22/09/2026
একটি জরুরি ঘোষণা
আগামীকাল ২৩/০৯/২০২৬ রোজ বুধবার ফাতেহা-ই- ইয়াজদাহাম উপলক্ষে দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ থাকিবে।
চলুন জেনে নেই ফাতেহা-ই- ইয়াজদাহাম কি??
বড় পীর হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রহ.) ২য় রমযান ৪৭০ হিজরী বা ১৯ মার্চ, ১০৭৮ বাগদাদের জিলান শহরে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম আল-সাইয়িদ মহিউদ্দীন আবু মুহাম্মদ আব্দুল কাদির আল-জিলানী আল-হাসানী ওয়াল-হুসানী। তাঁর পিতার নাম আবু সালেহ মুছা জঙ্গী। মাতার নাম সাইয়েদা উম্মুল খায়ের ফাতেমা। তিনি ছিলেন হজরত ইমাম হাসান (রা.) এর বংশধর। বড় পীর হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রহ.) এর জন্ম ইরাকের অন্তর্গত জিলান নামক স্থানে হয় বলে তাকে জিলানী বলা হয়।
হযরত আব্দুল কাদির জিলানী(র:) এর বাল্য শিক্ষার হাতে খড়ি হয়েছিল জ্ঞানবান পিতা ও গুনবতী মাতার মাধ্যমে।তিনি স্বীয় পিতা -মাতার মাধ্যমেই প্রথমিক স্তরের শিক্ষনীয় বিষয়গুলি গৃহে বসেই সমাপ্ত করেছিলেন।সর্বপ্রথমেই তিনি পবিত্র কোরআন পাঠ করা শিক্ষা করেন ও সম্পূর্ণ কোরআন হেফজ করেন।উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি ৪৮৮ হিজরীতে যখন প্রথম তিনি বাগদাদ গমন করেন তখন তার বয়স হয়েছিল আঠার বৎসর। বাগদাদে তিনি জগৎ বিখ্যাত আলেমগনের নিকট জ্ঞান অর্জন করেন এবং ইলমের সকল শাখায় পাণ্ডিত্য অর্জন করেন। তিনি ইলমে তাসাউফের মহা পন্ডিত ছিলেন। অলৌকিক ঘটনাবলীর জন্য খ্যাতি লাভ করেন এবং বড়পীর খেতাবে ভূষিত হন।
তার রচিত বহু গ্রন্থ রয়েছে। এসব গ্রন্থের মধ্যে ফতহুল গায়ের গুনিয়াতুত তালেবীন, ফতহুর রবযানী, কালীদায়ে গাওসিয়া উল্লেখযোগ্য।
হিজরী ৬৬২ সালের ১১ রবিউসসানী বড় পীর হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রহ.) পরলোক গমন করেন। তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। বড়পীর সাহেবের এই ওফাতের দিন সারা বিশ্বের মুসলমানরা প্রতি বছর অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পালন করে থাকেন এবং তার মৃত্যুবার্ষিকী ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহাম হিসেবে পরিচিত।
ফার্সি ভাষায় ফাতেহা-ই- ইয়াজদাহাম মানে ১১ তারিখের দোয়া। যেহেতু এই মনীষী ১১ রবিউসসানী মৃত্যু বরণ করেন সেহেতু ওনার মৃত্যু বার্ষিকীকে ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহাম বলা হয়।