20/04/2026
বাংলাদেশ বেতারে সংবাদ পাঠিকা হিসেবে প্রথমবার মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়ানোর দিনটা আজও আমার জীবনের সবচেয়ে বড় টার্নিং পয়েন্ট। সেই মুহূর্তেই বুঝেছিলাম—স্বপ্ন যদি সত্যি করতে হয়, তবে নিজেকে প্রতিনিয়ত তৈরি করতে হবে। এরপর একের পর এক আন্তর্জাতিক কোর্স, নতুন স্কিল শেখা, আর নিজের সম্ভাবনাকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়ার সাহস—এই যাত্রাই আমাকে পৌঁছে দেয় গ্রামীণফোন অ্যাকাডেমিতে।
মজার বিষয় হলো, সেখানে আবেদন করার পর আমার সিভি দেখেই তারা আমাকে ইন্টারভিউ ছাড়াই পরের দিন যোগ দিতে বলেছিল। সেই বিশ্বাস, সেই স্বীকৃতি—আমার আত্মবিশ্বাসকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায়। বাংলাদেশ বেতার এবং গ্রামীণফোন অ্যাকাডেমি—এই দুই প্রতিষ্ঠান আমার ক্যারিয়ারের ভিত্তি গড়ে দিয়েছে, আমাকে শিখিয়েছে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে।
সেই অভিজ্ঞতা থেকেই জন্ম “কাঁকইয়ের পাঠশালা”।আজ আমি গর্বের সঙ্গে বলতে পারি—এখানকার শিক্ষার্থীরা শুধু শেখেই না, তারা জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের প্রমাণ করছে। আমার ট্রেনিং নেওয়া শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের বিভিন্ন ন্যাশনাল প্ল্যাটফর্মে সঞ্চালনা করছে, সংবাদ পাঠ করছে। এমনকি আমাদের ছোট্ট শিশুরাও “নতুন কুঁড়ি”-র মতো জাতীয় মঞ্চ থেকে পুরস্কার ছিনিয়ে আনছে।
এটা শুধু একটি ট্রেনিং সেন্টার নয়—এটা আত্মবিশ্বাস তৈরি করার জায়গা, স্বপ্নকে কণ্ঠ দেওয়ার জায়গা, মঞ্চভীতি কাটিয়ে নিজেকে আবিষ্কার করার জায়গা।আজ “কাঁকইয়ের পাঠশালা” বাংলাদেশের প্রথম সারির ট্রেনিং প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে—এটাই আমার সবচেয়ে বড় অর্জন, সবচেয়ে বড় গর্ব।
আপনার সন্তানের ভেতরেও কি লুকিয়ে আছে একজন দক্ষ উপস্থাপক, সংবাদ পাঠক বা আত্মবিশ্বাসী বক্তা?তাহলে আজই তাকে নিয়ে আসুন “কাঁকইয়ের পাঠশালায়”।কারণ সঠিক গাইডলাইন পেলে—স্বপ্ন শুধু স্বপ্ন থাকে না, বাস্তব হয়ে ওঠে।
কাঁকইয়ের পাঠশালা —কণ্ঠে আত্মবিশ্বাস, মঞ্চে ব্যক্তিত্ব, ভবিষ্যতে সাফল্য।