Student club ctg
আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য ।দেখুন, জানুন ,অন্যকে জানান।
17/01/2015
নগরবাসীর দুঃখ-দুর্দশা নিজ চোখে দেখতে ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াছেন আব্দুল জলিল মণ্ডল!
একসময় প্রজাদের ভালোমন্দ, দুঃখ-দুর্দশা নিজ চোখে দেখতে ছদ্মবেশে গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়াতেন প্রজাহিতৈষী রাজা-বাদশারা। নিজ চোখে প্রজাদের জীবনযাত্রা প্রত্যক্ষ করে ভাগিদার হতেন তাদের দুঃখ-সুখে। এ ইতিহাস শত-শত বর্ষের আগের হলেও তা নতুন করে নগরবাসীকে দেখালেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার আব্দুল জলিল মণ্ডল।গত ২ জানুয়ারি থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রায় প্রতিদিন নগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নগরবাসীর দুর্ভোগ, নাগরিকদের প্রতি পুলিশী সেবার প্রকৃত অবস্থা দেখতে নগরীর বিভিন্ন থানা, রাস্তা-ঘাট, বাস স্টেশন, ট্রেন স্টেশন, আবাসিক এলাকার অলি-গলিসহ এক প্রান্ত থেকে অপরপ্রান্তে ছদ্মবেশে ঘুওে বেড়িয়েছেন এই নগর রক্ষক।
শুরুর দিন : ২ জানুয়ারি-রাত পৌনে আটটা। নগরীর জিইসি মোড়ে এসে হঠাৎ করেই থেমে গেলো পুলিশ কমিশনারকে বহনকারী সরকারি গাড়িটি। সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষামান থাকা একটি প্রাইভেট কারে উঠে বসলেন তিনি। দৃশ্যটি ক্যামেরাবন্দি করার আগেই দ্রুতগতিতে স্থান ত্যাগ করলেন তিনি। রাত ৮টা ৫ মিনিট। সিএমপির আকবর শাহ থানার সামনে প্রাইভেটকার থেকে নামলেন তিনি। পরনে সাদা পায়জামা-পাঞ্জাবি, মাথায় টুপি। থানার সামনে অপেক্ষামান কনস্টেবলরা কিছু বুঝে উঠার আগেই ভেতরে ঢুকে গেলেন তিনি। পুলিশ কমিশনারের এ ধরনের আকস্মিক পরিদর্শনে চমকে গেলেন থানার কর্মকর্তারা। থানায় ঢুকেই অস্ত্রখানা থেকে শুরু করে প্রতিটি কক্ষ ঘুরে ঘুরে দেখলেন তিনি। এরপর নথিপত্র দেখলেন। কথা বললেন হাজতখানায় আটককৃত ও তাদের আত্মীয়-স্বজনদের সাথে।রাত পৌনে নয়টা। অলংকার মোড়ে পৌঁছে প্রাইভেটকার থেকে নেমেই ব্যস্ততম ওই মোড়ে রাস্তার পাশে অপেক্ষামান যানবাহনগুলোকে সরিয়ে দিয়ে রাস্তা ফাঁকা করে দিলেন পথচারী ও যানবাহনের জন্য। এর মধ্যে চারপাশে হৈচৈ পড়ে গেলো, ‘মণ্ডল আইছে’, ‘মণ্ডল আইছে’।
৪ জানুয়ারি : রোববার। রাত সাড়ে ১০টা। নগরীর গরীবুল্লা শাহ মোড়ের বাস কাউন্টারের সামনে সাদা পাঞ্জাবি পড়ে কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁঁটি করলেন সিএমপি কমিশনার। এরপর কথা বললেন যাত্রী, চালক, হেলপার ও বাস কাউন্টারের কর্মকর্তাদের সাথে। শুনলেন ট্রাফিক পুলিশ ও সার্জেন্টদের নিয়ে পথচারী ও চালকদের যত অভিযোগ। আশ্বস্ত করলেন অভিযোগকারীদের। বললেন- ‘একটু সময় দেন, আপনাদের সাথে পেলে চট্টগ্রামে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে চাই।’
১০ জানুয়ারি : শনিবার। রাত সাড়ে নয়টা। সিএমপির পাহাড়তলী থানার সামনে গিয়ে সিএনজি অটোরিক্সা থেকে নামলেন পুলিশ কমিশনার। ধীর পায়ে হেঁটে গেলেন থানার ভেতরে। থানার সব নথিপত্র খুঁটিয়ে-খুঁটিয়ে দেখার পর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজিজের সাথে কথা বললেন বিভিন্ন জটিল মামলা নিয়ে। খোঁজ-খবর নিলেন মাদক উদ্ধারের বিষয়েও।ছদ্মবেশে নগর পুলিশ প্রধানের এই কর্মকাণ্ডের নেপথ্যের কারণ জানতে চেয়ে গত ১২ জানুয়ারি বিকেলে কথা হয় তাঁর সাথে। মৃদু হেসে তিনি বললেন, ‘সাংঘাতিক মানুষ আপনারা! সব জেনে যাচ্ছেন? কোনো কিছুই গোপন থাকছে না দেখছি।’ বললেন, নগরবাসীকে ভালোবাসি তাই এ ধরনের উদ্যোগ নিয়েছি। আমি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। দেখুন, আমি যদি সরকারি গাড়ি করে ঢাকঢোল পিটিয়ে কোথাও যাই তবে তারা (কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তারা) আগ থেকেই তৈরি হয়ে থাকে। পুলিশি সেবার প্রকৃত রূপটা আমি দেখতে পাই না। আমার লোকজনের প্রকৃত স্বরূপ দেখার জন্যই আমার এই ছদ্মবেশ।‘তাহলে থানাগুলোর অবস্থা কেমন দেখলেন’ -জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘একদিনে তো আমার মন মতো সুন্দর পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরি করা সম্ভব নয়। তবে আমি আমার থানাগুলো নিয়ে বেশ আশাবাদী। পরিবর্তন কিংবা সংগ্রাম করার জন্য তো সহযোগী শক্তি দরকার। আমি মনেকরি, আমার থানার অফিসাররা আমার সেই শক্তি। চট্টগ্রাম একদিন সত্যিকার অর্থেই দক্ষিণ এশিয়ার ‘মডেল সিটি’ হবে।জানালেন, সময়-সুযোগ পেলেই তিনি আবার ছদ্মবেশে বেরিয়ে পড়বেন রাস্তায়…
15/01/2015
নগরবাসীর দুঃখ-দুর্দশা নিজ চোখে দেখতে ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াছেন আব্দুল জলিল মণ্ডল!
একসময় প্রজাদের ভালোমন্দ, দুঃখ-দুর্দশা নিজ চোখে দেখতে ছদ্মবেশে গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়াতেন প্রজাহিতৈষী রাজা-বাদশারা। নিজ চোখে প্রজাদের জীবনযাত্রা প্রত্যক্ষ করে ভাগিদার হতেন তাদের দুঃখ-সুখে। এ ইতিহাস শত-শত বর্ষের আগের হলেও তা নতুন করে নগরবাসীকে দেখালেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার আব্দুল জলিল মণ্ডল।গত ২ জানুয়ারি থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রায় প্রতিদিন নগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নগরবাসীর দুর্ভোগ, নাগরিকদের প্রতি পুলিশী সেবার প্রকৃত অবস্থা দেখতে নগরীর বিভিন্ন থানা, রাস্তা-ঘাট, বাস স্টেশন, ট্রেন স্টেশন, আবাসিক এলাকার অলি-গলিসহ এক প্রান্ত থেকে অপরপ্রান্তে ছদ্মবেশে ঘুওে বেড়িয়েছেন এই নগর রক্ষক।
শুরুর দিন : ২ জানুয়ারি-রাত পৌনে আটটা। নগরীর জিইসি মোড়ে এসে হঠাৎ করেই থেমে গেলো পুলিশ কমিশনারকে বহনকারী সরকারি গাড়িটি। সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষামান থাকা একটি প্রাইভেট কারে উঠে বসলেন তিনি। দৃশ্যটি ক্যামেরাবন্দি করার আগেই দ্রুতগতিতে স্থান ত্যাগ করলেন তিনি। রাত ৮টা ৫ মিনিট। সিএমপির আকবর শাহ থানার সামনে প্রাইভেটকার থেকে নামলেন তিনি। পরনে সাদা পায়জামা-পাঞ্জাবি, মাথায় টুপি। থানার সামনে অপেক্ষামান কনস্টেবলরা কিছু বুঝে উঠার আগেই ভেতরে ঢুকে গেলেন তিনি। পুলিশ কমিশনারের এ ধরনের আকস্মিক পরিদর্শনে চমকে গেলেন থানার কর্মকর্তারা। থানায় ঢুকেই অস্ত্রখানা থেকে শুরু করে প্রতিটি কক্ষ ঘুরে ঘুরে দেখলেন তিনি। এরপর নথিপত্র দেখলেন। কথা বললেন হাজতখানায় আটককৃত ও তাদের আত্মীয়-স্বজনদের সাথে।রাত পৌনে নয়টা। অলংকার মোড়ে পৌঁছে প্রাইভেটকার থেকে নেমেই ব্যস্ততম ওই মোড়ে রাস্তার পাশে অপেক্ষামান যানবাহনগুলোকে সরিয়ে দিয়ে রাস্তা ফাঁকা করে দিলেন পথচারী ও যানবাহনের জন্য। এর মধ্যে চারপাশে হৈচৈ পড়ে গেলো, ‘মণ্ডল আইছে’, ‘মণ্ডল আইছে’।
৪ জানুয়ারি : রোববার। রাত সাড়ে ১০টা। নগরীর গরীবুল্লা শাহ মোড়ের বাস কাউন্টারের সামনে সাদা পাঞ্জাবি পড়ে কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁঁটি করলেন সিএমপি কমিশনার। এরপর কথা বললেন যাত্রী, চালক, হেলপার ও বাস কাউন্টারের কর্মকর্তাদের সাথে। শুনলেন ট্রাফিক পুলিশ ও সার্জেন্টদের নিয়ে পথচারী ও চালকদের যত অভিযোগ। আশ্বস্ত করলেন অভিযোগকারীদের। বললেন- ‘একটু সময় দেন, আপনাদের সাথে পেলে চট্টগ্রামে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে চাই।’
১০ জানুয়ারি : শনিবার। রাত সাড়ে নয়টা। সিএমপির পাহাড়তলী থানার সামনে গিয়ে সিএনজি অটোরিক্সা থেকে নামলেন পুলিশ কমিশনার। ধীর পায়ে হেঁটে গেলেন থানার ভেতরে। থানার সব নথিপত্র খুঁটিয়ে-খুঁটিয়ে দেখার পর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজিজের সাথে কথা বললেন বিভিন্ন জটিল মামলা নিয়ে। খোঁজ-খবর নিলেন মাদক উদ্ধারের বিষয়েও।ছদ্মবেশে নগর পুলিশ প্রধানের এই কর্মকাণ্ডের নেপথ্যের কারণ জানতে চেয়ে গত ১২ জানুয়ারি বিকেলে কথা হয় তাঁর সাথে। মৃদু হেসে তিনি বললেন, ‘সাংঘাতিক মানুষ আপনারা! সব জেনে যাচ্ছেন? কোনো কিছুই গোপন থাকছে না দেখছি।’ বললেন, নগরবাসীকে ভালোবাসি তাই এ ধরনের উদ্যোগ নিয়েছি। আমি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। দেখুন, আমি যদি সরকারি গাড়ি করে ঢাকঢোল পিটিয়ে কোথাও যাই তবে তারা (কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তারা) আগ থেকেই তৈরি হয়ে থাকে। পুলিশি সেবার প্রকৃত রূপটা আমি দেখতে পাই না। আমার লোকজনের প্রকৃত স্বরূপ দেখার জন্যই আমার এই ছদ্মবেশ।‘তাহলে থানাগুলোর অবস্থা কেমন দেখলেন’ -জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘একদিনে তো আমার মন মতো সুন্দর পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরি করা সম্ভব নয়। তবে আমি আমার থানাগুলো নিয়ে বেশ আশাবাদী। পরিবর্তন কিংবা সংগ্রাম করার জন্য তো সহযোগী শক্তি দরকার। আমি মনেকরি, আমার থানার অফিসাররা আমার সেই শক্তি। চট্টগ্রাম একদিন সত্যিকার অর্থেই দক্ষিণ এশিয়ার ‘মডেল সিটি’ হবে।জানালেন, সময়-সুযোগ পেলেই তিনি আবার ছদ্মবেশে বেরিয়ে পড়বেন রাস্তায়…
31/12/2014
27/12/2014
জাতীয় পরিচয়পত্র হারালে, ভুল থাকলে অথবা নতুন করতে গেলে কি করবেন?
ঢাকা : জাতীয় পরিচয় পত্র হারিয়ে গেলে, ভুল থাকলে অথবা নতুন পরিচয়পত্র করতে গেলে কি করবেন? এছাড়াও অনেককেই জাতীয় পরিচয়পত্রের বিভিন্ন ভুলভ্রান্তি নিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয়। আবার যারা নতুন পরিচয়পত্র করতে চান তারাও এ বিষয়ে অনেকে অজ্ঞ। কিভাবে করব, কোথায় করব, কি কি লাগবে ইত্যাদি বিষয় জানেন না। আর এ সমস্যা সমাধানের জন্য কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করলে আশা করি সবাই উপকার পাবেন।
পরিচয়পত্রে নিজের নাম, পিতা, মাতা, স্বামী, স্ত্রী ও অভিভাবকের নাম, জন্মতারিখ, রক্তের গ্রুপ এবং ঠিকানা সংশোধন কিংবা বদল করতে হতে পারে। এ জন্য প্রার্থীকে সাদা কাগজে ‘ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানে সহায়তা প্রদান প্রকল্প’- এর পরিচালকেরকাছে আবেদন করতে হবে। এই আবেদন আগারগাঁওয়ের ইসলামিক ফাউন্ডেশন ভবনের সপ্তম তলায় প্রকল্প কার্যালয়ে পাওয়া ছক বা ফরমেও করা যায়।
ফরম পূরণ করে প্রকল্প কার্যালয়ের নির্দিষ্ট কাউন্টারে জমা দেওয়ার পর সেখান থেকে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র (প্রাপ্তি নম্বরসংবলিত) দেওয়া হয়। এতে সংশোধিত জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার তারিখ উল্লেখ থাকবে। এই তারিখের সাত দিনের মধ্যে কাউন্টার থেকে সংশোধিত পরিচয়পত্র নিতে হবে।
নাম সংশোধনঃ কেউ পরিচয়পত্রে থাকা নিজের নাম, পিতা, স্বামী কিংবা মাতার নাম সংশোধন করতে চাইলে তাকে আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে-
১। এসএসসি বা সমমান সনদ
২। নাগরিকত্ব সনদ
৩। জন্মনিবন্ধন সনদ
৪।চাকরির প্রমাণপত্র
৫। পাসপোর্ট
৬। নিকাহনামা
৭। পিতা, স্বামী কিংবা মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।
আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত এসব নথি অবশ্যই সত্যায়িত হতে হবে। এ ক্ষেত্রে উল্লেখ করা নথির যার যেটি আছে, শুধু সেটি দিলেই চলবে। যেমন, যার শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসির কম, তাকে এসএসসি বা সমমানের সনদের ফটোকপি জমা দিতে হবে না। আবার কেউ যদি চাকরি না করেন, তাকে চাকরির প্রমাণপত্র দিতে হবে না। আবার পাসপোর্ট না থাকলে তা দেয়ার দরকার নেই।
নাম পরিবর্তনঃ
জাতীয় পরিচয়পত্রে নিজের নাম বদল করতে হলে আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে এসএসসি বা সমমানের সনদের সত্যায়িত ফটোকপি (শিক্ষাগত যোগ্যতা এর নিচে হলে দেয়ার দরকার নেই), বিবাহিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে স্ত্রী বা স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে সম্পাদিত এফিডেভিট এবং জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত নাম পরিবর্তনসংক্রান্ত বিজ্ঞাপনের কপি। নাম পরিবর্তনের জন্য প্রার্থীকে শুনানির দিন প্রকল্পের কার্যালয়ে কাগজপত্রের মূল কপিসহ হাজির হতে হবে।
স্বামীর নাম সংযোজন বা বাদ দেওয়াঃ
বিয়ের পর কেউ জাতীয় পরিচয়পত্রে স্বামীর নাম যুক্ত করতে চাইলে তাকে কাবিননামা ও স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্র আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে। আর বিবাহবিচ্ছেদের কারণে স্বামীর নাম বাদ দিতে চাইলে আবেদনকারীকে তালাকনামার সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে।
পিতা বা মাতার নাম পরিবর্তনঃ
পিতা বা মাতার নাম পরিবর্তন করতে হলে আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে এসএসসি বা এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার সনদ অথবা রেজিস্ট্রেশন কার্ড। পিতা বা মাতার পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি। পিতা বা মাতা বা উভয়ে মৃত হলে দিতে হবে ভাই বা বোনের পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি। পিতা-মাতার নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আবেদনকারীর সাক্ষাৎকার নিতে পারেন।
জন্মতারিখ সংশোধনঃ
যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি বা সমমানের, তাদের আবেদনপত্রের সঙ্গে এসএসসি বা সমমানের সনদের সত্যায়িত ফটোকপি জমা দিতে হবে। বয়সের পার্থক্য অস্বাভাবিক না হলে প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে উল্লেখ করা তারিখে সংশোধিত পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়। অস্বাভাবিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সনদের মূল কপি প্রদর্শন কিংবা ব্যক্তিগত শুনানিতে অংশ নিতে হতে পারে। যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি বা সমমানের কম, তাদের জন্মতারিখ সংশোধনের জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ার আগের তারিখে পাওয়া সার্ভিস বুক বা এমপিওর কপি, ড্রাইভিং লাইসেন্স, জন্ম সদন, নিকাহনামা, পাসপোর্টের কপি প্রভৃতি। এ ক্ষেত্রে প্রকল্প কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা প্রকল্প পরিচালক আবেদনকারীর সাক্ষাৎকার নিয়ে থাকেন। এ ছাড়া দরকার হলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে সরেজমিনে তদন্ত করা হয়।
ঠিকানা সংশোধনঃ
জাতীয় পরিচয়পত্রে থাকা বর্তমান ঠিকানা ও ভোটার এলাকা বদল করার সুযোগ আছে। তবে সারা বছর সেই সুযোগ মেলে না। এটা শুধু ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার সময় করা যাবে। বর্তমানে হালনাগাদ করার কাজটি করা হয় শুধু জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে। সারা বছর ভোটার এলাকা বদলের সুযোগ থাকে না কেন, জানতে চাইলে প্রকল্পের কমিউনিকেশন অফিসার দেবাশীষ কুণ্ডু বলেন, ‘আমাদের দেশে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভিন্ন ভিন্ন সময়ে হয়। দেখা যায়, একই বছর একাধিক নির্বাচন হয়। একই বছরে কেউ যাতে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট দিতে না পারেন, তাই সারা বছর ভোটার এলাকা বদলের সুযোগ দেওয়া হয় না।’ হালনাগাদ করার সময় ভোটার এলাকা বদল করতে হলে নতুন ঠিকানার উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিস থেকে দেওয়া ফরম-১৩ অথবা ফরম-১৪ পূরণ করে উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে। তবে ঠিকানা পরিবর্তন না করে সংশোধন (বানান, বাড়ির নম্বর, সড়ক নম্বর ভুল থাকলে) করার সুযোগ ঢাকার প্রকল্প কার্যালয়ে রয়েছে।এ ছাড়া স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন বা এর কোনো তথ্য সংশোধনেরও সুযোগ আছে। ঠিকানার ছোটখাটো ভুল সংশোধন বা স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের সুযোগ সারা বছরই থাকে। এ জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রকল্প কার্যালয়ের নির্দিষ্ট কাউন্টারে জমা দিতে হবে পরিবারের কোনো সদস্যের পরিচয়পত্রের কপি, গ্যাস, বিদ্যুৎ, টেলিফোন বিলের যেকোনো একটির কপি বা কর দেওয়ার কপি। আরও জমা দিতে হবে চেয়ারম্যান বা ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র। স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ওই ঠিকানায় নিজের নামে বা পিতা বা মাতার নামে থাকা জমি বা ফ্ল্যাটের দলিলের সত্যায়িত ফটোকপিও জমা দিতে হবে।
27/12/2014
জাতীয় পরিচয়পত্র হারালে, ভুল থাকলে অথবা নতুন করতে গেলে কি করবেন?
ঢাকা : জাতীয় পরিচয় পত্র হারিয়ে গেলে, ভুল থাকলে অথবা নতুন পরিচয়পত্র করতে গেলে কি করবেন? এছাড়াও অনেককেই জাতীয় পরিচয়পত্রের বিভিন্ন ভুলভ্রান্তি নিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয়। আবার যারা নতুন পরিচয়পত্র করতে চান তারাও এ বিষয়ে অনেকে অজ্ঞ। কিভাবে করব, কোথায় করব, কি কি লাগবে ইত্যাদি বিষয় জানেন না। আর এ সমস্যা সমাধানের জন্য কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করলে আশা করি সবাই উপকার পাবেন।
পরিচয়পত্রে নিজের নাম, পিতা, মাতা, স্বামী, স্ত্রী ও অভিভাবকের নাম, জন্মতারিখ, রক্তের গ্রুপ এবং ঠিকানা সংশোধন কিংবা বদল করতে হতে পারে। এ জন্য প্রার্থীকে সাদা কাগজে ‘ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানে সহায়তা প্রদান প্রকল্প’- এর পরিচালকেরকাছে আবেদন করতে হবে। এই আবেদন আগারগাঁওয়ের ইসলামিক ফাউন্ডেশন ভবনের সপ্তম তলায় প্রকল্প কার্যালয়ে পাওয়া ছক বা ফরমেও করা যায়।
ফরম পূরণ করে প্রকল্প কার্যালয়ের নির্দিষ্ট কাউন্টারে জমা দেওয়ার পর সেখান থেকে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র (প্রাপ্তি নম্বরসংবলিত) দেওয়া হয়। এতে সংশোধিত জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার তারিখ উল্লেখ থাকবে। এই তারিখের সাত দিনের মধ্যে কাউন্টার থেকে সংশোধিত পরিচয়পত্র নিতে হবে।
নাম সংশোধনঃ কেউ পরিচয়পত্রে থাকা নিজের নাম, পিতা, স্বামী কিংবা মাতার নাম সংশোধন করতে চাইলে তাকে আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে-
১। এসএসসি বা সমমান সনদ
২। নাগরিকত্ব সনদ
৩। জন্মনিবন্ধন সনদ
৪।চাকরির প্রমাণপত্র
৫। পাসপোর্ট
৬। নিকাহনামা
৭। পিতা, স্বামী কিংবা মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।
আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত এসব নথি অবশ্যই সত্যায়িত হতে হবে। এ ক্ষেত্রে উল্লেখ করা নথির যার যেটি আছে, শুধু সেটি দিলেই চলবে। যেমন, যার শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসির কম, তাকে এসএসসি বা সমমানের সনদের ফটোকপি জমা দিতে হবে না। আবার কেউ যদি চাকরি না করেন, তাকে চাকরির প্রমাণপত্র দিতে হবে না। আবার পাসপোর্ট না থাকলে তা দেয়ার দরকার নেই।
নাম পরিবর্তনঃ
জাতীয় পরিচয়পত্রে নিজের নাম বদল করতে হলে আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে এসএসসি বা সমমানের সনদের সত্যায়িত ফটোকপি (শিক্ষাগত যোগ্যতা এর নিচে হলে দেয়ার দরকার নেই), বিবাহিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে স্ত্রী বা স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে সম্পাদিত এফিডেভিট এবং জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত নাম পরিবর্তনসংক্রান্ত বিজ্ঞাপনের কপি। নাম পরিবর্তনের জন্য প্রার্থীকে শুনানির দিন প্রকল্পের কার্যালয়ে কাগজপত্রের মূল কপিসহ হাজির হতে হবে।
স্বামীর নাম সংযোজন বা বাদ দেওয়াঃ
বিয়ের পর কেউ জাতীয় পরিচয়পত্রে স্বামীর নাম যুক্ত করতে চাইলে তাকে কাবিননামা ও স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্র আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে। আর বিবাহবিচ্ছেদের কারণে স্বামীর নাম বাদ দিতে চাইলে আবেদনকারীকে তালাকনামার সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে।
পিতা বা মাতার নাম পরিবর্তনঃ
পিতা বা মাতার নাম পরিবর্তন করতে হলে আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে এসএসসি বা এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার সনদ অথবা রেজিস্ট্রেশন কার্ড। পিতা বা মাতার পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি। পিতা বা মাতা বা উভয়ে মৃত হলে দিতে হবে ভাই বা বোনের পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি। পিতা-মাতার নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আবেদনকারীর সাক্ষাৎকার নিতে পারেন।
জন্মতারিখ সংশোধনঃ
যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি বা সমমানের, তাদের আবেদনপত্রের সঙ্গে এসএসসি বা সমমানের সনদের সত্যায়িত ফটোকপি জমা দিতে হবে। বয়সের পার্থক্য অস্বাভাবিক না হলে প্রাপ্তি স্বীকারপত্রে উল্লেখ করা তারিখে সংশোধিত পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়। অস্বাভাবিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সনদের মূল কপি প্রদর্শন কিংবা ব্যক্তিগত শুনানিতে অংশ নিতে হতে পারে। যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি বা সমমানের কম, তাদের জন্মতারিখ সংশোধনের জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ার আগের তারিখে পাওয়া সার্ভিস বুক বা এমপিওর কপি, ড্রাইভিং লাইসেন্স, জন্ম সদন, নিকাহনামা, পাসপোর্টের কপি প্রভৃতি। এ ক্ষেত্রে প্রকল্প কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা প্রকল্প পরিচালক আবেদনকারীর সাক্ষাৎকার নিয়ে থাকেন। এ ছাড়া দরকার হলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে সরেজমিনে তদন্ত করা হয়।
ঠিকানা সংশোধনঃ
জাতীয় পরিচয়পত্রে থাকা বর্তমান ঠিকানা ও ভোটার এলাকা বদল করার সুযোগ আছে। তবে সারা বছর সেই সুযোগ মেলে না। এটা শুধু ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার সময় করা যাবে। বর্তমানে হালনাগাদ করার কাজটি করা হয় শুধু জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে। সারা বছর ভোটার এলাকা বদলের সুযোগ থাকে না কেন, জানতে চাইলে প্রকল্পের কমিউনিকেশন অফিসার দেবাশীষ কুণ্ডু বলেন, ‘আমাদের দেশে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভিন্ন ভিন্ন সময়ে হয়। দেখা যায়, একই বছর একাধিক নির্বাচন হয়। একই বছরে কেউ যাতে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট দিতে না পারেন, তাই সারা বছর ভোটার এলাকা বদলের সুযোগ দেওয়া হয় না।’ হালনাগাদ করার সময় ভোটার এলাকা বদল করতে হলে নতুন ঠিকানার উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিস থেকে দেওয়া ফরম-১৩ অথবা ফরম-১৪ পূরণ করে উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে। তবে ঠিকানা পরিবর্তন না করে সংশোধন (বানান, বাড়ির নম্বর, সড়ক নম্বর ভুল থাকলে) করার সুযোগ ঢাকার প্রকল্প কার্যালয়ে রয়েছে।এ ছাড়া স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন বা এর কোনো তথ্য সংশোধনেরও সুযোগ আছে। ঠিকানার ছোটখাটো ভুল সংশোধন বা স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের সুযোগ সারা বছরই থাকে। এ জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রকল্প কার্যালয়ের নির্দিষ্ট কাউন্টারে জমা দিতে হবে পরিবারের কোনো সদস্যের পরিচয়পত্রের কপি, গ্যাস, বিদ্যুৎ, টেলিফোন বিলের যেকোনো একটির কপি বা কর দেওয়ার কপি। আরও জমা দিতে হবে চেয়ারম্যান বা ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র। স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ওই ঠিকানায় নিজের নামে বা পিতা বা মাতার নামে থাকা জমি বা ফ্ল্যাটের দলিলের সত্যায়িত ফটোকপিও জমা দিতে হবে।
নিখোজ শিশু জিহাদের জন্য আমাদের সমবেদনা থাকলো...
তবে গতকাল বিকেল থেকে সরকার শিশু উদ্ধার অভিযানের নামে যে নাটক রচনা করলো আমরা তার নিন্দা জানাই।
বেশ কিছু ইস্যু যা আমাদের মনে খটকা দেয়...
১. জিহাদ গর্তে অথচ এর মা বাবা অজানা কারণে পর্দার আড়ালে। ইভেন মিডিয়ার সামনে তো দূরের কথা,আসলে তাদের কোন অস্তিত্বই আমাদেরচোখে ধরা পড়ছেনা।
২. ৫ ফুট উপর থেকে পড়লে যেহেতু হাত-পা ভাঙ্গার সম্ভাবনা থাকে, সেহেতু ৬০০ফুট উপর থেকে পড়ে জিয়াদ রয়েছে অক্ষত। যা একটা আষাঢ়ে গল্প বিশেষ।
৩. পানি যেখানে ২৩০ ফুটে সেই জায়গায়৬০০ ফুট নিচে বসে জিয়াদ জুস খায় । আজবব্যাপার !!
৪. শীতের দিনে শব্দ ফ্রিকুয়েন্সি অত্যন্ত কম, অবাক করা বিষয় ৬০০ ফুট নিচ থেকে জিয়াদকথা বলে এবং উপরে থাকা বিজ্ঞলোকেরা তা শুনতে পায়। হেডফোন লাগিয়ে মনে হয় শিশুটি কথা বলছিল
৫. বশির নামক একজন জীবনবাজি রেখে জিয়াদকে বাঁচাতে চাইলেন,কিন্তু অজানা কারণে তাকে নামতে দেওয়া হলো না। কারণ সত্যিটা বের হওয়ারসম্ভাবনা থাকতো।
৬.ক্যাচারে করে ক্যামেরা পাঠানো হলো তাও আবার কোন রকম সংযোগ স্থাপনকরে যাতে কিছু দূর গেলেন সিগনালমারে সঠিক ফুটেজ না পাওয়ার আশায়।
৭.অবশেষে যা পাওয়া গেলো তা তো আলাদিনেরচেরাগকে ও হার মানিয়েছে। তেলাপোকা, টিকটিকি, ব্যাঙ, সুতা আর মাকড়শার জাল। যা শাক দিয়ে মাছ ঢাকার অপচেষ্টারশামিল।
৮. অবশেষে তারা গুজব বলে উড়িয়ে দিলেন। তাহলে শালারা এই ১৭ ঘন্টা কিসের উদ্ধার অভিযান চালালেন তারা????????
27/12/2014
রহস্যময় আচরণ নাসিরের, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক
পাইপের মধ্যে ‘পড়ে’ যাওয়া শিশু জিহাদের বাবা নাসির বকুলের আচরণ ছিল রহস্যময়। ঘটনার পর শুক্রবার রাত ২টার দিকে তার সঙ্গে কথা হয় কয়েকজন সাংবাদিকের। ওই সময় তার মধ্যে সন্তানের এতো বড় বিপদের জন্য কোনো উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার বহিঃপ্রকাশও দেখা যায়নি।
তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তিনি ছিলেন প্রায় নিরব। শুধু জানান, মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দারোয়ান তিনি। গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরে। রেল কলোনিতে তিনি ৪১ নম্বর বাসায় থাকেন।
তবে তার সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে স্থানীয় দুইজন যুবলীগ নেতা নাসির বকুলকে কৌশলে সাংবাদিকদের সামনে থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। পরে অবশ্য ওই দুই নেতার নাম জানার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। পাশে থাকা কয়েকজন শুধু জানিয়েছেন, তারা যুবলীগ নেতা।
এদিকে জিহাদের মা খাদিজা বেগম দাবি করেন তার স্বামীকে পুলিশ থানায় ধরে নিয়ে গেছে। পরে শাহজাহানপুর থানায় যোগাযোগ করা হলে ডিউটি অফিসার এসআই শ্যামল চন্দ্র নাসির বকুলকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, রাজধানীর শাহজাহানপুরে রেলওয়ে কলোনিতে দুপুরে প্রায় ৬শ ফুট গভীরে ১৭ ইঞ্চি ব্যাসের পানির পাইপে জিহাদ নামে সাড়ে তিন বছরের শিশুটি পড়ে যায়। শিশুটিকে উদ্ধারে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।
স্থানীয়রা জানান, শিশুটি খেলতে খেলতে হঠাৎ করে উন্মুক্ত পাইপটির ভেতরে পড়ে যায়। পরে বাচ্চাটিকে জীবিত উদ্ধারের চেষ্টা চলায় ফায়র সার্ভিস। তার শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখতে অক্সিজেন সরবরাহ করা হয়। রশি নামিয়ে উপর থেকে চিৎকার করে তা ধরতেও বলা হয়।
তখন শিশুটি বেঁচে আছে বলে দাবি করে ফায়ার সার্ভিস। কারণ উপর থেকে পাঠানো জুস শিশুটি খেয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে, পানির পাম্পটি অনেকদিন পরিত্যক্ত ছিল।
National University "জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়"
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো সেশনজট থাকবে না : উপাচার্য
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন অর রশিদ বলেছেন, এখন থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো সেশনজট থাকবে না। পরীক্ষার তিন মাসের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হবে। কারিক্যুলাম আধুনিক করা হয়েছে। আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলো থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় কার্যক্রম চলবে। কোনো শিক্ষার্থীকে আর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে না। গতকাল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ধানমণ্ডিস্থ নগর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। উপাচার্য বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ্যবই রচনা করা হবে। এতে তাদের পড়াশোনার জন্য আরও সুবিধা বাড়বে। তিনি বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচলিত দ্বিতীয় পরীক্ষক পদ্ধতি অপ্রয়োজনীয় হওয়ায় তা বাতিল করে প্রধান পরীক্ষকের তত্ত্বাবধানে একক পরীক্ষক পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়েছে। এর কারণ হচ্ছে পরীক্ষার ফল দ্রুত প্রকাশ করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের হয়রানি কমবে।
Student club ctg আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য ।দেখুন, জানুন ,অন্যকে জানান।
Click here to claim your Sponsored Listing.