17/02/2026
রমাদান মাসের ফযীলত ও গুরুত্ব
-মুহাম্মদ হারুন আজিজী নদভী
মাহে রমাদানূল মুবারক মহাগ্রন্থ আল্ কুরআনুল করীম অবতীর্ণ হওয়ার মাস, আল্লাহ তা’আলার বিশেষ অনুগ্রহ ও দয়া সমূহের মাস। ধৈর্য্য, সহনশীলতা, সহানুভুতি ও রিযিক বৃদ্ধির মাস। জান্নাতে প্রবেশ করা ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভের মাস। রহমত বরকত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। ভাল কাজের প্রতিদান অগণিত হারে বৃদ্ধি হওয়ার মাস। মহান ইসলামী বিজয় সমূহের মাস।
মাহে রমাদানুল মুবারক সারা বিশ্বের মুসলমানের জন্য যিকির-আযকার, তাসবীহ, তাহলীল, তেলাওয়াতে কুরআন নফল ইবাদত সমূহ, ছদকা খায়রাত ইত্যাদি প্রত্যেক রকমের ইবাদত বন্দেগী করার আন্তর্জাতিক মৌসুম।
নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামএমাসের ইবাদতের জন্য এক মাস পূর্ব থেকেই প্রস্তুতি গ্রহন করতেন। সিয়ামব্রত পালন, তারাবীহর ছলাত আদায়, ইতিকাফ, কুরআন তেলাওয়াত, ছদকা-খায়রাত ইত্যাদি আরো অনেক ইবাদত এই মাসে করতেন।
আল্লাহর ইবাদতের জন্য বছরের অন্যান্য মাসের মাঝে রমাদান মাসের গুরুত্ব অপরিসীম। কুরআন ও হাদীস পর্যালোচনা করলে এ মাসের অনেক ফযীলত, মর্যাদা, বৈশিষ্ট্য, গুরুত্ব ও মহত্ব প্রস্ফূটিত হয়। এখানে আমরা বিশেষ কয়েকটি দিক উল্লেখ করব ইনশা আল্লাহ।
(ক) কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার মাস
রমাদান মাসের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল, এই মাসকে আল্লাহ তাআলা কুরআন নাযিল করার জন্য নির্বাচন করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেনঃ ‘রমদান হল, সেই মাস, যাতে কুরআন অবতীর্ণ করা হয়েছে। মানুষের হিদায়েতের জন্য এবং হিদায়েত ও পার্থক্যের অনেক নিদর্শনাবলী। অতএব তোমাদের থেকে যে এই মাস পাবে সে যেন সিয়াম পালন করে’। {বাকারাঃ ১৮৫।}
(খ) জান্নাতের দ্বার খোলা এবং জাহান্নামের দ্বার বন্ধ
আবূ হুরাইরা (রাঃ) বলেনঃ নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ `যখন রমাদান মাস প্রবেশ করে, তখন জান্নাতের দ্বারসমূহ খোলে দেয়া হয় এবং জাহান্নামের দ্বারসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয়। আর শয়তানকে শিকলে আবদ্ধ করে রাখা হয়’। {বুখারীঃ ১৭৬৪।}
(গ) দুআ কবূল হওয়ার উত্তম সময়
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক মুসলিমের জন্য এ মাসের প্রত্যেক দিনে ও রাতে রয়েছে মাকবুল দুআ। অর্থাৎ যখনই দুআ করবে তা গ্রহণযোগ্য হবে। {বাযযার, সহীহুত তারগীবঃ ১০০২।}
(ঘ) রমাদান পাওয়ার পরও যে পাপ মোচন করাতে পারেনি সে হতভাগা
কা’আব ইবনে উজরা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) কে বললেনঃ মিম্বর নিয়ে আস, আমরা মিম্বর নিয়ে আসলাম। তিনি প্রথম সিঁড়িতে চড়ে বললেনঃ আমীন। দ্বিতীয় সিঁড়িতে চড়েও বললেনঃ আমীন। তারপর তৃতীয় সিঁড়িতে চড়েও বললেনঃ আমীন। যখন মিম্বর থেকে নিচে অবতরণ করলেন, তখন আমরা জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আজ আমরা আপনাকে এমন কথা বলতে শুনলাম যা পূর্বে কখনো শুনিনি। তিনি বললেনঃ জিবরীল (আঃ) আমার কাছে এসে বললেনঃ সে ব্যক্তি ধ্বংস হোক যে রমাদান মাস পেয়েও নিজের পাপ মোচন করাতে পারেনি। আমি বললামঃ আমীন। দ্বিতীয় সিঁড়িতে চড়ার পর জিবরীল (আঃ) বললেনঃ সে ব্যক্তি ধ্বংস হোক যার সামনে আপনার নাম উল্লেখ করা হল, কিন্তু সে দরূদ পাঠ করল না। আমি বললামঃ আমীন। তারপর তৃতীয় সিঁড়িতে চড়ার পর জিবরীল (আঃ) বললেনঃ সে ব্যক্তি ধ্বংস হোক যে মাতা-পিতাকে বা তাদের কোন একজনকে বৃদ্ধাবস্থায় পেয়েও তাদের খেদমতে রত থেকে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারে নি। আমি বললামঃ আমীন। {মুস্তাদরাক হাকেমঃ ৮/১৫৩, সহীহুত তারগীবঃ ৯৮৫।}
(ঙ) প্রত্যেক দিনে রাতে জাহান্নাম থেকে মুক্তিদান
আবূ হুরাইরা (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তাঅলা রমাদানের প্রত্যেক রাতে অনেক লোককে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করেন। {সহীহুত তারগীবঃ ২/৫৮৫/৯৯৮।}
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রমাদানের প্রত্যেক রাত ও দিনে আল্লাহ তা’আলা অনেক ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করেন। {সহীহুত তারগীব, হাঃ ১০০২।}
(চ) ইফতারের সময় জাহান্নামীদের মুক্তিদান
জাবির (রাঃ) বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা রমাদানের প্রত্যেক দিন ইফতারের সময় লোকজনকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করেন। {ইবনে মাজাহ, হাঃ ১৬৬৬।}
(ছ) শয়তান ও ধৃষ্ট জ্বিনকে শিকলে আবদ্ধ করে রাখা হয়
আবূ হুরাইরা (রাঃ) বলেনঃ নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ `যখন রমাদান মাস প্রবেশ করে, তখন জান্নাতের দ্বারসমূহ খোলে দেয়া হয় এবং জাহান্নামের দ্বারসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয়। আর শয়তান ও ধৃষ্ট জ্বিন কে শিকলে আবদ্ধ করে রাখা হয়’। {বুখারীঃ ১৭৬৪।}
(জ) আসমান ও রহমতের দরজা খুলে দেয়া হয়
আবূ হুরাইরা (রাঃ) বলেনঃ নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ `যখন রমাদান মাস প্রবেশ করে, তখন আসমানের দ্বারসমূহ খোলে দেয়া হয় এবং জাহান্নামের দ্বারসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয়। আর শয়তানকে শিকলে আবদ্ধ করে রাখা হয়’। {বুখারীঃ ১৭৬৪, মুসলিম: ১০৭৯।}
অন্য বর্ণনায় আছে, যখন রমাদান মাস প্রবেশ করে, তখন রহমতের দ্বারসমূহ খোলে দেয়া হয় এবং জাহান্নামের দ্বারসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয়। আর শয়তানকে শিকলে আবদ্ধ করে রাখা হয়’ (মুসলিম: ১০৭৯)
(ঝ) আল্লাহর পক্ষ থেকে ভালকাজে এগিয়ে আসার ডাক দেয়া হয়
আবূ হুরাইরা (রাঃ) বলেনঃ নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ `যখন রমাদান মাসের প্রথম রাত প্রবেশ করে, তখন শয়তান ও ধৃষ্ট জ্বিনকে শিকলে আবদ্ধ করে রাখা হয়, জাহান্নামের দ্বারসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় এবং একটি দরজাও খোলা হয় না, আর জান্নাতের দ্বারসমূহ খোলে দেয়া হয় এবং একটি দরজাও বন্দ রাখা হয় না। আর কোন আহবানকারী এই বলে আহবান করতে থাকে- হে কল্যাণকামী সম্মুখপানে এগিয়ে চল, আর হে অকল্যাণকামী তুমি পিছনে থাকো। {তিরমিযী: ৬৮২।}
(ঞ) ধৈর্য্যের মাস
রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রসাদান ধৈর্য্যের মাস আর ধৈর্য্যের প্রতিদান হল জান্নাত। (ইবনু খযায়মা)
(ট) কুরআন অধ্যয়ন ও দান ছদকার মাস
ইবনে আব্বাস রাজিঃ বলেনঃ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সব চেয়ে বেশি দানশীল ছিলেন। তিনি রমাদানে যখন হযরত জিবরাঈল আঃ তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করতেন, তখন সব চেয়ে বেশী ছদকা করতেন। আর জিবরীল আঃ রমাদানের প্রত্যেক রাতে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সাক্ষাৎ করতেন এবং কুরআন অধ্যয়ন ও গবেষণা করতেন। জিবরীলের সাথে সাক্ষাতের সময় তাঁর দানের গতি ঝড়-তোফান অপেক্ষা বেশি হয়ে যেত। (বুখারীঃ ১৯০২)
(ঠ) লায়লাতুল কদর সম্পন্ন মাস
রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এই মাসে এমন একটি রাত রয়েছে যা (যার ইবাদত) হাজার মাসের (ইবাদতের) চেয়ে অনেক উত্তম। যে ব্যক্তি এই রাতের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত থাকবে সে বাস্তবে মাহরূম, বঞ্চিত ও হতভাগা। (ইবনে মাজাহ: ১৩৪১)
রমাদান মাসে বিভিন্ন কাজের ফযীলত
রমাদান মাসে সিয়াম ব্যতীত আরো অনেক কাজ রয়েছে, যেগুলোতে অনেক অনেক ছওয়াব ও ফযীলত পাওয়া যায়। সেরূপ কতিপয় কাজের কথা এখানে আমরা উল্লেখ করছি।
(ক) সিয়াম পালনকারীকে ইফতার করানোর ফযীলত
যায়েদ ইবনু খালিদ আল্ জুহানী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সিয়াম পালনকারীকে ইফতার করাবে, সে তার সমান ছওয়াব পাবে। আর সিয়াম পালনকারীর ছওয়াবে কোন কম করা হবেনা। {তিরমিযী, হা/নং -৮০৭।}
(খ) তারাবীহের ছলাত আদায়ের ফযীলত
আবূ হুরাইরা (রাঃ) বলেনঃ নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ঈমানের সহিত ছরয়াবের আশায় রমাদান মাসের রাত্রে তারাবীহের ছলাত আদায় করবে, তার পূর্বের সমূহ পাপ ক্ষমা হয়ে যাবে। (বুখারী)
(গ) তারাবীহের ছলাত আদায়কারী শহীদদের অন্তর্ভূক্ত
আ’মর ইবনে মুররাহ (রাঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খেদমতে উপস্থিত হয়ে আরয করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! যদি আমি এ সাক্ষ্য দেই যে আল্লাহ ব্যতীত কোন (সত্য) মাবুদ নেই এবং আপনি আল্লাহর রাসূল। আর পাঁচ ওয়াক্ত ছলাত পড়ি, যাকাত দেই এবং রমাদানে সিয়াম পালন করি ও রাত্রিতে তারাবীহ পড়ি, তাহলে আমি কাদের অন্তর্ভূক্ত হব? তিনি বললেনঃ সিদ্দীক ও শহীদগণের অন্তর্ভূক্ত। {সহীহুত্ তারগীব, হাঃ ৩১৬।}
(ঘ) ইমামের সহিত পূর্ণ তারাবীহ পড়ার ফযীলত
আবূ যার (রাঃ) বলেনঃ নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ইমামের সহিত ইমাম ছলাত শেষ করা পর্যন্ত তারাবীহ পড়বে, তার জন্য পুরা রাত ইবাদত করার মত ছওয়াব হবে। {আহমদ, তিরমিযী।}
(ঙ) সাহরী খাওয়ার ফযীলত
আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) বলেন, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা সাহরী খাও, কারণ তাতে অনেক বরকত রয়েছে। {বুখারী।}
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সাহরী খাওয়া বরকত। সুতরাং তোমরা সাহরী ছেড়ে দিও না। যদিও এক ঢোক পানি দ্বারা হয়, তারপরও সাহরী কর। কারণ যারা সাহরী করে তাদের উপর আল্লাহর রহমত হয় এবং ফেরেশতাগণ তাদের জন্য দুআ করেন। {আহমদ, সহীহুল জামেঃ ৩৬৮৩।}
(চ) দ্রুত ইফতারের ফযীলত
সাহাল ইবনু সাআদ (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যতদিন মানুষ দ্রুত ইফতার করবে, ততদিন তারা কল্যাণের মধ্যে থাকবে। {বুখারী, মুসলিম।}
(ছ) লাইলাতুল কদরে ছলাতের ফযীলত
আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেনঃ নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ঈমানের সহিত ছওয়াবের আশায় লাইলাতুল কদরে ছলাত (নামায) পড়বে, তার পূর্বের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। {বুখারী, মুসলিম।}
(জ) উমরা আদায় করলে হজ্জের সমান ছওয়াব
ইবনে আব্বাস (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক আনসারী মহিলাকে বললেন, আমাদের সাথে হজ্জ করতে তোমাকে কিসে বাধা দিল? মহিলা বলল, আমাদের পানি বহনকারী, দু’টি উট ছিল। আমার ছেলের বাবা এবং ছেলে এক উট নিয়ে হজ্জে চলে গেছেন, আর অপরটি পানি বহনের উদ্দেশ্যে রেখে গেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ রমাদান মাস আসলে তুমি উমরা আদায় কর, কারণ এমাসের উমরা হজ্জের সমান। {মুসলিমঃ ২৯০৪।}
অপর বর্ণনায় আছে, আমার (অর্থাৎ রসূল সাল্লাল্লাাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর) সাথে হজ্জ করার সমান ছওয়াব হবে।
সুতরাং আসুন, এই মাসকে গুরুত্ব দিয়ে, এই মাসের মান-সম্মান রক্ষা করে নিজেদের প্রায়শ্চিত্ত এবং আখেরাত বানানোর চেষ্টা করি। হাদীসের ভাষায় রমাদানুল মুবারকের মত একটি মাস পেয়েও যে ব্যক্তি নিজের পাপ-পঙ্কিলতার প্রায়শ্চিত্ত করতে পারেনি, সে মস্ত বড় বদনছীব। আর যে ব্যক্তি এই মাসের খায়র-বরকত থেকে মাহরুম রয়েছে বাস্তবে সে হতভাগা ও বঞ্চিত ব্যক্তি।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সৎ কাজের তৌফিক দান করুন। আমীন
https://www.facebook.com/harunazizi