রাজার বাজার সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়

রাজার বাজার সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষা'ই জাতির মেরুদণ্ড । রাজার বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়।
পো:রাজার বাজার
উপজেলা:চুনারুঘাট
জেলা:হবিগন্জ
স্থাপিত:১৮৬৭ খ্রি:

15/10/2020
13/09/2020

প্রসঙ্গ শুবাচ
( নতুন ও কৌতূহলী শুবাচিদের জন্য )

" শুদ্ধ বানান, শুদ্ধ ভাষা,
বাংলা আমার ভালোবাসা "
এই স্লোগানকে সামনে রেখে, শুদ্ধ বানান চর্চা ও বাংলা বানানে প্রমিত নিয়ম প্রয়োগে উৎসাহ প্রদান, বাংলা বানান ও শব্দচয়নে ভুল কিংবা যথেচ্ছাচার সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি, বাংলা ভাষার প্রচার-প্রসার ও সমৃদ্ধায়নের লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে যে ফেইসবুক গ্রুপ তার নাম শুবাচ।

প্রতিষ্ঠাকাল : ৩ অক্টোবর ২০১৩
প্রতিষ্ঠাতা : ড. মুহাম্মদ আমীন
প্রধান উপদেষ্টা : অধ্যাপক হায়াৎ মামুদ
এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য : বাংলা বানানে প্রমিত নিয়ম প্রয়োগ এবং বাংলা ভাষার ব্যাপক প্রচার-প্রসারের জন্য আলোচনা-পর্যালোচনা, গবেষণা ও উপযুক্ত গ্রন্থাদি প্রকাশ করে এর লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্মিলিতভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এ গ্রুপের অন্যতম উদ্দেশ্য। দেশে-বিদেশে অবস্থানরত বাংলাভাষী ছাড়াও যে সকল বিদেশি বাংলা ভাষা শেখার জন্য আগ্রহী, গ্রুপের পক্ষ থেকে তাঁদের বুদ্ধিবৃত্তিক সহায়তা প্রদান করা হয়। শুদ্ধ বানান চর্চা গোষ্ঠী (শুবাচ)-এর আর একটি উদ্দেশ্য হলো- ড. মোহাম্মদ আমীনের লেখা বিশেষ করে বাংলা বানান ও বাংলা ভাষাবিষয়ক বইসমূহের প্রচার। যাতে তাঁর লেখা ও প্রকাশিত বই এবং বইয়ের বিষয়বস্তু আগ্রহী পাঠকবর্গ জানতে পারেন।
এডমিন ও মডারেটর :
Mohammed Amin
Rashida Akter Mishu
Abdur Rashid
Abeer chowdhury Meem
&
Ab Chhiddiq
Tahasin Aishe
Khurshed Ahmed
Md Anam

মোট শুবাচি : ৫৮২৭৫২ জন ( ১৩/০৯/২০২০ তারিখ পর্যন্ত )
শুবাচি হচ্ছে শুবাচের সদস্য সংখ্যা। যেমন আপনি একজন শুবাচি।
মোট যযাতি : অসংখ্য
যযাতি হচ্ছে শুবাচ গ্রুপে অনুমোদিত পোস্ট।
যযাতি লেখার নিয়ম :
১. রঙিন পটে (কালার অপশনে) করা কোনো যযাতি কোনো অবস্থাতেই অনুমোদন করা হয় না। অধিকাংশ জিজ্ঞাসামূলক যযাতি এটির কারণেই অনুমোদন করা হয় না। এছাড়া যযাতির সঙ্গে অপ্রাসঙ্গিকভাবে কেবল দৃষ্টি আকর্ষণের কৌশল হিসেবে কোনো চিহ্ন বা ছবি যুক্ত করা হলেও ওই যযাতি অনুমোদন করা হয় না।
২. যেসকল বিষয় শুবাচে একাধিকবার আলোচিত হয়েছে, ভিন্ন কোনো ধারণা ছাড়া সেসকল বিষয়ে কোনো যযাতি সাধারণত অনুমোদন করা হয় না। তাই, কোনো বিষয়ে প্রশ্ন করার আগে শুবাচে ওই বিষয়ে কোনো যযাতি আছে কি না, তার খোঁজ নিয়ে দেখুন।
৩ . ভুল হতে পারে, ভুল স্বাভাবিক বিষয়; ভুলের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসার জন্যই শুবাচের সৃষ্টি। তবে ছয়-সাত পদের একটি বাক্যে যদি ‍দুই-তিনটি; এমনকি ততোধিক ভুল থাকে, তাহলে সে যযাতি অনুমোদন করা হয় না। স্বাভাবিক বোধে অতি সাধারণ কিংবা হাস্যকর বিবেচিত কোনো প্রশ্ন অনুমোদন করা হয় না।
৪. সমালোচনা সবসময়ই ভালো, যদি তা সমান সমান আলোচনা হয়। কিন্তু কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সমালোচনার অজুহাতে অশালীন বক্তব্যসংবলিত কোনো যযাতি অনুমোদন করা হয় না। মোদ্দা কথায় বললে— উপহাসজনক, বিভ্রান্তিকর কিংবা ঘৃণা বা বিরক্ত সৃষ্টি করার আশঙ্কা রয়েছে, এমন কোনো যযাতি অনুমোদন করা হয় না।
৫. শব্দের অর্থ বাক্যের ওপর নির্ভর করে। তাই, কোনো শব্দের অর্থ জানতে চাইলে প্রামাণ্য বাক্যসহ না-দিলে তা অনুমোদন নাও হতে পারে। অভিধান থেকে শব্দ নিয়ে শব্দার্থ জানতে চাইবেন না। এধরনের যযাতি অনুমোদন করা হয় না।
৬. নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে উত্তর চেয়ে— যেমন: ক স্যারের কাছ থেকে উত্তর আশা করছি— কোনো যযাতি দেওয়া হলে তা অনুমোদন করা হয় না।
৭. আপনার লেখা না-হলে লেখকের নাম ও সংশ্লিষ্ট উৎস দিলে তা প্রকাশের জন্য বিবেচনা করা যায়, তবে তথ্য ব্যতীত ‘সংগৃহীত' নামের কোনো লেখকের লেখা অনুমোদন করা হয় না।
৮. কারোর সময়ক্রম, কোনো গোষ্ঠী ও পৃষ্ঠা থেকে অংশ-ভাগ করা (শেয়ার করা) যযাতি অনুমোদন করা হয় না।
৯. যেসব প্রশ্নের উত্তর স্বাভাবিক বিবেচনায় সহজলভ্য মনে করার যথেষ্ট কারণ আছে, সেসব প্রশ্ন অনুমোদন করা হয় না।
১০. যযাতি অনুমোদনের অনেক শর্ত আছে। তবে, সবচেয়ে বড়ো শর্ত হচ্ছে তা প্রকাশের যোগ্য হওয়া। প্রকাশের যোগ্যতা হচ্ছে অনুমোদন পাওয়া। বিবেচিত হয় না বলে, শুবাচের অনেক উপদেষ্টার যযাতিও অনুমোদন করা হয় না।
১১. শুবাচে বাংলা বানান ও ভাষাবিষয়ক যযাতি অগ্রাধিকার পেয়ে থাকে। প্রশ্নের চেয়ে উত্তর-জ্ঞাপক বা তথ্যপূর্ণ কিংবা ব্যাখ্যামূলক যযাতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
১২. বাংলা একাডেমি নিয়ে যৌক্তিক ও তথ্যবহুল লেখা প্রকাশ করা হয়, কিন্তু সমালোচনার নামে অহেতুক নিন্দা গ্রহণযোগ্য নয়।
১৩. যযাতি অনুমোদনের জন্য আপনাকে কিছুই করতে হবে না। প্রকাশের যোগ্য বিবেচিত হলে অনুমোদন পেয়ে যাবে।
১৪. আপনার যযাতি বিবেচিত হলে তা অবশ্যই প্রকাশিত হবে। একটা কথা মনে রাখবেন, শুবাচে প্রকাশিত হওয়ার জন্য বিবেচিত না-হওয়া মানে অযোগ্য হওয়া নয়; আপনার লেখা অযোগ্য, এমন কখনো নয়। এটি সম্পূর্ণ শুবাচগোষ্ঠীর বিবেচনা। আমাদের কাছে বিবেচিত হয়নি, আপনার এমন লেখা অন্য কোথাও শ্রেষ্ঠ বিবেচিত হতে পারে।
তবে মনে রাখবেন, শুবাচ আপনার গুরুত্বপূর্ণ লেখার অপেক্ষায় অপেক্ষমাণ। তাই দেরি নয়, আজই লিখুন।

12/09/2020

বিজ্ঞরা, সঠিক বাক্যটি নির্বাচন করে সহযোগিতা করুন।
১)
ক. আমি নাস্তা করেছি।
খ. আমি নাস্তা খেয়েছি।

২)
ক.সে যাক বা না যাক তাতে কিছু এসে যায় না।
খ. সে যাক বা না যাক তাতে কিছু আসে যায় না।

৩)
ক.আমি রওয়ানা হলাম।
খ. আমি রওয়ানা দিলাম।

৪)
ক.সে সফল হতে প্রাণপণ চেষ্টা করছে।
খ. সে সফল হতে প্রাণপাত চেষ্টা করছে।

৫)
ক. আমার ভয় হচ্ছে।
খ. আমার ভয় লাগছে।

৬)
ক. আমার খিদে লাগছে।
খ. আমার খিদে পাচ্ছে

বি. দ্র. অপশনের বাইরে সঠিকটা থাকলে জানান এবং সঠিকটা না জানা থাকলে অনুমানে উত্তর না দেবার জন্যে অনুরোধ করছি।

11/09/2020

বাংলা শব্দগুলো ইংরেজি অক্ষরে রুপান্তর করেই সিংহভাগ মানুষ ইন্টারনেট জগতে থাকেন। কোন পোস্ট করা হোক বা ম্যাসেজ কিংবা সার্চিং এর জন্য ইংরেজি অক্ষরে লিখেন বাংলা ভাষা।
কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জাতি তা অদূরেই টের পেয়ে যাব সবাই।আরও কত সমস্যা হচ্ছে তা না হয় এড়িয়ে গেলাম। বাংলা ভাষাকে ভালোবাসি অথচ বাংলা লেখার সফটওয়্যার আবিষ্কার হওয়ার পরও আমরা ইংরেজি অক্ষরে লিখি।
অনেকেই বলবেন এসব বলা যুক্তিহীন। মানতাম যদি আরবীতে বাংলা ভাষা লেখা হবে বলে আন্দোলন না হতো? তৎকালীন পাকিস্তান সরকার আরবীতে বাংলা ভাষা লিখতে চাইলে তার প্রতিবাদ হয়েছিল। আন্দোলনের ফলে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা পেয়েছিলাম। আর আজ সেই আমরাই বাংলা ভাষাকে ইংরেজি অক্ষরে লিখছি যেটা আরবীতে হবে বলে প্রতিবাদ হয়েছিল।
একই কাজে প্রতিবাদ করে আমরাই সেকাজে লিপ্ত হচ্ছি না কী?
আসুন বাংলা ভাষাকে ভালোবাসি আর বাংলা ভাষা বাংলাতেই লিখি। বাংলা ভাষা বিকৃত করে নষ্ট করতে পারিনা আমরা। মোরা বাঙালি ❤

© Jahida Akter

08/09/2020

পাকা বার্তা

পাকা দেখার পর এখন ছেলের বাবা ও মেয়ের বাবার মধ্যে পাকা কথা হচ্ছে।
ছেলের বাবা : বিয়াই সাহেব, বেল পাকলে যেমন কাকের অভাব হয় না, তেমনি মেয়ে বড়ো হলে পাত্রের অভাব হয় না। কিন্তু কথা হচ্ছে আমার ছেলের মতো এমন পাকা ছেলে আপনি পাবেন না।
মেয়ের বাবা : জি! আমার মেয়েও হাতের কাজে খুব পাকা।
ছেলের বাবা : এই জন্যই তো বলছি, আমার কোনো দাবি দাওয়া নেই। আপনার মেয়ের জন্য আপনি পাঁচ ভরি পাকা সোনার গহনা, পাকা রংয়ের দুইটা শাড়ি, পাকা কাঠের একটি খাট এবং সোফা দিবেন। আর আপনার মেয়ে যে ঘরে থাকবে সেটাও পাকা করে দিবেন। পাকা মেয়ে বলে কথা!
মেয়ের বাবা : অ্যাঁ! কী বললেন?
ছেলের বাবা : আপনার মুখ দেখে মনে হচ্ছে, আপনার পিঠে ফোড়া পেকে টনটন করছে। আরে মিয়া, আমিতো আপনার পাকা ধানে মই দিচ্ছি না। আর আমার জন্য তো কিছু চাইছি না। সবকিছুই তো আপনার মেয়ের জন্য। রাজি থাকলে পাকা একমাস পর বিয়ে। পাকা রাস্তা দিয়ে বউ তুলে নিব।
মেয়ের বাবা : বিয়ে পাকা করে ফেললেন। অথচ আপনার জন্য কিছুই চাইলেন না। কিন্তু আমি ইচ্ছে করেই কিছু দিতে চাই। দায়িত্ব বলে কথা! কারণ আমার চুলতো আর বাতাসে পাকেনি।
ছেলের বাবা : আপনি দেখছি পাকা হিসেবি। কাউকে বঞ্চিত করবেন না।
মেয়ের বাবা : একেবারে পাকা কথা বলেছেন। আমি আপনাকে বাকি জীবনটা লাল দালানে বসে খাবার ব্যবস্থা পাকা করে দিতে চাই।
ছেলের বাবা : (নিশ্চুপ তাকিয়ে)
মেয়ের বাবা : এমন ভাবে তাকিয়ে আছেন, মনে হয় আপনার কান পেকেছে। কিছুই শুনতে পাননি!
[দৃষ্টি আকর্ষণ : যৌতুক দেওয়া ও নেওয়া দুটোই অপরাধ। তাই যৌতুককে " না" বলুন।]

শব্দের অর্থ:
পাকা দেখা = বিয়ের ব্যবস্থা করার জন্য শেষ দেখা
পাকা কথা = চূড়ান্ত কথা
বেল পাকা = পরিপক্ক
পাকা ছেলে = চালাক, চতুর
কাজে পাকা = দক্ষ
পাকা সোনা = খাঁটি
পাকা রং = স্থায়ী
পাকা কাঠ= মজবুত
ঘর পাকা,পাকা রাস্তা = ইটের তৈরি
ফোড়া পাকা = পরিণত
পাকা ধানে মই = ক্ষতি করা
পাকা এক মাস = পুরোপুরি
বিয়ে পাকা = ঠিক করা
চুলপাকা = সাদা
পাকা হিসেবি = হিসাবে দক্ষ
পাকা করা = ব্যবস্থা করা
কান পাকা = অসুখ

02/09/2020

মাথার খেলা

মাথায় চুল না থাকলেও, আফসার উদ্দিন সাহেব কিন্তু সমাজের মাথা। রাস্তার চৌমাথায় তাঁর ছয় তলা বাড়ি। জনগণ মাথার ঘাম পায়ে ফেলে মাথাপিছু সবাই মিলে ভোট দিয়ে তাঁকে এই পদে আসীন করেছেন। নির্বাচনের আগে মাথা নত করে বলেছিলেন, আমি যদি নির্বাচিত হই তাহলে আপনাদের মাথায় করে রাখবো। কিন্তু মাথা গুনতি কয়েকজনের মাথামুণ্ডু বুদ্ধিতে, জনগণকে দেওয়া কথা ভুলে মাথা খাটিয়ে, তিনি নিজেই মাথায় উঠে বসে আছেন। এতে তাঁর কোনো মাথাব্যথাও নেই। বরং কিছু বললে তিনি মাথা গরম করেন। তাঁর চেয়ে আরও বড় মাথার ভয় দেখান। মাথামোটা জনগণ তাঁর সামনে আর মাথা তুলে দাঁড়ায় না। রাগের মাথায় আবার কখন কি করে বসেন! সবার সামনে কার মাথা কাটা যায় সেই ভয়ে। আসলে একেই বলে মাথার খেলা।
[চরিত্রগুলো কাল্পনিক]

শব্দের অর্থ:
মাথায় চুল = অংগবিশেষ
সমাজের মাথা = প্রধান
মাথার ঘাম = প্রাণান্ত পরিশ্রম
মাথাপিছু = জনপ্রতি
মাথা নত করে = বিনয়ের সঙ্গে
চৌমাথায় = সংযোগস্থল
মাথায় করে = সসম্মানে
মাথা- গুনতি = কয়জন মানুষ আছে তা গণনা
মাথামুণ্ডু = অর্থহীন বিষয়
মাথা খাটিয়ে = বুদ্ধি করে
মাথায় বসে = চূড়া
মাথাব্যথা = রোগ, চিন্তা
মাথা গরম = রাগ
বড় মাথা = প্রভাবশালী
মাথামোটা = নিরিহ, নির্বোধ
মাথা তোলা= সাহস
রাগের মাথায় = ঝোঁক
মাথা কাটা = লজ্জিত হওয়া
মাথার খেলা = চিকন বুদ্ধি

01/09/2020

আরবি বারোমাসের বানান 'বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান' গ্রন্থ অনুসারে—
মহরম (পৃষ্ঠা নম্বর ১০৮৯)
সফর (পৃষ্ঠা নম্বর ১২৮৭)
রবি-উল আউয়াল (পৃষ্ঠা নম্বর ১১৬৫)
রবিউস সানি (পৃষ্ঠা নম্বর ১১৬৫)
জামাদিয়াল-আউয়াল (পৃষ্ঠা নম্বর ৫১৭)
জামাদিয়াস-সানি (পৃষ্ঠা নম্বর ৫১৭)
শাবান (পৃষ্ঠা নম্বর ১২৩০)
রমজান (পৃষ্ঠা নম্বর ১১৬৬)
শাওয়াল (পৃষ্ঠা নম্বর ১২২৭)
জিলকদ (পৃষ্ঠা নম্বর ৫২২)
জিলহজ (পৃষ্ঠা নম্বর ৫২২)

[বি.দ্র. : সপ্তম মাসের বানানটি এই অভিধানে নেই বা আমার দৃষ্টিগোচর হয়নি। কেউ যদি পেয়ে থাকেন, তবে পৃষ্ঠা নম্বরসহ উল্লেখ করুন। আমি পোস্টটি সংশোধন করে নেব।]

কদর্য= কু+অর্য= কুৎসিত স্বামীড. মোহাম্মদ আমীন‘কদর্য’ শব্দের আভিধানিক অর্থ: কুৎসিত, বিশ্রী, গর্হিত, অশালীন, পাপময় প্রভৃতি...
29/08/2020

কদর্য= কু+অর্য= কুৎসিত স্বামী
ড. মোহাম্মদ আমীন
‘কদর্য’ শব্দের আভিধানিক অর্থ: কুৎসিত, বিশ্রী, গর্হিত, অশালীন, পাপময় প্রভৃতি। বাংলা ভাষায কু বা খারাপ অর্থে বিশেষণরূপে কদর্য শব্দটির বহুল ব্যবহার লক্ষণীয়।
‘কদর্য’ শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসির বাংলা ভাষায় প্রবেশ করলেও সে তার মূল সংস্কৃত অর্থ সঙ্গে করে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়নি। তবে যে অর্থ এনেছে বা পেয়েছে তা মূল অর্থের সঙ্গে সঙ্গতিহীন এমনটি বলা যাবে না।
‘কু’ মানে কুৎসিত এবং ‘অর্য’ মনে স্বামী। সুতরাং, সংস্কৃতে কদর্য শব্দের অর্থ কুৎসিত স্বামী। তবে এ কুৎসিত কেবল শারীরিক নয়। যেসব স্বামী তার স্ত্রী-পুত্রকে নিপীড়ন করে ধনসঞ্চয় করত সংস্কৃতে তাদেরই কদর্য বলা হতো।
তবে বাংলা ভাষায় ‘কদর্য’ বলতে এখন শুধু স্বামী বোঝায় না। স্বামী হোক বা পিতা হোক কিংবা ছেলে হোক বা শালা হোক যা কিছু কুৎসিত, বেমানান, অশালীন, বিরূপতার পরিচায়ক, ঘৃণ্যময় সবটাই কদর্য।

সূত্র: বাংলা শব্দের পৌরাণিক উৎস, ড. মোহাম্মদ আমীন, পুথিনিলয়।

বিনম্র শ্রদ্ধা প্রাণপ্রিয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।আহমদের ওই মীমের পর্দাউঠিয়ে দেখ মন,,,আহাদ সেথায় বিরাজ করেহেরে গুণিজন।-সূফী...
27/08/2020

বিনম্র শ্রদ্ধা প্রাণপ্রিয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।

আহমদের ওই মীমের পর্দা
উঠিয়ে দেখ মন,,,
আহাদ সেথায় বিরাজ করে
হেরে গুণিজন।

-সূফী কবি কাজী নজরুল ইসলাম।

25/08/2020

মোটাতাজা হয়ে গরু হলো এখন গোরু!
বানান নিয়ে একাডেমি করলো এ কী শুরু?
চিরচেনা ঈদটা এখন যেন কাপড় ছাড়া!
কোন অভাবে ইদের কাপড় কেড়ে নিলো তারা?
এসব দেখে দর্জি এখন হয়ে গেলো দরজি!
যে যাই বলুক একাডেমির কর্তাদের সব মর্জি!
মাঝখানটায় মোটা হয়ে পটল হলো পটোল।
ঢাকি যেমন ঝুলিয়ে কাঁধে বাজায় ঢাকঢোল।
স্বাগতম বলবো না আর বলবো এখন স্বাগত!
ফুল দিয়ে করবো বরণ এলে নবাগত।
কৈ এখন কই হয়েছে ব্যাঙ হয়েছে ব্যাং
ঈগল এখন ইগল হলো হারিয়ে তার ঠ্যাং।
বৌ কে তারা বউ করেছে ভিডিও কে ভিডিয়ো
আগের মতো না শুনলেও অডিও এখন অডিয়ো।
ঘুষ এখন ঘুস হয়েছে করেছে ঘাসের সমান
ঘুস খাওয়া আর ঘাস খাওয়াতে কি আছে সম্মান?
রাণী যেন গয়না বিহীন হলো এখন রানি!
এই দেখে প্রজাদের হায় কতো কানাকানি!
ঠেলাগাড়ি ঠেলতে ঠেলতে হলো ঠ্যালাগাড়ি!
কেউ কেউ বলেন এসব নাকি শুধুই বাড়াবাড়ি।
ক্রিম মেখে কেউ ফর্সা হয়নি এখন হবে ফরসা!
আষাঢ় শ্রাবণ ঠিকই আছে বাংলাদেশের বর্ষা।
সামলাও তবে ঠেলা এবার বদলে হলো ঠ্যালা।
আস্তে আস্তে বলবো সবি আছে আরো মেলা।
সাথীর বদল সাথি এসে ঠিক রেখেছে সঙ্গ!
চলছে বাংলা একাডেমির বানান নিয়ে রঙ্গ!
অংকে ভীষণ ভয় ছিলো মোর এই অঙ্কেও তাই।
পরীক্ষাতে কত পেতাম শোনার দরকার নাই।
পীর সাহেবরাও ছাড় পাননি বদলে হলেন পির!
মাজারে যদিও আগের মত ঠেকায় না কেউ শির।

বানান রঙ্গ!
নাহিদুল হক।
সিঙ্গাপুর।
২০/০৮/২০২০ ইং।

Address

রাজার বাজার
Chunarughat
3320

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 14:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রাজার বাজার সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category