোগ দিয়ে উপার্জন করতে পারে।”
‌-শায়েখ উমায়ের কোব্বাদি।

তাহলে মা-বাবার ভরণপোষণের দায়িত্ব নেয়ার জন্য পর্দার বিধান লঙ্ঘন করে, “ফ্রি-মিক্সিং কান্ট্রিতে” অর্থ উপার্জন করার ব্যাপারে উৎসাহিত করা হচ্ছে কেন? নারীদেরকে ঘর থেকে টেনে বাইরে আনার ফন্দি আর কত আঁটবে এরা? এমনিতেই কি যথেষ্ট মেয়ে ঘরবিমুখ হয়ে নেই?

Mayraj Hossain

কোথাই ইন শা আল্লাহ্ আর কোথাই আলহামদুলিল্লাহ বলতে হয় আমরা সেটাও জানি না।🙂হায়রে।
06/12/2022

কোথাই ইন শা আল্লাহ্ আর কোথাই আলহামদুলিল্লাহ বলতে হয় আমরা সেটাও জানি না।🙂

হায়রে।

04/12/2022

স্বামী খলিল এর সাথে শপিংমলে গিয়েছে নিতা।
খলিলঃমায়ের জন্য এই শাড়ি টা কিনতে চাই, দাম ৬০০০ টাকা কি বলো?
নিতাঃ আরে ধুর, ওনি এখন বয়স্ক হয়ে গিয়েছে,ওনি এত দামি শাড়ি পড়ে কি করবেন?আরেকটা শাড়ি দেখিয়ে বললো,তার চেয়ে বরং এই শাড়ি টা নাও এইটার দাম মাত্র ৬০০ টাকা।
খলিলঃ মুচকি হেসে বললো আচ্ছা ঠিক আছে।

বাড়ি আসার পর কয়েক ঘন্টা পর,
নিতাঃকই গিয়েছিলে?
খলিলঃ মা কে শাড়িটা দিয়ে আসতে গিয়েছিলাম।
নিতাঃরাগে,ক্ষোভে ফেটে গিয়ে বললো, কি তুমি এত ছোটলোক? আমার মা কে মাত্র ৬০০ টাকার শাড়ি দিলে?
খলিলঃ তুমি কি আমার মায়ের জন্য শাড়ি নিয়েছি ভেবেছিলে? মায়ের তো শাড়ির অভাব নেই।
চারদিকে শুনশান নীরবতা,রাগে ফোস ফোস করছে নিতা।মুচকি হাসছে খলিল।

ইজ্জতের বারোটা বাজাই দিলেন।
30/11/2022

ইজ্জতের বারোটা বাজাই দিলেন।

27/11/2022

~ আসক্ত হবার কথা ছিল রবের ভালবাসায়
কিন্তু আমরা আসক্ত হয়েছি দুনিয়ার মায়ায়🥺

~ রবের কাছেই প্রকৃত প্রশান্তি🌸
কিন্তু আমরা দুনিয়ায় খুঁজি শান্তি...!!

আস্তাগফিরুল্লাহ😥

©

Address

Dhaka
Churain

Telephone

+8801798570886

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইবাদাত ibadat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to ইবাদাত ibadat:

Shortcuts

Share