26/02/2026
আসসালামু আলাইকুম 🌿
সুহিলপুরের সকল ভাই ও বোনদের ঐক্য, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে
“ঐক্যবদ্ধ সুহিলপুর (United Suhilpur)” ফেসবুক পেইজের যাত্রা শুরু হলো।
এই প্ল্যাটফর্মে আমরা শেয়ার করবো:
✅ এলাকার উন্নয়নমূলক খবর
✅ সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম
✅ সুখ-দুঃখে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা
✅ তরুণ সমাজের ইতিবাচক উদ্যোগ
ভেদাভেদ ভুলে একসাথে গড়ি সুন্দর সুহিলপুর ❤️
27/03/2015
মৃত্যুর কিছুদিন পূর্বে, খালিদ বিন
ওয়ালিদ
(রাঃ) এর সাথে এক পুরোনো বন্ধু দেখা
করতে আসেন। বন্ধুটি তার শয্যার পাশে
বসেন। খালিদ (রাঃ) বন্ধুকে বললেন,
“তুমি
কি আমার পায়ে এমন এক বিঘত পরিমাণ
কোন
খালি জায়গা দেখতে পাচ্ছ, যেখানে
কোন
তরবারি, তীর বা বর্শার আঘাত নেই?”
বন্ধুটি খালিদ (রাঃ) এর পা টি পরীক্ষা
করে বললেন, “না। “খালিদ (রাঃ) প্রথমে
তাঁর
ডান হাত ও পরে বাম হাত উঠিয়ে
দেখিয়ে
তাকে অনুরূপ পরীক্ষা করতে বললেন।
বন্ধুটি
একই ফলাফল বললেন।
এরপর খালিদ (রাঃ) তাঁর প্রশস্ত বক্ষ
উন্মূক্ত
করে তাঁর বন্ধুকে একইভাবে জিজ্ঞেস
করলেন। বন্ধুটি আবারো সেই একই দৃশ্য
দেখলেন যা প্রথমবার পায়ের ক্ষেত্রে
দেখেছিলেন।
খালিদ (রাঃ) বললেন, “তুমি কি দেখনি?
আমি শহীদের আকাঙ্খা নিয়ে শত শত
যুদ্ধ
করেছি, কেন আমি যুদ্ধে শহীদ হলাম
না?”
বন্ধু বললেন, “তোমার এটা বুঝতে হবে, হে
খালিদ! আল্লাহর রাসূল(সাঃ) তোমার
নাম
রেখেছেন ‘সাইফুল্লাহ’ অর্থাৎ ‘আল্লাহর
তরবারি’, তিনি এটা আগেই নির্ধারণ
করে
গেছেন যে তুমি কোন যুদ্ধে পরাজিত হবে
না। কারণ, তুমি যদি পরাজিত হতে
তাহলে
এটা বুঝাতো যে আল্লাহর তরবারি
কাফিরদের আঘাতে ভেঙ্গে গেছে, আর
যা
কখনো ঘটবে না।”
খালিদ (রাঃ) বলেন, “এখন আমি এখানে
উটের মত বিছানায় মারা যাচ্ছি, খুবই
লজ্জার বিষয়। কাপুরুষের দু’চোখ যেন
ঘুমেও
বিশ্রাম না নেয়।”
(ইবনে কুতাইবাহ, পৃঃ ২৬৭; খালিদ ইবনে
আল-
ওয়ালিদঃ পৃ ৪৪২ থেকে সংগৃহিত)
23/03/2015
সেইদিন কাঁদবেন যখন উপলব্ধি করবেন
জীবন শেষ হয়ে এলো অথচ কোন নেক
কাজ করা হলো না।
____আবু বক্কর সিদ্দিক (রাঃ)
19/03/2015
সিংহের মাথার ওপর আজ বিড়াল
খেলা
করছে, বড় ই দুর্ভাগ্য মুসলমানদের, তারা
শাহাদাতের আকাংখা ভুলে গিয়ে
তাসবিহর দানার মধ্যে জান্নাত খুঁজছে।
-আল্লামা ইকবাল রহঃ
13/02/2015
------- ভালবাসা দিবসের ইতিহাস -------
"""""""""""""""""""""""""""""""""""
ক্যাথলিক বিশ্বকোষে ভ্যালেন্টাইন
সম্পর্কে তিনটি ব্যাখ্যা মিলে।
# প্রথম -সেন্ট ভ্যালেনটাইন ছিল রোমের
সম্রাট 2য় ক্লডিয়াসের আমলের লোক। ১৪
ফেব্রুয়ারি ২৭০ খ্রিঃ রাষ্ট্রীয় বিধান
লঙ্ঘনের অভিযোগে সম্রাট তার মৃত্যুর
আদেশ দেয়।
# দ্বিতীয় -সম্রাট লক্ষ্য করেছেন
অবিবাহিত
যুবকরা যুদ্ধের কঠিনতম মুহুর্তে ধৈর্যের
পরিচয় দেয়; বিবাহিত যুবকের তুলনায়।
তাই পরিনয় সূত্রে আবদ্ধ হওয়ার উপয়
নিষেধাঞ্জা জারি করে। সেন্ট
ভ্যালেনটাইন বিদ্রোহ ঘোষনা করে ও
গোপনে বিবাহ প্রথা চালু রাখে।
তাকে জেলে দেওয়ার পর সেখানে এক
অন্ধ মেয়ের চিকিত্সা করে ভাল
করে এবং তার প্রেমে পরে যায়। মৃত্যুর
আগে মেয়েটিকে লেখা এক চিঠির শেষ
বাক্য -"ইতি তোমার ভ্যালেনটাইন"
# তৃতীয় -গোটা ইউরোপে যখন কৃশ্চিয়ান
ধর্মের জয়জয়কার তখন ও ঘটা করে পালন
করা;
রোমিও একটি কালচার। মধ্য
ফেব্রুয়ারিতে গ্রামের সকল যুবকরা সমস্ত
মেয়েদের নাম
চিরকুটে লিখে বাক্সে জমা করতো । ঐ
বাক্স হতে প্রত্যেক যুবক
একটি করে চিরকুট তুলত;
যার হাতে যে মেযের নাম আসত; সে বছর
ঐ মেয়ের প্রেমে মগ্ন থাকত।
পাদ্রিরা দেখল একে সমূলে উত্পাটন
করা অসম্ভব। তবে শুধু শিরোনাম
পাল্টে নির্দেশ জারি করল পএগুলো সেন্ট
ভ্যালেনটাইনের নামে প্রেরণ করতে হবে।
উদ্দেশ্য এভাবেই
যুবকরা ধীরে ধীরে কৃশ্চিয়ান ধর্মের
সাথে সম্পৃক্ত হবে।
ভালবাসা দিবস উদযাপন করার বিধান
"""""""""""""""""""""""""""""""""""
মানুষের অন্তর যদিও অনুকরণ প্রিয় তবুও
মনে রাখতে হবে ইসলামি দৃষ্টিকোন
বিচারে এটি গর্হিত নিন্দিত কাজ।
বিশেষ করে অনুকরনীয় বিষয় আর
অনুকরনীয়
ব্যক্তিটি যদি বিধর্মী বিজাতি হয়।
আফসোস ! ক্রমশ মুসলমান ধর্মীয় বিশ্বাস
দুর্বল হয়ে আসছে আর বিজাতিদের অনুকরণ
বেশী বেশী আরম্ভ করছে।
যার অন্যতম ১৪
ফেব্রুয়ারি ভালবাসা দিবস।
অথচ এ দিনটি কৃশ্চিয়ান দের পালন
করি বিষয় কারণ ভ্যালেনটাইন একজন
অমুসলিম কাফের
আর সেই অবৈধ কাজ টাকে আমরা মুসলিম
জাতি মনে প্রানে উদযাপন
করি ছিঃ ধিক্কার ঐ সমস্ত
নামধারী মুসলমানদের প্রতি যারা
এই ভালবাসা দিবস নামে অবৈধ
ভাবে মাখামাখি করে .
এখন ও সময় আছে .
এই হারাম কাজ কে পরিহার কর আল্লাহ
কে ভালবাস .নবীর সুন্নত কে আকড়িয়ে ধরl
written by: s.m.zakaria
10/02/2015
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম