04/08/2024
বরাবরই বলে আসছি এরকম অসভ্য সরকার প্রধান পৃথিবীতে ২য় টি নেই। ওর বাপে যেটা মনেপ্রাণে চেয়েছিলো ও কিছুটা সফল হলেও শেষে সামান্যের জন্য ধরা খেয়ে গেল।
ওর কাছে দেশপ্রেমের চাইতে হিংস্রতাই বেশি।
বরাবরই মিডিয়ার সামনে শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী আচরণের জন্য বলে আসছিলাম।। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় থেকে কোন ধরনের জবাবদিহি আচরণ না করে জাতির সাথে তামাশা করা ওর জন্য নতুন কিছু নয়।।
মিডিয়ার সামনে বেয়াদবের মতো আচরণই শেষ কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে ওর জন্য।। আমার কাছেও এরকম কিছু মনে হয়েছিলো। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় থেকে এরকম পিশাচেরা মতো কথা বলার কারণে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রচলন থাকলে আরো আগেই প্রধানমন্ত্রী ও অনেক মন্ত্রীকে মানুষ জুতাপেটা করে ক্ষমতা থেকে নামাতো।।
এমপি,মন্ত্রীরা অনেকেই উচ্চ শিক্ষিত সেটা নিয়ে সন্ধেহ নেই তবে ওদের যে নৈতিক শিক্ষার চরম অভাব ছিলো সেটা প্রতিফলিত হয়েছে বিভিন্ন সময়ে ওদের কান্ডজ্ঞানহীন আচরণে। মদ, গাঞ্জা খেয়েও মানুষ এতটা ভারসাম্যহীন কথা বলে না যতটা ওরা বলেছে বিগত সময়গুলোতে।।
শেখ হাসিনা দেশপ্রেমিক কখনোই ছিলো না। ওর পরিবার হত্যার পর থেকেই ও বাংলাদেশে এসেছে সাইকো হিসেবে। অনেকটা বাংলা ছবির মতো। হত্যার প্রতিশোধ নিতে। সেটার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তার বাপকে উচুঁতে উঠাতে উঠাতে জনগণের পূজার একটি অংশ করে পেলা।
যারা প্রকৃত দেশপ্রেমিক তারা কখনোই অতিরিক্ত চেতনার ব্যবসা ও পরিবার পূজার ব্যবস্থা করবে না বরং তারা তার পরিবারের এই বিসর্জন দেশের স্বার্থেই৷ উৎসর্গ হিসেবে ধরে নিবে।
২০০৮,২০১৩,২০১৮ এই তিনটি নির্বাচনে শেখা হাসিনা যেভাবে জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশকে নিজের বাপের সম্পত্তি বানিয়ে লুটের স্বর্গরাজ্য বানিয়েছে সেটা নিজের চোখে অবলোকন করার পর একমাত্র কান্ডজ্ঞানহীন আবাল ও ফেরাউনের অনূসারীরাই তাকে দেশপ্রেমিক হিসেবে সাব্যস্ত ও সমর্থন জোগাবেন।
ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় ইতর ও বদমাইশদেরও অনুসারী থাকে সেটা নিয়ে খুব বেশি বিচলিত হওয়ার কিছু নেই কিন্তু মূল বিষয় হলো যতজনই মুখে অথবা বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে দেশপ্রেমের বাধ্য বাজাবে ধরে নিতে হবে সে দেশের অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সবচাইতে বড় বাটপার ও দেশের সম্পদ লুণ্ঠনকারী।
মূল প্রসঙ্গে আসি, হাসিনার বাপ ও হাসিনা নিজে একই সুতোতে গাঁথা দুটি অংশ। ৭০নির্বাচনে ক্ষমতা না পেয়েই কেবল মুক্তিযুদ্ধের প্রয়োজনীয়তা অনূভুব করেছিলেন এবং যুদ্ধের ৯মাস পাকিস্তানি কারাগারে রাজার হালে থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেন। নিজের ক্ষমতা শক্ত ও অর্থবহ করার জন্য রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বিলুপ্ত করলেন যা এখনো চলমান। ওই সময় তার সূদুরপ্রসারী চিন্তা কিছু দেশপ্রেমিক সেনা অফিসার বুঝতে পেরে তাকে হত্যা করলেন। যদি তারা দেশপ্রেম ছাড়া অন্য কোন কারণে হত্যা করতো তাহলে হত্যা পরবর্তী বাংলাদেশ তাদের হাতে থাকতো সেটা সন্ধেহ নেই।
দেশের জনগনও আসল শত্রু চিনতে পেরে নিশ্চুপ থেকেছে। জানাজায় পর্যন্ত শরীক হয়নি অনেকেই। নতুন ইতিহাসে যদিও দেখানো হয় কাউকে জানাজায় আসতে দেয়নি কিন্তু বাস্তবতা হলো ঘৃণা থেকে মানুষই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলো।
শেখ হাসিনা ২০০৬ সালের ২৮ই অক্টোবর দেশের সৃষ্ট নৈরাজ্যের একক নেতৃত্ব দিয়েছিলো। শান্তিপূর্ণ যেকোনো সভা, সমাবেশ কিভাবে বিশৃঙ্খলার তকমা লাগানো যায় সেটা কিছু দলান্ধ দিয়ে করিয়ে সেটা অন্যের উপর চাপিয়ে দিতো। নাটকের মঞ্চায়নের জন্য ওর অভিনয় বরাবরই সকলের প্রশংসা পেয়েছে।
শেখ হাসিনার শ্বাসন আমলে বাংলাদেশের যত জীবন গিয়েছে সেটা ইতিহাসে আর কারো আমলে যায় নি আর যদিও গিয়ে থাকে সেটা বিরোধী দল হিসেবে শেখ হাসিনাই করিয়েছে।
এককভাবে দোষ দিচ্ছি না বাস্তবতা তুলে ধরছি। অন্যদের আমলেও যে বাংলাদেশ খুব শান্তিতে ছিলো তা নয় তবে হাসিনার আমলের মতো এতটা আগ্রাসী আর অমানুষিক ছিলো না। যা ইতিহাস ঘাটাঘাটি করলেই নিজেরাই জানতে পারবেন।
শেখা হাসিনা এই ছাত্র আন্দোলনের শুরু থেকেই জামায়াত - শিবির জিকির জারি রেখেছে এবং তার সাথে সুর মিলিয়ে অন্যান্য কান্ড জ্ঞানহীন অসভ্য মন্ত্রীরাও করছে। শুরু থেকে ওরা দেশপ্রেমিক হলে গুরুত্বসহকারে ভদ্র ভাষায় কথা বললে আজকে হয়তো এতগুলো প্রাণ হারাতো না।
ও বিরোধী শক্তি ধমনের নেশায় এতটা বিভোর ছিলো যে, দেশে সাধারণ নাগরিক বলতে যে কিছু আছে সেটা ভুলেই গেছে। স্বৈরাচার এমনই হয়। গত কয়েকদিনে বাংলাদেশের যতগুলো প্রাণ গিয়েছে সবগুলোর জন্য সরাসরি শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রীরা দায়ী।
দুই দিন আগে বা পরে সবকিছুর বিচার হবে। আল্লাহর কাছে পরিয়াদ করি যাতে ফেরাউনের মতো নিদর্শন হিসেবে সেই বিচারটা হয়।