Don’t be a pawn, be a leader.
অতীত বর্তমান এবং আগামী দিনের বিবেচনায় আমাদের জুনিয়রদের জন্য শিক্ষা।
গতবছর আওয়ামীলীগের পতন আমাদের জন্য একটা শিক্ষা দিয়ে গেল। আচ্ছা মোটামুটি আওয়ামী পন্থী সকল উঁচু পর্যায়ের নেতা কিন্তু সেইফ এক্সিট + টাকাপয়সা নিয়ে দেশের বাইরে চলে গেলো। মার খেলো কারা, হেনস্তা হলো কারা? নিচের দিকের নেতাকর্মী অথবা কিছু সুবিধা পাবার আশায় ঘুরে আসা রাস্তার কিছু পান্ডা। আন্দোলনে কিন্তু আহত লাঞ্চিত এমনকি মৃত্যু ও আন্দোলন পরবর্তী আগামী বেশ কিছুদিন এরা হেনস্থার শিকার হবে। কারণ এদের ব্যবহার করা হয়েছে এরা পাতি নেতা অথবা পান্ডা তবে লিডার না৷
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে অনেক মুহুর্ত আসবে বিভিন্ন সংগঠনের, ক্লাবের বা সামাজিক অনেক সংস্থার। তোমাদের ব্যবহার করার পাঁয়তারা করে কিছু ব্যক্তিবর্গ ক্যারিয়ারে উপরে উঠে যাওয়ার ধান্ধা করবে। অনেক কিছুর লোভ দেখানো হবে, হতে পারে লবিং বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি, রাজনৈতিক পজিশন এমন অনেক কিছু। সবসময় মনে রাখবা এসব ধান্ধাবাজি থেকে দূরে থাকার কারণ কেউ না কেউ তোমাকে ব্যবহার করে ফায়দা নিবে এবং দিনশেষে নেতা হতে গিয়ে পান্ডা হয়ে থাকবা এবং সময় একাডেমি এবং ক্যারিয়ার স্যাক্রিফাইস এর পাশাপাশি অনেক মানুষের বদদোয়া নিয়ে ক্যাম্পাস ছাড়া লাগবে। তোমার সময় যোগ্যতা এগুলা বিল্ড করবা স্পেসিফিক ভাবে। লিডারশীপ কোয়ালিটি ডেভেলপ করার জন্য সবসময় ছোট থেকে বড় হতে হয় তবে নিজের ফিউচার এনালাইসিস করবা যাতে যোগ্যতার মাধ্যমে যে কোনো সংগঠনে সিগনিফিকেন্ট পজিশনে যেতে পারো, কেউ যাতে তোমাকে ঠেকাতে না পারে। বিশ্বস্ত সিনিয়র থেকে পরামর্শ নিবা বিশেষ করে যাদের সাথে সাংগঠনিক স্বার্থ থাকবে না। যদি তোমার বড় অবস্থানে যাওয়ার যোগ্যতা থাকে তবে কাজ করবা সংগঠনে নাহলে লাল সেলাম দিয়ে এগুলা থেকে অবশ্যই দূরে থাকবা৷ অবৈধ কোনো কাজ করা থেকে বিরত থাকবা, কারো হক নিয়ে ছেলেখেলা করবা না আর অবশ্যই নিজ কাজে সৎ থাকবা। বিশ্ববিদ্যালয়ে কারো ইনফ্লুয়েন্স এ ওপর কারো সাথে ঝগড়া, মারামারি এসব করবা না৷ দিন শেষে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে চেষ্টা করবা এবং রিস্ক এনালাইসিস করবা কার জন্য কি করতে গিয়ে কি হারাচ্ছো এই বিষয় বুঝতে না পারলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হতাশা নিয়ে বের হওয়া লাগবে। লিডার হওয়া মানে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা থাকা, সার্বজনীন বৈষম্যহীন ন্যায় কাজ করা।
So be a leader not a pawn.
CVASU Undergraduate Grooming Forum
দেশের বর্তমান অবস্থায় সিভাসুর শিক্ষার্থীদের সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদানই আমাদের সংকল্প।
সিভাসু শুভ ক্যান্টিন : আফসোস নাকি সম্ভাবনা?
দীর্ঘ সময় ধরে সিভাসুর বড় সমস্যা গুলোর একটা হলো শুভ ক্যান্টিন। এই ক্যান্টিনে এক ধরনের যাদু আছে, যেই যাদুর বলে ক্যান্টিনের শুরুতে মান ধরে আর শেষ করে মানের জঘন্য অবস্থা করে। চীনের দু:খ হোয়াংহো নদী আর সিভাসুর দু:খ শুভ ক্যান্টিন।
আফসোস তো অনেক হলো এখন সম্ভাবনা কি আসতে পারে এর মাধ্যমে! সম্ভাবনা হলো সিভাসুর আছে একটা ফুড সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি ফ্যাকাল্টি। আদৌতে মনে হতে পারে একটা ফ্যাকাল্টি কিভাবে শুভ ক্যান্টিন সমস্যা সমাধান করবে৷
একটা হাইপোথিসিস, যদি এমন হয় যে ফুড সায়েন্স ফ্যাকাল্টির মোস্ট সিনিয়র থেকে মোস্ট জুনিয়রের প্রতি ব্যাচের কয়েকজন নিয়ে একটা সুন্দর কমিটি থাকবে যারা ডাইনিং এর মতই প্রতি ২-৩ মাস পর পর মডারেশন করে ক্যান্টিন পরিচালনার দায়িত্ব নিবে৷ এতে সর্বোচ্চ মানের খাবারের নিশ্চয়তা পাওয়া যাবে এবং শিক্ষার্থীদের একটা বিজনেস, এন্টারপ্রেনারশীপ, প্রফিট মার্জিন, ম্যানেজমেন্ট এন্ড কোয়ালিটি ডেভেলপমেন্ট স্কিল গুলা অর্জনের সুযোগ হবে৷
স্ন্যাক্স টিম, জুস টিম, বেকারি টিম, লাঞ্চ টিম, ডিনার টিম করে কয়েকটা টিমে ভাগ করে দিলে বেস্ট আউটকাম আসার পসিবিলিটি তৈরি হবে পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও কিছু প্রফিট ইনকামের মাধ্যমে একটা প্রফেশনাল কাজের ছোট অভিজ্ঞতা পাবে।
UMT তে ফুড সায়েন্স এর শিক্ষার্থীরা একেকটা প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট এবং মার্কেটিং করে সেই তাদের ইনোভেশন গুলা ওখানেই শেষ না হয়ে দেশে যদি স্ট্যান্ড আউট প্রোডাক্ট হিসেব দাঁড়ানোর একটা প্ল্যাটফর্ম পায় তাহলেই তো সফলতা।
পুরা বিষয়টা হাইপোথিসিস এখানে অনেক ত্রুটির শঙ্কা থাকে তবে অনেক তো এক্সপেরিমেন্ট করা হলো শুভ ক্যান্টিন নিয়ে। আরেকটা নাহয় এক্সপেরিমেন্ট করে দেখা যাক?
Know thy worth!!
So after many days we are back to groom our junior brothers and sisters on a much more important topic. (চট্টগ্রামের পার্ট টাইম চাকরি নামের প্রহসন পড়ুন নিচে👇)
সবকিছুরই একটা মূল্য আছে, সেটা হতে পারে অভিজ্ঞতা, স্কিল অথবা নতুনত্ব। সদ্য গ্র্যাজুয়েট ফ্রেশার মানেই যে তুমি অনেক ছোট ব্যপারটা তা নয়। তুমি একটা সম্ভাবনা, এই সম্ভাবনার অনেক দাম একটা ভালো এমপ্লয়ার এর কাছে। নতুন যে কোনো কিছু তুমি শিখতে পারো, তোমাকে দিয়ে নতুন উদ্যমে কাজ উদ্ধার করা যাবে, তুমি একটা ফ্রেশ এনার্জি নিয়ে আসো একটা জব প্লেসে অথবা রিসার্চ ল্যাবে।
আজ মূলত কথা হবে তোমার মূল্য নির্ধারন নিয়ে৷ দেখো আমাদের সিভাসু ক্যাম্পাস থেকে তুমি যদি চকবাজার যেতে কোনো সিএনজি নিতে যাও সে একটা নির্দিষ্ট দামের নিচে কখনোই যেতে রাজি হবে না সেটা হতে পারে ৮০-১৫০ টাকার আশেপাশে কিছু। এখন হিসেব করলে দেখা যায় ৫০টাকা ভাড়া নিলেও সিএনজির কিন্তু যথেষ্ট লাভ আছে তবুও সে খালি সিএনজি নিয়ে যাবে এই দামে কাউকে নিবে না, কারণ সে তার মূল্য কমাতে রাজি নয়, এটা তার ইন্টিগ্রিটি, পার্সোনালিটি। যখন সদ্য গ্র্যাজুয়েটরা চাকরির বাজারে বের হয় তখন তাকে নিয়ে এমপ্লয়াররা একটা সুক্ষ্ম গেইম খেলে। তারা তোমাকে ফ্রেশার বলে খুব কম বেতনে অনেক বেশি কাজ উদ্ধারের একটা মন মানষিকতা নিয়ে হামলা করে। মূলত যখন এমপ্লয়ার বুঝতে পারে যে তুমি এই জবের জন্য ডেসপারেট তখনই তোমাকে এক্সপ্লয়েট করার ধান্ধা শুরু হয়ে যায়। উদাহরণ স্বরূপ ডিভিএম গ্র্যাজুয়েটদের চট্টগ্রাম ভিত্তিক পার্ট টাইম জব গুলার কথাই ধরি। চট্টগ্রামের পেট ক্লিনিক গুলায় পার্ট টাইম জবের নামে মিনিমাম স্যালারি সাধারনত ৮০০০ কিংবা কিছুটা বেশি টাকা ধরা হয়। একজন ডিভিএম গ্র্যাজুয়েট ইন্টার্নি শেষ করে ১৫০০০ টাকায়। ইন্টার্ন শেষে একজন ফুল ফ্লেজড লাইসেন্স ধারী ডাক্তারকে অফার করা হয় ৮০০০ টাকা! আচ্ছা একটা সিকিউরিটি গার্ডের বেতন কত? কিংবা একজন হাউজহেল্প বা বাসা বাড়ির কাজের লোকের স্যালারি কত? এই প্রশ্ন মাথায় ঢুকলেই তখন অযৌক্তিক মনে হবে এই মিনিমাম স্যালারির মারপ্যাচ। তোমার মূল্য কি এতটাই কম যে ৮০০০ টাকায় তোমাকে ৪-৫-৬ ঘন্টার জন্য তোমার লাইফের সবচেয়ে প্রসপেক্টিভ টাইমে তোমাকে এক্সপ্লয়েট করা যাবে? তোমাকে কনট্রাক্ট সাইন করিয়ে নেয়া হবে উপরন্তু। ৮ ঘন্টা যেখানে ফুলটাইম চাকরির সময় সেখানে পার্ট টাইম ৫-৬ ঘন্টা একটা বড় ট্র্যাপের মত কারণ সার্ভিস জব কখনোই বরাবর টাইমে শেষ হয় না। তোমার ইমার্জেন্সি পেশেন্ট থাকলে অথবা বের হওয়ার সময় পেশেন্ট আসলে তুমি কখনোই সেটা ফেলে রেখে ঘড়ির কাটা মোতাবেক বের হতে পারবা না। আবার এক্সট্রা যে ডিউটি দিবে সেটার কোনো ওভার টাইম স্যালারি চট্টগ্রামের পেট ক্লিনিকে হিসেব করা হয় না। মজার ব্যপার হলো এখানে বহুল প্রচলিত কথা চট্টগ্রামের ক্লিনিকে ইনকাম জেনারেট কম হয় তাই অফার করা হয় কম টাকা যা ডাহা মিথ্যা কথা! চট্টগ্রামে ক্লিনিক মেইনটেইনেন্স এর খরচও ঢাকার চেয়ে অনেক অনেক গুনে কম।এখানে ক্লিনিকের মালিকগন পার্মানেন্ট ফ্ল্যাগশিপ ডাক্তার রেডি করার চিন্তা করে না, তারা সম্পূর্ণ ব্যবসায়ীক চিন্তায় মগ্ন কারণ প্রতিবছর ৯০+ ডিভিএম গ্র্যাজুয়েট বের হচ্ছে অনেকেই ক্যারিয়ার সমৃদ্ধ করার জন্য এক্সপেরিয়েন্স নেয়ার জন্য হলেও ক্লিনিকে আসবে এবং এই ক্লিনিকের মালিকগন পেয়ে যাবে প্রতি বছরের পাইপলাইন। এজন্য তোমাকে জানতে হবে তোমার মূল্য কত আসলে। এখানে পার্ট টাইমের নামে যে একটা বাজে সিন্ডিকেট চালু আছে যারা সেবার মানের চেয়ে ব্যবসায় মগ্ন বেশি, এই সিন্ডিকেট ভাঙ্গা জরুরি অথবা এই ট্র্যাপ থেকেই দূরে থাকা জরুরী। যদি পেট এনিম্যাল সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়ার শখ থাকে তবে ঢাকায় চাকরি বেছে নেয়াই উত্তম আর মেডিসিন সার্জারির মত সাবজেক্ট এ মাস্টার্স করলে রেগুলার SAQTVH এ তোমার ডিউটি দেয়া লাগবে কারণ তুমি রেসিডেন্ট ডাক্তার এই হাসপাতালের। তাহলে অন্তত ১বছরের এক্সপেরিয়েন্স এবং চট্টগ্রামের সবচেয়ে বেশি পেশেন্ট যেহেতু SAQTVH এই আসে এটা তোমার স্কিলও বাড়াতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি ইন্টার্নিশিপ পর্ব থেকেই কিছু সেভিংস এবং হাতখরচ চালানোর জন্য টিউশন অনেক বেটার অপশন। প্রথম চাকরির সুন্দর অভিজ্ঞতা নিয়ে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারো এই শুভকামনা থাকবে সবার জন্য। আর মনে রাখবে তোমার মূল্য কত! একজন সিএনজি চালক যদি তার ইন্টিগ্রিটি বজায় রেখে Never settle for less মানষিকতা নিয়ে এগিয়ে যেতে পারে, তুমি একজন ডিভিএম গ্র্যাজুয়েট, একজন ডাক্তার ইন্টিগ্রিটি ধরে এগুলা এভয়েড করতে পারবা না? অবশ্যই পারবা!
সব শিক্ষার্থীদের জন্য যারা আপকামিং গ্র্যাজুয়েট হবা এটা একটা স্টার্টিং লেসন, Never settle for less, know thy worth!
To all of my juniors,
Life is not fair, it is the ultimate truth. The worthy don't get their desired positions, jobs or respect all the time. The harsh truth is you will see a glimpse of unfairness in CVASU through the systems, exams mostly through teachers. Not every finger in your hand is equal and neither are all the students. Favouritism lobbying these will remain here until the end of the world. On a positive note your University is preparing you for the more cruel outside world, so learn from experience. If there are 10 seats for a position 6 of them will be occupied in an illegal dishonest way. So you have to work hard for those 4 seats. Be honest be disciplined, try to secure a position where you can change a system. Most importantly try to recognise people, those with the sweetest words may be evil and those with the harshest voice may be good. The more you understand people and their motive, the better your life will be ahead.
A truth that every undergraduate should remember!
কানেকশন এবং নেটওয়ার্কিং এগুলা আমরা সচরাচর ব্যবহার করি অনেক। কি এই বিষয়টা? একটা সিনারিও কল্পনা করো, তুমি ক্লাসে অনেক ভালো রেজাল্ট করো। মোটামুটি ভালো স্টুডেন্ট এবং ডিভিএম/ফিসারিজ/এফএসটি যে কোনো ফ্যাকাল্টি থেকে পাশ করে বের হলে। তোমার আরেক বন্ধুও পাশ করে বের হলো, সে কিন্তু একাডেমিকে কোনোভাবে পাশ করে বের হইসে সিজিও মোটামুটি মানের। কিন্তু পাশ করে বের হবার পর ও কোনো রেপুটেড কোম্পানিতে খুব ভালো পজিশনে জব পেয়ে গেলো। তোমার মধ্যে চাপা আক্ষেপ যে আমি তো যোগ্যতা রাখি ওখানে ঐ পজিশনে জব করার। একটা সুপিরিয়র সেন্স কাজ করে তোমার মধ্যে যেটা তোমাকে খুবই পীড়া দেয়। এখানে কিন্তু একটা টুইস্ট হর হামেশাই থাকে এবং এটা প্রতিষ্ঠিত সত্য যে যোগ্যতার বিচারে তোমার নিজেকে বেশি বড় মনে হতেই পারে তবে ওর যোগ্যতা তোমার চেয়ে বেশি বলেই ও চাকরিটা পেয়েছে। ওর যোগ্যতা হলো ওর পরিচিতি, ও সেইসব সিনিয়রের সাথে পরিচিত যাদের দেখে তুমি পাশ কাটিয়ে হেঁটে যেতে, হয়তো ক্যান্টিনে বা ডাইনিং এ অনেকবার ধাক্কাধাক্কি করেছো, অথবা পাত্তা না দিয়ে সামনে চলে গেসো। ঐ সিনিয়র তোমারও আবার তোমার বন্ধুরও তবে প্রেফারেন্স তোমার বন্ধুর বেশি। এই যে এটা হলো কানেকশন, যেই যোগ্যতা তোমার কম তাই তুমি পিছিয়ে৷ আবার মনে করো কোনো একটা প্রোগ্রামে তুমি গিয়ে খেয়ে দেয়ে চলে আসলা তোমার তো এক্সাম আছে, তবে তোমার বন্ধু ঐ প্রোগ্রাম এরেঞ্জ করেছে, এভাবেই অনেক মানুষের সাথে তুমি পরিচিত হলে, একজনের সাথে কথা বলতে গিয়ে অন্য একজনের সাথেও পরিচিত হলে। এটা হচ্ছে নেটওয়ার্কিং। চাকরির ক্ষেত্রে যার নেটওয়ার্কিং ভালো তার যোগ্যতা বেশি। সে ইন্টারভিউতে সহজেই উতরে যায় + তার এই গুনের কারণে কোম্পানিও অনেক লাভবান হয়৷ এভাবেই একজন সাধারন ছাত্র একজন এক্সট্রা অর্ডিনারি ছাত্র থেকে এগিয়ে যায় জীবন যুদ্ধে৷
এই অব্লস্থা এর পরিপ্রেক্ষিতে কি করা যেতে পারে?
১. সিনিয়র ব্যাচের সবার সাথে পরিচিত হবা সালাম দিবা৷ (সালাম দিলেই কেউ ছোট হয়ে যায় না, সংকীর্ণ মানসিকতা ত্যাগ করে ঘনিষ্ঠ হতে চেষ্টা করবা)
২. ইচ্ছাকৃত অনিচ্ছাকৃত সকল বেয়াদবি পরিহার করার চেষ্টা করবা। (সিড়িতে কিংবা লিফটে উঠানামা, ক্যান্টিনে ডাইনিংএ ধাক্কাধাক্কি করা)
৩. ইমিডিয়েট সিনিয়রের মাধ্যমে উপরের সিনিয়রদের খোঁজ নিবা,স্বউদ্যোগে দেখা করবা কথা বলবা। (কেউ তোমার শত্রু না, দেখা করে খোঁজ নিয়ে নেটওয়ার্কিং বাড়াবা উলটো দেখবা তোমার সিনিয়রের কাছে শীট পাচ্ছো, নাস্তা পাচ্ছো, গাইডেন্স পাচ্ছো)
8. ফার্স্ট ইয়ারে থাকা অবস্থায় চেষ্টা করবা মাস্টার্স পর্যন্ত রানিং ব্যাচে যারা আছে সবার সাথে কিছুটা পরিচিতি মেইনটেইন করতে, এই সিনিয়রদের ১ বছর পর আর পাবা না। তাই সুযোগ থাকতেই নেটওয়ার্ক পাকাপোক্ত করে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।
খুব কমন যে বিষয়টা সিনিয়রের সাথে নেটওয়ার্ক করলে পাওয়া যায় তা হলো ক্যারিয়ার গাইডেন্স, কোথায় জব ভালো কোথায় না যাওয়া বেটার, বিসিএস এর জন্য কিভাবে পড়বা, রিসার্স কিভাবে শুরু করবা, কোন টিচারের সাথে কাজ করলে তোমার জন্য ভালো, কাদের এড়িয়ে চলবা, কোন ক্লাস কোনোভাবেই মিস দেওয়া যাবে না, কিভাবে পড়া গোছাবা, শীট পত্র পাওয়া সহ অনেক অনেক কিছু অভিজ্ঞদের মতামতে অনেক সহজ হয়ে যায়৷ ক্যাম্পাসে র্যাগিং বন্ধ, কেউ তোমাকে কিছু নিয়ে চাপ দিবে না বকাবকি করবে না। তবে যারা র্যাগ বা পরিচিত পর্বের আমলে ছিলো ওদের নেটওয়ার্ক এখনকার শিক্ষার্থীদের থেকে অনেক বেটার। ইন্টার্নি থেকে শুরু করে পাশ করে বের হওয়া পর্যন্ত বাইরের অর্গানাইজেশন, ক্যাম্পাসের অর্গানাইজেশনে অনেক মানুষের সাথে পরিচিতি বা নেটওয়ার্ক করার সুযোগ হবে যেটা তোমার সাথে সিনিয়রের ভালো সম্পর্ক অনেকটা সহজ করে দিবে৷
সর্বোপরি মনে রাখবা : সবাই দিনশেষে সিনিয়র হবা, ১বছরের রাজার গল্পের মত বিষয়টা। তুমি রেস্পেক্ট দিবা না নেটওয়ার্কিং দুর্বল হবে, তুমি নিজেও সিনিয়র হওয়ার পর দেখবা Karma তোমাকেও হিট করতেসে৷
19/04/2025
Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Salmon Shah Arfath, Md Naim Uddin Nipu, Taufiqul Haque Borson, MD Borhan Uddin Rana, DR-Borhan Uddin Sazzad, Dauthing Sing Marma, পীযুষ দে, Arfadul Islam, Dr-Nayem Uddin, Iftakhar Rahman Sajib, HM Kaiser, Kayenat Sultana, Samia Jahan Ritu, Fariat Muntaha, Md. Mahamudur Hasan Hasan, Md. Siddikul Rahman, Robiul Islam Mishad, Sumaya Opy, Md Shahariar Hossain Talukder, Rizuwanur Rahman Sayeed, Tanvir Kabir Roman, Ayesha Siddika Meem, Md Sajib Ahmmed, মোঃ আবদুল্লাহ আল ইমরান, Yasin Arafat
**হার্ডস্কিল এবং একজন সিভাসু স্টুডেন্ট**
সিভিতে যোগ করার মত কিছু স্পেশাল স্কিল নিয়ে আজ আলোচনা হবে৷
হার্ড স্কিল বা স্পেশাল স্কিল গুলো বলতে আমরা কি বুঝি?
একজন সিভাসুর সাধারন শিক্ষার্থী হিসেবে কি কি স্কিল তৈরি করা প্রয়োজন?
হার্ড স্কিল সাধারণত যেগুলা আমরা জানি এগুলা হচ্ছে কম্পিউটার বেইজড স্কিল গুলা যেমন MS Word, Excel, Power point এগুলাই সার্বজনীন। বর্তমান সময়ে আসলে এগুলা একদম বেসিক স্কিল অর্থাৎ এগুলা তো থাকেই এর বাইরে তোমার কি আছে বলো? সিভাসুর গ্র্যাজুয়েটরা এক্ষেত্রে অনেক ব্লেসড যদি সুযোগ কাজে লাগাতে পারে। কেন ব্লেসড? কারণ এখানে ফ্যাকাল্টি ভেদে সব শিক্ষার্থী কিছু ল্যাব বেইজড প্র্যাকটিকাল গুলোকে হার্ড স্কিল হিসেবে বা ল্যাব বেইজড স্কিল হিসেবে দেখাতে পারে৷ যেমন ফিসারিজ এবং ডিভিএম এর শিক্ষার্থীরা ফিশ-শ্রিম্প রেশন, পোল্ট্রি-ডেইরি রেশন তৈরি করা শিখে নেয়। এগুলা চাকরির ক্ষেত্রে আপনাকে এক ধাপ এগিয়ে রাখে। ফুড সায়েন্স এর ক্ষেত্রে হিউম্যান ডায়েট চার্ট, জিম-হসপিটাল বিভিন্ন মানুষ ভেদে ডায়েট চার্ট তৈরি করতে পারা এটা অনেক বড় স্কিল৷ এগুলা সিন্সিয়ারলি ক্লাস প্র্যাকটিকাল এর মাধ্যেম শিখে নিলে আপনার তাবৎ জীবনভর কাজে লাগতে পারে আর সিভি তো রিচ হচ্ছেই৷ এছাড়াও সব ফ্যাকাল্টিই মাইক্রোবায়োলজি, ফিজিওলজি বায়োকেমিস্ট্রির ল্যাব ভিত্তিক অনেক এক্সপেরিমেন্ট এর সাথে পরিচিত৷ বিশ্বাস করেন এই স্কিল গুলা ভালোভাবে আয়ত্ত করে নিলে ভবিষ্যতে অবশ্যই আপনি অন্যান্য অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট থেকে এগিয়ে থাকবেন৷ আপনি যখন বাইরের দেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যাবেন আপনার এই স্কিল গুলো শুধু লিখে নয় শিখেও যেতে হবে তখন আপনি গ্র্যাজুয়েট রিসার্চ এসিস্ট্যান্ট কেউ আপনাকে ধরে ধরে শেখাবে না এগুলা। যেই সাবজেক্ট টার্গেট করে বাইরের দেশে পড়তে আগ্রহী সেই সাবজেক্ট এর ল্যাব বেইজড সব কাজই আপনার হার্ড স্কিল। এর পাশাপাশি আরও ২-৩টা স্কিল সবার থেকে আপনাকে এগিয়ে রাখবে সেগুলা কম্পিউটার বেইজড। R, Python এসব প্রোগ্রামিং, ডেটা এনালাইসিস এর জন্য STATA, R এবং ম্যাপিং এর জন্য Arc GIS এগুলা ধীরে ধীরে শুরু করেন। বেটার ২য় বর্ষ থেকেই এগুলা শিখতে শুরু করা তখনও প্রেশার কম থাকে এবং পাশ করে বের হওয়ার মুহূর্তে আপনার এই স্কিল গুলা শেখা হয়ে যাবে। যে শিক্ষার্থী যে পর্যায়ে থাকুক না কেন এই স্কিল গুলা এখনো ডেভেলপ করার সময় থাকলে শুরু করে দেয়া উচিত শেখা, এগুলা শিখে নেন আপনাকে কারও পিছে ছুটা লাগবে না, সুযোগ আপনাকে ইনশাআল্লাহ খুজে আসবে৷ সবার জন্য শুভকামনা।
**সিভি এবং সফট স্কিল **
সিভি তৈরি করার সময় একটা বড় সমস্যা, স্কিলের জায়গায় কি লিখবো! সচরাচর যে স্কিল একজন গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্ট লিখে থাকে এর মধ্যে দুইটা পার্ট আছে একটা সফট স্কিল একটা হার্ড স্কিল। সফট স্কিল গুলা সাধারনত হয় কমিউনিকেশন, পাবলিক স্পিকিং, লিডারশীপ, টিমওয়ার্ক ইত্যাদি। এক্ষেত্রে বেশিরভাগ স্টুডেন্ট এর একটা বড় সমস্যা আছে অনেকেই এগুলা শুধু সিভি এনরিচ করার জন্যই বসিয়ে দেয়। হাইলি কম্পিটেটিভ জবের ক্ষেত্রে সিভি দেখে তখন বাদ দেয়া যায় কিভাবে সেটা চিন্তা করে এমপ্লয়ার, তো ভুল তথ্য লিখলে ইন্টারভিউতে সহজেই সেটা ধরা যায়। তাহলে সফট স্কিল গুলা ডেভেলপ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই ন্যাচারালি অনেক এক্সট্রোভার্ট সভা মঞ্চে অনর্গল কথা বলতে পারে তাদের জন্য বিষয়টা খুবই সহজ৷ তবে যারা একটু ইন্ট্রোভার্ট টাইপের তাদের ক্ষেত্রে এটা অনেক বড় চ্যালেঞ্জ এ রূপান্তরিত হয়৷ এই চড়াই উতরাই থেকে বের হওয়ার সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হচ্ছে আড্ডা দেওয়া গল্প করা। আপনার চারপাশে একটা বাবল তৈরি হয় সেটা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য তাই ফ্রেন্ড গ্রুপ অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে৷ কথা বলেন তর্ক যুক্তিতে ছোট ছোট কনভার্সেশন দিয়ে শুরু করেন একসময় দেখা যাবে সবচেয়ে চুপচাপ থাকা আপনিই গ্রুপের বাচালে পরিনত হয়ে গেছেন। এই যুগে টিকে থাকার জন্য তাই সোজা বাংলায় বাচাল হওয়া অপরিহার্য। এই তো গেলো ডে টু ডে লাইফের ব্যপার, এখন যদি মঞ্চে বা বড় সভা সেমিনারে অপরিচিত মানুষ কিংবা আপনার পরিচিত গুরুজন শিক্ষক ইত্যাদি ক্ষেত্রে আপনাকে কথা বলতে হয় সেটা পারবেন কিনা! এর জন্য সিভাসুর একটা সুন্দর গ্রুমিং প্লাটফর্ম আছে সিভাসু ডিবেটিং সোসাইটি অথবা প্রাঙ্গণ অথবা অন্য যেকোনো সংগঠনও আপনাকে এই স্পিকিং এ হেল্প করবে। যুক্তি তর্কে জড়তা দূর হয় খুব দ্রুত, আপনাকে চ্যাম্পিয়ন ডিবেটার হতে হবে ব্যপারটা এমন না, তবে একটা ব্যাপার আছে সঙ্গদোষে লোহা ভাসে। এখানে সঙ্গ গুনে গুনান্বিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি৷ অন্যান্য অরাগানাইজেশনের ক্ষেত্রেও মাসিক সভায় রিপোর্ট পরিবেশন, ছোট বড় প্রোগ্রামে কিংবা জাতীয় প্রোগ্রাম গুলায় উপস্থাপনা করা, সিভাসুর উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন, পোস্টার বা পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করাসহ ইত্যাদি সাহায্য করবে এই পাবলিক স্পিকিং এবং কমিউনিকেশনে৷ ভার্সিটির ৫ বছরে এসব সংগঠনে ১-২ বছর সময় দিলেই এই স্কিল গুলো আপনার আয়ত্ত হয়ে যাবে৷ এখন সিভিতে খুশিমনে যোগ করেন সৎ সাহসে এই সফট স্কিল গুলা এর পাশাপাশি এক্সট্রাকারিকুলার একটিভিটি অংশও রিচ হয়ে গেলো। সিভাসু প্রোডাক্ট নামে নয় গুনে সেরা হবে ইনশাআল্লাহ।
Educational Consultancy বিষয়টা শুনতে খুব স্বাভাবিক মনে হলেও এর প্রয়োজনীয়তা ব্যাপক। বর্তমান পরিস্থিতিতে একজন দক্ষ গ্র্যাজুয়েটও প্রচুর ডিপ্রেশনে পড়ে যায় সামাজিক, অর্থনৈতিক, পারিবারিকসহ বিভিন্ন কারণে৷ অর্থাৎ দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও অনেকেই পিছিয়ে পড়ছে যেটা সঠিক গাইডেন্স এর মাধ্যমে প্রতিরোধ করা সম্ভব৷ ডে ওয়ান স্কিল কি? চাকরির ইন্টারভিউ কেমন? স্যালারি নেগোসিয়েশন কিভাবে করে? আমার দক্ষতা কতটুকু? সিভি তৈরি করলে সেটা খালি পড়ে থাকে কেন? ইত্যাদি প্রশ্নের উত্তর খুব ছোট কিন্তু এই উত্তর বাস্তবিক পরিবেশে খুঁজে বের করা খুবই কঠিন৷ একজন শিক্ষার্থী ইন্টার্নিতে কিভাবে প্লেসমেন্ট ম্যানেজ করবে, কিভাবে সিনিয়রের সাথে নেটওয়ার্কিং করবে এই বিষয়ে ধারনা থাকা আবশ্যক৷ সিভাসুর গ্র্যাজুয়েট গবেষণায় প্র্যাকটিসে সরকারি বেসরকারি চাকরিতে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও যাতে পিছিয়ে না পড়ে এবং হেনস্তার শিকার না হয় তারই উদ্দেশ্য নিয়ে আমরা কাজ করে যাওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Chittagong